খালেদার রায় ঘিরে উত্তেজনা; অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলার রায়কে ঘিরে বিএনপিকে মাঠে নামার সুযোগ দিতে চায় না আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর পাড়া-মহল্লায় সতর্ক অবস্থানে থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। রায় উপলক্ষে সম্ভাব্য করণীয় ঠিক করতে আজ সোমবার বিকালে ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা ডাকা হয়েছে। একই স্থানে আজ বৈঠক ডাকা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের। এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ বর্ধিত সভা ও সমাবেশ করে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। নেতারা বলছেন, নৈরাজ্য-সন্ত্রাস হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারা প্রতিরোধ গড়বেন। আর বিএনপি সহিংসতায় না গেলে কোনো ধরনের উসকানি দেবেন না তারা। সূত্রমতে, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বকশীবাজার, ঢাকা মেডিকেল, হাই কোর্ট, প্রেস ক্লাব, শাহবাগ, কাকরাইল, গুলিস্তান, নয়াপল্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভোর থেকেই অবস্থান নেবেন। গতকাল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ আয়োজিত এক সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘৮ তারিখের রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্নভাবে উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে। আমরা কারও সঙ্গে পাল্টাপাল্টিতে যাব না। তবে রায়কে কেন্দ্র করে কেউ পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করলে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সতর্ক পাহারায় থাকব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা উসকানি দেব না, তবে কেউ যদি উসকানি দেয় প্রয়োজন হলে যেমন কুকুর তেমন মুগুর। কুকুরের ঘেউঘেউ যেমন হবে মুগুর তেমনই নেমে আসবে।’ সূত্রমতে, রাজধানীর শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় ছাত্রলীগ এবং প্রেস ক্লাব, কাকরাইল, গুলিস্তান, নয়াপল্টন এলাকায় যুবলীগকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় নেতা-কর্মীরা সতর্ক অবস্থান নেবে। রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতা-সন্ত্রাস, গাড়ি ভাঙচুর করলে জবাব দেবে আওয়ামী লীগ। এ জন্য ১৪ দলকেও পাশে চায় দলটি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন গতকাল এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ৮ তারিখকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করে আক্রমণ করবেন তা সহ্য করা হবে না। আমরা যেমন ঢাকা দক্ষিণের প্রত্যেকটি আওয়ামী লীগ নেতার বাসা চিনি, তেমনি কোন বাসায় বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী থাকেন তা-ও জানি। আক্রমণ করলে তা সহ্য করা হবে না। সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারণী সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার রায় উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অতীতে যারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপার ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের। গতকাল এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোনো বিশৃঙ্খলা সরকার মেনে নেবে না। আইন সবার জন্য সমান। রায়ের পর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্রমতে, এরই মধ্যে রাজধানীর ৪৯টি থানার ওসি ও সংশ্লিষ্ট ডিসিদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নাশকতা মামলায় কোনো আসামি জামিনে থাকলে তিনি এখন কোথায় আছেন তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ বলেন, আইন সবার জন্য সমান। দুর্নীতি করলে তার বিচার হবে। কিন্তু এই বিচারকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গাড়ি পোড়াও, পুলিশের ওপর আক্রমণ, দেশের ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না। আমরা সতর্ক পাহারায় থাকব। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেব। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, দুর্নীতির রায়কে ঘিরে কাউকে রাজপথে সন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না। ভোর থেকেই মহানগরের নেতা-কর্মীরা রাজপথ দখলে রাখবে। যেখানেই সন্ত্রাস-নাশকতা সেখানেই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করব।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘোষণা দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস, ধরার কেউ নেই

অবশেষে নড়েচড়ে বসল কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১১ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। ঘোষণা হয়েছে—প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিলে মিলবে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ঘুরেফিরে উঠলেও এত দিন কানে তোলেনি মন্ত্রণালয়। গতকাল রবিবার নেওয়া সিদ্ধান্ত দুটিতে সমস্যার ভয়াবহতা অন্তত স্পষ্ট করা হলো। গতকাল এসংক্রান্ত সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পূর্বের সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর থাকবে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি চালাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলা হয়েছে। বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ বলেছে, গতকাল পর্যন্ত তারা এসংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা পায়নি।

সম্প্রতি পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর চলতি সপ্তাহে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হতে শুরু করেছে। বাংলা দুই পত্রেরই প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। আজকের ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা সামনে রেখেও দুই দিন ধরে দেখা গেছে ফেসবুকে ব্যাপক অপতৎপরতা। এক পক্ষ প্রশ্ন দেওয়ার আশ্বাসে দর হাঁকছিল, অন্য পক্ষ উৎকণ্ঠার সঙ্গে বলছিল, কখন পাওয়া যাবে প্রশ্ন। ‘আগে যাদের দিয়েছিলাম সবার কমন আইছে, এবার ইংরেজি দিব, যাদের লাগবে মেসেজ করো।’ একটি ফেসবুক পেজে এভাবেই দেওয়া হয় স্ট্যাটাস। ফেসবুকের আরো অনেক পেজ ও গ্রুপে ইংরেজির প্রশ্নপত্র ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে গতকাল দরাদরি করতে দেখা যায়। প্রত্যুত্তরে মেসেঞ্জার, ইমো, ভাইবারসহ যোগাযোগের বিকল্প মিডিয়ায় যোগাযোগ করতে বলছিল প্রশ্ন বিক্রেতারা। তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা বুঝে নিচ্ছিল। রাখঢাক ছাড়া এমনভাবে চলছে লেনদেন, যেন এটি কোনো অপরাধই নয়।

ফেসবুকে ফ্রি স্টাইলে বেপরোয়াভাবে যখন চলছে পরীক্ষার মতো বিষয় নিয়ে অপকর্ম, যখন গণমাধ্যমে চলছে তোলপাড়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেই কার্যকর পদক্ষেপ। যদিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে এ ধরনের অপরাধ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে দণ্ডনীয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখায় সাইবার ক্রাইম ইউনিট থাকলেও প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কার্যকর তদন্ত করছে না কেউ। জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার শৃঙ্খলাবিষয়ক কমিটির চরম অবহেলার কারণে সম্পৃক্ত করা হয়নি বিশেষজ্ঞদের। গত বছর এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় শিক্ষকসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তারের পর ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া যায়। সেখানকার শিক্ষক-কর্মচারী এবং এক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সন্দেহের আওতায় আনা হলেও পরে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত হয়নি। এমনকি যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারাও জামিনে ছাড়া পেয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বা তাগাদা না থাকলে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের খোঁজেন না সাইবার তদন্তকারীরা। গত দুই দিনের ব্যাপক সমালোচনার পর কিছুটা নজরদারি শুরু করেছে ডিবি ও সিটিটিসি। তথ্য মিলেছে, এখন পরীক্ষার পূর্বমুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস করছেন কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী। এরই মধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম পরীক্ষার শৃঙ্খলা কমিটিরও সদস্য। গতকাল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ করছি না, এটা ঠিক নয়। আজও মিটিং করলাম। একটি কমিটি হয়েছে। ১১ সদস্যের কমিটিতে পুলিশের দুজন আছে। শিগগিরই আমরা অভিযান চালাচ্ছি।’

মন্ত্রী বললেন, ধরা পড়বেই : এবার এসএসসির প্রথম দুটি পরীক্ষায়ই ফেসবুকে দেওয়া প্রশ্নের সঙ্গে এমসিকিউ (মাল্টিপল চয়েস কোয়েশ্চন) অংশ হুবহু মিলে যায়, যা নিয়ে প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পরই গতকাল এক জরুরি সভায় প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সভার সিদ্ধান্তগুলো পরে নিজেই সাংবাদিকদের জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি এ সময় বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা প্রশ্ন ছড়াচ্ছে, তারা ধরা পড়বেই। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ছড়ানো বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা মনিটরিং ও প্রশ্ন ফাঁস এবং পরীক্ষা যথাযথ হয়েছে কি না এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের নেতৃত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করবে। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে ওই কমিটি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভিজিল্যান্স টিম আরো জোরদার করা হবে। পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে প্রশ্নের মোড়ক খোলার সময় স্থানীয় প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা, একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রসচিবের যৌথ স্বাক্ষরে খোলা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইস নিয়ে কোনো শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা বা কর্মচারী প্রবেশ করলে তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা হবে। সব শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে অবশ্যই তাদের নিজ নিজ আসনে বসতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘যারা প্রশ্ন ফাঁস বা ফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে, কার্যক্রম দেখে এ কথা প্রতীয়মান হয়, তাদের লক্ষ্য সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে হেয় প্রতিপন্ন করা। এ জন্যই পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে ধরা পড়বে। তাদেরকে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

তবে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেন্দ্রসচিব পরীক্ষার হলে শুধু একটি সাধারণ মানের ফোন নিতে পারবেন বলে জানা গেছে। এদিকে এমসিকিউ তুলে দেওয়া হবে কি না এ বিষয়ে সেমিনার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

জানা যায়, ১১ সদস্যের কমিটিতে আরো থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিটিআরসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শাখা এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা। মন্ত্রণালয়ে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিটিআরসি এবং পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এদিকে ফেসবুকে প্রশ্ন ফাঁস অব্যাহত থাকলেও দেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি গতকাল রবিবার পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে প্রতিকারমূলক কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা পায়নি বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহ্জাহান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘অনুরোধ বা নির্দেশনা পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গত বছর এসএসসি পরীক্ষার সময় ২ মার্চ কমলাপুর শেরে-ই-বাংলা রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলামসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। রফিকুল শিক্ষকতার পাশাপাশি জ্ঞানকোষ নামের একটি কোচিং চালাতেন। এরপর ২৭ মার্চ দুই চক্রের ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাদের মধ্যে আশুলিয়ার গাজিরচট এএম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোজাফফর হোসেন, শিক্ষক আতিকুল ইসলাম, সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, টঙ্গীর কোনিয়া কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হামিদুর রহমান এবং আশুলিয়ার গাজিরচট এএম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অফিস সহকারী আবদুল মজিদ ছিলেন। তাঁরা প্রশ্ন দেওয়ার বিনিময়ে ফেসবুক গ্রুপের সদস্যদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে আদায় করতেন।

ডিবির একাধিক সূত্র জানায়, গত বছর এসব চক্রকে ধরার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করে ডিবি। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত বলে কিছু প্রমাণও মিলে। উঠে আসে ‘মেঞ্জিস’ নামের সাভারের এক শিক্ষা কর্মকর্তার নাম, যিনি এখন জয়পুরহাটে আছেন। ওই সময় তদন্তে জানা যায়, বিজি প্রেসের কম্পিউটার অপারেটরসহ কয়েকজন কর্মচারীও এই চক্রের সদস্য। পরীক্ষার আগে শিক্ষক ও কোচিং সেন্টার গ্রুপের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হয়। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় তদন্ত বেশি দূর এগোয়নি। প্রশ্ন দিয়ে টাকা পাওয়া যায়। যারা সন্দেহভাজন ওই লোকগুলোই কাজ করছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মোজাফফর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য দিয়েছেন। অথচ তিনিসহ অনেকেই জামিনে বের হয়ে গেছেন।’

সে সময় অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহমুদ নাসের জনি। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। নির্দেশনা পেলেই অভিযান চালানো হবে।’

এদিকে সিআইডি সংঘবদ্ধ অপরাধ দলের প্রধান, বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্ল্যা নজরুল ইসলাম সম্প্রতি বলেন, ‘আমরা অনেক বিষয় নিয়ে কাজ করছি। এসএসসি ও এইচএসসির প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কাজ করছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জালিয়াতচক্র ধরেছি। নির্দেশনা পেলে ওই বিষয়েও কাজ করব।’

জানতে চাইলে সিটিটিসি ইউনিটের সাইবার ক্রাইম দলের প্রধান উপকমিশনার আলিমুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ডিবির সঙ্গে আমরাও কাজ করছি। অপরাধীদের ধরা হবে।’

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উমর ফারুক বলেন, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে জনসচেতনতা বা বোধ তৈরি হয়নি। অনেকে মনে করছে প্রশ্ন ফাঁস করে সে অন্যের উপকার করছে। কেউ গোপনীয়তা ফাঁস করাকে সাফল্য বলেও মনে করে। আনন্দ খোঁজে। এগুলোই প্রশ্ন ফাঁস বাড়ার পেছনে বড় কারণ। তিনি আরো বলেন, ‘ডিবি, সিআইডি ও র‌্যাবের সাইবার ক্রাইম ইউনিট থাকলেও তাদের নেই প্রয়োজনীয় দক্ষতা। উন্নত বিশ্বের আদলে ‘মেটাপুলিশ ফোর্স’ করা উচিত।’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অপরাধবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় সাইবার ক্রাইম আইনে বিচার হলে অন্যরা শিক্ষা নেবে। অপরাধটিও কমবে।’

জানা যায়, পাবলিক পরীক্ষাগুলো (অপরাধ) আইনে প্রশ্ন ফাঁসে ন্যূনতম তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড শাস্তির এই বিধান রয়েছে। এ ছাড়া আইসিটি আইনের সংশোধিত ৩২ ধারাসহ (আগের ৫৭) কয়েকটি ধারায় অনলাইনের গোপনীয় তথ্য ফাঁস দণ্ডনীয় অপরাধ।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ফটোকপি করে বিতরণ করা হতো, এখন তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। কে বা কারা প্রশ্ন ফাঁস করছে তা বের করা বিটিআরসি বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য অসম্ভব কিছু নয়।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩২ ধারা প্রত্যাহারের দাবিতে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের মানববন্ধন

আশাশুনি ব্যুরো: প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা প্রত্যাহারের দাবিতে আশাশুনির বুধহাটায় মানববন্ধন করেছে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। রবিবার বিকালে আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া অনুমোদন করে সরকার। সংসদে পাশ হলে তা বাংলাদেশ আইনে পরিণত হবে।
আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা, নির্বাহী সদস্য শেখ হেদায়েতুল ইসলাম। এসময় বক্তরা বলেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণমাধ্যমের কন্ঠ রোধ করবে। এ আইন পাশ হলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মুখ থুবড়ে পড়বে। বক্তারা আরও বলেন যে আইন মানুষের কন্ঠ রোধ করবে, সে আইন জনবান্ধব আইন হতে পারে না। সাংবাদিকদের কালো আইনের ফ্রেমে রেখে বাঘের মুখে ফেলে দেওয়া যাবে না। সাংবাদিক বক্তারা বলেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিকশিত গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাড়াবে। এসময় সকল বক্তাগন সাংবাদিকদের জন্য কালো ধারাটি প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মানববন্ধনে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব সহ সভাপতি সুব্রত দাশ, শেখ বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম নূর আলম, ক্রিড়া সম্পাদক আলমিন হোসেন ছট্টু, সদস্য বাহবুল হাসনাইন, উত্তম কুমার দাশ, সাংবাদিক আজিজুর রহমান রাজ, এস এম শাহিন আলম, আবু হাসান, বি এম আলাউদ্দীন, শেখ আক্তারুজ্জামান, ইমরান হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে ৩২ ধারা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: “সত্য ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করা চলবে না” শীর্ষক স্লোগানকে সামনে রেখে রোববার সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৩২ ধারা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সমাবেশ ও প্রতিবাদ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক গাজী সালাউদ্দীন বাপ্পীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক শেখ আফজালুর রহমান, সদস্য আবু সাইদ সহ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দ। উক্ত সাংবাদিক সমাবেশ ও প্রতিবাদ মানববন্ধনে বক্তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে সাংবাদিকতার পরিপন্থী আইন উল্লেখ করে বলেন, ‘৩২ ধারা পাস হলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মারাত্মকভাবে বাধার সম্মুখীন হবে। দুর্নীতিতে ছেয়ে যাবে দেশ। এর আগে ৫৭ ধারার অপব্যবহারে দেশ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। তাই আমরা আর ৩২ ধারা দেখতে চাই না।’ বক্তারা এ সময় ৩২ ধারার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে এ আইন বাতিলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ ৩২ ধারা প্রত্যাহারের দাবিতে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর প্রতিনিধি : পি,কে,এস,এফ এর সহযোগিতায় নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ) এর সমৃদ্ধি কর্মসূচি ও খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল এর যৌথ উদ্যোগে চক্ষুশিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ‘সমৃদ্ধি কর্মসূচির’ স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের আওতায় আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চক্ষুশিবির ক্যাম্প উদ্বোধন করেন নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ) এর পরিচালক (এমএফ) মোঃ আলমগীর কবির এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সমৃদ্ধি কর্মসূচির সমন্বয়কারী এইচ.এম মামুনুর রশিদ, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সমৃদ্ধি কর্মসুচির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ। উক্ত ক্যাম্পে খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল টিম দ্বারা মোট ৪০০জন রোগিকে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এবং বাছাইকৃত ১০০ জন রোগিকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে ছানি অপারেশন ও লেন্স সংযোজনের জন্য খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরুলিয়ায় কপোতাক্ষ নদে পাটা ও চারু ফেলে মাছ শিকারের অভিযোগ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : কপোতাক্ষ নদের পাটকেলঘাটা সরুলিয়ার পয়েন্টে অবৈধভাবে নেটপাটা ও চারু ফেলে মাছ চাষ করা হচ্ছে। এতে নদে স্বল্প স্রোত প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বার বার ড্রেজিং করে কোনো রকমে বাঁচিয়ে রাখা কপোতাক্ষ আজ মানুষের কাছে অভিশাপ। কপোতাক্ষ পাড়ের এক শ্রেণীর ভূমি দূস্যদের কারনে সরকারের ২৬২ কোটি টাকার খননকৃত কপোতাক্ষ প্রজেক্ট ভেস্তে যেতে বসেছে। পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া বাজারের পাশে দিকে কপোতাক্ষ নদ প্রবাহিত। প্রকাশ্যে এক শ্রেণির কপোতাক্ষ চর দখলকারীরা নদের গতিপথ রোধ করে স্বল্প ¯্রােতকে বাধা গ্রস্থ করে নদের মাঝ বরাবর নেটপাটা ও চারু ফেলে মাছ শিকার করছে। এতে নদকে খালে রূপান্তর করা হয়েছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে আকাশ বন্যার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। নদের চর দখল করে ধানচাষ করা ভূমি দস্যুরা এরই মধ্যে ছোট ছোট বাঁধ দিয়ে ধান চাষ শুরু করেছে। সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে ঠিকই, তবে সেটা কর্তা ব্যক্তিদের পকেটে যাচ্ছে। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। নদের অস্তিত্ব বিলিন হতে বসেছে। বর্তমান সরকার বিলিন হতে যাওয়া নদকে মানচিত্রে ফিরেয়ে আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে নদে স্বল্পস্রোত সৃষ্টিও করেছে। নদের পাটকেলঘাটার সরুলিয়াসহ একাধিক জায়গায় পাটা, চারু পেতে মাছ ধরছে কয়েক জন মাছ শিকারী। এতে সীমিত স্রোতপথে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। অন্যদিকে নদের দু’কূলের জেগে ওঠা কয়েক হাজার একর চর অবৈধভাবে দখল করে কৃষি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ভূমি দস্যুরা। এছাড়া নদের পাটকেলঘাটা অঞ্চলের জায়গা দখল করে বাড়ীঘর ও দোকান পাট নির্মাণ করার প্রতিযোগিতা চলছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এসব দেখেও না দেখার ভান করে আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা টাউন ক্লাবের খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা প্রিমিয়ার লীগ উপলক্ষে সাতক্ষীরা টাউন ক্লাবের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রি বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় টাউন স্পোর্টিং ক্লাবে এ সামগ্রি বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষ্যে টাউন স্পোটিং ক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আজহার হোসেনের সভাপতিত্বে ও কোচ ইদ্রিস আলীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন টাউন স্পোটিং ক্লাবের সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক বাবু করুণাময় ঘোষ। এ সময় টাউন স্পোটিং ক্লাবের সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ ফেব্রুয়ারি জেলা আ. লীগের জরুরি যৌথ সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা শহরে বসবাসরত সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সকল নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকগণ, পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ এবং পৌর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করবেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক এমপি মুনসুর আহমেদ। সংশ্লিষ্ট সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্যে অনুরোধ জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest