সর্বশেষ সংবাদ-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির সাথে জিপির সাক্ষাৎ

 

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুনসুর আহমেদের সাথে নবনিযুক্ত জিপি এড. সরকার জামিনী কান্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির বাসবভনে উপস্থিত হয়ে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও প্রবীন রাজনীতিবিদ আকবর আলী, জিপি সহকারী এবং শিবপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সাক্ষাৎকালে মুনসুর আহমেদ বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি যাতে ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ করা যাবে না। কোন অবস্থাতেই সরকারি সম্পত্তি যে প্রভাবশালী জবর দখল করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষার্থে অত্যান্ত সর্তকর্তার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। এসময় নবাগত জিপি আওয়ামীলীগ সভাপতির নির্দেশনা বাস্তবায়নের সচেষ্ট থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুল দিয়ে বরণের ভাইরাল ভিডিও, সমালোচিত এমপি মনিরুল

রাজনীতির খবর: যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনিরকে একটি অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে বরণ করা নিয়ে তিনি ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন। বরণ করার সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ফলে তিনি অত্র আসনে দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে নিন্দিত হয়েছেন। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার স্কুলছাত্রীদের বরণ করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। উপজেলার এবিসিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফুল হাতে নিয়ে ছাত্রীরা এমপি মনিরুলসহ অন্যান্য অতিথিদের বরণ করে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, এমপি মনির ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ রুমের মধ্যে বসে আছেন। একদল ছাত্রী গাঁদা ফুলের মালা হাতে অতিথিদের সামনে দাঁড়াল। তারপর তারা ‘ধন ধান্যে পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফুল হাতে করজোড়ে প্রণামের মতো করে মাথা নত করে উঠছে আর বসছে।

অতিথিদের সামনে দাঁড় করিয়ে ছাত্রীদের এভাবে উঠবস করাকে ভালোভাবে নেয়নি এলাকাবাসী। ৪ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ভাইরাল হয়। ভিডিওটি প্রায় ৩ লাখ বার দেখা হয়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ৫ হাজারেরও অধিক।

ভিডিওটি ভাইরাল হলে যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সংসদ সদস্য এ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির। শতশত ফেসবুকার তাদের ওয়ালে সংসদ সদস্যকে সমালোচনা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস এম হাবিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের নজির সৃষ্টি করলেন এমপি মনির। ছোটছোট বাচ্চারা ফুল দেওয়ার নামে হাতজোড় করে বারবার উঠাবসার মত কুর্নিশ করা কোনো সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে তা আমার জানা নেই। আমি মনে করি শিশু বাচ্চাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে। এটি মানসিক নির্যাতনের শামিল। এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি মাসুদ চৌধুরী বলেন, ঘটনাটিতে সংসদ সদস্যের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মঞ্চে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সেকারণে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। তবে পদ্ধতিটা কিছুটা ত্রুটি ছিল। স্কুলের ম্যানেজমেন্ট এর জন্য দায়ী। ভিডিওটি ভাইরাল হবার পর সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির তার ফেসবুকে লিখেছেন অনুষ্ঠানে কি ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হবে তা তিনি জানেন না। তাই ভিডিওটি দেখে কেউ আহত হলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল ফুল দিয়ে বরণ করা। কিন্তু যেভাবে বরণ করা হয়েছে তা সঠিক ছিল না। আমাদের ভুল হবার জন্য দুঃখিত।

https://www.youtube.com/watch?v=7G94IDOjv-A

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক পেটানো পুলিশ এবার চাঁদা চাইলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে!

দেশের খবর: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস থামিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিক পেটানো পুলিশ সার্জেন্টের বিরুদ্ধে। এতে ওই পুলিশ সার্জেন্টের সঙ্গে জবি শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডতা হয়। রবিবার সকাল ৭টার দিকে টঙ্গি স্টেশন রোডে এ ঘটনা ঘটে।
জবির একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, জবি শিক্ষার্থী পরিবহনকারী উল্কা-২ বাসটি টঙ্গী স্টেশন রোডে ইউটার্ন নেওয়ার সময় সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সার্জেন্ট মুশিউর বাস থামিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এ সময় গাড়ির ড্রাইভার ওই সার্জেন্টকে জবির বাস বলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এরপরেও পুলিশ সার্জেন্ট চাঁদা ছাড়া ছেড়ে না দিতে চাইলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ এসময় ভিডিও করে শিক্ষার্থীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সার্জেন্ট।
এর আগেও গত ৮ জুন চট্টগ্রামে দুই টেলিভিশন সাংবাদিক ও গাড়ি চালককে পিটিয়ে এই সার্জেন্ট মশিউর আলোচিত হয়েছিলেন বলে জানা যায়। এ সময় তাকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
উল্কা-২ গাড়িতে যাতায়াতকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রিফাত সাইদ বলেন, একজন পুলিশ সার্জেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ির কাছে চাঁদা দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় প্রতিপন্ন করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পুলিশের পেশাদারিত্ব কতটা নিচে নিমে গেছে কল্পনা করা যায় না।
এ বিষয়ে জবি প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, আমার কাছে এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ওই পুলিশ সার্জেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক সাথে শাকিব ও ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ঐশী

বিনোদন সংবাদ: ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খান ও ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীকে দেখা গেল একই সাথে। আর এর সাথে সাথেই প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি শাকিবের বিপরীতে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন ঐশী? বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হওয়ার আগেই জানা গেল নেপথ্য ঘটনা।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে উপমহাদেশের অভিজাত ফ্যাশন হাউজ প্রেমস কালেকশনসের একটি শাখার উদ্বোধনে হয়। নার এই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে শাকিব ও ঐশীকে অতিথি করে আনা হয়। এসময় প্রেম কালেকশনের কর্ণধার প্রেম চোপড়াসহ অনবেকেই উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে দেশসেরার মুকুট মাথায় ওঠে ঐশীর। আগামী ৭ ডিসেম্বর চীনে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন তিনি।

এদিকে শাকিব খান বর্তমানে বেশ কয়েকটি চলুচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্প্রতি শাহীন সুমনের ‘একটু প্রেম দরকার’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে দেখা যায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই অভিনেতাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বে ইন্টারনেট ভিত্তিক শ্রমশক্তির ১৫ শতাংশ বাংলাদেশের

প্রযুক্তির খবর: প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনধারা, বদলে যাচ্ছে কাজের ধরণ। পেশাগত কাজে আসছে পরিবর্তন। অনলাইনে কর্মসংস্থান ভৌগলিক বাধাকে অতিক্রম করেছে। এর বড় উদাহরণ ‘আউটসোর্সিং’। বিশ্বে এখন লাখ লাখ তরুণ অনলাইনে কাজ করছে। সারা বিশ্বে ইন্টারনেট ভিত্তিক শ্রমশক্তির ১৫ ভাগ রয়েছে বাংলাদেশে। যাদের সংখ্যা সাড়ে ৬ লাখের বেশি। ইন্টানেটের সুবাদে ভৌগলিক দূরত্ব মানুষের যোগাযোগে আর বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না।

বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট-২০১৯: দ্য চেঞ্জিং নেচার অব ওয়ার্ক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। প্রতিবেদনে প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে কাজের প্রকৃতি পরিবর্তনের বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উত্পাদন খাতে প্রযুক্তিগত ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে বাজার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ছে। এর মধ্যে কিছু পরিবর্তন ভাবনার কারণও হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উন্নত বিশ্বে দক্ষ শ্রমিকের অনেক চাহিদা বেড়েছে। উন্নয়নশীল দেশেও এর চাহিদা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ২০০০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইথিওপিয়া, বলিভিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় দক্ষ জনশক্তির চাহিদা প্রায় ৮ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু মধ্য ও নিম্ন দক্ষতা সম্পন্ন শ্রমিকের চাহিদা সেভাবে বাড়েনি। ২০০০ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে জর্ডানে আধা-দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে মাত্র সাড়ে ৭ ভাগ। অন্যদিকে বাংলাদেশে এর চাহিদা না বেড়ে উল্টো ২০ ভাগ কমেছে। এসময়কালে বাংলাদেশে নিম্ন দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রযুক্তিগত ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে উন্নতবিশ্বে কারখানায় শ্রমিক নিয়োগের হার কমেছে। নিম্ন আয়ের দেশের নিয়োগ খুব একটা বাড়ছে না। তবে কারখানায় পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নিয়োগ বাড়ছে বেশি হারে। বিশ্বকে এখন মানবসম্পদ খাতে আরো বিনিয়োগ করতে হবে। শিশুকাল থেকেই তাদের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। এতে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে যে শিশুরা প্রাক প্রাথমিক স্কুলে গিয়েছে তারা পরবর্তীতে স্কুল শিক্ষায় ভালো ফল করেছে। শিশুদের পেছনে বিনিয়োগ করা হলে সেটি পরবর্তীতে ভালো ফল বয়ে আনে।

প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ১৭ শতাংশ নতুন প্রযুক্তি বেশ ভালো ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। জীবনযাত্রায় মাঝারি পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব আছে ৫০ ভাগ প্রযুক্তির। আর চূড়ান্ত পর্যায়ে নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে ৪ শতাংশ প্রযুক্তি ব্যবহারে। ২৩ শতাংশ নতুন প্রযুক্তি বিশ্ব অর্থনীতিতে খুবই ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। ১০ শতাংশ নতুন প্রযুক্তি খুবই নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে বিশ্ব অর্থনীতিকে। একইভাবে সামাজিক খাতে ১৫ শতাংশ প্রযুক্তির খুবই ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য দেশগুলোকে বাড়তি বিনিয়োগ করতে হবে। এরজন্য আয়ও বাড়াতে হবে। নতুন আয়ের খাত খুঁজে বের করতে হবে। বিশেষ করে মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক (তামাক, পানীয়, চিনি, ইত্যাদি), কার্বন কর, কর্পোরেট কর, সম্পত্তি কর, জ্বালানি ভর্তুকি কমিয়ে আনাসহ ডিজিটাল অর্থনীতির উপর কর আয়ের বাড়তি উত্স হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ইউনূসের চক্রান্তেই মুখ ফিরিয়ে নেয় বিশ্বব্যাংক’

দেশের খবর: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের চক্রান্তেই পদ্মা সেতুতে ঋণ দেওয়া থেকে বিশ্ব ব্যাংক পিছিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন। রবিবার (১৪ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জের মাওয়া টোলপ্লাজা সংলগ্ন গোলচত্বরে দেশের বৃহত্তম অবকাঠামো পদ্মা সেতু প্রকল্পের অগ্রগতি এবং সেতুতে রেল সংযোগ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ আমরা পদ্মা সেতু প্রকল্প হাতে নিলে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি এগিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের দেশের কিছু মানুষের কাছে ব্যক্তি স্বার্থটাই বড়। তাদের ষড়যন্ত্রের কারণে পরবর্তীতে বিশ্বব্যাংক মুখ ফিরিয়ে নেয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পর থেকে ইউনূসের সঙ্গে আমার পরিচয়। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৯৮ সালে অর্থ সংকটে পড়লে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকটিকে চারশ’ কোটি টাকা দিই। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে— ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত একজন ব্যাংকটির এমডি পদে থাকতে পারবেন। কিন্তু ইউনূসের বয়স তখন ৭০। তখনও তিনি ব্যাংটির এমডি পদে থাকতে চান। ব্যাপারটি আদালত পর্যন্ত গড়ালো। কোর্ট থেকে বলে দিলো, আপনি আর এমডি থাকতে পারেন না। কিন্তু তিনি ক্ষেপে গেলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘মানুষের জানা থাকা দরকার— বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আমাকে ফোন দিলেন। তিনি আমাকে বললেন— ‘ইউনূসকে এমডি রাখেন।’ কিন্তু আমি বললাম— আইন অনুযায়ী তিনি তো এমডি থাকতে পারেন না, আমি কী করবো। এর পর আরও বিভিন্ন মহল থেকে আমার কাছে ফোন আসতে থাকলো। তারা হুমকি দিতে থাকলো— ইউনূসকে এমডি পদ থেকে সরালে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ হবে।’’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ আইন অনুযায়ী ইউনূসকে এমডির পদ থেকে সরে যেতে হলো। এর পর আমাদের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হলো। কিন্তু কোথায় দুর্নীতি হয়েছে আমরা তার প্রমাণ চাইলাম। তারা দু-একটি কাগজ নিয়ে আসে। সেসব তৎকালীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রীদের কাজের কাগজপত্র। এরপর আমার ছেলে জয়, মেয়ে পুতুল ও বোন রেহেনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের অনেককে নানাভাবে অপমান করা হলো। জয়কে আমেরিকায় বার বার ডাকা হয়েছে। জয় শুধু বলেছে, আপনারা প্রমাণ করে দেখান দুর্নীতি আছে কিনা। তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে ‍দুর্নীতির কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না। পরবর্তীতে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম কারও সাহায্য নয়, আমাদের টাকায় আমরা পদ্মা সেতু করবো। আমি বিষয়টি পার্লামেন্টে ঘোষণা দিলাম। দেশের মানুষ সাড়া দিলো।আমরা দেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘একজন নোবেল লরিয়েট সামান্য একটি ব্যাংকের এমডি পদের লোভ ছাড়তে পারলেন না। পদ্মা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্র করলেন। এদের মধ্যে দেশপ্রেম নেই। যারা গরিবকে টাকা দিয়ে তার সুদের টাকায় বড়লোক হয়, তাদের মধ্যে কখনও দেশপ্রেম থাকতে পারে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘তাদের ধারণা ছিল, বিশ্বব্যাংকের টাকা ছাড়া আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পরবো না। কিন্তু দেশের জনগণের প্রতি আমার বিশ্বাস ছিল। এই দেশের মানুষ সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে পদ্মা সেতুর অর্থায়নে এগিয়ে আসেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, ‘আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।’ আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা নিয়ে যা বললেন রুবেল!

খেলার খবর: জিম্বাবুয়েও একসময় ক্রিকেটের শক্তিশালী দল ছিল। এন্ডি ফ্লাওয়ার, গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার, হিথ স্ট্রিকদের দাপটে সেসময়গুলোতে জিম্বাবুয়ের জয়ই ছিল নিয়তি। এখন সময় বদলে গেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন নিজেদের দিনে যে কাউকে হারাতে পারে। আর জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ক্রমে পথ হারিয়ে নতুন দিশা খুঁজছে। আইসিসি র‌্যাংকিংয়েও দেখা যায় এর প্রতিফলন। ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সাত। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাজে সময় পার করা জিম্বাবুয়ের অবস্থান ১১। এরপরও সফরকারীদের হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই টাইগারদের।
সে বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা পেসার রুবেল হোসেন বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখেন আর আমাদেরটা দেখেন। এখন কোনোভাবে যদি একটা অঘটন ঘটে যায় তাহলেই বিপদ। ওদের সঙ্গে আমাদের পারফরম্যান্সটা তাই খুব ভালো হতে হবে। যেন কোনোভাবেই কোনো ম্যাচ আমাদের হাত ফসকে না যায়। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে খেলা মানেই এই চাপটা থাকবেই।’
এই জিম্বাবুয়ের সঙ্গে সিরিজে জিতলেও র‌্যাংকিংয়ে তেমন কোন উন্নতির লক্ষণ নেই বাংলাদেশ দলের। তবে হেরে গেলে র‌্যাংকিংয়ে অবনমন হয়ে যায় টাইগারদের। শুধু তাই নয়, যারা ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে ঘরের মাঠে পরাজিত করার সক্ষমতা রাখে, তারা জিম্বাবুয়ের মতো দুর্বল দলের বিপক্ষে হেরে গেলে লজ্জায় পড়ে যাবে। আর এ কারণেই আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে বাড়তি সতর্ক বাংলাদেশ।
এদিকে চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজে খেলতে পারছেন না দেশের সেরা দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। তাদের ছাড়াই খেলতে হবে। দেশসেরা ক্রিকেটারদের এই শূণ্যতা বিষয়ে নিয়ে রুবেল বলেন, ‘সাকিব ভাই-তামিম ভাই আমাদের দলের সেরা খেলোয়াড়। আমরা তাদের অবশ্যই মিস করব। কিন্তু আবার অন্য দিক দিয়ে দেখেন এটা একটা সুযোগও। আমাদের দলের বাকি যারা আছে, তারাও যে ম্যাচ জেতাতে পারে, সেটা প্রমাণের সুযোগ। আশা করি, এই সিরিজে তারা দুজন না থাকায় কোনো সমস্যা হবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় ১৭ জনের প্রাণহানি

বিদেশের খবর: সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোটের বিমান হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের আট সদস্য রয়েছে বলে জানা গেছে।
হুদাইদা শহরে হুতি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে শনিবার এ হামলা চালানো হয়। খবর আলজাজিরা।
শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ হুতি গোষ্ঠী পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইউসুফ আল-হাদারি জানান, শনিবার হুদাইদা শহরের জাবাল রাস নামক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এ হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধে জড়ায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট।
সৌদি জোটের হামলায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest