নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। নিতিন গডকড়ি ও কপিল সিব্বলের পুত্র অমিতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে শেষমেশ মানহানি মামলা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুটি পৃথক চিঠিতে নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানহানি মামলা বন্ধের আবেদন করেন কেজরিওয়াল।
চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমরা দুজনই ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হলেও, উভয়ই জননেতা। সত্যমিথ্যে যাচাই না করেই কিছু মন্তব্য করেছিলাম, যা আপনাকে আঘাত দিয়েছিল। যে কারণে, আপনি আমার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। আপনার বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত কোনও আক্রোশ নেই। যা ঘটেছে, তার জন্য আমি দুঃখিত। এখন এই ঘটনাটিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলা উচিত আমাদের। আদালতের প্রক্রিয়া বন্ধ করার আবেদন করছি। আমার পরামর্শ, পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে আমাদের উচিত নিজেদের শক্তি দেশবাসীর সেবায় নিয়োগ করা।’
এদিন আদালতে কেজরিওয়াল ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার পক্ষ থেকে দুটি পৃথক চিঠিতে ক্ষমাপ্রার্থনা জমা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, সিসোদিয়াকে মানহানি মামলায় সহ-অভিযুক্ত হিসেবে দেখান আইনজীবী অমিত সিব্বল।
এদিন সিসোদিয়াও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। বলেন, ২০১৩ সালের মে মাসে কনস্টিটিউশন ক্লাব অফ ইন্ডিয়ায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনে আমি কিছু বিরূপ মন্তব্য করেছিলাম আপনার ও আপনার বাবার বিরুদ্ধে। পরে জানতে পারি, অভিযোগগুলি মিথ্যে ছিল। সেই কারণে, আমি আমার সব কথা ফিরিয়ে নিচ্ছি এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চাইছি।

দেশের প্রখ্যাত কবি সিকান্দার আবু জাফরের স্মৃতি রক্ষা ও পর্বণ প্রিয় বাঙালির ঐতিহ্যের সন্ধানে ২০১৭ সাল থেকে কবির গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার তালায় সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে সিকান্দার মেলা। এরআগে কবি পরিবারের পক্ষে ২০০১ সাল হতে ১৬’ সাল পর্যন্ত সিকান্দার মেলা চলে আসছিল। এজন্য প্রতি বছর মেলার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় হলেও তা অদ্যবধি কবির স্মৃতি সংরক্ষণ বা মেলায় দর্শনার্থীদের কবি সম্পর্কে ধারণা দিতে কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে একদিকে যেমন সিকান্দার আবু জাফর সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অজানা থেকে যাচ্ছে তেমনি চিত্ত বিনোদনে বাণিজ্যিক প্রসারতায় নানা আয়োজনে মূল লক্ষ থেকে সরে ঐতিহ্য হারাচ্ছে তালাবাসীর প্রাণের মেলা সিকান্দার মেলা। প্রতি বারের ন্যায় এবারো তালার তেঁতুলিয়াতে আয়োজিত মেলায় কবির জীবনী ও সাহিত্য সংষ্কৃতি বিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি তাঁর লেখা বই,গান,নাটক ও কবিতা প্রদর্শনের শর্ত থাকলেও বাণিজ্যিকিকরণের নানা পসরায় এবারো চাপা পড়েছে তা। সব মিলিয়ে মেলার সার্বিক আয়োজনে প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ছিল তালা অঞ্চলের মানুষ।
