সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহার, ভিডিও ভাইরাল

এরপর তারা ওই হাসপাতাল ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন জানিয়ে দুর্জয় বলেন, “ভোর পৌনে ৬টার দিকে জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দেখি, তিনি অন্যান্য রোগীদের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করছেন।

“একজন চিকিৎসক হয়ে তিনি বাবার সঙ্গে যা করেছেন সেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি তুই তোকারি করেছেন, অশ্লীল ভাষায় কথা বলেছেন, তার হাসপাতালের স্টাফদের ডেকেছেন আমাদের আটকে ফেলতে।”

ঘটনার বিবরণে দুর্জয় বলেন, “আমার বাবা চিকিৎসককে বলেন, এখানে তো সিট পাচ্ছি না, তাই চলে যাব। তখন বাবা ওই চিকিৎসককে আমার এক চিকিৎসক চাচার (বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের) কথা বলেন যে তাকে দেখাবেন।

“তখন ডাক্তার বলেন, ‘যান ওনার কাছে চলে যান, এইখানে কেন আসছেন? লাগবে না ছাড়পত্র, ওনার কাছে চলে যান।

“তখন বাবা বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, এভাবে কথা বলবেন না। কিন্তু এই কথাটা শুনেই যেন তিনি জ্বলে ওঠেন। বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তো কী হয়েছে?”

এ সময় ‘পাবলিক সার্ভেন্ট’ হিসেবে তার ওই আচরণ সঙ্গত নয় বলে মন্তব্য করেন দুর্জয়। তিনি বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লেখাপড়া করেছেন, এখন বেতনও পাচ্ছেন জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। তাই এই ধরনের আচরণ কারও সঙ্গেই ঠিক নয়।”

পাল্টায় আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চিকিৎসক, তার ওই সময়ের আচরণই উঠে এসেছে ফেইসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে।

এতে মুক্তিযোদ্ধার দিকে আঙুল উঁচিয়ে উচ্চ শব্দে চিকিৎসককে বলতে শোনা যায়, “আমি চাকর?”

জবাবে ফারুকুজ্জামান বলেন, “চাকর না তা কী?”

তখন তার গায়ে হাত দিয়ে একপাশে সরিয়ে দিতে দিতে চিকিৎসক বলেন, “যাহ”। এরপর সুর নামিয়ে বলেন, “ভাই এসব বইলেন না।”

পরেই আবার চিকিৎসককে তাকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “এই ছেলে করেছেন ফ্রিডম ফাইটার হয়ে? এই ছেলে করেছেন?”

তখন ফারুকুজ্জামান প্রশ্ন করেন, “কী ছেলে করেছি? আপনার সঙ্গে কী আচরণ করেছি?”

পাল্টায় চিকিৎসক বলেন, “যাহ ব্যাটা।”
দুর্জয় জামান বলেন, “ওই চিকিৎসক এক পর্যায়ে স্টাফদের আমাদের আটকাতে বলে নিজে কক্ষের ভিতরে ঢুকে কিছু একটা নিয়ে আসেন বাবাকে মারতে। কিন্তু আমার স্ত্রী সব কিছু ভিডিও করছে দেখে তিনি থেমে যান।”

Posted by Sheikh Durjoy Zaman on Saturday, 7 July 2018

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রেকর্ড গড়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

খেলার খবর: দুই দলের আগের লড়াইয়ে নায়ক ছিলেন ফখর জামান। সেটি ছিল আগে ব্যাট করে। ফাইনালে চ্যালেঞ্জ ছিল আরও বেশি। বড় ম্যাচের চাপ শুধু নয়, জিততে হল গড়তে হতো রান তাড়ার রেকর্ড। কিন্তু কঠিন চ্যালেঞ্জে আরও উত্তাল ফখরের ব্যাট। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বাঁহাতি ওপেনার পাকিস্তানকে এনে দিলেন শিরোপা।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। সিরিজ-টুর্নামেন্ট মিলিয়ে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দলটি জিতল টানা ৯ সিরিজ!

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে রোববার অস্ট্রেলিয়ার ১৮৩ রান তাড়ায় পাকিস্তান জিতেছে ৪ বল বাকি রেখে।

টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের এটিই সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে জয়। আগের রেকর্ড ছিল ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ১৭৫ রান তাড়ায় জয়।

এক বছর আগে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ফখরের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভারতকে চমকে দিয়ে শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। এবার সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। তবে তার ৪৬ বলে ৯১ রানের ঝড়ো ইনিংসই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য।

অথচ পাকিস্তানি ওপেনারদের আগে ঝড় তুলেছিলন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনাররা। অ্যারন ফিঞ্চ ও ডার্সি শর্ট গড়েন দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি। ৯.৫ ওভারেই জুটিতে আসে ৯৫ রান।

ফর্মে থাকা ফিঞ্চ করেছেন ২৭ বলে ৪৭। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোয় কিছু রান পেলেও পুরো ছন্দে না থাকা শর্ট ফাইনালে খেলেছেন ৫৩ বলে ৭৬ রানের ইনিংস।
এই জুটি ভাঙার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার পরের ব্যাটসম্যানদের কেউ কাজে লাগাতে পারেননি দারুণ ভিতটাকে।

রান বাড়াতে তিনে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ব্যর্থ। ওপেনারদের পর সর্বোচ্চ ছিল পাঁচে নামা ট্রাভিস হেডের ১১ বলে ১৯ রান। মার্কাস স্টয়নিস করেছেন ১২। আর কেউ পারেননি দু অঙ্ক ছুঁতে। দুইশ ছাড়ানোর পথে থাকলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া থমকে যায় ১৮৩ রানে।পাকিস্তানের শুরুটা ছিল অস্ট্রেলিয়ার উল্টো। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অফ স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করে মেলে অভাবনীয় সাফল্য। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট!

প্রাথমিক পর্বের চার ম্যাচে মোহাম্মদ হাফিজ ও হারিস সোহেলকে দুটি করে ম্যাচে ওপেন করিয়ে ফল পায়নি পাকিস্তান। ফাইনালে ফখরের সঙ্গে জুটিতে পাঠানো হয় সাহিবজাদা ফারহানকে। কিন্তু অভিষিক্ত ব্যাটসম্যান আউট শূন্য বলে শূন্য রানে। ওয়াইড বলে স্টাম্পড!

তিন বল পর ফেরেন তিনে নামা হুসাইন তালাত। ২ উইকেটে পাকিস্তানের রান ২।

ম্যাক্সওয়েলকে তুলোধুনো করেই পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণের শুরু। তৃতীয় ওভারে তাকে টানা দুটি চার মারেন ফখর। ওভারের শেষ দুই বলে সরফরাজ আহমেদ মারেন চার ও ছক্কা।

সেখান থেকে পাকিস্তানের ইনিংস যে গতি পেয়ে যায়, তা আর থামেনি। সরফরাজ আউট হয়েছেন ১৯ বলে ২৮ রানে। তবে ফখরের ব্যাটে উড়েছে পাকিস্তান।

শোয়েব মালিকের অভিজ্ঞ ব্যাট স্ট্রাইক দিয়ে গেছে ফখরকে। এই ওপেনার একরকম ছেলেখেলা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের নিয়ে। তৃতীয় উইকেটে ১০৭ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাতে ফখরের অবদান ছিল ৩৬ বলে ৭৩, মালিকের ২৮ বলে ২৭।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচটিতেই করা ৭৩ ছিল ফখরের সর্বোচ্চ রান। এদিন সেটি ছাড়িয়ে করলেন ৯১। ১২ চারের সঙ্গে ইনিংসে ছক্কা তিনটি।ফখর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৪ ওভারে ৩০ রান। পরের ওভারে অ্যান্ড্রু টাই দেন মাত্র ২ রান। একটু উত্তেজনা ফেরে ম্যাচে। কিন্তু জাই রিচার্ডসনের এক ওভারে মালিক ও আসিফ আলির দুটি ছক্কায় সহজ হয়ে যায় সমীকরণ।

৩৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় সঙ্গে নিয়েই ফেরেন মালিক। ১১ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানের এই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফর্মার আসিফ আলি।

ফাইনালের সেরা তো বটেই, ৫৫.৬০ গড় ও ১৫৭.০৬ স্ট্রাইক রেটে ২৭৮ রান করে টুর্নামেন্টেরও সেরা ফখর। সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ২০ ওভারে ১৮৩/৮ (শর্ট ৭৬, ফিঞ্চ ৪৭, ম্যাক্সওয়েল ৫, স্টয়নিস ১২, হেড ১৯, কেয়ারি ২, অ্যাগার ৭, উইল্ডারমুথ ১*, টাই ০, রিচার্ডসন ৬*; আমির ৩/৩৩, ফাহিম ১/৩৮, হাসান ১/৩৮, শাহিন শাহ ১/৩২, শাদাব ২/৩৮)।

পাকিস্তান: ১৯.২ ওভারে ১৮৭/৪ (ফখর ৯১, সাহিবজাদা ০, তালাত ০, সরফরাজ ২৮, মালিক ৪৩*, আসিফ ১৭*; ম্যাক্সওয়েল ২/৩৫, স্ট্যানলেক ০/২৫, রিচার্ডসন ১/২৯, টাই ০/৩৩, স্টয়নিস ০/৩১, উইল্ডারমুথ ০/১৬, অ্যাগার ০/১৬)।

ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: ফখর জামান

ম্যান অব দা সিরিজ: ফখর জামান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিতের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে সিরিজ ভারতের

খেলার খবর: এই দুজনের পর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আর কেউ। ২৪ বলে ৩০ করে ফিরেছেন হেলস, ১৪ বলে ২৫ বেয়ারস্টো। শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি ব্যাটসম্যানদের কেউ, ইংল্যান্ড আটকে যায় দুইশর নিচে।

টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার ৪ উইকেট নিয়েছেন পান্ডিয়া। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে ধোনি এক ম্যাচে নিয়েছেন ৫ ক্যাচ। প্রথম কিপার হিসেবে ছুঁয়েছেন ক্যারিয়ারে ৫০ ক্যাচও।

ইংলিশ অধিনায়ক ওয়েন মর্গ্যানের মতে, তাদের রানটা কম হয়ে গিয়েছিল ২০-৩০ রান। ভারতীয়দের ব্যাটিংয়ে প্রমাণ হয় সেটিই।

রান তাড়ায় তৃতীয় বলেই ছক্কায় শুরু করেন রোহিত। জেইক বলের দুর্দান্ত ক্যাচে শিখর ধাওয়ান ফেরেন ৫ রানে। ১০ বলে ১৯ রান করে লোকেশ রাহুল আউট হন ক্রিস জর্ডানের অসাধারণ ক্যাচে। কিন্ত রোহিত ছিলেন অপ্রতিরোধ্য।

তৃতীয় উইকেটে রোহিতের সঙ্গে ৮৯ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই জুটিও ভেঙেছে দারুণ ক্যাচে। ২৯ বলে ৪৩ রান করা কোহলিকে ফিরতি ক্যাচে ফিরিয়েছেন জর্ডান।

ইংল্যান্ড ম্যাচে ফিরতে পারেনি তার পরও। পাঁচে প্রমোশন পেয়ে ভারতকে ঝড়ের গতিতে জয়ের দিকে এগিয়ে নেন পান্ডিয়া।

১১ চার ও ৫ ছক্কায় রোহিত অপরাজিত ১০০ রানে। পান্ডিয়ার ইনিংসে ছিল চারটি চার, দুটি ছয়।

দুই দল এখন মুখোমুখি হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। ট্রেন্ট ব্রিজে যেটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৯৮/৯ (রয় ৬৭, বাটলার ৩৪, হেলস ৩০, মর্গ্যান ৬, স্টোকস ১৪, বেয়ারস্টো ২৫, উইলি ১, জর্ডান ৩, প্লাঙ্কেট ৯, রশিদ ৪*; চাহার ১/৪৩, উমেশ ২/৩৬, সিদ্ধার্থ , পান্ডিয়া ৪/৩৮, চেহেল ০/৩০)।

ভারত: ১৮.৪ ওভারে ২০১/৩ (রোহিত ১০০*, ধাওয়ান ৫, রাহুল ১৯, কোহলি ৪৩, পান্ডিয়া ৩৩*; উইলি ১/৩৭, বল ১/৩৯, জর্ডান ১/৪০, প্লাঙ্কেট ০/৪২, স্টোকস ০/১১, রশিদ ০/৩২)।

ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে ভারত ২-১ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: রোহিত শর্মা

ম্যান অব দা সিরিজ: রোহিত শর্মা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বন্দ্ব ঘোচাতে কেন্দ্রে মনিটরিং সেল চায় তৃণমূল আওয়ামী লীগ

রাজনীতির খবর: গত দশ বছর টানা ক্ষমতায় থাকার ফলে দলের ভেতরে যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, দ্বন্দ্ব-কোন্দল দেখা দিয়েছে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব কাটিয়ে তুলতে বদ্ধপরিকর ক্ষমতাসীনরা। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশের জেলা-উপজেলা, মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের গণভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ২৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে তাদের ঢাকায় ডেকে আনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচনের আগে দলকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চান বলে তৃণমূল নেতাদের অবহিত করেছেন।

সারাদেশের সাংগঠনিক জেলার নেতা,স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন- ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার শক্তি কারও নেই। এরপর ৩০ জুন ও ৭ জুলাই সারাদেশের মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা ও দলীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের গণভবনে ডেকে দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরাসরি সাক্ষাতে তারা উজ্জীবিত, একথা স্বীকার করলেও তৃণমূল নেতারা বলছেন- শুধু নির্দেশনা দিয়ে দলে ঐক্য ফেরানো যাবে না। এটা খুবই কঠিন কাজ। দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে দলে ঐক্য ফেরাতে হলে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল করতে হবে। সেখানে অভিযোগ জমা পড়লে তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। সারাদেশে অন্তত এক ডজন ঘটনার শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে এক মাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর হয়ে দলে ঐক্য ফিরে আসবে।

তৃণমূল নেতারা বলছেন, ‘ঢাকায় ডেকে নির্দেশনা দিলেও এলাকায় যেতে যেতে তা ভুলে যায় আমাদের নেতারা।’ তারা আরও বলেন, ‘টানা ক্ষমতায় থাকার কারণে দলে মৌসুমী নেতার সংখ্যা বেড়েছে। দলের ভেতরে কীভাবে অনৈক্য সৃষ্টি করে রাখা যায় তা নিশ্চিত করতে তারা দলে জায়গা করে নিয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক বলেন, ‘কোন্দলের মূলে রয়েছে আদর্শিক দ্বন্দ্ব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগে আদর্শিক কর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। টানা ক্ষমতায় থেকে দলে আগাছা-পরগাছা জন্ম নিয়েছে। তারা কোন্দল জাগিয়ে রাখতে চায়।’

টাঙ্গাইলের এই নেতা আরও বলেন, ‘দ্বন্দ্ব-কোন্দল দূর করে দলে ঐক্য ফেরাতে হলে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল করতে হবে। কোথায় কোন্দল আছে, কেন আছে? তারা দলের আদর্শিক কর্মী নাকি সুবিধাভোগী—এগুলো চিহ্নিত করে অ্যাকশনে নামতে হবে। আগাছা-পরগাছাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই ঐক্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’

কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী বলেন, ‘দলে মৌসুমী নেতাদের আধিপত্য দূর করতে হবে।’ তার দাবি, আওয়ামী লীগের ঐক্য ধ্বংস করতেই দলে মৌসুমী নেতারা ঢুকছে দলে। সুতরাং তারা যতদিন থাকবে দ্বন্দ্ব-কোন্দল থাকবে,ঐক্য ফেরানো কঠিন কাজ।তিনি আরও বলেন,‘কেন্দ্রকে এগুলো চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে নেত্রকোনা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরু বলেন,‘যেসব এলাকায় দ্বন্দ্ব-কোন্দল বিরাজমান,সেই অঞ্চল চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নজির স্থাপন করতে হবে। তবেই ঐক্য ফিরে আসবে।’

পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে ঘিরে দলের ঐক্য অটুট রাখা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঐক্য সুনিশ্চিত করতে হলে আওয়ামী লীগকে কঠোর হতে হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও বাংলাদেশের মেয়েদের বিশাল জয়

খেলার খবর: দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।পাপুয়া নিউগিনিকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু করেছিলেন নারীরা। জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলেন তারা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছেন সালমা বাহিনী।

রোববার আমস্টারডমে টস জিতে নেদারল্যান্ডসকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক সালমা খাতুন। তবে ব্যাট করতে নেমে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। ২ ওভার বাকি থাকতেই মাত্র ৪২ রানে গুটিয়ে যায় তারা।

দলের পক্ষে দুই অঙ্কের কোঠা স্পর্শ করেন সর্বসাকুল্যে দু’জন। স্টেরে ক্যালিস করেন ১৫ রান। আর ডেনিস হানেমার ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান। তৃতীয় সর্বোচ্চ রান ৪! বিনা রান করে সাজঘরে ফিরেছেন ৬ জন।

বাংলাদেশের হয়ে রুমানা আহমেদ ও ফাহিমা খাতুন শিকার করেন তিনটি করে উইকেট। এছাড়া পান্না ঘোষ দুটি এবং সালমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার নেন একটি করে উইকেট।

৪৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে অনায়াসে জয়ের বন্দরে নোঙর করে বাংলাদেশ। ৭৩ বল ও সাত উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন ফারজানা হক ও রুমানা আহমেদ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শামিমা। আর ১১ রানে অপরাজিত থাকেন ফারজানা।

স্বাগতিকদের হয়ে ভান স্লব দুটি এবং সিলভার স্লিগারস একটি উইকেট লাভ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

শিক্ষা সংবাদ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪ এর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৯ হাজার ৫৫৫ জন প্রার্থী। আজ রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর পাওয়া যাবে। এছাড়া উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদনের আপলোড করা ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদসহ বিভিন্ন কোটায় অংশগ্রহণকারীদের সনদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অনুলিপি কমপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এসব সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দেওয়ার সময় মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রদর্শন করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে প্রার্থীকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে জানানো হবে এবং প্রার্থীদের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কার্ড ইস্যু করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক

তরিকুল ইসলাম লাভলু: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালিগঞ্জের একাংশ) আসনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির যেসব মনোয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে নেমেছেন তাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার হিসেবে বিবেচিত সাতক্ষীরা-৩ আসনে সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।
এলাকাবাসী বলেন, রুহুল হক এমপি ২০০৮ সালে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ৫ বছর সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তার প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয় হয়েছে। এর আগে অবহেলিত সাতক্ষীরার বুকে কেউ এমন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে পারেননি। বিশেষ করে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের দোরগোড়ায় তার প্রচেষ্টায় স্থাপিত হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ। বেশ সুনামও কুড়িয়েছেন তিনি। তার প্রচেষ্টায় কালিগঞ্জের নলতায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করেছেন। তিনি ঢাকাতে অবস্থান করলেও এলাকার নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এলাকায় তাঁর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি পর পর দুই বার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে দেশের জন্য এমডিজি পুরষ্কারসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার বয়ে এনছেন। দেশের স্বাস্থ্য সেবা সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো করেছেন সক্রিয়। আজ সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে। তাছাড়া তিনি দেবহাটা, আশাশুনি এবং কালিগঞ্জে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ, ২৬ টি সাইক্লোন শেল্টার, একাধিক আশ্রয়ণ প্রকল্প, আশাশুনি ও দেবহাটায় ২ টি কলেজ ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংস্করণ, অসংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ করণ, দেবহাটায় অত্যাধুনিক থানা ভবন নির্মান, আশাশুনি ও কালিগঞ্জে দুইটি ১০ শষ্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মান, বড়দল সেতু, মানিকখালি সেতু, তেতুলিয়া সেতু, শোভনালী সেতু, বাশতলা সেতুসহ অসংখ্যা ব্রীজ-কালভার্ট তৈরিকরণ, সাতক্ষীরা বাইপাস ও আশাশুনি বাইপাস তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ দৃশ্যমান, যুব উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান করাসহ অসংখ্যা উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান। তাই আগামীতে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সাতক্ষীরা-৩ আসনের মানুষ আবারও রুহুল হক এমপিকে পেতে চায়।
এ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছন নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনার উপচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও সাবেক সাংসদ মনসুর আহমেদ। এছাড়াও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিমের পাশাপাশি সম্প্রতি দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করছেন লে. কর্নেল জিএম জামায়েত আলী। সাধারণ ভোটাররা অবশ্য তাদের সুখ-দুঃখে দীর্ঘদিন ধরে ডাঃ রুহুল হক এমপিকেই কাছে পাচ্ছেন।
বিএনপি’র প্রার্থীদের মধ্যে ড্যাবের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডাঃ শহিদুল আলম চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। জামাতের রবিউল বাশারও এই আসনে বিএনপি-জামাত জোটের মনোনয়ন পেতে গোপনে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম রফিকুল ইসলামও। আর জাতীয় পার্টি এরশাদের একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন সাবেক এমপি অ্যাড. স. ম সালাউদ্দিন।
তবে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের রূপকার সাতক্ষীরা-৩ আসনে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এলাকাবাসীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ভোটাররা মনে করেন ডা. রুহুল হক এর আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পরিম-লে ব্যাপক পরিচিতি থাকায় তিনি এলাকার উন্নয়নে যেমন ভূমিকা রাখতে পারেন, অন্যরা তা পারবেন না। তাই সাধারণ ভোটাররা তাকে আবারও এমপি হিসেবে পেয়ে সাতক্ষীরার উন্নয়ন অব্যাহত দেখতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর বন বিভাগের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ জেলেরা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনে জেলেদের পাশ পারমিটে ও বিএলসি নবায়নে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
উর্ধ্বতন বন কর্মকর্তার সাথে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তার সখ্যতা থাকায় পার পাচ্ছেন এই সব অনিয়ম ও দূর্নীতি বাজরা। ভুক্তভোগী জেলেরা জানান, প্রতি বিএলসি নবায়নে সরকারী নিয়মানুযায়ী প্রতি ১০ কুইন্টাল (১০০০ কেজি) এ ৫ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৬‘শ থেকে ১২‘শ টাকা। আর নতুন বিএলসিতে নেয়া হচ্ছে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। এছাড়া মাছ ও কাঁকড়ার পাশ পারমিটে সপ্তাহে জনপ্রতি ৬০ থেকে ৯০ টাকার স্থলে নেয়া হচ্ছে ২ থেকে ৩‘শ টাকা। এসব অতিরিক্ত উৎকোচের টাকা জেলেরা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ বিভিন্ন সরকারি মামলায় ফাসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। কিন্তু অভিযোগের তীর বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন অফিসার কে.এম কবির উদ্দীনের দিকে। আরও জানান এসব টাকা কিন্তু বন বিভাগের কেউ সরাসরি নিচ্ছে না। এখানেও দালাল নিযুক্ত করা হয়েছে উৎকোচ গ্রহনের জন্য। নীলডুমুরের শহীদুল মোল্লা, জালাল মোল্লা, হাসান দোকানদার ও ইসমাইল সানা এবং গাবুরার মজিদ গাজী, আলেক গাজী বন বিভাগের দালাল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।স্থানীয় ইউনুস গাজী (৫৯) বলেন, সরাসরি অফিসে গেলে বিএলসি এবং পাশ দেয়না। তাদেরকে বলা হয় অন্য মাধ্যমে আসেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে কোন আপত্তি আছে কি না জানতে চাইলে বলেন, আমাদের বন-বাদা করে খেতে হয়। যত টাকা লাগুক না কেন, বনে আমাদের যেতে হবে। বনে না গেলে খাবো কি.? সংসার চালাবো কিভাবে.!পাশ পারমিট ও বিএলসি নবায়নের অতিরিক্ত টাকা না দিলে পাশ, বিএলসি নবায়ন বা নতুন বিএলসি দেয় না। আমরা যদি কারও কাছে নালিশ করি তাহলে উল্টো বাঘ হত্যা মামলা, হরিন, বন্য প্রাণী চুরি সহ বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর ভয়ভীতি দিয়ে এসব ঘুষের টাকা আদায় করা হয়। এদিকে কাঁকড়া আরোহী কুদ্দুস গাজী (৪৮) কে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার কর্তৃক হুমকি দেওয়া হয়েছে মর্মে নিরাপত্তা চেয়ে তিনি শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার জিডি নং-৩১৪, তাং ০৭/০৭/২০১৮।সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা কে.এম কবির উদ্দীন’র কাছে জানতে চাইলে তিনি সবকিছু অস্বীকার করে বলেন, তার কাছে কোন জেলে এসে ফিরে যায় না। তাছাড়া তাদের কোন সোর্স নেই। তাদের অফিসের কোন স্টাফ জেলেদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কোন অভিযোগ নেই। বিএলসি রেট জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি ১০ কুইন্টাল (১০০০ কেজি) এ ৫ টাকা সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। তার অফিস বাদে কে কত টাকা আদায় করছে তার জানা নেই এবং এখানে কোন অনিয়ম দূর্নীতি হয় না বলে দাবি করেন। সব কিছু সঠিক নিয়মেই চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest