সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

শুভশ্রীর বিয়ে ১১ মে

কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে গত মার্চে অংটি বদল হয়েছে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীর। এবার প্রথা মেনে সাত পাকে বাধা পড়ার পালা তাদের। কলকাতা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় এই জুটির বিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ায় উন্মাদনা তুঙ্গে। বিয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন রাজ শুভশ্রীও।

জি নিউজের খবর, আগামী ১১ মে বাঙালি রীতি মেনেই বিয়ে করছেন রাজ-শুভশ্রী। বিয়ের অনুষ্ঠান হবে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাওয়ালি রাজবাড়িতে। আর বিয়ের রিসেপশন হবে ১৮ মে শুভশ্রীর গ্রামের বাড়ি বর্ধমানে।

ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে রাজ শুভশ্রীর বিয়ের কার্ড। শুরু হয়েছে নিমন্ত্রণ পর্বও। তবে বিয়ের বিষয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি রাজ-শুভশ্রী। তবে কি কোনো সারপ্রাইজ দিতে চাইছেন? সেটাই এখন দেখার বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান মে দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার র‌্যালী ও আলোচনাসভাসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, জেলা শ্রমিক লীগ, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন, ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন। সকাল থেকে শুরু হওয়া খন্ড খন্ড র‌্যালীতে এ সময় সাতক্ষীরা শহর মুখরিত করে তোলে।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৮ টায় সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বর থেকে জেলা প্রশাসন ও বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন, জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন ও পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্প কলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। এর পর সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
পরে সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সাইফুল করিম সাবুর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে এক আলোচনাসভায় মিলিত হয়। এরপর একেএক বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন শহরে খন্ড খন্ড র‌্যালী বের করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈরী আবহাওয়া, সারাদেশে বজ্রপাতে নিহত ১৪
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলে সবার শীর্ষে ধোনি!

মাহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম নক্ষত্র। তার হাত ধরেই ক্রিকেটের বড় আসরগুলোতে শিরোপার স্বাদ পেয়েছে ভারত। আইপিএলেও চেন্নাইকে বেশ কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন ক্যাপ্টেন কুল।

ইতোমধ্যে অধিনায়ক হিসাবে আইপিএলে ১৫০টি ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান হিসাবে ৫ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরিয়ে গিয়েছেন অনেক আগেই।

তবে সোমবার রাতে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিরুদ্ধে ম্যাচে ২২ বলে ৫১ রান করে আরও এক কীর্তি গড়লেন চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে) অধিনায়ক।

এদিন দিল্লিকে ৪ উইকেটে ২১১ রানের বিশাল লক্ষ্য দেয় চেন্নাই। শেন ওয়াটসন ৭৮, ধোনি ৫১ ও আম্বাতি রায়ডু ৪১ রান করেন। তবে ধোনি অপরাজিত অর্ধশতরান করে অধিনায়ক হিসাবে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ড এখন তার দখলে।

লিগের লাস্ট বয় দিল্লিকে রানের পাহাড়ের তলায় চাপা দিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল সিএসকে। এদিন ব্যাট হাতে লড়েও ম্যাচ হেরে কার্যত প্লে অফ থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে দিল্লি। চেন্নাইয়ের করা ২১১ রানের জবাবে দিল্লি থামল ৫ উইকেটে ১৯৮ রানে। হারল ১৩ রানে।
ধোনি টপকে গেলেন গৌতম গম্ভীরকে। গম্ভীরের থেকে ১৮ রান বেশি রয়েছে ধোনির। ডান-হাতি এই উইকেট-কিপার ব্যাটসম্যানের বর্তমান সংগ্রহ ৩ হাজার ৫৩৬ রান। ৩ হাজার ৫১৮ রান নিয়ে গম্ভীর রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় স্থানে থাকা বিরাট কোহলির সংগ্রহ ৩ হাজার ৩৩৩ রান। এছাড়া ২ হাজার ১৯৮ রান নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন রোহিত শর্মা।

ধোনি আইপিএলের ইতিহাসের সবচেয়ে সফলতম অধিনায়ক। ৩৫ বছর বয়সী তারকার নেতৃত্বে চেন্নাই আটবার খেলে প্রতিবার প্লে-অফে উঠেছে। ২০১০ ও ২০১১ সালে আইপিএল জিতেছে। এবারও প্লে অফের দিকে এগিয়ে গিয়েছে চেন্নাই।

এদিনের জয়ের ফলে চেন্নাই ৮ ম্যাচে ৬টি জিতে ১২ পয়েন্ট পেল। একইসঙ্গে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে টপকে চলে গেল গ্রুপ শীর্ষে। দিল্লি ৮ ম্যাচে ৬টি হেরে লিগ টেবিলের শেষেই রইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে চাচাতো ভাইদের পিটুনিতে যুবক নিহত, আটক ৩

আসাদুজ্জামান: জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ভাইদের লাঠির আঘাতে আর এক ভাই নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বন্দকাটি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
নিহতের নাম মাসুদ হোসেন (২৫)। তিনি বন্দেকাটি গ্রামের মোনায়েম হোসেন গাজীর ছেলে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোনায়েম হোসেনের ভাই মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল আজিজ ও আজিজের ছেলে আশরাফ হোসেন।
কালিগঞ্জ থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব হোসেন জানান, বন্দকাটি গ্রামের মোনায়েম গাজির পরিবারের সাথে তার ভাই মোয়াজ্জেম, আজিজ ও মোকাররমের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাাঁধে। এতে চাচাতো ভাই আতিকুলসহ কয়েকজন মোনায়েম গাজির ছেলে মাসুদ হোসেনের মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে। তাকে ঠেকাতে গিয়ে আহত হন মাসুদের বোন শারমিন ও স্ত্রী রেশমা। গুরুতর আহত অবস্থায় মাসুদকে প্রথমে কালিগঞ্জ, পরে সাতক্ষীরা ও সবশেষে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মঙ্গলবার ভোরে তিনি মারা যান।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মাসুদ হোসেনের লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মহান মে দিবস

মহান মে দিবস আজ মঙ্গলবার। মাঠে-ঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিল শ্রমিকরা।

এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। সে ডাকে শিকাগো শহরের তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখে। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরো অসংখ্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হয় সেখানে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে ১০ শ্রমিক প্রাণ হারান।

অন্যদিকে হে মার্কেটের ওই শ্রমিক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে। গড়ে ওঠে শ্রমিক-জনতার বৃহত্তর ঐক্য। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

পরে ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শিকাগোর রক্তঝরা অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়ে ওই ঘটনার স্মারক হিসেবে ১ মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৮৯০ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ‘মে দিবস’ হিসেবে পালন করতে শুরু করে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা শ্রমজীবী মানুষসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘শ্রমিক-মালিক ভাই ভাই, সোনার বাংলা গড়তে চাই।’

আজ সরকারি ছুটি। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব তফসিলি ব্যাংক ও কলকারখানা বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও বেতারগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও রাষ্ট্রীয়ভাবে মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সকাল ৭টায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। র‌্যালিটি দৈনিক বাংলা থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হবে।

মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে আগামী বৃহস্পতিবার ৩ মে সকাল সাড়ে ১০টায় মে দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক।

এ ছাড়া মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী এবং সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ সব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা শ্রমজীবী মানুষসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘শ্রমিক-মালিক ভাই ভাই, সোনার বাংলা গড়তে চাই।’

আজ সরকারি ছুটি। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব তফসিলি ব্যাংক ও কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী এবং সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ সব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ পবিত্র শবেবরাত

আজ মঙ্গলবার রাতে পবিত্র শবেবরাত। মুসলমানদের জন্য সৌভাগ্যের একটি রাত।

আরবি শাবান মাসের ১৪ তারিখের এই মহিমান্বিত রাতকে পবিত্র কোরআনে ‘লাইলাতুল মোবারাকা’ বা বরকতময় রাত বলেও অভিহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ, মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে এ রাত অতিবাহিত করবেন। মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্বের মুসলমান সম্প্রদায় বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া খায়ের করবে মহিমান্বিত এ রাতে।

পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ রাতের পবিত্রতা রক্ষায় পটকা-আতশবাজি নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মূলত পবিত্র মাহে রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে শবেবরাতের এ রাত। ফার্সি ‘শব’ শব্দটির অর্থ রাত, আর ‘বরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য। হাদীসের বর্ণনা মতে, বিশেষ এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা আগামী এক বছরের জন্য মানুষের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় নির্ধারণসহ তাঁর সৃষ্ট জীবের ওপর অসীম রহমত নাজিল করে থাকেন। এ জন্য এ রাতকে শবেবরাত বা ভাগ্যরজনী বলা হয়।

মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুরু হয়ে বুধবার সূর্যোদয় পর্যন্ত এ রাতের ফজিলত অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে এ রাতটি কাটাবেন মুসলমানরা। এ উপলক্ষে অনেকেই নফল রোজা পালন করেন। প্রায় সবাই সাধ্যমতো দান-খয়রাত করে থাকেন। রাতব্যাপী ইবাদত-বন্দেগি, জিকির ছাড়াও এ পবিত্র রাতে মুসলমানরা মৃত মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করে থাকেন। সবার ঘরে আয়োজন করা হয় হালুয়া, গোশত, রুটিসহ নানা রকমের খাবার। আত্মীয়-স্বজন ও গরিবদের মধ্যে এসব খাবার বিতরণ করবেন অনেকে। তবে এসব আয়োজনের কারণে মূল ইবাদতে যেন কোনো রকম ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য গুরুত্বারোপ করেছেন ইসলামী চিন্তাবিদরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বজ্রাঘাত থেকে রক্ষা পাওয়ার ৯টি উপায়

ঝড়বৃষ্টির সময় বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে নয়টি পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর-

১. পাকা বাড়ির নীচে আশ্রয় নিন। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নীচে আশ্রয় নিতে পারেন।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এ সব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনও যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন। বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৫. টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান। বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করুন। যদি প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্মুখীন হন তবে গাড়ি কোনো পাকা ছাউনির নীচে নিয়ে যান। এ সময় গাড়ির কাঁচে হাত দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৭. ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তায় জল জমা আশ্চর্য নয়। তবে বজ্রপাত অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। উপরন্তু কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

৮. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় পা ঢাকা জুতো পড়ে বের হোন। রবারের গাম্বুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

৯. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যে দিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সে দিক বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত প্রতিরোধের এখন পর্যন্ত কোনো উপায় আবিষ্কার না হলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। অনুশীলনের মাধ্যমে এই অভ্যাসগুলো রপ্ত করার মাধ্যমে বিপদ কমিয়ে দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest