সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণদেবহাটার পল্লীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ

প্রধানমন্ত্রী ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাবেন

দেশের খবর: জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) নিউইয়র্কে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
তথ্যমতে, ২৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৮টায় আমিরাত এয়ারওয়েজের একটি বিমানযোগে নিউইয়র্কে এসে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একইদিন সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন শহরের হিলটন হোটেল হলরুমে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এক নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিবেন।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়সহ বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ সংবর্ধনা সভায় অংশ নেবেন।
জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ভাষণ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও তিনি সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাতে মিলিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকালে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে ওয়াশিংটনে আসার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক: প্রচলিত ম্যাসেজিং অ্যাপগুলির মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ অন্যতম৷ তবে এতদিন অ্যাপটির ব্যবহারিক দিক থেকে কোন সীমাবদ্ধতা ছিল না৷ কিন্তু ইউরোপিয় অঞ্চলগুলির বেশ কিছু জায়গায় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট বয়সসীমা৷
তাই সম্প্রতি সব দেশেই এটি ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। হোয়াটসঅ্যাপের নির্দেশিকা অনুযায়ী ইউজারের বয়স হতে হবে ১৬ বছরের উর্দ্ধে৷ কারণ অ্যাপটিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বয়সের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে৷ অন্যদিকে, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিতে হোয়াটসঅ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ইউজারের বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৩ বছর৷
পাশাপাশি ভুয়া তথ্য দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের ঘটনাও কম নয়৷ এই ধরণের কার্যকলাপ নীতি লঙ্ঘনকারী বলে বিবেচিত হবে৷ যদি, কোন অনুর্দ্ধ ইউজার বিনা অনুমতিতে হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তবে, তা একটি অপরাধ৷ আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে আপনি যদি সচেতন হন, দায়ের করতে পারেন অভিযোগও৷ এই ধরণের সুবিধাও দিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷
অনুর্দ্ধ ইউজাররা ম্যাসেজিং অ্যাপটিকে ব্যবহার করলে আপনি তাকে কীভাবে হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে হয় সেটি শিখিয়ে দিতে পারেন৷ অন্যদিকে, আপনি যদি অনুর্দ্ধ ইউজারদের বিষয়ে কোন তথ্য জানাতে চান সেক্ষেত্রে, মেল করতে পারেন কর্তৃপক্ষকে৷ তবে, অবশ্যই সঙ্গে থাকতে হবে প্রমাণ৷ যেমন-জন্ম তারিখ, মোবাইলের নম্বর ইত্যাদি৷ উপযুক্ত প্রমাণ বন্ধ করতে পারে উক্ত হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্টকে৷ তবে প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলে সেটি সম্ভবপর হবে না৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কৃ‌তি সন্তান বিচারপ‌তি কামরুল ইসলাম সিদ্দী‌কি আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশু‌নি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের কৃতিসন্তান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। শনিবার জোহর নামাজের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে মরহুমের প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার জোহর বাদ দরগাহপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে ২য় জানাজা শেষে আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীকে দাফন করা হবে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ১৯৫০ সালের ৩০ মে আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে এসএসসি ও ১৯৬৮ সালে এইচএসসি পাশ করেন। পরে ১৯৭৩ সনে স্নাতক (সন্মান) এবং ১৯৭৪ সনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সনে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর মুন্সেফ হিসেবে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। পরবর্তীতে সাব জজ, ডেপুটি সেক্রেটারি, হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট ২০০৪ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার ছিলেন। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ল’ কমিশনের প্রথম সেক্রেটারি এবং ১৯৯৬ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের তৎকালীন আইন উপদেষ্টা প্রয়াত ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। দুই বছর পর তিনি স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালের ২৯ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগ থেকে তিনি অবসর নেন। দায়িত্ব পালনকালে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ট্রেনিং প্রোগ্রাম ও কোর্সে অংশগ্রহন করেন। সেই সুবাদে তিনি নেদারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফ্রান্স, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, ভারত, সিঙ্গাপুর, অস্টেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর বাবা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায় ৩০ ও ৪০ এর দশকে প্রথিতযশা সাংবাদিক, সম্পাদক ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর মাতা বদরুন্নেসা সিদ্দিকী ছিলেন ধর্মপ্রান মানুষ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও আত্মীয় স্বজন সহ অনেক গুনগাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে আশাশুনি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের দিনে বৃষ্টির আশঙ্কা

দেশের খবর: আর মাত্র দুই দিন পরেই দেশব্যাপী উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজের পর সারাদিন কোরবানির পশু জবাইয়ের পর কাটাকাটিতে ব্যস্ত থাকেন অনেকে। তবে এ ক’দিন প্রচন্ড গরম পরলেও ঈদের দিনে আবহাওয়া কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপও সৃষ্টি হতে পারে। এটির উপর নির্ভর করছে ঈদের দিনসহ আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়া না হওয়া। তবে ঈদের দিন পশলা বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেদিন রোদ এবং তাপমাত্রাও বেড়ে যাবে খানিকটা। আজ এবং আগামীকাল সোমবার (২০ আগস্ট) বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত বেশি বৃষ্টি হলে ঈদের দিন বৃষ্টি কম হতে পারে। তবে আবহাওয়ার ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়ার কথাই বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অধিদফতর শনিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।
শনিবার ঢাকায় ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামীকাল হজ, মিনায় ৩০ লাখ মুসল্লি

বিদেশের খবর: সৌদি আরবে সোমবার পবিত্র হজ। এরই মধ্যে হজ পালনের উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৩০ লাখ মুসল্লি দুই টুকরো সাদা ইহরাম কাপড়ে শরীর ঢেকে সমবেত হয়েছেন তাঁবুর শহর মিনায়।
কাল থেকেই ‘লাব্বায়িক আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে মক্কার আরাফাত ময়দান। এ বছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১২২টি দেশের হজযাত্রীরা হজে অংশ নিচ্ছেন। তবে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ পালনের কথা থাকলেও নানা জটিলতায় ৬০৬ জন আসতে পারেননি।
এরই মধ্যে হজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মক্কা, মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাত ময়দানে হাজিদের সব ধরনের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সৌদি প্রশাসন।
নারী নিরাপত্তাকর্মীরা হাজিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি পবিত্র কোরআন বিতরণ ও হাজিদের হজের নিয়মকানুন শিখিয়ে দেবেন। হজ চলাকালীন হাজিদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক চিকিৎসক দল কাজ করবে। পাশাপাশি হজযাত্রীদের দ্রুত সেবা দিতে কাজ করবে ৩৬১টি অ্যাম্বুলেন্স।
শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মুসল্লিরা মক্কা নগরী থেকে আট কিলোমিটার দূরের তাঁবুর শহর মিনার উদ্দেশে হেঁটে ও বাসে করে রওনা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো।

আজ রোববার হাজিরা মিনায় অবস্থান করবেন। আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরাফাত ময়দানের উদ্দেশে রওনা হবেন হাজিরা। আরাফাত ময়দানে জোহর ও আসর নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন তাঁরা। তারপর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং রাতে সেখানেই অবস্থান করবেন। পথে শয়তানকে নিক্ষেপ করার জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।

হজের এই বিশাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রশাসনিক প্রতিনিধিদল সৌদি আরব পৌঁছেছেন অনেক আগেই। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার জন্য এসেছে চিকিৎসক দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্দেশ অমান্য করে মহাসড়কে চলছে পশুবাহী ট্রাক

অনলাইন ডেস্ক: নওগাঁর আলিম হোসেন ৪০টি গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানের হাটে। শুক্রবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলী পশুর হাটের ইজারাদারদের নিয়োজিত লোকদের কবলে পড়েন তিনি। আলিমের গরুবাহী ট্রাক থামাতে বাধ্য করেন ইজারাদারদের লোকজন। তাদের বক্তব্য, গরু গাবতলী হাটে নামাতে হবে। কিন্তু আলিম তো যাবেন চট্টগ্রাম। বারবার তিনি বলছেনও সে কথা। কিন্তু কে শোনে কার কথা! এরই মধ্যে দুয়েকজন উঠেও যান গরুবাহী ট্রাকের ওপর। অবশেষে কোনও রকমে ইজারাদারের লোকজনের হাত-পা ধরে এ যাত্রায় পার পান আলিম। তবে রাজধানীর ওপর দিয়ে যাওয়ার পথে আরও অনেক হাট পেরুতে হবে তাকে। তখন কী হবে? এভাবে কতবার অন্যের হাত-পা ধরবো, এমন প্রশ্ন আলিমের। গত কয়েক বছর ধরে কোরবানির ঈদের আগে এমন অভিযোগ অহরহ শুনতে পাওয়া যায় রাজধানীতে।
এমন পরিস্থিতি থেকে পশুবাহী ট্র্রাক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের রক্ষায় একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ২২ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোরবানির পশুবাহী গাড়ি কোন হাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছে সেই স্থান ও বাজারের নাম লেখা ব্যানার লাগাতে হবে গাড়ির সামনে। এটি দেখে পশুবাহী ট্রাককে পথে কেউ আটকাতে পারবে না। জোর করে কেউ কোনও হাটে পশু নামাতে বাধ্য করতে পারবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিষয়টি প্রতিহত করবে এবং গরু ব্যবসায়ীদের তাদের গন্তব্যে যেতে সার্বিক সহায়তা করবে। ওই সভায় বলা হয়, যে জেলা থেকে পশুবাহী ট্রাকটি বের হবে সেই জেলার পুলিশকেই বিষয়টি দেখভাল করতে হবে এবং ব্যানার লাগানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
তবে সরকারের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করেই রাজধানীর ওপর দিয়ে যাচ্ছে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক। রাজধানীতেও আসছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পশুবাহী ট্রাক। আজ শনিবার (১৮ আগস্ট) পর্যন্ত কোনও ট্রাকের সামনেই কোনও ধরনের ব্যানার চোখে পড়েনি।
নওগাঁর গরু ব্যবসায়ী আলিম হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি তো আমি জানি না। আমাকে কেউ বলেও নাই যে ট্রাকের সামনে ব্যানার লাগিয়ে পশুবাহী ট্রাক রাস্তায় বের করতে হবে।’
জানতে চাইলে গাবতলী পশুর হাটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরাও জানি না। তবে সিদ্ধান্তটি তো খুবই ভালো। আলিম হোসেনের পশুবাহী ট্রাকের সামনে যদি ব্যানারে লেখা থাকতো যে এটি চট্টগ্রাম যাবে, তাহলে তো কেউ তার পথরোধ করতো না। সিদ্ধান্তটি আসলে সেভাবে প্রচার করা হয়নি।’
গরু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাজধানীর হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে গরু আসতে শুরু করেছে। রাজধানীতে এখনও সবগুলো পশুর হাটে পুরোদমে কেনা-বেচা শুরু হয়নি। তবে হাটগুলোয় প্রতিদিনই পশুর সমাগম বাড়ছে। সামনের কয়েকদিন অনেক পশুবাহী ট্রাক রাজধানীতে আসবে, রাজধানীর ওপর দিয়ে অন্য জেলাগুলোতেও যাবে। এমন প্রেক্ষাপটে জোর করে ট্রাক থামিয়ে ইজারাদারদের পছন্দসই হাটে গরু নামানোর ঘটনা অহরহ ঘটবে বলে তারা আশঙ্কা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা যদি সরকারের সিদ্ধান্ত না মেনে সমস্যায় পড়েন সেক্ষেত্রে তো আর পুলিশ নির্বিকার থাকতে পারে না। যতদূর সম্ভব পুলিশ ব্যবসায়ীদের সহায়তা করছে এবং করবে।’
মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত আমরা বড় কোনও অভিযোগ পাইনি। জেলা পর্যায় থেকে যদি ট্রাকের সামনে ব্যানারে গন্তব্যের নামটি লেখা থাকে তাহলে পুলিশের পক্ষে কাজটি করা সহজ হবে। কোনও ইজারাদারের লোকজন আর কাউকে গাড়ি থেকে গরু নামাতে বাধ্যও করবে না।
জানা গেছে, এবার উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রংপুর এবং যশোর থেকে বেশি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে ঢাকায়। বেশি লাভের আশায় কোরবানির পশু নিয়ে ওই সব এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসছেন রাজধানীতে। আবার কেউ কেউ ছুটছেন রাজধানীর বাইরে অন্য জেলায়। নিজেদের হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু ওঠাতে তোড়জোড় চালাচ্ছেন ঢাকার ইজারাদাররাও। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে খুঁটি কিনছেন ব্যবসায়ীরা, এমন অভিযোগও রয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর হাটগুলোর প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ পর্যায়ে। হাটে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। হাটগুলোকে কেন্দ্র করে র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় রয়েছে। পশু কেনা-বেচার সময় টাকা লেনদেন ও জাল টাকা নিয়ে কোনও সমস্যায় যাতে পড়তে না হয় সে জন্য কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মহাসড়কগুলোতে যাতে ছিনতাই বা চাঁদাবাজির ঘটনা না ঘটে সে জন্যও সক্রিয় রয়েছে র‌্যাব-পুলিশ।
র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘প্রতি বছরই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারাদেশের হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। রাজধানীসহ সারাদেশে পশু পরিবহন ও নির্দিষ্ট হাটে পৌঁছাতে চাঁদাবাজি বা অন্য কোনও সমস্যা যাতে না হয় সে জন্য র‌্যাব কাজ করছে। এখন কোনও সমস্যা হচ্ছে না।’
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে যে সংখ্যক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া রয়েছে তা দিয়ে এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব। সারাবছর দেশে প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া জবাই করা হয়। এর প্রায় ৫০ ভাগ পশু জবাই করা হয় কোরবানির সময়। সে হিসাবে এ বছর কোরবানির যোগ্য প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ পশু রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জুভেন্টাসের জয়ের ম্যাচে হতাশ রোনালদো!

খেলার খবর: স্প্যানিশ জায়েন্ট রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসে যোগ দিয়েছেন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শনিবার সিরি আ অধ্যায় শুরু করেছেন তিনি। নতুন জার্সিতে পর্তুগীজ এই মহাতারকা গোল না পেলেও মৌসুম শুরুর ম্যাচে কিয়েভো ভেরোনার বিপক্ষে ৩-২ গোলের দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস।

এদিন প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় ম্যাস্সিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রির শিষ্যরা। শুরুর ওই সময় পিয়ানিচের কর্নারে উড়ে আসা বলে কিয়েল্লিনি মাথা ছোঁয়ালে বল চলে যায় স্যামি খেদিরার পায়ে, জার্মান মিডফিল্ডার সুযোগ কাজে লাগান জাল খুঁজে নিয়েই। এরপর ম্যাচের ৩৮ মিনিটে সমতায় ফিরে কিয়েভো, স্টেপিনিস্কি স্বাগতিক ডেরায় উল্লাস ফেরান।

ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ইমান্যুয়েলের স্পটকিকে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। পরে ৭৫ মিনিটে জুভদের সমতায় ফেরায় কিয়েভোর মাট্টিয়া বানি নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দিলে। এরপর ম্যাচের ৮৭ মিনিটে গোল করে বসেন মারিও মানজুকিচ। তবে ভিডিও রিপ্লে দেখে গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। পরে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ফেদেরিকো বের্নারর্দেশ্চি গোলে জয় নিশ্চিত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোবাইল ফোনের ‘অযৌক্তিক কলরেট’ বাতিলের দাবি

দেশের খবর: মোবাইল ফোনের ‘অযৌক্তিক কলরেট’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে শুধু অপারেটরদের স্বার্থ বিবেচনা করে কলরেট ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার আগে গ্রাহকদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে গ্রাহকদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর জন্য কমিশন প্রয়োজনে গণশুনানি করতে পারত। তা না করে তাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রাহককে মানতে বাধ্য করা একটি অগণতান্ত্রিক ও অনৈতিক সিদ্ধান্ত।

মহিউদ্দীন আহমেদ আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমে বিটিআরসি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে জানতে পারলাম, আগের ২৫ পয়সা কাগজে-কলমে হলেও রেট পড়ত ৩৫ পয়সার ওপরে। আমরা মনে করি, তাদের এ ধরনের বক্তব্য ভোক্তা অধিকার আইনের পরিপন্থী। এতে করে অপারেটরদের দুর্নীতিকে প্রকাশ্যে প্রশ্রয় দিয়েছে কমিশন।’ তাঁর মতে, বর্তমান রেটে অপারেটর, আইসিএক্স, আইজিডব্লিউ, এনটিটিএন এবং ভ্যাট যোগ করলে কলরেট দাঁড়াবে প্রায় ৫২ পয়সা, যা আগের অফনেটের ফ্লোররেটের সমান। এই কলরেট বৃদ্ধির ফলে অপারেটররা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও ভবিষ্যতে গ্রাহকেরা বিকল্প পথে কথা বলা শুরু করলে অপারেটররা ব্যবসায় বিনিয়োগ হারাতে পারে।
মহিউদ্দীন আহমেদ অভিযোগ করেন, এমএনপি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে দুর্বল অপারেটরদের বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিটিআরসি নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে জনমত যাচাই করে বাস্তবায়ন করার দাবি জানান।
মানববন্ধনে সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন বলেন, শুধু অপারেটরদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লোকচক্ষুর অন্তরালে এই মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেওয়া যায় না। অতি দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করে জনগণের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ জনগণকে ফেরত প্রদান করার দাবি জানান তিনি।
গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।
বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, নতুন এই কলরেটের ফলে গ্রাহকের পকেট থেকে বছরে ছয় হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হবে। তাই মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে সরকারকে দ্রুত নতুন কলরেট বাতিল করা আহ্বান জানান তিনি।
মানববন্ধনে আরও অংশ নেন সাবেক সাংসদ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী ছাবের আহমেদ ছাব্বীর, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম প্রমুখ।
১৩ আগস্ট মধ্যরাত থেকে মোবাইল ফোনের প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন একক কলরেট ৪৫ পয়সা চালু হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। একই অপারেটরের নম্বরে ফোন করা হলে সেটিকে বলা হয় অননেট আর অন্য অপারেটরে ফোন করা হলে তা হয় অফনেট। সর্বোচ্চ কলরেট আগের মতোই ২ টাকা রয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালুর আগে অননেট ও অফনেট কলের পার্থক্য দূর করা দরকার ছিল। এটা না করা হলে বাজার প্রতিযোগিতায় ছোট অপারেটররা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। নতুন কলরেট অনুযায়ী এখন মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকদের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে।
অপারেটরদের দাবি, নতুন কলরেটে গ্রাহকের ফোন করার খরচ কমবে। কারণ, এত দিন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হতো ৪০ পয়সা। আর অফনেট অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা পর্যন্ত। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। এতে গ্রাহকসংখ্যায় পিছিয়ে থাকা অপারেটরের গ্রাহকেরা বেশি সুবিধা পাবেন।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে, ১০ শতাংশ কল অফনেটে হয়। অন্যদিকে, সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে। রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest