সর্বশেষ সংবাদ-

শিক্ষার্থী নিহত: ২ বাসের চালক-হেলপার গ্রেফতার

দেশের খবর: রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দুই বাসের চালক ও হেলপারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার চারজনকে গ্রেফতারের খবর জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম জানান, রাতভর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

রবিবার কুর্মিটোলায় বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয় আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এদিকে দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের রাস্তায় মানববন্ধনে দাঁড়াতে গেলে পুলিশের বাধায় শুরুতে তাদের কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। সেখান থেকে সরে এসে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে রাস্তা অরবোধ করতে গেলে সেখানেও শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। এ সময় উত্তরাগামী বাস থামিয়ে বেশকিছু শিক্ষার্থীকে পুলিশ সদস্যরা জোর করে বাসে তুলে দেয় বলে অভিযোগ করেছে তারা। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের সামনে ফের জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। তাদের চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

‘ছাত্র হত্যার বিচার চাই/ উই ওয়ান্ট জাস্টিস/ চলার পথটা যদি বিপদজনক হয় তাহলে দেশ সামনে এগুবে কী করে? বাস নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ড্রাইভিং বন্ধ করুন/ ক্ষমতার জোরে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা’- এমন লেখাযুক্ত বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন হাতে নিয়ে স্লোগান দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি কাজী শাহান হক জানান, শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় রবিবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসামে ৪০ লাখ মানুষকে বাদ দিয়ে নাগরিকত্ব তালিকা

বিদেশের খবর: ভারতীয় নাগরিকত্বের চূড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে অাসামের প্রায় ৪০ লাখ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে প্রদেশের সরকার। সোমবার আসামের ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার অব সিটিজেন (এনআরসি) কর্তৃপক্ষ এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে আসামে পাড়ি জমানো অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ১৯৫১ সালের পর এই প্রথম নাগরিকত্বের তালিকা হালনাগাদ করলো আসাম।

এনআরসির কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি খসড়া তালিকা মাত্র। সুতরাং এখনই কাউকে গ্রেফতার অথবা নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। তবে সমালোচকরা বলেছেন, নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ পড়াদের অধিকাংশই প্রদেশের সংখ্যালঘু মুসিলম জনগোষ্ঠীর সদস্য এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

এনআরসি কর্তৃপক্ষ বলছে, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে ৩ কোটি ২৯ লাখ আবেদন জমা পড়েছিল। এরমধ্যে যাচাই-বাছাই উতড়ে নাগরিকত্বের উপযুক্ত হিসেবে ২ কোটি ৮৯ লাখ মানুষ তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন। তবে যথাযথ নথি ও তথ্য-উপাত্ত দিতে না পারায় ৪০ থেকে ৪১ লাখ আসামিজ ভারতীয় নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

এনআরসির একজন সমন্বয়ক জোর দিয়ে বলেছেন, এটি একটি খসড়া তালিকা মাত্র এবং চূড়ান্ত তালিকা নয়। তালিকায় যারা জায়গা পাননি, তারা আবারও আবেদন করতে পারবেন।

ভারতের আসামই একমাত্র রাজ্য যেখানকার বাসিন্দাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য বিভিন্ন-নথিপত্র জমা দেয়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত হতে হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর একদিন আগে অর্থাৎ ২৪ মার্চের পূর্বে আসামিজদের বংশধররা যে সেখানে বসবাস করতেন সেই দাবির পক্ষে কাগজপত্র জমা দিতে হয়েছে এবারের এনআরসিতে জায়গা পাওয়ার জন্য। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুদ্ধ শেষে জন্ম হয় স্বাধীন বাংলাদেশের।

এর আগে ১৯৫১ সালে এক জরিপ চালানোর পর প্রথমবারের মতো এনআরসি তালিকা প্রস্তুত করে আসাম। ওই সময় আসামের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৮০ লাখ। পরে ২০০৫ সালে রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার এবং অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় এক চুক্তি স্বাক্ষরের পর এই তালিকা হালনাগাদ করা হয়। ১৯৮৫ সালের আসাম অ্যাকর্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

২০০৫ সালের পর আবারো এনআরসি তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হলেও রাজ্যের বিভিন্ন অংশে প্রায়ই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এর জেরে বিভিন্ন সময় হালনাগাদ কাজ স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। পরে ২০০৯ সালে আসাম পাবলিক ওয়ার্ক নামের একটি বেসরকারি সংস্থা রাজ্যের অবৈধ বাংলাদেশিদের সনাক্ত করার কাজ অব্যাহত রাখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

পরে সুপ্রিম কোর্ট নির্বিঘ্নে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ কাজ চালু রাখতে আসাম সরকারকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়। এর তিন বছর পর আসামে নাগরিকত্বের চূড়ান্ত খসড়া তালিকা সোমবার প্রকাশ করা হলো।

এদিকে, নাগরিকত্বের দ্বিতীয় দফার চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে আসামের সীমান্তলাগোয়া মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশ ও মনিপুর রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আধা-সামরিক বাহিনীর ২২ হাজার সদস্য আসাম এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে পাঠিয়েছে।

বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে ভারতে পাড়ি জমানোর পর যে সংখ্যালঘুরা সেখানে ছয় বছর অতিবাহিত করেছেন; তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন বলে কেন্দ্র থেকে একটি আইনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু আসামসহ অন্যান্য রাজ্য সরকার এই আইনের বিরোধিতা করেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের অঙ্গীকার করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর ২০১৬ সালে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার নাগরিকত্ব সংশোধন বিল-২০১৬ সালে পাস করে।

কিন্তু বিজেপির এই প্রস্তাবে আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মনিপুরের কিছু রাজনৈতিক দল নাখোশ; যারা ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জোট গঠন করে সরকারে রয়েছে। এই ইস্যুতে বিজেপির ওপর থেকে তারা সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়ারও হুমকি দিয়েছে।

এনআরসি প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হীমান্ত বিশ্ব শর্মা। অতীতে তিনি বলেছেন, তালিকায় যাদের নাম থাকবে না তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

অন্যদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোওয়াল বলেছেন, এনআরসির খসড়া তালিকায় যদি কারো নাম না থাকে তাহলে তাকে বিদেশি হিসেবে মনে করা যাবে না। কারণ এই তালিকা প্রকাশের পর বাদ পড়া মানুষজন তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণের যথেষ্ট সুযোগ পাবেন এবং আবেদনের মাধ্যমে তারা তালিকাখভুক্ত হতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা হাসপাতালের দুর্নীতবাজ কর্মচারী আক্তারের শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে ডাক্তারি সনদ জালিয়াতি, প্রতারনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা সচেতন নাগরিক মঞ্চের ব্যানারে এ কর্মসুচি পালিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা নাগিরক মঞ্চের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসুল, সদস্য সচিব আলী নুর খানর বাবুল, সাতক্ষীরা মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, স্বদেশ পরিচালক মধাব চন্দ্র দত্ত, প্রকৌশলী আবিদার রহমান, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, শ্রমিক নেতা মোমিন হাওলাদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের শাহাবাজ হোসেনের মেয়ে বেবী নাজমিন ও তার বোন মারুফা প্রতিপক্ষের হামলায় জখম হয়ে গত ২৮ মে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তারা ৩১ মে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। সার্জারী কনসালট্যান্ট ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদেরকে চিকিৎসা দেন। একই গ্রামের মাস্টাররোলে কর্মরত রুবেল ওরফে শামীমের মাধ্যমে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারি কাম ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে বেবী, বোন মারুফা ও তাদের মা সাবিনা খাতুনের পরিচয় ঘটে। তবে ২৯ মে ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদের দু’ বোনকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বললে তারা আপত্তি জানায়। বেবীর মাথায় মাথায় ছয়টি সেলাই ও বোন মারুফার মাথায় গভীর ক্ষতের ফলে চারটি সেলাই দেওয়া অবস্থায় ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই ডাঃ শরিফুল ইসলাম ২৯ মে তাদেরকে ছাড়পত্র দিতে চাওয়ায় বিষয়টি অঅক্তার হোসেনকে অবহিত করা হয়। ডাক্তারের দেওয়া এক্সরে স্লিপ নিয়ে ৩০ মে আক্তার হোসেন একজন নার্স বা আয়াকে ডেকে তাদেরকে নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে এক্স-রে করে আসতে বলেন। আক্তার হোসেনের কথামত দু’ বোনের এক্স-রে বাবদ ৭০০ টাকা তাদের সঙ্গে পাঠানো নার্সকে দিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৩০ মে সন্ধ্যায় ভূয়া এক্সরে প্লেট দিয়ে পরদিন ছাড়পত্র দেওয়ার পর এক্স-রে প্লেট, এক্স-রে স্লিপ নিয়ে ছাড়পত্রে কাটাকাটি করে ৩০ মে লিখে তাদেরকে ফেরৎ দেন। ওই দিন মাষ্টার রোলে কর্মরত শামীমের মাধ্যমে বেবী ও মারুফা জানতে পারে যে জামিন পাওয়ানোর সুবিধার্থে তড়িঘড়ি করে দুর্বল ডাক্তারি সনদ দেয়ার জন্য আসামী আব্দুর রহমানের কাছ থেকে৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন আক্তার হোসেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহাদাতুল আলম আবেদন করার আগেই তড়িঘড়ি করে আক্তার হোসেন ২৩ জুন এমসি পাঠিয়ে দেন। দু’ বোনের মাথায় গভীর ক্ষত হওয়ার কারণে কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পরও এমসিতে ছেলা জখম বলে উল্লেখ করায় তারা অবাক হন। হাসপতালে তারা ডাঃ শরিফুল ইসলামের কাছে চিকিৎসা নিলেও তাকে বাদ দিয়ে এমসিতে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ পরিমল কুমার বিশ্বাস, ডাঃ মোঃ মাহাবুবর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল সাক্ষর করেছেন। এমসিতে এক্স-রে করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। সাংসদ অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহের কথা মত বিষয়টি নিয়ে নাগরিক মঞ্চের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসুল একজন সাংবাদিককে নিয়ে গত ১৭ জুলাই সিভিল সার্জনের কাছে গেলে তিনি ৩০ মে ওই ওয়ার্ডে কর্মরত দু’ নার্সকে না ডেকে একজনকে ও সংশ্লিষ্ট ডাঃ শরিফুল ইসলামকে সামনে না রেখে চেষ্টা করেন সিভিল সার্জন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিলকে সামনে রেখে আক্তারের পক্ষ নিয়ে বেবী, মারুফা ও তার মা সাবিনা এক্সরে না করার স্বপক্ষে টিপসহি দিয়েছেন বলে দাবি করে প্রয়োজনে মামলা করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন । এটা দুর্ভাগ্যজনক।
বক্তারা আরো বলেন, আশাশুনি উপজেলার সুভদ্রকাটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ২০১৬ সালের ২০ আগষ্ট শহরতলীর এল্লারচরে এনে সুভদ্রকাটি গ্রামের আওয়ামী লীগ সভঅপতি সোহরাব হোসেনসহ পাঁচজন গণধর্ষণ করে। তাকে পুলিশ উদ্ধার করে পরদিন সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। পরবর্তীতে সদর হাসপাতালে পাঠানো এমসিতে ধর্ষণের কোন আলামত মেলেনি ও তার শারিরিক অবস্থা স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হলেও মহাখালির ফরহেনসিক প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। সদর হাসপাতালের ডাক্তারি সনদ প্রতিবেদন পরিবর্তণ করতে প্রভাবশালী আসামী সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে আক্তার হোসেন এক লাখ টাকা গ্রহণ করে বলে একাধিক দায়্তিশীল সূত্রে জানা যায়। এ ছাড়াও দুর্বল এমসি দেওয়ার জন্য ও এমসি গ্রিভিয়াস করার জন্য সদর হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আক্তার হোসেন পরিচিতি লাভ করেছেন। এ ছাড়া গত বছরের নভেম্বর মাসে কালিগঞ্জের চণ্ডীতলা গ্রামের এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আলামত পরিবর্তনের অভিযোগ রয়েছে আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া সাধারণ ডাক্তারি সনদ গ্রিভিয়াস হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া, গ্রিভিয়াস সনদ সিমপিল ইন নেচার হিসেবে লিখিয়ে নেওয়া ব্যাপারে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আক্তারের বিরুদ্ধে। ফলে এক সময়কার জিরো আক্তার এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। ডাাক্তারদের অনিয়মে বাধ্য করতে ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কতিপয় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে আক্তার হোসেন মাষ্টার রোলে কর্মরত কয়েকজন অসহায় মেয়েকে ব্যবহার করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্যাথলজি বিভাগের রবিন, ওয়ার্ড মাষ্টার হয়েও স্টোর কিপার হিসেবে কামরুল ও স্বাস্থ্য সহকারি হিসেবে আক্তার হোসেন পুরো হাসপাতালটাকে জিম্মি করে ফলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছেন। ডাক্তারি সনদে অনিয়মের ক্ষেত্রে আক্তার হোসেনের নেওয়া আর্থিক সুবিধা সিভিল সার্জন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকেন।
আর্থিক সুবিধা নিয়ে কোন রোগীর ডাক্তারি সনদ জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেন বলেন, মাষ্টার রোলে কর্মরত কোন নারীকে তার ইচ্ছা মত ব্যবহার করার প্রশ্নই ওঠে না। তাকে অহেতুক জড়ানো হচ্ছে। কারণ কোন ডাক্তারি সনদে তার সাক্ষর থাকে না।
তবে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাক্তার তওহিদুর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল হাসপাতাল সংক্রান্ত কোন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বেবী ও মারুফার অভিযোগের ভিত্তিতে আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন সিটিতে ভোট শেষে চলছে গণনা

দেশের খবর: বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগর পিতা নির্বাচনে ভোট দেন তিন সিটির ভোটাররা। এখন ফলাফলের অপেক্ষা। চলছে ভোট গণনা।

তিন সিটিতে মোট ১৪টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হয়েছে। তিন সিটি কর্পোরেশনে মোট ভোটার প্রায় ৯ লাখ।

সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পর থেকেই কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, এজেন্টদের ঢুকতে না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করতে থাকেন বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বদরুদ্দিন আহমেদ কামরান ও সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং নিশ্চিত পরাজয় জেনে এসব অভিযোগ করছে।

দুপুরে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ইসলামীয়া কলেজ ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নেন। তার অভিযোগ- ওই কেন্দ্রে মেয়র প্রার্থীর ব্যালট শেষ হয়ে গেছে। বুলবুল প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালটের হিসাব চান। তিনি বলেন, ব্যালটের হিসাব না পেলে তিনি সেখান থেকে যাবেন না।

রাজশাহীতে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেছেন, ৭৬টি কেন্দ্রে অনিয়ম ও জালভোটের ঘটনা ঘটেছে।

নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপিসহ চারটি দলের মেয়র প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের ওবাইদুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মনীষা চক্রবর্তী ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে পৃথকভাবে এ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তারা।

অপরদিকে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরিশাল নগরীর অক্সফোর্ড মিশন রোডে নিজ বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। তিনি নতুন তফসিল দিয়ে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ভোট বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। এতে তিনি ৪১টি কেন্দ্রের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন। এর আগে নগরের কাজী জালালউদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে নিজ কার্যালয়ে গিয়ে বলেন, এবার ভোট চুরির ঘটনা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এমনটা সিলেটে আগে কখনো হয়নি। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মেয়র পদে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী মো. আবু জাফর ‘নজিরবিহীন কারচুপির’ অভিযোগ এনে সব কেন্দ্রের ভোট বাতিলের আবেদন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামানের কাছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় ৬ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিল শিক্ষার্থীরা

দেশের খবর: রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়েছে। এতে করে সোমবার বিকেল চারটা থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আজ সকাল থেকে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে রাখলেও দুপুর দেড়টার দিকে শেওড়া রেলগেটে এলাকায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। নিরাপত্তাজনিত কারণে দুপুর দেড়টা থেকে ঢাকার সঙ্গে সব ধরনের রেল চলাচল বন্ধ রাখে রেল কর্তৃপক্ষ। পরে দুপুর সাড়ে তিনটার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানান ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোজাম্মেল হোসেন।

এরপর হোটেল র‌্যাডিসনের সামনে থেকে শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়া হলে বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিকেল চারটা থেকে বিমানবন্দর সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ডিসি ট্রাফিক প্রবীর কুমার রায়।

এর আগে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং বেপরোয়া গাড়ি চালকদের ফাঁসির দাবিসহ ৯ দফা দাবি জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি হলো-
১. বেপোরোয়া ড্রাইভারকে ফাঁসি দিতে হবে এবং এই শাস্তি সংবিধানে সংযোজন করতে হবে।
২. নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর গতকালের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
৩. শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভার ব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. প্রত্যেক সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাতে স্পিড ব্রেকার দিতে হবে।
৫. সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্র-ছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।
৬. শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে, থামিয়ে তাদের বাসে তুলতে হবে।
৭. শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবে না।
৯. বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন সিটি নির্বাচনে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি: হানিফ

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, তিন সিটিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। এজেন্টদের বের করে দেওয়ার যে অভিযোগ বিএনপি করেছেন সেগুলোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে হবে। অন্যথায় তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

আজ সোমবার রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিন সিটির নির্বাচনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পরাজয় জেনেই বিএনপি বিভিন্ন মনগড়া মন্তব্য করছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। আসলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি এ ধরনের অভিযোগ করছে। তাদের এই অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ সময় তিনি পরাজয়ের ভয়েই বিএনপি মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এটি তাদের পুরোনো অভ্যাস বলেও মন্তব্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘স্বজন হারানোর ব্যথা উপলব্ধি করতে পারি’

দেশের খবর: রোববার রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘গতকাল বিমানবন্দর সড়কে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় নিহত দুইজন শিক্ষার্থী রাজীব এবং মীম এর অকাল মৃত্যুতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করছি। গত সপ্তাহে রাজশাহীর গোদাগাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার ভাতিজি কেয়া, তার দুই শিশুসন্তান, গৃহ পরিচারিকা এবং গাড়িচালক একইসাথে নিহত হয়।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘স্বজন হারানোর ব্যাথা যে কি নিদারুণ কষ্টের তা আমি বেশ উপলব্ধি করতে পারি। বিশেষ করে এই ধরণের অকাল মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। মহান আল্লাহ্ তাদের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন।’

‘ঘাতক বাস চালককে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। দ্বোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বদাই সচেষ্ট। পাশাপাশি দুর্ঘটনা প্রতিরোধেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে৷ কিছুদিন আগে মন্ত্রীসভার বৈঠকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ৬টি কার্যকরী নির্দেশনা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

‘চালক ও তার সহকারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, দূরপাল্লার যাত্রায় একজন চালককে যেন ৫ ঘন্টার বেশি একটানা গাড়ি না চালাতে হয় সেজন্য বিকল্প চালক রাখা, নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর সড়কের পাশে সার্ভিস সেন্টার বা বিশ্রামাগার তৈরি করা, অনিয়ম তান্ত্রিক রাস্তা পারাপার বন্ধ, সিগন্যাল মেনে চলা এবং চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট বাধা। সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এই নির্দেশনা দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।’

সবশেষে তিনি লিখেছেন ‘নিয়ম মেনে চালাবো গাড়ি, নিরাপদে ফিরব বাড়ি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

দেশের খবর: রাজধানীতে বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তাদের পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোটের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সোমবার দুপুরে হাইকোটের্র সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।

গতকাল দুপুরের দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে রাজীব (১৭) ও একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম ওরফে মিম (১৬)।

দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় দুই বাসচালক ও দুই সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গতকাল দুর্ঘটনার পরপরই রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়, পুড়িয়েও দেয়া হয় কয়েকটি গাড়ি। আজও সে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest