সর্বশেষ সংবাদ-

ব‌রিশালে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে নৌকা

রাজনীতির খবর: ব‌রিশাল সি‌টি নির্বাচ‌নের ১০৭ কে‌ন্দ্রের ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ পেয়েছেন ১০৭৩৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার পেয়েছেন ১৩১৩৫ ভোট। তাই বিপুল ভোটের ব্যবধানে নতুন মেয়র নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র দখল, ভোটারদের মারধর ও ব্যালট পেপারে সিল মারাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টায় তিনি ভোট কারচুপি, এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপির মো. মজিবর রহমান সরওয়ার, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনিষা চক্রবর্তী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওবাইদুর রহমান (মাহাবুব)। এ সিটিতে মোট ভোটার দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

নগরীর ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হয় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিলেটে জয়ের দ্বারপ্রান্তে বিএনপির আরিফুল

দেশের খবর: কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ নানা অভিযোগ সত্ত্বেও সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী এগিয়ে আছেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে ১৩৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩২ কেন্দ্রে আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান (নৌকা) পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। আরিফুল ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

অন্য দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। স্থগিত কেন্দ্র দুটিতে মোট ভোট ৪ হাজার ৭৮৭।
এ নির্বাচনে ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, সিলেটে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৪ টি। এর মধ্যে স্থগিত হওয়া দুটো কেন্দ্রের (২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বুরহানউদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হবিনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ভোটার ৪ হাজার ৪৮৭। এ হিসেবে আরিফুল হককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করতে ১৬১ ভোটের প্রয়োজন ছিল।

নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৬ টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯১ হাজার ২৮৯।

সোমবার বিকেল চারটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী একপ্রকার হতাশার সুরেই নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলেন। দিনভর ভোট গ্রহণে নানা অভিযোগ করেন সদ্যবিদায়ী এই মেয়র। বিএনপির পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরের দিকে অভিযোগ করা হয়, অন্তত ৪১টি কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকেরা। তারা বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও জানানোর কথা বলেন। বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য এবং অন্য দুই সিটির নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখে এমন ধারণা অনেকের মধ্যে সৃষ্টি হয়, হয়তো সিলেটও শাসক দলের দখলে যাবে। তবে ফলাফল ঘোষণার শুরু থেকেই চমক দেখা যায়। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে এগিয়ে যান আরিফুল হক চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজশাহীর নগর পিতা লিটন

রাজনীতির খবর: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

১৩৮ কেন্দ্রে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৭০০ ভোট।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। লাগাতার ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাজশাহীর ৩০নং ওয়ার্ডের বিনোদপুরের ইসলামীয়া কলেজ কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

অবস্থানরত অবস্থায় তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হেয়েছে। নগরীর মোট ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ১০০টি কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা। এ পরিস্থিতির প্রতিকার না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার অবস্থান থেকে সরবেন না।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চম নির্বাচন এটি। এ নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ২১৭ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে মেয়র পদে রয়েছেন ৫ জন, সাধারণ ৩০টি ওয়ার্ডের বিপরীতে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১৫০ জন ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৫২ নারী।

মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. হাবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো. শফিকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ মোর্শেদ। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩৮টি। এসব ভোট কেন্দ্রে বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ১ হাজার ২০টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাজাহান খানের হাসি নিয়ে সমালোচনার ঝড়

দেশের খবর: দেশব্যাপী এখন আলোচনার শীর্ষে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের হাসি। জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের চালকের রেষারেষির জেরে রবিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীতে বিমানবন্দর সড়কে রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। ‘পরিবহন শ্রমিক নেতা হিসেবে নৌপরিবহনমন্ত্রীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বাসচালক-হেলপাররা প্রতিনিয়ত স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠছে’—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি হাসতে হাসতে জবাব দিয়েছিলেন, ‘আজকের বিষয়ের সঙ্গে এটি রিলেটেড নয়’ বলেই। হাসির এই দৃশ্যসহ সংবাদটি পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ওঠে সমালোচনার ঝড়ও।

এঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার শাজাহান খানকে সংশোধন হওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সংযত হয়ে কথা বলারও পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।

একটি সূত্র বলেছে, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন, ‘কোথায় কখন হাসতে হয়, তাও জানেন না?’

বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার সংবাদ শোনার পরেও নৌমন্ত্রীর মুখের এই হাসি দেখে অনেকেই অবাক হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি দুঃখ প্রকাশ করতে পারতেন। যেখানে এই ঘটনায় মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ করার কথা, সেখানে তিনি উল্টো হাসলেন। এ কী করে সম্ভব? তিনি কী সুস্থ আছেন?

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী বলেন, ‘দাঁত বের করে হাসলেই হয় না। হাসার স্থান-কাল-পাত্র বুঝতে হয়।’

সোমবার (৩০ জুলাই) এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শাজাহান খান নিজে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সবসময়ই হাসি, আমার কালো মুখ কেউ দেখেনি। এটা কি দোষের?’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক মিলটন আনোয়ার তার দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘একটি হাসি সারা জাতির অপমান।’

মো. মাহবুব আলম সরকার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে দাঁত মাজি। তাই তো আমার এত সুন্দর হাসি।’

মিলন খান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ গেলো, আর একমন্ত্রী দাঁত কেলিয়ে বিবৃতি দিলো! জনগণ কেন এদের ভোট দেয়? আবার মন্ত্রী হয়!’

সাংবাদিক আজাদ সুমন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা পিষ্ট হয় বাসচাপায় আর শাজাহান কাকায় হাসে।’

রাজিউর রহমান রুমি লিখেছেন, ‘অন্যের কষ্টে যাদের মুখে হাসি, তারা দেশি না প্রবাসী?

নৌমন্ত্রীর হাসি প্রসেঙ্গ নিহত ছাত্রী মিমের বাবা জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ‘কাল শুনলাম, মন্ত্রী শাজাহান খান নাকি বলেছেন, ভারতে ৩৩ জন মারা গেছে, সেটা নিয়ে ওখানে এত হইচই হয় না, কথা বলে না। আর বাংলাদেশে দু’জন মারা গেছে, সেইটা নিয়ে এত কথা? মোবাইলে দেখলাম উনি হাসতেছিলেন। ক্যামনে পারলেন এন ঘটনায় এভাবে হাসতে হাসতে কথা বলতে? তার কাছে দুই জন মানুষ মরে যাওয়াটা কেবল সংখ্যা?’

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা সবসময়ই হাসেন। এটি জনগণকে খুশি করার জন্য। কিন্তু সেই হাসি অনেক সময় বুমেরাং হয়ে যায়। শাজাহান খানের গতকালের হাসি তাই হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর ও আশাশুনি তরুণলীগের কমিটি স্থগিত ঘোষণা

 

সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনি উপজেলা তরুণলীগের কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের সভাপতি শাহানুর ইসলাম শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী জিল্লুর রহমান স্বাক্ষরিত একপত্রে আশাশুনি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিস্ক্রিয় থাকায় তা সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়। একই সাথে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা তরুণলীগের কমিটিও স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হতদারিদ্র মহিলাদের মাঝে উপকরণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় হতদারিদ্র মহিলাদের আত্মসামাজিক উন্নয়নে মুরগী, মুরগীর ঘর ও খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ জুলাই সকালে সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে এ বিতরণ কার্যক্রম করা হয়।
সদর উপজেলা নির্র্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন প্রধান অতিথি হিসেবে চার জন হতদারিদ্র মহিলাদের মাঝে এ মুরগী ও মুরগীর পালনের সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা. মো. জিল্লুর রহমানসহ প্রাণী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা পৌরসভার চার জন হতদরিদ্র মহিলাকে ১৫টি করে ৬০টি মুরগী, একটি মুরগীর ঘর এবং মুরগীর খাবার দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি গঠন

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ইটাগাছা ল’চেম্বার প্রাঙ্গনে পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর কবিরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহেদুজ্জামান টিটু। প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড সাইদুজ্জামান জিকো, ত্রান ও পূনর্বাসন সম্পাদক রিয়াজ মাহামুদ রানা, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমান তাজু, শহর সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান সফি, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আয়েশা সিদ্দীকা, জাহাঙ্গীর, হায়াত আলী, মামুন রানা প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে মোঃ জাভেদ হাসান জজকে সভাপতি ও মোঃ রনি ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জজ ও রনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার কেবিএ কলেজে ছাত্রলীগের নবীনবরণ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : দেবহাটার সদ্য সরকারীকরনকৃত সখিপুর কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কলেজ মিলনায়তনে নবীনবরন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান তন্ময়ের সভাপতিত্বে এবং কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আল হাসিব ইপ্তির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেবিএ কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, সখিপুর ইউনিয়ন আঃলীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ। উক্ত নবীনবরন অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরে বলেন, ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। এই সংগঠনটি সৃষ্টির শুরু থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম সহ দেশের সকল ক্লান্তিলগ্নে যে ভূমিকা রেখে এসেছে আজও সেই কর্মকান্ড চলমান। যারা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে চায়, যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীকে একসাথে কাধে কাধ মিলিয়ে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আর সেজন্য তৃনমূল পর্যায় থেকে ছাত্রলীগকে মজবুত করতে কাজ করতে হবে। এসময় ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest