সর্বশেষ সংবাদ-
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

মা হলেন জর্ডান ফেরত কিশোরী, বাবা হয়নি কেউ

অনলাইন ডেস্ক: স্বপ্নের জর্ডানে গিয়ে সব স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হয়ে গেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইরের কিশোরী মৌসুমীর (ছদ্মনাম)। বাবার কোনও জমি নাই। তাই তার স্বপ্ন ছিল নানির বসতভিটায় একটি থাকার ভালো ঘর তুলবে। বাবা-মা, ছোট ভাই ও বোনের দায়িত্ব নেবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, পরিবারের সদস্যদের ভাগ্যের পরিবর্তন তো দূরের কথা, নিজের জীবনই আজ বিপন্ন। যারা তার জীবনকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে তাদের বিচার তো হয়নি বরং তাদের সঙ্গে করতে হয়েছে আপোস। এখন তার পরিবারও সমাজচ্যুত (একঘরে)।
জানা গেছে, সংসারের অভাব দূর করতে ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর মৌসুমীকে জর্ডানে পাঠায় তার পরিবার। স্থানীয় এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তাকে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশটিতে পাঠানো হয়। ১৫ বছরের এ কিশোরীর বয়স ২৫ বছর বানিয়ে পাসপোর্ট করে দেয় স্থানীয় এক আদম ব্যবসায়ী। এছাড়া জর্ডানে যাওয়ার আগে মেডিকেল রিপোর্টে অবিবাহিত মৌসুমীকে দেখানো হয় বিবাহিত। কথা ছিল বাসা-বাড়িতে কাজ দেওয়ার। কিন্তু প্রতি রাতেই তাকে সইতে হয়েছে নির্মম নির্যাতন। বাধ্য করা হতো শারীরিক সম্পর্কে।
একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে মৌসুমী। কাজের সন্ধানে বিদেশ গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার এ কিশোরী দেশে ফেরার পর সমাজে নিগৃহীত হচ্ছে। গত পাঁচদিন আগে তার কোলজুড়ে এসেছে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। এরপর সমাজপতিরা তার পরিবারকে সমাজচ্যুত (একঘরে) করে রেখেছে। এ অবস্থায় মহাবিপাকে পড়েছে পরিবারটি।
মৌসুমীর বাবা রিকশাচালক। তার বাবা-মা মেয়ের এই পরিণতির জন্য স্থানীয় জয়মন্টপ ইউনিয়নের ভাকুম গ্রামের আবুল কাশেম ও জর্ডানে থাকা একই উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের চর চামটা গ্রামের নিহাজ উদ্দিনের মেয়ে সোনিয়াকে দায়ী করে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন। যার মাধ্যমে জর্ডানে গিয়েছিল মৌসুমী সেই আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে মামলা করলেও সেই মামলা আপোস করতে বাধ্য হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গত রবিবার কথা হয় জর্ডান ফেরত মৌসুমী ও তার বাবা-মার সঙ্গে। মৌসুমী জানান জর্ডানে অবস্থানকালে এক বছর ৫ মাসের সেই দুঃসহ দিনগুলোর কথা। বাসা-বাড়ির কাজের কথা বলে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে কোনও কাজই করতে দেওয়া হয়নি। প্রতি রাতে তাকে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করা হতো। যখন জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো মৌসুমী তখনও তার বয়স ১৫ বছর হয়নি। অথচ তার বয়স ২৫ বছর বানিয়ে পাসপোর্ট করে দেয় আবুল কাশেম। এছাড়া জর্ডানে যাওয়ার আগে মেডিকেল রিপোর্টে অবিবাহিত এ কিশোরীকে বিবাহিত দেখানো হয়।
আদম ব্যবসায়ী আবুল কাশেম মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে জর্ডানে পাঠানোর চুক্তি করে। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ওই টাকা ঋণ করে জর্ডানে পাঠানো হয় মৌসুমীকে। কথা ছিল বাসা-বাড়িতে কাজ দেওয়া হবে তাকে।
ভুক্তভোগী এ কিশোরীর অভিযোগ, ‘জর্ডানে থাকা সোনিয়া একটি বাসা ভাড়া নিয়ে তার মতো আরও ২০ থেকে ৩০ জন নারীকে দিয়ে জোরপূর্বক ‘দেহ ব্যবসা’ চালিয়ে আসছেন। স্থানীয়ভাবে তিনি প্রভাবশালী। কারণ প্রায় ১৬ বছর ধরে তিনি জর্ডানে রয়েছেন।’
অভিযোগ রয়েছে, জর্ডানে পৌঁছানোর পর মৌসুমীকে তার পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তার বাবা-মা স্থানীয় দালাল কাশেমের কাছে খোঁজ নিতে গেলে বলা হয়েছে, জর্ডান থেকে মৌসুমী পালিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে আদম ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে মেয়ের সন্ধান চেয়ে মামলাও করেন মৌসুমীর বাবা। কয়েক মাস হাজতে থাকেন আবুল কাশেম। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ও কাশেমের পরিবারের আকুতির মুখে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কথা ছিল ২০ হাজার টাকা মৌসুমীর পরিবারকে দেওয়া হবে। কিন্তু জেল থেকে বের হওয়ার পর প্রতিশ্রুতির একটি টাকাও তাদের দেওয়া হয়নি।
মৌসুমী ও তার মার অভিযোগ, ‘যারা মামলাটি প্রত্যাহার করতে মধ্যস্থতা করেছেন তাদের পকেটে চলে গেছে এ টাকা।’
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম দিকে মৌসুমীর বাবা ও মা জানতে পারেন, তার মেয়ে সিংগাইর উপজেলার চান্দহুর ইউনিয়নের চর চামটা গ্রামে নিহাজ উদ্দিনের মেয়ে সোনিয়ার কাছে জর্ডানে আছেন। সোনিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হন তার মা-বাবা।
এদিকে জর্ডানে যাওয়ার পর তার ওপর নির্যাতনে কথা জানাতে গিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘প্রতি রাতে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করা হতো। এতে রাজি না হলে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। গরম খুন্তি দিয়ে পিঠে ছ্যাঁকা দিয়েছে। পায়ে শিকল দিয়ে ঘরে আটকে রাখা হতো। প্রথমে যে বাসায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে প্রথম রাত থেকে তার ওপর যৌন হয়রানি শুরু হয়। বাসার মালিক কয়েক মাস তার কাছে রাখার পর তাকে বিক্রি করে দেয় সোনিয়া নামে এক বাংলাদেশির কাছে। তার বাড়িও সিংগাইর উপজেলায়। সোনিয়া তাকে ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। জর্ডানের দাম্মাম শহরের যে বাড়িতে নিয়ে যায় সেখানে তাকে ভিনদেশি একজনের সঙ্গে জোরপূর্বকভাবে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয়েছে। দেশে ফিরে আসার দুই মাস আগেও প্রতিটি রাতে তাকে ভিনদেশিদের যৌন নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে।’
ভুক্তভোগী মৌসুমী বলেন, ‘সোনিয়ার ভাড়া বাসাটি একটি মিনি পতিতালয়। তার মতো আরও ২০ থেকে ৩০ জন বাংলাদেশিকে আটকে রেখে দেহ ব্যবসা করানো হয় সেখানে।’
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মৌসুমী যখন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তখন সোনিয়া তাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়। প্রায় দুই মাস জেল খাটার পর গত ১৮ এপ্রিল জর্ডান সরকারের সহায়তায় দেশে ফিরে আসেন তিনি।
তিনি জানান, জর্ডান সরকার তার পাসপোর্টে লিখে দিয়েছে ‘সে কখনও আর জর্ডানে প্রবেশ করতে পারবে না।’
মৌসুমীর অভিযোগ, ‘দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখে দেহ ব্যবসা করানো হলেও তাকে শুধু তিন বেলা ভাত দেওয়া হতো। এছাড়া একটি টাকাও দেওয়া হতো না। টাকা চাইলে উল্টো মারধর করা হতো।’
তার আকুতি, ‘তার মতো আরও ৩০ জন নারীকে সোনিয়ার খপ্পর থেকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। নয়তো তার মতো কলঙ্কিত হয়ে দেশে ফিরতে হবে তাদের। পরিবারের বোঝা হয়ে বাকি সময় কাটাতে হবে।’
ভুক্তভোগী মৌসুমী ও তার পরিবার জর্ডানে থাকা সোনিয়া আক্তারের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন। সেই সঙ্গে যে কন্যা সন্তানটি বাবার পরিচয় ছাড়াই ভূমিষ্ঠ হলো তার ভবিষ্যৎ নিয়েও তারা উদ্বিগ্ন।
মৌসুমীর মা বলেন, ‘বড় আশা করে মেয়েকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। এখন মেয়ের সন্তান কার পরিচয়ে বড় হবে তা নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা। নিজেদের সংসারই চলছে না, তার ওপর মেয়ের কন্যা সন্তান হয়েছে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার সিংগাইর হাসপাতালে সিদ্দিক নামের একজনকে (অজ্ঞাত) মৌসুমীর স্বামীর পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এটা অন্যায় জেনেও ডাক্তারদের চাপে ওই ভুয়া নামটি ব্যবহার করা হয়েছে।
মৌসুমীর বাবা বলেন, ‘অবিবাহিত মেয়ে বিদেশ থেকে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ফিরেছে। এলাকার মানুষজনের নানা কানাঘুষায় তারা বাড়ির বাইরে বের হতে লজ্জা পাচ্ছেন। এমন অবস্থার মধ্যে গ্রামের সমাজপতিরা পরিবারকে সমাজচ্যুত করার ঘোষণা দিয়েছে। এখন মরার উপর খাড়ার ঘা। সমাজের মাতব্বর আলেক উদ্দিন কোরবানি ঈদের আগে তাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সমাজ থেকে তাকে একঘরে করা হয়েছে। তাকে ওই সমাজের কোনও লোক সহযোগিতা করবে না।’
এ বিষয়ে স্থানীয় আদম ব্যবসায়ী আবুল কাশেম বলেন, ‘অনেক নারী শ্রমিককে তিনি বিদেশে পাঠিয়েছেন। মৌসুমীর মতো এমন ঘটনা কারও সঙ্গে হয়নি।’
এজন্য তিনি স্থানীয় আয়েশা নামের এক নারীকে দায়ী করে জানান, আমি তাকে ম্যানপাওয়ার করিয়ে দিয়েছি মাত্র। জর্ডানে যাওয়ার ব্যাপারে আয়েশা সবকিছু করে দিয়েছে। এই নিয়ে মৌসুমীর বাবা মামলা করেছিল। তাকে বিদেশ থেকে আনার পর স্থানীয়ভাবে বসে মামলাটি আপোস করা হয়েছে।
সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন জানান, ঘটনাটি তার জানা নেই। এ ব্যাপারে ওই মেয়েটির পরিবার যদি আইনগত সহায়তা চান সেক্ষেত্রে তিনি আইনগত সহায়তা করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদির পার্কে এক মাস ধরে পড়ে আছেন অন্ধ বাংলাদেশি

বিদেশের খবর: ঢাকা কেরানীগঞ্জের ফজলুল হক, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে ৭ বছর আগে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। মেধা আর দক্ষতা দিয়ে সেখানে খুব অল্প সময়ে নিজেই রঙের কাজ ধরে মানুষ দিয়ে কাজ করানো শুরু করেন। ধীরে ধীরে ভালো একটি অবস্থানে চলে যান তিনি।
সবকিছু ঠিকঠাক চললেও দিনদিন তার ছেলে অবাধ্য হয়ে যাচ্ছে, এমন খবর প্রবাসী এই বাবার কানে আসে। তখন ছেলেকে নিয়ে বাবা চিন্তা করবেন এমনটাই স্বাভাবিক, অনেক চেষ্টা করেও ছেলেকে তার মনের মতোন গড়ে তুলতে পারেননি। পারেননি লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতোন মানুষ করতে। একপর্যায়ে ছেলেকে কোনো এক কারণে জেলেও যেতে হয়। আর এসব কিছু সহ্য করতে না পেরে ছেলেকে পাঠিয়ে দেন বাহরাইন।
সেখানে গিয়েও বেশিদিন থাকতে পারেনি তার ছেলে। পাশাপাশি তার স্ত্রীর কাছে পাঠানো টাকা-পয়সারও কোনো প্রকার হিসাব পাচ্ছিলেন না তিনি। তার সাজানো সংসারটা যেন অগোছালো হয়ে যাচ্ছে দিনদিন। স্ত্রী ও ছেলের এমন চলাফেরা দিন দিন বেড়ে যাওয়াতে বেশ ভেঙে পড়েন ফজলুল। একবার স্ট্রোক করেন তিনি। ছেলেকে নিয়ে আসেন সৌদিতে নিজের কাছে। তারপরও যেন কোনোভাবে সুখ খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। কারণ পরিবারের উপার্জনের মাধ্যম তিনি হলেও পরিচালনা ছিল তার স্ত্রীর হাতে। আর সে পরিচালনায় বিশ্বাসঘাতকতার প্রমাণ পেয়ে দিনদিন অসুস্থ হয়ে যান ফজলুল।
একপর্যায়ে তার চোখের আলো নিভে যায়, ডাক্তারের কাছে গেলে মানসিক চাপের কথা উঠে আসে, আর সেটিই হলো। মানসিক চাপ থেকে মানসিক রোগী হয়ে গেলেন এক সময়ে লাখ লাখ সৌদি রিয়াল কামানো এই মানুষটি। আর এভাবে যতই তার অবস্থার অবনতি হয় ততো তার কাছ থেকে দূরে সরে যান কাছের মানুষরা।
কিন্তু বিদেশে এভাবে কী করে থাকবেন একা একজন মানুষ? কে করবেন তার সেবা? কারণ সবারই নিজ নিজ কাজ থাকে এ দেশে। যেখানে আপন লোকেরা পাশে নেই, সেখানে পর কী করে আপন হবে।
কোনো পথ আর উপাই না পেয়ে ফজলুল হক আশ্রয় নেন রিয়াদের ইশারা ডিরেক্টরের পার্শ্ববর্তী একটি পার্কে। কী রোদ, কী বৃষ্টি, নিয়মিত ধুলাবালি গরম সবকিছুকে সঙ্গী করে এক মাস ধরে পড়ে আছেন পার্কে। একমাত্র ছেলে, যাকে সৌদি আরব এনেছিলেন, সে ছেলেও কোনোপ্রকার খোঁজ নিচ্ছেন না বাবার। ছেলের মান-সম্মানে বাধে, কারণ তার বাবা মানসিক রোগী, আর সে কাজ করে নাম করা ব্র্যান্ড পিজ্জা হাটে।
কাছের মানুষরা চলে গেলেও দূরের বন্ধু, যাদের সঙ্গে বিদেশে আসার পর পরিচয় এবং এলাকার কিছু পরিচিত মুখ এখন ফজলুলের এমন অবস্থার কথা শুনে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাকে নিয়ে দূতাবাসে যান। কাগজপত্র সব ঠিকঠাক করে কফিলের (মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকের মালিককে কফিল বলে) সঙ্গে যে সমস্যা ছিল তার সমাধান করেছেন। দেশে পাঠিয়ে দেবেন এমন মুহূর্তে জানতে পারেন ফজলুলের নামে গাড়ির একটি মামলা রয়েছে, তিনি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর যখন স্মরণশক্তি কমে আসে, তখন তার কাছে থাকা ভাড়া গাড়ির জমা বাকি থাকাতে এ মামলা হয়।
আর সে মামলার সমাধান করে দেশে যেতে তার আরও কিছুদিন লাগবে। মামলা সমাধানের জন্যও প্রায় ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন এবং সে টাকারও ব্যবস্থা করছেন বর্তমানে যারা ফজলুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা।
ফজলুল কেঁদে কেঁদে বলেন, দেশে যেয়ে তার অসুস্থ মাকে দেখবেন। এর বাইরে কারোর প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলিউডের পর্দা কাঁপাতে আসছে শাহরুখ পুত্র-শ্রীদেবী কন্যা

বিনোদনের খবর: বলিউডে এবার পর্দা কাঁপাতে নতুন জুটি বাঁধতে চলেছেন বলিউড বাদশা খ্যাত শাহরুখ পুত্র আরিয়ান ও সদ্য প্রয়াত বলিউড তারকা অভিনেত্রী শ্রীদেবী-কন্যা খুশি কাপুর এমনটাই সংবাদ মাধ্যমের খবর। এর আগে খুশির বোন জাহ্নবী কাপুর বলিউডে অভিষিক্ত হয়েছেন।
জানাগেছে, বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক করণ জোহর খুশি কাপুরের বাবা বনি কাপুরের কাছ থেকে সম্মতি নিয়েছেন। এর আগে খুশির বড় বোন জাহ্নবী কাপুরও করণ জোহরের ‘ধড়ক’সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন।
সূত্রের খবর, বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানের প্রথম ছবিতে খুশি কাপুর জুটি বাঁধবেন। এই দুই তারকা পুত্র-কন্যাকে এক ছবিতে অভিষেক করানোর পরিকল্পনা করণ জোহরের।
শাহরুখ পুত্র আরিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
তারকা পরিচালক করণ জোহর এ বিষয়ে জানান‘আরিয়ান ফেরার পর সে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি সে সিনেমা করতে চায়। যদি সে করে, তবে অবশ্যই পরিচালক হিসেবে আমি এর বড় অংশ হব অথবা শুধু সহায়তা করব। আরিয়ান আমার ছেলের মতো’।
অপর দিকে প্রথমে মডেলিংয়ে আগ্রহ থাকলেও এখন সিনেমায় অভিনয় করতে চান খুশি কাপুর। মেয়ের এই আগ্রহের কথা নিজেই জানিয়েছেন বাবা বনি কাপুর। অন্যদিকে অনেকদিন ধরেই শাহরুখ পুত্র আরিয়ানের সিনেমায় আসার কথা শোনা গেলেও তা শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনই রয়ে গেছে।
একসাথে এই মহাতারকা পুত্র-কন্যাকে রুপালি পর্দায় দেখার জন্য ভক্তদের তর সইছে না!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছিটকে পড়া সেই শিশুটি মায়ের কোলে আর ফিরল না

অনলাইন ডেস্ক: মর্মান্তিক! এমনভাবে আদরের সন্তানকে হারাতে হবে কল্পনাও করা যায় না। মায়ের সোহাগ মাখা আদর দিয়ে আপন সন্তানকে কোলে নিয়ে পথ চলতে চলতে হঠাৎ বিভিষীকাময় চিত্র। কোল থেকেই আদরের সন্তানকে হারাতে হলো নিষ্ঠুর ঘাতক বাসের চাপায়।
একের পর এক মায়ের কোল খালি হচ্ছে বেপরোয়া বাস চালকদের দৌরাত্বে। কিছুতেই থামছে না বেপরোয়া বাসের ধাক্কা। প্রতিদিনই খালি হচ্ছে মায়েদের বুক। শিশুরা এখন আর মায়ের কোলে থেকেও রক্ষা পায় না। মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়েও বাসের চাকার নিচে যেতে হয় শিশুদের!
কুষ্টিয়া শহরে বাসের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে রাস্তায় ছিটকেপড়া এক বছরের শিশু আকিফা মায়ের বুক খালি করে অবশেষে চলেই গেল (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। শিশু আকিফা কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাসের সবজি ব্যবসায়ী হারুন-উর রশিদের মেয়ে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে চৌড়হাস বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের সামনে দিয়ে শিশু আকিফাকে কোলে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মা রিনা বেগম। হঠাৎ চালক বাসটি চালিয়ে রিনা বেগমকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে তার কোল থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় শিশু আকিফা।
মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এমন দুর্ঘটনার ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ভাইরাল হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয় জেলাজুড়ে। ফরিদপুর থেকে রাজশাহীগামী গঞ্জেরাজ নামে বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সিসি ক্যামেরায় দেখা গেছে, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী (ঢাকা মেট্রো-গ ১৪-০১৭৭) একটি যাত্রীবাহী বাস চৌড়হাস বাসস্টান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় শিশু আফিয়াকে (১) কোলে নিয়ে তার মা বিনা বেগম রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ যাত্রীবাহী বাসটি বিনা বেগমকে ধাক্কা দেয়। এতে কোলে থাকা শিশু আফিয়া রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এসময় বাসটি শিশুটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। বাসের ধাক্কায় আহত হন শিশু ও মা। পরে আশপাশের লোকেরা এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শিশুটিকে উদ্ধারকারী শ্রমিক নেতা রাসেল জানান, বাসটি মা-মেয়েকে ধাক্কা দেয়ার সময় বাসের যাত্রীরাই চিৎকার দিয়ে ওঠেন। তবে কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত বাসটি চলে যায়। এ সময় অন্যরা বাসটিকে ধাওয়া করেও আটকাতে ব্যর্থ হয়।
কুষ্টিয়া নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সভাপতি কেএম জাহিদ জানান, অদক্ষ চালকের কারণেই সড়কে ঘটে চলেছে এমন দুর্ঘটনা। এখনই সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এর লাগাম টেনে না ধরলে আরও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে

অনলাইন ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল কাপ্তান সিং সোলাঙ্কি। বুধবার ত্রিপুরার আগরতলা-আখাউড়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে চেক পোস্ট পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল।এসময় তার সাথে ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রী রানি সোলাঙ্কিসহ বিএসএফ ও সরকারি কর্মকর্তারা। এরপর তারা আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, গত ২৫ আগস্ট ত্রিপুরার রাজ্যপালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এই প্রথম সীমান্তে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলাম। এটা জেনে ভাল লাগল যে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সহাবস্থান করছে এবং উভয় পাড়ের মানুষই বন্ধুত্বপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ আন্তরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
রাজ্যপাল আরও জানান, আমি এটা জেনেও খুব খুশি হয়েছি যে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ ত্রিপুরায় চিকিৎসার জন্য আসেন।
উল্লেখ্য, গত প্রায় চার বছর ধরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে এই সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছেন দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিদিন সূর্যাস্তের ঠিক আগেই বেজে ওঠে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিউগল। তারই সুরে দিনের শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রতিদিনই অর্ধনমিত করা হয় দুই দেশের জাতীয় পতাকা। সীমান্তের এই কুচকাওয়াজ দেখতে সীমান্তের উভয় দিকের বসবাসকারী বহু মানুষও তা দেখতে আসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যমত ও আন্দোলনের নামে সহিংসতা সৃষ্টি করা হলে জনগণকে সাথে নিয়ে সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের ভোগড়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্প ও সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, গত চার বছরে বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে কখনই সফলতার মুখ দেখেনি। জনগণ বিএনপিকে ভয় কারণ, তাদের আন্দোলন মানেই জ্বালাও-পোড়াও।
জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই সময় এবং খরচ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইভিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের কাজে জনদুর্ভোগ কমাতে যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকপ্লের প্রকল্প পরিচালক সানাউল হক ও বিআরটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (বিবিএ অংশ) লিয়াকত আলীকে কারণ দর্শাতে বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতাদের সংশ্লিষ্ট যাঁরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে দেশে একটা অস্থিতিশীল নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চান, তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বাংলাদেশে ২০১৪ সাল, ২০০১ সাল আর ফিরে আসবে না। সেই খোয়াব দেখলে অচিরেই কর্পূরের মতো উড়ে যাবে।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সানাউল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ঢাকা জোন) মো. আব্দুস সবুর, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসিখুশি মানুষ পছন্দ করে ছাগল

অনলাইন ডেস্ক: কুকুর মানুষের মেজাজ বুঝতে পারে। গবেষকরা এবার জানিয়েছেন, ছাগলও বুঝতে পারে একজন মানুষ খুশি না রাগান্বিত। লন্ডনের কুইন মেরি ইউভার্সিটির অ্যালান ম্যাকএলিগোটের নেতৃত্বে একদল গবেষক বিষয়টি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।
গবেষণাটি করার সময় এতে নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত ছাগলের সামনে একই ব্যক্তির রাগান্বিত মুখভঙ্গি ও হাসিমাখা প্রফুল্ল মুখের ছবি আলাদা-আলাদা টাঙানো হয়।
তখন দেখা যায় যে, রাগী-রাগী ছবির চেয়ে হাসিমাখা মুখের ছবিটির দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং এই ছবিটির সাথেই ছাগলটি অপেক্ষাকৃত বেশি সময় কাটায়।
গবেষকেরা সিদ্ধান্তে আসেন, কুকুর বা ঘোড়ার মতন পোষা প্রাণীগুলোই যে শুধু মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারে এমন নয়। বরং ছাগল বা অন্যান্য প্রাণীরাও মানুষের মুখের হাবভাব খুব ভালো বুঝতে পারে। গবেষণার ফলাফল রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট সুস্থ রাখে মাছ

স্বাস্থ্য কণিকা: আশঙ্কাজনকভাবে হার্টের রোগ বেড়ে চলেছে। সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, দুশ্চিন্তা, ধূমপান ইত্যাদি কারণেই হার্টের রোগ হয়। বংশগত কারণ ছাড়া বাকিগুলো নিয়ন্ত্রণে রেখে কিংবা পরিবর্তন করে হার্টকে সুস্থ রাখা সম্ভব।
১. ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার
ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিন-সি যুক্ত ফলমূল হচ্ছে: কমলালেবু, পেঁপে, আপেল, কলা, স্ট্রবেরি, আঙ্গুর ইত্যাদি। এই খাবারগুলোতে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
২. খাবার তালিকায় মাছ যোগ করুন
মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় যা খেলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে। পাশাপাশি এই এসিড রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমাট বাঁধা প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
৩. রান্নায় সঠিক তেলের ব্যবহার
হার্টের সুস্থতায় রান্নার তেল নির্বাচনের সময় সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রান্নায় অলিভ ওয়েল বা বাদাম তেল ব্যবহার করা ভালো। ভেজিটেবল ওয়েলও হার্টের জন্য ভালো।
৪. ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি
নিয়মিত ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি খেলে হার্ট ভালো থাকে। বিশেষ করে, তাজা ফলের রস হার্টের জন্য খুবই ভালো। সবুজ শাক-সবজির মধ্যে পালংশাক, লাউ, কুমড়া, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ভুট্টা, লাল আলু ইত্যাদি হার্টের জন্য বেশ উপকারী।
৫. আদা, রসুন ও হলুদ
রান্নার সময় মসলা হিসেবে আদা, রসুন ও হলুদ ব্যবহার করুন। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest