সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে ফ্রান্স-বেলজিয়াম যৌথভাবে শীর্ষে

খেলার খবর: ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ২৫ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এল রাশিয়া বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স ও একই আসরে তৃতীয় হওয়া বেলজিয়াম। ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে সর্বশেষ প্রকাশিত তালিকায় দুটি দেশই সমান ১৭২৯ পয়েন্ট অর্জন করেছে।

শীর্ষ দশে আর মাত্র একটি পরিবর্তন হয়েছে। নয় থেকে দশে চলে গেছে ডেনমার্ক। সেই র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান তৃতীয়। চতুর্থস্থানে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়া। উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও স্পেন যথাক্রমে নবম পর্যন্ত আগের অবস্থানেই আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা এর আন্তরিক সহযোগিতায় নিশ্চিত হবে প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান

 

প্রাথমিক শিক্ষা হলো বুনিয়াদী শিক্ষা। এই শিক্ষা’ই মোটামুটি নির্ধারণ করে দেয় শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন। কেননা, প্রাথমিক শিক্ষা’ই শিশুকে পরবর্তী ধাপের শিক্ষা গ্রহণের উপযুক্ত করে গড়ে তোলে। ‘প্রাথমিক শিক্ষা চক্রে’ বর্তমানে শিশুর জন্য ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা রয়েছে। যে গুলো অর্জন করা একজন শিশুর জন্য অতীব জরুরী। খাদ্য তৈরীর জন্য গাছের পাতায় ‘ক্লোরোফিল’ যেমন অত্যাবশ্যকীয় উপাদান ঠিক তেমনি আজকের শিশুকে একজন পরিপূর্ণ ‘মানুষ’ হয়ে উঠার জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো প্রাথমিক শিক্ষা চক্রের জন্য নির্ধারিত এই ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা। কোন শিশু যদি সফলতার সাথে এই যোগ্যতা সমূহ অর্জন করতে পারে তাহলে নি:সন্দেহে পরবর্তী শিক্ষা গ্রহনের জন্য তার ভীত অত্যন্ত মজবুত হবে। একটি মজবুত ফাউন্ডেশনের উপর একজন নির্মাতা/মালিক যেমন বহুতল ভবন করার স্বপ্ন দেখতে পারেন, ঠিক তেমনি ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জনকারী একজন শিশুকে নিয়ে আমরা ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নিব -এই স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি। প্রখ্যাত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াস-এর একটি বহুল প্রচলিত উক্তি–‘‘যদি তোমার পরিকল্পনা হয় ১ বছরের তাহলে ধান লাগাও,যদি পরিকল্পনা হয় ১০ বছরের তাহলে গাছ লাগাও আর যদি পরিকল্পনা হয় ১০০ বছরের তাহলে জাতিকে শিক্ষিত করো।” স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের পুর্ন:গঠনের কাজে হাত দিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধীনায়ক,বাংলাদেশের স্থাপতি ,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, তৃতীয় বিশ্বের গণ মানুষের দাবী আদায়ের অবিসংবাদী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সোনার বাংলা গড়তে তিনি সোনার মানুষের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। অনুসরণ করলেন কনফুসিয়াসের বাতলে দেওয়া পথ। ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই জাতীয়করণ করলেন দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ৩৬,৭১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে। এর মধ্যদিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশা, আকাঙ্খা ও প্রত্যাশা-প্রাপ্তির এক জোয়ার এসে জাতিকে বিভোর করে তুললো। শিক্ষা নামক তরীতে যুক্ত হলো বিশাল আকৃতির পাল। দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা। মহান নেতার সুযোগ্য তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই পালের অবয়ব বৃদ্ধি করলেন ২০১৩ সালে আরো ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার মাধ্যমে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে গ্রহণ করা হলো বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প। শিক্ষকগণের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদী বৃদ্ধি করা হলো, ব্যবস্থা নেওয়া হলো -তাদের জন্য উন্নত ও সময়োপযোগী সব ধরনের প্রশিক্ষণের, বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হলো ল্যাপটপ,মাল্টিমিডিয়া,প্রজেক্টর প্রভৃতি ডিজিটাল ডিভাইস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গনতান্ত্রিক মনোভাব শৈশব থেকেই জাগ্রত করার জন্য ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ গঠনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ‘ক্ষুদে ডাক্তারের’ ন্যায় প্রশংসনীয় কার্যক্রম চালু রয়েছে বিদ্যালয়ে, চালু রয়েছে -কাবিং কার্যক্রম। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট চালু রয়েছে, ক্রীড়াঙ্গনে যার সুফল বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পেয়েছে। শুধু ক্রীড়াঙ্গনে নয়, সমাজের প্রায় ৯৮%শিশুকে বিদ্যালয়ে আনা সম্ভব হয়েছে , সম্ভব হয়েছে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য পরিমানে হ্রাস করা। এর প্রেক্ষিতে, নির্ধারিত সময়ের পূর্বেইMillennium Development Goals Gi Goal-2 Gi Universal Primary Education অর্জন করে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা( Sustaiable Development Goals) Gi Goal-4 এ ঘোষিত মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণের জন্য ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় গ্রহণ করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। এতদ্বসত্ত্বে ও প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান কিন্তু এখনো কাঙ্খিত পর্যায়ের কাছাকাছি ও পৌঁছায়নি। মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের পাশাপাশি ‘মা’ কে তাই রাখতে হবে অগ্রনী ভূমিকা। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-পৃথিবীতে যত মহামানব এসেছেন,যত মানুষ অন্যের জন্য আলোকবর্তীকা হয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকের পিছনে তাঁদের মায়েদের অসমান্য অবদান রয়েছে। বিখ্যাত সূফী সাধক খাঁজা মঈনুদ্দীন চিশতি(রহ.)এক সফর শেষে এসে তাঁর মাকে বলছেন- আম্মাজান এই সফরে লক্ষাধিক মানুষ আমার হাতে বাইয়্যাত গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছেন। তাঁর এই কথা শুনে তাঁর আম্মা বলছেন- বাবা এর জন্য তোমার বিশেষ কোন কৃতিত্ব নাই। এই বুর্জগীতো আমার, বিনা ওজুতে আমি তোমাকে কখনো দুধ পান করাই নাই। আমরা যদি বর্তমান সময়ের প্রতি একটু লক্ষ্য করি দেখতে পাবো অধিকাংশ মায়েরা কি পরিমানে বাজে কাজে (বিভিন্ন সিরিয়াল দেখা, ফেসবুক চালানো, অন্যের সাথে অযথা গল্প গুজুব করা প্রভৃতিতে) ব্যস্ত সময় পার করছেন। সন্তানের সাফল্যে নিজেকে অংশীদার বানানোর চিন্তা আজকে আমাদের মায়েদের কল্পনায়’ই আসছেনা না। সাধারণত শিশুর জন্মের পর এবং বিদ্যালয়ে যাওয়ার পূর্বে তার মায়ের কাছেই শিক্ষার হাতে খড়ি হয়ে থাকে। সে সময় মা তাকে যেরুপ শিক্ষা দেয়, পরবর্তী জীবনে তার একটি প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরুপ, আমরা হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) এর জীবনের ২/১টি ঘটনা উল্লেখ করতে পারি। মক্তবের শিক্ষক হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) কে আউযু বিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সবক দানের সাথে সাথে আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) কুরআন মাজিদের প্রথম থেকে আঠারো পারা পর্যন্ত মুখুস্ত বলে ফেললেন। মক্তবের শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, হে বৎস! তুমি কিভাবে কুরআন মুখুস্ত করেছো! আজ মক্তবে তোমার প্রথম দিন। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) বলেন, আমার মাতা ১৮ পারা পর্যন্ত কুরআন মুখুস্ত করেছিলেন। আমি গর্ভে থাকা কালীন সময়ে তিনি কুরআন পাঠ করতেন। আমি মায়ের তেলাওয়াত শুনেশুনে ১৮ পারা পর্যন্ত কুরআন মুখুস্ত করে ফেলেছি। আজ আমাদের মায়েদের কাছ থেকে আমাদের সন্তানেরা কী শিখছে?। সন্তান গর্ভে থাকলে আজকে অধিকাংশ মায়েদের অবসর যেন কাটতেই চায় না। অলস সময় তারা যে কিভাবে পার করেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। সত্যবাদিতা ,নৈতিকতা বই পড়ে অর্জনের কোন বিষয় না,এটি পরিবার থেকে চর্চার বিষয়। যার সূচনা হয় মায়ের হাত ধরেই, কারণ-শিশু যে তার মাকেই সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করে। পড়াশুনার উদ্দেশ্যে হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) ব্যবসায়িক কাফেলার সাথে বাগদাদ যাওয়ার পথে ডাকাতের কবলে পড়লেন। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.)কে ডাকাত সর্দার জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার সাথে কি আছে? তিনি বললেন আমার নিকট ৪০টি স্বর্ণ মুদ্রা আছে। ডাকাত সর্দার আশ্চার্যন্বিত হয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন,হে যুবক! তুমি তো মিথ্যা কথা বলে আমার নিকট থেকে স্বর্ণ মুদ্রা লুকাতে পারতে। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী(রহ.) বললেন-মিথ্যা কথা বলতে আমার ‘মা’ নিষেধ করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঐ ডাকাত সর্দার সহ আরো ৬০ জন অশ্বারোহী ডাকাত নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অন্ধকার জগত থেকে আলোর পথে ফিরে আসল। আজ সমাজে এ রকম মায়ের খুবই অভাব। বাড়িতে সন্তানের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে কোন রকমে দায়সারাভাবে অধিকাংশ ‘মা’ তার সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছে। যখন তার সন্তানের পড়ালেখার জন্য বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে, হাতে গোনা কয়েকজন মা আসছেন। মিড-ডে মিল বাস্তবায়নে বিদ্যালয়কে সহায়তার পরিবর্তে পরিবারের অন্যান্য সদস্য নিয়ে তারা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সব দায় যেন সরকার বাহাদুরের। যা গুণগত মানের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। তারা ভুলে গেছেন(অনেক ‘মা’ হয়ত জানেন ই না) মাতৃগর্ভ থেকে অন্ধ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইমাম বুখারী(রহ.)। তাঁর মায়ের একান্ত সাধনায় চোখের জ্যোতি ফিরে পান ইমাম বুখারী(রহ.)। আল্লামা আসকালানী ইমাম বুখারী(রহ.) এঁর বাল্যকালীন শিক্ষা সর্ম্পকে লিখেছেন যে, মায়ের কোল থেকেই ইমাম বুখারী (রহ.) শিক্ষা লাভ করেন। শৈশবে পিতার মৃত্যুর পর তাঁর মা তাঁকে লালন-পালন করেন। মাত্র ৬ বছর বয়েসে তিনি কুরআন মুখুস্ত করেন। ২০টির অধিক গ্রন্থ তিনি রচনা করেন। ইমাম বুখারী(রহ.) যে মানুষের জন্য আলোর দিশারী হলেন এটি সম্ভব হয়েছে তাঁর মায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। আমরা কি আমাদের সকল মায়েদের কাছে এটা প্রত্যাশা করতে পারিনা , ‘তাঁদের মতো আপনি ও আপনার সন্তানের শিক্ষার প্রতি আন্তরিক হবেন।’ কেননা- উন্নত বাংলাদেশের হ্নদস্পন্দন যে আজ আপনার কোলে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমকে (মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা)বাস্তবায়নের জন্য আপনার আন্তরিকতাপূর্ণ সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। “শিক্ষিত মা এক সুরভিত ফুল, প্রত্যেকটি ঘর হবে এক একটি স্কুল” –আসুন, আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই স্লোগানের সাথে একত্ত্বতা ঘোষণা করে প্রিয় স্বদেশ ভূমিকে উন্নত দেশে রুপান্তরিত করতে কাধে কাধ মিলিয়ে গুণগতমানের প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসি।

মো: মনজুরুল আলম
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার
দেবহাটা, সাতক্ষীরা।
মোবাইল নং:০১৭৮৭-৪১৮৫৫৩

E-mail: monzualam1@gmail.com

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায়  ইউএনও হিসাবে আলমগীর হুসাইনের যোগদান

নিজস্ব প্রতিনিধিঃকলারোয়ায় উপজেলা নির্বাহী( ইউএনও) হিসাবে নতুন যোগদান করেছেন মোঃ আলমগীর হুসাইন। এর আগে জেলা প্রসাশক কার্যালয় সাতক্ষীরাতে  যোগদান করেন  বৃহস্পতিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় অফিসে যোগদান করেন।কলারোয়ায় যোগদানের পূর্বে তিনি বাগেরহাট মোড়লগঞ্জের এসিল্যান্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন।সিনিয়র সহকারী সচিব হিসাবে এই প্রথমে ইউএনও হয়ে কলারোয়ায় যোগদান করলেন।তিনি ৩১তম বিএসএস ক্যাডারভুক্ত হন,তিনি খুলনা জেলার সন্তান। নবাগত ইউএনও জানান সকলের সহযোগীতায় কলারোয়াকে মডেল হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।উল্লেখ্য সদ্য বিদায়ী মনিরা পারভীনের বিদলীর জনিত কারনে কলারোয়াতে  তিনি যোগদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত

 

সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি (রেজিঃ নং- খুলনা-২০৯১) এর ২২ সেপ্টম্বরের নির্বাচন সাময়িক স্থাগিত ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা বাস মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়।
ওইপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর১৮ তারিখে নির্বাচনের দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু নির্বাচনের বিষয়ে বিভাগীয় শ্রম আদালত, খুলনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-শ্রম৮০/২০১৮। উক্ত মামলায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হবে না এই মর্মে সংশ্লিষ্ট আদালত কারণ দর্শনোর নোটিশ জারি করেছে। এমতাবস্থায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হলো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে ইউপি সদস্যেরর বিরুদ্ধে  মৎস্য ঘের লুটের অভিযোগ

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দলে ভূমি দুস্য ইউপি সদস্য দেবব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে মৎস্য ঘেরের বাসা ভেঙে, ঘেরের বেড়ি বাধ কেটে জাল টেনে ঘেরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বড়দল মৌজার ১ নং খাস খতিয়ানের ৮৪৬ দাগের ২০০শতক জমি ২০১৩ সাল থেেকে একসানা ডিসিয়ার নিয়ে বড়দল গ্রামের মৃত: ইনতাজ গাজীর পুত্র বাছেদ গাজী, আনিচ গাজী, জহোর গাজীর পুত্র মিজানুর গাজী এবং ইসলাম গাজীর পুত্র আনারুল গাজী শান্তিপূর্ণ ভোগ দখল করে আসছিলো। তাদের প্রত্যেকর আলাদা আলাদা ঘেরের বেড়ি মেম্বর ও তার লোক জন মিলে গতকাল রাত আনুমানিক দেড়টাার দিকে কেটে দিয়ে ঘেরের বাসা ভেঙে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। বৈধ্ ডিসিয়ারের মালিক বাছেদ গাজী জানান, মধ্যম বড়দল গ্রামের মনি মন্ডলের পুত্র দেবব্রত মেম্বর ও তারি সহযেগি সুুবোল কুমার, সিবপদ জেলে, নিপপদ মন্ডল, বিভূতি মন্ডল, জান্টু মন্ডল, সুব্রত মন্ডল, মধু মন্ডল সহ  আরও কয়েক জন মিলে সংগবদ্ধ হয়ে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আমাদের মৎস্য ঘেরে এসে বেড়ি কেটে ও বাসা ভাংচুর করে তাদের মৎস্য ঘের লুট করে চলে যায়। এসময় তারা ঘেরের প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছ ও ঘেরের বাসায় থেকে বেশ কিছু জিনিষ পত্র নিয়ে যায়। এঘটনার পূর্বে মেম্বর ও তার লোক জন আমাদেরকে ফোনে ও সন্মুখে একাধিক বার ঘেরে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলো। বছরের প্রথম দিকে একই এলাকার মৎস্য ঘের মালিকদের মারপিট করে ঘের দখল করার কারনে পাইকগাছা থানায় মেম্বর দেবব্রত সহ তার সহযোগিদের নামে মামলা হয়। মেম্বর দেবব্রত তার বিষয়ে আনিত অাভিযোগ অস্বীকার করলেও পরবর্তিতে বলেন আমার লোকজন ২০০৯ সাল থেকে ডিসিয়ার কেটেও জমি দখল পাচ্ছে না। আমরা প্রথমে মনে করেছিলাম ওটা পাইকগাছার চাদখালীদের জমি কিন্তু পরে জানলাম ওটা আমাদের বড়দল ওয়ালাদের জমি। এবিষয়ে বড়দল ইউনিয়ন সহকারি ভুমি কর্মকর্তা রনজিত কুমার মন্ডল জানান, বাছেদ গাজীগং কয়েক বছর ধরে উল্লখিত জমি  ডিসিয়ার কেটে আসছে। এবছর ডিসিয়ার দেয়া বন্ধ বিধায় এবছরের ডিসিয়ার তারা এখনও নিতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডা. রুহুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন

তোষিকে কাইফু : সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ডা: আ.ফ.ম রহুল হক এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঢাকাস্থ সাতক্ষীরার আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শত শত নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ঢাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় বি এস এম এম ইউ এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা: আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জবি শিক্ষক অধ্যাপক জি এম তরিকুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সহকারী অধ্যাপক কাজী ফারুক হোসেন, প্রভাষক ফেরদৌস আলম, চিকিৎসক নেতা ডা: রবীন, ডাঃ আলাউদ্দিন, ডাঃ পিযুষ, ছাত্রলীগ নেতা জি এম আল আমিন, নাহিদ হাসান শাহীন, সাংবাদিক সাঈদ মেহেদী সেকেন্দারসহ ঢাকাস্থ সাতক্ষীরাবাসী। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব। তিনি দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের প্রাণ প্রিয় নেতা। তার জন্য সাতক্ষীরাবাসীর উন্নত চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ডিজিটালের ছোঁয়া পেয়েছে। কিন্তু আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কিছু মৌসুমি পাখি, ভূমিদস্যুরা অবৈধ টাকার প্রভাবে নির্বাচনের স্বপ্নে বিভোর হয়েছে। তারা ডা: আ.ফ.ম রুহুল হকের জনপ্রিয়তায় ঈষান্বিত হয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ভুলে গেছেন একজন সম্মানিত ব্যক্তির সম্মান হানি করে কখনো জনপ্রতিনিধি হওয়া যায় না। বক্তারা আরো বলেন, ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি ছিলেন বলেই সাতক্ষীরাবাসী মেডিকেল কলেজ পেয়েছে, বাইপাস সড়ক পেয়েছে, প্যারামেডিকেল পেয়েছে, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল আধুনিকায়ন হয়েছে। আশাশুনিতে বাইপাস সড়ক এবং দেবহাটা-আশাশুনির দুটি কলেজ সরকারি করণ ও বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মিত হয়েছে। যার সম্পূর্ণ অবদান ডা: আ.ফ.ম রুহুল হকের। যে কারণে তিনি সাতক্ষীরাবাসী হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আগামীতে যদি সাতক্ষীরাবাসীর এই প্রাণপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে কোন ধরনের অপপ্রচারের মত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে, তাহলে সাতক্ষীরার জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তাদের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাগজের তৈরি কলম বানাচ্ছেন ওঁরা, ব্যবহারের পর ফেলে দিলেই গাছ!

অনলাইন ডেস্ক: কাগজের কলম। পরিবেশের বন্ধু।
কিন্তু গাছ কেটে তৈরি করা কাগজ দিয়ে পরিবেশের কোন উপকারটা হবে? ‘‘হিসেবটা অত সাদামাটা নয়,’’ বলছিলেন মৌমিতা, ‘‘প্রত্যেকটা কলমের মধ্যে একটা করে বীজ রাখা আছে। ব্যবহার করে ফেলে দিলে সেটা থেকেই গজিয়ে উঠবে গাছ।’’ তাঁর আশা, এ ভাবেই এক দিন রুক্ষ জেলার মাটি হয়ে উঠবে শ্যামলে শ্যামল।
পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকে স্বনির্ভর দলের সদস্য আর কন্যাশ্রীরা বানাচ্ছেন এমন আজব কলম। এনআরএলএম-এ (ন্যাশনাল রুলাল লাইভলিহুডস মিশন) ব্লকের প্রোজেক্ট ম্যানেজার মৌমিতা মাহাতো জানান, এক বার পুরুলিয়ার শিল্প মেলায় গিয়ে এই কলম দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কলমের স্টলটা ছিল পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা শম্পা রক্ষিত সেনের। তিনি ব্লকে ব্লকে ঘুরে সরকারি প্রকল্পে মহিলাদের নানা রকমের প্রশিক্ষণ দেন। তবে কাগজের কলম তৈরি শেখাননি আগে।
শম্পার সঙ্গে কথা এগিয়ে রেখে মৌমিতা যোগাযোগ করেছিলেন মহকুমাশাসক (রঘুনাথপুর) আকাঙ্ক্ষা ভাস্করের সঙ্গে। ব্লকের ৩২ জন মহিলাকে বেছে নিয়ে শুরু হয়েছে ২১ দিনের প্রশিক্ষণ। সম্প্রতি পাড়া ব্লকের এসএইচজি হলে গিয়ে দেখা গেল, খবরের কাগজ, কাঁচি আর আঠা নিয়ে গুছিয়ে বসেছেন স্বনির্ভর দলের সদস্য ও কন্যাশ্রীরা। শম্পা জানালেন, সহজ পদ্ধতি! বাজার থেকে রিফিল কিনে আনা হয়েছে। সেটার গায়ে কাগজ জড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে। শেষের পরতে একটা রঙিন কাগজ। ব্যস! বাহারি কলম তৈরি।
মৌমিতা বলেন, ‘‘আমাদের স্লোগান— একটি কলম একটি গাছ/ একটি গাছ হাজার প্রাণ।’’ কলমের পিছনে ফাঁকা জায়গায় থাকছে একটা করে বীজ। শম্পা জানান, কলমগুলি গড়ে দিন পঁচিশেক ব্যবহার করলেই কালি ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। তখন ফেলে দিতে হয়। বেছে বেছে এমন বীজ দেওয়া হচ্ছে, যাতে মাসখানেক পরে মাটিতে পড়লেও গাছ গজাতে পারে। কী গাছ? পুরুলিয়ার মাটি আর জলস্তরের কথা চিন্তা করে বেছে নেওয়া হয়েছে পলাশ, নিম, কাপাস তুলো, শিরীষ, কৃষ্ণচূড়া, পেঁপে, পেয়ারা। আপাতত শম্পা নিজে বীজ নিয়ে যাচ্ছেন। পরে স্বনির্ভর দলের সদস্যরাই বীজ তৈরি করবেন।
এই কলম তিনি প্রথম দেখেছিলেন এক আত্মীয়ের কাছে। শম্পা জানান, কেরল থেকে সেই আত্মীয় কলমটা এনেছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, লক্ষ্মী মেনন নামে এক জন সেটি তৈরি করেন। নিজের মতো করে শম্পাও কাজ শুরু করছিলেন। বললেন, ‘‘স্বনির্ভর দলের মেয়েদের শেখানোর প্রস্তাব পেতেই এক কথায় লুফে নিই।’’ এখন তাঁর কাছে কলম তৈরি শিখছেন স্বনির্ভর দলের ১৮ জন সদস্য আর ১৪ জন কন্যাশ্রী ছাত্রী।
মৌমিতা বলেন, ‘‘সাধারণত টেলারিং, বিউটিশিয়ানের মতো প্রশিক্ষণ দিয়ে মেয়েদের স্বনির্ভর করার চেষ্টা হয়। আমরা একটু অন্য রকমের চেষ্টা করছি।’’ তিনি জানান, এক একটি কলম তৈরি করতে খরচ পড়ে সাকুল্যে দেড় টাকা। দাম রাখা হয়েছে তিন টাকা। বাজারে প্লাস্টিকের কলমও তার থেকে সস্তায় মিলবে না। কাজের ফাঁকে তুলসী দাস, রূপালী মুখোপাধ্যায়, ইয়াসমিন পারভিন, প্রথমা মাহাতোরা বলেন, ‘‘কয়েকটা কলম তৈরি করতে দেখার পরেই অনেকটা শিখে গিয়েছি। এখন সহজেই বানিয়ে ফেলছি।’’
তাঁদের তৈরি এই কলম প্রশাসনই কিনে নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি অফিস এমনিতেই কলম কেনে। তার উপরে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কাজে আরও কলম লাগবে। আমরা মেয়েদের তৈরি ওই কলম কিনে নেব।” আকাঙ্ক্ষা জানান, কলমের কথা শুনে জেলাশাসকও উৎসাহ দেখিয়েছেন। তাঁদের আশা, গোটা জেলাতেই পাড়ার এই কলম ব্যবহার করা হবে।
মৌমিতার দাবি, তেমন দিন এলে জোগান দিতে তাঁরাও প্রস্তুত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল পাঠ্যবইয়ের উদ্বোধন

দেশের খবর: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল টেক্সটবুক শিশুদের পাঠ গ্রহনে সহায়ক হবে। সহজে বুঝতে ও শিখতে সহায়তা করবে। ডিজিটাল টেক্সটবুক শিক্ষকদের জন্যও সহায়ক হবে। প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ৬ষ্ঠ শ্রেনির ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল টেক্সটবুক (আইডিটি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেনির ১৬টি ইন্টারএকটিভ পাঠ্যবই তৈরি করা হয়েছে। বইগুলোতে অডিও, ভিডিও, টেক্সট এবং এনিমেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষনীয় ও আনন্দদায়ক হবে। সহজে এসব বই থেকে তাদের কাঙ্খিত পাঠ গ্রহন করতে পারবে। ফলে শিক্ষার্থীদের শিখন স্থায়ী হবে।
নাহিদ বলেন, এর আগে নবম-দশম শ্রেণির ৬টি বইয়ের ই-লানিং ম্যাটেরিয়াল তৈরি করা হয়েছে। সেসিপ প্রকল্পের আওতায় ৭ম শ্রেণির ৬টি এবং ৮ম শ্রেণির ৬টি ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই তৈরি প্রক্রিয়াধীন আছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের জন্য আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ধারণ করতে হবে। প্রযুক্তির সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ভর্তি, ফলাফল প্রকাশসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনেক কার্যক্রম পেপারলেস করা হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নারয়ণ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাশ এবং টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট-২ প্রকল্পের পরিচালক মো. জহির উদ্দিন বাবর।
উল্লেখ্য, টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট-২ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা এবং ব্রাকের কারিগরি সহায়তায় এই ১৬টি আইডিটি তৈরি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest