সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব থামছে না

শ্যামনগর ব্যুরো: মহামান্য হাইকোর্ট এর ১৬৩৯২/২০১৭ নং রিট পিটিশন আদেশ অমান্য করে শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়বে। নওয়াবেঁকী বড় কুপট এলাকায় ব্যবসায়ী জামান এর কর্মচারী শেখ রমজান আলীর নামে গত ১২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে সাতক্ষীরা ডেপুটি কালেক্টর হইতে কপোতাক্ষ নদীর পাতাখালীর চরে ৪৮৬ দাগে বালু উত্তোলনের ইজারা নেন। অথচ, ইজারাদাতা রমজান আলী ইজারা বিজ্ঞপ্তির ১২নং কলামের নির্দেশনা অমান্য করে খোল পেটুয়া নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন অব্যহত রেখেছে। এছাড়া উপজেলার শ্রীফলকাটি আইবুড়ি নদী থেকে, চন্ডিপুর, পাতাখালী, আটুলিয়া ও নুরনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় বোরিং করে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন অব্যহত রয়েছে। শ্যামনগরের অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্দের জন্য আইয়ুব আনসারী মহমান্য হাইকোটে গত ২১ আগষ্ট ২০১৭ তারিখের ১৬৩৯২/২০১৭ নং রীট পিটিশন করে। বিজ্ঞ আদালত অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্দের আদেশ দেন। এ ঘটনায় আইয়ুব আনসারী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দরখাস্ত করেন। উক্ত দরখাস্তে রীট পিটিশনের কপি, ইজারার কপি, ম্যাপের কপি উক্ত দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ বছরের সন্তান ফেলে মায়ের নিরুদ্দেশ যাত্রা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিশু সন্তানের মায়া ও কাঁন্নাকে তুচ্ছ করে এক অবুঝ শিশু কন্যা সন্তানকে ফেলে জননীর অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে সদরের বল্লী ইউনিয়নের আমতলা এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে মানুষের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধ শ^শুর শিশু সন্তানটিকে নিয়ে পড়েছে বিপাকে। বৃদ্ধ শ^শুর মো. আবু জাফর মোড়ল জানান, আমার ছেলে মো. হোসেন আলী মোড়ল দীর্ঘ চার বছর মালয়েশিয়া থাকার সুবাধে ছেলের বউ চায়না খাতুন মালয়েশিয়া থেকে পাঠানো নগত ৫০ হাজার টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ শাড়ি-কাপড় নিয়ে গত-১৯ ডিসেম্বর দুপুর বেলা বাড়িতে কেউ না থাকায় অজান্তে বোরখা পরা অবস্থায় পালিয়ে গেছে। পিত্রালয় ও সকল আত্মীয়- স্বজনের বাড়ি অনেক খোঁজা-খুজির পর অবশেষে নিরুপায় হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়রি করেছি। যার নং ১৫৪৫ তারিখ ২৫/১২/২০১৭। রেখে যাওয়া অবুঝ শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি পেরেশান হয়ে পড়েছি। কোথায় যাবো কি করবো আমি ভেবে পাচ্ছিনা। আমার ছেলেটা দেশে নেই। তার এ অবুঝ শিশুটিকে কিভাবে দেখা-শোনা করবো।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসীরা জানায়, কৌশলে প্রবাসী আলী হোসেনের পাঠানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে তার স্ত্রী চায়না খাতুন পালিয়ে গিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয় পক্ষ থেকে তাদের খোঁজ করলেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসককে কালেক্টরেট সমিতির শুভেচ্ছা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন মহোদয় যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ হতে গতকাল মঙ্গলবার ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি সুজা খান চৌধুরী, সহ-সভাপতি জেপি মোশাররফ হোসেন, উপদেষ্টা এস এম শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ এস এম শহীদুল ইসলাসহ সাতক্ষীরা জেলা কালেক্টরেট অফিসের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শহিদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলিমের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: সোমবার তালা উপজেলার খেশরায় শেখ ফারুখ মার্কেটে ১৯৭১ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত শহিদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলিম মিয়া’র ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শেখ আবুল কালাম আজাদ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আ ’লীগের সাবেক সভাপতি ও তালা-কলারোয়ার সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিঃ শেখ মুজিবুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম, এম ফজলুল হক, বর্তমান চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজীব হোসেন (রাজু), তালা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের আহবায়ক প্রভাষক এস,আর আওয়াল, সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন, খেশরা ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ফারুখ হোসেন (পিল্টু), খেশরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক শেখ তানভীর হোসেন (অমি) প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চাচালনা করেন প্রভাষক তরুণ কুমার দাশ।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা তার স্মৃতিচারণায় বলেন ১৯৭১ সালে এই অঞ্চলেরই বাতুয়াডাঙ্গা ক্যাম্পে থেকে আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এখনও আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃতভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সবশেষে খেশরা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তামণির গ্রামের বাড়িতে ফুল ও ফল নিয়ে গেলেন এমপি রবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ছয় মাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা শেষে এক মাসের ছুটিতে বাড়ি আসা মুক্তামণির খোঁজ খবর নিতে তার বাড়িতে ফুল ও ফল নিয়ে গেলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

মঙ্গলবার দুপুরে তিনি সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামে মুক্তামণির বাড়িতে যান। এ সময় তিনি মুক্তামণির সাথে কথা বলেন এবং তার খোঁজ খবর নেন। এমপি রবি এ সময় বলেন, বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তা মনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়নি। যান্ত্রিক যন্ত্রণার শহর আর চা দেয়ালে দীর্ঘ ৬ মাস কাটনোর জন্য মুক্তা মনির মন খারাপ হওয়ায় ডাক্তাররা ১ মাসের জন্য তাকে বাড়ি পাঠিয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মানবতার বাতিঘর জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মুক্তা মনির চিকিৎসার ব্যয় বহন ও খোঁজ-খবর নিয়েছেন।

মুক্তামণি এমপি রবিকে দাদু বলে ডাকে। সে বলে দাদু আপনি আমাকে ঢাকার হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। আবার আমার বাড়িতে কষ্ট করে এসেছেন। দাদু আপনি খুব ভালো। আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন দ্রুত সুস্থ্য হতে পারি। আমার গ্রামের মানুষ ও সাতক্ষীরার মানুষেরা খুবই ভালো তারা আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছে। এসময় এলাকার মানুষ মুক্তামণির বাড়ির সামনের রাস্তা সংস্কারের দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত এ রাস্তা সংস্কার করা হবে বলে জানান এমপি রবি। পরে মুক্তামণির পিতা ইব্রাহীম হোসেন ও মাতা আসমা খাতুনের সাথে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ ’লীগের সদস্য অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎন্সা আরা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান, বাঁশদহ ইউনিয়ন আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান, নারী নেত্রী মনোয়ারা খাতুনসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে সাংবাদিক আলাউদ্দীনের মামার ইন্তেকাল

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দিনের মামা গফ্ফার (৭৮)ইন্তেকাল করছেন। জানাগেছে মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাত ৩টায় নিজ বাসভবনে মৃত্যু বরন করেন তিনি। গফ্ফর মোড়ল শোভনালী ইউনিয়নের উত্তর গোদাড়া গ্রামের ওমর আলি মোড়লের পুত্র। মৃত্যুকালে তিনি ৫ পুত্র ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর ভাট পুকুর মাঠে নামাজে যানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। যানাজা নামাজে এমামতি করেন হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম। যানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলার ছাত্রলীগ সভাপতি সুমন, শোভনালী ইউনিয়ন সাবেক আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বীর মুক্তি যোদ্ধা আলহাজ নজরুল ইসলাম। শোভনালী ইউনিয়ন সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা জয়নুদ্দীন গাজী, মুক্তিযোদ্ধা জামাল গাজী, মরহুমের চাচা জয়নুদ্দীন মোড়ল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সীমান্ত অপরাধ ও চোরাচালান বন্ধে বিজিবির মতবিনিময়

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ নির্মূল করতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় দেবহাটা বিজিবি ক্যাম্পের আয়োজনে ক্যাম্পে শিক্ষক, সাংবাদিক, সুধীজনদের উপস্থিতিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত থেকে মতবিনিময় করেন দেবহাটা ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার জিন্নাত আলী শেখ। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তহিরুজ্জামান, দেবহাটা কলেজের প্রভাষক শেখ শরিফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল্লাহ আল তারিক, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, সহ-সভাপতি কে.এম রেজাউল করিম, অর্থ সম্পাদক এম.এ মামুন প্রমূখ। এসময় বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত দিয়ে বয়ে চলা ইছামতি নদী দিয়ে অবৈধ পথে চোরাচালানী পণ্য, মাদক পারাপার যাতে না হয় সে ব্যাপারে বিজিবি কঠোর নজরদারি রেখেছে। সাথে সাথে এলাকার শান্তি রক্ষায় এবং সরকারের উন্নয়নকে বাস্তবায়ন করতে বিজিবি কাজ করছে। তাছাড়া পূর্বের তুলনায় সীমান্ত অপরাধ কমিয়ে আনার পাশাপাশি চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়। মুক্ত আলোচনায় বিজিবির কর্মকা-ের প্রশংসা পাশাপাশি বক্তারা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে উপস্থাপন করায় ধন্যবাদ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় শেরে বাংলা ক্লিনিকে ত্রুটিপূর্ণ অপারেশনে প্রসূতি মা সঙ্কটে

কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শেরে বাংলা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনেস্টিক সেন্টারে সিজারের মাধ্যমে এক নারী সন্তান প্রসব করতে এসে ত্রুটিপূর্ণ অপারেশন করার কারণে এক নারী শারীরিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছেন। ভুক্তভোগী উপজেলার পূর্ব নলতা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী শরিফা খাতুনকে সন্তান প্রসবের জন্য গত ১৪ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত নলতার শেরে বাংলা ক্লিনিক ও ডায়গনেস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে তিন হাজার ৪০০ টাকা দেওয়া হয়। সেখানে শরিফার সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা (মেয়ে) প্রসব করানো হয়। পরবর্র্তীতে শরিফা উচ্চ জ্বরসহ বিভিন্ন সমস্যায় মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাইফায়েড জ্বরের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ডাইসোফেন ইনজেকশান ও রোসিফিন ইনজেকশন কিনিয়ে নেওয়া হলেও রোসিফিন ইনজেকশান ব্যবহার করেননি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। ২০ নভেম্বর তাকে ছাড়পত্র দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় ক্লিনিক থেকে সংশি¬ষ্ট ডাক্তারের পরিবর্তে ক্লিনিক মালিক হাতুড়ে ডাক্তার আবু সাঈদ ছাড়পত্রের সঙ্গে ব্যবস্থাপত্র লিখে ছেড়ে দেন। ক্লিনিকে ভর্তি থাকাকালিন তার খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। মারাত্বক অসুস্থ শরিফাকে বাড়িতে আনার পর টাকা যোগাড় করে গত ২৬ নভেম্বর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তার পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ডাঃ ফারহানার কাছে নিয়ে গেলে তিনি আংশিক ফুল পেটের মধ্যে থেকে যাওয়ার এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান। ২৬ নভেম্বর সংশি¬ষ্ট গাইনি চিকিৎসক এহছেন আরা ও কানিজ ফাতেমা রোগীর অবস্থা দেখে বন্ড সই করে তাকে দ্বিতীয় বার অপারেশন করে ফুল বের করেন। একপর্যায়ে পুনরায় ফুল বের করার পর দীর্ঘদিন চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পর শরিফাকে ১২ ডিসেম্বর ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এ কয়দিনে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে শরিফার জন্য কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। বিষয়টি নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক আবু সাঈদের কাছে গেলে তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে কিছু করার নেই বলেন জানান। বর্তমানে শরিফার শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ঔষধ কেনার জন্য। তিনি শরিফার হেন পরিস্থিতির জন্য ওই ক্লিনিকের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানান। জানতে চাইলে শেরে বাংলা ক্লিনিক ও ডায়গনেস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ অপারেশনে কোন ত্রুটির কথা অস্বীকার করে বলেন, ১৯ নভেম্বর প্রসুতি শরিফার জ্বর আসে। ডাঃ আকছেদুর রহমানের পরামর্শ মত ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন তিনি। পরবর্তীতে তাদেরকে না জানিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে এখন তার আছে ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তার কিছু করার নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest