সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

ইমরুলের বীরত্বে ২৭২ রানের বিশাল লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

খেলার খবর: ওপেনার ইমরুল কায়েসের ব্যাটিং বীরত্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রানের ২৭১ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলেছেন ইমরুল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৫০ রান করেছেন সাইফউদ্দিন। এছাড়া ৩৭ রান এসেছে মিথুনের ব্যাট থেকে।

মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ওপেনার লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়ন্ত্রিত বোলিং উপহার দেয় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১৬ রানের মাথায় ৪ রান করা লিটনকে সাজঘরে ফেরত পাঠান টেন্দাই চাতারা। এরপরই চাতারার শিকার হন অভিষিক্ত ফজলে রাব্বি। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

মুশফিক কিছুটা সাবধানে খেলে বিপর্যয় রোধ করেন। তবে দলীয় ৬৬ রানে মুশফিক বিদায় নিলে আবারও চাপে পড়ে টাইগাররা। ১৫ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর ইমরুল ও মিথুনের জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। কিন্তু ১৩৭ রানের মাথায় ৭১ রানের এই জুটি ভেঙ্গে যায়। ৩৭ রান করা মিথুনকে তুলে নন জার্ভিস। এরপর মাহমুদুল্লাহও জার্ভিসের শিকার হন রানের খাতা খোলার আগেই। মিরাজও যোগ দেন আউট হওয়ার মিছিলে। ফলে ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে টাইগাররা।

সেখান থেকেই দলের হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। শুরুতে বেশ সাবধানে খেলতে থাকেন। এরপর ধীরে ধীরে রানের চাকা সচল করেন দুই ব্যাটসম্যান। এরকম চাপের মুখেই অনবদ্য এক সেঞ্চুরি তুলে নেন টাইগার ওপেনার ইমরুল কায়েস। একপ্রান্তে প্রাচীরের মত দাঁড়িয়ে যান তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ঠান্ডা মাথায় ১১৮ বলে তুলে নেন নিজের ওয়ানডে শতক। এরপর আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন তিনি। চার ও টি ছয়ের মার মেরেছেন এই ইনিংসের পথে। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের সেরা রানের ইনিংস উপহার দেন সাইফউদ্দিন। শেষদিকে এসে প্রচন্ড আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তারা। একের পর এক চার-ছয়ে দ্রুত রান যোগ হয় স্কোরে। ইমরুল ১৪৪ রানে আউট হলে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করা সাইফউদ্দিন। পরে মাশরাফি ও মোস্তাফিজের ফিনিশিংয়ে ২৭১ রানের বিশাল স্কোর পায় বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ২৭১/৮ (৫০ ওভার শেষে)
ইমরুল ১৪৪, সাইফউদ্দিন ৫০
জার্ভিস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমাবেশের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে ঐক্যফ্রন্টের রিট

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় হাইকোর্টে রিট করেছেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ।
রবিবার দুপুরে হাইকোর্টে মঈনুল ইসলামের বেঞ্চে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে এই রিট দায়ের করেন তিনি। রিটের শুনানিতে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট বিএনপি নেতা আলী আহমদ।
তিনি বলেন, সমাবেশ করতে অনুমতি না দেয়া অগণতান্ত্রিক, সংবিধান পরিপন্থি ও মৌলিক অধিকারের হরণ। আমরা এই বিষয়টি আদালতের গোচরে এনে রিট করেছি। রিটের প্রাথমিক শুনানিতে ড. কামাল হোসেন অংশ নেন।

আলী আহমদ জানান, সোমবার সকালে রিটের শুনানির জন্য সময় ধার্য করেছেন আদালত। সূত্র মতে এর আগে সিলেটে সমাবেশের অনুমতি কেন দেয়া হবে না জানতে চেয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি এবং সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী ২৩ অক্টোবর সিলেটে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে পুলিশের অনুমতি চেয়েছিল। তবে পুলিশ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরে একদিন পিছিয়ে সমাবেশ নির্ধারণ করা হয় ২৪ অক্টোবর। এই সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ফের পুলিশে আবেদন করলেও প্রত্যাখ্যান করা হয়। তবে অনুমতি না মিললেও এদিন ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারতে আসবেন বলে দলীয় সূত্র জানায়।
এদিকে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আগমন ও সিলেটে জনসভার আয়োজন, পুলিশী বাধা নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ আলোচনা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের কর্মকান্ড ও তৎপরতা নিয়ে সাধারণের কৌতুহলেরও শেষ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাসুদা ভাট্টি ভীষণ রকম চরিত্রহীন মহিলা : তসলিমা নাসরিন

দেশের খবর: একটি টিভি চ্যানেলের টক শোতে লেখিকা মাসুদা ভাট্টিকে অশালীনভাবে আক্রমণ করায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অনেক মানুষ মাসুদা ভাট্টির পাশে দাঁড়িয়ে মইনুল হোসেনকে ক্ষমা চাইতে বলছেন। দেশের ৫৫ জন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক তার পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু বেশ আশ্চর্যজনকভাবেই প্রখ্যাত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন মাসুদা ভাট্টির কঠোর সমালোচনা করলেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মাসুদা ভাট্টিকে তিনি ‘চরিত্রহীন’ আখ্যা দিয়েছেন!

তসলিমা লিখেছেন, ‘কে মইনুল হোসেন, কী করেন, কী তার চরিত্র, কী তার আদর্শ আমি জানি না, তবে জানি মাসুদা ভাট্টি একটা ভীষণ রকম চরিত্রহীন মহিলা। চরিত্রহীন বলতে আমি কোনোদিন এর ওর সঙ্গে শুয়ে বেড়ানো বুঝি না। চরিত্রহীন বলতে বুঝি, অতি অসৎ, অতি লোভী, অতি কৃতঘ্ন, অতি নিষ্ঠুর, অতি স্বার্থান্ধ,অতি ছোট লোক। মাসুদা ভাট্টি এসবের সবই।’

এরপরেই মাসুদা ভাট্টিকে এভাবে আক্রমণ করার কারণ বলেছেন তসলিমা, ‘মহিলাটির জন্য ১৯৯৬ বা ১৯৯৭ সালে আমার কাছে খুব করে আব্দার করেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। লন্ডন থেকে স্টকহোমে আমাকে ফোন করে বলেছিলেন, মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশের মেয়ে। এক পাকিস্তানি লোককে বিয়ে করে এখানে ছিল। পাকিস্তানির সঙ্গে তালাক হয়ে গেছে। এখন ব্রিটেন থেকে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন তুমিই একমাত্র বাঁচাতে পারো ওকে। ওর জন্য ব্রিটিশ সরকারকে একটা চিঠি লিখে দাও। লিখে দাও মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশে তোমার পাব্লিশার ছিল, তোমার জন্য আন্দোলন করেছে। ও যদি এখন দেশে ফিরে যায়, ওকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা।’

‘আমি বললাম, মহিলাকে আমি চিনিই না। আর আপনি বলছেন ও আমার পাবলিশার ছিল? আমি মিথ্যে বলি না। আমি মিথ্যে কথা বলতে পারব না। এরপর ওই মহিলা আমাকে ফোন করে কান্নাকাটি, আমাকে বাঁচান। আপনি না বাঁচালে আমি মরে যাবো জাতীয় কান্না। কাউকে কাঁদতে দেখলে নিজের চোখেও জল চলে আসে। ব্রিটিশ সরকারের কাছে মাসুদা ভাট্টিকে না তাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলাম। মহিলার জন্য মিথ্যে কথা আমাকে লিখতে হলো, লিখতে হলো, আমার পাবলিশার ছিল সে, দেশে ফিরলে তাকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা। তখন আমার খুব নাম ডাক। আমার চিঠির কারণে মাসুদা ভাট্টির পলিটিক্যাল এসাইলাম হয়ে গেল, ব্রিটেনের নাগরিকত্বও হয়ে গেল।’

‘তারপর কী হলো? তারপর ২০০৩ সালে আমার আত্মজীবনীর তৃতীয় খণ্ড ‘ক’ যখন বাংলাদেশে বের হলো,আমি কেন নারী হয়ে দেশের এক বিখ্যাত পুরুষের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেছি, আমি কেন নারী হয়ে নিজের যৌনতার কথা লিখেছি, সারা দেশের নারী-বিদ্বেষী আর ধর্মান্ধ মৌলবাদি গোষ্ঠি উন্মাদ হয়ে উঠলো আমাকে অপমান আর অপদস্থ করার জন্য, আমাকে অবিরাম অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালি তো দিতেই লাগলো, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে শুরু করলো, সেই মিছিলে সামিল হলো মাসুদা ভাট্টি।’

‘আমার বিরুদ্ধে এ যাবৎ প্রচুর কুৎসিত লেখা লিখেছে লোকে, সর্বকালের সর্বকুৎসিত লেখাটি লিখেছে মাসুদা ভাট্টি। সবচেয়ে জঘন্য, সবচেয়ে অবিশ্বাস্য, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, সবচেয়ে বীভৎস সে লেখা। এত ভয়াবহ আক্রমণ আমার চরমতম শত্রুও আমাকে কোনোদিন করেনি। ‘ক’ বইটি নাকি ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসে শরীরে ঘিনঘিনে ঘা ওলা রাস্তায় পড়ে থাকা এক বুড়ি বেশ্যার আত্মকথন! মাসুদাভাট্টি আমার উপকারের জবাব ওভাবেই দিয়েছিল। ও যদি চরিত্রহীন না হয়, দুনিয়াতে চরিত্রহীন কে?’

‘আজ দেশের ৫৫ জন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির পক্ষে লড়ছেন কারণ কেউ তাকে চরিত্রহীন বলেছে। যত অশ্লীল শব্দ বাক্য পৃথিবীতে আছে, তার সবই আমার বিরুদ্ধে উচ্চারিত হচ্ছে আশির দশক থেকে। আমি তো জনপ্রিয় কলাম লেখক ছিলাম তখন, জনপ্রিয় লেখক ছিলাম, কই কোনো বিশিষ্ট সম্পাদক আর কোনো সিনিয়র সাংবাদিককে তো আমার বিরুদ্ধে হওয়া লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করতে কোনোদিন দেখিনি!’

‘আমার মাথার দাম ঘোষণা করা হলো, আমার বিরুদ্ধে লক্ষ লোকের লং মার্চ হলো, আমার ফাঁসির দাবিতে সারাদেশে দিনের পর দিন মিছিল হলো, সরকার একের পর এক আমার বই নিষিদ্ধ করলো, আমার মত প্রকাশের বিরুদ্ধে মামলা করলো, আমাকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিল, কই দেশের কোনো সম্পাদক বা সাংবাদিক কেউ তো টুঁ শব্দ করেননি। সে তো করেনইনি, বরং যে সব পত্রিকায় আমি নিয়মিত কলাম লিখতাম, সে সব পত্রিকার বিশিষ্ট সম্পাদকরা আমার কলাম ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছেন।’
‘এই যে আজ ২৪ বছর আমাকে অন্যায়ভাবে কোনো সরকারই দেশে ফিরতে দিচ্ছে না, কোনো বিশিষ্ট জন তো মুখ খোলেন না। নারী সাংবাদিকরা আজ মাসুদা ভাট্টির পক্ষে প্রেস কনফারেন্স করছেন। নারীর সমানাধিকারের পক্ষে ৪০ বছর লিখছি , লেখার কারণে আমাকে যে এত হেনস্থা করলো পুরুষতান্ত্রিক সমাজ, কই কোনো নারী সাংবাদিককে তো আমার পক্ষে না হোক, আমার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি ছোটখাটো প্রেস কনফারেন্সও কোনোদিন করতে দেখিনি। একজনের বেলায় বোবা, আরেকজনের বেলায় বিপ্লবী, এ খেলার নাম কী?’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিঃসঙ্গ লড়াইয়ে ইমরুলের সেঞ্চুরি

খেলার খবর: সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ৪৪ ওভারে ২১০/৬
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ। ১৫ ওভারেই ৩ ব্যাটসম্যান হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশ পাল্টা জবাব দিচ্ছিল ইমরুল-মিঠুনের ব্যাটে। এরপরই বিপর্যয়। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেছেন ইমরুল, করেছেন সেঞ্চুরি

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ। মাশরাফি বিন মুর্তজার দলে চোটের প্রকোপ রয়েছে। অধিনায়ক নিজে এবং মুশফিক-মাহমুদউল্লাহরও চোট আছে। কেউ পুরোপুরি ফিট নন। এ ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক ঘটছে ফজলে মাহমুদ রাব্বির। পেসার রুবেল হোসেনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ১৫ ওভারের মধ্যে নেই ৩ ব্যাটসম্যান। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস আজ করেছেন মাত্র ৪ রান। অভিষেকেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন ফজলে মাহমুদ। চাতারার জোড়া আঘাতে বাংলাদেশ তখন ১৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে। এর পর তৃতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন ইমরুল কায়েস ও মুশফিক। শুরুর ধাক্কা বেশ ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছিল এই জুটি। তখনই ছেড়ে দিলে ওয়াইড হয় লেগ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বলে চড়াও হতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মুশফিক।

৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেটে আরও একটি ভালো জুটি গড়ে তোলে। ১২.২ ওভারে ৭১ রান তোলার পর মিঠুন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। বিপর্যয়ের শুরু তখনই। ২ রানের মধ্যে মিঠুনের পথ ধরেন মাহমুদউল্লাহ আর মেহেদী মিরাজও। বেনেফিট অব ডাউটে সাইফউদ্দিন বেঁচে না গেলে বাংলাদেশের বিপর্যয়টা আরও বড় হতে পারত। ৪৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ২১০।
এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে যাচ্ছেন ইমরুল, অপরাজিত আছেন ১০৫ রানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু, চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত

দেশের খবর: শুরু হলো জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দশম জাতীয় সংসদের শেষ এই অধিবেশন রবিবার (২১ অক্টোবর) বিকাল সোয়া চারটায় শুরু হয়। কার্য-উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অধিবেশন চলবে।
রবিবার অধিবেশন শুরুর পর স্পিকার শিরীন শারমিন এই অধিবেশনের সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন দেন। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে অগ্রবর্তীজন সংসদ পরিচালনা করবেন।

সংসদের চলমান অধিবেশনে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন— ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম, ফরিদুল হক খান, সাধন চন্দ্র মজুমদার, ফখরুল ইমাম ও সেলিনা জাহান লিটা।
সংসদে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি এম এ সামাদ, নৌবহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোশাররফ হোসেন খান (অব.), শিক্ষাবিদ ও ভাষা সংগ্রামী সফর আলী আকন্দ, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গণি, ব্যান্ড সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহর মা কাজী জেবুন্নেসা বেগম, ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক কুলদীপ নায়ারের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এছাড়া, ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামি, তানজানিয়ায় ফেরিডুবি, ফ্লোরিডায় ঘূর্ণিঝড় মাইকেল, ভারতের ঘূর্ণিঝড় তিতলিসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়। শোকপ্রস্তাব শেষে সংসদে একমিনিট নীরবতা ও দোয়া মোনজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বজলুল হক হারুন।
বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে সময় গণনা শুরু হবে।

সংসদ চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত
সংসদের শুরু হওয়া ২৩তম অধিবেশন আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটি। অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির এই সিদ্ধান্ত নেয়। কমিটির সদস্য বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, রাশেদ খান মেনন, আ.স.ম. ফিরোজ, মঈন উদ্দীন খান বাদল এবং আনিসুল হক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
সংসদ সচিবালয়ে থেকে জানানো হয়, প্রতিদিন বিকাল সাড়ে চারটা থেকে সংসদের বৈঠক শুরু হবে।
বৈঠকে প্রয়োজনে অধিবেশনের সময়সীমা স্পিকার বাড়াতে বা কমাতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে এখনও ৩ কোটি মানুষ গরিব: অর্থমন্ত্রী

দেশের খবর: সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচিতেও কাঙ্ক্ষিত হারে দারিদ্র্য কমছে না বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ২ শতাংশ হারে দারিদ্র্য কমার কথা। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। দারিদ্র্যের হার কমাতে বেশকিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন চ্যালেঞ্জিং। এখনও দেশে ৩ কোটি মানুষ গরিব।’ রবিবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পল্লী উন্নয়ন ও কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত ‘কিশোর-কিশোরী সম্মেলন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এবারের সম্মেলনের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মেধা ও মননে সুন্দর আগামী’।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ২১ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এই হার ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এক সময় দেশে ৭০-৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল।’
দরিদ্রদের সংখ্যা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে আরও ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এর মধ্যে নতুন করে চলমান কর্মসূচি রিভিউ করতে হবে, দেখতে হবে কাঙ্ক্ষিত হারে তা কমছে কিনা। যদি কমার হার সন্তোষজনক না হয়, তাহলে প্রয়োজনে নতুন কর্মসূচি নিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আজকের কিশোর-কিশোরীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এ জন্য নিজেকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা, পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, পিকেএসএফ বর্তমানে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশা সুস্থ সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চাকে সম্পৃক্তকরণের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। কর্মসূচির আওতায় দেশের ১১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা ৭১০ জন শিক্ষার্থী এই সম্মেলনে অংশ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষা বাদ দিতে বললেন ড.জাফর ইকবালের

অনলাইন ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কোনও পাবলিক পরীক্ষা রাখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাফর ইকবাল। তিনি বলেন, কোমলমতি শিশুদের আনন্দ পাঠ বা খেলাধুলার মাধ্যমে শেখানো উচিত। জোর করে খুদে শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষা চাপিয়ে দিয়ে ভালো কিছু আশা করা উচিত নয়।
রবিবার (২১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর অডিটোরিয়ামে গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভব্যতা যাচাই প্রকল্পের উদ্বোধনী এবং অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল।
এ শিক্ষাবিদ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপর এক ধরনের ভীতি কাজ করে। এটি কাটিয়ে তুলতে হবে। এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতের ওপর পারদর্শী করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের চার কোটি শিক্ষার্থীর যদি সঠিকভাবে শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে দেশ এমনিতেই এগিয়ে যাবে। এই অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় অন্তত একটি মেডেল পেলেও ওই শিক্ষার্থীকে দেশের যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি কাটাতে এ অনুষ্ঠানে দেশের ১৭ জেলার একটি করে উপজেলার মোট ৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পিটিআইয়ের প্রশিক্ষক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চোখ হারানোদের ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা শহরের ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারানো ১৭ জনের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে ওষুধ আমদানি ও বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান আইরিশ কোম্পানিকে পৃথক পৃথকভাবে পাঁচ লাখ টাকা করে এই ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় হাতে পাওয়ার একমাসের মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, চক্ষু শিবিরে চোখ হারানো ১৭ জনসহ মোট ২০ জনকে আজীবন চোখের চিকিৎসা দিতে চুয়াডাঙ্গা শহরের ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে রবিবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অমিত দাস গুপ্ত।
এর আগে গত ২৯ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চক্ষু শিবিরে গিয়ে চোখ হারালেন ২০ জন!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘চুয়াডাঙ্গার ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে তিন দিনের চক্ষু শিবিরের দ্বিতীয় দিন ৫ মার্চ ২৪ জন নারী-পুরুষের চোখের ছানির অপারেশন করা হয়। অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক মোহাম্মদ শাহীন। তবে বাসায় ফেরার পর ২০ জন রোগীর চোখে ইনফেকশন দেখা দেয়।
এসব রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ মার্চ অপারেশনের পর ৬ মার্চ তাদের প্রত্যেককেই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে ওই দিনই কারও বিকালে, কারও সন্ধ্যায়, কারও বা রাত থেকে চোখে জ্বালা-যন্ত্রণা ও পানি ঝরতে শুরু করে। পরদিনই তারা যোগাযোগ করেন ইম্প্যাক্ট হাসপাতালে। তাদের তখন গুরুত্ব না দিয়ে কোনো রকম চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু যন্ত্রণা অসহনীয় হয়ে উঠলে ফের তারা ইম্প্যাক্টে যান। সেখান থেকে কয়েকজন রোগীকে স্থানীয় এক চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। স্থানীয় ওই চক্ষু বিশেষজ্ঞ তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। এদের মধ্যে চারজন রোগী নিজেদের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত স্বজনদের নিয়ে ঢাকায় আসেন। পরে ইম্প্যাক্ট থেকে ১২ মার্চ একসঙ্গে ১৬ জন রোগীকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ৫ মার্চের ওই অপারেশনের ফলে এদের চোখের এত ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে যে, ১৯ জনের একটি করে চোখ তুলে ফেলতে হয়েছে।’
পরে চোখ হারানো প্রত্যেকের পক্ষে ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত চোখ হারানো ১৭ জনকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নের্দশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে রুল জারি করেন আদালত। সেই রুলের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest