সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

বাংলাদেশের ছেলে আবদুন নূর ‘রানি রাসমণি’র রাজচন্দ্র

বিনোদন সংবাদ: ‘আমার মা কলকাতায় এসেছেন। চিকিৎসার জন্য। তাই সকালে আপনি যখন ফোন করেছেন, তখন কথা বলতে পারিনি।’ শুরুতেই দুঃখপ্রকাশ করেন গাজী আবদুন নূর। গতকাল রোববার সকালে কলকাতা থেকে তিনি নিজেই ফোন করে বললেন। জি বাংলার এ সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’। এখানে তিনি ‘রানিমা’ রানি রাসমণির স্বামী রাজচন্দ্র দাশের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালের জন্য শুধু ভারতের বাংলা টিভি চ্যানেলের দর্শকদের কাছেই নয়, বাংলাদেশের টিভির দর্শকদের কাছেও এখন খুব পরিচিত গাজী আবদুন নূর। শুরুতেই জানালেন, তিনি বাংলাদেশের ছেলে। বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলায় দাদার বাড়ি আর নানার বাড়ি গোপালগঞ্জে। তাঁদের বাসা মোল্লারহাটে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা করেছেন সেখানেই। কলকাতায় যান ২০১১ সালে। গাজী আবদুর নূর মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িত হন বাংলাদেশেই। বিবর্তন যশোরের সদস্য। এই দলের হয়ে ২০১১ সালে কলকাতায় যান। অনীক থিয়েটার আয়োজিত গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসবে ‘রাজা প্রতাপাদিত্য’ নাটক নিয়ে অংশ নেয় বিবর্তন যশোর। ওই সময় সেখানে নাটক নিয়ে পড়াশোনা করার ব্যাপারে আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। যোগাযোগ করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। নাটক নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়ে যান। পরের বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামা বিভাগে ভর্তি হন। সাফল্যের সঙ্গে স্নাতক শেষ করার পর স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তি পান। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন।

বাবা গাজী আবদুল মান্নান যখন মারা যান, তখন গাজী আবদুন নূর খুব ছোট। এক সময় সংসার চালানোর ভার চলে আসে তাঁর ওপর। তাই কলকাতায় শুরু থেকেই কাজের সন্ধানে ছিলেন। শুরুতেই ক্যামেরার পেছনের কাজ। অরোরা ফিল্মস, চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, ১১১ বছরের পুরোনো। এখানে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ পান। গাজী আবদুন নূর বললেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানটি অনেক কাজ করেছে। আজকের টালিউড হওয়ার পেছনে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট অবদান। এখানে যে চেয়ারে সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন থেকে শুরু বড় বড় নির্মাতা বসেছেন, সেই চেয়ারে আমিও বসেছি। অন্য রকম অনুভূতি হয়েছে আমার মধ্যে।’

খুব বেশি দিন ক্যামেরার পেছনে কাজ করতে হয়নি তাঁকে। কারণ, একসময় তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নেন, পেছনে নয়, ক্যামেরার সামনে কাজ করবেন। কিন্তু কলকাতার টিভি ও চলচ্চিত্রে এখন কঠিন প্রতিযোগিতা। এর মাঝে কীভাবে নিজের জন্য এতটুকু জায়গা করে নেবেন গাজী আবদুন নূর! জানালেন, শুরুতে তাঁর ইচ্ছা ছিল বড় পর্দায় কাজ করবেন। কিন্তু প্রস্তাব পেলেন ছোট পর্দার। কালারস বাংলার ‘রেশম ঝাঁপি’ আর জি বাংলার ‘বাক্স বদল’ সিরিয়ালের মূল চরিত্র। কিন্তু তিনি রাজি হননি। বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, দুটোই গতানুগতিক গল্প।’

‘রেশম ঝাঁপি’র অডিশনে জি বাংলার একজন গাজী আবদুন নূরকে দেখে পছন্দ করেন। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে রাজচন্দ্র দাশের চরিত্রে অডিশন দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান তাঁকে। কিন্তু সে কী, এই চরিত্রে অডিশন দিতে এসেছে ২০০ জন! এখানে গাজী আবদুন নূরের সিরিয়াল ১১৭। কীভাবে সম্ভব? বললেন, ‘এত দিন ড্রামা নিয়ে পড়েছি, তাই কিছুটা আত্মবিশ্বাস ছিল। শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছি।’

রানি রাসমণির যে গল্প ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালে তুলে ধরা হয়েছে, তা ২০০ বছর আগের। সিরিয়ালেও রয়েছে সেই সময়ের আবহ। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে কিছু নাটকীয়তা যুক্ত করা হলেও মূল গল্প থেকে সরে যায়নি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এই সিরিয়ালে কাজ করতে এসে গাজী আবদুন নূর বাস্তব জীবনেও নিজেকে ‘জমিদার রাজচন্দ্র দাশ’ ভাবতে শুরু করেছেন। জানালেন, এই সিরিয়ালের কাজ শুরু করার আগে পাঁচ বছর সেই কাহিনি নিয়ে গবেষণা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য সব ঘটনা আর সংশ্লিষ্ট চরিত্রগুলো যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার শতভাগ চেষ্টা ছিল। গবেষণা থেকে রাজচন্দ্র দাশের চেহারার ব্যাপারে যতটা ধারণা পাওয়া গেছে, সেভাবেই নিজেকে সাজিয়েছেন। সেই পুরোনো আমলের জমিদারদের সঙ্গে মিলে যায়, তেমনিভাবে গোঁফ আর দাড়ি রেখেছেন। কলকাতায় যে বাড়িতে তিনি আছেন, সেই বাড়ির জন্য তিনি সব আসবাবপত্র সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন নিলাম থেকে। সেসব আসবাবপত্র বিভিন্ন জমিদারবাড়ির।

২০০ বছর আগে কলকাতার বাবুরা যেভাবে কথা বলতেন, গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে তার কিছু রূপ। গাজী আবদুন নূর বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ছেলে। আমাদের উচ্চারণ আলাদা। এই সিরিয়ালে কাজ করতে এসে আমি সেই বাবুদের কথা বলার ধরন আর চলাফেরা রপ্ত করেছি।’

জমিদার রাজচন্দ্র দাশের ব্যাপারে গাজী আবদুন নূর বলেন, ‘ইতিহাসের কোথাও জমিদার রাজচন্দ্র দাশের কিছু পাওয়া যায় না। সব জায়গায়ই আছেন রানিমা রানি রাসমণি। কিন্তু জমিদার রাজচন্দ্র দাশ অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। এই যেমন কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা, সড়ক নির্মাণ, ঘাট নির্মাণ, সতীদাহ প্রথা রোধ। সবাই জানেন, একজন পুরুষের সাফল্যের পেছনে তাঁর স্ত্রীর ভূমিকা থাকে। কিন্তু এখানে ঘটেছে উল্টোটি। স্ত্রীকে তিনি বলেছিলেন, “আমার লোকসমাজে পরিচিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তুমি বড় হও। সবাই তোমাকে জানুক।” রাজচন্দ্র দাশ কিন্তু প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরকেও ঋণ দিয়েছিলেন। এমনি অসংখ্য ঘটনা যখন জেনেছি, তখন রাজচন্দ্র দাশ চরিত্রটা প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। এই মানুষটার জন্য নিজের মধ্যে একটা টান অনুভব করছি।’
সূত্র: প্রথমআলো।

সিরিয়ালের শুরুতেই সতীদাহ প্রথার বিরোধিতা করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান রাজচন্দ্র দাশ। চরিত্রটা তখনই শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু দর্শক জরিপ থেকে জানা যায়, ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’ সিরিয়ালের শুরুতেই জনপ্রিয় হয় ‘রাজচন্দ্র দাশ’ চরিত্রটি। তখন জি বাংলার বিপণন বিভাগ থেকে জানানো হয়, রাজচন্দ্রকে মেরে ফেললে সিরিয়াল চলবে কাকে দিয়ে? অল্পদিনে জনপ্রিয় হওয়ায় গাজী আবদুন নূরকে শুভেচ্ছা জানায় জি বাংলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তাঁর বাসায় ফুল আর উপহার হিসেবে পাঠানো হয় নানা কিছু।

গাজী আবদুন নূরকে নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। কিন্তু এখনই চলচ্চিত্রের জন্য সময় দিতে পারছেন না গাজী আবদুন নূর। বললেন, ‘সিরিয়ালটি একটা জায়গায় পৌঁছে গেছে। আমাদের সপ্তাহে সাত দিনই কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু একটা চলচ্চিত্রের জন্য ন্যূনতম ১৭-১৮ দিন সময় দিতে হবে। এখন যদি আমি ছুটি নিই, তাহলে সিরিয়ালটির জনপ্রিয়তার ওপর তার প্রভাব পড়বে। তা আমি চাই না।’
গাজী আবদুন নূরের মনে অভিনয়ের পোকাটা নাকি ঢুকিয়েছিলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা ফেরদৌস হাসান রানা। তখন গাজী আবদুন নূর যশোর থেকে ঢাকায় আসছিলেন বেড়াতে, বোনের বাসায়। বললেন, ‘আমি ক্লাস নাইনে পড়ছি। গাড়িতে পরিচয় হয় এই নির্মাতার সঙ্গে। তিনি আমাকে অভিনয়ে যোগ দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। তাঁর সেই কথা আমি ভুলিনি।’

জানালেন এরই মধ্যে তিনি বাংলাদেশের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। নাম ‘যৈবতী কন্যার মন’। সেলিম আল দীনের কাহিনি থেকে ছবিটি তৈরি করেছেন নারগিস আক্তার। ছবিটি আগামী ৩ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা আছে। এর আগে তিনি বাংলাদেশে আসবেন, ছবিটির প্রচারণার কাজে অংশ নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নোট ইস্যু হচ্ছে আজ

দেশের খবর: বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে নতুন মুদ্রিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নোট আজ ইস্যু করা হবে। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংবলিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের নতুন কারেন্সি নোটে অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতই থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ইফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে তুফান কনভেনশন সেন্টারে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলীর পরিচালনায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ মোখলেছুর রহমান, সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার, সদর থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড হাসানুল ইসলাম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশ, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১০.৬.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি যেন অব্যাহত থাকে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি যেন অব্যাহত থাকে সবাইকে সে বিষয়টা দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। রবিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মেট্রো টরন্টো মেট্রো কনভেনশন সেন্টারে কানাডিয়ান আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে আওয়ামী লীগ সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যেটুকু করতে চেয়েছি তার চেয়ে বেশি কাজ করেছি। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা, অবকাঠামো উন্নয়ন, মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এসময় আগামীতে দেশকে আরো উন্নয়ন-অগ্রগতির পথে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসের মদতদাতা বিএনপি-জামায়াত আবার ক্ষমতায় এলে দেশটা রসাতলে যাবে। বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে গড়তে হবে। আমরা দেশকে ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

উন্নয়ন-অগ্রগতিতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে বলেই জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনে তারা বাংলাদেশকে দাওয়াত করেছে। আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন ও সে সময়কার সহিংসতার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশে নির্বাচনী অপকর্ম বিএনপি ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শুরু করেছেন বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছি। আন্দোলন সংগ্রাম করে নির্বাচনে সুষ্ঠু ধারা প্রতিষ্ঠিত করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বিভিন্ন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের জয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন নির্বাচনে তাদের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। আমরা তো জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে যাইনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ সোমবার। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ই জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সেনা সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ই জুলাই গ্রেপ্তার হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজধানীর ইস্কাটন লেডিস ক্লাবে বিকেল সাড়ে ৫ টায় এক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী যুব লীগ। সভায় খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও নেই মোস্তাফিজ

খেলার খবর: আইপিএল থেকে চোট নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। তাই খেলা হয়নি সদ্য সমাপ্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ফেরা আরো দীর্ঘ হচ্ছে মোস্তাফিজের। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম টেস্ট থেকে বাদ দেয়া হলো টাইগার সেনসেশনকে।
জাতীয় দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছেন, পায়ের ইনজুরির কারণে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট মিস করতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ। তবে দ্বিতীয় টেস্টের দলে ফেরার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে তার বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
মোস্তাফিজের ইনজুরির মধ্যেই আফগানিস্তানের কাছে হেরে ভারত থেকে নাকানি-চুবানি খেয়ে এসেছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল। যদিও সে সব ভুলে বাংলাদেশ দলের সামনে এখন শুধুই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর।
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ২টি টেস্ট, ৩টি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য ২২ জুন দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। আজ সোমবার টেস্ট দল ঘোষণা করবে বিসিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেলের শরবতের জুড়ি মেলা ভার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গাছে বেল পাকিলে কাকের কী? সত্যিই তো তাই। কাক যতই ঠোকর মারুক, বেলের শক্ত খোসা তার পক্ষে ভাঙা সম্ভব নয়। বাগধারাটি নানা অর্থে ব্যবহৃত হয়। বেল পাকলে কাকের কিছু যায় আসে না, কিন্তু মানুষ পাকা বেল খেতে পছন্দ করে। পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এই ফল। অনেকে তাই বলে ‘শ্রীফল’। ফলটি দেখতে ততটা সুশ্রী নয়, কিন্তু নানা উপকারের গুণেই তার দারুণ কদর। পবিত্র রমজান মাসে চলছে নিদারুণ খরতাপ। এই গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ইফতারে এক গ্লাস বেলের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। গরমে তৃষ্ণা মেটানোই নয়, অনেকে বেলের পুষ্টিগুণের জন্যই পান করে বেলের শরবত।

পুষ্টিবিদদের মতে, সারা দিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। শরীরে পানিশূন্যতা পূরণে পান করা যেতে পারে বেলের শরবত। নিমিষেই তা শক্তি দেবে। শরীরকে করবে তরতাজা। তাই ইফতারে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে ও শরীরের পুষ্টি জোগাতে বেলের শরবত পান করার পরামর্শ দেন তাঁরা। বেলের শরবত নিমেষেই প্রাণ জুড়ায়। পাশাপাশি বেলের গুণও রয়েছে অনেক। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়াম। মোটামুটি সারা দেশেই জন্মে বেলগাছ। তেমন যত্ন-আত্তি ছাড়াই বেড়ে ওঠে বেলগাছ। গ্রামে-মফস্বলে বসতবাড়ির ধারে দেখা মেলে এ গাছের। বেল এ অঞ্চলেরই ফল। ভারতবর্ষ ছাড়াও থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার নানা দেশে বেলগাছ দেখা যায়। বাংলাদেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, দিনাজপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা ইত্যাদি জেলায় ভালো জাতের বেল জন্ম হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বেলগাছ ও ফল অত্যন্ত পবিত্র। বেলের পাতা পূর্জা-অর্চনায় ব্যবহৃত হয়। এ জন্য তারা বেলগাছের কাঠও লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করে না।

কাঁচা বেলের রং সবুজ, পাকলে হলদে হয়। বেলের শক্ত আবরণের ভেতরে শাঁসের রং কমলা বা হলুদ। বেল পাকলে শক্ত আবরণ ভেদ করেও ছড়িয়ে পড়ে সুগন্ধ। পাকা ফল মিষ্টি ও সুস্বাদু। সাধারণত ফাগুন-চৈত্র মাসে বেলগাছের পাতা ঝরে যায়। বৈশাখ মাসে গাছে আসে নতুন পাতা ও ফুল। এ সময়ই পাকে বেল। পাকা ফলের ভেতর থাকে বীজ। সেগুলো জড়িয়ে থাকে আঠার সঙ্গে। কিন্তু তা সহজেই ছড়ানো যায়।

রন্ধনশিল্পী ফাতেমা আবেদীন নাজলা বলেন, ‘ঝটপট বানানো যায় পাকা বেলের শরবত। মাঝারি আকারের একটি পাকা বেল দিয়ে চার গ্লাস শরবত বানানো যায়। পাকা বেল ভেঙে, বিচি ছাড়িয়ে আঁশ সংগ্রহ করতে হবে। পাকা বেলের বীজ বেছে ফেলতে হবে। বীজসহ ব্লেন্ড করলে শরবত তিতা হয়ে যেতে পারে। সামান্য চিনি ও ঠাণ্ডা পানি অথবা বরফকুচি দিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ড করলেই বেলের শরবত হয়ে যাবে। বাসায় ব্লেন্ডার মেশিন না থাকলেও সমস্যা নেই। কেননা পাকা বেলের আঁশ বেশ নরম ও মোলায়েম। সহজেই তা পানির সঙ্গে মিশে যায়। বেলের শরবতের সঙ্গে বাড়তি স্বাদের জন্য মেশানো যেতে পারে দই কিংবা চিনি।’

একটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আনোয়ার ভূঁইয়া বলেন, ‘বেলের শরবত পেটের নানা অসুখ সারাতে বেশ কার্যকর। দীর্ঘমেয়াদি আমাশয় ও ডায়রিয়া থাকলে কাঁচা বেল উপকারী। পাকা বেলও খাওয়া যেতে পারে। বেলের শাঁস পিচ্ছিল, তাই পাকস্থলীর জন্য তা উপকারী। বেলের শরবত যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, তেমনই হজমে সহযোগিতা করে।’ তিনি আরো বলেন, বেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি গ্রীষ্মকালীন বহু রোগবালাই দূর করে। এ ছাড়া বেলের শরবত পান করলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। এ ছাড়া বেলের ভিটামিন এ চোখের নানা সমস্যা দূর করে।

বাজারে খুঁজলেই পাকা ফল পাওয়া যায়। তবে এখন দাম বেশ চড়া। কারওয়ান বাজারের মসজিদ মার্কেটে খুচরা ও পাইকারি বেল বিক্রেতা আবদুল মিয়া জানান, আকারভেদে বেলের দামে তারতম্য রয়েছে। মাঝারি আকারের প্রতিটি পাকা বেলের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা। একটু ছোট আকারের প্রতিটি পাকা বেলের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আর বড় আকারে পাকা বেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা।

রাজধানীর প্রায় প্রতিটি জুসবারে বিক্রি হয় পাকা বেলের শরবত। মগবাজারের আলিম জুসবারের কর্ণধার আজিম উদ্দিন বলেন, বেলের শরবতের বেশ চাহিদা রয়েছে। ইফতারের আগে অনেকেই বেলের শরবত কেনেন। পাকা বেলও কেনেন। প্রতি গ্লাস বেলের শরবতের দাম ৪০ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২ লাখ পেরিয়ে শাকিব-বুবলীর ‘বুম বুম’ (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক: ইউটিউবে গত ৮ জুন প্রকাশ পেয়েছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও বুবলী অভিনীত “সুপার হিরো” ছবির প্রথম গান “বুম বুম”।

গানটি প্রকাশের তিন দিনের মধ্যেই ১২ লক্ষ বার ইউটিউবে গানটি দেখেছেন দর্শকরা। অস্ট্রেলিয়ায় চিত্রায়িত গানটিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন শাকিব খান- বুবলী। দৃষ্টিনন্দন এই গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন চেন্নাইয়ের প্রফুল্ল পারিদা। সুদীপ কুমার দীপের লেখা গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রতীক হাসান ও শওরীন।

বহুল প্রতীক্ষিত ছবিটি ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান “হার্টবিট প্রোডাকশন হাউজ” প্রযোজিত এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা আশিকুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest