সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

তারেক রহমানই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান হোতা, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের

দেশের খবর: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান হোতা বলে আদালতে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
সোমবার (১০ আগস্ট) পুরান ঢাকায় অস্থায়ী ১নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর-উদ্দিনের আদালতে আইনে পয়েন্টে যুক্তি উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী মোশাররফ হোসেন কাজল এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, তারেক রহমানই এ হামলার মূল হোতা। সে পেছন থেকে সব কলকাঠি নেড়েছেন। অন্যান্য আসামিদের সকল প্রকার প্রশাসনিক সহায়তা দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার উদ্দেশ্যে৷ হামলার আগে ঢাকায় ১০টি বৈঠক হয়৷ ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকগুলো তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনি পয়েন্টে যুক্তি শেষ না হওয়ায় পরবর্তী যুক্তির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আরও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ওই গ্রেনেড হামলায় দলের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন।তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন৷ ঐ ঘটনায় হত্যাসহ দু’টি মামলা হয়। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ এজলাসে মামলা দু’টির বিচার চলছে৷ মামলা দু’টি হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে।
এই হামলার পর ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হয়েছে৷ মামলার আলামত নষ্ট এবং ‘জজ মিয়া’-র সাজানো সাক্ষ্য দিয়ে কল্পকাহিনি ফাঁদার চেষ্টা করা হয়েছে বলে ডয়চে ভেলেকে জানান মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি-র এসপি আব্দুল কাহহার আখন্দ।
২০০৮ সলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর নতুন করে এ মামলার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়৷ ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার মামলার অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় কাহহার আখন্দকে৷ সম্পূরক অভিযোগপত্রে মোট ৫২ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে পলাতক ১৯ জন আর কারাগারে বন্দি ২২ জন৷ জামিনে আছে আটজন।
পলাতক আসামিরা হচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন আহমদ, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ পরিবহনের মালিক মোহাম্মদ হানিফ, পুলিশের সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খা।
এছাড়া কারাগরে আটক আছেন, জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা মাওলানা তাজ উদ্দিন, মাওলানা মহিবুল মুত্তাকিন, আনিসুল মুরসালিন ওরফে মুরসালিন, মোহাম্মদ খলিল, জাহাঙ্গির আলম বদর, ইকবাল, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ লোকমান হাওলাদার, মুফতি আবদুল হাই, মাওলানা লিটন ওরফে দেলোয়ার হোসেন ওরফে জোবায়ের, মুফতি শফিকুর রহমান, রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু পলাতক রয়েছেন৷ পলাতক দুই আসামি হুজি সদস্য আনিসুল মোরসালিন ও মহিবুল মুত্তাকিন ভারতের তিহার কারাগারে আটক রয়েছেন বলে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুলের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। তাই এ মামলার আসামির তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়।হত্যা মামলার সঙ্গে দায়ের করা একটি বিস্ফোরক মামলার আসামিও একই ব্যক্তির। দু’টি মামলারই বিচার চলছে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দ্রুত বিচার আদালতে।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বরেই বহুল মামলার রায় হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুমনা ফাউন্ডেশন ও রোটারি ক্লাব অব রয়েল সাতক্ষীরার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি

 

নিজস্ব প্রতিবেদন :
সুমনা ফাউন্ডেশন ও রোটারি ক্লাব অব রয়েল সাতক্ষীরার যৌথ উদ্যোগে কলারোয়ার দুটি স্কুলে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় কলারোয়ার একরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এবং ৫৬নং বুইতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সুমনা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রোটাঃ এ এস এম মাকছুদ খান, রোটারি ক্লাব অব রয়েল সাতক্ষীরার সভাপতি এম এ লতিফ সরদার, সাধারণ সম্পাদক রোটাঃ সুকদেব কুমার, রোটাঃ আবু মুছা, রোটাঃ মোঃ কামরুজ্জামান বুলু, রোটাঃ আসাদুজ্জামান, রোটারিয়ান রেজাউল ইসলাম, রোটাঃ এম এ জব্বার, একরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মোঃ সোহেল, বুইতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ তহমিনা সুলতানা প্রমুখ। বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে বিদ্যালয় দুটিতে ফলজ, বনজ এবং ঔষধী গাছের চারা রোপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানববন্ধন থেকে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আটক

দেশের খবর: কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে রমনা থানা পুলিশ।
সোমবার দুপুর ১২টার পর মানববন্ধন শেষে রাজধানীর শিল্পকলা মোড় ও বিজয়নগর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ বিষয়ে রমনা জোনের এসি এহসান ফেরদৌস বলেন, আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় তাদের আটক করা হয়েছে।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়।
ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানসহ কেন্দ্রীয়, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বেলা ১১টায় মানববন্ধন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ১০টার দিকেই দাঁড়িয়ে যান হাজার হাজার নেতাকর্মী।
মানববন্ধনের কর্মসূচি হলেও ব্যাপক লোক সমাগমে এটি সমাবেশে পরিণত হয়।
প্রেসক্লাব ও এর আশপাশে নেতাকর্মীদের অবস্থানের ফলে হাইকোর্টের কদম ফোয়ারার মোড় থেকে পল্টন পর্যন্ত রাস্তার একপাশে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী বুধবার একই দাবিতে দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
ঢাকার রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ অথবা গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ প্রতীকী অনশনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে দলটি।

উল্লেখ্য, এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০ অক্টোবরের পর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলাল উদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
সচিব জানান, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এগুলো জেলা-উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সেখানে এগুলো মুদ্রণ হবে।
তিনি বলেন, তফলিস ঘোষণার আগ পর্যন্ত নির্বাচনের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচনী সামগ্রী কেনাকাটার কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। নির্বাচনে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারের তালিকা তফসিল ঘোষণার পর চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সুশীলনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির ৮শ ৫০ টি চারা বিতরণ।

হাফিজুর রহমান শিমুল কালিগঞ্জ : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের আয়োজনে ও বাস্তবায়নে ৮ শ ৫০ টি বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়েছে। সঞ্চয় ও ঋনদান কর্মসূচীর আওতায় রিজার্ভ তহবিলের মাধ্যমে দলীয় সদস্যদের মধ্যে সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় সুশীলন কার্যালয়ে উপ-পরিচালক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টু’র সভাপতিত্বে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বন বিভাগের কালিগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তা আওছাফুর রহমান। সুশীলনের এরিয়া ম্যানেজার রিয়াজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সাংবাদিক সমিতি কালিগঞ্জ শাখার সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি উপ সহকারি কর্মকর্তা শ্যামল কুমার মন্ডল, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস এম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, সুশীলনের অফিস সহকারী অমল কুমার, শুভ সকালের উপজেলা সভানেত্রী রুমানা খানম, ইছামতি মহিলা সমিতির সম্পাদিকা শাহানারা পারভীন ও নুরুন্নাহার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যবসায়ী হত্যায় সাতজনের ফাঁসির আদেশ

দেশের খবর: গাজীপুরে এক ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া, মামলায় দুইজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় সাতজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রাজীব হোসেন ওরফে রাজু, মোহাম্মদ কাইয়ুম, মোহাম্মদ রাজীব হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ওরফে পারভেজ, মোহাম্মদ আলী হোসেন ওরফে হোসেন আলী, মোহাম্মদ আলী ওরফে ছোট আলী। এদের মধ্যে কয়েকজন পলাতক রয়েছেন।
পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন মো. মাসুম ওরফে মামা মাসুম। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. এনামুল হক ও শামসুল হক। ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের গেটের ২০০ গজের উত্তর-পশ্চিমে রাজেন্দ্রপুর এলাকায় মিলন ভূইয়া নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়। তিনি সেন্টারিংয়ের মালামাল ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ‘বৃহত্তর ঐক্য’ দেখে আওয়ামী লীগের আসন সমঝোতা

দেশের খবর: এখনই আসনের হিসাবের মীমাংসা চায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত ১৪ দলের শরিকেরা। কিন্তু বিএনপির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে এবং তাদের জোটের ওজন বুঝে সমঝোতায় যেতে চায় আওয়ামী লীগ। এর পাশাপাশি নিজেদের জোট ও নির্বাচনী মিত্র দলের সংখ্যা বাড়ানোর তৎপরতা আছে। এ জন্য তফসিল ঘোষণার আগে আসন সমঝোতায় যেতে চায় না ক্ষমতাসীন দল।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্র বলছে, ১৪ দল জোটগতভাবে ভোট করবে—এটাই এখন পর্যন্ত নিশ্চিত বিষয়। এরপর এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টির (জাপা) ভূমিকা বা অবস্থানও ক্ষমতাসীন দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া আর কোন কোন দলের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য হতে পারে—সেটা নিয়ে আলোচনা হলেও বিষয়টি পরিষ্কার হয়নি। এসব হিসাব-নিকাশের বাইরে আওয়ামী লীগের মূল ভাবনায় আছে বিএনপির নির্বাচনে আসা না-আসা প্রসঙ্গ। আর নির্বাচনে এলে তাদের জোটসঙ্গী কারা, সেটিও ক্ষমতাসীন দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব হিসাব শেষ হওয়ার পর আসন বণ্টনের আলোচনা শুরু করতে চায় আওয়ামী লীগ, যদিও অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের আগে এসব বিষয় স্পষ্ট হবে না।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বৃহত্তর ঐক্যের প্রক্রিয়া চলমান। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের মধ্যে ন্যূনতম ঐক্য গড়ারও চেষ্টা আছে। এ অবস্থায় সরকারি দল আওয়ামী লীগও জোট ও নির্বাচনী মিত্রের সংখ্যা বাড়াতে তৎপর। ধর্মভিত্তিক ও বাম ঘরানার-সব দলের সঙ্গেই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে দলটি।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্র বলছে, বিএনপিসহ বিরোধীরা নির্বাচনে এলে ১৪ দল ও জাপার সঙ্গে ৬০টি আসন নিয়ে দর-কষাকষিতে নামবে আওয়ামী লীগ। ইসলামি কিছু দলকে টেনে এনে নির্বাচনী জোটে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা সফল হলে তাদেরও কিছু আসন দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ইসলামিক ফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রয়াত মাওলানা ফজলুল হক আমিনীর ছেলে আবুল হাসানাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট বিএনপি জোট থেকে গত বছর বেরিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে আওয়ামী লীগ। এর বাইরে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকীও সরকারি জোটের ব্যাপারে আগ্রহী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতৃত্বাধীন বাম ঘরানার আট দলের জোটের সঙ্গেও সরকারি দলের পক্ষ থেকে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এভাবে জোট ও মিত্রের সংখ্যা বাড়লে আরও ১০-২০টি আসনে ছাড় দিতে হবে। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেদের জন্য ২২০ থেকে ২৩০ আসন রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে। বিশেষ করে ১৯৯১,২০০১ ও ২০০৮ সালে যেসব আসনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে, সেগুলো হাতে রাখার ওপর জোর দেবে দলটি।
আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জোট, মহাজোট ও মিত্র বাড়ানোর জন্য দুই ধরনের যোগাযোগ রক্ষা করছে আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিকভাবে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বাম ঘরানার এবং ছোট দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ১৪ দলের মুখপাত্র হিসেবে এই জোটের মধ্যে সমন্বয় করছেন। ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ যোগাযোগ রাখছেন। এর বাইরে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ধর্মভিত্তিক দল ও অন্য জোট থেকে বিভিন্ন দলকে টেনে আনার চেষ্টা করছে।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে জড়িত সূত্র বলছে, বিএনপি নির্বাচনে না এলে শুধু ১৪ দলের জোট ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে। সে ক্ষেত্রে এইচ এম এরশাদের জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করবে। এ ক্ষেত্রে জোটের বাইরে সরকারি দলের সঙ্গে সমঝোতা হতে পারে। ২০১৪ সালে ১৪ দলের বাইরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির অলিখিত সমঝোতা হয়, তখন নির্দিষ্ট কিছু আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দেয়নি বলে জাতীয় পার্টির ৩৪টি আসনে বিজয় সহজ হয়।

১৪ দলে আলোচনা, আসন সমঝোতায় জাপা
এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টি ১০০ আসন দাবি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৮০টি নিয়ে দর-কষাকষি করবে—এমনটাই আভাস। অন্যদিকে ১৪ দলের শরিকেরা নিজেদের মধ্যে প্রার্থী বাছাই নিয়ে আলোচনা করছে। তাদের চাহিদাও ৮০ থেকে ৯০টি আসন।
২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছিল ৮৬ আসনে। জয়ী হন ৩৪ প্রার্থী। আওয়ামী লীগ সূত্র বলছে, এবার জাপার সঙ্গে সমঝোতা হলেও এত বেশি আসন দেওয়া হবে না।
১৪ দলের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জোটের প্রতি বৈঠকেই আসন বণ্টনের বিষয়টি তোলা হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিষয়টি জোটের প্রধান শেখ হাসিনা ঠিক করবেন।
১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি ও তাদের জোটের অবস্থান কী হয়, এর ওপর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জোট-মহাজোট নির্ভর করবে। সে ক্ষেত্রে অক্টোবরের আগে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা যাবে না। শরিকদের হিস্যা কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের উদ্দেশ্য তো সরকার গঠন করা। ফলে প্রতিটি আসনে প্রতিপক্ষ কে, তা বিবেচনায় নিতে হবে। জয়ী হতে পারবেন-এমন প্রার্থীই মনোনয়ন দিতে হবে। সংখ্যা এখানে বড় বিষয় নয়।

২০০৮ সালের নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) তিনটি ও ওয়ার্কার্স পার্টির দুজন সাংসদ ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে জোটে যোগ হয়েছে তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি (জেপি)। সব মিলিয়ে শরিকেরা ১৫টি আসনে জয়ী হয়। এর মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি ৬টি, জাসদ ৫টি, তরীকত ফেডারেশন ২টি এবং জেপি ২টিতে জয়ী হয়। জাসদ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। এবার জাসদের একটি অংশের প্রধান হিসেবে শরিফ নুরুল আম্বিয়ার মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি তাদের ‘প্রেস্টিজ ইস্যুতে’ পরিণত হয়েছে।
শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, তিনি নড়াইল-১ আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং এলাকার জনমত বিবেচনায় তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে মনে করেন। তিনি বলেন, জোটের আসন বণ্টন যত তাড়াতাড়ি শুরু হবে, ততই ভালো।
গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আসন বণ্টনের বিষয়টি প্রতি বৈঠকেই আলোচনা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত আলোচনা এখনো শুরু হয়নি। তিনিসহ তাঁর দলের কয়েকজন মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের ॥ গ্রেফতার-২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম মোশাররফ হোসেন সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। নিহত চেয়ারম্যানের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম বাদী হয়ে রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। মামলা নং-৬। তারিখ ০৯/০৯/২০১৮।
এদিকে এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এজাহার নামীয় দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন এজাহার নামীয় ১০ নং আসামী মোজাফফর হোসেন ও ১৪ নং আসামী লাল্টু।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম মোশাররফ হোসেন সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় চেয়ারম্যানের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১নং আসামী করা হয়েছে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল গাইনকে। ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে বলে তিনি জানান।
ওসি আরও জানান, এদিকে এই হত্যার নেপথ্য কারণ নির্ণয়ে পুলিশ মাঠে নেমেছে। স্থানীয় সাপখালি খাল উন্মুক্ত করা নিয়ে তার সাথে বিরোধ রয়েছে অনেকের। তার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল জলিলের সাথে চরম বিরোধ চলছিল চেয়ারম্যানের। সম্প্রতি আবদুল জলিল বেশ কয়েকজন লোককে সাথে নিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে এক সংবাদ সম্মেলন করে বলেন ‘চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন দক্ষিন রঘুনাথপুর গ্রামের আবু মালাইকার বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর ও লুটপাট করেন। তিনি এলাকার লোকজন জমি ও বাড়ি দখল করছেন’। এ ছাড়া সম্প্রতি স্থানীয় মহসীন ডাকাতকে কে বা কারা কৃষ্ণনগর বাজারে কুপিয়ে জখম করে। মহসীন ডাকাত চেয়ারম্যান মোশাররফ বিরোধী লোক। এলাকায় চেয়ারম্যানের সাথে অনেকের রয়েছে রাজনৈতিক বিরোধ। ওসি জানান এসব বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত কাজ চলছে।
উল্লেখ্য শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কৃষ্ণনগর বাজারে যুবলীগ অফিসে বসেছিলেন চেয়ারম্যান কেএম মোশারফ হোসেন। এ সময় পাঁচ ছয় জন যুবক তিনটি মোটর সাইকেলে এসে বাজারে কয়েকটি ককটেল বোমা ফাটায়। এতে আতংকিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ হবার সুযোগে সন্ত্রাসীরা যুবলীগ অফিসে ঢুকে চেয়ারম্যানের গালে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে। এরপরও তারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। কালিগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest