সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in België

দেবহাটার পল্লীতে শ^শুর ও দেবরদের হাতে গৃহবধু আহত

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার পল্লীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে শ^শুর ও দেবরদের প্রহারে গৃহবধু মারাত্মক আহত হয়েছে। তাকে মূমুর্ষ অবস্থায় সখিপুরস্থ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলার চরশ্রীপুর গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫) জানান, বসতঘর সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রবিবার বিকালে ও সোমবার সকালে তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে শ^শুর ইউসুফ গাজী (৫০) ও ২ দেবর জাকির হোসেন ও কওসার আলী এবং তার শ^ামুড়ী চায়না বেগম তাকে বেধড়ক মারপিট করে। তিনি জানান, তার ২ ছেলে বিল্লাহ ও জাহিদ বাইরে ইট ভাটার চিমনি বানানোর কাজ করে। সেই সুযোগে তার শ^শুর গং একত্রে মিলে তাকে রবিবার বিকালে মারপিট করে ঘরের মধ্যে আটকিয়ে রাখে। সারারাত তিনি ব্যাথায় চিৎকার করলেও কেউ তাকে সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। বরং সোমবার সকালে তার ছেলেরা বাড়িতে আসলে তাদের সামনে তাকে মারপিট করলে তারা বাধা দিলে তাদেরকও মারপিট করে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সখিপুরস্থ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৩০৫তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের সমাপনী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চল ৩০৫তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা রোভারের ব্যবস্থাপনায় নবজীবন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ১০ থেকে ১৪ মে ৫ দিনব্যাপী কোর্স সোমবার বিকালে সার্টিফিকেট প্রদানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়। এর আগে রবিবার রাতে কোর্সের মহাতাবু জলসা অনুষ্ঠিত হয়। কোর্স লিডার সৈয়দ আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে মহাতাবু জলসা উপভোগ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবজীবন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের চেয়ারম্যান তারেকুজ্জামান খান। কোর্সের প্রশিক্ষক ছিলেন প্রফেসর কবির আহম্মেদ আকন্দ, এ এস এম আব্দুর রশীদ, এস এম আসাদুজ্জামান, মোঃ ইয়াছিন আলী, মোঃ ইমদাদুল হক, মোঃ জাহিদ হাসান, অংকর কুমার মন্ডল, ফাতেমাতুজ জোহরা, তৃপ্তি রানী। কোর্সে মোট ৪২ জন প্রশিক্ষক অংশ গ্রহন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, রোভার স্কাউট সারা বিশ্ব ব্যাপী একটি সেবা মুলক সংগঠন। রোভার স্কাউট করার মাধ্যমে নিজেকে সহজে জানা যায়। প্রতিকুল প্ররিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল শেখা যায়। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউটসের দল আছে। আর যে সকল প্রতিষ্ঠানে রোভার স্কাউটসের দল নেই তাদের প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেয়ে দল খোলার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় সদস্যদের না জানিয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় লাবসা ইউনিয়নের নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যান থাকার পরও অবৈধভাবে অন্য মেম্বরকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্রক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, বিগত ২০১৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর প্রথম সভায় সকল ইউপি সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন ও রেজুলেশনের মাধ্যমে গোলাম কিবরিয়া বাবুকে প্যানেল চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়। তারপর থেকে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ৪৯ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬ শত ১১ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আলীমের সাথে বিরোধ বাধে প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবুর। এঘটনায় মানববন্ধন, সমাবেশ এবং আদালতে মামলাও দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলা দুদকে তদান্তধীন রয়েছে। এতে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম প্যানেল চেয়ারম্যান বাবুর বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এর জের ধরে গত ১৩ মে’১৮ লাবসা ইউনিয়নের রাজনগরে বেতনা নদীর উপর নব-নির্মিত ব্রীজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। সেখানে ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর আব্দুল হান্নানকে অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ এখনো পর্যন্ত লাবসা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু এমনটিই দাবি করেছেন ইউপি সদস্যরা। অথচ নিয়ম রয়েছে পরিষদের সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে হবে। কিন্তু দুর্নীতিবাজ ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সহযোগিরা নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যান থাকা সত্বেও সম্পূর্ণ অবৈধভাবেই হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন ইউপি সদস্য।
এঘটনায় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বর মনিরুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমাদের সকলের মতামতের ভিত্তিতেই গোলাম কিবরিয়া বাবুকে প্যানেল চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছিলো। কিন্তু সম্প্রতি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় বাবুর পরিবর্তে ইচ্ছামত হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
৪নং ওয়ার্ডের মেম্বর আসাদুল ইসলাম বলেন, হান্নান অবৈধ প্যানেল চেয়ারম্যান। কারণ আমার ভোটের মাধ্যমে বাবুকে প্যানেল চেয়ারম্যান বানিয়েছিলাম। ইচ্ছা করলেই এভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান পরিবর্তন করা যায় না। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
৫নং ওয়ার্ডের মেম্বর কাজী মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার জানামতে প্যানেল চেয়ারম্যান বাবু। কিন্তু হান্নানের প্যানেল চেয়ারম্যান হওয়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর জামির হোসেন বলেন, এটা খুব দু:খ জনক ঘটনা। আমাদের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু। ইচ্ছামত কেউ হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা দিলে আমরা তা মানবো না।
৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর ফেরদৌসী ইসলাম মিষ্টি বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানানেই।
১নংওয়ার্ডে মেম্বর রাম প্রসাদ বলেন, আমার জানামতে বাবুই প্যানেল চেয়ারম্যান। কিন্তু হান্নানের বিষয়ে আমার কিছু জানানেই।
৩নং ওয়ার্ডের মেম্বর আরিজুল ইসলাম, আমার জানামতে বাবুই প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু।
২নং ওয়ার্ডের মেম্বর সাঈদআলী সরদার বলেন, আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে বাবুকে প্যানেল চেয়ারম্যান মনোনীত করেছিলাম। তিনিই প্যানেল চেয়ারম্যান। হান্নান কে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা করা সম্পূর্ণ অবৈধ।
১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর মাসুদা বেগম বলেন, ১৩ মে বীজের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন অনুষ্ঠানে গিয়ে জানতে পারলাম হান্নান প্যানেল চেয়ারম্যান। এর আগে জানতাম বাবু প্যানেল চেয়ারম্যান।
৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন, বাবু ছিলো। এখন হান্নান। রেজুলেশনের মাধ্যমে হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে। সেটি এমপি সাহেব অনুমোদন দিয়েছেন। এর বেশি মোবাইলে বলা সম্ভব না বলে এড়িয়ে যান তিনি।
এবিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যখন উন্নয়নের আগ্রযাত্রায়। ঠিক তখনই ১৩নং লাবসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কর্তৃক ৪৯ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬শত ১১টাকা আত্মসাত করে। এঘটনায় বঙ্গবন্ধু আদর্শের সৈনিক হিসেবে চেয়ারম্যানের দুর্নীতির প্রতিবাদ করি এবং সাতক্ষীরা জেলা দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। মামলাটি দুদকে তদন্তাধীন রয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম অবৈধভাবে হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়েছেন। যা সংবিধান অনুযায়ী অবৈধ ও নিয়ম বহিূর্ভত। এবিষয়ে কোন ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানকে সমর্থনকে করেনি। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

কে এম রেজাউল ইসলাম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার পল্লীতে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষিতা ওই ছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরায় প্রেরণ করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর নাংলা গ্রামের মৃত শহিদুল্লা গাজীর ছেলে রাশিদুল ইসলাম (৩৭) এর নাংলা বাজারে একটি কসমেটিকসের দোকান আছে। গত ৫ মে সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পথে রাশিদুল তাকে প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের পিছনে নিয়ে ধর্ষন করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে রাশিদুল মিমাংসার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি মিমাংসা না হওয়ায় ওই ছাত্রীর পিতা আলতাফ হোসেন বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ০৫। ধর্ষিতা ঐ ছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরায় প্রেরন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চা-কফি পানের নানা দিক
স্বাস্থ্য ও ডেস্ক: শরীরকে চাঙ্গা রাখতে পৃথিবী জুড়ে প্রচলিত বিভিন্ন পানীয় রয়েছে; যার মধ্যে মানুষ দুই ধরনের পানীয় বেশি পছন্দ করেন। এ দুটি হলো চা এবং কফি। সকালের নাস্তায় কিংবা বিকালে কাজের ফাঁকে অনেকেই বেশ পছন্দ করে থাকে এক কাপ চা কিংবা কফি। এটা অনেকেরই প্রতিদিনের অভ্যাস। চা বা কফি পানের যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি সঠিক সময়ে বা উপায়ে গ্রহণ না করলে সৃষ্টি হতে পারে নানা সমস্যা। দিনে ২-৩ বার চা বা কফি পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা যেতে পারে। চা বা কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন এমন এক ধরনের উদ্দীপক উপাদান যা শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি করে। দৈনিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ক্লান্তি দূর হয়ে শরীরের একঘেয়েমি কাটিয়ে কর্ম ক্ষেত্রে থাকা যাবে উজ্জীবিত। চা পানে শরীর-মন সতেজ থাকবে এটি একটি সাধারণ বিষয়। তবে এগুলো ছাড়াও চায়ের অনেক স্বাস্থ্যগত উপকার রয়েছে। চা পানের কারণে মূত্রথলির ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সারসহ সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে আসে। এ ছাড়া গ্রীনটি পানে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। ব্ল্যাকটি পানের কারণে শরীরের অবসাদ দূর হয়।
তবে অতিরিক্ত চা কিংবা কফি পানে শরীরের নানা ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। খাবার খাওয়ার আগে চা-কফি পান করলে হজম বাধাগ্রস্ত হয় এবং খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায় না। অতিরিক্ত চা-কফি সেবনে এক ধরনের অসক্তি সৃষ্টি হয়; যা ঠিক নয়। এ ছাড়া রক্তে অতিরিক্ত ক্যাফেইন রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে প্রতিদিনের স্বাভাবিক ঘুমের অভ্যাস নষ্ট হয়। অতিরিক্ত চা বা কফি শরীরে ক্ষুধামন্দা তৈরি করে। ফলে দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলে শারীরিক ভাবে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া আলসার ও গ্যাস্ট্রিক-এর ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে অতিরিক্ত মাত্রায় চা-কফি গ্রহণে। তাই চা-কফি পানের সুফল পেতে প্রতিদিন স্বল্প মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৮, আহত শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো শতাধিক ফিলিস্তিনি। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেরুজালেমে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে সোমবার ছোট পরিসরে অন্তর্বর্তীকালীন দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই দূতাবাসের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার বর্তমানে জেরুজালেমে রয়েছেন।

মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর ও ইসরায়েলের দখলদারির বিরুদ্ধে পুরো সীমান্ত এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছেন ফিলিস্তিনিরা। সীমান্ত বেড়া পেরিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছেন তারা। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি ও টিয়ারগ্যাসে ১৬ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে টাইমস অফ ইসরায়েল।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর এই দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ‘বিপর্যয়’ বা ‘নাকাবা’ দিবস হিসেবে পালন করে। ওই বছর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের নিজ ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত হয়।

একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধেও সোমবার প্রতিবাদ করছেন ফিলিস্তিনিরা। গত ৬ ডিসেম্বরে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অত্যন্ত সুরক্ষিত সীমানা বেড়া পেড়িয়ে ইসরায়েলে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিতে গাজায় লাখো ফিলিস্তিনি পৌঁছেছেন।

তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ ও হেবরনেও বিক্ষোভ করছেন ফিলিস্তিনিরা। জেরুজালেম থেকে উত্তরাঞ্চলের রামাল্লাহকে বিভক্তকারী কালানদিয়া সামরিক তল্লাশি চৌকির কাছেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তারা।

ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিক্ষোভ করে আসছে। ১৫ মে এই বিক্ষোভ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস্ত্যুচুত হয়। ইসরায়েলি অবৈধ ভূমি দখলকে ফিলিস্তিনিরা বিপর্যয় হিসেবে মনে করে।

ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিজ ভূখণ্ড ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের উচিত গাজা এবং পশ্চিম উপত্যকায় ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমাইদ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘বিক্ষোভে যতসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন তা নজিরবিহীন। গত সাত সপ্তাহের প্রতিবাদে এমন জনসমাবেশ দেখা যায়নি।’

গাজা উপত্যকার ২০ লাখ মানুষের ৭০ শতাংশ উদ্বাস্তু হয়ে জীবন কাটাচ্ছে। গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছে আরো অন্তত সাড়ে ৮ হাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ মাসে ‘গৃহ হিংসা’র শিকার ৮০০ পুরুষ!

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: ভারতের মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানতে পেরেছে, গত ৪ মাসে দেশটিতে ৮০০ জন পুরুষ গৃহ হিংসার শিকার হয়েছেন। স্বামীকে মারধরসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহ হিংসার শিকার পুরুষ ১০০ ডায়ালে ফোন করে তাদের কষ্টের কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলে মনে করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ১০০ ডায়ালের জনসংযোগ আধিকারিক হেমন্ত শর্মা বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা সব গৃহ হিংসার ঘটনাকে একসঙ্গে রেখেছিলাম। কিন্তু এবার স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচারের ঘটনাগুলোকে আলাদা করতে শুরু করেছি।’‌

এমনটা করতে গিয়েই দেখা যায়, গত চারমাসে ৮০০টি এরকম ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ এই সংখ্যাটা দেখে নতুন একটি বিভাগ তৈরি করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘‌স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচার’‌।

জানা গেছে, জানুয়ারিতে ১৫৮টি, ফেব্রুয়ারিতে ১৭৯টি, মার্চে ২১২টি এবং এপ্রিলে ২৫৩টি স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচারের ঘটনার অভিযোগ বিভিন্ন পুলিশ থানায় দায়ের হয়েছে। পুলিশ সব ঘটনাগুলোকেই গুরুত্ব সহকারে দেখছে।

অন্যদিকে সমাজতত্ত্ববিদরা জানান, চারমাসে স্ত্রীর ওপর স্বামীদের নির্যাতনের সংখ্যাটা প্রায় ২২ হাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে দু’দিনে ১৩ জেলে অপহরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুন্দরবনের মুক্তিপণের দাবিতে দুই দিনে ১৩ জেলেকে বনদস্যু কাজল বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার ও আজ সোমবার ভোরে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। চালতেবাড়িয়া ও পালুকাটির দুনে খাল থেকে কাঁকড়া শিকারের সময় ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁদের অপহরণ করা হয়।
আজ ভোরে অপহৃত জেলেরা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সিংহরতলী গ্রামের আবদুল মজিদ গাজী (৩৩), একই গ্রামের সৈয়দ আলী গাজী (৪০), বাসুরাম ভাঙি (৩৯), লিয়াকত গাজী (৪৫), মফিজুল ইসলাম (৩৫) ও সোহাগ হোসেন (২৫)।
গতকাল ভোরে অপহৃত জেলেরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের রাশেদুল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের বিশ্বনাথ সানা (২৮), বিশ্ব মণ্ডল (২০), জয়দেব মণ্ডল (২৫), পরিতোষ মণ্ডল (২৪), মাছুম গাজী (২৩) ও দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের রমেশ মণ্ডল (২০)।
ফিরে আসা জেলে আনিছুর রহমান বলেন, এক সপ্তাহ আগে কদমতলা বন অফিস থেকে বৈধভাবে পাস নিয়ে তাঁরা সুন্দরবনে যান কাঁকড়া শিকার করতে। গতকাল দুপুরে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদসংলগ্ন দুনে খালে কাঁকড়া শিকার করার সময় বনদস্যু কাজল বাহিনীর পরিচয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের দাবি করা হয়। তিনি আরও জানান, অপহরণকৃত জেলেদের বাড়িতে খবর দেওয়ার জন্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বনদস্যু কাজল বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁদের অপহরণ করেছে। জেলেদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন।
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন কর্মকর্তা জি এম রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি জেলে অপহরণের কথা শোনার পর নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে টহল দল পাঠিয়েছেন। তবে জেলেদের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest