সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

ঝাড়ু হাতে এফডিসিতে রিয়াজ, পপি, জায়েদ ও কেয়া

চলছে ঋতুরাজ বসন্ত। ফাগুন হাওয়ায় উন্মাতাল শহরের যান্ত্রিক মানুষেরাও। সবার মনেই যেন ভালোবাসার ছোঁয়া। অথচ সকাল থেকেই এফিডিসিতে ঝাড়ু হাতে দেখা গেল তারকাদের। এরমধ্যে আছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, চিত্রনায়িকা পপি, জায়েদ খান ও কেয়ার মতো তারকা অভিনেতারাও। কিন্তু কেন?

মূলত ভালোবাসা দিবসে পরিচ্ছন্নতার অঙ্গীকার নিয়ে এফডিসির ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার অভিযানে নেমেছেন তারা। তারা সবাই ঝাড়ু হাতে চলচ্চিত্রের এই আঁতুড়ঘরের রাস্তা ও অলিগলিতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করছেন।

এ সময় রিয়াজ বলেন, আজকের এই পরিচ্ছন্ন অভিযানের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘মন সুন্দর যার, সে রাখে দেশ পরিষ্কার’। আমরা সবাই আমাদের প্রাণের প্রিয় এই দেশকে একটু সচেতন হলেই সুন্দর করে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি।

জায়েদ খান বলেন, শিল্পীরা হচ্ছে একটি পরিবার আর এফডিসি হচ্ছে শিল্পীদের ঘর। তাই আমরা আমাদের ঘরকে পরিছন্ন করছি। আমরা বলতে চাই, সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনারা চারপাশ পরিষ্কার রাখুন, তাহলেই দেশটা পরিচ্ছন্ন থাকবে।

এই চার চিত্রতারকাদদের সাথে আরো ছিলেন চিত্রনায়ক রুবেল, খল অভিনেতা মিশা সওদাগর, ডিপজল, শাহনূর, রোজিনা, নূতন। নতুন চিত্রশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন বিপাশা কবির, জয় চৌধুরী, অধরা খান, নাদিম, শান প্রমুখ। অন্যদিকে পরিচালকদের মধ্যে এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, শাহ আলম কিরণ এবং গাজী মাহবুব প্রমুখ।

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে গেল বছর শুরু হয়েছিল ‘ডেটল-চ্যানেল আই পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার্ড বাই হারিপক’ ক্যাম্পেইন ধারাবাহিক ভাবে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিচ্ছন্ন অভিযান করছে।

এরই অংশ হিসেবে ১৪ ফেব্রুয়ারি এফডিসিতে পরিচ্ছন্ন অভিযানের আয়োজন করা হয়। তারকা শিল্পী ছাড়াও আরো এই পরিচ্ছন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছেন ঢাকা উ. মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম, সিটি কর্পোরেশনের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এর ডিজি কমোডোর আব্দুর রাজ্জাকসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সরকারি শিশু পরিবারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে নির্যাতিত শিশুদের সংবাদ সম্মেলন, কাল মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় সরকারি শিশু পরিবার থেকে মিথ্যা অভিযোগ এনে ৪ শিশুকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটিতে এতিম বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই ৪ বালক। আজ বুধবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এসব অভিযোগ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে। এঘটনায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে আগামিকাল সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটস্থ শহিদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে এক মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

পাঠকের সুবিধার্থে সংবাদ সম্মেলনে পঠিত এসব এতিম শিশুদের লিখিত বক্তব্য নি¤েœ হুবহু উপস্থান করা হলোÑ
“আমাদের শুভেচ্ছা নিন। আমাদের আহবানে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে আজকের এ সংবাদ সম্মেলনে হাজির হবার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাতক্ষীরা শিশু পরিবার(বালক)-এ বছরের পর বছর ধরে চলা নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদকারী ৪ জন শিক্ষার্থীকে বহিস্কারের প্রতিবাদে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।
সাংবাদিক ভাইয়েরা : আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারী সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার(বালক) এর শিক্ষার্থীবৃন্দ হইতেছি। আপনারা সকলেই অবগত আছেন গত ২০১৭ সালের জুলাই মাসের ৩০ তারিখে ঠিকমত খাদ্য, চিকিৎসা, পোশাক ও শিক্ষা উপকরণ না দেওয়া এবং ভয়ংকর যৌন নিপীড়নসহ বিভিন্ন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শিশু পরিবারের সকল শিশু মিলে ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিবাদ করি। বিষয়টি আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের গোচরে আসে এবং কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় একটি তদন্ত কমিটি করতে।
পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকায় ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারি শিশু পরিবারে (এতিম খানা, বালক) ১০০ জন শিশুর আবাসন ব্যস্থা থাকলেও নির্যাতন বহিস্কারের কারণে এখন নিয়মিত বাস করে ৫০ জনেরও কম এতিম শিশু। আমাদের দেখভাল করার জন্য শিক্ষক কর্মচারীসহ ১৭টি পদের মধ্যে রয়েছেন ৯ জন।
যৌন নির্যাতন, মারপিট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা না রাখা, বিনোদন, আতœীয়ের দেখা সাক্ষাৎ করতে না দেওয়া, ঠিকমত খাদ্য ও চিকিৎসা না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের উপর নির্যাতন করা হয়। এসব বিষয় নিয়ে অভিযোগ করাই ইতোমধ্যে করিম, মুরশিদ, এখলাছুর ও সবুজের মেয়াদ থাকার পরও নির্যাতন করে বের করে দেয় এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য শাসানো হয়। এছাড়া আমাদের ওপর নেমে আসে আরও বেশি নির্যাতন।
এঘটনায় তৎকালীন সদর সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও দেবাশিষ চৌধুরী সকলকে শান্ত থাকতে বলেন এবং পরবর্তীতে বিষয়টি শুনে বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। পরবর্তীতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরও অপরাধের বিপরীতে দোষীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আামাদের উপর নির্যাতনকারী তৎকালীন ওই কর্মকর্তারা হলেন, অফিস সহকারী সাতক্ষীরার দেবনগর এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে তানভীর হোসেন, গোপালগঞ্জ জেলার বিমল বৈরাগী, বড় ভাই (পদের নাম) নওগা জেলার মোজাফফার হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিন হোসেন ও কৌশিক।
আপনারা জানলে অবাক হবেন, সরকারি শিশু পরিবারে শিক্ষার্থী পিছু সরকারি বরাদ্দ খাওয়া ও অন্যান্য উপকরণসহ মাসিক দুই হাজার ছয়শত টাকার উপরে। কিন্তু সরকার কর্তৃক দেওয়া সুযোগ সুবিধা থেকে এতিম শিশুদেরকে বছরের পর বছর ধরে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমরা অসুস্থ হলেও ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয় না। সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো ওই কর্মকর্তারা আমাদের (এতিম শিশুদের) দিয়ে বিকৃত যৌনাচার করতেন। কথা না শুনলে ছোট ছোট বাচ্চাদের বেদম মারপিট করেন তারা। আমাদের টিভি রুম দখল করে সপরিবারে সেখানে বসবাস করতেন কর্মচারীরা। অথচ তাদের পরিবার নিয়ে থাকার কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে কারো কাছে নালিশ করলে আমাদের জন্য আরও কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। তারপরও আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার বিচার দিলেও কোন ফল পায়নি। আপনারা সাংবাদিকরা সকলেই সে সময় এসব অভিযোগের সত্যতা সরেজমিনে দেখছেন ও জেনেছেন।
এদিকে, কোন উপায় না পেয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হই। এঘটনায় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ পরিবেশন হলে অপরাধীদের বাঁচাতে অন্যত্র বদলি করা হয় এবং সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সরেজমিনে আসলে আমাদের সাথে কোন কথা না বলে শুধু কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে চলে যাচ্ছিলেন। আমরা কিছু বলতে চাইলে তিনি বরং আমাদেরকে ভর্ৎসনা করে বলেন, সাংবাদিকদের কাছে কেন আমরা অনিয়মের ব্যাপারে কথা বলেছি।
সাময়িকভাবে সপ্তাহ খানেক সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ ও সাংবাদিকদের যাতায়াতের কারণে সরকারি শিশু পরিবারে খাবারের মান বাড়ে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোভন আচরণ করতে শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পরই পূর্বের মত আমাদের উপর নির্যাতন চলতে থাকে। যাদেরকে সরকার বেতন দিচ্ছেন আমাদের সেবা করার জন্য শিশু পরিবারের সেই কর্মচারীরা আমাদেরকে দিয়ে ব্যক্তিগত ফাই ফরমায়েশ খটিয়ে নেন। আমাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা শুধু কাগজে-কলমে আর হিসাবের খাতায়। বাস্তবতা হচ্ছে অসুখ-বিসুখ হলে মানসম্পন্ন কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে আমাদেরকে অনেক সময় দরিদ্র মায়ের কাছে বা পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। খাবারের যে তালিকা করা আছে তা মানা হয় না। শিক্ষা উপকরণ খুবই অপ্রতুল। অথচ এসব কিছুর জন্য সরকারি বরাদ্দ আছে যা প্রতিমাসে লুটপাট হচ্ছে।
এক পর্যায়ে আবারো আগের মত নির্যাতন নিপীড়ন চালাতে থাকলে আমাদের কেউ কেউ প্রতিবাদ করার সাথে সাথেই উপ-তত্ত্বাবোধায়ক জামাল উদ্দিন পুলিশ ডেকে এনে আমাদেরকে গ্রেফতার করানোর ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
সাংবাদিক বন্ধুগণ, বর্তমান সরকার অত্যন্ত শিশুবান্ধব। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের মায়ের মত ভালোবাসেন। অথচ সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের উপর নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে বহিস্কার করা হয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবোধায়ক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত বহিস্কারাদেশ পত্র আমাদের বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপরও শিশু পরিবারের শিশুদেরকে দিয়ে কর্মচারীরা মটরবাইক পরিস্কার, কাপড় চোপড় পরিস্কার করানোসহ ভারী কাজ কর্ম করাচ্ছেন কিন্তু তাদের কোন শাস্তি হচ্ছে না। উক্ত নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের ঘটনার ৮ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ওই দোষী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে আমাদেরকে শাসানো হচেছ, তোমরা এঘটনায় বাইরে প্রকাশ করলে তোমাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এরপরপরই আমাদের বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কি কারণে আমাদেরকে বহিস্কার করা হলো সে ব্যাপারে সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ গভনিং বর্ডির কেউ আমাদের সাথে কথা বলেননি। এরপরপরই বর্তমানে যে সকল শিশুরা আছে তাদের উপরে ব্যাপকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আমাদের বহিস্কারের ব্যাপারে বাহিরের কারো কাছে কোন প্রকার তথ্য প্রকাশ না করতে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়।
আমরা উক্ত ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আইনগত ব্যবস্থাসহ আমাদের বিরুদ্ধে অবৈধ বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার, আমরা যাতে নির্বিঘেœ থাকতে পারি তার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সমাজকল্যাণমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সর্বপরি আশা করি সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনির মাধ্যমে স্ব স্ব গণমাধ্যমে উক্ত সংবাদটি প্রকাশ করে যাহাতে আইনগত ও আদালতের সহযোগিতা পেতে পারি তার বিহীত ব্যবস্থা করবেন। একই সাথে আমাদের ছোট ভাইয়েরা যারা এই শিশু পরিবারে আছে তারা আপনাদের সন্তান তুল্য। যে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার তারা হচ্ছে এবং যে অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে আপনাদের সন্তানদের বেড়ে উঠতে হচ্ছে, আপনাদের শক্তিশালী লেখনীই পারে তার পরিবশে উন্নত করতে। পরিশেষে আপনাদের সু-স্বাস্থ্য ও চিরকল্যাণ কামনা করছি।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থি ৪ শিশু হলো- আব্দুল করিম, পিতা- মৃত নুর আলী সরদার, সাং- ধুলিহর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, এখলাছুর রহমান পিং- মৃত. শওকত আলী
সাং- যুগিপোতা, থানা ও জেলা সাতক্ষীরা, মুরশিদ গাজী পিং- মৃত. নেছার আলী গাজী
সাং গোবিন্দপুর(কাদাকাটি), থানা-আশাশুনি, জেলা-সাতক্ষীরা এবং শেখ সবুজ হোসেন পিং- মৃত. আলী আহমেদ, সাং- বড় কাশিপুর (পাটকেলঘাটা), থানা- পাটকেল ঘাটা, জেলা-সাতক্ষীরা।
এদিকে, আজকের সংবাদ সম্মেলনে এতিম শিশুদের সাথে একত্মাতা ঘোষণা করে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জে এস ডি’র সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর সরকার, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাংবাদি এম. কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার আবিদুর রহমান, আ . লীগ নেদতা হাসান হাদী, আমির হোসেন খান চৌধুরী প্রমুখ।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরা এতিম খানার দুর্নীতি অনিয়ম নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ৪জনকে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আগামিকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা নিউমার্কেটস্থ শহীদ স ম আলাউদ্দিন চত্বরে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মানববন্ধনে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ ঘণ্টার অনশন ৩ ঘন্টায় শেষ করল বিএনপি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ৬ ঘণ্টার অনশন কর্মসূচি পুলিশের অনুরোধে ৩ ঘন্টায় শেষ করলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

আজ বুধবার বেলা ১টার দিকে অনশন কর্মসূচি শেষ করে বিএনপি। যদি বিএনপি নেতারা বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সকাল ১০টা থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঘোষিত তৃতীয় দিনের মতো অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছিল। জনদুর্ভোগের কারণে অনশন কর্মসূচি শেষ করতে বিএনপিকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান রমনা বিভাগের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার।

বুধবার সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তা বন্ধ করে এ কর্মসূচি পালনকালে সব ধরণের যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে বিপাকে পড়ে এ এলাকা দিয়ে চলাচলকারীরা। এ অবস্থায় পুলিশের অনুরোধে দুপুর ১টায় অনশন কর্মসূচি সমাপ্ত করে দলটি। তবে বেলা ১১টা থেকে অনশনস্থল ঘিরে বিপুলসংখ্যক দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন ছিল। জলকামানের গাড়িও প্রস্তুত রাখা ছিল। অনশন কর্মসূচিতে যোগ দিতে বুধবার সকাল ৮টা থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে খণ্ড খণ্ড ভাবে জড়ো হন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল তাদের। অনশনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশের অনুরোধে দুপুর ১টার মধ্যে আমরা আমাদের কর্মসূচি শেষ করতে বাধ্য হচ্ছি। খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে বিএনপিকে দুর্বল করে তারা নির্বাচন করতে চায়। খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এর আগে গতকাল মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে দলটি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গেলো বৃহস্পতিবার বকশীবাজারের বিশেষ আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই বিএনপি নেত্রীকে পুরনো ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথম তিনদিন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের পরিত্যক্ত কক্ষে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়। পরে শনিবার রাতে তাকে মহিলা ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইনজুরিতে তামিম, মাঠে নামা নিয়ে শঙ্কা

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে পুরোপুরি ব্যর্থ স্বাগতিক বাংলাদেশ। সামনে এখন টি-টোয়েন্টি মিশন। ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে আছে টাইগাররা। তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ শিবিরে হানা দিয়েছে ইনজুরি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ইনজুরির পর এবার একই কারণে শঙ্কা দেখা দিয়েছে ওপেনার তামিম ইবালের খেলা নিয়েও।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে তার খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, দলের অনুশীলনের সময় চোট পান তামিম। তা থেকে সেরে উঠতে একটু সময় লাগবে। তাই প্রথম ম্যাচে তার মাঠে নামা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে, টি-টোয়েন্টি সিরিজ সামনে রেখে সোমবার অনুশীলন শুরু করেছে টাইগাররা। অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন নতুন ডাক পাওয়া পাঁচ ক্রিকেটার- মেহেদি হাসান, আফিফ হোসেন, আরিফুল হক, আবু জায়েদ রাহী ও জাকির হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভালোবাসা দিবসে সাতক্ষীরায় আমরা সাতাশ সংগঠনের ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভালোবাসা হোক রক্তের বন্ধনে…এই শ্লোগানে ব্যতিক্রম ধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাতক্ষীরা ভালোবাসা দিবস উদযাপিত হয়েছে। গতকাল বুধবার ‘আমরা সাতাশ, সাতক্ষীরা’র আয়োজনে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শহিদ মিনার চত্বরে “ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প” এর মাধ্যমে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পালিত হয়েছে। বসন্তের আগমনী শুভেচ্ছার মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে সুস্থ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে “আমরা সাতাশ সাতক্ষীরা” এর অঙ্গ-সংগঠন “সাতক্ষীরা ব্লাড মিডিয়া”র আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে বুধবার সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শহিদ মিনার চত্বরে এই ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। রক্ত দাতাগণকে নিয়মিত রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠানে ডোনার কার্ড ও হেল্থ কার্ড প্রদান করা হয়। মানবিক মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রায় ৫০জনের অধিক তরুন-তরুনী রক্ত প্রদান করেন এবং প্রায় ৩শতাধিক ব্যক্তি রক্তের গ্রুপিং করেন।
অনুষ্ঠানে আমরা সাতাশ-এর সভাপতি শেখ ফারুকুজ্জামান ডেভিড এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে “সাতক্ষীরা ব্লাড মিডিয়া”র যাত্রা শুরু করেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার। প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
কর্মসূচির সদস্য সচিব শেখ আমিনুর রহমান কাজলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব আবুল কালাম বাবলা। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, আমরা সাতাশ সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দিন ও কর্মসূচির আহবায়ক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন “আমরা সাতাশ”-এর, এস.এম. মুজতাহিদ-উর-রউফ, মোঃ তরিকুল ইসলাম খোকন, মোঃ আহসানুল কাদির স্বপন, মোঃ লুৎফর রহমান সৈকত, সৈয়দ রফিকুল আলম বাবু, মোঃ কামরুজ্জামান, এড. শামিমুর রেজা শামিম, মাসুদার রহমান বাবু, তরিকুল ইসলাম খোকন। সমগ্র অনুষ্ঠানে সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যশোর, ইসলামি ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা শিল্পী ঐক্যজোট ব্লাড ব্যাংক, পলিটেকনিক্যাল কলেজ শাখা, অলসুপার স্টার রক্তদানকারী সংস্থা সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউইয়র্কের হোটেলে হঠাৎ সালমান-সোনাক্ষী!

ইউটিউব দুনিয়ায় আবার সাড়া ফেলে দিলেন সালমান খান। ফিরলেন ‘চুলবুল পান্ডে’ সঙ্গে তার ‘রাজ্জো’ সোনাক্ষী সিংহ। ব্যাপার কী?

‘ওয়েলকাম টু নিউইয়র্ক’ ছবির জন্য একটা গান শুট করলেন সালমান আর সোনাক্ষী। পুরো গানটাই শুট হল নিউইয়র্কে। ভ্যালেন্টাইন ডে-র প্রাক্কালে সাজিদ ওয়াজিদের সুরে সালমান আর সোনাক্ষীর ‘নয়না ফিসল গয়ি’ আজকের প্রজন্মকে আচ্ছন্ন করে রাখছে সুরে সুরে।

নস্টালজিক সোনাক্ষীও। তিনি বলেছেন, ‘দাবাং আর দাবাং টু’-এর পর সালমানের সঙ্গে এরকম রোম্যান্টিক দৃশ্য শুট করে খুব নস্টালজিক লাগছিল। এত সুন্দর গানটা এই ছবির একটা বড় আকর্ষণ হবে।

পরিচালক চাকরি টোলেটি সালমান-সোনাক্ষীর কেমিস্ট্রি নিয়ে উচ্ছ্বসিত, এই জুটি পরদায় আগুন জ্বালিয়ে দিতে জানে। দু’জনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং এতটাই ভালো যে গানটা জাস্ট এক ঘন্টার মধ্যে শুট হয়ে গেল’ যোগ করলেন পরিচালক।

‘ওয়েলকাম টু নিউ ইয়র্ক’ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এই প্রথম ছবিতে দ্বৈত ভূমিকায় কর্ণ জোহর। দুজন অল্পবয়সী ছেলে-মেয়ের জীবনে কিম্ভূতকিমাকার মজার ঘটনা নিয়ে এই ছবি। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি ছবিটি মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশ সদস্যের পুত্র সাকিব হত্যার ঘটনায় আটক ৭

এম. বেলাল হোসাইন: ১০ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে তার এক সহপাঠী। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা শহরতলীর বকচরা বাইপাস সড়কে ভ্যান চালক রমজান আলীর বাড়ির পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ নিহতের এক সহপাঠীসহ সাতজনকে জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করেছে।
নিহতের নাম সাকিব হোসেন (১৬)। সে পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র ও পলাশপোল মেহেদীবাগে বসবাসরত কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সিপাহী নজরুল ইসলামের ছেলে।
আটককৃরা হলো, শহরের কামাননগরের হাফিজুল ইসলাম (৬০), মেহেদি হাসান ফয়সল (১৫) , শামীমুজ্জামান অমি (১৪) ,যুবায়ের হোসেন (১৮), রনি (১৮), শাহিনুর (২৪) ও ইটাগাছার আবু হাসান (৩৮) ।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহরের রসুলপুরের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রাশেদ জানান, সেসহ তার দু’সহপাঠী অমি ও সাকিব মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বকচরা আহমদিয়া দাখিল মাদ্রাসার মাঠে ইছালে সওয়াব শুনতে যায়। সেখানে একটি স্টলে খাবার কেনা নিয়ে তাদেরই পরিচিত কামাননগর কলোনীর আব্দুল কাদের ও শান্তর সঙ্গে তারা বচসায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হলেও স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেনে। রাত ১০টার দিকে সে , সাকিব ও অমি বাড়ি ফেরার পথে বাইপাস সড়কের বাসিন্দা ভ্যানচলক রমজানের বাড়ির কাছে পৌঁছানো মাত্র পিছন দিক থেকে কাদের ও শান্তসহ কয়েকজন তাদের উপর গাছের ডাল দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটানো শুরু করে। হামলার একপর্যায়ে অমি পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা গুরুতর জখম তাকেও সাকিবকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সাকিবকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ হাফিজুল্লাহ জানান, ভারী জিনিস দিয়ে আঘাত লাগার ফলে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হয়ে সাকিবের মৃত্যু হয়েছে। তবে রাশেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের তথ্য কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মহিদুল হক জানান, আমিরুজ্জামান বাবুর ছেলে অমিসহ জিজ্ঞাসাবদের জন্য সাতজনকে আটক করা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্তের জন্য বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপানো সেই প্রিয়ার বিরুদ্ধে মামলা

যাকে ঘিরে গত চারদিন ধরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। তার বিরুদ্ধেই দায়ের করা হলো মামলা। যে গান প্রিয়াকে রাতারাতি সেলিব্রিটি করে তুলেছিল, সেই গানই তাকে ফেলল প্রবল বিপাকে। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। হায়দ্রাবাদের একদল যুবক প্রিয়া প্রকাশ ভারিয়ারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘মালায়লম সিনেমা ‘ওরু আধার লাভ’-গানের দৃশ্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রিটি হয়ে যান প্রিয়া। কিন্তু ওই গানই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে। এমনই অভিযোগ তুলে হায়দ্রাবাদের একদল মুসলমান যুবক অভিযোগ দায়ের করেছেন থানায়। ওই গানের নির্মাতা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ফালকনামার এসিপি সৈয়দ ফিরাজ জানিয়েছেন, অভিযোগটি তারা পেয়েছেন। সম্প্রতি ভাইরাল গানটি মুসলিম ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন একদল যুবক। কিন্তু ওই যুবকরা কোনও ভিডিও জমা দিতে পারেননি। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, মালয়ালম ওই গানটি গেয়েছেন বিনীত শ্রীনিবাসন নামে এক গায়ক। গানটির ইংলিশ ভার্সনও সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে। আর এই গানকেই ঘিরে বির্তক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে ‘ওরু আধার লাভ’ সিনেমার ওই গানের ৩০ সেকেন্ডের একটি ফুটেজ ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটিতে রোশন আবদুল রাহুফের সাথে রোমান্টিক মুডে দেখা যায় প্রিয়াকে। এরপরেই সোশ্যাল সাইটে সেলিব্রিটি বনে যান প্রিয়া। ইতিমধ্যে ইনস্ট্রাগামে তার ফলোয়ার সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৭ লাখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest