আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনির বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের দীর্ঘ তিন বছর ধরে জলাবদ্ধতার কারণে আমন চাষ বঞ্চিত হাওয়ায় জলাবদ্ধতা থেকে নিরসনের লক্ষ্যে খনন কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১১টায় বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের কালকীর স্লইচ গেটের সামনে কপোতাক্ষ নদীর খনন কাজ উদ্বোধন করা হয়। খনন কাজ উদ্বোধন কালে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক ও বড়দল ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ আজহারুল ইসলাম মন্টু। তিনি বলেন, দীর্ঘ তিন বছর জলাবদ্ধতার শিকার ছিল বাইনতলা, ফটিকখালী, খালিয়া, পিরোজপুর, রাউতাড়া, গজুয়াকাটিসহ ১০ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমির ফসল থেকে বঞ্চিত মানুষ। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বড়দল ও খাজরা ইউনিয়নের শত শত সাধারণ জনগনের সাথে নিয়ে স্কেভেটার মেশিন দিয়ে মাটি খননের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ হলে সাধারণ মানুষ জলবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে ও আমন চাষ করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, দেশ নায়ক তারেক রহমান সাধারণ জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারই অংশ হিসাবে গত ৫ তারিখ থেকে সাধারণ মানুষের সাথে আছি এবং নির্যাতিত নিপীড়ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়দল ইউপি সদস্য দেবব্রত কুমার মন্ডল, খাজরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব ইউনুস আলী, ইউপি সদস্য হাসমত আলী, রবিউল ইসলাম, খাজরা বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি, বড়দল বিএনপি নেতা কালাম মোল‍্যা সহ দুই ইউনিয়নের শতাধিক ভুক্তভোগী জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় একটি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন এবং ১ কেজি ৯৯৫ গ্রাম রূপার গহনাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি। আটক তরিকুল ইসলাম কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত. লুৎফর রহমানের পুত্র।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কলারোয়া সীমান্তের কাকডাংগা এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তরিকুল ইসলামকে আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্ণেল আশরাফুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ ভাদিয়ালী সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র গোলাবারুদ পাচার হচ্ছে এমন খবরে নায়েব সুবেদার আবু তাহের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে। এসময় তরিকুল ইসলামকে আটক করা গেলেও আব্দুল গফফার নামক ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। গফফার পূর্ব ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের পুত্র। পরে তরিকুলকে তাল্লাশী করে ১টি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন, ১ কেজি ৯৯৫ গ্রাম রুপা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৪টি মাদক মামলা এবং পলাতক গফফারের বিরুদ্ধে ২টি অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে জানান অধিনায়ক। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মানব সেবায় নিয়োজিত বন্ধু যুবসংঘ ও বন্ধু ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা এ এম তাসনিম আহমেদ অন্তু।

বক্তব্য রাখেন, কাল ভৈরব মন্দির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রতন দাশ, ভুক্তভোগী মাসুদ রানার মা মাছুরা খাতুন, সংগঠনের নেতা বিষ্ণমন্ডল, শ্রমিক নেতা মো: রনিসহ সংগঠন এবং এলাকার লোকজন।

এসময় বক্তারা বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়ায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানাভাবে নির্যাতিত এবং একাধিক মিথ্যা মামলায় হয়রানি হয়েছেন তিনি। ৪বছর জেল হাজতও খেটেছেন। ওই সময়ে হওয়া মামলাগুলো সবই মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। মাসুদ রানা এলাকায় বন্ধু যুবসংঘ ও বন্ধু ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে মানব সেবায় অবদান রেখে আসছেন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর কিছু সন্ত্রাসী এবং সুবিধাবাদীরা এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়সহ অসহায় মানুষের বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে। মাসুদ রানা এর প্রতিবাদ করায় ওই সকল ব্যক্তিদের চক্রান্তের শিকার হয়েছেন।

তারা মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মাসুদকে অপরাধী প্রমানের পায়তারা চালাচ্ছেন। অথচ তিনি একজন সমাজ সেবক এবং মানুষের কল্যানে কাজ করে আসছেন। তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আওয়ামী সরকারের সময়ে যারা চাটুকারী করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছে তারাই আবার ভোলপাল্টে মাসুদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা ওই ষড়ন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক মাসুদ যাতে এলাকায় শান্তিতে বসবাস করতে পারবে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার তিতুখালী-১ জলমহাল এর পূর্বের ইজারাদারের ইজারা বাতিল পূর্বক নতুন ইজারা গ্রহিতাকে খাস কালেকশানের জন্য জলমহালটি হস্তান্তর করা হয়েছে। বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক গতকাল সরেজমিন দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন।

বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া মৌজায় ০১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত ১৭৫, ২৭০ ও ৩১২ দাগে ২৫.৫০ একর আয়তনের তিতুখালী-১ খাল (বদ্ধ) জলমহালটি জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা ১৪৩১ সালের ইজারা বাতিল করেন। তখন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনি ১৫৩৩/১ নং স্মারকে গত ২৫ জুলাই সরকার অনুকূলে দখল নেওয়ার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে লাল পতাকা পুতে দখল বুঝে নেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় ২০ আগস্ট —- ৬৬৪ নং স্মারকে ১৪৩১ সালের জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার ২০০ টাকা ইজারা মূল্য নির্ধারণ করে বুড়িয়া গ্রামের মৃত জহর আলী সরদারের পুত্র হারুন সরদারকে ইজারা প্রদানের (খাস আদায়ের) জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনি গত ২০ আগস্ট হারুন সরদারের অনুকূলে ইজারা মূল্য আদায় সাপেক্ষে জলমহালটি ইজারা প্রদান করেন।

২১ আগস্ট ইজারা মূল্য সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নির্দেশনা মোতাবেক বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক ২২ আগস্ট সরেজমিন গিয়ে ইজারা গ্রহিতা হারুন সরদারকে জলমহালটি বুঝিয়ে দিয়ে হস্তান্তর করেন। এসময় আবুল কালাম মোল্যা, সাবেক ইউপি সদস্য মাসুদ রানা, মঞ্জুরুল ইসলাম সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলের কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে পাহাড়সম

দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ কতৃপক্ষের সাথে দেখা করে টেন্ডার ছাড়াই মালামাল বিক্রিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চান। তবে এসকল দুর্নীতির বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি মিলের দুর্নীতিপরায়ন ইনচার্জ আবুল বাশার।

অভিযোগগুলো হলো, টেন্ডার ছাড়াই ৭ ট্রাক ১১ ভ্যান পুরনো যন্ত্রাংশ কালোবাজারে বিক্রি, টেন্ডার ছাড়াই পুকুর খননের ২শ’ ২০ ট্রাক বালি ও ১শ’ ৬০ ট্রাক মাটি বিক্রি,টেন্ডার ছাড়াই ৫ লাখ টাকার ৮৭টি কাঠালগাছ ও ৪২টি আম গাছ বিক্রি ও আবাসিক গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি বানিজ্যিক রেট ১০ টাকা ৩০ পয়সার পরিবর্তে ২২ টাকা নির্ধারণ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমম্বয়ক ইমরান হোসেন জানান,‘‘ সাতক্ষীরা টেক্সটাইল মিলস জেলার একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই মিলের দুর্নীতি আমাদেরকে ভাবায়। মিলের আবাসন ও অন্যান্য সম্পদ থেকে ব্যাপক আকারে দুর্নীতি হয় বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। বিশেষ করে সম্প্রতি মিলের পুকুরের খনন কাজে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। উর্ধতন কতৃপক্ষকে না জানিয়ে পুকুরের মাটি কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। ’’ অফিসিয়াল উত্তর নিতে আগামী শনিবার আবারও সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলে যাবেন বলে জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে মিলের ইনচার্জ আবুল বাশার জানান,‘‘ ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ অফিসে এসেছিলেন। তারা বেশ কিছু বিষয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। আমি উত্তর দিয়েছি। তারা সেসব বিষয়ের কাগজপত্র চেয়েছে। আমি উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে অনুমতি পেলে আগামী শনিবার তাদেরকে কাগজ দেখাব। ’’

এসময় ইমরান হোসেনের সাথে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমম্বয়ক নাজমুল হাসান রণিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পিতাকে না পেয়ে ৯ম শ্রেণি পড়–য়া শিশু পুত্রকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, কাজী মনিরুজ্জামান, সাবেক ওসি এনামুলহকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়ন বড়ালের আমলী ১নং আদালতে নিহতের পিতা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি এফআইআর হিসেবে গন্য করার জন্য সদর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার সাবেক ডিবি প্রধান আ: হান্নান, এস আই আব্দুল মালেক, এস আই আব্দুল কালাম, ভোমরা গ্রামের মৃত সোনা গাজীর পুত্র ওহিদুল ইসলাম, ভোমরা দাসপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের পুত্র আশরাফুল ইসলাম, হাড়দ্দহা গ্রামের বাদল গাজীর পুত্র শহীদুল ইসলাম গাজী, মৃত মোহাম্মাদ গাজীর পুত্র আব্দুল গণি, পদ্ম শাখরা গ্রামের মৃত আ: রহিম গাজীর পুত্র মফিজুল ইসলাম, খানপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র ইব্রাহিম খলিল, চৌবাড়িয়া গ্রামের মফিজুদ্দীন সরদারের পুত্র আব্দুস সাত্তার সরদার, আব্দুল গণির পুত্র মোশারফ হোসেন, পদ্মশাখরা গ্রামের মৃত এনাম বক্সগাজীর পুত্র রেজাউল ইসলাম, ভোমরা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর পুত্র আনারুল ইসলাম গাজী, লহ্মীদাড়ী গ্রামের মৃত কাদের মোল্লার পুত্র জালাল উদ্দিন, হাড়দ্দহা গ্রামের আব্দুস সামাদ সরদারের পুত্র খলিলুর রহমান, আ: রাজ্জাকের পুত্র তরিকুল ইসলাম, মৃত নেছার উদ্দিনের পুত্র এমাদুল ইসলাম, মৃত রহিম বক্সেও পুত্র শহীদুল ইসলাম,ভোমরা গ্রামের আবু শেখের পুত্র মফিজুল ইসলাম, সায়েদ ফকিরের পুত্র আবু বাক্কার ফকির, আনছার আলীর পুত্র ইসমাঈল হোসেন, হারু কাপালীর পুত্র সুবাস ডাক্তার, লহ্মীদাড়ী গ্রামের মৃত কাদের মোল্লার পুত্র জালাল মোল্ল্যা, বিজয় কৃষ্ণ ঘোষের হারান চন্দ্র হারু ঘোষ, রমজান গাজীর পুত্র আব্দুল গফুর গাজী।

মামলার বিবরনে জানা যায়, গত ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ইন্ধনে এসপি মঞ্জুরুল কবির, সার্কেল কাজী মনিরুজ্জামান এবং ওসি এনামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা বাদী শহর আলীর বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জীবনের ভয়ে তিনিসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবেশির বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করে। বাড়িতে কাউকেনা পেয়ে বাড়িতে থাকা শিশুপুত্র আবু হানিফ ছোটনকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ভোমরা স্থলবন্দরের লাভলু স্কেল সামনে ফাঁকা স্থানে ছোটনের শরীওে তিনটি গুলি করে হত্যা করে। সে সময় মামলার করার সুযোগ না পেয়ে আজ মামলা দাখিল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী শহর আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
এবার দেবহাটার যুবককে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ৭নং আদালতে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থাকা কে এফআই আর হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সদর সার্কেল সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, এ এস পি কালিগঞ্জ সার্কেল মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ^াস, এস আই জিয়াউল হক,শেখ আলী আকবর, তপন কুমার সিংহ, ইউনুস আলী গাজী, পি এস আই তানভীর হাসান, এ এস আই এফ এম তারেক, এ এস আই মদন মোহন অধিকারী, কনস্টেবল দেবাশীষ অধিকারী, জাহাঙ্গীর, গৌতম সাহা, আনোয়ার, আব্দুল্লাহ, ইসমাইল, মাহাফুজুল হক, আবু জাফর, শহিদুল, রেজাউল,ইব্রাহীম, শাহ জাহান, আবুল হাসেম, হাদিস উদ্দিন, আ: মজিদ, দলিল উদ্দিন, নুর ইসলাম, মনজুরুল, মেহেদী, দেবহাটা গ্রামের মৃত আজিজ মোড়লের পুত্র নজরুল ইসলাম, দাউদ আলীর পুত্র মুজিবর রহমান, মৃত. মজিদ গাজীর পুত্র মোমিন গাজী, সাংবাড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমান, কামিনী বসুগ্রামের সাত্তার মোল্লার পুত্র নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, নংলা গ্রামের এমদাদ বিশ^াসের পুত্র মাহমুদুল হক লাভলু, ঘোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সামছুর রহমান, মোবারক আলীর পুত্র মনতেজ,মোমিন গাজীর পুত্র হাবিবুল্লাহ গাজী, মৃত রশিদ বিশ^াসের পুত্র মোস্তফা বিশ^াস, মৃত মোকছেদ গাজীর পুত্র মাহমুদ গাজী, আঞ্জু গাজীর পুত্র রমজান গাজী, ছুটিপুর গ্রামের মৃত মাদার গাজীর পুত্র আ: রশিদ, নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাজ আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান মনি, আহাদ আলী গাজীর পুত্র এবাদুল গাজী, আব্দার আলীর পুত্র সিদ্দিক গাজী, মাঝের আটি গ্রামের হামিজ উদ্দীন গাজীর পুত্র আকবর আলী, মৃত নেছার উদ্দিন বিশ^াসের পুত্র নাজমুস শাহাদাত (নফর বিশ^াস), এবাদুল ইসলামের পুত্র জারিফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরদারের পুত্র কিলার কামরুল(কেটো কামরুল) এবং দেবহাটার কোমরপুর গ্রামের মৃত মাদার সরদারের পুত্র আবু মুসা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দেবহাটার নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র আনারুল ইসলাম নিজস্ব মৎস্যঘের কাজ করছিল। এসময় উল্লেখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আনারুল ইসলামকে পুলিশ আটকের চেষ্টা করলে তিনি জীবনের ভয়ে দৌড় দিলে পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপরও উল্লেখিত ব্যক্তিদের নির্দেশে মৃত্যু নিশ্চিত না পর্যন্ত নির্যাতন করতে থাকে। অথচ উল্টো মৃত আনারুল ইসলামকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন থাকায় মামলা করার সাহস পায়নি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিস্থিতি অনুক‚লে আসায় ন্যায় বিচার পাওয়ার দাবিতে মামলা রুজু করেছেন বলে বাদী রবিউল ইসলাম দাবি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ছাত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে হত্যা, গুম খুনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে যুবদল ও ছাত্রদল। বিকেল সাড়ে ৫টায় মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজ্জাক পার্কে শেষ হয়।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল হাসানের নেতৃত্বে মিছিলে অংশ নেন যুবদলের সমন্বয়ক নান্টা, ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুজজ্জামান সজিব, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দনসহ হাজারো নেতাকর্মীরা।

তারা, হত্যাকারী শেখ হাসিনা ও দোসরদের বিচার দাবি করেন। সেই সঙ্গে কারাবন্ধি সাতক্ষীরার সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের মুক্তির দাবি জানান| প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest