সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ১ আসামী আটকদেবহাটায় সাদা ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরা

বিশ্বকাপ থিম সংয়ের ভিডিও

খেলার খবর: বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক ছয়দিন আগে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সংয়ের ভিডিও রিলিজ করল ফিফা।

উইল স্মিথের সঙ্গে গানে কণ্ঠ দিয়েছেন পপস্টার নিকি জ্যাম আর এরা এস্ত্রাফি। ‘লিভ ইট আপ’ নামে কিছুদিন

আগেই গানটির অডিও রিলিজ দেয়া হয় ফিফা থেকে। এখন পর্যন্ত শুধু ইউটিউবে গানটি ১৭ মিলিয়নের বেশিবার শোনা হয়েছে।

তবে অডিও রিলিজের পর থেকেই গান নিয়ে ছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

অনেকের কাছেই মনে হয়েছে, আগের দু’আসরের কে’নানের ‘ওয়েবিন ফ্ল্যাগ’ অথবা শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’র ধারে-কাছেও নেই এই গান।

তবে গানের ভিডিও আসার পর তাদের হয়তো মন ভালো হয়ে যেতে পারে!

বিশ্বকাপের গান বিধায় বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করেই পুরো ভিডিও সাজানো হয়েছে।

আর চমক হিসেবে গানে কেমিও দিয়েছেন ২০০২ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল ব্রাজিলের সুপারস্টার রোনালদিনহো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মাছের বরফ দিয়ে তৈরি হচ্ছে শরবত!!

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মাছের বরফ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ঠান্ডার শরবত!!
প্রচন্ড গরম আর তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ তখন শিশু থেকে সব বয়সীরা ভ্রাম্যমান দোকান থেকে তৃষ্ণা মেটাতে ঠান্ডা শরবত পান করছেন। বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীরা গ¬াসপ্রতি ৫টাকা দরের এই পানি পান করছে। কলারোয়া বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র হরহামেশায় দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেটা আদৌ স্বাস্থ্যসম্মত কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ। সরেজমিন বিষয়টি দেখতে ও খোঁজ নিতে গেলে বেরিয়ে আসে ভয়াবহ চিত্র, যা অনেকেরই অজনা।
জানা গেছে- ‘ওই ঠান্ডা পানীয়জল তৈরি হচ্ছে মাছে ব্যবহার করা নোংরা বরফ দিয়ে।’
কলারোয়ার একটি বরফ মিলের শ্রমিক একরামুল হোসেন জানান- ‘এসব বরফ গুলো মাছের পেটিতে দিয়ে ঢাকা পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। মাছে ব্যবহৃত বরফ তৈরির জন্য সাধারণ পানি কিংবা পুকুর-জলাশয়ের পানিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তুলনামূলক স্বল্পমূল্যে বরফ বিক্রির জন্য অতিসাধারণ পানি কিংবা অনেকক্ষেত্রে হাতের কাছের নোংরা পানি দিয়েই বরফ তৈরি করা হয় শুধুমাত্র সেই বরফ মাছের পেটিতে ব্যবহারের জন্য।’
তিনি আরো জানান- ‘তবে কিছু ফুটপাতের অসাধু ব্যবসায়ী অতিমূল্যে মাছের নোংরা বরফ কিনে নিয়ে গিয়ে সেই বরফের ঠান্ডা পানি দিয়ে শরবত তৈরি করে কলারোয়া বাজারে ব্যবসা করে আসছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়- ‘ইউরেকা ফুয়েল পাম্প সংলগ্ন বরফমিলসহ আশপাশের কয়েকটি বরফ মিলে আস্ত বরফের থান তৈরি করা হয়। সেখান থেকে বরফের থানগুলো ভ্যান-ট্রলিযোগে নেয়া হয় কলারোয়া পুরাতন খাদ্যগুদামের পাশে পাইকরী মাছ বাজার সংলগ্ন বরফ টুকরা করার দোকানে। সেখানে থানের বরফগুলো মেশিনে ফেলে টুকরা কিংবা গুড়া করা হয়। এমনকি পা দিয়েও অনেকসময় বরফের টুকরা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সেই টুকরা বা গুড়া বরফ মাছের পেটিতে দিয়ে মাছ প্রক্রিয়াজাত করা হয়। বরফ মিল ও বরফ গুড়া করার দোকানের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকরা। কিন্তু ওই বরফ মিল কিংবা বরফ টুকরা করার দোকান থেকে কতিপয় অসাধু ভ্রাম্যমান ঠান্ডা পানির শরবত বিক্রেতারা বরফ কিনে সেই পানি দিয়ে শরবত তৈরি করে বিক্রি করছে। বিক্রির সময় ওই পানিতে সিগারিন, সামান্য ইসুবগুলির ভুষি, তকমা ফল, ট্যাঙ জাতীয় ফ্লেবারের পাউডার ও অন্যান্য কিছু মিশিয়ে বিক্রি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে অনেক সময় সরাসরি বরফ গলা পানি ব্যবহার করা হচ্ছে আবার পানির পাশে বরফদিয়ে পানি ঠান্ডা করা হচ্ছে। কিন্তু যেভাবেই হোক সেটা স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।’
কলারোয়া বাজারের এক সরবরত ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।
অস্বাস্থ্যকার এই পানীয় শরবতজল মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর উলে¬খ করে কলারোয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা.শফিকুল ইসলাম জানান- ‘এ জাতীয় পানি পান করলে ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিস, টায়ফয়েডসহ পেটের বিভিন্ন অসুখ হতে পারে। এমন কি কিডনি ও লিভারের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় গণহত্যায় বেঁচে যাওয়া শিবু পাল নিরবে চলে গেলেন

নিজস্ব প্রতিনিধি : নিরবে নিভৃতে চলে গেলেন কলারোয়ার মুরারীকাটির পালপাড়া যুদ্ধের সময় বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুরারীকাটির পালপাড়ায় হানাদারদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞে ভাগ্যের জোরে যে ৩জন বেঁচে যায় তার মধ্যে শিবু পাল ছিলেন একজন। গত ৭জুন রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি মারা যান। শুক্রবার ৮জুন সকালে মুরারীকাটি শশ্মানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য হয়।
শিবু পাল, কলারোয়ার পালপাড়া গণহত্যার সময় বেঁচে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শী। ৭১’এ মহান মুক্তিযুদ্ধোর সময় এপ্রিলের ২৯ তারিখে পাকহানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে ৬জন শহীদ হন। আহত হন আরো ২/৩জন। তাদের মধ্যে শিবু পাল একজন। মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিলো ৮০বছরের উপরে। শিবু পালের পিতার নাম স্বর্গীয় মানদার পাল। স্ত্রীর নাম শান্তি পাল। সন্তানের নাম জগবন্ধু পাল ও শ্যামপদ পাল। শেষ বষসে তিনি টালি কারখানায় কাজ করতেন।
জানা গেছে- যুদ্ধে বেঁচে যাওযার সময় হানাদারদের বেয়েনেট’র খোচায় বুকে মারাত্মক আঘাত পেয়ে আহত হয়েছিলেন। প্রচার বিমুখ যুদ্ধাহত ব্যক্তিটির খোঁজ অনেকে রাখতেন আবার অনেকে জানতেন-ই না। আর্থিক অস্বচ্ছলতা আর জীবনযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার লড়াইয়ে ছিলেন অটুট। আর মৃত্যুর পরও অনেকের অজানায় চলে গেলে না ফেরার দেশে।
সূত্র জানায়- শেষ তিনবার শিবু পাল বয়স্কা ভাতা পেয়েছিলেন। পালপাড়া গণহত্যায় বেঁচে যাওয়া ২জনের মধ্যে শিবু পালের মহাপ্রয়ান হওয়ায় এখনমাত্র বেঁচে আছেন তৈলক্ষ্ম পাল।
দেশ স্বাধীনের জন্য বুকের তাজা রক্ত দেয়া প্রয়াত শিবু পালের জন্য রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বড়পর্দায় বিশ্বকাপ দেখতে কলারোয়ায় নেতাকর্মীদের প্রোজেক্টর দিলেন লাল্টু

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য নেতাকর্মীদের মাঝে প্রোজেক্টর বিতরণ করলেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু।
৯জুন শনিবার সকালে লাল্টু তাঁর বাসভবনে আগত উপজেলার ১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েকজন নেতাকর্মীর হাতে ওই প্রোজেক্টর তুলে দেন।
আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান- ‘সবাই মিলে বড় পর্দায় খেলা দেখার আনন্দ-ই আলাদা। সবাইকে নিয়ে আনন্দ উপভোগ করাই আমার মূল উদ্দেশ্য। আর তাই উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের কলাটুপি গ্রামের নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিত দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রোজেক্টর বিতরণ করলাম।’
এসময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা লাল্টুর দীর্ঘায়ু ও উত্তোরত্তর উন্নতি কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইদ উপলক্ষ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরায় দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

আসাদুজ্জামান: ইদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় অসহায় ও দূঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের আয়োজনে শনিবার সকাল ১০ টায় পুলিশ লাইন মাঠে উক্ত বস্ত্র বিতরন করা হয়।
সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজ হাতে দূঃস্থদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরন করেন।
এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মঈন উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার, সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার) হুমায়ন কবির, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠান থেকে এ সময় জেলার ৬’শ পুরুষ ও ৩’শ মহিলাদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ধুলিহরে বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার ধুলিহরে বজ্রপাতে বেল্লাল হোসেন নামের এক বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বালুইগাছা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
শিশু বেল্লাল হোসেন বালুইগাছা গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম হোসেন খোকনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরে বালুইগাছা গ্রামে আকষ্মিক বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। এ সময় বজ্রপাতের শব্দে ঘরের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা শিশু বেল্লাল অতংকিত হয়ে অসূস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত স্থানীয় ব্রহ্মরাজপুর বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ দিকে, শিশুটির মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগুনে দগ্ধ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষকের মৃত্যু

শিক্ষা সংবাদ: নরসিংদীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের সাবেক শিক্ষক আতাউর রহমান ভূঁইয়া নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৮ জুন) বিকেল পাঁচটার দিকে জেলার শিবপুরে এ ঘটনা ঘটে।

স্বজনরা জানান, আতাউর রহমান বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। বিকেলে রান্না করার সময় চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনে প্রতিবেশী সেলিম মিয়া চিৎকার চেচামেচি করে এলাকার মানুষ  জড়ো করেন। এসময় আতাউর রহমানের শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শিবপুর উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাস গড়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

খেলার খবর: মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে মহিলা এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। কুয়ালালামপুরে শনিবার রবিন রাউন্ডে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের ৭০ রানে হারিয়েছে সালমা খাতুনরা। যাতে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতে বাংলাদেশ, রবিবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা ভারতের।

রবিন রাউন্ড পদ্ধতির টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের শুরু থেকেই চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পর ভারতকেও হারিয়ে দেয় তারা, তাতে ফাইনালের সম্ভাবনা তৈরি হয় রুমানা আহমেদ-জাহানারা আলমদের সামনে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শনিবার আক্ষরিক অর্থে উড়িয়েই দিয়েছে মালয়েশিয়াকে।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শামিমা সুলতানা ও আয়েশা রহমানের দারুণ শুরুর ওপর ভর দিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে করে ১৩০ রান। জবাবে চলতি টুর্নামেন্টে বল হাতে ধারাবাহিক পারফর্ম করা বাংলাদেশের দাপটের সামনে মালয়েশিয়া ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে করতে পারে মাত্র ৬০ রান।

স্বাগতিকদের বিপক্ষে জিতলেই ফাইনাল- এমন সমীকরণ সামনে রেখে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। সমীকরণটা সহজভাবে মিলিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয় সালমা খাতুনরা। টানা তিন ম্যাচ জিতে ফাইনাল স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি মালয়েশিয়া।

আগের ম্যাচে অলরাউন্ড পারফর্ম করা রুমানা আহমেদ এই ম্যাচেও বল হাতে জ্বলে ওঠেন। তার ভেলকিতে দিশেহারা মালয়েশিয়ান ব্যাটাররা। ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে রুমানা পেয়েছেন ৩ উইকেট। যদিও উইকেট উৎসবের শুরুটা করেছিলেন জাহানারা আলম। তার আঘাতের পর রান আউটে ১৭ রানে ২ উইকেট হারানো স্বাগতিকরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট যাওয়া দলটি শেষ পর্যন্ত থামে ৬০ রানে। দলের দুজন কেবল পৌঁছাতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরে। মাস এলাইসা করেন ১৭, আর উইনফ্রেড ডুরেজিংম করেন ২২ রান।

রুমানার ভেলকির সঙ্গে উইকেট উৎসবে মেতেছিলেন জাহানারা আলম, সালমা খাতুন, নাহিদা আক্তার ও খাদিজাতুল কোবরা; প্রত্যেকেই পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার শামিমা ও আয়েশা দারুণ শুরু এনে দেন বাংলাদেশকে। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ৫৯ রান। শামীমা ৫৪ বলে করেন ৪৩, আর আয়েশা ২৭ বলে খেলেন ৩১ রানের ইনিংস। ভারত জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ফারজানা হক অবশ্য থামেন ৭ রান করে। তবে ঝড়ো ব্যাটিং করেছেন ফাহিমা। তার ১২ বলে ৩ বাউন্ডারিতে খেলা হার না মানা ২৬ রানের ইনিংসেই বাংলাদেশের রান ১৩০ পর্যন্ত যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest