সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটায় ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বিধি, বাল্যবিবাহ রোধ, বর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনার উপর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)সকাল ১০ টায় টাউন শ্রীপুর শরচ্চচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাউন শ্রীপুর শরচ্চচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আবুল ফজল। প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোঃ আফসার আলী। সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মোমেনা খাতুন তিনি তার বক্তব্য বলেন, যার যার অবস্থান থেকে স্বাস্থ্য বিষয়ে নিজে সচেতন থাকতে হবে এবং অন্যকে সচেতন করতে হবে। ইভটিজিং নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

বাল্যবিবাহ বন্ধে সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সচেতন করতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব দেবহাটা ইউনিয়নকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে হবে। এজন্য তিনি সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও এস এম সি কমিটির সদস্যবৃন্দ।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে ও বাস্তবায়নে সুশীলন, আয়োজনে দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রাম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা সংবাদদাতা :
সাতক্ষীরার তালায় ভ্যান থেকে পড়ে রোকেয়া খাতুন (৫৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আঠারোমাইল-পাইকগাছা সড়কের তালা উপজেলার জাতপুর সমকাল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের সামনে উক্ত ঘটনা ঘটে।

নিহত রোকেয়া খাতুন তালা সদর ইউনিয়নের আগোলঝাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিম শেখের স্ত্রী। ভ্যান থেকে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজ আহমেদ স্বপন ও ৪-আসনের সংসদ সদস্য এস এম আতাউল হক দোলনকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ভোমরা ‘সি এন্ড এফ’ এজেন্টস্ এসোসিয়েশন।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভোমরা কাস্টমস সি এন্ড এফ এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

ভোমরা কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ এজাজ আহমেদ স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে ফজলুল হক। প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুজ্জামান আশু। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আশরাফুজ্জামান আশু বলেন, সাতক্ষীরার ৫ জন এমপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে সাতক্ষীরা উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাবে। কোন সন্ত্রাসী সাতক্ষীরার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তাই ভোমরাকে উন্নয়ন করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সংবর্ধিত অতিথি সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. ফিরোজ আহমেদ স্বপন বলেন, ভোমরা উন্নয়নে সকল ভেদাভেদ ভুলে সকলেই এক কাতারে এসে কাজ করলে উন্নয়ন সম্ভব। একথা ভদ্র ছাড়া কখনো সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না।

সংবর্ধিত অতিথি সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্) আসনের সংসদ সদস্য এস এম আতাউল হক দোলন বলেন, সাতক্ষীরা তথা ভোমরা স্থলবন্দরকে উন্নয়ন করতে যে ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন সব করবো।

ভোমরা কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকছুদ খান এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৬নং ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসরাইল গাজী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন অর রশিদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. মিজানুর রহমান, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, ভোমরা কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম আমির হামজা, সাংগঠনিক দীপংকর ঘোষ, কাস্টমস ও দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আবু মুসা, কার্যকরী সদস্য মো. শাহানুর ইসলাম শাহিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেক্স রিপোর্ট :
মেরুদন্ডের চিকিৎসায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি অ্যান্ডোস্কোপিক (না কেটে ফুটো করে) স্পাইন সার্জারির ওপর ফেলোশিপ ট্রেনিংয়ে ভারতের রাজধানী দিল্লি যাচ্ছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুল হাসান (পলাশ)।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করেছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি দিল্লির উদ্দেশ্যে গমন করবেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিন ট্রেনিং শেষে দেশে ফিরবেন। সারাদেশ থেকে তিন জন শিক্ষক এ ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ডা. পলাশ বলেন, আমি দক্ষিণবঙ্গের মানুষের অর্থোপেডিক ও মেরুদন্ড চিকিৎসার উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যেতে চাই। অতিদ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে স্পাইন সার্জারি চালু করতে চাই। এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

ডা. মো. মাহমুদুল হাসান (পলাশ) দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র স্পাইন সার্জন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়া, ভারতের মুম্বাই, গুজরাট, চেন্নাই ও আসাম থেকে মেরুদন্ডের চিকিৎসার ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নালে তার ৬টি প্রকাশনা রয়েছে। এ ছাড়াও, তিনি নিয়মিত বিভিন্ন কনফারেন্সে বক্তৃতা করে আসছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠান হয়েছে। শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি ও প্রথম আলো বন্ধু সভার আয়োজনে রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস কে হাসানের সভাপতিত্বে ও প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি কর্ন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলো নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী,স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাদব দত্ত,

ডিবিসির জেলা প্রতিনিধি বেলাল হোসেন, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, ভূমিহীন সমিতির সভাপতি আব্দুস সামাদ, প্রথম আলো বন্ধু সভার দপ্তর সম্পাদক তারিক ইসলাম, আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সচ্চিদানন্দ দে সদয় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান। তিনি জেলার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়। মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এর পর বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন।
পরে খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন ভাষা আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদিস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই। তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।

বক্তারা প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সাতক্ষীরা জেলা সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আনোয়ার হোসেনের নামে সরকারিভাবে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রতিষ্ঠান শহীদ আনোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ, অবিলম্বে তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মরণোত্তর একুশে পদক্ষে ভূষিত করার দাবি জানন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আগরদাড়িতে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শারিরীক প্রতিবন্ধীর স্ত্রী, মাতা ও শিশু সন্তানসহ ৪ জনকে পিটিয়ে জখমের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা সদরের চুপড়িয়া (আগরদাড়ী ইউনিয়ন) গ্রামের মৃত সদর উদ্দীন মোল্ল্যার ছেলে প্রতিবন্ধি আবুল বাসার।

তিনি বলেন আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী মানুষ। মায়ের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। উক্ত সম্পত্তির দলিল মায়ের নামে এবং মায়েরই নামীয় সম্পত্তি। কিন্তু ভুল বশত পিতার নামে রেকর্ড হয়ে যায়। যদিও আমরা রেকর্ড সংশোধনের মামলা দায়ের করেছি। আমার চাচাতো ভাইয়েরা ওয়ারেশ দাবি করে উক্ত সম্পত্তি বিক্রয়ের পায়তারা শুরু করে। সেখানে আদালত নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন। কিন্তু মৃত নজির উদ্দীনের পুত্রও সোহরাব হোসেন গং আদালতের নির্দেশনা না মেনে উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলসহ অন্যত্র বিক্রয়ের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এর জের ধরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২৪ তারিখে সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে তার ভাই সারিয়াত, শাহাবুদ্দিন, ইন্দিরা গ্রামের কামরুল ইসলাম, মুক্তার মোড়লের পুত্র মিকাইল হোসেনসহ কয়েকজন ভাড়াটিয়া লোকজন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে খোঁজাখুজি করতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় আমার মা প্রতিবাদ করলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমার মাকে মারপিট শুরু করলে আমার বোন চম্পা খাতুন এবং স্ত্রী নূর জাহান খাতুন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। সে সময় আমার ১৩ বছর বয়সী শিশু পুত্রকে অমানবিকভাবে মারপিট করে। এমনকি আমার স্ত্রী এবং বোনের পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে তারা চলে যাওয়ার সময় আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় ইতোমধ্যে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন প্রয়াত মৃত সদর উদ্দীনের কোন পুত্র সন্তান ছিলো না। ফলে শিশু অবস্থায় আমাকে দক্তক নিয়েছিল। যদিও আমি কখনো বুঝতেই পারিনী মৃত সদর উদ্দীন এবং মনোয়ারা খাতুন আমার পিতা-মাতা নন। পিতা মারা যাওয়ার পরে জমির বিরোধ হলে বিষয়টি অবগত সামনে আসে। আমার পিতার ভাইপোরা তাকে নি:সন্তান হিসেবে দাবি করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। অথচ উক্ত সম্পত্তি আমার মাতা নিজ নামে ক্রয় করেছিল। সেই সম্পত্তি ভাগ তাদের দাবি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। শুধুমাত্র আমি শারিরীক প্রতিবন্ধী এবং অসহায় হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে উল্লেখিত সোহরাবগং আমাদের সম্পত্তির দখল নিতে চায়। আর এ উদ্দেশ্যেই বাড়ির নারীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমি আমার প্রাপ্য সম্পত্তি রক্ষা এবং নিজেদের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আগরদাড়িতে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শারিরীক প্রতিবন্ধীর স্ত্রী, মাতা ও শিশু সন্তানসহ ৪ জনকে পিটিয়ে জখমের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা সদরের চুপড়িয়া (আগরদাড়ী ইউনিয়ন) গ্রামের মৃত সদর উদ্দীন মোল্ল্যার ছেলে প্রতিবন্ধি আবুল বাসার।

তিনি বলেন আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী মানুষ। মায়ের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। উক্ত সম্পত্তির দলিল মায়ের নামে এবং মায়েরই নামীয় সম্পত্তি।
কিন্তু ভুল বশত পিতার নামে রেকর্ড হয়ে যায়। যদিও আমরা রেকর্ড সংশোধনের মামলা দায়ের করেছি। আমার চাচাতো ভাইয়েরা ওয়ারেশ দাবি করে উক্ত সম্পত্তি বিক্রয়ের পায়তারা শুরু করে। সেখানে আদালত নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন। কিন্তু মৃত নজির উদ্দীনের পুত্রও সোহরাব হোসেন গং আদালতের নির্দেশনা না মেনে উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলসহ অন্যত্র বিক্রয়ের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এর জের ধরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২৪ তারিখে সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে তার ভাই সারিয়াত, শাহাবুদ্দিন, ইন্দিরা গ্রামের কামরুল ইসলাম, মুক্তার মোড়লের পুত্র মিকাইল হোসেনসহ কয়েকজন ভাড়াটিয়া লোকজন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে খোঁজাখুজি করতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

এসময় আমার মা প্রতিবাদ করলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আমার মাকে মারপিট শুরু করলে আমার বোন চম্পা খাতুন এবং স্ত্রী নূর জাহান খাতুন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। সে সময় আমার ১৩ বছর বয়সী শিশু পুত্রকে অমানবিকভাবে মারপিট করে। এমনকি আমার স্ত্রী এবং বোনের পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে তারা চলে যাওয়ার সময় আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় ইতোমধ্যে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন প্রয়াত মৃত সদর উদ্দীনের কোন পুত্র সন্তান ছিলো না। ফলে শিশু অবস্থায় আমাকে দক্তক নিয়েছিল। যদিও আমি কখনো বুঝতেই পারিনী মৃত সদর উদ্দীন এবং মনোয়ারা খাতুন আমার পিতা-মাতা নন। পিতা মারা যাওয়ার পরে জমির বিরোধ হলে বিষয়টি অবগত সামনে আসে। আমার পিতার ভাইপোরা তাকে নি:সন্তান হিসেবে দাবি করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। অথচ উক্ত সম্পত্তি আমার মাতা নিজ নামে ক্রয় করেছিল।

সেই সম্পত্তি ভাগ তাদের দাবি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। শুধুমাত্র আমি শারিরীক প্রতিবন্ধী এবং অসহায় হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে উল্লেখিত সোহরাবগং আমাদের সম্পত্তির দখল নিতে চায়। আর এ উদ্দেশ্যেই বাড়ির নারীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমি আমার প্রাপ্য সম্পত্তি রক্ষা এবং নিজেদের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনি সদরের শ্রীকলস গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকান্ডে দুটি বসতঘর, রান্নাঘর, মুরগির খামারসহ সকল মালামাল পুড়ে ছাই হয়েগেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শ্রীকলস গ্রামের কিবরিয়া গাজীদের বাড়িতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, নূর ইসলাম গাজীর ছেলে কিবরিয়া গাজী ও গ্রাম পুলিশ আমিরুল ইসলামের মাটির দেয়াল ও টালির ছাউনির দু’টি ঘরের উত্তর-পশ্চিম পাশে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিটের কারণে রাত্র আড়াইটার দিকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। সড়কের সমস্যায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ঢুকতে বিলম্ব হওয়ায় তারা নেভানোর কাজ সম্পন্ন করার আগেই আগুনে সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনে দুটি বসত ঘর, রান্না ঘর, মুরগির খামার, আসবাবপত্র, স্বর্ণারঙ্কারসহ ১১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। সবকিছু খুইয়ে বাড়ির মালিকরা প্রলাপ বকছে। তারা এখনো ঘর, আসবাবপত্রের টাকা পরিশোধ করতে পারেনি।

অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম, সদর ইউপি চেয়ারম্যান হোসেনুজ্জামান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মিলন, শ্রমিকলীগ সভাপতি ঢালী সামছুল আলম, আসমাউল হুসাইন, ইউপি সদস্য শাহিনুর আলম শাহিন প্রমুখ ঘটনাস্থান পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সাথে শান্তনামূলক কথা বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest