সর্বশেষ সংবাদ-
  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরা সদরে ৫ হাজার ৭শ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ

সাতক্ষীরায় গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী ও ভাসুর আটক

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার দহাকুলায় এক গৃহবধুকে গাছের সাথে বেঁধে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার দহাকুলা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ স্বামী কাবিদ ওরফে কাবিল ও ভাসুর হাবিদ ওরফে হাবিলকে আটক করেছে । আহত গৃহবধূ আনোয়ারা খাতুনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, যৌতুকের দাবীসহ নানা কারনে স্বামী কাবিদ তার স্ত্রী আনোয়ারাকে প্রায়ই মারধর করতো। আজ সকালে ভাত খাওয়া নিয়ে আবারও তার সাথে ঝগড়া হয়। এ সময় স্বামী ও ভাসুর তাকে বকাবকি করে। আনোয়ারা এর প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার হুমকি দেন। পরে স্বামী কাবিদ ও তার ভাই হাবিদ আনোয়ারাকে বাড়ির উঠোনে একটি আমগাছে বেঁধে লোহার রড, লাঠি ও ঝাঁটা দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর শুরু করে। আনোয়ারার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এলেও তারা তাকে কাবিদ হাবিদের হুমকির মুখে উদ্ধার করার সাহস পায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে কামরুল ইসলাম আনোয়ারার বাঁধন খুলে তাকে মুক্ত করেন। এরপরই তাকে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনাস্থল থেকে ব্রম্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারি পরিদর্শক অচিন্ত্য কুমার জানান, দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি স্বামী-স্ত্রীর ব্যাপার, এখন দেখা যাক কি করা যায়’।
তবে, এ ব্যাপারে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর স্বামী ও ভাসুরকে আটক করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে । তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে নির্যাতন ॥ স্বামী ও ভাসুর আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় গাছে বেঁধে এক গৃহবধুকে পিটিয়ে নির্যাতন করেছে তার স্বামী ও ভাসুর। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দহাকুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ স্বামী কাবিদ ওরফে কাবিল ও ভাসুর হাবিদ ওরফে হাবিলকে আটক করেছে। আহত গৃহবধূ আনোয়ারা খাতুনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান যৌতুক আদায়সহ নানা কারণে স্বামী কাবিদ স্ত্রী আনোয়ারাকে প্রায়ই মারধর করতো। শুক্রবার সকালে ভাত খাওয়া নিয়ে আবারও তার সাথে ঝগড়া হয়। এ সময় স্বামী ও ভাসুর তাকে বকাবকি করে। আনোয়ারা এর প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার হুমকি দেন। পরে স্বামী কাবিদ ও তার ভাই হাবিদ আনোয়ারাকে বাড়ির উঠোনে একটি আমগাছে বেঁধে লোহার রড, লাঠি ও ঝাঁটা দিয়ে নৃশংসভাবে মারধর শুরু করে। আনোয়ারার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এলেও তারা তাকে কাবিদ হাবিদের হুমকির মুখে উদ্ধার করার সাহস পায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম জানান তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে কামরুল ইসলাম আনোয়ারার বাঁধন খুলে তাকে মুক্ত করেন। এরপরই তাকে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনাস্থল থেকে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারি পরিদর্শক অচিন্ত্য কুমার জানান দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি স্বামী স্ত্রীর ব্যাপার , এখন দেখা যাক কি করা যায়’। তবে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম জানান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে । এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক সাথে তারা, তবে …

এক সাথে তারা, তবে …

কর্তৃক Daily Satkhira

শিরোনামটি শুনে হয়তো অনেকেই মনে করছেন হয়তো নতুন কোন চলচ্চিত্রে এক সাথে অভিনয় করতে যাচ্ছে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই তিন নায়িকা। হুম এক সাথে থাকছেন ঠিকই তবে কোন ছবিতে নয়, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রিয় কমিটি এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। শুক্রবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর রাজারবাগের পুলিশ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন তারা।

আয়োজকরা জানান, এই অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন নায়ক ফেরদৌস, জায়েদ খান, ডি এ তায়েব, নির্মতা ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস, নায়িকা অপু বিশ্বাস, পপি, পরীমনি, মাহিয়া মাহি, পায়েল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে গান গাইবেন সুবীর নন্দী, মমতাজ, কনা ও সালমা মুহিন।

শুক্রবার (৬ এপ্রিল) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে বিকেল ৪টা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠানটি। এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) ও ডিএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম (বার)।

সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন; বাংলাদেশের প্রশংসা করল জাতিসংঘ

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কিত একটি স্বতন্ত্র কমিটি সাম্প্রতিক সময়ে আর্থ-সামাজিক ও সংস্কৃতিসহ অনেক খাতে বাংলাদেশের অর্জিত অগ্রগতির প্রশংসা করেছে।

১৮ জন স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কিত এই কমিটি বাংলাদেশের প্রাথমিক কান্ট্রি রিপোর্টের ওপর সমাপনী পর্যবেক্ষণে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতি প্রদান করে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ১৫ ও ১৬ মার্চ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত অধিকার সম্পর্কিত এই কমিটির দু’দিনের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিবেদন পেশ করেন। প্রতিমন্ত্রী রিপোর্টের ওপর কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

জেনেভায় ২৯ মার্চ এই কমিটির ২৮তম বৈঠকে সমাপনী পর্যবেক্ষণ গৃহীত হয়। এতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশের জন্য কিছু সুপারিশও রয়েছে।

সমাপনী মন্তব্যে কমিটি প্রতিবেদনকে স্বাগত জানায় এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাণবন্ত ও গঠনমূলক সংলাপের প্রশংসা করে। অধিকার কমিটি আর্থ-সামাজিক খাতের সর্বস্তরে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অর্জিত বিশাল অর্জনের কথা উল্লেখ করে।

কমিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনীর প্রশংসা করে।

কমিটির পর্যবেক্ষণ নোটে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাস ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির অনন্য সাফল্যের কথা লিপিবদ্ধ করা হয়। ২০০৬ হতে ২০১৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৩৮.৪ শতাংশ থেকে ২৪.৩ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে মাথাপিছু আয় এবং গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৭১.৬ বছর।

এতে প্রাথমিক শিক্ষায় শতভাগ ভর্তি লিঙ্গ সমতার প্রশংসা করে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথযাত্রায় স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের আসন্ন উত্তরণের কথাও নোট করা হয়।

কমিটি বাংলাদেশের ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড ও ক্লাইমেট চেঞ্জ রেসিলিয়েন্স ফান্ড গঠন এবং এ্যাডপসন অব দ্য বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রেটেজি এ্যান্ড এ্যাকশন প্লান অব ২০০৯-কে স্বাগত জানায়। তবে এসব পরিকল্পনা ও কৌশলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী ও সুশীল সমাজের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।

জাতিসংঘের এই অধিকার কমিটি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে। কমিটি একথাও বলেছে যে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ প্রভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে।

কমিটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরো শক্তিশালী করার সুপারিশ করে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থায়ন এবং নিজস্ব স্টাফ নিয়োগে কমিশনকে সক্ষম করার সুপারিশ করা হয়।

আয় বৈষম্য নিরসনে পর্যাপ্ত সম্পদ বৃদ্ধি এবং কর ফাঁকি মোকাবেলায় আয় বণ্টনের প্রভাব সম্প্রসারণ, করভিত্তি বাড়ানো, কর সংগ্রহের উন্নয়ন এবং সংশোধিত ভ্যাট খাদ্যদ্রব্য ও সেবা খাতে প্রয়োগ না করতে স্বচ্ছতা বিধানের সুপারিশ করা হয়। এতে বিশেষ করে সামাজিক নিরাপত্তা, গৃহায়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতসহ সমাজসেবা খাতে অর্থায়ন বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়।

কমিটি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের সুপারিশ করেছে। কমিটি দুর্নীতির জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতির ব্যাপারে সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির সুপারিশ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৪ দলের শরিকদের আসন ভাগাভাগি প্রশ্নে আলোচনার তাগিদ

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটগতভাবে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরা। পাশাপাশি নির্বাচনী আসন ভাগাভাগির বিষয়টি নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা।

১৪ দলের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দুটি নির্বাচনের মতো আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ১৪ দলের শরিকরা আসন ভাগাভাগি করে ঐক্যব্ধভাবে অংশ নেবে। এ ব্যাপারে জোটের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। তবে নির্বাচনের সময় এগিয়ে এলেও জোটগতভাবে নির্বাচনী প্রস্তুতির ব্যাপারে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। শরিক দলগুলো নিজস্ব প্রস্তুতি শুরু করলেও জোটগতভাবেও প্রস্তুতি শুরু করা দরকার বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আগে থেকেই আলোচনার মাধ্যমে একটা সিদ্ধান্তে আসতে চান তারা।

এদিকে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনার জন্য শরিক দলগুলোর পক্ষ থেকে জোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও আলোচনা শুরু না হওয়ায় জোটের কোনো কোনো দল অস্বস্তিতে রয়েছে।

১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা জানান, আসন সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে শেষ মুহূর্তে আলোচনায় বসা হলে তখন হাতে সময় থাকে না। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা বা বিচার বিশ্লেষণের সুযোগ পাওয়া যায় না। তখন তড়িঘড়ি নামকাওয়াস্তে একটা লোকদেখানো একটা সমাধান খোঁজার চেষ্টা হয়। তখন শরিক দলগুলোকেই বেশি ছাড় দিতে হয়। গত দুটি নির্বাচনে আসন সমঝোতার সময়ও এই অসম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন বলে নেতাদের অভিমত।

১৪ দলের নেতাদের কেউ কেউ জানান, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে পরিস্থিতি এক রকম হবে। আর বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে আরেক রকম হবে। বিএনপির অবস্থানের ওপর ১৪ দলের আসন বণ্টন বা শরিক দলগুলোর আসন ছাড়ের প্রভাব পড়বে। এ বিষয়টিও জোট নেতাদের ভাবনার মধ্যে রয়েছে। এ কারণেই হয়তো আলোচনায় দেরি হচ্ছে। তবে এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ১৪ দলের অন্যতম শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, আমরা আলোচনা শুরু করতে আওয়ামী লীগকে বলেছি। কিন্তু এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। হয়তো দ্রুতই আলোচনা শুরু হবে। আগে থেকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে রাখলে প্রস্তুতিটা ভালো হয়।

এ বিষয়ে জাসদের (একাংশ) সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। এটা নিয়ে জোটে আলোচনা শুরু করা উচিত। আলোচনা শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের দিক থেকে কিছু বলা হয়নি।

জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ১৪ দলের ফোরামে আলোচনার পর জোটনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে জোটে এখনও আলোচনা হয়নি। আমরা আলোচনার কথা বলেছি, দেখা যাক কী হয়।

জাসদের অপর অংশের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার বলে মনে করে ১৪ দলের শরিকরা। তবে এখনও আলোচনা হয়নি। আগে থেকে আলোচনাটা করে রাখলে ভালো হয়।

তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার বলে আমরা মনে করি। তবে আসন বণ্টন নিয়ে জোটে কোনো সমস্যা হবে না। জোটের শরিক দলগুলোর কে কতটি আসন চায় বা কোন কোন আসন চায়, তা লিখিতভাবে নিয়ে আলোচনা করে একটা সমাধানসূত্র বের বের করা যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ইয়াবাসহ গ্রাম পুলিশ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ২৫ পিচ ইয়াবা সহ গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) সাইফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে শহরের ফুলতলা মোড় থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।

আটক সাইফুল সদরের আলিপুর হাটখোলা গ্রামের মৃত দাউদ হোসেনের ছেলে।

সাতক্ষীরা ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ শহরের ফুলতালা মোড়ে অভিযান চালায়। সেখান থেকে আলিপুর ইউনিয়নে কর্মরত চৌকিদার সাইফুল ইসলামের দেহ তল্লাসি করে ২৫ পিচ ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য

কাশিমাড়ী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: ২০১৭ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর বৃত্তিতে শ্যামনগর উপজেলার ০৪ নং কাশিমাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। এ বারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় এ প্রতিষ্ঠান থেকে ০৮ জন ট্যালেন্টপুল ও ০২ জন সাধারণ গ্রেডে মোট ১০ জন বৃত্তি লাভ করেছে।
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন হাফিজুর রহমান, মোঃ আহসান হাবিব, হুমাউন কবির, উর্মি, রুবিনা, দৃষ্টিরায় তমা, সুমাইয়া আক্তার সুমি ও শামিমা সুলতানা। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন নাইম হাসান ও শাহজালাল হোসেন।
প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিক্ষকবৃন্দ, এসএমসি, পিটিএ ও অভিভাবক সহ এলাকার শিক্ষানুরাগী মহলের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার ফলে এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
বিদ্যালয়ের এসএমসি সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। প্রাথমিক শিকার উন্নয়নে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা সত্যিই অনেক প্রসংশনীয়। শিকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম আব্দুর রউফ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আশাকরি আমার ইউনিয়নে শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষাঙ্গনে আমার সহযোগিতাও অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা ও কোটার শূন্যপদে নিয়োগ স্পষ্ট করলো সরকার

সরকারি চাকরিতে কোটা ও কোটার শূন্য পদে নিয়োগের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনের মধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে সরকার। এক আদেশে কোটা সংরক্ষণ ও কোটার শূন্য পদ থাকলে সেক্ষেত্রে নিয়োগ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

গত ৬ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খানের স্বাক্ষর করা এক আদেশে বলা হয়, ‘সব সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটার কোনো পদ যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পূরণ করা সম্ভব না হইলে সে সেসকল পদ মেধা তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের মধ্য হইতে পূরণ করিতে হইবে।’

২০১০ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মুক্তিযোদ্ধা কোটার শর্ত শিথিল করে অন্যসব সরাসরি নিয়োগে সব কোটার ক্ষেত্রে শূন্য পদে মেধাবীদের নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এই নির্দেশনার পরে কোনোভাবে যেন কোটার পদে নিয়োগ না হয় সেজন্য কোটার পক্ষের সংশ্লিষ্টরা দাবি জানিয়েছিল। আর কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) কোটা বহাল রেখেই কোটা এবং কোটার শূন্যপদে মেধাবীদের নিয়োগের বিষয়ে স্পস্ট করে ব্যাখ্যা দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান স্বাক্ষরিত আদেশে গত ৬ মার্চের স্মারকের নির্দেশনার স্পষ্টীকরণ করে বলেছে, ‘উক্ত নির্দেশনা জারির ফলে সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত এবং বিভিন্ন করপোরেশন ও দফতরের সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা পদ্ধতি যথাযথভাবে অনুসরণের লক্ষ্যে নিম্নরূপ ব্যাখ্যাসহ স্পষ্টীকরণ করা হইল:

(ক) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে:
১. প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে ২০১০ সালের ৫ মে পরিপত্র অনুসরণপূর্বক বিশেষ কোটার অধীন কোনো জেলার বিতরণকৃত পদের সংখ্যা হইতে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম হইলে উক্ত বিশেষ কোটার অপূর্ণ পদসমূহ জাতীয় ভিত্তিক স্ব-স্ব বিশেষ কোটার (অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) জন্য প্রণীত জাতীয় মেধা তালিকা হইতে পূরণ করিতে হইবে।

২. উক্ত সিদ্ধান্ত অনুসরণের পর সংশ্লিষ্ট নিয়োগের জন্য মহিলা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটার কোনো কৃতকার্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে উক্ত পদগুলো অবশিষ্ট কোটা অর্থাৎ জেলার সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করিতে হইবে।

৩. উপরিউক্ত

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest