সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

‘অবশেষে কনিষ্ঠ পুত্রের কাছে ইজ্জত রক্ষা হইল’

বিনোদন সংবাদ: নিনিত হুমায়ূন সাহেব ইদানীং আমাকে খুবই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন… তেনাকে পড়াতে গেলে বলেন- ‘মা মিস যেভাবে শিখায় তুমি সেভাবে পারবা না…’ (উনার হয়তো ধারনা তার মাতা ইহজীবনে স্কুলমুখী হয় নাই)…

নিনিত সাহেব পিয়ানো শেখেন। বাসায় অনুশীলনের সময় একখান কথা বললেই বলেন- ‘মা স্যার বলেছে ইরাকম করে বাজাতে…’

ঘ্যাংগা বাবাজির স্কুল প্রোগ্রামে তিনি একখান দলীয় নৃত্যে অংশগ্রহণ করিলেন। আমি দেখলাম এই সুযোগ, তেনাকে বাসায় অনুশীলন করায়ে ভাজা ভাজা করে ফেলব…

উনার স্কুলের নাচের শিক্ষক আমার নৃত্যগুরু শুক্লা সরকার- নিনিতের ‘শুক্লা মিস’। যে নাচখানা দলের সাথে পুত্র পরিবেশন করবেন, সেই একই গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করিয়া শিশুকালে আমি পুরষ্কার পেয়েছিলাম… বাবাজিকে নৃত্য অনুশীলন করাবার চেষ্টা করিতে গিয়া এই কথা বলা হইলে তিনি পাত্তাই দিলেন না…

অবশেষে কনিষ্ঠ পুত্রের কাছে ইজ্জত রক্ষা হইল… ২০১৬ সালে সঙ্গীতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার আনতে গেলাম তাহাদের দুইজনকে নিয়ে।

নিনিত: মা আমরা কি বাবার পুরষ্কার নিতে এসেছি…?

নিষাদ: উফফফ নিনিত- আমরা মা’র পুরষ্কার নিতে আসছি। দেখো না বইয়ে মা’র ছবির নিচে লেখা ‘শ্রেষ্ঠ সংগীত শিল্পী- মেহের আফরোজ শাওন’…!

নিনিত: (অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে চাইলেন) মা! যাক তুমিও তাইলে বাবার মত এ্যাওয়ার্ড পাইলা..!

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থাইল্যান্ডের সেই গুহাতে বানানো হবে জাদুঘর!

বিদেশের খবর: সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছে থাইল্যান্ডের থাম লুয়াং গুহা। এই সেই গুহা যেখানে ১২ জন কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ আটকা পড়েছিল।এ ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। গুহাটিকে জাদুঘরে পরিণত করা হবে বলে জানিয়েছে থাই কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, থাম লুয়াং গুহাটিকে জাদুঘরে রূপ দেওয়া হবে। উদ্ধার তৎপরতার অপ্রকাশিত দৃশ্যগুলো এই জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

এটি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে আকষর্ণীয় পর্যটন স্থানে পরিণত হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি প্রযোজনা সংস্থা চলচ্চিত্র বানাতে উদ্যোগী হয়েছে। মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিওর ফ্লিক্স উদ্ধার তৎপরতার শুরু থেকেই সেখানে অবস্থান করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হচ্ছে সবজি চাষ! (ভিডিও)

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামের নাম আসলেই কানে এখনও ভেসে আসে গ্যালারির হই হুল্লোড়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম মানেই আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথ। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলে গেছেন বিশ্বের অনেক গ্রেটরা। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের নাম কানে আসলেই মেসি চেহারা ভেসে ওঠে। যে কিনা নাইজেরিয়ার রক্ষণ দুর্গ ভেঙে করে ফেললেন গোল আর গ্যালারি মাতলো বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের খেলা নিয়ে লিখলে পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে তবু লেখা শেষ হবে না। বলতে গেলে বাংলাদেশের ক্রীড়ার তীর্থভূমি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। আপনি যদি শোনেন এই স্টেডিয়ামেই চাষ হচ্ছে সবজীর? নিশ্চই বলবেন মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তবে এই বাক্য ডেলিভারির পূর্বে আপনাকে বলবো একবার নিচের ভিডিওটি দেখে নেন।

https://www.facebook.com/TemporarilyUnavailableNow/videos/10212107918236537/

হ্যাঁ আসলেই তাই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চাষ হচ্ছে লাউ, মরিচ, কুমড়ো, টমেটো, পুঁইশাক, লালশাক। আর এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘একটা কথা অনেকেই বলে আরে ফুটবলের পেছনে টাকা খরচ করে লাভ নেই, এগুলোকে দিয়ে কিছু হবে না ৷ তাহলে সেগুলো কারা? যারা ক্রিকেট খেলে, তারা কি বিদেশি ৷ ফুটবল কর্মকর্তাদের অবহেলা, নেই ভাল অবকাঠামো, নেই সরকারের কোনো জোড়ালো পদক্ষেপ ৷ এই বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে আসলে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে লাউ চাষ হবে না , হবে ফুটবলাদের চাষাবাদ ৷ আর ঠিক ক তখনই ফল ভোগ করবে বাংলার ফুটবল প্রেমীরা।’

ভিডিওটি প্রথমে আসাদুজ্জামান প্যারিস নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপরেই তা ছড়িয়ে যায় ফেসবুক ইউটিউবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরায় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর দারিদ্র বিমোচন ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পাধীন প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর সাধারণ সম্পাদক সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ খায়রুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ ইফতেখার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর সদস্য আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা, এম.এম. মজনু খোকা, পৌর কাউন্সিলর শফিক-উদ-দৌলা সাগর, আলহাজ্ব আব্দুল খালেক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় পুরাতন সাতক্ষীরা, সুলতানপুর, মুনজিতপুর, এল্লারচর, কাটিয়া ও রসুলপুর এলাকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৩ জন দু:স্থ্য শিক্ষিত নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা অনেক বেশি। নারীরা নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারলে সংসারের স্বচ্ছালতা আসে। পাশাপাশি তারা নিজেরাও বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজকর্মে অংশগ্রহণ এবং আত্মকর্মসংস্থান করতে পারবে। নিজেদের প্রয়োজনে মহিলাদের স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি। সেলাই এর কাজ করে সাবলম্বী হওয়া সম্ভব।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম এর সদস্য ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লিয়াকত পারভেজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধু সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: প্রতিদিন মধু খান অনেকে। ঠাণ্ডা লাগা উপশমেও দারুণ কাজে আসে মধু। স্বাস্থ্যকর মধু সংরক্ষণ করে খেতে পারেন কয়েক বছর পর্যন্ত। মধু সংরক্ষণ করা খুবই সহজ। আলাদা কোনও ঝক্কি পোহাতে হবে না প্রাকৃতিক এই উপাদানটি ভালো রাখার জন্য।
কাচের মুখবন্ধ বয়ামে মধু রাখুন। ঢাকনা শক্ত করে আটকে রাখলেই মধু ভালো থাকবে অনেক দিন পর্যন্ত। মেটাল অথবা প্লাস্টিকের পাত্রে মধু রাখবেন না। মধুর বয়াম শীতল স্থানে রাখুন। এমন কোথাও রাখবেন না যেখানে সরাসরি রোদ এসে পড়ে। চুলার আশেপাশে কিংবা গরম কোথাও একেবারেই রাখা যাবে না মধুর বয়াম। রুম টেম্পারেচারই মধু সংরক্ষণের জন্য আদর্শ। মধু ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই একদমই। বরং ফ্রিজে রাখলেই নষ্ট হয়ে যায় মধুর গুণ।
মধুর ওঠানোর চামচে যেন কোনও পানি না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখাও জরুরি। পানি গেলে নষ্ট হয়ে যাবে মধু।
অনেক সময় মধু ঘোলাটে হয়ে যায়। এক বাটি গরম পানির মধ্যে মধুর বয়াম রেখে দিন। আগের মতো স্বচ্ছ হয়ে যাবে মধু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অতিরিক্ত ঘুমে হারাবেন স্মৃতিশক্তি’

স্বাস্থ্য কণিকা: সুস্থ জীবনযাপনের জন্য ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সেই ঘুম কতটুকু? এ নিয়ে আছে মতবিরোধ। সাধারণত শিশুদের ঘুম একটু বেশি দরকার হয়। বড়দের কম। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য দৈনিক অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। এটা ক্ষেত্রবিশেষ দু’এক ঘণ্টা বেশি হতে পারে। তবে সেই বেশিটা যেন অতিরিক্ত হয়ে না যায়। কম ঘুম যেমন শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, বেশি ঘুমও তার ব্যতিক্রম নয়। গবেষণা বলছে, একটানা নয় ঘণ্টার বেশি ঘুম অকেজো করে দিতে পারে স্মৃতিশক্তি।

একটু বয়স্ক মানুষেরা অনেকটা সময় ঘুমিয়ে পার করেন। বিশেষ করে, রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার একটা তাগিদও দেখা যায়। আর সকালে কাজে যাবার ব্যস্ততা না থাকলে হয়ত একটু বেলা করে উঠছেন ঘুম থেকে। অবসরপ্রাপ্ত মানুষদের মধ্যে এমন প্রবণতা দেখলে কেউই তা অস্বাভাবিক মনে করবেন না হয়ত।

কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে, বিষয়টি উদ্বেগজনক। কারণ ঘুমানোর এই প্যাটার্নই হতে পারে অ্যালঝেইমার রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। আক্রান্ত হতে পারেন ‘ভুলে যাওয়া’ রোগে।

গবেষণায় জানা গেছে, রাতে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমাচ্ছেন এমন ব্যক্তি, যারা আগে এর চেয়ে কম ঘুমাতেন, অন্যদের তুলনায় তাদের অ্যালঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবার শঙ্কা দ্বিগুণ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে গবেষণা চালিয়ে এমন ফলাফলে উপনীত হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ঘুমের ভেতরে মানুষের স্মৃতি তৈরি হয়, বিশেষ করে হালকা ঘুমের সময়। কিন্তু একটানা দীর্ঘ ঘুম এক্ষেত্রে সে প্রক্রিয়ায় বাঁধা দেয়। অর্থাৎ, আপনি শরীর ও মনের বিশ্রাম দিতে ঘুমাবেন, কিন্তু সেই ঘুমটা যদি প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত হয়ে যায় তবে ঘুমিয়ে পড়বে আপনার স্মৃতিশক্তিও।

অ্যালঝেইমার কী:
ডিমেনশিয়া (Dementia) হল এক ধরনের মস্তিষ্কের ব্যাধি যা স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। অ্যালঝেইমার ডিজিজ হলো ডিমেনশিয়ার একটি সাধারণ রূপ। এই সমস্যা তীব্র অবস্থায় চলে গেলে এটি রোগীকে তার দৈনন্দিন কাজ করতে, বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয়-স্বজনকে চিনতে এবং কোনো কথা বুঝতে বাধা দেয়। এটি একটি মারাত্নক রোগ যা সময়ের সাথে সাথে আরও খারাপ অবস্থার সৃষ্টি করে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। এই রোগের চিকিৎসা খুবই সীমিত, তবে প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধের সাহায্যে এর চিকিৎসা করা হলে তা অত্যন্ত কার্যকর হয়। এ রোগ বয়স্কদের বেশি হয়ে থাকে। পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের অ্যালঝেইমার রোগ, দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ এবং কোনো ধরনের মানসিক আঘাত পাওয়ার ঘটনা থাকলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইংলিশ মিডিয়াকে লুকা মদরিচের জবাব

খেলার খবর: বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দিতে কম চেষ্টা করেনি ইংলিশ মিডিয়া। কিন্তু হলো হিতে বিপরীত। তাদের সমালোচনাকে শক্তিতে পরিণত করে ক্রোয়েটরা ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উঠেছে ফাইনালে। সুযোগ পেয়ে সমালোচকদের জবাব দিতে পিছপা হলেন না অধিনায়ক লুকা মদরিচ।

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার শেষ চারে পা রেখেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু পথটা মসৃণ ছিল না। ডেনমার্ক ও রাশিয়ার বিপক্ষে নকআউটের আগের দুই ম্যাচ তারা জেতে পেনাল্টি শুট আউটে। ইংলিশ মিডিয়া বলছিল, ক্লান্ত হয়ে পড়েছে ক্রোয়েশিয়া। তাই ফাইনালে তারা এগিয়ে রেখেছিল ইংল্যান্ডকে।

ক্রোয়েশিয়ার ক্লান্ত হওয়া নিয়ে মিডিয়ার এই আলোচনাকে প্রেরণা হিসেবে নেওয়ার কথা জানালেন মদরিচ। ৩২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘এই ম্যাচের আগে টেলিভিশনে তাদের সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞরা আমাদের ক্লান্ত বলছিল, আমরা নাকি প্রাণহীন। তাদের ভুল প্রমাণ করতে আমাদের আরও মরিয়া করে তুলেছিল ওইসব কথা। তাদের আরও বিনয়ী ও শিষ্ঠ হওয়া উচিত ছিল।’

এই ম্যাচকে সেরা বললেন মদরিচ, ‘আপনি যখন সেমিফাইনালে, তখন ক্লান্ত হওয়া অসম্ভব। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ বাদ দিলে এটা ছিল আমাদের সেরা খেলা।’

২০ বছর আগে প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। এবার তাদের বিপক্ষে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। এতদূর আসার জন্য দলকে যোগ্য মনে করছেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার, ‘এটা (ফাইনাল) আমাদের কাছে সবকিছু। আমাদের জন্য স্বপ্ন সত্যি হলো এবং ক্রোয়েশিয়ার সবার জন্য। এই বিশ্বকাপের আগে কেউ আমাদের সুযোগ দেখেনি। কিন্তু আমাদের মান, আকাঙ্ক্ষা, একতা ও লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে আমরা ফাইনালে। আমি মনে করি এর যোগ্য আমরা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮ বছরের চেষ্টার পর ধরা পড়ল সেই দানব কুমির!

ভিন্ন স্বাদের খবর: ৬০০ কিলোগ্রামের দানব কুমির ধরা পড়ল অস্ট্রেলিয়ায়৷ কুমিরটিকে প্রথম দেখতে পাওয়া যায় ২০১০ সালে৷ তারপর আট বছর তাকে ধরার বহু প্রচেষ্টা করা হয়৷ কিন্তু তাকে ধরা যায়নি৷ দীর্ঘদিন পরে অবশেষে জালে ধরা পড়ল সেই বৃহদাকায় কুমির৷

জানা গেছে, সেই লবণ জলের কুমিরের ওজন ১৩২৮ পাউন্ড৷ আট বছর ধরে তার খোঁজে তল্লাশি চালানো হয় বিভিন্ন জায়গায়৷ অবশেষে মঙ্গলবার তাকে খাঁচাবন্দি করা সম্ভব হয়েছে৷ সরকারি তরফে তার ধরা পড়ার খবর প্রচার পেতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন সকলে৷

৪.৭ মিটার লম্বা মানে ১৫.৪ ফুট৷ রাক্ষুসে শেই কুমিরকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতা হয় উত্তরের প্রান্তিক শহর ক্যাথেরাইনে৷ ২০১০ সাল থেকেই অবশ্য তাকে দেখতে পাওয়ার পরই ফাঁদ পাতা হয়৷ কুমিরটির বয়স প্রায় ৬০ বছর বলে মনে করা হচ্ছে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest