দেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে গাজা ব্যবসায়ীর সাজা

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো ॥ দেবহাটায় ইউএনওর ভ্রাম্যমাণ আদালতে গাজা ব্যবসায়ীর ১ মাসের সাজা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ এই সাজা প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত গাজা ব্যবসায়ীর নাম আসাদুল ইসলাম (২২)। সে দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের আফছার আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। দেবহাটা থানার এসআই রাজিব কুমার ও এএসআই আমজাদ হোসেন মঙ্গলবার ভোররাতে ১ শত গাজা সহ আসাদুলকে আটক করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ আসাদুলকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সময় অপর ২ আসামীকেও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় কাল বৈশাখীর তান্ডবে বহু ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। গাছপালা ভেঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আর ক্ষতি হয়েছে অনেক ফসলী জমির ধান ও আমের। সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে আকষ্মিকভাবে এই ঝড়ের তান্ডবে অনেক মানুষের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দেবহাটার সুশীরগাতী গ্রামের আম ব্যবসায়ী শিবলু জানান, তিনি প্রতিবছর আমের বাগান কিনে ব্যবসা করেন। তার কামটা, দেবহাটা, সুশীলগাতী ও টাউনশ্রীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় আমের বাগান কেনা আছে। সোমবারের ঝড়ে তার কামটা এলাকার আম বাগানের আম গাছের কয়েকটি ডাল ভেঙ্গে গেছে। এতে তার অনেক আম নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া সকল এলাকায় আম গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে তার আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। শিবলু জানান, শুধু তিনি না, এলাকার সকল আম ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দেবহাটা সদরের আম ব্যবসায়ী ঝন্টু কুমারও একই কথা জানিয়ে বলেন, তারও ব্যাপক আমের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উপজেলার বোরো ধানের অনেক ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। যারা ধান কেটে জমিতে রেখেছিল তাদের ধান পানির নিচে। এছাড়া যারা ধান কাটেনি তাদেরও ঝড়ে ধানের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সোমবারের ঝড়ের তান্ডবে গাছ পড়ে এবং বাতাসের কারনে অনেক মানুষের গৃহের ঘরের চাল উড়ে গেছে আবার অনেক ঘর ভেঙ্গে গেছে। গাছ পড়ার কারনে সোমবার রাত ৮ টার পর থেকে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা মেলেনি। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যথা দ্রুত সম্ভব তারা বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিজীবীরা ৫% সুদে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাচ্ছেন

সরকারি চাকরিজীবীরা মাত্র ৫ শতাংশ সরল সুদে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন। উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদা বা জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা ২০ বছর মেয়াদি এই ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। তবে সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এই ঋণ নেওয়া যাবে।

১০ শতাংশ সরল সুদে রাষ্ট্রায়ত্ত যেকোনো ব্যাংক ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন থেকে এই ঋণ নেওয়া যাবে। এই ১০ শতাংশ সুদের মধ্যে ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে সরকার। বাকি ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবেন ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী। নতুন এই ঋণ সুবিধা ২০১৮-১৯ অর্থবছর (আগামী ১ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।

এসব বিধান রেখে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’-এর খসড়া তৈরি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় খসড়াটি চূড়ান্ত করা হতে পারে।

সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এই নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তাঁরা এককভাবে এই ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেওয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এই ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাঁদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তাঁরা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতন স্কেলের নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাঁদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তাঁরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ ও অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন বা দশম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। আর ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান, এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে নীতিমালার ৩ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব খাতভুক্ত স্থায়ী পদে কর্মরত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কর্মকাল পাঁচ বছর হতে হবে। সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৮ বছর। তবে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু বা দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কেউ এই ঋণ সুবিধা পাবেন না।

ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেতন স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যে সিলিং সরকার নির্ধারণ করে দেবে, সেটিও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ঋণ সুবিধা নির্ধারণ করবে, তার মধ্যে যেটি কম, সে পরিমাণ ঋণ পাবেন। ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার জন্য ডেট ইক্যুইটি রেশিও হবে ৯০ঃ১০। অর্থাৎ ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ টাকা খরচ করলে তিনি ৯০ টাকা ঋণ পাবেন। ঋণের সুদ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালার ৭(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। এটি হবে সরল সুদ এবং সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না। ঋণগ্রহীতা কর্মচারী ব্যাংক রেটের সমহারে (বর্তমানে যা ৫ শতাংশ) সুদ পরিশোধ করবেন। সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।’

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, সরকার সময়ে সময়ে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে। তবে পুনর্নির্ধারিত সুদহার কেবল নতুন ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ঋণগ্রহীতাকে গৃহনির্মাণ ঋণ পাওয়ার জন্য প্রসেসিং ফি বা আগাম ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না।

৪ ধারায় ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এই নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হতে হবে। যে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা হবে, তা সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে। ঋণদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকবে। ওই হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন এবং গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেডি ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের পুরো অর্থ এক কিস্তিতে ছাড় করবে ব্যাংক। গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণের টাকা চার কিস্তিতে ছাড় করা যাবে।

‘বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান’ বলতে খসড়া নীতিমালা বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’ সরকার অন্য যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য এই ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার আগে যে সম্পত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বরাবর রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে। বাস্তুভিটায় বাড়ি করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার মালিকানাধীন অন্য কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখা যাবে।

এই ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর। গৃহনির্মাণের প্রথম কিস্তি ঋণের অর্থ পাওয়ার এক বছর পর, ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পাওয়ার ছয় মাস পর থেকে ঋণগ্রহীতা মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ শুরু করবেন। কোনো কারণে মাসিক কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে বিলম্বের জন্য আরোপযোগ্য সুদ শেষ কিস্তির সঙ্গে যুক্ত হবে। যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তাঁর মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। তাঁর বেতন-ভাতা ওই হিসাবে জমা হবে। ব্যাংক সেখান থেকে প্রথমে মাসিক ভিত্তিতে কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন। ঋণগ্রহীতা অন্যত্র বদলি হলে তাঁর হিসাবও সেখানে একই ব্যাংকের কোনো শাখায় স্থানান্তর করে নেবেন। ঋণগ্রহীতা অবসর নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর পিআরএল সময়কাল পর্যন্ত সরকারের দেওয়া সুদ বাবদ ভর্তুকি পাবেন। অবসর গ্রহণের পর সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। পিআরএলে যাওয়া পর্যন্ত ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলে সুদের হার ১০ শতাংশ বহাল রেখে অবশিষ্ট ঋণ পুনর্গঠন করে নিতে পারবেন। অবসরে যাওয়ার পরও যাতে ঋণের কিস্তি ঠিকমতো পরিশোধ হয়, সে জন্য ঋণগ্রহীতার মাসিক পেনশনের টাকা পূর্বনির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

খসড়া নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী ঋণ নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে আদেশ জারির তারিখ থেকে ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। এ ক্ষেত্রে ঋণের অপরিশোধিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তাঁর পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এর পরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত গঠিত কমিটির একজন সদস্য কালের কণ্ঠকে জানান, ১৯৮২ সালে প্রথম সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা চালু করা হয়। চাকরিজীবীদের তখনকার মূল বেতনের ৪৮ মাসের সমপরিমাণ হিসাব করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছিল, যা ৪৮টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। এরপর চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও এই ঋণসীমা বাড়েনি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এটি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে এসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। আজকের আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠকে পর্যালোচনা শেষে এটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলে ‘বিশেষ ক্যাটাগরিতে’ সেরা পাঁচে সাকিব

প্রতিপক্ষ বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যান বলে আইপিএলে বোলারদের কাছে বাউন্ডারি ঠেকানো খুবই কষ্টসাধ্য। তবে এ কাজে বেশ সফল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। চলমান টুর্নামেন্টের গতকাল সোমবার পর্যন্ত বলের সংখ্যার গড়ে কম বাউন্ডারির যে তালিকায় প্রকাশ করে করেছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় সাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। সেখানে পাঁচ নম্বরে সাকিব।

এক নম্বরে রয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স সতীর্থ কুনাল পাণ্ডিয়া। ভারতের তারকা এই অলরাউন্ডারের প্রতি ১০ বল (৯.৭৫) থেকে মাত্র একটি করে বাউন্ডারি আদায় করতে সক্ষম হয়েছে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানরা। দুই নম্বরে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের রাহুল তিওয়াতিয়া। তিনি প্রতি ৯ বল পর পর একটি করে বাউন্ডারি দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে তিন ভাইয়ের শিরশ্ছেদ করল আইএস

আফগানিস্তানে তিন ভাইকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। এই তিন ভাই চিকিৎসা পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশে এই ঘটনা ঘটেছে। সোমবার এক প্রাদেশিক কর্মকর্তা এ কথা জানান।

নানগারহার প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আতাউল্লাহ খোগিয়ানি জানিয়েছেন, চাপারহার জেলায় শনিবার রাতে ওই তিন ভাইকে হত্যা করা হয়।

নিহতদের মধ্যে বড় ভাইয়ের নাম নিসার তারেলিওয়াল(২৭)।তিনি একজন চিকিৎসক ছিলেন। একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কাজ করতেন তিনি। মেজভাই নায়িম(২৪)টিকা কর্মসূচির প্রচারক ছিলেন। আর ছোট ভাইয়ের নাম আব্দুল ওয়াহাব(১৯), তিনি মেডিকেলের ছাত্র ছিলেন।

খোগিয়ানি জানান, নিহতদের পিতাও একজন চিকিৎসক ছিলেন। তাঁকে গত বছর একই কায়দায় শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছিল আইএস।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী নানগারহার প্রদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের শক্ত অবস্থান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে সৌদি হামলা, বিয়ের অনুষ্ঠানে নিহত ২০

ইয়েমেনে আবারও হামলা চালিয়েছে সৌদি জোটের বিমানবাহিনী। এ হামলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্তত ২০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে। ইয়েমেনের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানাচ্ছে, এটি এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো সাধারণ নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা।

এ ব্যাপারে সংবাদ সংস্থা এপিকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা খালেদ আল-নাধরি জানিয়েছেন, বনি কায়েস জেলার এক বিয়ের অনুষ্ঠানে জড়ো হওয়া মানুষদের ওপর এ হামলায় নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। তিনি জানান, এ হামলায় বিয়ের কনেও নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে জমহুরি হাসপাতালের প্রধান মোহাম্মেদ আল-সামালি জানাচ্ছেন, বিয়ের বরসহ অন্তত ৪৫ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য রক্তদানের জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহবান করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এছাড়া হাসপাতালের উপ-প্রধান আলি নাসের আল-আজিব জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে ৩০ জন শিশুও রয়েছে। বোমার খণ্ডাংশে তাদের দেহের ভেতরে আটকে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা কোর্টে বিচারকের দিকে ঝুড়ি নিক্ষেপ, কর্মচারী-আইনজীবী হাতাহাতি

হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতের ঘটনায় করা এক মামলায় আসামিকে জামিন না দেওয়ায় ঢাকা বারের এক আইনজীবী বিচারকের দিকে ঝুড়ি নিক্ষেপ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আইনজীবী ও কর্মচারী আহত হন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবির বাবুল জানান, আজ ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আতিকুর রহমানের আদালতে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতের মামলায় প্রধান আসামি শেখ মোতালিবের পক্ষে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিনের আবেদন করেন। ওই মামলায় বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করলে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মামলার দরখাস্তটি ফেরত দেওয়ার জন্য বিচারককে অনুরোধ করেন। ওই সময় আদালত আবেদনটি ফেরত না দিলে মামুনের জুনিয়র এক আইনজীবী পেছন থেকে বিচারককে লক্ষ্য করে প্লাস্টিকের একটি ঝুড়ি নিক্ষেপ করেন। এরপর বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন।

আদালতের পেশকার মোহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘বিচারক মামলায় জামিন না দিলে আইনজীবীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আদালতের দরজা-জানালা ভেঙে ফেলেন। এ সময় আদালতে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আইনজীবী বলেন, জামিন না দেওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতের পেশকার শরীফ ও মামুনের জুনিয়র আইনজীবী সজীব ও আকিলের সঙ্গে মারামারি শুরু হয়। মারামারির একপর্যায়ে আইনজীবী সজীব ও আকিলসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আদালতে এ পরিস্থিতির পর আইনজীবীরা আদালত বর্জন করেন।

এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকমিটির সদস্য হান্নান ভূঁইয়া বলেন, ‘আজ কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের সঙ্গে আইনজীবী নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা আছে।’

ঢাকা বারের আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘আইনজীবীকে আহত করার প্রতিবাদ শুধু কোর্ট বর্জন করে থেমে থাকা নয়, সব আদালতের ঘুষখোর পিয়ন পেশকারদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে আরো কঠোর আন্দোলন চাই।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকা কোর্টের সব পিয়ন পেশকার বড় ধরনের ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজ। এদের কাছে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা অসহায় ও জিম্মি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এক নারীকে হত্যায় আসামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এক কিশোরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এ ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ -২য় আদালতের বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তী এক জনাকীর্ন আদালতে এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নাম রফিকুল ইসলাম শিপন (৪০)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর গ্রামের ওয়াজেদ ঢালীর ছেলে। তার পালিত পিতা হেকমত শেখের বাড়ি তালা উপজেলার মুড়োগাছায়।
মামলার বিবরনে জানা যায় হেকমত শেখ সরকারি রাস্তার দু’ ধারের গাছ কিনতো। তার পালিত সন্তান রফিকুল ইসলাম শিপন, ময়না ও বক্কর কেনা গাছ কাটার জন্য কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা শেখপাড়ার আকবর হোসেন মোড়লের বাড়িতে ২০০৯ সালের ১২ জুলাই এর তিন /চার দিন আগে থেকে থাকতো। ২০০৯ সালের ১২ জুলাই রাত ১০টার দিকে ভাত খাওয়া শেষে আকবর মোড়লের মেয়ে সালমা(২৭) একটি ঘরে দরজা দিয়ে খাটে ও তার ভাই আশরাফুল মেঝেতে ঘুমিয়ে পড়ে। পাশের খোলা ঘরের খাটে বক্কর ও ময়না, মেঝেতে শিপন ঘুমোতে যায়। পাশের ঘরে বাদি আকবর মোড়ল ও তার স্ত্রী সোনাভান বিবি ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ১৩ জুলাই ভোরে সোনাভান বিবি উঠে মেয়ের ঘর খোলা দেখতে পান। একপর্যায়ে মেয়ের গায়ে হাত দিয়ে সে মারা গেছে বলে জানতে পারেন। তখন তার পাশে মোবাইলটিও ছিল না। এ সময় পাশের ঘরে বক্কর ও ময়না থাকলেও শিপনকে দেখতে পাননি। বিষয়টি স্বামী আকবর মোড়লকে বলার পর প্রতিবেশি পঙ্কজ জোয়ারদারের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে সর্বত্র জানানোর একপর্যায়ে ওই দিন সকালে শিপনকে শ্যামনগরের ভুরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেনের সহায়তায় আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে সোপর্দ করা হয়। কালিগঞ্জ থানার পুলিশ শিপনকে সেখান থেকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে শিপন জানায় যে, সালমা ভোরে প্রসাব করে ঘরে ঢোকার পর সে তাকে কু’ প্রস্তাব দেয়। রাজী না হওয়ায় সালমার বুকে উঠে মুখে ও মাথায় কিল ঘুষি মেরে মুখ চেপে ধরে। ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার একপর্যায়ে সালমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
১৩ জুলাই রাতে নিহতের পিতা আকবর মোড়ল বাদি হয়ে রফিকুল ইসলাম শিপনের নাম উল্লেখ করে কালিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা(জিআর-৯৪/০৯ কালি) দায়ের করেন। ১৪ জুলাই আসামী রফিকুল ইসলাম শিপন বিচারিক হাকিম এমএ সাঈদের খাস কামরায় সালমাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে মর্মে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আব্দুর শুকুর মৃধা এজাহারভুক্ত আসামীর নামে ২০০৯ সালের ২৫ আগষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১১ সালের ২৭ জুন আদালতে আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় বাদিপক্ষের ১৭জন ও আসামী পক্ষের তিন জন সাঁফাই সাক্ষী গ্রহণ করা হয়।
মামলার নথি ও সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আসামী রফিকুল ইসলাম শিপনের বিরুদ্ধে ফেওজদারি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক উপরোক্ত আদেশ দেন। তবে আদেশের সময় আসামী শিপন কাঠগোড়ায় উপস্থিত ছিল না।
আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. তপন কুমার দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest