আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার তিতুখালী-১ জলমহাল এর পূর্বের ইজারাদারের ইজারা বাতিল পূর্বক নতুন ইজারা গ্রহিতাকে খাস কালেকশানের জন্য জলমহালটি হস্তান্তর করা হয়েছে। বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক গতকাল সরেজমিন দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন।

বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া মৌজায় ০১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত ১৭৫, ২৭০ ও ৩১২ দাগে ২৫.৫০ একর আয়তনের তিতুখালী-১ খাল (বদ্ধ) জলমহালটি জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা ১৪৩১ সালের ইজারা বাতিল করেন। তখন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনি ১৫৩৩/১ নং স্মারকে গত ২৫ জুলাই সরকার অনুকূলে দখল নেওয়ার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে লাল পতাকা পুতে দখল বুঝে নেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় ২০ আগস্ট —- ৬৬৪ নং স্মারকে ১৪৩১ সালের জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার ২০০ টাকা ইজারা মূল্য নির্ধারণ করে বুড়িয়া গ্রামের মৃত জহর আলী সরদারের পুত্র হারুন সরদারকে ইজারা প্রদানের (খাস আদায়ের) জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশাশুনি গত ২০ আগস্ট হারুন সরদারের অনুকূলে ইজারা মূল্য আদায় সাপেক্ষে জলমহালটি ইজারা প্রদান করেন।

২১ আগস্ট ইজারা মূল্য সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নির্দেশনা মোতাবেক বড়দল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক ২২ আগস্ট সরেজমিন গিয়ে ইজারা গ্রহিতা হারুন সরদারকে জলমহালটি বুঝিয়ে দিয়ে হস্তান্তর করেন। এসময় আবুল কালাম মোল্যা, সাবেক ইউপি সদস্য মাসুদ রানা, মঞ্জুরুল ইসলাম সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলের কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে পাহাড়সম

দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ কতৃপক্ষের সাথে দেখা করে টেন্ডার ছাড়াই মালামাল বিক্রিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চান। তবে এসকল দুর্নীতির বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি মিলের দুর্নীতিপরায়ন ইনচার্জ আবুল বাশার।

অভিযোগগুলো হলো, টেন্ডার ছাড়াই ৭ ট্রাক ১১ ভ্যান পুরনো যন্ত্রাংশ কালোবাজারে বিক্রি, টেন্ডার ছাড়াই পুকুর খননের ২শ’ ২০ ট্রাক বালি ও ১শ’ ৬০ ট্রাক মাটি বিক্রি,টেন্ডার ছাড়াই ৫ লাখ টাকার ৮৭টি কাঠালগাছ ও ৪২টি আম গাছ বিক্রি ও আবাসিক গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি বানিজ্যিক রেট ১০ টাকা ৩০ পয়সার পরিবর্তে ২২ টাকা নির্ধারণ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমম্বয়ক ইমরান হোসেন জানান,‘‘ সাতক্ষীরা টেক্সটাইল মিলস জেলার একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই মিলের দুর্নীতি আমাদেরকে ভাবায়। মিলের আবাসন ও অন্যান্য সম্পদ থেকে ব্যাপক আকারে দুর্নীতি হয় বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। বিশেষ করে সম্প্রতি মিলের পুকুরের খনন কাজে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। উর্ধতন কতৃপক্ষকে না জানিয়ে পুকুরের মাটি কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। ’’ অফিসিয়াল উত্তর নিতে আগামী শনিবার আবারও সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলে যাবেন বলে জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে মিলের ইনচার্জ আবুল বাশার জানান,‘‘ ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ অফিসে এসেছিলেন। তারা বেশ কিছু বিষয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন। আমি উত্তর দিয়েছি। তারা সেসব বিষয়ের কাগজপত্র চেয়েছে। আমি উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে অনুমতি পেলে আগামী শনিবার তাদেরকে কাগজ দেখাব। ’’

এসময় ইমরান হোসেনের সাথে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমম্বয়ক নাজমুল হাসান রণিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পিতাকে না পেয়ে ৯ম শ্রেণি পড়–য়া শিশু পুত্রকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, কাজী মনিরুজ্জামান, সাবেক ওসি এনামুলহকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়ন বড়ালের আমলী ১নং আদালতে নিহতের পিতা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি এফআইআর হিসেবে গন্য করার জন্য সদর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার সাবেক ডিবি প্রধান আ: হান্নান, এস আই আব্দুল মালেক, এস আই আব্দুল কালাম, ভোমরা গ্রামের মৃত সোনা গাজীর পুত্র ওহিদুল ইসলাম, ভোমরা দাসপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের পুত্র আশরাফুল ইসলাম, হাড়দ্দহা গ্রামের বাদল গাজীর পুত্র শহীদুল ইসলাম গাজী, মৃত মোহাম্মাদ গাজীর পুত্র আব্দুল গণি, পদ্ম শাখরা গ্রামের মৃত আ: রহিম গাজীর পুত্র মফিজুল ইসলাম, খানপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র ইব্রাহিম খলিল, চৌবাড়িয়া গ্রামের মফিজুদ্দীন সরদারের পুত্র আব্দুস সাত্তার সরদার, আব্দুল গণির পুত্র মোশারফ হোসেন, পদ্মশাখরা গ্রামের মৃত এনাম বক্সগাজীর পুত্র রেজাউল ইসলাম, ভোমরা গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর পুত্র আনারুল ইসলাম গাজী, লহ্মীদাড়ী গ্রামের মৃত কাদের মোল্লার পুত্র জালাল উদ্দিন, হাড়দ্দহা গ্রামের আব্দুস সামাদ সরদারের পুত্র খলিলুর রহমান, আ: রাজ্জাকের পুত্র তরিকুল ইসলাম, মৃত নেছার উদ্দিনের পুত্র এমাদুল ইসলাম, মৃত রহিম বক্সেও পুত্র শহীদুল ইসলাম,ভোমরা গ্রামের আবু শেখের পুত্র মফিজুল ইসলাম, সায়েদ ফকিরের পুত্র আবু বাক্কার ফকির, আনছার আলীর পুত্র ইসমাঈল হোসেন, হারু কাপালীর পুত্র সুবাস ডাক্তার, লহ্মীদাড়ী গ্রামের মৃত কাদের মোল্লার পুত্র জালাল মোল্ল্যা, বিজয় কৃষ্ণ ঘোষের হারান চন্দ্র হারু ঘোষ, রমজান গাজীর পুত্র আব্দুল গফুর গাজী।

মামলার বিবরনে জানা যায়, গত ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ইন্ধনে এসপি মঞ্জুরুল কবির, সার্কেল কাজী মনিরুজ্জামান এবং ওসি এনামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা বাদী শহর আলীর বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জীবনের ভয়ে তিনিসহ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রতিবেশির বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করে। বাড়িতে কাউকেনা পেয়ে বাড়িতে থাকা শিশুপুত্র আবু হানিফ ছোটনকে তুলে নিয়ে যায়। পরে ভোমরা স্থলবন্দরের লাভলু স্কেল সামনে ফাঁকা স্থানে ছোটনের শরীওে তিনটি গুলি করে হত্যা করে। সে সময় মামলার করার সুযোগ না পেয়ে আজ মামলা দাখিল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী শহর আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
এবার দেবহাটার যুবককে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ৭নং আদালতে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থাকা কে এফআই আর হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সদর সার্কেল সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, এ এস পি কালিগঞ্জ সার্কেল মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ^াস, এস আই জিয়াউল হক,শেখ আলী আকবর, তপন কুমার সিংহ, ইউনুস আলী গাজী, পি এস আই তানভীর হাসান, এ এস আই এফ এম তারেক, এ এস আই মদন মোহন অধিকারী, কনস্টেবল দেবাশীষ অধিকারী, জাহাঙ্গীর, গৌতম সাহা, আনোয়ার, আব্দুল্লাহ, ইসমাইল, মাহাফুজুল হক, আবু জাফর, শহিদুল, রেজাউল,ইব্রাহীম, শাহ জাহান, আবুল হাসেম, হাদিস উদ্দিন, আ: মজিদ, দলিল উদ্দিন, নুর ইসলাম, মনজুরুল, মেহেদী, দেবহাটা গ্রামের মৃত আজিজ মোড়লের পুত্র নজরুল ইসলাম, দাউদ আলীর পুত্র মুজিবর রহমান, মৃত. মজিদ গাজীর পুত্র মোমিন গাজী, সাংবাড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমান, কামিনী বসুগ্রামের সাত্তার মোল্লার পুত্র নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, নংলা গ্রামের এমদাদ বিশ^াসের পুত্র মাহমুদুল হক লাভলু, ঘোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সামছুর রহমান, মোবারক আলীর পুত্র মনতেজ,মোমিন গাজীর পুত্র হাবিবুল্লাহ গাজী, মৃত রশিদ বিশ^াসের পুত্র মোস্তফা বিশ^াস, মৃত মোকছেদ গাজীর পুত্র মাহমুদ গাজী, আঞ্জু গাজীর পুত্র রমজান গাজী, ছুটিপুর গ্রামের মৃত মাদার গাজীর পুত্র আ: রশিদ, নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাজ আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান মনি, আহাদ আলী গাজীর পুত্র এবাদুল গাজী, আব্দার আলীর পুত্র সিদ্দিক গাজী, মাঝের আটি গ্রামের হামিজ উদ্দীন গাজীর পুত্র আকবর আলী, মৃত নেছার উদ্দিন বিশ^াসের পুত্র নাজমুস শাহাদাত (নফর বিশ^াস), এবাদুল ইসলামের পুত্র জারিফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরদারের পুত্র কিলার কামরুল(কেটো কামরুল) এবং দেবহাটার কোমরপুর গ্রামের মৃত মাদার সরদারের পুত্র আবু মুসা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দেবহাটার নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র আনারুল ইসলাম নিজস্ব মৎস্যঘের কাজ করছিল। এসময় উল্লেখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আনারুল ইসলামকে পুলিশ আটকের চেষ্টা করলে তিনি জীবনের ভয়ে দৌড় দিলে পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপরও উল্লেখিত ব্যক্তিদের নির্দেশে মৃত্যু নিশ্চিত না পর্যন্ত নির্যাতন করতে থাকে। অথচ উল্টো মৃত আনারুল ইসলামকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। সে সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন থাকায় মামলা করার সাহস পায়নি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিস্থিতি অনুক‚লে আসায় ন্যায় বিচার পাওয়ার দাবিতে মামলা রুজু করেছেন বলে বাদী রবিউল ইসলাম দাবি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ছাত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে হত্যা, গুম খুনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে যুবদল ও ছাত্রদল। বিকেল সাড়ে ৫টায় মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজ্জাক পার্কে শেষ হয়।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল হাসানের নেতৃত্বে মিছিলে অংশ নেন যুবদলের সমন্বয়ক নান্টা, ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুজজ্জামান সজিব, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দনসহ হাজারো নেতাকর্মীরা।

তারা, হত্যাকারী শেখ হাসিনা ও দোসরদের বিচার দাবি করেন। সেই সঙ্গে কারাবন্ধি সাতক্ষীরার সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের মুক্তির দাবি জানান| প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাওনা টাকার দাবিতে সাতক্ষীরায় বরসা এনজিও মালিকানাভুক্ত সিবি হাসপাতাল ঘেরাও ও ভাংচুর করেছে সাধারন জনগন। বুধবার বেলা ২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর টহল দল এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় মাহমুদুল হাসান নামে এক যুবককে আটক করে তারা।

এর আগে গ্রাহকরা বরসা এনজিওর ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে ১০ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত হবার আহবান জানালে তিনি সেখানে উপস্থিত হন এবং এনজিওটির মালিকানাভুক্ত সকল সম্পত্তি বিক্রি করে ২-৩ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেবার প্রতিশ্রæতি দেন। এরপর সেখানে উত্তেজনা দেখা দেয়।

গ্রাহকরা জানান, বরসা এনজিও ৫ বছরে দ্বিগুন লাভের কথা বলে তাদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরে এনজিওটির মালিক আনিসুর রহমান মারা যাবার পর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আশিকুর রহমান দীর্ঘদিন সেই টাকা না দিয়ে কালক্ষেপন করছে। বর্তমানে তারা আর্থিকভাবে খুব কষ্টে আছেন, অনেকে অনাহারে কিংবা অর্ধবেলা খেয়ে বেচে আছেন। দ্রæত তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে।

সিবি হাসপাতালে ভাংচুরের পর সেনাবাহিনীর টহল দল এসে বরসা এনজিওর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আশিকুর রহমানকে উদ্ধার করে ডিসি অফিসে নিয়ে যায়। এসময় ৫ জন গ্রাহক ও মালিকপক্ষের ৫ জনকে একত্রে আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে বিষয়টির মিমাংসা হবে বলে জানায় সেনাবাহিনী। সেখানে দীর্ঘ আলোচনা শেষে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল সম্পত্তি বিক্রয় এবং জেলা সমাজসেবা অফিসারের নেতৃত্বে একটি ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ৪০ লাখ টাকা মূল্যের দুই কেজি হেরোইন জব্দ করেছে বিজিবির সদস্যরা। বুধবার ভোরে উপজেলার দকলের মোড় এলাকা থেকে উক্ত হেরোইন জব্দ করা হয়। তবে বিজিবি এসময় কোনো মাদক চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হননি।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আশরাফুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কলারোয়া উপজেলায় কাকডাংগা বিওপির নায়েব সুবেদার মো. আবু তাহের পাটোয়ারীর নেতৃত্বে বিজিবির একটি চৌকস দল সীমান্তের দকলের মোড় এলাকায় গোপনে অবস্থান নেয়।

এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে রাতের অন্ধকারে ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। পরে বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকা তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্যাগ হতে দুই কেজি ভারতীয় হেরোইন জব্দ করে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান, জব্দকৃত হেরোইন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সাতক্ষীরা জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় সাবেক চেয়ারম্যান আনারুল হত্যায় সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান সহ পুলিশ এবং আওয়ামীলীগের ১৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২১ আগস্ট সাতক্ষীরা আমলি ১ নং আদালতে নিহতের ভাই জিয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক নয়ন কুমার বড়াল বাদির লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অন্যান্যা আসামীরা হলেন, সদর থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক, সাবেক এস আই হেকমত আলী, সখিপুর গ্রামের মৃত রিয়াজউদ্দীন গাজীর পুত্র আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক ও জিপি গাজী লুৎফর রহমান, কাশেমপুর গ্রামের মৃত নাজির উদ্দীন সরদারের পুত্র জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান, তার ভাই আব্দুল হান্নান, একই এলাকার মৃত কালাচাদ সরদারের পুত্র হবিবার রহমান, মাহাবুবুর রহমান, ইন্দিরা গ্রামের মৃত মোহর আলীর পুত্র হাশেম আলী,মৃত আবুল কাশেমের পুত্র তহিদুল ইসলাম, মৃত জব্বারের পুত্র নজরুল ইসলাম, মৃত কওছার আলীর পুত্র সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শওকত হোসেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোর্শেদ, রসুলপুর গ্রামের মৃত কোমর উদ্দীন সরদারের পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু আহম্মেদ, কাশেমপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র রবিউল ইসলাম, মৃত. নুর ইসলাম গাজীর পুত্র ইয়াহিয়া গাজী এবং শাল্যে গ্রামের মৃত আব্দুল গফফারের পুত্র সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু।

মামলার বিবরনে জানা যায়, বিগত ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর তৎকালিন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুর কবির এবং পুলিশের অন্যান্যা সদস্যসহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় একটি সাদা গাড়ীতে করে আগরদাড়ী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আনারুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। প্রথমে তাকে সদর থানায় নিয়ে নির্মম নির্যাতন করে। পরে চোখ বেধে সদর উপজেলার শিকড়ী ফাকা মাঠে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। সে সময় নিহতের স্বজনরা মামলার করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে উল্টো বিভিন্ন ধামকি প্রদর্শণ করে। যে কারনে সে সময় মামলা করতে পারেনি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসায় ভাই হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করেছেন বলে জানান বাদী জিয়ারুল ইসলাম। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest