সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বর্ষসেরা খেলোয়াড় ভূষিত হলেন সালাহ
ইংল্যান্ড ফুটবল রাইটার্স এসোসিয়েশনের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন লিভারপুলের মিশরীয় খেলোয়াড় মোহাম্মদ সালাহ। চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের কারণেই এই অ্যাওয়ার্ড জিতলেন তিনি।
গেল মাসে প্রফেশনাল ফুটবলার অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) নির্বাচিত সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এছাড়া চলতি মৌসুমে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের এক মৌসুমে তিনবার ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’য়ের পুরস্কার জিতেছিলেন সালাহ।
নভেম্বর, ফেব্রুয়ারির পর মার্চেও ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’য়ের পুরস্কার জিতে ইংলিশ লিগে নতুন ইতিহাসের জন্ম দেন ২৫ বছর বয়সী সালাহ। কারণ এর আগে একই মৌসুমে এমন কীর্তি গড়তে পারেননি অন্য কোন খেলোয়াড়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বাংলাদেশে ৮ বছরে বজ্রপাতে ১৮০০ মানুষের মৃত্যু’
বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বজ্রপাতের ঘটনায় ১৮০০’র বেশি মানুষ মারা গেছে বলে এ গবেষণায় বলা হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এম. এ ফারুকের নেতৃত্বে এ গবেষণাটি করা হয়েছে।
অধ্যাপক ফারুক বলেন, এ গবেষণার জন্য ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ আট বছরের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশের প্রথম সারির চারটি দৈনিক সংবাদপত্রে বজ্রপাতে মারা যাবার যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোকে একত্রিত করে দেখানো হয়েছে যে আট বছরে বজ্রপাতে নিহতের সংখ্যা ১৮০০’র বেশি। সে গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় সুনামগঞ্জ এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
তিনি বলেন, জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করে দেখা গেছে রংপুর বিভাগের মধ্যে ঠাকুরগাঁও এবং লালমনিরহাটে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়। রাজশাহী বিভাগের সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় নেত্রকোনায়। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় কিশোরগঞ্জে। সুনামগঞ্জে বজ্রপাত বেশি হলেও মানুষ মারা যাচ্ছে বেশি উত্তরাঞ্চলে।
অধ্যাপক ফারুক তার গবেষণায় কয়েকটি বিষয় তুলে আনার চেষ্টা করেছেন।বজ্রপাত কেন হচ্ছে? কোথায় বেশি বজ্রপাত হচ্ছে? কত মানুষ মারা যাচ্ছে? গবেষণায় এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন অধ্যাপক ফারুক এবং তার সহকারীরা।
তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি আলাস্কা এবং কানাডায় বজ্রপাত নিয়ে গবেষণা করেন। সেখান থেকে ফিরে বাংলাদেশের বজ্রপাতের বিষয়ে মনোযোগী হয়ে উঠেন অধ্যাপক ফারুক।
তিনি বলেন, ২০১৬ সালের মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রপাতে একই দিন ৫৭ জন মানুষ মারা যায়। এরপর বিষয়টি নিয়ে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে উঠি।
বজ্রপাত নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তিনি ১৯৮০’র দশক থেকে খবরের কাগজ সে সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতে থাকেন। কিন্তু সে সময় বজ্রপাতের বিষয়টিকে সংবাদ মাধ্যমে তেমন একটা গুরুত্ব দেয়া হতো না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ২৫ মিলিয়ন বজ্রপাত হয়। কিন্তু বজ্রপাতে মানুষ মারা যায় ৪০ থেকে ৫০ জন। ভারতীয় আবহাওয়া অফিসের রাডার থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য মতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ২৪০০’র মতো বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশে বজ্রপাতের প্রবণতা বাড়ছে এবং এর সাথে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। বিবিসি
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ৭ মে, আবহাওয়া প্রতিকূলে

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তারিখ পিছিয়ে ৭ মে (সোমবার) নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল এলাকায় প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করবে। ওইদিন মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়াসহ কয়েক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

প্রতিকূল এ আবহাওয়ায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের দিন আবারও পিছিয়ে যাবে কিনা স্পেসএক্স এখনো তা নিশ্চিত করেনি। তবে আরও দিন পরিবর্তন হতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

এর আগে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের পূর্ব নির্ধারিত দিন ৪ মে’র পরদিন ৫ মে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকতে পারে এমন শঙ্কায় ৭ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ দিন নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে আবহাওয়ার খবরে জানা যায়, ৭ মে সোমবার কেপ ক্যানাভেরাল এলাকায় প্রতিকূল আবহাওয়া বিরাজ করবে। মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়াসহ কয়েক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এমতাবস্থায় ৭ মে কেপ ক্যানাভেরালের লঞ্চিং প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে উড়বে তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশের পথে উড়াল দেবে।

পরিবেশ অনুকূলে থাকলে স্থানীয় সময় ৭ মে সোমবার সকাল ৮টায়, (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা) স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে মহাকাশের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

স্পেসএক্সের আগে গত বছর ১৬ ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল। কিন্তু হারিকেন আরমায় ফ্লোরিডায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে উৎক্ষেপেরর তারিখ পিছিয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহরুখের পোজ দিয়ে ট্রলের শিকার শিল্পা

দুই হাত প্রসারিত করে শাহরুখের সেই চিরচেনা ভঙ্গি দেখেননি এমন শাহরুখভক্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিভিন্ন সময়ে এমন ভঙ্গি অনেক বলিউড অভিনেতা করলেও শাহরুখকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি কেউ। তবে এত দিন কোনো বলিউড অভিনেত্রী এই ভঙ্গি করার কথা মাথাতেও আনেননি। আর এবার সেটাই করে দেখালেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠী।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, সম্প্রতি সমুদ্রতটে দাঁড়িয়ে শাহরুখের সেই চিরচেনা ভঙ্গিমায় দেখা যায় শিল্পা শেঠীকে। ইনস্টাগ্রামে শাহরুখের ভঙ্গিমায় ছবিও দিতে দেখা যায় শিল্পাকে। এ সময় বিকিনি পরিহিতা ছিলেন শিল্পা। আর এতেই সামাজিক মাধ্যমে ট্রলের শিকার হতে হয় তাঁকে। যার কোনো জবাব দিতে দেখা যায়নি তাঁকে।

তবে বেশকিছু ইতিবাচক কমেন্টও ছবির নিচে পেয়েছেন শিল্পা শেঠী। শাহরুখের ভঙ্গিতে তাঁকে দেখে অনেক ভক্তই শিল্পাকে চলচ্চিত্রে ফেরার কথা বলেন। জবাবে শিল্পা লিখেন, ‘আমি যদি অনেকদিন পর একটা ছবি করি তাহলে আমাকে এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করতে হবে যা আমি আগে করিনি। যে চরিত্রে আমি অভিনয় করতে উপভোগ করব।

যখন আপনি টেলিভিশনে অভিনয় করেন তখন আপনার প্রচুর জায়গা থাকে। তাই এটা সহজ। কিন্তু যখন আপনি ছবিতে অভিনয় করবেন তখন ২৫ দিন টানা শুটিং থাকে।

অথবা ১০ দিনের টানা শুটিং থাকে। তাই আমি জানি না ফিরতে পারব কি না। আমি নিজেকে এই ব্যাপারে উদার রাখতে চাই। যদি আমি ভালো কোনো পাণ্ডুলিপি পাই তাহলে আমি অবশ্যই হ্যাঁ বলব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিৎ-মিমের ‘সুলতান’ ছবির গান ‘অবৈধ’

যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণের নিয়ম অনুযায়ী শুটিংয়ের অনুমতি পাওয়ার পরই একটি ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু ঢাকার জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কসের যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘সুলতান’ সেই নিয়মই ভঙ্গ করেছে। জিৎ ও মিম অভিনীত এই ছবির গান এরইমধ্যে গত ২৮ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়ার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। প্রশ্ন উঠছে যে ছবি শুটিংয়ের অনুমতিই পায়নি, সেই ছবির পুরো গান (শিরোনাম ‘মাশা আল্লাহ’) কি করে ইউটিউবে প্রকাশ পেল? কলকাতার প্রযোজনা সংস্থা জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কসের পক্ষ থেকে গ্রাসরুট এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলেও গানটি প্রচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার প্রিভিই কমিটি থেকে ছবিটি ছাড় পেয়েছে, কিন্তু এখনো শুটিংয়ের অনুমতি পায়নি। তারপরও কীভাবে একটি গানের চিত্রধারণ, সম্পাদনা ও প্রচার পেল- এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয় যৌথ প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজারকে। তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে এখনো ছবিটি শুটিং করার অনুমতি পায়নি। যদি একটা ছবি শুটিং করার অনুমতি না পেয়ে থাকে, তা হলে কীভাবে তারা ইউটিউবে গান প্রকাশ করে? যদি এই গানটি যৌথ প্রযোজনার ‘সুলতান’ ছবির হয়ে থাকে, তাহলে পুরো বিষয়টিই অবৈধ।’

গুলজার আরো বলেন, ‘আমি যতটা জানি যে গত ২৪ এপ্রিল যৌথ প্রযোজনার ছবি হিসেবে নির্মাণ করার জন্য জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রিভিউ কমিটির কাছে যে আবেদন করে তা গ্রহণ করা হয়, তবে তার দুদিনের মধ্যে শুটিং শুরু করার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা। এখন যদি ছবিটি শুটিংয়ের জন্য অনুমতি পেয়ে থাকে, তবে দুই দিনের মধ্যে শুটিং করে, এডিটিং করে, ইউটিউবে প্রকাশ করা কি সম্ভব? তার মানে তারা আগেই শুটিং করে ফেলেছে, অনুমতি পাওয়ার আগেই।’

ঢাকা থেকে শুটিংয়ের অনুমতি না পেলেও, কলকাতায় কি যৌথ প্রযোজনার ছবির শুটিং করা বৈধ? এমন প্রশ্নের জবাবে গুলজার বলেন, “শুটিংয়ের অনুমতি মানে তো শুটিংয়ের অনুমতি, সেটা বাংলাদেশে হোক আর বিশ্বের যেকোনো দেশেই হোক। তারা যদি অনুমতি পাওয়ার একমিনিট আগেও কোনো শুটিং করে থাকে তবে সেটা অবৈধ। আমাদের প্রিভিউ কমিটির সভার আগে আমরা অভিযোগ পেয়েছি যে ছবির শুটিং এর আগে হয়েছে, কিন্তু যাঁরা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁরা শুটিংয়ের কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি। যদি এই গানটি (মাশা আল্লাহ) ‘সুলতান’ ছবির হয়ে থাকে, তবে এটাই দলিল হিসেবে কাজ করবে যে— জাজ অনুমতি পাওয়ার আগেই ছবির শুটিং করেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা যৌথ প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটি বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করব।”

শুধু গান নয়, জাজের ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যায় ২৫ এপ্রিল ওই গানটির একটি টিজারও প্রচার করা হয়েছে। আর এর ২৪ ঘণ্টা আগেই জাজের পক্ষ থেকে ছবি নির্মাণের জন্য করা আবেদন গৃহীত হয় যৌথ প্রযোজনা বিষয়ক প্রিভিউ কমিটির কাছে। কিন্তু শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়নি সেদিন। অথচ একদিনের মাথায় দুই দেশের প্রযোজনা সংস্থাই গানের টিজার প্রচার করে। আগে শুটিং না করলে এটি করা সম্ভব নয়।

শুটিংয়ের বিষয়টি নিয়ে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও আলিমুল্লাহ খোকনকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, ‘আমরা সম্প্রতি ছবির শুটিং করার অনুমতি পেয়েছি। ঠিক কত তারিখে পেয়েছি, তা আমি বলতে পারব না।’ শুটিং করার অনুমোদন ঠিক কত তারিখ থেকে তারা পেয়েছেন আবারও জানতে চাইলে, সেটার কোনো সদোত্তর তিনি দিতে পারেননি।

‘সুলতান’ ছবিটি পরিচালনা করছেন কলকাতার পরিচালক রাজা চন্দ। ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে কলকাতার নায়ক জিতের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিৎস ফিল্ম ওয়ার্কস ও বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া। জিৎ-মিম ছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করছেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত তারকা তাসকিন রহমান ও কলকাতার নায়িকা প্রিয়াঙ্কা। আরো রয়েছেন, নবাগত আসফাক রানা, আমান রেজা, সাদেক বাচ্চু, নাদের চৌধুরী, রেবাকা রউফ, শহিদুল আলম সাচ্চু।

বিদ্যা সিনহা মিম ও জিৎ অভিনীত আলোচিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের দেব নেগি ও আকৃতি কাক্কার। রাজা চন্দের কথায় গানটির সংগীতায়োজন করেছেন স্যাভি। কোরিওগ্রাফি করেছেন জয়েশ প্রধান।

https://www.youtube.com/watch?v=rs0vWx5Itek

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি বছর বায়ুদূষণের কারণে মারা যাচ্ছে ৭০ লাখ প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশই দূষিত বায়ুর মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস নেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।
আজ বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, প্রতি বছর দূষিত বায়ু সেবনের কারণে গোটা বিশ্বে অন্তত সাত লাখ মানুষ মারা যান।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় বায়ুদূষণের সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোতে এই সমস্যা প্রকট।
হুর এক গবেষণায় দেখা গেছে, দূষিত বায়ুর মধ্যে থাকা অতি সূক্ষ কণার কারণে প্রতি বছর বিশ্বে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা যান। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষই দরিদ্র বা মধ্যম আয়ের দেশ। আর এসব দেশের বেশিরভাগই এশিয়া ও আফ্রিকায় অবস্থিত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গণস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগের প্রধান মারিয়া নেইরা বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে খুবই নাটকীয় একটি সমস্যার মোকাবিলা করছি।’
গবেষণায় ২০৫ থেকে ১০ মাইক্রোমিটার ব্যাসের এবং ২.৫ মাইক্রোমিটার ব্যাসের চেয়ে ছোট কিন্তু বিপজ্জনক কণার বিষয়ে দৃষ্টিপাত করা হয়েছে। এসব কণায় থাকে সালফেট এবং ব্ল্যাক কার্বনের মতো টক্সিন। এগুলোর বিষক্রিয়ায় ফুসফুস এবং কার্ডিওভাস্কুলার ব্যবস্থা বা রক্ত সংবহন ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি করে। এসবের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ হয়।
এখানে উদ্বেগের বিষয় এটা যে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের কাছে এখনো রান্নার জন্য ভালো জ্বালানি বা প্রযুক্তির নেই। রান্নার কাজে নোংরা জ্বালানি ব্যবহার বা কয়লা পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণ হয় যার কারণে বিশ্বে অন্তত ৩০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী এবং শিশু।
এ ছাড়া ঘরের বাইরে দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেওয়ার কারণে মারা যায় প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ঘরের ভেতরের এবং বাইরের দুই জায়গাতেই বায়ুদূষণ এসব মৃত্যুর কারণ।
প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য বিশ্বের ১০৮টি দেশের চার হাজার ৩০০ শহরের বায়ুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘দিনে পাঁচবার যৌনমিলনও আমার জন্য যথেষ্ট ছিল না’

যৌনতা আসক্তিকে একটি রোগ হিসাবে তালিকাভুক্তি এবং চিকিৎসার জন্য দাবি তুলেছে দাতব্য প্রতিষ্ঠান রিলেট। যুক্তরাজ্যের জাতীয় চিকিৎসা সেবার মধ্যে সেটিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করছেন।

বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন এমন দুইজন রোগী, যারা অনেকদিন এই সমস্যাটি মোকাবেলা করেছেন।

তিন সন্তানের জননী রেবেকা বার্কার বলছেন, ”এটা ছিল অসহ্য একটি ব্যাপার যে, দিনে পাঁচবার যৌনমিলন করার পরেও তা আমার জন্য যথেষ্ট ছিল না।”

প্রতারণা করার বদলে তিনি তার সঙ্গীকে বারবার মিলিত হতে বলতেন।

”ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমার মাথায় প্রথমে আসতো। অনেক চেষ্টা করেও সেটা আমি মাথা থেকে সরাতে পারতাম না। বলছেন ৩৭ বছরের নর্থ ইয়র্কশায়ারের এই বাসিন্দা।”

”সবকিছুর সঙ্গে যেন আমি এর মিল খুঁজে পেতাম। আমি মনে করি, এটা আমার বিষণ্ণতা আর সেরোটোনিনের অভাবের সঙ্গে জড়িত ছিল। আমার পুরো শরীর যেন এটা চাইতো।”

”যৌনমিলন করার পর আমি খানিকটা স্বস্তি পেতাম। কিন্তু পাঁচ মিনিট পরেই আবার আমার চাহিদা তৈরি হতো।”

”আমার ঘরের ভেতর থাকতেই ভালো লাগতো। কারণ সারাক্ষণ আমার মাথার মধ্যে এটাই ঘুরত বলে বাইরে মানুষজনের মধ্যে যেতেও লজ্জা লাগতো।”

বার্কারের এই সমস্যা তার সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। প্রথমে তার সঙ্গী বিষয়টি উপভোগ করলেও, পরে তা দুজনের মধ্যে জটিলতা তৈরি করে।

প্রথম দিকে সে ভালোই ছিল, কিন্তু পরে আর বুঝতে চাইতো না। পরে সে আমার বিরুদ্ধে অন্য সম্পর্ক করার অভিযোগও আনে।

২০১৪ সালের নভেম্বরে তিনি কিছুদিনের জন্য তার মার কাছে আলাদা থাকতে যান। এরপরই তাদের সম্পর্কটি ভেঙ্গে যায়।

সে সময় তিনি মানসিক চিকিৎসকের কাছেও যান। তিনি বারবার ওষুধ পাল্টে দিচ্ছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো বলেননি, এটার জন্য কোন সহায়তা করার গ্রুপ আছে।

এরপর তিনি বিষণ্ণতা কাটিয়ে ওঠার জন্য চাকরি ও স্থান পরিবর্তন করেন। এখন তিনি ফ্রান্সে বসবাস করেন। বিষণ্ণতা আর যৌন আসক্তি, দুটো থেকেই তিনি কাটিয়ে উঠেছেন।

রিলেট নামের দাতব্য সংস্থাটি বলছে, আর দশটা আসক্তির মতো যৌন আসক্তিও একটি রোগ। ২০১৯ সাল নাগাদ এটিকে একটি রোগ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই রোগে আক্রান্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন ব্যক্তি বলছেন, তিনি এতটাই আসক্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে, এক পর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে প্রতারণা করতে শুরু করেন।

তিনি বলছেন, ”এটা ছিল ভয়াবহ, কষ্টকর অভিজ্ঞতা। যখন আপনার মাথায় সবসময়ে এটা কাজ করতে থাকে, তখন সেটা যৌন আনন্দ থাকে না, সেটা সমস্যার কারণ হয়ে দাড়ায়। যা জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। ”

”এটা অনেকটা মদ্যপায়ী হয়ে ওঠার মতো ব্যাপার ছিল। যখন আপনার নেশা উঠবে, তখন এটা করতে হবে। কিন্তু এরপরে চরম অপরাধ বোধ কাজ করে। আমি ভাবি, আর কখনোই এটা করবো না।”

যখন তার স্ত্রী একটি ইমেইল দেখে বিষয়টি ধরে ফেলেন, তারপরে তার এই দ্বিচারণ বন্ধ হয়।

তিনি যুক্তরাজ্যের সেক্স এডিক্টস অ্যানোনিমাস বা এসএএ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হন। তখন তিনি দেখতে পান, তার মতো আরো অনেকে এই রোগে ভুগছে।

দি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ট্রিটমেন্ট অফ সেক্স অ্যাডিকশন এন্ড কমপালসিভিটি বলছে, যৌন আসক্তি এখন বাড়তে থাকা একটি সমস্যা। গত কয়েক বছরে রোগীদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে, এদের বেশিরভাগই পুরুষ।

যাদের ৩১ শতাংশ মানুষের বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছর।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা পাওলা হল বলছেন, ”এই রোগীদের জন্য দরকার জাতীয় স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে বিনামূল্যের চিকিৎসা। কারণ এই রোগীরা ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এখন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের সহায়তা দরকার।”

”তাদের জন্য এমন ব্যবস্থা থাকা দরকার যে, তারা সরাসরি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে এর জন্য চিকিৎসা চাইতে পারবেন। কারণ এটা তাদের ব্যক্তি জীবনে, পারিবারিক জীবনে, আর্থিক আর মানসিকভাবেও ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে।”

তবে এনএইচএস বলছেন, তাদের বিশেষজ্ঞরা এখনো একমত নন যে, কারো পক্ষে যৌন আসক্ত হয়ে ওঠা সম্ভব কিনা। এ ধরণের সমস্যায় সহায়তার জন্য তারা এসএএ অথবা এটিএসএসির কাছেই যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামুদ্রিক মাছ খাবেন কেন?

জার্নাল মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড রিসার্চে প্রকাশিত স্টাডি মতে, নিয়মিত মাছ খেলে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। নিয়মিত মাছ খেলে শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মূলত দুই ধরনের হয়। একটি হচ্ছে ই পি এ এবং আরেকটি ডি এইচ এ। সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ডি এইচ এ পাওয়া যায়। এটি রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করে ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। সামুদ্রিক মাছে মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পাশাপাশি ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা একাধিক জটিল রোগকে দূরে রাখে। জেনে নিন নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খাওয়া জরুরি কেন।

  • প্রতিদিন সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীকে ডিএইচ এ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা স্মৃতিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। এ কারণে পরিবারে অ্যালঝাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকরা বেশি করে সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
  • সামুদ্রিক মাছ খেলে নার্ভের রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এতে হাতপায়ের অসারতা, হঠাৎ ক্লান্তি এবং পেশির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।
  • সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
  • মস্তিষ্ক ভালো রাখেত নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার বিকল্প নেই।
  • লো ফ্যাট ডায়েট অনুসরণ করার পাশাপাশি প্রতিদিন যদি সামুদ্রিক মাছ খাওয়া যায়, তাহলে প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
  • আমেরিকান জার্নাল অব সাইকোলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, টানা ১ মাস সামুদ্রিক মাছ খেলে হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস বা মানসিক চাপের কারণে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest