সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

আবারও ট্রোলড সানিয়া মির্জা, কড়া জবাব টেনিস তারকার

খেলার খবর: ভারতীয় টেনিস সম্রাজ্ঞী সানিয়া মির্জাকে মাঝে মাঝেই ট্রোলড হতে হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।   সানিয়াও কড়া ভাবে মোকাবিলা করেন সেই ট্রোলিংকে।

এই মুহূর্তে অন্তঃসত্ত্বা সানিয়া। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে তাকে অস্বস্তিতে পড়তে হল ইন্টারনেটে।

সন্তানের জন্ম দেওয়া নিয়ে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে তাকে। ‘অদ্ভুত’ ধরনের উপদেশে বিরক্ত সানিয়া এবার প্রতিবাদে মুখর হলেন। সানিয়া স্বভাবসিদ্ধ নিজস্ব ভঙ্গিতেই উত্তর দিয়েছেন নেটিজেনদের। তিনি দু’টি পোস্ট করেছেন এই নিয়ে।

স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘তাদের জন্য উপদেশ (লক্ষ করে দেখছি তারা অধিকাংশই পুরুষ)যারা মনে করেন গর্ভধারণ করা মানে ৯ মাসের শীতঘুমে চলে যাওয়া, বাড়িতেই থাকা ও এই অবস্থার জন্য লজ্জিত থাকা। দেখুন, কোনও নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তিনি মোটেই কোনও অসুখে ভুগছেন না বা অস্পৃশ্যও হয়ে যান না কিংবা মৃত হয়ে যান না। তারা তখনও স্বাভাবিক মানুষ এবং তাদের পূর্ণ অধিকার রয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাপন করার।

পাশাপাশি সানিয়া জানিয়ে দেন সমালোচনা করার আগে যেন সমালোচকরা ভেবে দেখেন, তারাও জন্মেছেন তাঁদের মায়ের গর্ভেই। কিছুদিন আগেই সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছিল সানিয়াকে। তার স্বামী শোয়েব মালিক এশিয়া কাপে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তাকে ‘টার্গেট’ হতে হয়েছিল। এবার আরও একবার তাকে অস্বস্তিতে পড়তে হল কিছু মানুষের অযাচিত পরামর্শের জন্য। বরাবরের মতোই স্পষ্টভাষী সানিয়া সেই সমালোচনার উপযুক্ত জবাব দিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্ব্যবহারের ক্ষোভে বিচারকের স্ত্রী-পুত্রকে প্রকাশ্যে গুলি করল দেহরক্ষী!

বিদেশের খবর: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিচারকের স্ত্রী-পুত্রকে প্রকাশ্য বাজারে গুলি করেছে তারই ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। পরে গুলিবিদ্ধ দু’জনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিচারকের স্ত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হলেও তার ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ। গুরুগ্রামে সেক্টর ৪৯-এ আর্কাডিয়া বাজারের কাছে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। এদিকে গুলি চালানোর দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে বিচারকের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

প্রাথমিক জেরার পর পুলিশ জানিয়েছে, দেহরক্ষীর নাম মহিপাল। প্রায় দেড় বছর ধরে বিচারকের দেহরক্ষী হিসেবে নিযুক্ত ছিল সে। বিচারকের পরিবারের হাতে নিয়মিত দুর্ব্যবহারের শিকার হতো মহিপাল। সেই হতাশা থেকেই প্রকাশ্য বাজারে গুলি চালিয়ে তাদের মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় সে।

জানা যায়, বাজার করতে গিয়েছিলেন জেলার অতিরিক্ত সেশনস বিচারক কিষাণকান্ত শর্মার স্ত্রী ও পুত্র।

সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত দেহরক্ষীও। পরে বাজারের মধ্যেই সবাইকে হতচকিত করে গুলি চালাতে শুরু করেন ওই দেহরক্ষী। প্রথমে গুলি করে বিচারকের স্ত্রীকে, তারপর ছেলেকে।

এরপরই বিচারকের ছেলেকে টেনে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে সফল না হওয়ায় ছেলেকে রাস্তাতেই ফেলে বিচারকের গাড়ি নিয়েই পালায় সে। নাটকের এখানেই শেষ নয়। বিচারকের গাড়ি নিয়েই স্থানীয় সদর পুলিশ থানায় এসে ফের গুলি চালাতে শুরু করে ওই দেহরক্ষী।

থানায় উপস্থিত পুলিশকর্মীরা তাকে ধরতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। কিছুক্ষণ পরে গুরুগ্রাম-ফরিদাবাদ রোড থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে নারী প্রার্থীর সমাবেশে হামলা, নিহত ১৪

বিদেশের খবর: আফগানিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে নারী প্রার্থী নাজিফা ইউসুফির সমর্থনে চলা সমাবেশে হামলা চালিয়েছে তালেবান। এতে নিহত হয়েছে ১৪ জন; আহতের সংখ্যা ৩০। তবে প্রার্থী নাজিফা অক্ষত রয়েছেন। তার সমাবেশে যোগ দেয়ার আগমুহূর্তে বিস্ফোরণটি ঘটে।

শনিবার আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় তাকহার প্রদেশে এ ঘটনা ঘটে। আসছে ২০ অক্টোবর আফগানিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তালেবান নির্বাচনটি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে।

তাকহার প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র খলিল আসির বলেন, সাধারণ নির্বাচনের প্রার্থী নাজিফা ইউসুফির নির্বাচনী সমাবেশের পাশে একটি মোটরসাইকেলে বিস্ফোরক লাগিয়ে রেখেছিল জঙ্গিরা।

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৪ জনের মৃত্যু ও ৩০ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করছি। হতাহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। শনিবার রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) বন্দুকযুদ্ধে আহত র‌্যাব সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

সিএমএইচে চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে আহত র‌্যাবের চার সদস্যই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের ওই জায়গায় আমাদের র‌্যাব বাহিনীর নিয়মিত চেকপোস্ট ছিল। সেই চেকপোস্টে একটি গাড়িকে সিগন্যাল দেওয়া হলে এক ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে গুলি শুরু করে। এতে র‌্যাবের চারজন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। আহতদের মধ্যে স্কোয়াড্রন লিডার সাফায়েত জামিল ফাহিম চট্টগ্রাম সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। এছাড়া মেজর মেহেদী হাসান, ল্যান্স কর্পোরাল আরিফ ও শহীদ ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ সময় র‌্যাবের পাল্টা আক্রমণে যার মৃত্যু হয়েছে সে একজন শীর্ষ মাদকব্যবসায়ী। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে দুর্ঘটনা হয়েছে, এতে র‌্যাব সদস্যদের মনোবল একটুও কমেনি, বরং তারা আরো চাঙ্গা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড় বড় অভিযানের জন্য র‌্যাব প্রস্তুত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জঙ্গি দমন করেছি, তবে জঙ্গিবিরোধী অভিযান এখনো চলছে। ঠিক তেমনিভাবে যে পর্যন্ত মাদক নির্মূল করতে না পারবো, সে পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে। এ বিষয়ে আমরা সবাই সংকল্পবদ্ধ। আমাদের যুবসমাজকে হারিয়ে যেতে দেবো না।

র‌্যাব এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে বলেই আমরা জঙ্গি-সন্ত্রাসী থেকে নিরাপদ এবং মুক্ত রয়েছি মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমাদের র‌্যাব শুধু জঙ্গি দমনই নয়, যেখানেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সেখানেই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

সাংবাদিকদের অপর এক জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমানিত হলে, আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী বি

রাজনীতির খবর: জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ না করায় বিএনপির সমালোচনা করে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, ‘বিএনপি এখানে জাতীয় ঐক্য করে, আর ২০ দলীয় জোটে জামায়াতের সঙ্গে পরকীয়া করে। অন্যদিকে, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব আর নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার মূল বিয়ে হচ্ছে এখানে- যুক্তফ্রন্টে। আর তাদের পরকীয়া হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহী বি চৌধুরী বলেন, আমরা এখনও জাতীয় ঐক্য থেকে সরে যাইনি, আর তারা আমাদের বাদ দিয়েছেন কিনা তা-ও জানি না। যদি বাদ দিয়ে থাকেন, তাহলে তো অবশ্যই পরিষ্কারভাবে জানাবেন। তবে আমাদের কথা পরিষ্কার- বিএনপি বা কোনও দলকে এককভাবে ক্ষমতায় বসানোর লক্ষ্য নিয়ে আমরা কোনও ঐক্য করবো না।

অন্যদিকে বিএনপিকে এককভাবে ক্ষমতায় বসানোর জন্য বিকল্পধারা ঐক্য করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য করতে প্রথম শর্ত হলো, স্বাধীনতাবিরোধীদের ত্যাগ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ও রাজনীতিতে ভারসাম্য আনার সুষ্পষ্ট ঘোষণা দিতে হবে।’ শনিবার রাতে রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসভবনে দলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী বলেন, এক স্বৈরাচারকে বিদায় করে আরেক স্বৈরাচারকে ক্ষমতায় আনা যাবে না। তাহলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য কিংবা দেশের বিদ্যমান এই দুরবস্থার কখনও পরিবর্তন হবে না। কাজেই কোনও দল যাতে এককভাবে ক্ষমতায় আসতে না করতে পারে, দেশে ও জনজীবনে যাতে পুনরায় আর স্বৈর সরকারের আবির্ভাব না ঘটে সেজন্যেই আমরা রাজনীতিতে ভারসাম্য আনার কথা বলেছি। যতদিন পর্যন্ত ক্ষমতায় ভারসাম্য না আসবে, ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশে ইতিবাচক কোনও পরিবর্তন আসবে না। বি চৌধুরী বলেন, ‘যারা এ দেশের মানচিত্রে বিশ্বাস করে না, এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না- তাদের সঙ্গেও আমাদের কোনও ঐক্য হতে পারে না।’
সংবাদ সম্মেলনে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনেন বি চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই ঐক্য প্রক্রিয়ার কাজ করে যাচ্ছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় বিকেলে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় আমন্ত্রণ জানানো হয় বৈঠকের। সেই বৈঠক শেষে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দেওয়ার কথা। কিন্তু বিকেলে আমি তার বাসার সামনে গিয়ে ১৪ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছি। কিন্তু তিনিও বাসায় ছিলেন না, দরজা খোলারও কোনও লোক ছিল না। ভেতরে নিয়ে বসিয়ে যে এক কাপ চা খাওয়াবে সে লোকটাও পর্যন্ত ছিল না। অপেক্ষা শেষে যখন ফিরে আসছিলাম তখন তার দলের মহাসচিব মোস্তফা মহসিন মন্টু ফোন দিয়ে বলেন যে, আপনারা মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে চলে আসেন। কিন্তু তবুও ড. কামাল এখন পর্যন্ত (রাত ৮টা) একটা ফোনও করেনি। তিনি তো বলতে পারতেন, সরি… আমি একটা জরুরি কাজে চলে এসেছি। বড় ভাই আপনি বসে এক কাপ চা খান, আমি আসছি। কিন্তু তিনি এটা বলার কোনও প্রয়োজনই মনে করেননি। কাজেই সাধারণভাবেই প্রশ্ন ওঠে- এটা কি তাদের পরিকল্পিত?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসি ম্যাচের আগে ২০ বার বাথরুমে যায় -ম্যারাডোনা

খেলার খবর: খুব নিকট অতীতেই কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার প্রিয়পাত্র ছিলেন তারই জাতীয় দলের উত্তরসূরি লিওনেল মেসি। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর থেকে যেন ফুটবল জাদুকরকে দেখতেই পারেন না ম্যারাডোনা। এবার মেসিকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উল্টো তার কঠোর সমালোচনা করে বসলেন ছিয়াশির বিশ্বকাপজয়ী এই মহানায়ক।

বার্সেলোনার হয়ে সব শিরোপা জেতা পাঁচবারের বর্ষসেরা মেসি জাতীয় দলে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেন না বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। তবে বার্সেলোনার হয়ে নয়বার লা লিগা ও চারবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ রেকর্ড শিরোপা জেতা মেসি যে অসাধারণ একজন খেলোয়াড় সেটা নিয়ে ম্যারাডোনার অবশ্য সন্দেহ নেই।

এক টিভি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,’আর মেসির পূজা করবেন না। বার্সেলোনার মেসি একরকম আর আর্জেন্টিনার হয়ে অন্যরকম। সে নেতা হতে চায়। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তবে যে ম্যাচের আগে ২০ বার বাথরুমে যায় তাকে নেতা বানানোটা অর্থহীন!’

সবশেষ রাশিয়া বিশ্বকাপে আশানুরূপ ছিল না মেসির পারফরম্যান্স। ফ্রান্সের কাছে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা। এরপর আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর কোনো ম্যাচ খেলেননি ৩১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। তিনি কবে জাতীয় দলে খেলবেন, সেটাও অনিশ্চিত। নিজে দায়িত্বে থাকলে মেসিকে জাতীয় দলে ডাকতেন না বলেও জানান ২০০৮ থেকে ২ বছর আর্জেন্টিনাকে কোচিং করানো ম্যারাডোনা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি থাকলে মেসিকে আর ডাকতাম না। তবে এটা বলব না যে কখনোই ডাকতাম না। মেসিকে আমরা যেমন নেতা হিসেবে চাই, তা পেতে হলে আগে তার ওপর থেকে বোঝা সরিয়ে দিতে হবে। যা আদৌ সম্ভব নয়। আমি জানি না সে নিজে এসব ভাবতে পারে কিনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে পরিবারের ৬ সদস্য ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন!

খেলার খবর: ক্রিকেটে দুই ভাই কিংবা একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ক্রিকেট তারকা হয়ে ওঠা বিরল নয়। বাংলাদেশেই তো চট্টগ্রামের বিখ্যাত খান পরিবারের তিন সন্তান আকরাম খান, নাফীস ইকবাল এবং তামিম ইকবাল খেলেছেন জাতীয় দলে। তবে একই পরিবারের তিন প্রজন্মের ডাবল সেঞ্চুরি করার ইতিহাস ক্রিকেটবিশ্ব বিরল। এমনই এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী থাকল পাকিস্তানের ক্রিকেটাঙ্গণ।

ক্রিকেটের সঙ্গে কোনোপরিবারের এত নিবিড় যোগ সচরাচর চোখে পড়ে না, যেমনটা কিংবদন্তি হানিফ মোহাম্মদের পরিবারে দেখা যায়। সেই হানিফ মোহাম্মদের নাতি শেহজার মোহাম্মদ তার পরিবারকে রেকর্ড বইয়ে উজ্জ্বল জায়গা করে দিলেনভ

মুলতান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কায়েদ-ই-আজম ট্রফির ম্যাচে মুলতানের বিপক্ষে করাচি হোয়াইটসের হয়ে ২৬৫ রানের ইনিংস খেলেন শেহজার। ৪৬৪ বলের ইনিংসে ৩০টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। ডাবল সেঞ্চুরি স্পর্শ করা মাত্রই ইতিহাসে জায়গা করে নেয় তার পরিবার।

শেহজারের পিতা শোয়েব মোহাম্মদের ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি আছে। দেশের হয়ে ৪৫টি টেস্ট ও ৬৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলা শোয়েবের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২০৮। তার পিতা কিংবদন্তি হানিফ মোহাম্মদ ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ৪৯৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। অর্থাৎ, দাদু থেকে নাতি, পরিবারের তিন প্রজন্মই প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ক্রিকেটবিশ্বে এমন রেকর্ড আর নেই।

তবে শুধু মোহাম্মদ পরিবারের এই তিনজনই নয়, আরও তিনজন সদস্যের প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে ডাবলসেঞ্চুরি রয়েছে। হানিফ মোহাম্মদের দুই ভাই সাদিক ও মুস্তাক মোহাম্মদ এবং সাদিকের ছেলে ইমরান মোহাম্মদও ঘরোয়া ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ফসফরাস বোমা ফেলেছে মার্কিন জোট

বিদেশের খবর: সিরিয়ায় উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে কথিত লড়াইয়ের দাবিদার মার্কিন জোট দেশটির দেইর আয-জোর প্রদেশে ফসফরাস বোমা ফেলেছে। এ বোমা আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ।

স্থানীয় সূত্রগুলো সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানাকে বলেছে, দেইর আয-জোরের ছোট শহর হাজিনে আজ শনিবার মার্কিন জোট ওই বোমা ফেলে। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির খবর জানা যায় নি।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর আমেরিকার দুটি এফ-১৫ বিমান থেকে সিরিয়ার এ শহরেই হোয়াইট ফসফরাস বোমা ফেলা হয়েছিল। রাশিয়ার সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান মেজর জেনারেল ভ্লাদিমির শাভচেঙ্কো জানিয়েছিলেন, ওই বোমা হামলার পর সেখানে ব্যাপকভাবে আগুন ধরে গিয়েছিল।

গত জুন মাসে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করে বলেছিল, মার্কিন নেতৃত্বধীন জোট সিরিয়ায় ফসফরাস বোমা মোতায়েন করেছে। এসব বোমা মূলত সিরিয়ার বেসামরিক নাগরিক কিংবা সিরিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ মার্কিন নেতৃত্বধীন জোট সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দাবি করলেও এ পর্যন্ত তাদের হামলায় সন্ত্রাসীদের বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায় নি বরং সিরিয়ার বহু সেনা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest