সর্বশেষ সংবাদ-
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা

এবার সামির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তার স্ত্রীর

ত্রীর অভিযোগের পর অভিযোগে ক্রমশই চাপ বাড়ছে ভারতের তারকা পেসার মহম্মদ সামির। ব্যাভিচারের অভিযোগ তো ছিলই, এবার স্বামী সামির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগও আনলেন হাসিন জাহান।

ভারতীয় দলের বোলার সামি পাকিস্তানের এক নারীর থেকে টাকা নিয়ে ম্যাচ গড়াপেটা করেছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন হাসিন জাহান। তার দাবি, এই ব্যাপারে তার কাছে প্রমাণও রয়েছে। আলিসবা নামে এক পাক নারীর থেকে সামি দুবাইতে টাকা নেন বলে দাবি করেছেন জাহান। এর সঙ্গে ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী মহম্মদ ভাইও যুক্ত বলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

হাসিন জাহান বলেছেন, ‘‘মহম্মদ সামি যদি আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে তবে দেশের সঙ্গেও করতে পারে। দুবাইতে আলিসবা নামে এক মহিলার থেকে ও টাকা নিয়েছিল। ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী মোহম্মদ ভাইয়ের কথাতেই সে টাকা নিতে রাজি হয়। আমার কাছে প্রমাণ রয়েছে।’’

শুধু তাই নয়, সামির মা ও ভাই তাকে খুন করার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন হাসিন জাহান। কলকাতা পুলিশের হেডকোয়ার্টারে গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন হাসিন জাহান। সঙ্গে নিয়ে যান তার আইনজীবীকেও। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) প্রবীণকুমার ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করেন। তবে সেই অভিযোগে ম্যাচ গড়াপেটার কথা রয়েছে কি না তা জানা যায়নি।

অন্য দিকে, হাসিন মানসিক অসুস্থ বলে দাবি করেছেন মহম্মদ সামি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, হাসিন তার ফোন তুলছেন না। ম্যাচ গড়াপেটা সংক্রান্ত স্ত্রীর অভিযোগ উড়িয়ে ক্রিকেটার বলেন, আমি তার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালাব। সে কেন এই অভিযোগ করছে, তার তদন্ত হওয়া দরকার। সামির আরও অভিযোগ, স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মিলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ ১৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ১৩টিতেই হার বাংলাদেশের!

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের ইনিংসের পর শুধু একটি কৌতূহল ছিল, ভারত কয় বল বাকি রেখে জিতবে! শেষ পর্যন্ত ৮ বল হাতে রেখে জিতল ভারত। সেটাও ৪ উইকেট হারিয়ে। বেশ সম্মানজনক ব্যবধান বটে! গতকালকের ম্যাচে বাংলাদেশের ‘প্রাপ্তি’ এটুকুই। যে পরিকল্পনাহীন ক্রিকেট বাংলাদেশ খেলেছে, তাতে এ ব্যবধানও বেশ ভালো মনে হচ্ছে। এখন বাংলাদেশ যেন সম্মানজনক পরাজয়েও খুশি!

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের এমন পারফরম্যান্স অবশ্য নতুন কিছু নয়। গত ১৪ টি-টোয়েন্টিতে এটা ১৩তম হার বাংলাদেশের। সাকিব আল হাসান না থাকলে অর্ধশক্তির ভারতও কঠিন প্রতিপক্ষ। পড়া না-পারা ছাত্রের জন্য জলবৎ তরলং প্রশ্নপত্রও কঠিন ঠেকতে পারে। বাংলাদেশের সমর্থকদের আফসোসটা এখানেই, এই ছাত্রেরা অতটা ফেলটুশ তো নয়; যেমনটা দেখাচ্ছে। বোলাররা বাংলাদেশের যে ৭ উইকেট নিয়েছে, প্রতিটাতেই ব্যাটসম্যানরা বল ভাসিয়ে দিয়েছে হাওয়ায়। চোখে বেঁধে এমন সব শট।

ব্যাটসম্যানদের বাজে পারফরম্যান্সের পর ম্যাচ জিততে হলে বোলারদের দারুণ কিছু করতে হতো। ২৮ রানে রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন। ভারতের স্কোরটা ৪০ রানে থাকতে ঋষভ পন্তকেও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। কিন্তু মাত্র ১৩৯ রানের পুঁজি নিয়ে লড়াই করা খুব কঠিন। বিশেষ করে শিখর ধাওয়ান যে ফর্মে আছেন।

আগের ম্যাচের ঝোড়ো ৯০ রানের পর এ ম্যাচেও ফিফটি পেয়েছেন এই ওপেনার। তাঁর ৪৩ বলে ৫৫ রানের ইনিংসটাই ভারতকে কোনো চাপে পড়তে দেয়নি। সুরেশ রায়নার প্রায় ওয়ানডে স্টাইলে করা ২৮ রানও তাই ভারতের জন্য অস্বস্তির কোনো কারণ হয়নি।

তিন পেসারই ৪ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন নিজেদের মাঝে। তবে ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ কিছু চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। এই স্পিনারের এমন বোলিংয়ের পরও অবশ্য নাজমুল ইসলামের হাতে বল উঠতে ১৪তম ওভার লেগে গিয়েছে। তাঁকে এত দেরিতে আনাটা যে অন্যায়, তা নিজের তৃতীয় বলেই ধাওয়ানকে স্টাম্পিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু কিন্তু মুশফিক বল ধরতে পারলে তো!

অবশ্য ততক্ষণে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলা ধাওয়ান আউট হলেও ম্যাচের ভাগ্য তখন আর কোনো হেরফের হতো না। নিদাহাস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে ১৭৪ রান করেও ভারত জিততে পারেনি, আর এ তো ১৪০ রানের লক্ষ্য!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগরে রাতের আধারে সরকারি গাছ কর্তন করে ভবন নির্মাণ

পলাশ দেবনাথ, নুরনগর থেকে: শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরে ভবন নির্মানের জন্য রাতের আধারে সরকারী গাছ কর্তন করে কাটাখালী খাল পাড় সরকারী জায়গায় পাকা ভবন নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, নুরনগর কাটাখালী গ্রামের হালিমা বেগম সরকারী কার্পেটিং রাস্তার পাশে সরকারী গাছ কেটে পাকা ভবন নির্মান করার লক্ষ্যে রাতের আধারে দক্ষিন হাজীপুর গ্রামের গফুর ঢালীর পুত্র মনু ঢালী, কাটাখালী গ্রামের হালিমা বেগম,তার স্বামী জহুর আলী সহ একই গ্রামের আব্দুল কারিকরের ছেলে করিম কারিকর সরকারী রাস্তার পাশের সরকারী গাছ কর্তন করে। এদিকে সরকারী রাস্তাার পাশের সরকারী গাছ কর্তন কারীদের আইনের আওয়াতায় না আনতে পারলে অন্যরাও এদের দেখে সরকারী রাস্তার পাশের গাছ কেটে যে যার মত নিয়ে যেতে পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কায় মুসলিমদের ওপর বৌদ্ধদের সহিংসতা ঠেকাতে হিমশিম অবস্থায় কর্তৃপক্ষ

শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে মুসলিমদের ওপর হামলা ও সহিংসতা ঠেকাতে আরও সৈন্য নিয়োজিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। পুলিশ দাঙ্গা থামাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের হামলাকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে।

সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সিনহালারা বিভিন্ন মসজিদ এবং মুসলিমদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছিল। মুসলমানদের সাথে বিবাদকে কেন্দ্র করে একজন বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর খবরে তারা কারফিউ উপেক্ষা করে এসব হামলা চালায়।

মসজিদ ও মুসলমানদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর একের পর এক হামলার পর দেশটিতে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়। পরে কারফিউর মেয়াদও বাড়ানো হয়। দেশটির কর্তৃপক্ষ সামাজিক মাধ্যম ব্লক করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে একটি পুড়ে যাওয়া বাড়ির ভেতর থেকে এক মুসলিম তরুণের মৃতদেহ পাওয়ার পর থেকে সেখানে মুসলিমরা প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠতে পারে এবং আবারো সংঘাত শুরু হতে পারে এমন আশংকা করে কর্তৃপক্ষ।

নতুন করে সহিংসতায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনহালা সম্প্রদায় এবং সংখ্যালঘু মুসলিমদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ চলে বেশকিছু এলাকায় এবং বহু বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

বুধবার ক্যান্ডি শহরে হাতবোমা বহনের সময় সিনহালা সম্প্রদায়ের একজন ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে খবর আসে।

এমন প্রেক্ষাপটে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সেইসাথে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারি মুখপাত্র রাজিথা সেনারাথানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরাজয়ে নিদাহাস ট্রফি শুরু করল বাংলাদেশ

আশা ছিল, সুযোগও ছিল। বলতে গেলে তারকাবিহীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হয়েছিল সাকিববিহীন বাংলাদেশ।

কিন্তু ঘরের মাঠে গত মাসের পারফর্মেন্সের থেকে আজকের পারফর্মেন্সের কোনো আলাদা করা গেল না। ১৩৯ রানের স্বল্প পুঁজি নিয়ে ৮ বল বাকী থাকতেই ৬ উইকেটে হেরে গেল মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে হারা ভারত এই ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়াল।

কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৪০ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে সুন্দর সূচনা করে ভারত। তবে দলীয় ২৮ রানে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে (১৭) বোল্ড করে ওপেনিং জুটি আর বাড়তে দেননি মুস্তাফিজ। ৭ রান করা ঋষভ পান্থকে বোল্ড করে দেন আরেক পেসার রুবেল হোসেন। ওই মুহূর্তে বেশ চাপে পড়ে যায় ভারত। সুরেশ রায়নার উইকেটটিও পেতে পারতেন রুবেল, যদি না মেহেদী মিরাজ ক্যাচ না ছাড়তেন। এর মূল্যও চুকাতে হয় বাংলাদেশকে। ধাওয়ানের সঙ্গে বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখেন রায়না।

৩৫ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন শিখর ধাওয়ান। সেই রুবেল-মিরাজ জুটিতেই সুরেশ রায়নার  (২৮) বিদায়ে ভাঙে ৬৮ রানের জুটি। জয় থেকে ভারত তখন মাত্র ৩২ রান দূরে। ভারতের দলীয় ১২৩ রানে ৪৩ বলে ৫৫ রান করা ধাওয়ানকে ফেরালেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে মিডউইকেটে ক্যাচ নিলেন লিটন দাস। তবে মণীষ পাণ্ডে আর দীনেশ কার্তিকের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় ভারত। মণীষ ১৯ বলে ২৭* আর দিনেশ ২ বলে ২* রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মারকুটে মেজাজে থাকা সৌম্য সরকার ১২ বলে ১টি করে চার-ছক্কায় ১২ বলে ১৪ রান করে উনাদকাটের বলে যুজবেন্দ্র চাহালের তালুবন্দি হন। শার্দুল ঠাকুরের পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে রিভিউ নিয়ে বাঁচলেও শেষ বলে শর্ট ফাইন লেগে উনাদকাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তামিম (১৫)। ২ চার ১ ছক্কায় বেশ ভালোই জমিয়ে ফেলেছিলেন মুশফিক। তবে দলীয় ৬৬ রানে ভারত রিভিউ নিয়ে তাকে থামায়। বিজয় শংকরের বলটি মুশফিকের (১৮) ব্যাট ছুঁয়ে জমা হয় উইকেটকিপার দিনেশ কার্তিকের গ্লাভসে।

বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেটের পতন হয় অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহর বিদায়ে। ৮ বলে ১ রান করে বিজয় শংকরের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। লিটন দাসের সঙ্গে ফর্মহীনতায় ভুগতে থাকা সাব্বির রহমান ১৫তম ওভারে দলের স্কোর একশ পা করান। দলীয় ১০৭ রানে যুজবেন্দ্র চাহালের বলে সুরেশ রায়নার তালুবন্দি হন ৩০ বলে ৩ চারে ৩৪ রান করা লিটন। উনাদকাটের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি মিরাজ। অনেকদিন পর সাব্বিরের ব্যাটে আসে রান। ১৯তম ওভারে উনাদকাটের শিকার হওয়ার আগে ২৬ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘৭ মার্চে নারী নিগ্রহের দায় আওয়ামী লীগের নয়, সরকারের’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ৭ মার্চ রাজধানীর রাস্তায় নারী নিগ্রহের ঘটনা যেহেতু সমাবেশ স্থলে ঘটেনি, তাই এর দায় আওয়ামী লীগের নয়। তবে সরকারের দায় রয়েছে।

বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছেন। জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির  বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ‘জনসভার বাইরে ঢাকার রাস্তায় কোথায় কি হয়েছে এটা আমাদের দলের বিষয় নয়। এই সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনায় কেউ ছাড় পায়নি এবং বুধবার যদি ঘটে থাকে কেউ ছাড় পাবে না। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাফর ইকবালের ওপর হামলা : ফয়জুরের ট্যাবসহ ভাই গ্রেফতার

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলাকারী জঙ্গি ফয়জুর হাসানের ভাই এনামুল হককে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ফয়জুর হাসানের ব্যবহৃত ট্যাব ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত করে ফয়জুর হাসান। হামলার পর শিক্ষার্থীরা হাতেনাতে আটক করে ফয়জুরকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনার পর তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে ফয়জুরের বাবা-মা থানায় আত্মসমর্পণ করে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনে সরকারি ভাবে কাঁকড়া আহরণ শুরু : বন্ধ হয়নি বনরক্ষীদের ঘুষ বানিজ্য

আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে সরকারি ভাবে কাঁকড়া আহরণ শুরু হয়েছে। গত ১লা মার্চ থেকে কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১লা জানুয়ারী পর্যন্ত ফেব্রুয়ারীর শেষ পর্যন্ত ২মাস কাঁকড়ার ডিম ছাড়ার মৌসুমে সরকারিভাবে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ রাখা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় সরকারিভাবে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরনের পাস। তবে সুন্দরবনের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কাঁকড়া আহরণকারীদের সাথে যোগ সাজসে বন্ধ মৌসুমে বন্ধ হয় না কাঁকড়া আহরণ। তথ্য সংগ্রহ কালে সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণকারী মুন্সীগঞ্জের রফিকুল, জাকির, হাসান, মারুফ দৈনিক জন্মভূমির প্রতিবেদককে জানান, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে সরকারিভাবে কাঁকড়া আহরণ বন্ধ থাকলেও ২শ টাকা সরকারি রাজস্বের স্থলে স্মার্ট টিমের টাকাসহ প্রতি জেলের ১সপ্তাহের ২জনের পাসে ১৫-১৬শ টাকা উৎকোচ দিয়েছে ফরেস্ট স্টেশনে। অনেক কাঁকড়া আহরণকারীরা এই অতিরিক্ত টাকার চাপে অপারগতা প্রকাশ করলে বন বিভাগের নিয়োজিত দালালদের মাধ্যমে তাদের শায়েস্তা করার হুমকি দিয়েছে। এব্যাপারে গণ মাধ্যমে ঢালাওভাবে খবর প্রকাশ করা হলেও টনক নড়েনি বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। বন্ধ হয়নি বনরক্ষীদের ঘুষ বানিজ্য। হরিনগর গ্রামের মৎস্য আহরণকারী সোলাইমান, ধুমঘাট গ্রামের আকবর জানান, সরকারীভাবে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ শুরু হলেও বন রক্ষীদের ঘুষ না দিলে পারবো না কেউ সুন্দরবনে ঢুকতে। বনরক্ষীরা নানা অভিযোগ খাড়া করে বিপাকে ফেলবে জেলেদের। ১লা মার্চ কাঁকড়া আহরণের পাস দিয়েছে বন বিভাগ। কিন্তু, পাস সমর্পণ করতে ৭শ টাকা লাগবে বলে দালালদের মাধমে জানিয়ে দিয়েছে কৈখালী , কদমতলা, বুড়িগোয়ালীনি ও কোবাতক স্টেশন কর্মকর্তা। লটাবেকী টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা তাদের ট্রলারে টেনে জেলেদের অভয়ারণ্য এলাকায় নিয়ে মাছ কাঁকড়া আহরণ করাচ্ছে। অথচ স্মার্ট টিম বিষয়টি জানার পরেও ঐলাকায় অভিযানে যায়না। লোক দেখানো নিয়মিত টহল করে স্মার্টটিম স্প্রীড বোর্ড চালিয়ে সরকারের কোষাগারের টাকা ঠিকই ব্যয় করছে। সুন্দরবন থেকে ফিরে আসা আরও অনেক জেলে জানান, সবচেয়ে জেলেদের কাছ থেকে ঘুষ বানিজ্যে রেকর্ড সৃষ্টিকারী দুই বন কর্মকর্তা বেলাল হোসেন ও মিঠুৃ তালুকদার কে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের স্মার্টটিমের টিম লিডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই কথা বলেছেন, বন প্রহরী মিজানুর রহমান। তিনি জানান, কোন ভাল ও স্বচ্ছ মানুষকে সুন্দরবনের কোন ভাল পোস্টিং দেওয়া হয়না। কারণ, মজার যায়গায় চাকরী করতে গেলে তদবীর ছাড়া হয়না। ভাল মানুষ তো তদবীর করতে পারে না। তাছাড়া প্রতিনিয়ত খবর আসছে স্মার্টটিমের জেলেদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহানের কথা। লোক দেখানো ২-১টি ট্রলার, জাল জব্দ করলেও তাদের মুখের ভাষ্য- আসামী খুজে পায় না। এসব খবর গণ মাধ্যমে প্রকাশের পর স্মার্টটিমের লিডার বেলাল হোসেন একজন সাংবাদিক কে বলেন, লিখে লাভ হবে না। বড় বড় পত্রিকার সম্পাদক তার অনেক বন্ধু আছে। একই কথা বলেন, লটাবেঁকী টহল ফাড়ির কর্মকর্তা নুরুল আলম। এব্যাপারে কথা হয় পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বশিরুল আলম মামুনের সাথে। তিনি বলেন, অনেক অভিযোগ মিডিয়া বা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি। গোপনীয় তদন্ত চলছে আরও একটু অপেক্ষা করেন। প্রমান হলে ব্যবস্থা ঠিকই হবে। যেই অপরাধী হোক না কেন? অমি পশ্চিম সুন্দরবনের ডিএফও এর দায়িত্বে থাকাকালিন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest