সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

আশাশুনিতে ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁদপুর জয়ী

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের দ্বিতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে ও কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় পাইকগাছা উপজেলার লাড়–লী ইউএফডি ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হয়। খেলায় ভালুকা চাঁদপুর তরুন সংঘ ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে জয়লাভ করে। খেলাটি পরিচালনা করেন, বরুন কুমার, ইয়ামিন হোসেন ও আবুল বাশার। খেলায় ধারাভাষ্যে ছিলেন, একরামুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন ও সবুজ আহমেদ। এ সময় সমাজ সেবক মাষ্টার রজব আলী সরদার, সাবেক মেম্বর ইয়াকুব আলী বেগ, মেম্বর আবু হাসান বাবু, সমাজ সেবক শরিফুল ইসলাম খোকা, কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুল, সম্পাদক মাশহুরুল হক সাজু, গোলাম রসূল, আ. সুবহান, মিজানুর রহমান সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ ও দর্শকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। একই মাঠে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮ বৃহস্পতিবার বিকেলে টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বাঁকা ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির বড়দলে জমি জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে দক্ষিণ বড়দল কালীমন্দিরের সামনে গ্রামবাসীর আয়োজনে এলাকার জেলে সম্প্রদায় এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধরে দেবেন মন্ডল (৮৫), বিভুতি রায়, নমিতা রাণী মন্ডল, কালিদাসী মন্ডলসহ একাধিক ব্যক্তি তাদের বক্তব্যে বলেন দঃ বড়দল গ্রামে ১০৮ পরিবার জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করেন। তাদের বাড়ী সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের প্রায় ২ শতাধিক বিঘা চরভরাটি জমি উঠলে বিগত ২০০৯ সাল থেকে আশাশুনি সীমানার উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ সহ একই সম্প্রদায়ের ৩৭ জন সরকারি ইজারা পরিশোধ করে ২৩ একর জমি ভোগদখলে নিয়ে মাছচাষ করে আসছিলো। দু’জেলার মধ্যে সীমানা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে গত ১৮/৬/২০১৭  সালে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার পক্ষে সার্ভেয়ার মাপ জরিপ করে দুই জেলার সীমানা নির্ধারন করে দেন।
কিন্তু বড়দল গ্রামের মৃত ইন্তাজ গাজীর পুত্র আনিছ গাজী, বাছেদ গাজী, জোহর গাজীর পুত্র মিজানুর গাজী, ইসলাম গাজীর পুত্র আমিরুল গাজী খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার নোবায়েত মোল্যার পুত্র মনিরুল, একই গ্রামের আরিফুল, কামাল গাজীসহ কিছু ভূমিদস্যু উক্ত সরকারি সীমানা পিলার না মেনে জেলে সম্প্রদায়ের উক্ত ভোগদখলী ইজারাকৃত জমি থেকে ১৪৬৫ দাগের প্রায় ১৫ একর জমি তারা দখল করে নিয়েছে। নমিতা রাণী মন্ডল জানান- উপরোক্ত ভূমিদস্যুরা প্রকাশ্যে আমাদের জানমালের ক্ষয় ক্ষতি ও জমি ছেড়ে দিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাত হলে ভয়ে ভয়ে থাকতে হচ্ছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে মৃত: ইনতাজ গাজীর পুত্র বাছেদ গাজী জানান,  আমাদের যেমন ডিসিয়ার আাছে তদরুপ তাদের ও ডিসিয়ার আছে। কিন্তু পার্থক্য হলো আমরা গত ৫ বছর যাবত অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যায় করে ঘেরের পরিবেশ তৈরী করে মৎস্য চাষ করে আসছি। কয়েক দিন পূর্বে দেবব্রত মেম্বর তার লোক জন নিয়ে  আমাদের ৪ জনের ডিসিয়ারের  ৪টি ঘেরের বেড়ি কেটে ব্যাাপক ক্ষতি সাধন করেছে। এখাানে প্রায় ২৬০ বিঘা খাস সম্পত্তি আছে তাই আমরা যেহেতু কয়েক বছর থেকে উক্ত সম্পত্তি বৈধ ডিসিয়ার নিয়ে ভোগ দখল করে আসছি সেহেতু আামাদের বেআাইনি ভাবে উঠিয়ে না দিয়ে যারা অবৈধ ভাবে দখলে আছে তাদেরকে উঠানোর ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। তিনি আরও জানান, আমরা তাদের উপর নির্যাতন করছি না দেবব্রত মেম্বর এবং তার লোকজন আমাদের ক্ষতি সাধন করেছেে সেটা এলাকায় আসলে সবাই জানতে পারবে। এ ব্যাপারে বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা জানান- উভয় উপজেলার সীমানা নির্ধারন করার পরেও এপার ওপারের কিছু লোকজন সীমানা না মেনে এলাকার শান্তি নষ্ট করছে।
উপরোক্ত ইজারাকৃত জমি জেলে সম্প্রদায়ের মধ্যে ফিরিয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনকাট ছাড়পত্র পেল বাপ্পি-অধরার ‘নায়ক’

বিনোদনের খবর: ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি ও নবাগতা অধরা খান অভিনীত ছবি ‘নায়ক’ আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে। ইস্পাহানী আরিফ জাহানের পরিচালিত ছবিটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে রবিবার প্রদর্শিত হওয়ার পর আজ সোমবার আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পায়।

সেন্সর বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে প্রকাশ হয় ছবিটির প্রথম গান ‘এলোমেলো’। এই ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হচ্ছে চিত্রনায়িকা অধরার। ছবির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

ছবিটিতে বাপ্পি, অধরা ও মৌসুমী ছাড়াও অভিনয় করেছেন অমিত হাসান, আমান রেজা, নুসরাত জাহান পাপিয়া প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে শহরে ১৯ বছর ধরে কোনও গাড়ি নেই!

ভিন্ন স্বাদের খবর: বাইরে বের হলেই গাড়ির শব্দে আর ধোঁয়ায় হাঁস ফাঁস অবস্থা হয় আমাদের।অথচ জানেন কি এমন এক শহর আছে যেখানে গাড়ি নিষিদ্ধ। স্পেনের একটি ছোট্ট শহর পন্টেভেদ্রা। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। খুব প্রয়োজন ছাড়া এখানে গাড়ি চলাচল করে না।

শহরের বাসিন্দারা পায়ে হেঁটে বা বাইসাইকেলে গন্তব্যে পৌঁছান। শহরটা ছোট হওয়ায় বাইসাইকেলেই যাওয়া যায়।

১৯৯৯ সাল থেকে এই শহরে গাড়ি নিষিদ্ধ। জানেন কি কেন ১৯ বছর ধরে গাড়ি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই শহরে? মিগুয়াল অ্যাঙ্গসো ফারনানডেজ লরেস। পন্টেভেদ্রার মেয়র। এই নিয়ে চার বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রথমবার মেয়র হওয়ার পরই তিনি গাড়ি নিষিদ্ধ করে দেন।

যানজট আর দূষণমুক্ত করে পন্টেভেদ্রাকে বাসযোগ্য করে তোলার পরিকল্পনা তার। আর শুধুমাত্র সে কারণেই গাড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাতে জনগণ সাড়াও দেন। সে জন্য ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাকেই মেয়র নির্বাচিত করা।

১৯৯৬ থেকে ২০০৬, এই ১০ বছরে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের। এর পরের ১০ বছর অর্থাৎ ২০০৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ১০। এমনকি ২০০৯ সালের পর থেকে একটি মৃত্যুও পথ দুর্ঘটনার কারণে হয়নি বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন মেয়র নিজেই।

পায়ে হেঁটে আর বাইসাইকেলে যাতায়াত করার জন্য দূষণের মাত্রাও প্রচুর কমেছে। পন্টেভেদ্রার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে। গাড়ির ভিড়ে অন্যান্য শহরে যেমন নাভিশ্বাস ওঠার জোগড়, রাস্তায় পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না, পন্টেভেদ্রায় ঠিক উল্টো।

গাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায়, মানুষের বসতি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৯ সালে গাড়ি নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে এই শহর ১২ হাজার নতুন বাসিন্দা পেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভালো মানুষকে মনোনয়ন দিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

রাজনীতির খবর: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘আমি সব রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করি, তারা যেন ভালো মানুষকে মনোনয়ন দেয়। যাতে দেশের অবস্থা ভালো হয়। কারণ, অনেক এলাকার এমপিদের কথা, কাজের শুনে আমরা আঁতকে উঠি।’

সোমবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম খেলার মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন আসন্ন। উক্ত নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল থেকে সৎ, চরিত্রবান ও যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া উচিত। অসৎ ব্যক্তিরা নির্বাচিত হলে দেশের কোনো উন্নয়ন হবে না।’

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এমন সরকারকে নির্বাচিত করতে হবে, যারা দেশের উন্নয়ন চায়, অগ্রগতি চায়।’

আবদুল হামিদ আরো বলেন, ‘যারা টিআর, কাবিখার টাকা, গম, চাল মেরে খায়, সে যদি আমার ছেলেও হয়, তাদের ভোট দেবেন না। কোথায় ভোট দিলে আপনাদের উন্নতি হবে, কল্যাণ হবে, সেটা বুঝে-শুনেই ভোট দেবেন। যাদের কথা ও কাজে মিল রয়েছে, তাদের ভোট দেবেন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখি উন্নত ভবিষ্যতের। এক সময় হাওর এলাকায় রাস্তাঘাট হবে। কৃষক নির্বিঘ্নে তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারবে। হাওরে ফ্লাইওভার হবে। ফ্লাইওভার দিয়ে হাওরের মানুষ জেলা শহর কিশোরগঞ্জ ও ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করবে। এটি আমার ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্ন বা দিবা স্বপ্ন নয়। এ স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে একদিন। হয়তো সেদিন আমি থাকব না। কিন্তু হাওরের মানুষ সে সুফল একদিন ভোগ করবে।’

অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল হক হায়দারি বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অষ্টগ্রাম উপজেলা পরিষদ ভবন সম্প্রসারণসহ আটটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

আজ সোমবার বিকেলে পাঁচদিনের সফরে কিশোরগঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সফরের প্রথম দিন আজ দুপুর ২টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টার অষ্টগ্রাম হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। সেখান থেকে অটোরিকশায় করে অষ্টগ্রাম নতুন ডাকবাংলোতে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর তিনি ‘রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মিলনায়তনে’ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে অষ্টগ্রাম-নওগাঁ ও অষ্টগ্রাম-কাস্তুল-ভাতশালা সড়কের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। পরে বিকেলে ইটনা উপজেলায় ‘রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সরকারি কলেজ’ মাঠে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে অলআউট কূটনীতিতে সরকার

দেশের খবর: আসন্ন নির্বাচনের আগে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপি যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালাচ্ছে তা মোকাবিলায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক মহলে বিএনপির বক্তব্যকে মিথ্যাচার বলে অভিহিত করলেও একে হালকাভাবে দেখছে না সরকারি দল আওয়ামী লীগ। তাই সরকারের পক্ষ থেকে এক ধরনের অলআউট কূটনীতি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএনপির বক্তব্য ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট উদ্বেগ ও চাপ মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুসারে, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোয় থাকা বাংলাদেশ মিশন সেসব দেশের সরকারকে ব্রিফ করবে। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এই ব্রিফিং চলবে নিয়মিত। প্রয়োজনে সেসব দেশে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা যাবেন এবং সরকারগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া জাতিসংঘের দুই সদর দফতর নিউইয়র্ক ও জেনেভায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরতে আলাদা ভাবে কর্মকর্তাকে অ্যাসাইন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ হবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ব্রাসেলস সদর দফতরের ক্ষেত্রেও।

মিশনগুলোর জন্য ড্রাফট ব্রিফিং নোটে উল্লেখ করা হয়েছে, সব বাধা উপেক্ষা করে আগামী জাতীয় নির্বাচন সময়মতো এবং সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সব রাজনৈতিক দল আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবে। কোনো রাজনৈতিক দলকে বাধা দেওয়া হবে না। এতে বলা হয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল সমাজ রয়েছে। এই সমাজ নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এখানে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

সূত্র মতে, শিগগিরই সরকারের একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা দিল্লি সফরে যাবেন। তিনি নয়াদিল্লি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে শুধু আলোচনা করবেন না বরং বিভিন্ন থিঙ্কট্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক আমলা-কূটনীতিকদের সঙ্গেও বৈঠক-আলোচনা করবেন। সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করতে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে একাডেমিক আলোচনাও করবেন উপদেষ্টা। পাশাপাশি বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী দুই সপ্তাহ আগে যে প্রবন্ধ লিখেছেন তা নিয়েও সরকারের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। যদিও ঢাকার কূটনীতিকরা ইতিমধ্যেই আশ্বস্ত হয়েছেন যে, পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর প্রবন্ধের সঙ্গে ভারত সরকারের অবস্থানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারপরও সাবেক একজন হাইকমিশনারের এ ধরনের প্রবন্ধ যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুখরোচক আলোচনার জন্ম দেয় তা ভারতের সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হবে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিএনপির প্রচারণার বিপরীতে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটিকেও সক্রিয় করা হয়েছে। উপ-কমিটি গত সপ্তাহে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজে এক গোলটেবিলের আয়োজন করে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সভায় বেশ কয়েকজন সাবেক রাষ্ট্রদূত তাদের মতামত তুলে ধরেন। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেন, জাতিসংঘের আমন্ত্রণ এবং তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করেছে। দলটি নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে— যা গণতান্ত্রিক আচরণের মধ্যে পড়ে না। এ সময় বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রকৃত ঘটনাগুলো এবং ইতিহাস তুলে ধরতে আহ্বান জানান তিনি।

জানা যায়, এর আগে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে দুই আন্দোলনও কূটনৈতিক অঙ্গনে প্রভাব রেখেছিল। এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্বেগ প্রকাশ হয়। এই দুই আন্দোলন যে বিরোধীদের পরিকল্পিত তা উল্লেখ করে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ কিছু ব্রিফিং করা হয়। তখনো শুধু ঢাকায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে পশ্চিমা দুনিয়া এবং উন্নয়ন অংশীদার দেশগুলোর শীর্ষ পর্যায়ে এ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা ব্রিফ করেন। ঢাকার বিশেষ নির্দেশনায় মিশন প্রধানরা নিজ নিজ দেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে দেখা করে সেই উদ্বেগ নিরসনের চেষ্টা করেন। সরকারের কর্মকর্তারা মনে করেন, এসব বিফিং সরকারের পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নামে শুরু হওয়া তৎপরতা ও কূটনৈতিক প্রচারণা মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রীকে খুশি করতে গৃহকর্মী শিশুকে বর্বর নির্যাতন

দেশের খবর: স্ত্রীকে খুশি রাখতে কাজের ভুল ধরে শিশু গৃহকর্মী আল-আমিনকে উঁচু করে মাথায় তুলে আছাড় মারা হতো। অজ্ঞান না হওয়া পর্যন্ত লাঠি দিয়ে পেটানো হতো। এরপর টয়লেটের ভিতর ফেলে দরজা বন্ধ করে রাখা হতো। জ্ঞান ফিরলে জুটত পচা খাবার। টানা ছয় মাস ধরে গৃহকর্মী আল আমিনের (১২) ওপর মধ্যযুগীয় এমন বর্বরতা চালিয়ে গৃহকর্ত্রী ও গৃহকর্তা পৈশাচিক আনন্দ পেতেন। এ রকম নির্যাতন করেও সাধ মেটেনি তাদের। পরে ঘাড় মটকে আল-আমিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আদাবর থানায় গৃহকর্তা শেখ জোবায়ের আলম ও গৃহকর্ত্রী সাইয়েদা রহমান তমার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও অভিযোগপত্রে উঠে আসে এসব তথ্য।

গতকাল এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কারাগার থেকে আসামি আদালতে হাজির না করায় ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল আমিন বিপ্লব আগামী ২৪ অক্টোবর নতুন তারিখ ধার্য করেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার সাব-ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামান মনি আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, স্ত্রীকে খুশি রাখতে গৃহকর্তা আসামি শেখ জোবায়ের আলমও ভিকটিম আল-আমিনকে মারধর করতেন। এ ছাড়া দীর্ঘদিন অনাহারে, অনিদ্রায়, অসুস্থ হয়ে ঠিকভাবে কাজ করতে না পারায় আসামিরা নির্মমভাবে মারধর করে আল-আমিনকে মেরে ফেলেন। বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি সাইয়েদা রহমান তমা বলেন, ‘ঘটনার পাঁচ মাস আগে রাজধানীর আদাবরের শেখের টেকের ৪ নম্বর রোড, ২৩/২৫ নম্বর বাসায় আমার স্বামী আল-আমিন নামের একটি ছেলেকে গৃহস্থালির কাজের জন্য নিয়ে আসে। আল-আমিন সঠিকভাবে কাজ না করায় তাকে আমি মাঝেমধ্যে স্টিলের স্কেল ও লাঠি দিয়ে মারধর করতাম। এ ছাড়া তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য রাতে বাথরুমে রেখে দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে দিতাম। আমাদের ফ্ল্যাটে দুটো বাথরুমের একটিতে ওকে আটকে রাখতাম এবং অন্যটি আমরা সবাই ব্যবহার করতাম। ২০১৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আল-আমিনকে রান্নাঘরে কাজ করার নির্দেশ দিলে সে সঠিকভাবে কাজ না করায় আমি তাকে মারধর করি। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সে বাচ্চার ফিডার পরিষ্কার করতে গিয়ে ফেলে দেয়। তখন আমি আবারও তাকে মারধর করি। আমার স্বামী এগিয়ে এসে আল-আমিনকে উঁচুতে তুলে মেঝেতে আছাড় মারে। আল-আমিন গিয়ে ময়লার ঝুড়ির ওপর পড়ে। মারধরের ফলে আল-আমিনের আগের জখমে আঘাত লেগে রক্ত ঝরতে থাকে। তার শরীরের রক্ত ও ময়লা ধোয়ার জন্য আমার স্বামী তাকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে শাওয়ার ছেড়ে রক্ত ও ময়লা পরিষ্কার করে। পরে বাথরুমের সামনে ভাত দিয়ে আল-আমিনকে খেতে বলে। আল-আমিন ভেজা প্যান্ট পরা অবস্থায় বাথরুমের মেঝেতে শোয়া থেকে বারবার উঠে বসার চেষ্টা করলেও পড়ে যাচ্ছিল। রাত দেড়টার দিকে আমার ছোট ভাই আল-আমিনের বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে আমাকে বলে। আমি তখন বাথরুমের সামনে যাই। গিয়ে দেখি আল-আমিন শুয়ে কাতরাচ্ছে। আমি মনে করি সে ইচ্ছা করে এমন অভিনয় করছে। এই ভেবে আমার রাগ উঠলে আমি তার ঘাড়ে লাথি মেরে বাথরুমের ভিতরে ঠেলে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিই। কিছুক্ষণ পরে আল-আমিনকে আমার স্বামী বাথরুম থেকে বের করতে চাইলে আমি তাকে রাগান্বিত হয়ে নিষেধ করি। এরপর আমি শুয়ে পড়ি। সকালে আমার স্বামী আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জানায়, আল-আমিন অজ্ঞান অবস্থায় বাথরুমে পড়ে আছে। আমার স্বামী তখন আল-আমিনকে বাথরুম থেকে রান্নাঘরের সামনে নিয়ে এসে ভেজা কাপড় পরিবর্তন করে এবং হাত-পায়ে তেল মালিশ করে। পরে বাসার পাশের ফার্মেসি থেকে একজন লোক নিয়ে আসে। তিনি জানান, আল-আমিন মারা গেছে।’ সূত্রে জানা গেছে, আল-আমিন মারা যাওয়ার পর মোবাইল ফোনে তার পরিবারকে আসামিরা জানান, আল আমিন গুরুতর অসুস্থ। পরে চাচা হারুন ও অন্য স্বজনরা এসে আল-আমিনের লাশ দেখতে পান। সে সময় গৃহকর্তা জোবায়ের আড়াই লাখ টাকা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এদিকে আদালতে দাখিল করা ছবিতে আল-আমিনের শরীরের সর্বত্র ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ছবি দেখে মনে হয়েছে, একটি কঙ্কালের ওপর চামড়া লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, এ মামলার বাদী নিহত আল-আমিনের চাচা হারুন-অর-রশীদ চলতি বছর ২৭ মে আদালতে হলফনামা দিয়ে বলেছেন, ‘আমার ভাতিজা আল-আমিন আসামিদের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার শ্বাসকষ্ট, কিডনি ও লিভারে সমস্যা ছিল। পরে মারা যায় বলে আমি জানতে পারি। পরে স্থানীয় লোকজনের কথায় শেখ জোবায়ের আলম, সাইয়েদা রহমান তমা, আনজু আরা পারভীন ও শাকিল আহম্মেদের বিরুদ্ধে মামলা করি। তাদের আসামি করায় আমি খুবই মর্মাহত ও দুঃখিত হয়েছি। তাই এই আসামিরা অভিযোগের দায় হইতে অব্যাহতি ও জামিনে মুক্তি পাইলে আমার ওজর-আপত্তি নাই।’ সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারীরাও পাবেন ব্যালন ডি’অর

খেলার খবর: ১৯৫৬ সালে প্রথমবারের মত ব্যালন ডি’অর উঠেছিল স্ট্যানলি ম্যাথিউজের হাতে। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন প্রদত্ত ব্যালন ডি’অর সম্মান এতো বছর বরাদ্দ ছিল কেবল পুরুষ ফুটবলারদের জন্যই। অবশেষে ভাঙতে চলেছে সেই প্রাচীন প্রথা। চলতি বছর থেকে নারী ফুটবলারদের জন্যও খুলে যাচ্ছে ব্যালন ডি’অর-র দরজা।

ম্যাগাজিনের মুখ্য সম্পাদক পাস্কাল ফেরি জানান, ‘গত কয়েক বছরে সারা বিশ্বে নারীদের ফুটবল আলোড়ন ফেলেছে। নারী ফুটবল বর্তমানে সমানতালে পাল্লা দিচ্ছে পুরুষদের সঙ্গে। তাই পুরুষ ফুটবলারদের মতই সমান কৃতিত্ব প্রাপ্য তাদেরও।’

২০১৫ নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি উদাহরণ তুলে ফেরি’র আরও সংযোজন, ৭৬০ মিলিয়ন দর্শক টেলিভিশনে ২০১৫ নারী বিশ্বকাপ চাক্ষুস করেছিলেন। এটা কোনো মামুলি ব্যাপার নয়।’

অর্থাৎ মুখ্য সম্পাদকের কথাতেই স্পষ্ট, নারী ফুটবলকে বিশ্বদরবারে আরও বেশি করে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া ফ্রান্স ফুটবল। মঙ্গলবার ম্যাগাজিনটির পক্ষ থেকে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হবে বিষয়টি। আগামী ৮ অক্টোবর ব্যালন ডি অর’র জন্য সম্ভাব্য ৩০ পুরুষ ফুটবলারের নাম ঘোষণা হবে। একইদিনে প্রথমবার ব্যালন ডি অর’র জন্য ঘোষিত হবে ১৫ নারী ফুটবলারের নামও। তার মধ্যে থেকে জার্নালিস্ট এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ৪০ জনের একটি জুরি বেছে নেবেন সেরা নারী ফুটবলারকে। জুরিদের ভোটেই প্রথমবারের জন্য নির্বাচিত হবেন বিশ্বের সেরা নারী ফুটবলার। আগামী ৩ ডিসেম্বর হবে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের সম্পাদকের এই ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত নারী ফুটবলাররা। তারা মনে করছেন ব্যালন ডি’অর তাদের আরও উদ্বুদ্ধ করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest