সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

কতিপয় দুর্বৃত্তের কর্মকাণ্ডের কারণে চিকিৎসাসেবার সুনাম নষ্ট হচ্ছে-হাইকোর্ট

দেশের খবর: ‘ভুল হবে বলে আমাদের একটা উচ্চ আদালত রয়েছে। ভুলটা অন্যায় নয়। কিন্তু ভুলটা জাস্টিফাই করার জন্য যদি হরতাল (ধর্মঘট) ডাকা হয়, তবে তা অন্যায়।’, একটি রুলের শুনানি চলাকালে চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের ডাকা ধর্মঘটের প্রসঙ্গ তুলে সোমবার (৯ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন। আদালত বলেন, ‘কতিপয় দুর্বৃত্তের কর্মকাণ্ডের কারণে চিকিৎসাসেবার সুনাম নষ্ট হচ্ছে। ভুল চিকিৎসার ভয়ে রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গায় চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা নিতে আসা ২০ রোগীর চোখ হারানো বিষয়ে দায়ের করা রিটের শুনানির দিন ছিল সোমবার।

আদালতে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অমিত দাস গুপ্ত। তার সঙ্গে ছিলেন সভাষ চন্দ্র দাস। অন্যদিকে, ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এম আমিনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

এর আগে চুয়াডাঙ্গা শহরের ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে আয়োজিত চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারানো ২০ জনের প্রত্যেককে এক কোটি টাকা করে কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। কিন্তু সেই রুলের কোনও জবাব আদালতে দাখিল না করায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জনকে ব্যাখ্যা দিতে তলব করেন আদালত। সোমবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ ও চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. মো. খাইরুল আলম আদালতে হাজির হন।

শুনানির শুরুতে আদালতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ ও চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. মো. খাইরুল আলম রুলের বিষয়ে তাদের লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন। তখন আদালত বলেন, ‘লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সময় পাবেন। যেহেতু (স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন) দু’জনই আছেন, তাই আপনাদের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে শুনবো।’

এরপর আদালত সিভিল সার্জনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চক্ষু শিবির করার আগে আপনার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা?’ জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, ‘না, নেয়নি।’

এরপর স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য শুনতে চান আদালত। শুরুতে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত খবর আবুল কালাম আজাদকে দেখিয়ে আদালত বলেন, ‘চট্টগ্রামে যা (চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক মালিকরা চিকিৎসাসেবা বন্ধের ঘোষণা) হয়েছে, সেটি দুঃখজনক। আজকের (৯ জুলাই) মামলার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়। যেহেতু আপনি (স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক) আছেন— তাই বলছি, মানুষ বিপদে পড়লে তিন পেশার লোকের কাছে যায়—পুলিশ, আইনজীবী এবং ডাক্তার। তিনটি পেশা যদি কিছু কিছু দুর্বৃত্তের কারণে ধ্বংস হয়, তবে মানুষ বিপদে পড়বে। মেয়েটাকে (চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে রাফিদা খান রাইফার মৃত্যু) তো ফিরিয়ে আনা যাবে না। ডাক্তাররা দেবতা নন। আমাদের (মানুষের) ভুল হবে বলে আমাদের একটা উচ্চ আদালত রয়েছে। ভুলটা অন্যায় নয়। কিন্তু ভুলটা জাস্টিফাই (যথাযথ) করার জন্য যদি হরতাল (ধর্মঘট) ডাকা হয়, তবে তা অন্যায়।’

আদালত আরও বলেন, ‘কতিপয় দুর্বৃত্তের কর্মকাণ্ডের কারণে চিকিৎসা সেবার সুনাম নষ্ট হচ্ছে। দেশে অনেক স্বনামধন্য চিকিৎসক এবং ভালো মানের চিকিৎসা সেবার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কতিপয় ভুল চিকিৎসার ভয়ে রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাচ্ছে। এতে দেশীয় মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে। তাই আদালত এ ধরনের পরিস্থিতি কমিয়ে আনার জন্য আপনাকে (স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ) বলা হলো।’

এরপর প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ আদালতকে বলেন, ‘আমরা মহামান্য আদালতের সঙ্গে একমত। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসা নিতে আসা চোখ হারানো ২০ জনের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ আদালতকে বলেন, ‘এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি করেছি। তারা ইতোমধ্যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে। আমরা পর্যালোচনা করছি। ইমপ্যাক্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে ওষুধের নমুনা ‘আইসিডিডিআরবি’তে পাঠায়। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী ওই ওষুধে ব্যাকটেরিয়ার নমুনা পাওয়া গেছে। কিন্তু আমাদের প্রতিবেদনে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। আমরা দুটো রিপোর্টই পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি।’

পরে আদালত আগামী ১৬ জুলাই এ মামলায় জারি করা রুলের পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। এরপর প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘লিখিত জবাবে যেন ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হয়।যাতে করে,ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়।’ এই বলে আদালত স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জনকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৯ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চক্ষু শিবিরে গিয়ে চোখ হারালেন ২০ জন!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘চুয়াডাঙ্গার ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমুনিটি হেলথ সেন্টারে তিন দিনের চক্ষু শিবিরের দ্বিতীয় দিন ৫ মার্চ ২৪ জন নারী-পুরুষের চোখের ছানি অপারেশন করা হয়। অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক মোহাম্মদ শাহীন। এদের মধ্যে চার জন রোগী নিজেদের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার ইমপ্যাক্টের পক্ষ থেকে ১২ মার্চ একসঙ্গে ১৬ জন রোগীকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়। ৫ মার্চের ওই অপারেশনের ফলে এদের চোখের এত ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে যে, ১৯ জনের একটি করে চোখ তুলে ফেলতে হয়েছে। আর বাকি একজন অন্য জায়গায় চিকিৎসা নিতে থাকেন।

পরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করে আইনজীবী অমিত দাসগুপ্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গত ১ এপ্রিল রিট দায়ের করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে চুয়াডাঙ্গা শহরের ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা নিতে এসে চোখ হারানো ২০ জনের প্রত্যেককে এক কোটি টাকা করে কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১১ রোগের মহৌষধ চিরতা

স্বাস্থ্য কণিকা: সুপ্রাচীনকাল থেকে চিরতা ভারতবর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভারতবর্ষ চিরতার আদিনিবাস। বিশেষ করে হিমালয়ের পাদভূমিতে তার উৎপত্তি। সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন অংশে, নেপাল ও ভুটানে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভারতবর্ষ থেকে ১৮৩৯ সালে চিরতা ইউরোপে প্রবেশ করে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ ও চরক সংহিতায় এর উল্লেখ আছে। চিরতার আয়ুর্বেদিক নাম কিরাততিক্তা।

চিরকালের তিতা গাছ বলে হয়তো বাংলায় এর নাম দেয়া হয়েছে চিরতা। কালোমেঘ গাছও তিতা। সে গাছের বাংলা নাম কালোমেঘ, ইংরেজী নামের অর্থ সবুজ চিরতা। তবে চিরতা ও সবুজ চিরতা আলাদা দুটি গাছ। এর বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজী নাম মোটামুটি একই।

এ গাছের হিন্দি নাম চিরেইতা, ইংরেজী নাম চিরেত্তা Chitretta), পাঞ্জাবী নাম চিরেইতা, তামিল নাম নিলাভেম্বু, আরবী নাম কাসাবুজাজারেয়ী। এ গাছের সব অংশই রোগ নিরাময়ে ব্যবহার করা যায়। আয়ুর্বেদিক বৈশিষ্ট্যে চিরতার রসা বা স্বাদ তিতা, গুণ বা ধর্ম লঘু ও শুষ্ক, বীর্য ঠাণ্ডা, বিপাক কটু।

রোগ নিরাময়ে চিরতার সমস্ত গাছই ব্যবহার করা হয়। তবে এর শিকড় সবচেয়ে বেশি কার্যকর। চিরতা চর্ম রোগ ও জ্বর সারাতে এক ওস্তাদ গাছ। এছাড়াও হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, ম্যালেরিয়া জ্বর, অ্যাজমা প্রভৃতি কঠিন অসুখের চিকিৎসাতেও চিরতা ব্যবহার করা হয়। নিচে চিরতার উল্লেখযোগ্য কিছু ভেষজ গুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

১. জ্বর সারায়
আকষ্মিক ঋতু পরিবর্তনে অনেকের জ্বর হয়, সেই সাথে সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় হাত-পা চিবোয় বা কামড়ায়। এ অবস্থা হলে ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। পরে তা ছেঁকে সকালে অর্ধেক ও বিকালে অর্ধেক খেতে হবে। কয়েকদিন খেলে জ্বরের এ ভাবটা চলে যাবে।

২. অ্যালার্জি সারায়
যাদের এলার্জি হয়ে শরীর চুলকায়, চুলকানোর জায়গাটা ফুলে লাল হয়ে যায়, ত্বক থাকা থাকা হয়ে ওঠে। তারা চিরতার শরণাপন্ন হয়ে ভালো থাকতে পারেন। অ্যালার্জি সারাতে চিরতার তিতা রস সাহায্য করতে পারে। আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে দিনের মধ্যে ২-৩ বারে খেতে হবে। সেই সাথে খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। যেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয় সেসব খাবার খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে পুঁইশাক, বেগুন, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম ইত্যাদি খাওয়া উচিত হবে না।

৩. বমি কমায়
পিত্তজ্বরে অনেক সময় প্রচ- বমি হয়, বমিটা তিতা ও অল্প সবুজ রঙের বা সবুজাভ হলদে। বমি হলে পেটে কিছু থাকে না। সেই সাথে শরীওে দাহ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা সাধারণত শরৎকালে বেশি দেখা যায়। অখাদ্য খেলেও এরূপ হয়। এক্ষেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেঁতো করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজারোর ২-৩ ঘন্টা পর ছেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খেতে হবে। এতে বমি থেমে যাবে।

৪. প্রবল হাঁপানির উপশম হয়
একজিমার সাথে যাদের হাঁপানি আছে অথবা অর্শের রক্ত পড়াব বন্ধ হওয়ায় হাঁপানি বেড়ে গেছে, অল্প ঠাণ্ডা লাগলে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি হয়ে হাঁপানির টানটা বেড়ে গেছে তারা আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো ৩ ঘণ্টা অন্তর মধুসহ চেটে খাবেন। এতে ২-৩ দিনের মধ্যে প্রবল হাঁপানি কমে যাবে।

৫. কৃমি সারায়
কৃমি হলে পেটের উপরের অংশটা মোচড়ায়, ব্যথা করে। পেটে কৃমি হলে আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো সকালে মধুসহ বা চিনি মিশিয়ে চেটে খাবেন। এরপর পানি খেতে পারেন। এতে কৃমির উপদ্রব চলে যাবে।

৬. চুলকানি সারায়
গায়ে চুলকানি হলে ২০ গ্রাম চিরতাতে অল্প পানি ছিটিয়ে বেঁটে বা ছেঁচে নিতে হবে। তারপর তা লোহার কড়াই বা তাওয়াতে ১০০ গ্রাম সরষের তেল দিয়ে জ্বাল দিয়ে হবে। সরষের তেল গরম হয়ে ফেনামুক্ত হলে তাতে চিরতা ছাড়তে হবে। ভালো করে ভাজা হলে নামিয়ে ছাঁকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে চিরতা যেন পুড়ে না যায়। এই তেল চুলকানোর জায়গায় ঘষে অল্প অল্প করে মালিশ করলে দ্রুত চুলকানি সেরে যাবে।

৭. পচা ঘা সারে
ঘা হয়েছে অথচ কিছুতেই সারছে না। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ছেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে।

৮. চুল ওঠা বন্ধ করে
কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, অথচ রোজ মাথা থেকে প্রচুর চুল উঠছে। চুল উঠতে উঠতে ঘন কেশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে তা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা কমবে। একদিন পর পর একদিন এভাবে চিরতার পানি দিয়ে মাথা ধুতে হবে। ৩-৪ বার এভাবে ধুতে পারলে চুল ওঠা অনেক কমে যাবে।

৯. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
চিরতা নিয়মিতভাবে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে বা কমে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

১০. রক্তশূণ্যতা কমায়
চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে সে কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়। অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ, নাক দিয়ে রক্তপড়া এসবও চিরতা বন্ধ করতে পারে।

১১. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরোগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব রেকর্ড চুরমার করল ‘সঞ্জু’

বিনোদন সংবাদ: রাজকুমার হিরানির ছবি মানেই দর্শকদের বাড়তি প্রত্যাশা। কিন্তু ‘সঞ্জু’ নিয়ে উৎসাহটা ছিল একটু বেশিই। তবে সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক যে মুক্তির পরেই এমন কামাল করবে তা হয়তো স্বয়ং রাজকুমারও ভাবতে পারেননি। শুক্রবার সবে মুক্তি পেয়েছে ছবি। প্রথম তিন দিনে ১২০ কোটি টাকা রোজগার করেছে ছবি।

এর মধ্যে কেবল রবিবারেই ৪৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ‘সঞ্জু’। যা ভারতের ছবির ইতিহাসে সর্বকালীন রেকর্ড! ‘বাহুবলী ২’-এর ৪৬.৫০ কোটি টাকার রেকর্ড ভেঙে ৪৬.৭১ কোটি টাকা রোজগার করেছে সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক।

‘সঞ্জু’ এ বছরের একশো কোটি ক্লাবের সপ্তম ক্লাব। এখনও পর্যন্ত তার সাফল্যের যা গতি, তা থেকে পরিষ্কার বাগি ২, পদ্মাবৎ বা রেস ৩-কে টপকে বছরের সেরা ছবি হয়ে উঠতে চলেছে রণবীর কাপুরের ‘সঞ্জু’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় নিপ্পন কে হত্যার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সদর উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতিকে হুমকি প্রদর্শন করা হয়েছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী এনামুজ্জামান নিপ্পন সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাগুরা গ্রামের নুরুজ্জামানের পুত্র ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি।
ডায়েরি সূত্রে জানাগেছে, নিপ্পন কিছু দিন যাবত ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, সোনা চোরাকারবারী, মাদক সেবনকারী ও জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে আসছেন। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৬ জুলাই’১৮ তারিখ সন্ধ্যায় মাগুরা এলাকার মৃত কিনু মোড়লের ছেলে সাইদ মোড়ল, খালেক মোড়লের ছেলে ইমরান, আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুল হান্নান ও সাইদ মোড়লের ছেলে রায়হানসহ কয়েকজন নিপ্পনকে হত্যাসহ খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় নিপ্পন জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ওই মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন। তিনি উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণশ্রীপুরে ভাইয়ের সম্পত্তি ভোগদখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কালিগঞ্জে ভাইয়ের সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখলের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে। কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন ফল পাননি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আবু বক্কার কারিকরের ছেলে মোতালেব হোসেন।
ভুক্তভোগী মোতালেব জানান, ঢাকায় ব্র্যাকের ডিভিশন ইনচার্জ পদে কর্মরত বড় ভাই আব্দুল মান্নানের নির্দেশে মেঝ ভাই আবু হাশেম ও ছোট ভাই ইসরাফিল হোসেন আমার পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে জোরপূর্বক ভোগ দখল করে আসছেন। এমনকি তার নামীয় জমিও লিখে নিয়ে তাকে ভিটে ছাড়া করতে উঠে পড়ে লেগে আছে। আমার নামে যে জমি আছে সেটা আলাদা করে দেয় না। আমি সামান্য জমি ঘের করে সেই ঘের থেকে তারা ইচ্ছামত মাছ মেরে নেয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে মেঝ ভাই কারণে অকারণে ঝগড়া বাধিয়ে মারপিট করে এবং আমার শিশু পুত্রকে হত্যা সহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছে। এঘটনায় আমি স্থানীয় মেম্বর, চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও কোন সমাধান করতে পারেননি।
তিনি আরো জানান, কোন দপ্তরে অভিযোগ করার পর তাদের নোটিশ করা হলেও তারা হাজির না হয়ে আস্ফালন করে আমাকে ভিটে ছাড়া করারও হুমকি দেয়।
এতে তিনি স্ত্রী পুত্র নিয়ে চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে জীবন-যাপন করছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বড় ভাই আব্দুল মান্নানের নির্দেশে মেঝ হাশেম ভাই ও ছোট ভাইয়ের ইসরাফিল হোসেন এলাকার অসহায় মানুষের উচ্ছেদ করে অন্যত্র তাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বড় ভাই ও মেঝ ভাই ও ছোট ভাই এলাকার চিহ্নিত ভূমি দস্যু হিসাবে পরিচিত। এরা এলাকার কয়েকজন অসহায় মানুষের জমি অবৈধভাবে দখল করে অনেকের ভিটে ছাড়া করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছে হাজেরার ছেলে ছপেদ আলী, হামিদ আলী, নুরুলের ছেলে হবি, ছবুর, ছুরমান আলীর ছেলে সোহরাব, সামছুর, শহিদুলদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে করে তাদের গ্রাম করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু হাশেম বিত্তবান ও প্রভাবশালী হওয়ার তার বিরুদ্ধে ওই ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে সাহস পাননি।
এবিষয়ে দক্ষিণশ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার জানান, এ ঘটনায় মোতালেবের অভিযোগের ভিত্তিতে মিমাংসার জন্য তার দুই ভাই মান্নান ও হাশেমকে নোটিশ করা হয়েছিলো। তারা হাজির না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
এঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই আব্দুল মান্নানের ব্যবহৃত ০১৭১২ ৫২৩০৩৮ নাম্বারে ফোন দিলেও সেটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া মেঝ ভাই আবু হাশেমের ব্যবহৃত ০১৭২৫ ৬২২৭৬৪ নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বাংলাদেশ জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার অনুষ্ঠিত হয় জেলা অফিসে। ৯ জুলাই জাসদ ১১টায় সভাপতিত্বে করেন জেলা জাসদ সভাপতি সরদার কাজেম আলী। উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রিয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রীস আলী। সদর উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম হেলাল, তালা জাসদ সভাপতি দেবাশীষ দাস, জাসদ নেতা পলাশ ব্যানার্জী, পাটকেলঘাটা জাসদ সভাপতি সরদার শাহীন, কলারোয়া জাসদ সভাপতি মহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আ: রশীদ, পৌর জাসদ নেতা মুক্তিযোদ্ধা কাজী নাছির, আশরাফ সরদার, ছাত্রনেতা মোখলেছুর রহমান, শাহরিয়ার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের প্রতিনিধি।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাসদের পক্ষ থেকে সদর উপজেলায় সদর উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর সিদ্দিক কে জাতীয় সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনের মাঠে জনসংযোগ করার সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।
এছাড়া তালা-কলারোয়া থেকে সরদার কাজেম আলী, কালিগঞ্জ থেকে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আহাদকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসাবে নির্বাচনের মাঠে দলের পক্ষে কাজ করার জন্য সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে জনগনের পাশে থেকে শোষণ বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য জাসদ এখন অগ্রনী ভুমিকা রাখতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনের কুখ্যাত হরিণ শিকারী সাত্তার মোড়লসহ ৩ জনের নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবনে জবাই করা হরিণ সহ ২জন হরিণ শিকারী আটকের ঘটনায় কুখ্যাত হরিণ শিকারী জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সাত্তার মোড়লসহ ৩ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিকালে শ্যামনগর থানা পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। যার নং-৩। অন্য আসামিরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কদমতলা গ্রামের ইমান গাজীর ছেলে মঞ্জু গাজী ও পাতাখালি গ্রামের আমজাদ গাজীর ছেলে মহিবুল্লাহ গাজী।
আসামীদের মধ্যে মঞ্জু ও মহিবুল্লাহ আটক হলেও সাত্তার মোড়ল পলাতক রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য: সোমবার ভোর রাতে সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের দোবেকী এলাকা থেকে ৩টি হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকা এবং সাত্তার মোড়লসহ ৩জন চোরাশিকারীকে পুলিশ আটক করলেও সাত্তার মোড়ল প্রভাবশালী হওয়ায় অজ্ঞাত কারণে তাকে মামলা না জড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
শ্যামনগর থানা ওসি সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহীনে বনদস্যু জাকির বাহিনীর সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনকুড়ি নদী সংলগ্ন দোবেকী নামকস্থান পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে ৩টি জবাই করা হরিণ, ৩টি একনালা বন্দুক ও একটি নৌকাসহ উক্ত দুই চোরাশিকারী মঞ্জু ও মহিবুল্লাহকে আটক করা হয়।
এদিকে শ্যামনগরের একাধিক ব্যক্তি জানান, সাত্তার মোড়ল নিয়মিত সুন্দরবনের হরিণ শিকার করে প্রভাবশালী মহলে বিতরণ করে বিভিন্ন স্বার্থ সিদ্ধি করেন। যে কারণে সে চিহ্নিত হরিণ শিকারী হলেও তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে কখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইমন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পিতার সংবাদ সম্মেলন

আসাদুজজামান: সাতক্ষীরার চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইননুনাগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নিহত ইমনের বাবা শেখ ইকবাল হাসান লিটন।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে সিআইডি অফিসার সাইফুল ইসলামের প্রশংসা করে বলেন, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাগেরহাটের সিআইডি ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম এই মামলার সঠিক তদন্ত করেছেন। তিনি একজন সৎ, সাহসি ও ধার্মিক ব্যক্তি। আমি তার প্রতি পুরাপেুরি সন্তষ্ঠ। তিনি সম্প্রতি আমার আপন ভাই এ মামলার বাদী শেখ আলমগীর হাসান আলমকে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ইমন হত্যা মামলার মুলপরিকল্পনাকারী হিসাবে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান। এ ঘটনার পর আমার আপন বড় ভাই জাহাঙ্গীর হাসান খোকন আমাকে ঘরের বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে রাখে এবং পরে আমার স্ত্রীকে ও আমাকে ভুল বুঝিয়ে আদালতে নিয়ে ৪ টি ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে সই করে নেয়। এর প্রতিবাদে আমি থানায় একটি জিডি করি। যার নং-২৯, তারিখ-০১.০৭.১৮।
তিনি বলেন, আলম গ্রেফতারের দীর্ঘ ১২ দিন পর রোববার দুপুরের আলমের স্ত্রী তানিয়া সুলতানা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আমার ভাইকে একজন দায়িত্ববান লোক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। অথচ ইমন হত্যার এজাহার থেকে শুরু করে মামলা পরিচালনা পর্যন্ত কোন দায়িত্ব আমি তাকে দেয়নি। বরং এটাই সত্য যে আমি, আমার স্ত্রী, ছোট ছেলে রিমন কাউকে না জানিয়ে আমার ভাই আলম গত ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নিজে বাদী হয়ে সুলতানপুরের শেখ বখতিয়ার রহমান বিপ্লব, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মুরাদ ও রাজা মোল্লা রনির বিরুদ্ধ থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। অথচ ইমন হত্যার বিষয়টি যে প্রথমে আমাাদের বাড়িতে খবর দেয় সেই আব্দুর রশিদ ওরফে মুচি রশিদ আদৌ আমার ছেলেকে চিনতোনা। সে একজন বাইরের লোক। তার বাড়ি সদর উপজেলার ধুলিহর গ্রামে।
তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারী আমার ছেলে ইমন তার চাচা আলমগীর হাসান আলমের কাছে গিয়ে ফিরে আসেনি। পরদিন ইমনের লাশ আমতলা মৎস্য ঘেরে পাওয়া যায়। তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে ইমনের সাথে আমার ভাই আলমের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ওই সময় বিরোধ তৈরী হয়।
তিনি এসময় জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তার ছেলে ইমন হত্যাকান্ডে জড়িতদের বিচার ও ফাঁসি দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, শেখ বখতিয়ার রহমান বিপ্লব, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মুরাদ ও রাজা মোল্লা রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest