সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

মাদকসেবী ছেলের হাত থেকে রক্ষা পেতে মা’র সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় মাদকসেবী ছেলের অত্যাচারের হাত থেকে অসহায় মাতার জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে জনার্কীন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা শহরের বাটকেকালী গ্রামের মৃত আকবর আলী মাতুব্বর এর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন। তিনি লিখিত বক্তব্য বলেন,আমি একজন অসহায় মাতা। আমার ৬ ছেলে মেয়ের মধ্যে আমার বড় ছেলে আব্দুল মান্নান(পান্না) একজন মাদক সেবী ও অবাধ্য সন্তান। আমি মাতা হিসাবে অনেক চেষ্টা করি তাকে সুপাথে আনার। কিন্তু পারিনি উল্টো নেশা করে বাড়ি এসে আমাকেসহ আমার অন্য সন্তানদের মারপিটসহ বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে। তার দুইটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তার ছোট ছেলে এখনো কর্মক্ষম হয়নি। বড় ছেলেটা যা আয় করে তা দিতে তাদের সংসার চলে। এদিকে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের খাদ্যবস্ত্র কোন কিছুর খরচ বহন তো করেই না। উল্টো ওই উঠতি বয়সের যুবক ছেলের আয়ের টাকা দিয়ে সংসার পরিচালনা করে এবং তাদের উপর জুলুম করে টাকা নিয়ে নেশা করে। নেশা করে মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট শুরু করে এবিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে বিগত ২০১৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর আমাকে মারপিট করে। এবিষয়ে কিছু বলতে গেলে সে তার স্ত্রী, সন্তানসহ অন্য ভাইদের মারপিটসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় আমি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি যার নং- ৭৩৫। তাং- ১৪/১২/২০১৬।
আমার অন্য সন্তানরা নিরীহ প্রকৃতির। তারা শান্তি প্রিয় মানুষ। তার এসব অপকর্মের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অন্যছেলেদের মারপিট করাসহ তাদের বাড়িতে মাদক রেখে পুলিশে আটক করিয়ে হয়রানিসহ মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি প্রদর্শন করে। যেকারণে আর কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না।
তিনি আরও বলেন গত ১৩ ফেব্রুয়ারি‘১৮ তারিখে আমার ছেলে আব্দুল মান্নান (পান্না) নেশা করে বাড়ি এসে তার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং লাঠি নিয়ে তাকে তাড়া করে। আমি এসময় এর প্রতিবাদ করলে পান্না আমাকে মারপিট করার জন্য তাড়া করলে আমি দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পেলেও ওই ঘটনার পর আমি অসুস্থ্য হয়ে পড়েছি। আমি একজন মা। কোন মা কি তার সন্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে? কিন্তু আমি এতই অতীষ্ঠ হয়েছি যে, বাধ্য হয়েছি সন্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে। এক্ষনি যদি আমার মাদকসেবী সন্তান পান্নাকে আটকানো না যায় তাহলে আমার পরিবারে যে কোন সদস্যকে হত্যাসহ বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
আমি আমার উক্ত মাদক সেবী ছেলে পান্নার হাত থেকে আমার পরিবারের সদস্য এবং আমার জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবার ব্লাক পার্ল কালোমুক্তা!

ব্লাক পার্ল কালোমুক্তা হলো ক্যাভিয়ার। ক্যাভিয়ার সম্পর্কে আপনাদের নিশ্চয়ই জানা আছে। তারপরও যাদের জানা নেই তাদের জন্য বলছি এটা এক ধরনের সামুদ্রিক মাছের ডিম। স্টার্জন মাছের ডিম। ইরানে ওই মাছটির নামও ক্যাভিয়ার। সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের ক্যাভিয়ার হলো ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার। ক্যাভিয়ার অ্যানার্জিপূর্ণ একটি খাবার। যেমন সুস্বাদু তেমনি সুঘ্রাণময়।

এই ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবার হিসেবে পরিচিত। তবে রেড এবং গোল্ডেন ক্যাভিয়ারও রয়েছে, সেগুলো ব্ল্যাক ক্যাভিয়ারের মতো দামি নয়।

স্টার্জন বা ক্যাভিয়ার বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। বিশ্বের জীবিত ফসিল নাম দেওয়া হয়েছে এই মাছকে। কারণটা হলো এই মাছ প্রজাতির বয়স কয়েক কোটি বছর পুরনো। সেই জুরাসিক কালের বলে অনেকের ধারনা। ডাইনোসরসহ এই ক্যাভিয়ার মাছ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে পাওয়া যেত সেই সময়। কালক্রমে পরিবেশগত বিচিত্র পরিবর্তনের ফলে ক্যাভিয়ারের জীবনযাত্রা সীমিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে এই ক্যাভিয়ার ইরানের কাস্পিয়ান সাগর, কৃষ্ণ সাগর, ইউরাল ও আজভ সাগরসহ ইউরোপ ও আমেরিকার বিক্ষিপ্ত কিছু এলাকায় পাওয়া যায়। তবে স্টার্জন বা ক্যাভিয়ার মাছের নিরাপদ স্থান হলো ইরানের কাস্পিয়ান সাগর।

কাস্পিয়ানকে সাগর বলা হলেও এটি আসলে সাগর নয়, বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্রদ। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বিশ্বের শতকরা ৯৩ ভাগ ক্যাভিয়ার রয়েছে এই কাস্পিয়ান হ্রদে। বলা হয়ে থাকে উপযুক্ত পরিবেশের কারণে বিশ্বের শতকরা নব্বুই ভাগ ক্যাভিয়ার এই কাস্পিয়ানেই শিকার করা হয়। ইরান, রাশিয়া,আজারবাইজান প্রজাতন্ত্র,তুর্কমেনিস্তান এবং কাজাখস্তানের মাঝখানে এই কাস্পিয়ান হ্রদ অবস্থিত। ক্যাভিয়ার মাছ মানে যেসব মাছ থেকে ক্যাভিয়ার পাওয়া যায় সারাবিশ্বের এরকম মাছগুলোকে কমপক্ষে বিশ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫ প্রকারের মাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন হস্তি মাছ ইংরেজিতে বলা হয় গ্রেট হোয়াইল স্ট্রার্জেন বেলুগা, ইরানি আঁশবিহীন ক্যাভিয়ার বা পার্সিয়ান স্ট্রার্জেন, রাশিয়ান স্ট্রার্জেন, স্পাইনি বা শিপ স্ট্রার্জেন এবং ওজুন বরুন বা স্টিলেইট স্ট্রার্জেন। এই সব প্রজাতির মাছই কাস্পিয়ান হ্রদে রয়েছে।

ক্যাভিয়ার বা স্ট্রার্জেন মাছ আঁশবিহীন। দেখতে লম্বা,প্রায় ১ থেকে ২ মিটারের মতো। মাথার দিক থেকে লেজের দিকে ক্রমশ চিকন। আঁশ না থাকায় এই মাছ দ্রুত চলতে পারে। তুলনামূলকভাবে জলের বেশ গভীরে বাস করে এই মাছ। এক হাজার কেজি পর্যন্ত ওজন হয় কোনো কোনো ক্যাভিয়ারের। পৃথিবীর সমুদ্র তলদেশের বিস্ময় এই ক্যাভিয়ার মাছ বিশেষ করে যে পাঁচটি বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির কথা বললাম, বিভিন্ন রঙের হয়। সাদা, কালো, ধূসর এবং হলুদ ক্যাভিয়ারও রয়েছে। ক্যাভিয়ার মাছ তো ডিমের জন্যই বিখ্যাত সে কথা আগেই বলেছি। এই মাছ নোনাজলের মাছ। তবে খুবই কম মিষ্টি পানিতে দেখতে পাওয়া যায়। এর একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। তা হলো ক্যাভিয়ার মাছ ডিম পাড়ার সময় হলে মিষ্টি জলের গভীর এবং খরস্রোতা নদীতে চলে যায় কখনো কখনো।

ই ডিমগুলো নদীর তলদেশের লতাপাতা কিংবা পাথরকুচিতে লেপ্টে যায়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ডিম ফুটে বাচ্চা মাছে পরিণত হয়। মজার ব্যাপার এই বাচ্চাগুলো যখন বড় হয় তখন তাদের বেশিরভাগই আবার সমুদ্রের দিকে চলে যায়। অন্যান্য মাছের তুলনায় এই মাছের এতো বেশি গুরুত্বের কারণ হলো তাদের ডিম বা ক্যাভিয়ার। যাকে কৃষ্ণ মুক্তা নামে অভিহিত করা হয়। এই ক্যাভিয়ার মাছ বয়োসন্ধিকালে পৌঁছতে অন্যান্য মাছের চেয়ে একটু বেশি সময় নেয়। মাছের প্রজাতি এবং বসবাসের পরিবেশগত পার্থক্যের দিক থেকে ৮ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত সময় লাগে।

বলাবাহুল্য ক্যাভিয়ার মাছ এবং এই মাছের ডিম দুটোই সারাবিশ্বে বেশ দামি খাদ্যপণ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ২৩৯ পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপন’

ক্যামেরায় ছবি তোলা, পায়ের ছাপ ও গতিবিধি দেখে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার গণনার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে বনের হিরণ পয়েন্টের নীলকমল বনফাঁড়ি থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী জানান, প্রথম দিনে বনের বিভিন্ন পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বন বিভাগ ও ওয়াইল্ড টিমের মোট ৬০ জন কর্মী ক্যামেরায় ছবি তোলা ও খালে বাঘের পায়ের ছাপ গণনার কাজ করবেন। ৪৭৮টি ক্যামেরার সাহায্যে বাঘ গণনা করা হবে। সুন্দরবনের মধ্যে ২৩৯টি পয়েন্টে এসব ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
জানা যায়, সর্বশেষ ২০১৫ সালে ক্যামেরা পদ্ধতিতে সুন্দরবনের বাঘ জরিপ করা হয়। সেসময় বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। এর আগের জরিপে বাঘের সংখ্যা বলা হয়েছিল ৪০০ থেকে ৪৫০টি।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে খুলনা ও বাগেরহাট দুই ব্লকে ভাগ করে বাঘ গণনা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা ব্লকে একই পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করা হয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

খুলনায় সুন্দরবন দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, বাঘ গণনায় সর্বাধুনিক পদ্ধতি ক্যামেরা ট্রাপিং বা ক্যামেরা ফাঁদের মাধ্যমে সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা নির্ণয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে কোন বাঘের ছবি বা পায়ের ছাপ একাধিকবার নেওয়া হলেও স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রকৃত বাঘের সংখ্যা নিরূপন করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মথুরেশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ০৯ নং মথুরেশপুর ইউনিয়ন শাখার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি আগামী ০১ বছরের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন ।

কমিটিতে সভাপতি মনোনিত হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল হাসান,সাধারণ সম্পাদক শামীম এহছান কিরণ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি নূর মোহাম্মদ, শেখ ফয়ছাল হোসেন মো: রাসেল শাহাজী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোছা: শিল্পী সুলতানা, রেজাউল করিম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোকলেছুর রহমান পলাশ, জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু রায়হান, দপ্তর সম্পাদক মহাসিন কবির, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শরিফ হোসেন, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হোসেন, সমাজ সেবা সম্পাদক মো: মফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটানয় ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে স্বপ্ন ভেঙে বোঝা হল দুই পুত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি নয়, দুটি পুত্র সন্তান। আর বেশি দিন নয়, মাত্র কয়েক বছর গেলেই আমার পরিশ্রম লাঘব হবে। দুই পুত্র উপার্জন করবে। তখন আর আমাকে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করতে হবে না। এ আশা নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে আসছিলেন দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের জেন্নাতুল ইসলাম। কিন্তু হায় নিয়তির কি নির্মম পরিহাস জেন্নাতুলেল সে স্বপ্ন ভেঙে চৌচির হয়ে যায় অল্প দিনের মধ্যেই। ভেঙ্গে গেলে ৬০বছরের বৃদ্ধা দিন মজুর জেন্নাতুল ইসলামের।

আশা ছিল বড় পুত্র ফয়সাল মাহমুদ (২১) এবং ছোট পুত্র গোলাম মোস্তাফ (১৭) বড় হচ্ছে, তারাই ধরবে সংসারের হাল। স্ত্রী, এক কন্যা এবং দুই পুত্র নিয়ে গড়বে সোনার সংসার। কিন্তুহঠাৎ মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে উম্মাদ হওয়ায় বোঝা হয়ে মরার উপর খাড়ার ঘা হলো দুই পুত্র। সাতক্ষীরা ও খুলনায় চিকিৎসা করেও তেমন কোনো লাভ হয়নি। তার নিজ ও প্রতিবেশিদের বাড়ি-ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাংচুর করায় লোহার শিকল দিয়ে বেধে রাখতে হয় তাদের। চিকিৎসকেরা বলেছেন, ভারতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারলে তার দুইপুত্র আবার স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু এই চিকিৎসার জন্য কয়েক লাক্ষ টাকা প্রয়োজন। অথচ পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী জেন্নাতুল ইসলামের ৫জন সদস্যের সংসার বর্তমানে কালিগঞ্জের একটি মাছের ঘরে ফাইফরমাশ খেটে অনাহারে-আধাহারে দিন পার হচ্ছে। সংসারের ব্যয়ভার বহন ও চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে না পারায় সমাজের স্বহৃদয়বান ব্যক্তিদের নিকট সাহায্যের আবেদন করেছেন। জেন্নাতুল ইসলাম সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা। জেন্নাতুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ এবং বিকাশ নম্বরঃ ০১৯৪৬৪১৯৯০৯।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রী চালক স্বামী কন্ডাক্টর!

মহিলা বাসচালক প্রতিমা পোদ্দারের নিমতা পাইকপাড়ার গরিবের বাড়িটি এখন ভিআইপিদের পদচারনায় মূখর। আনাগোনা চলছে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের। কারন দেখা করবেন প্রতিমার সাথে। কথা বলবেন তার সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে।

তবে প্রতিমাকে বাড়িতে পাওয়া অত্যন্ত ভাগ্যের ব্যাপার। কারন সেই ভোর ৩টা বাজতেই মিনিবাস নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি। সাথে তাঁর স্বামী শিবেশ্বর পোদ্দার। প্রতিমা বাস ভানান আর বাসে কন্ডাক্টারের কাজ করেন তার স্বামী।

সারাদিন বাস চালিয়েও বাড়ি ফিরে একটুকু বিশ্রামের সময় নেই প্রতিমার। বাড়িতে কাজের লোক নেই। ঘর মোছা থেকে শুরু করে বাসন মাজা, কাপড় কাচা, রান্না করা সবই করেন তিনি হাসতে হাসতে, এতটুকু ক্লান্তি নেই তাঁর।

বাড়িতে দুই মেয়ে রাখি এবং সাথি। রাখি বড়। সে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পড়ছে অঙ্কে নিয়ে। জিমন্যাস্টিকে ন্যাশনাল করেছে, হয়েছে বাংলায় চ্যম্পিয়ন। ছোট মেয়ে সাথি নবম শ্রেণির ছাত্রী। সে–ও জিমন্যাস্টিকে ভাল। দুই মেয়েকে মানুষ করাই স্বপ্ন প্রতিমার।

প্রতিমার বাবা নারায়ণচন্দ্র সাহা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। মা হাসিরানি সাহা গৃহবধূ। দুই ভাই, দুই বোনকে নিয়ে খুব কষ্টে মানুষ হয়েছিলেন প্রতিমা। বিয়ের পর স্বামীর হাত ধরেই ছোট অটোরিক্সা এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালানো শেখা। স্বামী প্রথমে অটোরিক্সা চালাতেন, পরে অ্যাম্বুল্যান্স। ৫ বছর পর বড় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পান প্রতিমা।

২০১০ সালে মিনিবাস কেনা হয়। পরে তা বাতিল হয়ে যায়। ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি বাতিল হওয়ার নিয়মে। ফের চেষ্টা করেন কিভাবে নতুন মিনিবাস কেনা যায়। অবশেষে ব্যাংক লোন নিয়ে নতুন মিনিবাস কেনা হয়।

প্রতিমার বড় মেয়ে রাখি জানান , বাস কেনার ধার শোধ করতে এবং সংসার চালাতে মাকে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে, বাড়ি ফিরে একটুও সময় পায় না। কাজের লোক রাখতে পারে না।

অন্য কন্ডাক্টর রাখা হয় না, যাতে তাদের টাকা দিতে হয়। তাদের মানুষ করতে মায়ের কষ্টের শেষ নেই। আমাদের অনেক সময় মা খাইয়েও দেয়, যাতে আমাদের কোনও কষ্ট না হয়। রাখি বলেন, আমার একটা চাকরি হলে মায়ের কিছুটা কষ্ট লাঘব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অদ্ভুত এক ভাসমান বাজার!

কলকাতায় লেকের পানির উপর একটি ভাসমান বাজার চালু হয়েছে রাজ্য সরকারের সহায়তায়। নৌকার উপর নানান ধরিনের পন্য নিয়ে এখানে বসেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এটি।

কলকাতায় একটি বিশাল লেকের উপর এটি দেশের প্রথম ভাসমান বাজার। এর বিশেষত্ব হল এক একটি নৌকায় দু’টি করে দোকান আছে এবং নৌকাগুলো স্থান পরিবর্তন করে না।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ব্যাংককের ভাসমান বাজার থেকে এই বাজার তৈরির চিন্তা করেছিলেন। এর ফলে ২০০’রও বেশি হকার যাঁদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তাঁদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ভারতীয় মুদ্রা।

এই ভাসমান বাজারে সব ধরনের জিনিস খুব সহজেই পাওয়া যায়৷ ফল-সবজি হোক বা মাছ-ডিম। দামও অন্যান্য বাজারের তুলনায় বেশ কম। কেএমডিএ এই বাজার বানানোর জন্য হুগলী জেলার বালাগড় থেকে দেড়শ’ নৌকা কিনেছে।

কলকাতা মহানগর বিকাশ কর্তৃপক্ষ, অর্থাৎ কেএমডিএ তত্ত্বাবধানে তৈরি বাজারটিতে ভিড় লেগেই থাকে। অনেকে আবার কেনাকাটার পাশাপাশি ঘুরে দেখতে আসেন বাজারটি। বাজারে একটি নৌকায় চায়ের দোকান আছে, তাই বেচা-কেনা করতে করতে মন চাইলে চা খেতে পারেন এই দোকানে।

এই বাজারে অন্য সব কিছুর পাশাপাশি বালিশ এবং তোশকও পাওয়া যায়। অর্থাৎ আপনার দরকারি সব জিনিসই এখানে পাবেন আপনি। কলকাতার এই বাজার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকে৷ এরপর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

ভাসমান বাজারে একটি নৌকার উপর সেলুন রয়েছে, অর্থাৎ আপনি এখানে চুল দাড়ি কাটতে পারবেন। প্রতিটি নৌকায় নম্বর লেখা আছে। এই নম্বর দেখেই দোকানগুলি মনে রাখতে পারবেন আপনি। রাজ্য সরকার এ ধরনের আরও বাজার বানানোর পরিকল্পনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরম চায়ের সাথে সিগারেট খাচ্ছেন, তাহলেই বিপদ!

এক গবেষণার জন্য ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে চার লাখ ব্যক্তির ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার শুরুতে তাদের কারোই ক্যান্সার ছিল না। পরবর্তী নয় বছর যাবত এই সাড়ে চার লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয়। এ সময়ের মাঝে ১,৭৩১ জনের খাদ্যনালীর ক্যান্সার দেখা দেয়।

গবেষণালব্ধ তথ্য বলছে, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পিকিং ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ড. জুন এলভি জানান, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকাই হচ্ছে এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই। তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক পোষ্ট

সমীক্ষা বলা হয়েছে, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর (ইসোফ্যাজিয়াল)ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ফলাফলে দেখা যায়, যারা অতিরিক্ত উত্তপ্ত চা পান করেন, মদ্যপান করেন এবং ধূমপান করেন, এই তিনটি অভ্যাস যাদের নেই তাদের তুলনায় এসব মানুষের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest