সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

মেসির ৬০০তম গোল, অ্যাতলেতিকোকে হারালো বার্সা

ফাইনালের আমেজ ছড়াচ্ছিল ন্যু ক্যাম্পে বার্সেলোনা ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের লড়াই। যেখানে পয়েন্টের ব্যবধান কেবল ৫, সেখানে শীর্ষ দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগে তো এমন উত্তেজনা থাকাটা স্বাভাবিক। তবে লিওনেল মেসি গড়ে দিলেন পার্থক্য, কাতালানরা জিতলো ১-০ গোলে। তার চমৎকার ফ্রিকিক গোলে অ্যাতলেতিকোকে ৮ পয়েন্ট পেছনে ফেলে লা লিগার শীর্ষস্থান ধরে রাখলো বার্সেলোনা।

২৭ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে কাতালান জায়ান্টরা। ৬১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অ্যাতলেতিকো। এই জয়ে লা লিগা শিরোপার লড়াইয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে এরনেস্তো ভালভারদের শিষ্যরা।

বড় ম্যাচে রক্ষণ সামলাতে হয় কীভাবে, সেটা ভালোই জানেন দিয়েগো সিমিওনি। তাই শুরু থেকে বাধা পেতে হয়েছে মেসি-সুয়ারেসদের। যদিও ২১ মিনিটে চমৎকার দক্ষতা দেখিয়ে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অ্যাতলেতিকোর ডিবক্সে ঢুকে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। কিন্তু তার মাটি কামড়ানো দুর্বল শট সহজে রুখে দেন ওবলাক।

বার্সার আক্রমণভাগ ঠেকাতে পারলেও ২৫ মিনিটে ডিবক্সের বাইরে মেসিকে ফাউল করার মাশুল দিতে হয়েছে মাদ্রিদের ক্লাবকে। আর্জেন্টাইন তারকাকে পার্টে ফাউল করলে ফ্রিকিকের বাঁশি বাজান রেফারি। বাঁপায়ের অসাধারণ শটে প্রতিপক্ষের রক্ষণ দেয়ালের ওপর দিয়ে জালে জড়ান মেসি। ওবলাক বলে হাত লাগালেও পারেননি তাকে গোলবঞ্চিত করতে। এমন চোখ ধাঁধানো গোলে মেসিকে হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান অ্যাতলেতিকোর অধিনায়ক দিয়েগো গদিন।

পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই গোলে স্পর্শ করেন মাইলফলক। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ৬০০তম গোল। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৬১ গোল করা মেসির এটি ছিল ক্লাবের জার্সিতে ৫৩৯তম। ৭৪৭ ম্যাচে এই কৃতিত্ব গড়লেন তিনি।

৩৪ মিনিটে সুয়ারেস ও ফিলিপ কৌতিনিয়োর সমন্বয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বার্সা। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান তারকার শট দুর্বল হওয়ায় ওবলাকের বাধা পেরোতে ব্যর্থ হয়। এর তিন মিনিট আগে মেসিকে হলুদ কার্ড দেখালে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ন্যু ক্যাম্প।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে সব চেষ্টা করেছিল অ্যাতলেতিকো। কিন্তু পায়নি তারা গোলের দেখা। দিয়েগো কস্তা ও আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের আক্রমণভাগের সময় কেটেছে নিষ্প্রভ। ৮৬ মিনিটে কস্তার পাস থেকে গামেইরো গোল করলেও অফসাইডে তা বাতিল হয়ে যায়। তার ৯ মিনিট আগে সুয়ারেসের গোলটিও একই কারণে বাতিল হয়। ইএসপিএনএফসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বলাডাঙ্গায় বার্ষিক ঈছালে ছওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রভাষক শওকত আলী বাবু, ঝাউডাঙ্গা : সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৪৫তম বার্ষিক ঈছালে ছওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার রাতে মাদ্রাসা কমিটি আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর-২ আসনের সাংসদ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।  এসময় উপস্থিত ছিলেন, তুজলপুর জি.সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম, মাধবকাটি বাজার কমিটির সভাপতি আ’লীগ নেতা মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির লিটু, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. শরিফুজ্জামান ময়না, সাবেক সেনা সদস্য শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

উক্ত মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন হাফেজ মাওলানা মাসউদুর রহমান, বিশেষ বক্তা ছিলেন যশোর টাউন আহলে হাদীস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুত্তালিব বিন ইমান, বলাডাঙ্গা ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বলাডাঙ্গা ছয়ঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রিপুরার নতুন মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের বিপ্লব

বিপ্লব কুমার দেব। ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ত্রিপুরা রাজ্যের সভাপতি।

বিপ্লবের আসল পরিচয় তিনি বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান। তার দাদার বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার মেঘদাইর গ্রামে।

সালের ৭ জানুয়ারি তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা দলটির ত্রিপুরা রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত হন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিধানসভার ৬০ আসনের মধ্যে তার তরুণ নেতৃত্বে বিজেপি ৪৩ আসনে জয়লাভ করে। এ ছাড়া তিনিও ত্রিপুরার বনমালিপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি বুধবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। কচুয়ার মেঘদাইর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘মাস্টার বাড়ি’র কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের নাতি বিপ্লব কুমার দেব। কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের ৪ ছেলে।

তারা হলেন, হারাধন চন্দ্র দেব, হিরুধন চন্দ্র দেব, প্রাণধন চন্দ্র দেব এবং মধুসূদন চন্দ্র দেব। গোবিন্দ চন্দ্র দেবের দ্বিতীয় ছেলে হিরুধন চন্দ্র দেবের সন্তান হলেন বিপ্লব কুমার দেব। বিপ্লব কুমার দেবের বাবা-মা ছাড়া অন্যরা কচুয়া এবং মেঘদাইরে বসবাস করেন। তবে তার মেজ চাচা কবিরাজ প্রাণধন দেব কচুয়ার পরিচিত মুখ। তিনি কচুয়া উপজেলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি। থানা পুলিশিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। কচুয়া সদরেই তিনি সপরিবারে বসবাস করেন। কবিরাজ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের পারিবারিক সব অনুষ্ঠানেই তাদের আসা-যাওয়া রয়েছে। ত্রিপুরার রাজ্য সভাপতি হওয়ার কিছুদিন আগে চাচাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন বিপ্লব। সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসেন তিনি। এর আগে গত বছর বিজেপির প্রতিনিধি দলের প্রধান হয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে অংশ নেন তিনি। সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে কচুয়া গিয়েছিলেন ত্রিপুরার হবু এ মুখ্যমন্ত্রী। ওই সময় কচুয়া প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপ্লব কুমার দেবের বাবা-মা ত্রিপুরা পাড়ি জমান। দেশ ছেড়ে ভারতের পাড়ি জমানোর কয়েক মাসের মাথায় ত্রিপুরাতেই মা মিনা রানী দেবের ঘর আলো করে জন্ম নেন বিপ্লব কুমার দেব।

মানিক সরকারের পদত্যাগ : ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মানিক সরকার (৬৯)। রবিবার দুপুরের দিকে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যটির রাজ্যপাল তথাগত রায়ের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজ্যপাল তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। তবে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেউ শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত মানিক সরকারকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর কথা বলা হয়েছে। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরই মানিক সরকার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আমি রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি এবং তিনি আমাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী না আসা পর্যন্ত দায়িত্ব সামলানোর কথা বলেছেন। ’ মানিক সরকার আরও বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য আমি সব সরকারি কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে সরকারি জায়গায় নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মোঃ আরাফাত আলী : কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বাজুয়াগড় গেল্লের খালের জায়গা দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার বেলা ১২ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহমেদ মাছুমের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের একটি টিম এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় বাজুয়াগড়-হরিখালী খালের জায়গা দখল করে নির্মিত ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত মোনতেজ গাজীর ছেলে গোলাম গাজী, শুকচাঁন গাজীর ছেলে গোলাম গাজী ও উচ্ছেপাড়া গ্রামের মৃত সেফাত উল্যাহ গাজীর ছেলে কাশেম গাজীর ঘরসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। প্রসঙ্গত গত ১৮ ফ্রেব্র“য়ারি ডেইলি সাতক্ষীরা অনলাইন পত্রিকায় কালিগঞ্জে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় চলছে খাল দখলের মহোৎসব শিরোনাম প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে উপজেলা প্রশাসন বাঁশঝাড়ীয়া, নৈহাটী, হরিখালী, বাহাদুরপুর, বাজুয়াগড়, পিরোজপুর, মহেশ্বরপুর,গান্ধুলিয়া, উচ্ছেপাড়া ও বদরকাটী গ্রামের পানি সরবরাহের এক মাত্র মাধ্যম পানি সেচ সহ এলাকার কৃষি মৎস্য চাষের জন্য প্রায় ১ হাজার চাষীর পানি সরবরাহ জন্য খালটি অবমুক্ত করেছেন। উচ্ছেদ কার্যক্রমের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামান, ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুল্লাহ প্রমুখ। কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন, অবৈধ দখলদারদের কয়েক দফা নোটিশ করলেও তারা স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে খালের ভিতর ভেক্যু দিয়ে ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে নেয়ার জন্য শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুষের ফুল ও ভালবাসায় সিক্ত হলেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার মানুষের ফুল ও ভালবাসায় বিদায় অনুষ্ঠানে সিক্ত হলেন বিদায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন কাঁদলেন এবং কাঁদালেন। রবিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাংলো নিহারীকায় সাতক্ষীরা ফেন্ড্রস্ ড্রামেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা ফেন্ড্রস্ ড্রামেটিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল করিম সাবু, সহসভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, আজিবর রহমান, রফিকুল আলম বাবু, ইউছুফ আলী, সদস্য আব্দুস সালাম ও ইকবাল। অপরদিকে একই সময়ে জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাতক্ষীরা পিএন বিয়াম লাবরেটরী (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুল ও কবি সিকান্দার একাডেমির পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক পত্মী জেলা লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী সেলিনা আফরোজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন, সহকারি পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, উপভাষা গবেষক অধ্যাপক কাজী মুহম্মদ অলিউল্লাহ, জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেনরী সরদার, পিএন বিয়াম লাবরেটরী (ইংলিশ মিডিয়াম) স্কুলের উপাধ্যক্ষ এমদাদুল হক, সিনিয়র শিক্ষক মনজুরুল হক, শামীমা পারভীন রত্মা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, আবু আফ্ফান রোজ বাবু, সংগীত শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক বরুণ ব্যাণার্জী, শিক্ষক আবুল বাসার পল্টু, জেলা পরিষদের সদস্য এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, শেখ সহিদুর রহমান প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন

আশাশুনি ব্যুরো : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ীতে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে ফিংড়ীর ব্যাংদহা বাজারস্থ এ আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা খাতুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দীন, ফিংড়ী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোঃ সোহাগ হোসেন, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, আফসার উদ্দীন, মধুসুধন মন্ডল, আব্দুর রকিব ঢালী, সুকুমার সরদার, আশরাফ হোসেন, শেখ জাকিরুল হক, মহাদেব ঘোষ, রেবেকা বেগম, নাছিমা বেগম, আছিয়া বেগম প্রমুখ। আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার এবং সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করণের লক্ষে অত্র এলাকার ১শ জন হতদরিদ্র প্রত্যেককে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ১টি করে ঘর বরাদ্ধ দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মোহাম্মদ মহিউদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ হলো ফিংড়ী দরবার শরীফের বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব

আশাশুনি ব্যুরো: আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী ইউনিয়নের দরবার শরীফ আলিম মাদ্রাসার ইছালে ছাওয়াব। ফিংড়ী দরবার শরীফ আলিম মাদ্রাসা ময়দানে ৩দিন ব্যাপী বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। ফিংড়ী দরবার শরীফ মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওঃ মোস্তফা আবুল কালাম আযাদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগ সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, শ্যামনগর উপজেলা আ’লীগ সভাপতি এড. আলহাজ্ব আবু বক্কর ছিদ্দিকী, সদর উপজেলা আ’লীগ কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, পৌর আ’লীগ যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক রাশিদুরজ্জামান রাশি, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সামছুর রহমান, ফিংড়ী আ’লীগ সভাপতি মোঃ লুৎফর রহমান, সহ সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, যুবলীগ সভাপতি সোহাগ হোসেন, সাংবাদিক শাহিন আলম সহ এলাকার ধর্মপ্রান মুসল্লীবৃন্দ। ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে কোরআন ও হাদিস থেকে তাসরিব পেশ করবেন ঢাকা ইসলামী ফাউন্ডেশন এর গবেষক মাওঃ মোঃ আশরাফুল ইসলাম আজিজী, যশোরের প্রখ্যাত মুফতি মোঃ হায়দার আলী, জাহানাবাজ মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম বেলালী, প্রতাপনগর এপিএস কলেজ এর অধ্যাপক মাওঃ মোঃ আনারুল ইসলাম কোনআন ও হাদিস থেকে তাসবির পেশ করেন। রবিবার বাদ ফরজ আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন দরবার শরীফ মাদ্রসার অধ্যক্ষ মাওঃ আবুল হাই সিদ্দিকী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার দেয়াড়ায় নাম্বারবিহীন মটরসাইকেল উদ্ধার

কলারোয়া,প্রতিনিধি ঃ-কলারোয়ার দেয়াড়া দেয়াড়া ইউনিয়নে একটি নাম্বার প্লেট বিহীন লাল প্রলেপের কালো রঙের নতুন মটরসাইকেল উদ্ধার করেছে খোরদো ক্যম্প পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত অর্থাৎ ৪ঠা মার্চ রবিবার রাত ১২.১৫ মিনিটের দিকে উপজেলার দেয়াড়ার কাশিয়াডাংগার আনছার আলীর মৎস্য ঘেরের বেড়িবাধ পার্শ্ববর্তী মতিয়ার মাস্টারের মৎস্য ঘেরের ভিতর থেকে গাড়িটি উদ্ধার হয় বলে জানান খোরদো ক্যাম্পের পুলিশ।

খোরদো ক্যাম্প ইনচার্জ (আইসি) এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান- রাতে বিভিন্ন এলাকা টহলরত অবস্থায় ঐ এলাকা থেকে মটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। কাশিয়াডাংগার ঘেরবর্তী স্থানীয় সাধারণ মানুষের টর্চ লাইটের আলো পেয়েই অজ্ঞাত মটরসাইকেল চালক গাড়িটি ফেলে রেখে ত্রিমোহীনি ঘাট পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলের কিছু দূর অবস্থান করাতে পলাতক চালককে সনাক্ত করা যায়নি।
তাছাড়া উদ্ধার করা গাড়িটির বিভিন্ন স্থান তল্লাশী করেও কিছুই পাওয়া যায়নি বলে জানান আইসি সিরাজুল ইসলাম। উদ্ধারকৃত মটরসাইকেলের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest