সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪

‘আমি যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছি’

বিনোদনের খবর: আজমেরী হক বাঁধন যিনি পর্দায় বাঁধন নামে পরিচিত। তিনি ২০০৬ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় রানার আপ হওয়ার মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন।
বাঁধন ২০০৬ সাল থেকে তার কর্ম জীবন শুরু করেন। ২০১৬ সালে তিনি তীরন্দাজ, ডিবি, মেঘের পরে মেঘ, সহযাত্রী, এই কূলে আমি আর ওই কূলে তুমি, নীল নির্বাসন ও রূপকথার মা ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন। এছাড়া তিনি আরএফএল ফার্নিচার ও কোকোলা নুডুলসের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।

যৌন হয়রানির ‘#মিটু’ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বুদ্ধি হওয়ার বয়স থেকে এখন পর্যন্ত এ রকম অনেক নিপীড়নের শিকার হয়েছি। মাকে বলতেও পারিনি। এখন অবশ্য আমার মেয়েকে এসব সম্পর্কে শেখাই। আমাদের এখানে মেয়েদের সেই অর্থে কোনো কিছু বলতে দেওয়া হয় না। মেয়েদের প্রতিবাদ কীভাবে করতে হয়, তা যদি ছোটবেলা থেকে শেখানো হতো, তাহলে ‘#মিটু’ পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন হতো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বলা হতো, চেপে যাও চেপে যাও। এই চেপে যাওয়াকে প্রতিপক্ষ দুর্বল ভেবে আরও সুযোগ নেয়। এই ঘটনা কিন্তু সব জায়গায় ঘটে। কোথায় বাদ দেবেন। শুধু মিডিয়াকে বেশি প্রাধান্য কেন? নায়িকাদের সবকিছু শুনতে খুব মজা লাগে? এই জায়গাটা নষ্ট জায়গা প্রমাণ করতে মজা লাগে? নষ্ট তো আসলে সব জায়গা।’

বাঁধন আরও বলেন, ‘আমি নানাভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছি। আপত্তিকর প্রস্তাবে অনেক কাজ বাদ দিয়েছি। যেখানে কিছু বিকিয়ে দিতে হবে, সেখান থেকে ফিরে এসেছি। তাদের নাম এখনই বলতে চাই না। সময় হলে ঠিকই বলব। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছি, এটা মিডিয়ার অনেকেই জানেন। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদও করেছি।’

তিনি জানান, এই ইন্ডাস্ট্রিতে আরেক ধরনের মেয়ে আছেন, তারা বলেন আমার সঙ্গে এমন কিছুই হয়নি! আমি হিপোক্রেট (ভণ্ড) হতে পারব না, আমার সঙ্গে অনেক হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাঁপানি প্রতিরোধে শীতের শুরুতেই করুন ১০টি কাজ

অনলাইন ডেস্ক: ধুলোবালি এবং অন্যান্য জিনিস যা অ্যাজমার প্রকোপ বাড়ায় সেগুলো থেকে দূরে থাকলে হাঁপানি রোগীরা বেশ সুস্থই থাকেন। যাদের হাঁপানি বা অ্যাজমা রয়েছে তাদের পুরো বছরই বেশ সচেতন থাকতে হয়। তারপরেও শীতের শুরুর দিকে বিশেষ সর্তকতার প্রয়োজন পড়ে। কারণ। এই সময়ে আবহাওয়া বেশ শুষ্ক হয়ে যায় এবং ধুলোবালি বেশি হয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক শীতের শুরুতে হাঁপানি প্রতিরোধে করতে যে কাজগুলো করা জরুরি।

১. ঘরোয়া জীবাণু মাইট কমানোর চেষ্টা করুন। নিয়মিত কাপড় চোপড় ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। এখনই রোদে কাঁথা কম্বল, লেপ, তোষক দিয়ে নিন। এবং সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কাভারও রোদে দিন।

২. শোয়ার সময় বালিশ ঢেকে রাখুন পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে।

৩. ঘরের কার্পেট, ম্যাট সরিয়ে ফেলুন। নতুবা এগুলোতে ধুলো আটকে থাকবে।

৪. ঘন ঘন হালকা গরম পানি বা স্বাভাবিক পানি পান করুন। এতে শ্বাসনালীতে তৈরি হওয়া কফ পাতলা থাকবে। এতে করে কাশি কমবে, শ্বাসকষ্ট কমবে।

৫. সম্ভব হলে পুরো ঘর সপ্তাহে অন্তত ১ বার ভ্যাক্যুয়াম ক্লিন করুন।

৬. দরজা জানালার পর্দা, মশারি এগুলোও নিয়মিত ধোবেন এবং কড়া রোদে শুকিয়ে নেবেন।

৭. এলার্জি স্কিন টেস্টের মাধ্যমে জেনে নিন কোনো কোনো কারণে আপনার দেহে অ্যালার্জেন ঘটে এবং সেসকল জিনিস থেকে দূরে থাকুন।

৮. বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।

৯. নিজে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। এবং বাড়িঘরের অ্যালার্জেন ও হাঁপানির প্রকোপ বাড়ায় এমন জিনিস দূর করুন। ঘর দোরের ধুলো-বালি ঝেড়ে মুছে পরিস্কার রাখুন।

১০. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্জুনের যত ঔষধি গুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত। বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর একজন চিকিৎসক থাকা একই কথা। এর ঔষধি গুণ মানব সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবত করার ভেষজ রস হিসেবে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়। তারপর যতদিন যাচ্ছে অর্জুনের উপকারী দিক ততই উদ্ভাসিত হচ্ছে। অর্জুন এমনি এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বহু যুগ ধরে।

এটি কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia arjuna , সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলানো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহবাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল উঠানো যায়। ফল দেখতে কামরাঙ্গার মত, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে।

অর্জুনের কিছু উপকারী দিক বর্ণনা করা হলো:

হৃদরোগ: অর্জুনের প্রধান ব্যবহার হৃদরোগে। অর্জুন ছালের রস কো-এনজাইম কিউ-১০ সমৃদ্ধ। এই কো-এনজাইম কিউ-১০ হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে। বাকলের রস ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল লেভেল কমায়। অর্জুনের ছাল বেটে রস খেলে হৃদপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে। বাকলের ঘন রস দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে। বাকলে রস না থাকলে শুকনো বাকলেরগুঁড়া ১-২ গ্রাম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

অ্যাজমা: অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

ক্ষয়কাশে: অর্জুন ছালের গুঁড়া, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাশি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে দিতেন। এতে কাশির উপকার হতো।

হাড় মচকে গেলে বা চিড় খেলে: অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে মচকানো জায়গায় লাগিয়ে বেঁধে রাখলে সেরে যায়। তবে সেই সাথে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধা চামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভালো হয়।

বুক ধড়ফড়: যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রক্তচাপ নেই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকাল বেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে যেন বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লো-ব্লাড প্রেসারে উপযুক্ত নিয়মে তৈরি করে খেলেও অবশ্য প্রেসার বাড়বে।

রক্তপিত্তে: মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে। সেক্ষেত্রে ৪-৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে পানিটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ফোঁড়া: ফোঁড়া হলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ফোঁড়া ফেটে যায়, তারপর পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

ক্ষত বা ঘা: শরীরে ক্ষত বা ঘা হলে, খোস-পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছালের ক্বাথ দিয়ে ধুয়ে ছালের মিহি গুঁড়া পানি দিয়ে মিশিয়ে লাগালে দ্রুত ঘা সেরে যায়।

কানের ব্যথায়: কানের ব্যথায় অর্জুন ব্যবহার করা হয়। কচি পাতার রস কানের ভিতরে দুই ফোঁটা করে দিলে কানের ব্যথা ভালো হয়।

যৌন রোগ: যাদের মধ্যে যৌন অনীহা দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়। এছাড়া যাদের শুক্রমেহ আছে তারা অর্জুন ছালের গুঁড়া ৪-৫ গ্রাম ৪-৫ ঘণ্টা আধা পোয়া গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে, তারপর ছেঁকে ওই পানির সাথে ১ চামচ শ্বেতচন্দন মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।

রক্ত আমাশয়ে: ৪-৫ গ্রাম অর্জুন ছালের ক্বাথে ছাগলের দুধ মিশিয়ে খেলে রক্ত আমাশয় ভালো হয়।

হজম ক্ষমতা বাড়ায়: ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়।

মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহে: অর্জুনের ছাল এসব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি মাড়ির রক্তপাতও বন্ধ করে। এছাড়াও অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে।

এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। ইদানিং অর্জুন গাছের ছাল থেকে ‘অর্জুন চা’ তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতে নাক কান গলার পরিচর্যা

অনলাইন ডেস্ক: এখন সময় শীতকাল, এসময় সাধারণত রোগ ব্যধি কম হয়। কিন্তু তারপরও আবহাওয়ার বিপর্যয়, পরিবেশ দূষণের কারণে শীতকালেও অনেক রোগ ব্যধি দেখা দেয়। অনেক সময় শীতকালে নাক, কান, গলায় বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। যেমন সর্দি, কাশি, অ্যালার্জি, টনসিলে প্রদাহ, গলা ব্যথা ইত্যাদি। ইহা ছাড়া অ্যাজমা, শিশুদের নিউমোনিয়া এবং বিভিন্ন রকম চর্ম রোগ দেখা দিতে পারে।

সর্দি: শীতকালে অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে সর্দির সৃষ্টি হয়। অনেক সময় সর্দি লাগলে কানে ব্যথা করে এবং নাক দিয়ে রক্তও পড়তে পারে। যার ফলে অনেক সমস্যার যেমন সাইনুসাইটিস হতে হয়।

কাশি: শীতকালে ঠাণ্ডায় কাশির প্রকোপ বেড়ে যায়। যার ফলে বুকে ও গলায় ব্যথা দেখা দেয়। অতিরিক্ত কাশির ফলে ঘুমের ব্যঘাত ঘটে। অনেক সময় কাশির সাথে কফ বা রক্তও বের হতে পারে।

এলার্জি: এলার্জি প্রতিটি মানুষেরদেহে কম-বেশি বিদ্যমান। অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে মানুষের নাক কান ও গলায় এলার্জি প্রকোপ দেখা দেয়। যার ফলে হাঁচি, কাশি বেশি হয়। এলার্জির জন্য চোখে কনজাঙ্কটিভাইটিস হতে পারে।

টনসিল
শীতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা লাগার কারণে গলার ভিতেরের টনসিলে ইনফেকশন হতে পারে। টনসিলে ইনফেকশনের কারণে গলায় ব্যথা ও জ্বর হতে পারে। টনসিলাইটিসের জন্য শিশুদের পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটে এবং বড়দের অফিস ও দৈনন্দিন কাজে বিগ্ন সৃষ্টি হয়।

গলা ব্যথা
শীতকালে অতিরিক্তি ঠাণ্ডার ফলে বিভিন্ন কারণে গলায় ব্যথা হয়ে থাকে। যেমন- হঠাৎ করে ঠাণ্ডা পানি পান করলে, শীতে গরম কাপড় না পড়লে, গলায় ব্যথা হতে পারে। এছাড়া টনসিলের কারণেও গলায় ব্যথা হতে পারে।

শীতে নাক কান গলার রোগ প্রতিকার

১. শীতকালে সাবধানে থাকতে হবে। যাতে সর্দি, কাশি ও ভাইরাসজনিত জ্বর না হয়।

২. ঠান্ডা জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। যেমনঃ ঠান্ডা পানীয়,আইসক্রীম ইত্যাদি।

৩. বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে বেশি নজর দিতে হবে।

৪. প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরিধান করতে হবে। এরপরও শীতকালে সর্দি, কাশি হওয়ার পরও গুরুত্ব দেয়া হয় না বা অবহেলা করা হয়। তাই যখন নাক, কান, গলায় সমস্যা দেখা দিবে তখনই একজন নিকটস্থ ইএনটি বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। অন্যথায় অনেক সময় জটিলতা দেখা দিতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেটের মেদ কমায় যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: পেটে যদি মেদ জমে তা বড়ই দুশ্চিন্তার। পেটে মেদ জমলে আপনি দেখতে যেমন বিশ্রি হয়ে যাবেন তেমনি নানা ছলেই নানা জন আপনাকে নানা কথা শোনাতে, মেদ নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করতেও ছাড়বেনা। তাই পেটে মেদ জমলে তা কমানোর জন্য নানা ধরণের ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম ছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার পেটে জমা মেদ কমে যাবে।

১. পেটের মেদ কমাতে পাকা কলা খেতে পারেন। পাকা কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম।পটাশিয়াম পাকস্থলীর দূষিত পদার্থ বের করে দিতে পারে। এর পাশাপাশি পটাশিয়াম পেটের মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

২. যেসব ফলে প্রচুর জলীয় অংশ রয়েছে সেসব ফল খান। এক্ষেত্রে তরমুজ, বাঙ্গি, পিয়ার, নাশপাতি খেতে পারেন। পানিজাতীয় ফল মেদ কমাতে সাহায্য করে।

৩. পেটের মেদ কমাতে শসা খুবই ভূমিকা রাখে। অনেকেই তাই ডায়েট চার্টে শসা রাখেন। এ ফলটিরও জলীয় অংশ বেশি। এটি সহজেই পেট ভরাতে সাহায্য করলেও পেটের মেদ কমিয়ে দেয়।

৪. পাকা পেপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি ও ফাইবার। এসব উপাদান পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

৫. পেটের মেদের চিন্তার অবসান ঘটাতে পারেন গ্রিন টি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি প্রতিদিন পান করুন। দেখবেন আপনার পেটের মেদ কমে গেছে। স্লিম হতে তাই অনেকেই গ্রিন টি পান করে থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাখিকে তনুশ্রীর পাল্টা জবাব

বিনোদনের খবর: রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন তনুশ্রী দত্ত। তনুশ্রী জানান, রাখির মতো একজন ‘নিন্ম রুচিসম্পন্ন, অশিক্ষিত’ মহিলার সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে চান না তিনি। তনুশ্রী আরও বলেন, ছোট থেকে বন্ধু নির্বচনের ক্ষেত্রে বুঝেশুনে পা ফেলেন তিনি। বাবা, মা ছোট থেকে যেভাবে তাঁকে বড় করেছেন এবং শিক্ষা দিয়েছেন, তার উপর নির্ভর করেই জীবনের পথে চলেন এবং বন্ধু নির্বাচন করেন। তাই বাবা, মায়ের শিক্ষার উপর নির্ভর করে তিনি কখনওই রাখির মতো বন্ধু নির্বাচন করবেন না বলেও স্পষ্ট জানান এই অভিনেত্রী।

শুধু তাই নয়, রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে জীবনে তাঁর একবারই দেখা হয়েছে। সে বহু বছর আগের কথা। মুম্বাই থেকে যখন একবার বিদেশে স্টেজ শো করতে যাচ্ছিলেন, ওই সময় একবার দেখা হয়েছিল রাখির সঙ্গে। কিন্তু, তখন রাখির কথা, আচার, আচরণে যথেষ্ঠ অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তাই ওই ঘটনার পর আর কখনও তিনি রাখির মুখোমুখি হতে চাননি বলেও মন্তব্য করেন তনুশ্রী দত্ত।

এর আগে, সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনে তনুশ্রী দত্তের বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্য করেন রাখি সাওয়ান্ত। তিনি অভিযোগ করেন, তনুশ্রী নাকি ধর্ষণ করেছেন তাঁকে। একবার নয়, একাধিকবার বাঙালি অভিনেত্রীর কাছে তাঁকে ধর্ষিত হতে হয়েছে। যা নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি তিনি। কিন্তু, বর্তমানে যেভাবে ‘মি টু’ ঝড় উঠেছে এবং তনুশ্রী একের পর এক ‘ভিত্তিহীন’ অভিযোগ করছেন, তার প্রেক্ষিতেই মুখ খুললেন বলেও দাবি করেন রাখি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে বাবর

খেলার খবর: সময়টা দারুণ যাচ্ছে পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩৩ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ’র লজ্জা দিল সররাজ বাহিনী। সিরিজে দারুণ ফর্মে ছিলেন বাবর আজম। পাকিস্তানি এ ব্যাটসম্যান তিন ম্যাচে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে এবার আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের পঞ্চম অবস্থানে ছিলেন বাবর। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে থাকায় পাঁচ থেকে এক লাফে শীর্ষে উঠে এসেছেন তিনি। তবে তার স্বদেশী তারকা ফখর জামান তিন থেকে পাঁচে চলে গেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৬৮ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ রানের জন্য ফিফটি হাতছাড়া করেন বাবর আজম। এরপর দুবাইয়ে রবিবার শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিতে ৫০ রান করেন তিনি। অসিদের বিপক্ষে মোট তিন ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে মোট ১৬৩ রান। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে এই সিরিজে তার ব্যাটিং স্ট্রাইক ছিল ১১৭.২৬।

বর্তমানে ৮৪৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বাবর আজম। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ৮৩৯ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐক্যফ্রন্টকে বৃহস্পতিবার সংলাপের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের খবর: সংলাপে বসার জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সংলাপের চিঠি নিয়ে রাজধানীর বেইলি রোডে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের বাসায় পৌঁছায় আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
সংলাপের আহবান জানিয়ে নয়া জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চিঠির জবাব দিতেই প্রতিনিধি দলটি জোট প্রধান ড. কামাল হোসেনের বাসায় যান। এসময় ড. আব্দুস সোবহান ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টুর হাতে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তুলে দেন।

এর আগে, গত রবিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের আহবান জানিয়ে সাত দফা দাবি এবং ১১টি লক্ষ্য সংবলিত চিঠি দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফীকুল্লাহ চিঠি পৌঁছে দেন।
চিঠিটি গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও সদস্য এস এম কামাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest