সালমান অপছন্দ, বিয়ের প্রস্তাব ফেরান জুহি!

বিনোদন সংবাদ: বলিউডের অন্যতম ‘এলিজিবল ব্যাচেলর’ বলা হয় তাকে। বলিউডে তার বান্ধবীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। সে প্রাক্তন হোক কিংবা বর্তমান। সঙ্গীতা বিজলানি থেকে ঐশ্বরিয়া রাই কিংবা ক্যাটরিনা কাইফ কিংবা হালফিলের ইউলিয়া ভানতুর।

‘ভাইজান’-এর জীবনে যে একাধিক প্রেম আসা যাওয়া করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বুঝতেই পারছেন সালমান খানের কথাই বলা হচ্ছে। কিন্তু, এই সালমান খানকে পছন্দ করতেন না জুহি চাওলা, জানেন?

ভিডিও-তে সালমানের বেশ পুরনো একটি সাক্ষাৎকারে দেখা যায়। যেখানে জুহি চাওলাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন বলে জানান সালমান। সম্প্রতি বিষয়টি ফের ভাইরাল হয়েছে।

সে সময় সালমান খান বলেন, জুহি খুব মিষ্টি মেয়ে। জুহির বাবার কাছে তার মেয়েকে বিয়ে করার আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু, জুহি চাওলার বাবা সপাটে নাকচ করে দেন সালমান খানের সেই প্রস্তাব।

সালমানকে কেন ফিরিয়ে দিলেন জুহির বাবা? এই প্রশ্নের উত্তরে ‘ভাইজান’ বলেন, মেয়ের হবু বরের মধ্যে যে গুণগুলো দেখতে চাইছিলেন জুহির বাবা, সেটা হয়তো তার মধ্যে নেই। শুধু তাই নয়, জুহির সঙ্গে সালমান কোনও সিনেমায় অভিনয় করছেন না কেন বলেও প্রশ্ন করা হয় তাকে। উত্তরে সালমান বলেন, জুহি চাওলাই নাকি তার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতেই চান না।

বর্তমানে ‘ভরত’-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সালমান খান। আলভিরা খানের স্বামী অতুল অগ্নিহত্রীর প্রযোজনায় এই সিনেমায় সালমান খানের বিপরীতে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ‘মুঝসে শাদি কারোগি’-র পর দীর্ঘ কয়েক বছর পর এবার ফের প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন সালমান খান। এই সিনেমায় সালমান এবং প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি রয়েছেন দিশা পাটানিও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাথমিক তদন্তে কয়লার ঘাটতি পেয়েছে দুদক

দেশের খবর: প্রাথমিক তদন্তে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া খনির ইয়ার্ডে কয়লার ঘাটতি পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত দল।
সোমবার খনি পরির্দশন শেষে দিনাজপুর দুদক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেনজীর আহমেদ একথা জানান।
তিনি বলেন, কয়লার মজুদ সংক্রান্ত কাগজপত্রে দেখলাম এক লাখ ৪৬ হাজার টন কয়লা মজুদ থাকার কথা। কিন্তু ইয়ার্ডে মজুদ দেখলাম প্রায় দুই হাজার টন।
সেখানে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লার ঘাটতি রয়েছে বলে জানান তিনি।
এরআগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দুদকের পাঁচ সদস্যের একটি দল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে প্রবেশ করে।
সেখান থেকে বেরিয়ে দুদক উপ-পরিচালক সাংবাদিকদের জানান, দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে তারা এখানে এসেছেন এবং তদন্ত কাজ করছেন।
এরআগে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা নিয়ে দুর্নীতির খবর অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এদিকে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এক মাসের মধ্যে উৎপাদনে যেতে পারবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার।
তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ এক মাসের মধ্যে কয়লা সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশ্বস্ত করেছে। সে থেকে আশা করা যাচ্ছে এক মাসের মধ্যে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যেতে পারবে।
কয়লা সংকটের বিষয়টি খনি কর্তৃপক্ষ আগে জানালে রেশনিং পদ্ধতির মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতেন বলেও এই কর্মকর্তা জানান।
ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ১ লাখ ১৬ হাজার টন কয়লা খোলা বাজারে বিক্রি করে আনুমানিক ২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বড় পুকরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবীব উদ্দিন আহমদ ও অন্যদের বিরুদ্ধে।
খনির কোল ইয়ার্ড থেকে কয়লা ‘উধাও’ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে কয়লা সরবরাহ না পাওয়ায় বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন রোববার রাতে বন্ধ হয়ে গেছে।
৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ওই কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ থাকায় রংপুর বিভাগের আট জেলা বিদ্যুৎ সঙ্কটে পড়ায় বিকল্প পথ খুঁজছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতির জন্মদিন পালন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা এড. মোল্লা মোঃ আবু কাউছার ভাইয়ের শুভ জম্মদিন উদযাপন উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মীর মোস্তাক আলী, সহ-সভাপতি এড. সাইদুজ্জামান জিকো, সহ-সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা, সাংগনিক সম্পাদক অহেদুজ্জামান টিটু, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান তাজু, মহিলা সম্পাদিকা আয়েশা সিদ্দিকা, ত্রাণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ রানা, সদ স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক এড. ফারুক হোসেন, শহর সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান শফি, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম উজ্জলসহ মাজহারুল ইসলাম জীবন, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ বাবু, হযরত আলী, মাহাবুবুর রহমানসহ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরে নৌকায় ভোট চেয়ে পথসভা করলেন নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধুলিহর মাটিয়াডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা বাজার সংলগ্ন স.ম. আব্দুর রউফ ব্রিজ পরিদর্শন শেষে সেখানে তাৎক্ষণিক এক পথসভায় অংশ নেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর মাটিয়াডাঙা মুক্তিযোদ্ধা বাজারে অনুষ্ঠিত তাৎক্ষণিক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‍”জননেত্রী শেখ হাসিনা টানা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে দ্রুত উন্নয়নের এক রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। একের পর মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দেশের জীবন-মানের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছে। সাতক্ষীরাও এই উন্নয়নের অংশীদার হয়েছে। সাতক্ষীরাবাসীর স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়কের কাজ সম্পন্নের পথে, রেললাইন স্থাপনের প্রাথমিক প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে। ” আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, “যতবার বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসেছে তারা বাংলাদেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করেছে। বিশ্ব দরবারে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অসম্মানিত করেছে। বিপরীতে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া আওয়ামীলীগ প্রতিবার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একের পর এক সাফল্য। রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব পারমাণবিক ক্লাবের গর্বিত সদস্য। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বকে আগামীর বাংলাদেশের বার্তা শুনিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ”
রুপালী সংঘের আয়োজনে পথ সভায় ধুলিহর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ: রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু, ধুলিহর ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ বোরহান উদ্দীন, সহ-সভাপতি সালাম সানা, ধুলিহর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আঃ মজিদ, রুপালী সংঘের এসএম সেলিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রুপালী সংঘের সভাপতি মঈনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। শেখ হাসিনার সরকার মানেই উন্নয়নের সরকার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। উন্নয়ন যখন শুরু হয়েছে অবিলম্বে এটিও হবে। এ ব্রীজটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে সংস্কার করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই জনগণের পছন্দের প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন এবং দলমত নির্বিশেষে সবাই সেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনবেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা যুবলীগের সদস্য নাজমুল হুদা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে ৬৭০ কোটির ‘গুপ্তধন’ উদ্ধার!

ভিন্ন স্বাদের খবর: পাকিস্তান আমলের গুপ্তধন রয়েছে এমন খবরের ভিত্তিতে রাজধানীর মিরপুরের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি সেই বাড়ির একটি ঘরে খননকাজও শুরু হয়। কিন্তু প্রথম দিনের খোঁড়াখুড়িতে কিছু তো মেলেইনি উল্টো ঝুঁকিতে পড়ে যায় বাড়িটি। শেষমেষ বাড়ির ঝুঁকির কথা ভেবে দুই মণ স্বর্ণ খোঁজার চেষ্টায় আপাতত ক্ষান্ত দেয়া হয়েছে। যার ফলে দ্বিতীয় দিনের খননকাজ আর হয়নি।

এদিকে গুপ্তধন খোঁজার কাজ যে শুধু বর্তমানে বাংলাদেশেই চালু রয়েছে এমনটা কিন্তু নই। অন্যান্য দেশেও শুরু হয়েছে এর তোড়জোর। তবে আমাদের মত তারা কিন্তু ব্যর্থ হয়নি! ঠিকই গুপ্তধন খুঁজে বের করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর সেন্ট মার্কস রোডে। সেখানে ৬৭০ কোটি টাকার গুপ্তধন উদ্ধার করা হয়েছে!

জানা গেছে, ওই এলাকাটিতে বাস করতো সব ধনীদের পরিবার। আর সেখানকার ব্যস্ততম সড়কের পাশে ছিল ধনীদের ক্লাব বোরিং ইনস্টিটিউট। আর সেই ক্লাবটি ছিল পরিত্যাক্ত এক বিশাল ভবনে। প্রায় ১৫০ বছর পুরনো। ভবনের মধ্যে ছিল কয়েকটি পরিত্যাক্ত কক্ষ। ওই কক্ষগুলোতে সাধারণত কেউ যেতে চাইতো না। আর সে কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিব্রত ছিল ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

তবে মজার ব্যাপার হল ওই পরিত্যাক্ত কক্ষ গুলোতে ছিল কয়েকটি লকার। লকারগুলো কারো নামেও ছিল না। বারবার নোটিশ দেয়া হলেও ক্লাবের কোনো সদস্যই ওই লকার নিতে রাজি হননি। কি আর করার! অবশেষে সেগুলো পরিষ্কারের জন্য গত শুক্রবার বাধ্য হয়েই লকার ভাঙতে শুরু করেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ। কিন্তু লকার ভেঙ্গে হতভম্ব হয়ে পড়েন তারা!

ক্লাবের ব্যাডমিন্টন কোর্টের তিনটি লকার ভেঙে পাওয়া যায় বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৭০ কোটি টাকার সম্পদ। এর মধ্যে আছে জমির দলিল, স্বর্ণ ও হিরা, চার কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রা ও দুই কোটি ভারতীয় টাকা।

৬৯, ৭১ এবং ৭৮ নম্বরের লকারের মধ্যে এসব সম্পদ পাওয়া যায়। পরে অবশ্য স্থানীয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী অবিনাশ অমরলাল কুকরেজা সম্পদের মালিকানা দাবি করেন। তবে তার দাবি এখনো বিশ্বাস করেনি স্থানীয় আয়কর বিভাগ। তারা সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকৃতির মায়াজাল রংধনুর নদী! (ভিডিও)

ভিন্ন স্বাদের খবর: প্রাকৃতিক পরিবেশ একের পর এক আমাদের নিকট বিভিন্ন ধরণের বিস্ময় সৃষ্টি করে। তার এই বিস্ময়ের মাঝে বিভিন্ন অনন্য কৃতিত্ব রয়েছে। প্রকৃতির এক বিস্ময়কর মায়াজাল এই রংধনুর নদী। এখানে আপনি একই সাথে বিভিন্ন রং দেখতে পাবেন। কিন্তু মজার বিষয় হল এই রং একে-অপরের সাথে মেশে না।

রংধনুর নদী কলোম্বিয়ায় অবস্থিত। রংধনুর এই নদী ভলিউম রাজ্যের চতুর্থ স্থান দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই নদীতে বিভিন্ন গুহা থেকে পানি প্রবাহিত হয়। একেকটি গুহা থেকে ভিন্ন ধরণের রং প্রবাহিত হয়। বিভিন্ন গুহা থেকে রং মিশে এই নদী রংধনুর নদী নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

রংধনুর নদী ৫.৭ মাইল দীর্ঘ এবং ১০ ফিট গভীর। এই নদীর আশেপাশে গুহা থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের শিলা ও বালি রয়েছে। এই নদীর কিছু কিছু অংশে ২৫ ফিট গভীরতাও রয়েছে। এই নদীর পানি একসময় রেনবো স্প্রিং রাজ্যের পার্কের সাথে যেয়ে মিশে যায়। এই পার্কে বিভিন্ন সময় পর্যটকেরা ভ্রমণে আসেন।

ভিডিও দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশেষ ক্ষমতা আইনের বিলুপ্ত ধারায় মামলা না নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

দেশের খবর: বিলুপ্ত হওয়া ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৬ (২) ধারায় মামলা গ্রহণ না করতে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলায় জামিন শুনানিকালে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত আদেশে অস্তিত্বহীন আইন দিয়ে যেন জনগণকে গ্রেফতার করে হয়রানি না করা হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ বলেন, এ আইনটি যেহেতু বাতিল। এ আইনের কোনো অস্তিত্ব নেই। সেহেতু এ আইনের মামলা নেয়া বেআইনি।’

এ আইনের বিবরণে জানা যায়, ১৯৯০ সালে এইচ এম এরশাদ সরকারের পরে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ একটি অধ্যাদেশ দিয়ে চুয়াত্তরের আইনের ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা বাতিল করেন। যা বিএনপি ১৯৯১ সালে সংসদে পাস করেছিল।

এরপর ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার মধ্যে ‘ক্ষতিকর ও ধ্বংসাত্মক’ (প্রধানত সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী) কাজ থেকে বিরত রাখতে ১৬ ধারাটি পুনরুজ্জীবিত করা হয়।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর এই অধ্যাদেশসহ ১২২টি অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে পেশ করা হয়, কিন্তু তা পাস হয়নি। ফলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা বাতিল অবস্থায় থেকে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত-পাকিস্তান প্রথম যৌথ সামরিক মহড়া! থাকবেন মোদি

দেশের খবর: সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই ইউরেশিয়ার ৮টি দেশের সংগঠন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিএ)-এর সদস্যপদ পেয়েছে। আগস্ট মাসে এসসিও-র উদ্যোগে একটি সামরিক মহড়া হতে যাচ্ছে। রাশিয়ায় উড়াল পর্বতের পাদদেশে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। আর এই প্রথমবার একসঙ্গে সামরিক মহড়ার দিতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ওই মহড়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

ওই মহড়ায় ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও এসসিও-র অন্যান্য সদস্য দেশের (ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাকস্তানসহ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র) সেনারাও অংশ নেবে। স্বাভাবিকভাবেই পুরো দুনিয়ার নজর থাকবে ভারত-পাকিস্তানের যৌথ মহড়ার দিকেই। কারণ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে একসঙ্গে কাজ করা ছাড়া এই দুদেশ কখনোই যৌথ সামরিক মহড়া দেয়নি।

এসসিও-র এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসসিও সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ চীন। চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম চায়না ডেইলি জানিয়েছে, বিবদমান দুই দেশের সেনা একসঙ্গে মহড়া দিলে সংঘাতের পরিবেশ কিছুটা কম হতে পারে।
জানা গেছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সমন্বয় ও সহযোগিতা গড়ে তোলাই তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই সামরিক মহড়ার মূল লক্ষ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest