সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো সুবিধা নিতে না পারে

দেশের খবর: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোথাও কোনো সুবিধা নিতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন।
আজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন অথবা নিকটজন কিংবা পিএস, এপিএস ও দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিয়ে এমনকি স্বাক্ষর নকল করে বিভিন্ন স্থানে আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) প্রেরণ ও ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে সচিবালয়/সরকারি অফিস বা অন্য কোথাও কোনো অনৈতিক বা অবৈধ সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনৈতিক ও অবৈধ সুবিধা প্রদান হতে বিরত থাকতে মন্ত্রী বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।
এছাড়া আগামী ঈদ ও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কোন প্রকার উপঢৌকন বা উপহার পাঠিয়ে নিজেও বিব্রত না হওয়া এবং মন্ত্রীকে বিব্রত না করার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।
প্রকৃতপক্ষে, চাকরি প্রাপ্তি, বদলী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রী কোনরূপ ডিওপত্র দেন না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ সকল বিষয়ে কোনো ডিওপত্র পেলে তা মন্ত্রীর দপ্তর থেকে (টেলিফোন নম্বর: ০২-৯৫১৫৫৩৩) নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এছাড়া এ অসাধু চক্রের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ইতোমধ্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিসিএসসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, গ্রেপ্তার ৮

দেশের খবর: বিসিএস, ব্যাংকসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারি চাকরির নিয়োগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হচ্ছেন, গোপালগঞ্জের মো. ইব্রাহিম ও মো. হাসমত আলী সিকদার, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মো. আইয়ুব আলী বাধন, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার মো. মোস্তফা কামাল, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের মো. মনোয়ার হোসেন, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের মো. নুরুল ইসলাম, ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হোসনে আরা বেগম এবং অগ্রণী স্কুল ও কলেজ সহকারী শিক্ষক গোলাম মোহাম্মদ বাবুল।
সিআইডির ‘অর্গানাইজড ক্রাইমে’র বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একজনকে গ্রেপ্তার করেছি গত শুক্রবার। তাঁকে আমরা চার দিনের রিমান্ডে এনেছি। এই চক্রের নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকি আটজনকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছি বিভিন্ন সময়। আমরা জিজ্ঞাসাবাদে যেটা জানতে পেরেছি; বিসিএস কর্মকর্তা কয়েকজন পেয়েছি। আমরা ব্যাংক কর্মকর্তা কয়েকজন পেয়েছি। আমরা অন্যান্য সরকারি অফিসেও চাকরি করছেন এমন কয়েকজনকে পেয়েছি। আমরা গতকাল থেকে এ পর্যন্ত অনেক তথ্য জোগাড় করেছি। আমরা হয়তো আগামীতে তাঁদের রিমান্ডে এনে সুনির্দিষ্ট তথ্য আপনাদের দিতে পারব।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভর্তি কিংবা নিয়োগ পরীক্ষায় মূলত দুভাবে জালিয়াতি হয়। একটি চক্র আগের রাতে প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করত। আরেকটি চক্র পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র নিয়ে দ্রুত তা সমাধান করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীকে সরবরাহ করত। আগের রাতে প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁস চক্রের পুরো চক্র চিহ্নিত করা গেলেও ‘ডিভাইস চক্র’টি বাকি ছিল। এরপর ‘ডিভাইস চক্রে’র প্রধান বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস গণমাধ্যমে নাম প্রকাশের পর গা ঢাকা দেয়।
প্রেস বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান যারা এনালগ পদ্ধতিতে প্রশ্নপ্রত্র ফাঁস করে থাকে তাদের আইনের আওতায় আনা যতটা সহজ ডিজিটাল পদ্ধতি অবলম্বনকারীদের আইনের আওতায় আনা ততটাই জটিল। এই চক্রটি গত কয়েক বছর ধরে লাখো তরুণের স্বপ্নের চাকরি বিসিএস পরীক্ষাতেও জালিয়াতি করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, পাঁচদিনের এক সাঁড়াশি অভিযানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডিজিটাল ডিভাইস চক্রের ‘মাস্টার মাইন্ড’ বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, ৩৬তম বিসিএসে নন ক্যাডার পদে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত ইব্রাহিম এবং ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণ আয়ুব আলী বাঁধনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
এ ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগে রাজধানীর অগ্রণী স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক গোলাম মোহম্মদ বাবুল, অফিস সহায়ক (পিওন) আনোয়ার হোসেন মজুমদার এবং মো. নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একই অভিযোগে ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক হোসনে আরা বেগম এবং পিওন হাসমত আলী শিকদারকে আটক করা হয়েছে। আটকের সময় হাসমতের কাছে ওই দিনের বিসিএস লিখিত পরীক্ষার কয়েক কপি প্রশ্নপত্র এবং ৬০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেতন-ভাতা না পাওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে দ্বিতীয় ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তারা মেডিকেল কলেজের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। এদিকে তাদের কর্মবিরতিতে দূর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রুগীরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, ইন্টার্ন চলাকালে তারা সরকারিভাবে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পান। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় তারা দীর্ঘদিন বেতন না পেয়ে নিদারুণ অর্থকষ্টে রয়েছেন। বেতন-ভাতা না পাওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফরহাদ জামিল জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে স্বাস্থসেবায় সংকট আরো ঘনিভুত হয়েছে। তিনি সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বেতন না দেওয়ায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ থেকে ২০১৮ সালে পাশ করা ৪২ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আঃলীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমান, উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন, দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ইয়ামিন আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল লতিফ, উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিঞ্চুপদ বিশ^াস, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই রকেট, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিসেস নাজমুন নাহার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রনব কুমার মল্লিক, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ইমাদুল ইসলাম, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদুল আলমকে নির্যাতন করা হয়েছে কি না পরীক্ষার নির্দেশ

দেশের খবর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় রিমান্ডে থাকা বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে কি না তা ২০১৩ সালের নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের ২(৬) ধারা অনুসারে পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
স্বরাষ্ট্র সচিবকে আগামী সোমবারের মধ্যে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ওই প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ড. কামাল হোসেন, ড. শাহদীন মালিক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
শুনানিতে ব্যারিস্টার সারা হোসেন আদালতকে বলেন, শহিদুল আলমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে সেখানে চারজন ডাক্তারের নাম আছে। তবে তাদের মধ্যে কোনো মনরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। অথচ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের ২(৬) ধারায় ‘নির্যাতন’ অর্থ কষ্ট হয় এমন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনকে বোঝায়। এজন্য আমরা তাঁর মানসিক অবস্থাও পরীক্ষার আবেদন জানাচ্ছি।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানিতে বলেন, এই রিট গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, তাঁকে সঠিকভাবেই গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি কোনো ভিকটিম নন যে এই রিট চলতে পারে। এ সময় মোবাইল ফোন থেকে ডিবি কার্যালয়ে স্বাভাবিকভাবে শহিদুল আলমের হাঁটার ভিডিও আদালতে উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
এরপর সারা হোসেন আদালতকে বলেন, তাঁর (শহিদুল) মুখে ঘুষি মারা হয়েছে। তাঁর নাকের চারপাশে কী অবস্থা তা পরীক্ষা করে শারীরিক অবস্থা নির্ধারণ প্রয়োজন। এ ছাড়া, মানসিক পরীক্ষাও জরুরি। এরপর আদালত রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন।
এর আগে শহিদুল আলমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাতদিনের রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে ও তাঁর সুচিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ।
সেই রিটের শুনানি নিয়ে গত ৭ আগস্ট আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে রমনা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে একটি বোর্ড গঠন করে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতাল শহিদুল আলমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের ওপরই শুনানি হয়।
এর আগে রিমান্ড স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী সোমবার দিন নির্ধারণ করেন আপিল বিভাগ।
দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। ওই ঘটনায় রমনা থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। গত ৬ আগস্ট ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের (পরিদর্শক) আরমান আলী। শহিদুল আলমের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও জোতির্ময় বড়ুয়া রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে রাখার আদেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীক্ষার খাতায় ৩৫০ ছাত্রীর অভিনব প্রতিবাদ

দেশের খবর: সড়ক থেকে সরে দাঁড়ালেও প্রতিবাদ থেকে পিছু হটেনি রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবেএবার তারা বেছে নিয়েছে পরীক্ষার খাতা। দশম শ্রেণির প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতায় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লিখে পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে যায়।
রাজধানীর স্বনামধন্য এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার। জানা গেছে, কলেজের বেশ কজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ‘সড়ক দুর্ঘটনা— আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে। তাদের অনেকেই কলেজের চাপে পড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। নিরাপদ সড়কের দাবিগুলো পুরোপুরি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর পক্ষপাতি তারা ছিল।
আবার সেখানে গিয়েও কলেজের শিক্ষকের দায়িত্বহীনতার শিকার হয় তারা। এর প্রতিবাদে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় এই স্লোগান লিখে আসে।
ভিকারুনন্নেসা নুন করেলজের একজন শিক্ষক নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, গত ৬ আগস্ট নগর ভবনে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ‘সড়ক দুর্ঘটনা— আমাদের করণীয়’ শিরোনামে এক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে মেয়রের আমন্ত্রণে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪২১টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নগর ভবনে যায়। ওই অনুষ্ঠানে ভিকারুন্নেসার কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সড়ক ছেড়ে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া ওই অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার আগে বিষয়টি ছাত্রীদের জানানো হয়নি। এ ঘটনার প্রতিবাদেরই দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় লিখেছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’।
শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, নগর ভবনের সেই অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে সেখানে তারা ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের সব শাখার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নিরাপদ সড়কের দাবি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। অথচ তারা আন্দোলনে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের মত নেয়নি।
এদিকে নগর ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া শিক্ষার্থীদের কয়েকজনও জানায়, কলেজের কিছু শিক্ষক ও অধ্যক্ষের চাপে তারা ওই অনুষ্ঠানে যেতে বাধ্য হয়। আর সেখানে তাদের সঙ্গে যাওয়া শিক্ষকও দায়িত্বহীন আচরণ করেন।
এর প্রতিবাদে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় এই স্লোগান লিখে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে আসে।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটির একজন সাবেক শিক্ষার্থী এ ঘটনার জানতে চেয়ে শিক্ষিকা ফারহানা খানমকে ফোন করলে তিনি শিক্ষার্থীকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ফারহানা খানমের ফোনালাপের অডিও ক্লিপ ও প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময়ের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেল থেকে ছাড়া পেলেন হাসনাত করিম

দেশের খবর: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে জেল থেকে ছাড়া পেলেন গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় গ্রেফতার হওয়া হাসনাত রেজা করিম। বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) বিকাল সাড়ে চারটার সময় গাজীপুরের কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি জেল থেকে মুক্তি পান ব্রিটেন ও বাংলাদেশের এই দ্বৈত নাগরিক। জেল থেকে বেরিয়ে আসার সময় সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল। হাসনাতের কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে হাই সিকিউরিটি জেলার বিকাশ রায়হান বলেন, ‘হাসনাতকে অব্যাহতি দিয়ে আদালত থেকে যে নির্দেশনা এসেছে, তা যাচাই-বাছাই করার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পরদিন থেকেই সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে আটক ও পরবর্তীতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি। দুই বছর এক মাস ৯ দিনের মাথায় ঘরে ফিরলেন তিনি।
হাসনাত করিমের স্ত্রী শারমিনা করিম বলেন, ‘আমরা খুশি। অবশেষে হাসনাত জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। আমাদের বিশ্বাস ছিল সে যেহেতু নির্দোষ, সেহেতু আজ হোক কাল হোক মুক্তি সে পাবেই। কিন্তু এই দুটি বছর আমাদের দুঃসহ জীবন পার করতে হয়েছে।’
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার দুই বছর পর গত ২৩ জুলাই হাসনাত করিমকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় এই মামলার তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট- সিটিটিসি। ২৬ জুলাই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন চার্জশিটের নথিতে স্বাক্ষর করে সেটি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটেরের কাছে পাঠিয়ে দেন। সেখান থেকে চার্জশিট সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। গত বুধবার (৮ আগস্ট) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান চার্জশিট গ্রহণ করে হাসনাত করিমকে অব্যাহতির আদেশ এবং পলাতক দুই জঙ্গি মামুনুর রশিদ রিপন ও শরীফুল ইসলাম খালিদকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসনাতকে ৫৪ ধারার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল আদালত।
হাসনাত করিমনের পরিবার ও চার্জশিট থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১ জুলাই ছিল হাসনাত করিমের মেয়ে শেফা করিমের ১৩তম জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে স্ত্রী শারমিনা করিম ও দুই সন্তানকে নিয়ে হাসনাত গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে রাতের খাবারের জন্য গিয়েছিলেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে তারা ওই রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করে খাবারের অর্ডার দিতে না দিতেই জঙ্গিরা সেখানে হামলা করে। রাতভর জঙ্গিদের হাতে জিম্মি ছিলেন তারা। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের অভিযান শুরুর আগ মুহূর্তে দেশি-বিদেশি আরও কয়েকজনের সঙ্গে বেরিয়ে আসেন হাসনাত করিম। এরপর প্রথমে পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ হাসনাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে জেল থেকে ছাড়া পেলেন গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় গ্রেফতার হওয়া হাসনাত রেজা করিম। বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) বিকাল সাড়ে চারটার সময় গাজীপুরের কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি জেল থেকে মুক্তি পান বৃটেন ও বাংলাদেশের এই দ্বৈত নাগরিক। জেল থেকে বেড়িয়ে আসার সময় সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল। হাসনাতের কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে হাই সিকিউরিটি জেলার বিকাশ রায়হান বলেন, ‘হাসনাতকে অব্যাহতি দিয়ে আদালত থেকে যে নির্দেশনা এসেছে, তা যাচাই-বাছাই করার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পরদিন থেকেই সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে আটক ও পরবর্তীতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি। দুই বছর এক মাস ৯ দিনের মাথায় ঘরে ফিরলেন তিনি।
হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের সঙ্গে হাসনাত করিমের ছবি এবং তার বিরুদ্ধে হিযুবত তাহরিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগের কারণেই দীর্ঘ কারাবাসে থাকতে হয়েছে তাকে। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা এসব অভিযোগের সত্যতা পায়নি। হাসনাত নিজে এবং ঘটনার সময় জিম্মি হয়ে থাকা অন্যদের ভাষ্য ছিল, জঙ্গিদের অস্ত্রের মুখে ছাদে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন হাসনাত করিম। আর নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরিরের সঙ্গে সম্পৃক্তার যে অভিযোগ উঠেছিল, তারও কোনও সত্যতা পায়নি পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও কয়েকটি গণমাধ্যমে তার হিযবুত কানেকশন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এমনকি এজন্য তাকে বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়। তবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র ঘেঁটে এরকম কোনও তথ্য পায়নি পুলিশের কর্মকর্তারা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, স্পর্শকাতর ইস্যু হওয়ায় তারা হাসনাতের বিষয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি। বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করার পর মামলার চার্জশিট থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাইসেন্স না দেখে চালককে গাড়ি চালাতে দেওয়া ঠিক হয়নি: জাবালে নূরের বাসমালিক

দেশের খবর: লাইসেন্স না দেখে গাড়ি চালাতে দেওয়া ঠিক হয়নি বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন জাবালে নূর পরিবহনের বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন।
রাজধানীর কুর্মিটোলার শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই ছাত্রছাত্রী নিহতের ঘটনায় করা মামলায় শাহাদাত হোসেন আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবীর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, স্বীকারোক্তি শেষে শাহাদাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এর আগে বুধবার জাবালে নূর পরিবহনের বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ইচ্ছাকৃত চাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মাসুম বিল্লাহর হালকা যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল। কিন্তু বাস চালানোর জন্য ভারী যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল না।
মাসুম বিল্লাহ স্বীকারোক্তিতে বলেন, জাবালে নূর বাসের (যার রেজি. নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭) চালক আমি। ২৯ জুলাই জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারে ওঠার পর বেশি ভাড়া পাওয়ার আশায় আগে যাত্রী উঠানোর জন্য জাবালে নূরের আরেক বাসের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছিলাম। ফ্লাইওভারের নিচে নামার সময় দেখি সেখানে জাবালে নূরের আরেকটি বাস। তখন ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪ থেকে ১৫ জন ছাত্রছাত্রীর ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি উঠিয়ে দিয়ে তাদের গুরুতর জখম করি। এরপর আমি গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যাই। আমার গাড়ির আঘাতেই রমিজ উদ্দিন কলেজের দুজন শিক্ষার্থী নিহত হয়। আট থেকে দশজন আহত হয়।
গত ১ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম এই মামলায় মাসুম বিল্লাহকে সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। আর ২ আগস্ট মালিক শাহাদাত হোসেনকে সাতদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।
গত ২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চাপায় কলেজশিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিব নিহত ও আট থেকে দশজন আহত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে র‍্যাব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী জাবালে নূর পরিবহনের তিনটি বাসের তিনজন চালক ও দুজন সহকারী এবং একটি বাসের মালিককে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন বাসচালক জোবায়ের ও সোহাগ আলী, সহকারী এনায়েত হোসেন ও রিপন হোসেন এবং জাবালে নূর পরিবহনের বাসমালিক শাহাদাত হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest