সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় গরুবোঝাই ইঞ্জিনভ্যান খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ২জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগ

সাতক্ষীরা মেডিকেলে আউটসোর্সিং টেন্ডার নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং টেন্ডার নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ৪র্থ শ্রেণির জনবল সরবরাহের টেন্ডারে হাসপাতালটির কর্মকর্তা-হিসাবরক্ষকসহ কয়েকজন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রথম সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজটিকে না দিয়ে চতুর্থ সর্বনিম্ন দরদাতা বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য’র পিমা এ্যাসোসিয়েট লিমিটেডকে দেয়ার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
মাছরাঙ্গা সিকিউরিটি সার্ভিস ও বিএসএস সিকিউিরিটি সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল সরবরাহের জন্য গত ২৮ জানুয়ারি টেন্ডার আহবান করা হয়। উক্ত টেন্ডারে আমার প্রতিষ্ঠানসহ ৮টি প্রতিষ্ঠান সেখানে সিডিউল জমা দেন। যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী সেখানে সিডিউল জমা দিয়ে সলিউশন ফোর্স লিঃ এন্ড একুশে সিকিউরিটি সার্ভিসেস (প্রাঃ) লিঃ প্রথম সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন। তারপরও তাকে কাজটি না দিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় আমি পরবর্তী দ্বিতীয় দরদাতা হয়েও আমাকে কাজটি না দিয়ে হাসপাতালটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও হিসাবরক্ষক মোত্তাজুলসহ টেন্ডার কমিটির কয়েকজন মোটা অংকে টাকার বিনিময়ে চতুর্থ সর্বনিম্ন দরদাতা বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য পিমা এ্যাসোসিয়েট লিমিেিটডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন দুলালকে দেয়ার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
তবে, প্রচার রয়েছে তৃতীয় সবৃনিম্ন দরদাতা নাশকতা মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় কারাবরণকারী জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি গালফ সিকিউরিটি সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএস খান স্বপনও টাকার বিনিময়ে কাজ পাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দরদাতা জানান, টেন্ডারের সিডিউলটির শর্তসমূহ পিমা এ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুলালই তৈরি করে কর্তৃপক্ষকে দেন। কর্তৃপক্ষ ওই সিডিউল দিয়েই টেন্ডার আহবান করেন।
ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা মেডিকেলে পিমা এ্যাসোসিয়েট লিঃ এর নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক নাইম হাসান জানান, মাত্র ৬ মাসের টেন্ডারে হাইকোর্টে রিট করে গত ৫ বছর যাবত পিমা এ্যাসোসিয়েট লিঃ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ৪৬ জন জনবলের কাজ করে আসছে। তারা কর্মচারীদের মাসিক বেতন ১৪,৪৫০ টাকা উত্তোলন করে আমাদের দেন মাত্র ৮/৯ হাজার টাকা। এমনকি আমাদের বেতন শিটে জোর করে স্বাক্ষর করে নিয়ে বেতন ঠিকমত দেননা। স্বাক্ষর না দিলে চাকুরীচ্যুত করার হুমকিও দেন তারা। তাদের অনিয়ম অত্যাচারে কর্মচারী ও মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিষ্ঠ।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ শেখ শাহজান জানান, টেন্ডারটি মূল্যয়নের জন্য সিপিটিইউ এর কাছে সকল দরপত্রের বিষয়ে মতামত চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
তবে, এ ব্যাপারে সলিউশন ফোর্স লিঃ এন্ড একুশে সিকিউরিটি সার্ভিসেস (প্রাঃ) লিঃ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সোহাগ জানান, ১০ বছরের আউটসোর্সিং ব্যবসার জগতে কোন দরপত্র মূল্যয়নের সিপিিিটইউ এর মতামত চাওয়া এই প্রথম দেখলাম। তিনি আরো বলেন, টেন্ডার মূল্যয়ন পরবর্তী কোন অনিয়ম হলে তখন সিপিটিইউ এর আশ্রয় নেয়া হয়। এটা প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয় বলে তিনি দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একীভূত স্বাস্থ্য ও পুর্নবাসন প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকাল ৩টায় উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে বে-সরকারি সংস্থা ডিআরআরএ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ও সেবার মান উন্নয়নে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে মতবিনিময় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সাধারণ সম্পদক আব্দুর রব লিটু, যুগ্ন-সম্পাদক কবির হোসেন, অর্থ সম্পাদক এমএ মামুন, ডিআরআরএ’র জেলা ম্যানেজার আবুল হোসেন, কমিউনিটি মবিলাইজার করবী স্বর্ণকার, এমএসআই অফিসার এহছান আলী প্রমুখ। এসময় প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্য সেবা ও পুর্নবাসন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশ্নফাঁস: ভিআইপি নম্বরসহ ৩শ মোবাইল-টেলিফোন নম্বর শনাক্ত

চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের সঙ্গে জড়িত ভিআইপি নম্বরসহ তিনশ মোবাইল ও টেলিফোন নম্বর শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব মোবাইল ফোন ও টেলিফোন নম্বর ব্যবহারকারীর মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়াও রয়েছেন অভিভাবক এবং মেডিক্যাল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। এই নম্বরগুলো ধরে পুলিশ গ্রেফতার অভিযানে নেমেছে। এরই মধ্যে শনাক্ত হওয়া নম্বরগুলো বন্ধ করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই কমিটি’র প্রথম সভায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
কমিটির প্রধান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে পর্যালোচনা করে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার বিষয়ে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মো. তিনি।

সভা শেষে মো. আলমগীর বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যে অভিযোগ এসেছে, সেগুলো নিয়ে কাজ করা। এ পর্যন্ত তিনশ মোবাইল ও টেলিফোন নম্বর চিহ্নিত করে তা ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক ও টেলিফোনে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। এই নম্বরধারীদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী যারা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং বা কম্পিউটার সায়েন্সের মতো বিষয়ে পড়ালেখা করছেন। অনেক অভিভাবকের নম্বরও রয়েছে এই তালিকায়।’
বৈঠক শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ওই নম্বরগুলোর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নম্বরও পাওয়া গেছে। তারা আবার খোঁজ নিচ্ছেন, কেন তাদের নম্বর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরও জানান, যাদের নম্বর বন্ধ হয়েছে, তারা অনেকেই বিষয়টি সম্পর্কে জানতেও চাচ্ছেন।
মো. আলমগীর জানান, এরই মধ্যে শনাক্ত হওয়া নম্বরের ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযানে নেমেছে। ১৪ জনকে আটকও করা হয়েছে। এদের সবার বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘টেলিফোন নম্বর যাদের পাওয়া যাবে, তাদের সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাবলিক পরীক্ষা আইন ও সাইবার অপরাধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনও হতে পারে, তারা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছে, সেখান থেকে তারা বহিষ্কারও হতে পারে।’
মো. আলমগীর বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কিনা, মিডিয়ায় যেসব তথ্য-প্রমাণ এসেছে কমিটি সেগুলো দেখে পর্যালোচনা করবে। সভায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়েছে। আসলেই ফাঁস হয়েছে কিনা, কতক্ষণ আগে ফাঁস হয়েছে, তার প্রভাবটা কী, কতজন ছাত্র-ছাত্রী এটির মধ্য দিয়ে প্রভাবিত হয়েছে, পরীক্ষা বাতিল করা হবে কিনা, বাতিল করা হলে কতজন ক্ষতিগ্রস্ত হবে— এগুলো পর্যালোচনা করে সুপারিশ করব।’
মো. আলমগীর বলেন, ‘দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষার মাত্র ৫-১০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পাচ্ছে। ওই প্রশ্ন পেয়ে তো বেশি প্রভাব পড়ার সুযোগ নেই। আবার দেখা গেছে, বেশ আগে ফাঁস হলেও পাঁচ বা ১০ হাজার ছেলেমেয়ে এসব প্রশ্ন পেয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছে ২০ লাখের বেশি। এমন বিষয়গুলো হিসাব-নিকাশ করব। তারপর সুপারিশ করা হবে। কর্তৃপক্ষ (মন্ত্রণালয়) সিদ্ধান্ত নেবে।’ আগামী রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই কমিটির দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের মধ্যে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির জরুরি সভায় ১১ সদস্যের যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ ও বিটিআরসি প্রতিনিধি, আট সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি কমিটিতে রয়েছে।
কমিটিকে দুই দিন আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কমিটির কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে বলা হলেও কমিটি প্রধান জানান, কমিটি গঠন সংক্রান্ত কাজ পেয়েই প্রথম বৈঠক করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় এক ছাত্রীকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় ফুফাকে পিটিয়ে জখম

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁশলিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় পিটিয়ে জখমের খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার আশরাফুল ইসলামের কন্যা ও পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে পারুলিয়া শেখপাড়া এলাকার রিয়াসাদ আলীর পুত্র ইমরান আলী(২৫) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিয়ে আসত। এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শনিবার বিকাল ৪টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঐ ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে ইমরান ও তার বন্ধু কাশেম মল্লিকের পুত্র শিমুল মল্লিক(২৪) সু-কৌশলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় কিশোরীর আতœচিৎকারে পাশ্ববর্তী বাড়িতে থাকা তার ফুফা শেখ সামাদের পুত্র সুবাহান আলী(৫০) বাধা প্রদান করলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনার জের ধরে রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছাত্রীর ফুফা সুবাহান আলী প্রতিদিনের ন্যায় স্থানীয় কাশেমের দোকানে চা খেতে আসে। এসময় দোকানের পাশে উৎপেতে থাকা ইমরান, শিমুল এবং তার সাথে থাকা অজ্ঞাত ৫/৭জন সন্ত্রাসী লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে সুবাহান আলীর উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ হামলায় শিকার হওয়া সুবাহান আলীকে স্থানীয়রা মারাক্তক জখম অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দেবহাটা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরমে খাদ্য তালিকায় রাখুন আনারস

বহু গুণে গুণান্বিত আনারস খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই আনারসের। সামনে গরমে তাই খাদ্য তালিকায় যুক্ত হোক আনারস। জেনে নিই আনারসের ৭টি উপকারিতা-

হজমশক্তি বাড়ায়: আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে: শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

হাড় গঠনে: আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়: আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর আক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে।

চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, আনারস ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ রোগটি আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং আমরা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাই। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।

রক্ত জমাটে বাধা দেয়: দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকিৎসকদের পরামর্শে ‘চন্দ্রাবতী’ ছাড়লেন পরীমণি

রফিক শিকদারের নির্মিতব্য ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’ ছবিতে পরীমণি অভিনয় করছেন- এটা পুরনো খবর। কিন্তু নতুন খবর হলো, এই ছবিতে পরীমণি অভিনয় করবেন না। এমনটাই জানালেন এই লাস্যময়ী।

পরীমণি বলেন, ”গত কয়েকদিন যাবৎ আমার শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। জ্বর ও সর্দি-কাশিতে ভুগছি। চিকিৎসকরা আপাতত বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। তবে শুধু এই সর্দি-কাশি নয়, আসলে গত তিন বছর টানা অভিনয় করে শারীরিকভাবে বিধ্বস্ত আমি। এখন শরীরও মনে হয় প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করেছে। ক্লান্তির এই ছাপ মানসিক চাপকে তরান্বিত করছে। তাই চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, আপাতত যেন বাড়তি চাপ না নেই।” তিনি আরও বলেন, ”চিকিৎসরা এটাও বলেছেন আগামী কিছু দিন যেন ‘হেভি লাইট’ থেকে দূরে থাকি।”

পরীমণি বলেন, ”আপাতত যেসব কাজ চলছে সেগুলোতেই সময় দিতে চাই। তাই ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’তে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে আশা করি, ভবিষ্যতে রফিক ভাইয়ের অন্য কোনো ছবিতে আমাকে দেখা যাবে।”

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে তরুণ নির্মাতা রফিক শিকদারের ‘ওপারে চন্দ্রাবতী’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন হালের আলোচিত নায়িকা পরীমণি। এতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করার কথা রয়েছে সাইমনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এ কেমন কেক? খরচ ৬ কোটি!

এবার অভিনব এক কেক বানিয়ে পুরো বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন ডেবি উইংহাম। বিয়ে নিয়ে পুরো বিশ্বে এখন যেন নজর কাড়ার পালা চলছে। সেই সাদামাটা বিয়ে বাড়ির দিন গিছে। এখন প্রথম বিশ্ব থেকে তৃতীয় বিশ্ব, পুরোটাই ঝুঁকছে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং কিংবা প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের দিকে। বিয়ে আগে ছিল অনুষ্ঠান। কর্পোরেট হাওয়ায় এখন তা ‘ইভেন্ট’। সুতরাং কোন ইভেন্ট কত ভালো, কে কোথায় নজর কাড়ল, তার হিসেবও চলবে বইকি। ফলত ডিজাইনাররাও বিয়ে নিয়ে নতুন কিছু ভাবছেন।

যেমন ভাবলেন লন্ডনের এই ডিজাইনার। আস্ত একটি কেক বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। যা কনের সাজে সজ্জিত। দুবাইয়ের এক ওয়েডিং শো-এর জন্য তাঁর এই কীর্তি। ওয়েডিং কেকটির ওজন প্রায় ১২০ কেজি। লম্বায় প্রায় ৬ ফুট। সবচেয়ে বড় কথা, এই মানুষ সমান কেকটি তৈরি করতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৬ কোটিরও বেশি টাকা। তবে বলা বাহুল্য, যত কড়ি ঢেলেছেন, তত মিষ্টিও হয়েছে। না এখনও সে কেক কেউ চেখে দেখেননি। তবে ডিজাইনার জানিয়েছেন মাথা থেকে পা পর্যন্ত এ কেকের পুরোটাই ভোজ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন স্তরে ভোট প্রস্তুতি আওয়ামী লীগে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিন স্তরে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করা, স্বচ্ছ ও দক্ষ প্রার্থী মনোনয়নসহ সরকারের নয় বছরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে দলীয়ভাবে কাজ শুরু হয়েছে। দলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে সারা দেশে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার ছিল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি না আসায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন ১৫৩ জন। এবার গণজোয়ার নেই, অন্যদিকে বিএনপিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। ফলে প্রার্থী বাছাইয়ে দলকে বিশেষভাবে যত্নশীল ও সচেতন হতে হবে। সেইসঙ্গে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটানো যেমন জরুরি, তেমনি প্রয়োজন সরকারের সাফল্য প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সারা দেশের জনগণের সামনে তুলে ধরা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য আগামী নির্বাচনেও নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে জনগণের দোরগোড়ায় যাওয়ার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন তারা।

দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা : খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তীব্র দলীয় কোন্দল এবং নেতা-কর্মীদের ক্ষমতার দম্ভ ও অসংযত আচরণ দলকে আরও পিছিয়ে দিচ্ছে। দলের একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, বান্দরবান, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী ও সিরাজগঞ্জ জেলাকে বিরোধপূর্ণ এলাকা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব জেলায় ধারা উপ-ধারায় রাজনীতি চলছে। পদ-পদবি ধরে রাখা, সুবিধাভোগী সুবিধাবঞ্চিত থাকা ও ব্যক্তিগতস্বার্থ থেকে সৃষ্ট এসব বিরোধ কোথাও কোথাও মহীরুহ আকার ধারণ করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রিয়তার চেয়ে দলীয় কোন্দল মেটানোটাই বেশি জরুরি বলে মনে করছেন তারা। অবশ্য তৃণমূলের কোন্দল মেটাতে গত ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৫টি টিমে বিভক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, সারা দেশে ব্যাপক নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলমান এই সাংগঠনিক সফরে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক ভুলত্রুটিগুলো সমাধানের চেষ্টা করবেন। এ ছাড়া দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সর্বশেষ অবস্থান জানার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বচ্ছ প্রার্থী নিশ্চিত করা : নির্বাচনে জয় লাভের জন্য স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, রাজনৈতিক ঐতিহ্য, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সদ্ভাব, জনসম্পৃক্ততা রয়েছে— এমন রাজনীতিবিদদের মধ্য থেকে প্রার্থী বাছাই করতে হবে মনে করছেন দলের শীর্ষ নেতারা। সূত্র মতে, বাদ পড়তে যাচ্ছেন বিতর্কিত, জনবিচ্ছিন্ন প্রায় ৭০ এমপি। এদিকে এলাকায় উন্নয়ন, জনপ্রিয়তা, কোন্দল, দুর্নীতিসহ বিগত কয়েক বছরের এমন নানা বিষয় তুলে ধরে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি-মন্ত্রীদের ব্যক্তিগত আমলনামা তৈরি করা হয়েছে। একাধিক গোপন জরিপের মাধ্যমে প্রত্যেক আসনে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি প্রার্থী বাছাই করছে দলটি। এ বিষয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আওয়ামী লীগে অগণিত নেতা-কর্মী। দলে কারও অবদানই কম নয়। চুলচেরা বিশ্লেষণ করে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

সরকারের উন্নয়ন প্রচার : আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, সরকারের উন্নয়ন দৃশ্যমান। উন্নয়ন সর্বত্র সমানভাবে হয়েছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তা সঠিকভাবে প্রচার হচ্ছে না। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বারবার সরকারের উন্নয়ন চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানালেও প্রচারে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন অনেকেই। তাই নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে উন্নয়ন-সাফল্য প্রচারের ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। একদিকে দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক সফরের মাধ্যমে, অন্যদিকে সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর পক্ষ থেকে বিগত দিনের উন্নয়ন তথ্য প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত নয় বছরে সরকারের অর্জন বিশাল। সমুদ্র বিজয়, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূর করা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়া, মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি— সব ক্ষেত্রে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এসব দেশের মানুষ জানে। আর আমরা ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক সফরে বর্ধিত সভা, কর্মিসভা, উঠান বৈঠক, পথসভা এবং জনসভার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের অর্জনগুলো তুলে ধরছি। এর বাইরে সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো নিজস্ব কর্মকৌশলে তাদের সাফল্য তুলে ধরছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest