সর্বশেষ সংবাদ-

বিবাহ অনুষ্ঠানে হামলা, ১১ নারী নিহত

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় মা’রিব প্রদেশে এক বিবাহ অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১২ জন নারী নিগত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) এ হামলার ঘটানা ঘটেছে বলে রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দেশটির আল মাসিরা টেলিভিশন চ্যানেল এ খবর পচার করে।

কয়েকটি স্থানীয় সূত্র বলছে, হতভাগ্য নারীরা পায়ে হেটে অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে তারা সৌদি হামলার মুখে পড়ে। তবে যেসব নারী গাড়িতে করে ফিরছিলেন তারা হামলা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

নিহত দুই নারীর একজন পিতা তীব্র ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, একটি বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে ফিরে আসার সময় সাধারণ নারীদের ওপর হামলা চালিয়ে আগ্রাসী সৌদি বাহিনী জঘন্য অপরাধ সংঘঠিত করেছে।

তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনার পরও দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের ওপর সৌদি সামরিক আগ্রাসন থামছে না। গত শুক্রবারও দেশটির ওপর ব্যাপকমাত্রায় বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ৭০ ইয়েমেনিকে হত্যা করেছে সৌদি বাহিনী বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্সটুডে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানিতে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা

বাংলাদেশের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের নানা জায়গায় উদযাপিত হচ্ছে বিজয় দিবস। শনিবার জার্মানির মাইন্স নগরীতে জার্মান-বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সভাপতিত্ব করেন জার্মান বাংলাদশ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবী এবং রাজনীতিক ইউনুস আলী খান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মান বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সিডিইউ মাইন্স শাখার কার্যকরী পরিষদের সদস্য কার্স্টেন লাংগে এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিডিইউ এর বিশেষ কমিটি সিডিআ’র ফেডারেল কার্যকরী সদস্য গাব্রিয়েলা মুলার, সিডিইউ ভাইজেনাউ এর সভাপতি লুকাস আউগুস্টিন এবং জার্মান যুব ইউনিয়ন এর মাইন্স এর সভাপতি টর্স্টেন রোহে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সাংবাদিক হোসাইন আব্দুল হাই।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আসমা খান, সামাজিক সংগঠন ‘শেষ ঠিকানা’র সভাপতি আবু সেলিম, বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খসরু, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ খসরু খান, কাজী আব্দুল মতিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক জমশেদ আলম রানা এবং মাহবুব হক। সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন করেন ইউরোপের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী কনা ইসলাম, জালাল আবেদীন, তাহমিনা ফেরদৌসী শিউলী এবং রিয়েল আনোয়ার। কবিতা আবৃত্তি করেন বাবুল তালুকদার, সান্তা গামুলের এবং অলিভার গামুলের ও হোসাইন আব্দুল হাই।

বাংলাদেশ এবং জার্মানির জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয় দিবস, বড় দিন এবং নতুন বছরের আগমনের প্রেক্ষাপট ঘিরে বাংলাদেশী এবং জার্মানদের এই মিলনমেলা। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের বীর শহীদদের, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীর শহীদদের এবং ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সে সময় জার্মানির সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, প্রাদেশিক রাজধানী মাইন্স এর সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল এস, নিউজটুয়েন্টিফোর টেলিভিশন, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন, জার্মানি ভিত্তিক অনলাইন গণমাধ্যম আওয়ার ভয়েস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিগগিরই ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংকট কাটাতে শিগগিরই ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। রবিবার দুপুরে ভারতের ত্রিপুরা থেকে ফেরার পথে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে এক মতবিনিময় সভায় এ জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে খুব দ্রুতই পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। এ নিয়োগ হয়ে গেলে গ্রামগঞ্জে আর চিকিৎসক সংকট থাকবে না। দরিদ্র মানুষের একটাই জায়গা সরকারি হাসপাতাল ও হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক। ঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে না পারলে এসব দরিদ্র মানুষের যাওয়ার জায়গা নেই। এজন্য তিনি চিকিৎসকদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। প্রায় ৫ বছর ক্লিনিক তালাবদ্ধ ছিল। মানুষ কোনো সেবা পায়নি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে।

মতবিনিময়ের আগে সদ্য প্রয়াত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হক ও চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাপুটে জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিল ভারত

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে সহজ তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে দিল ভারত। এই জয়ে বড় অবদান রেখেছে ওপেনার শিখর ধাওয়ান। ১০০ রানে অপরাজিত থাকলেন এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান। বল হাতে ভালো পারফরম্যান্স দেখালেন কুলদীপ যাদব ও যুজবেন্দ্র চাহল।

রবিবার টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। যে দল জিতবে তারাই সিরিজ দখল করবে, এই অবস্থায় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেও, পরপর উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১৫ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনার উপল থারাঙ্গা করেন ৯৫ রান। সাদিরা সমরবিক্রমা করেন ৪২ রান। এছাড়া আর কোনও ব্যাটসম্যান ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। কুলদীপ ও চাহল তিনটি করে উইকেট নেন। হার্দিক পান্ডে দু’উইকেট নেন।

এদিন চতুর্থ ওভারেই যশপ্রীত বুমরাহর বলে রোহিতের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান দানুষ্কা গুণতিলকা (১৩)। তবে এরপরেই ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। থারাঙ্গা ও সমরবিক্রমার জুটিতে যোগ হয় ১২১ রান। সেই সময় মনে হচ্ছিল, শ্রীলঙ্কা বড় রান করবে। কিন্তু এরপরেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট নিতে থাকেন কুলদীপ, চাহলরা। ফলে অল্প রানেই শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (৭) উইকেট হারায় ভারত। তবে ধবন ও শ্রেয়াস আয়ারের (৬৫) জুটি ভারতের জয় নিশ্চিত করে দেয়। এই জুটিতে যোগ হয় ১৩৫ রান। দীনেশ কার্তিক ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

ধর্মশালায় এই সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু মোহালিতে দুরন্ত কামব্যাক করে রোহিতের দল। অধিনায়ক রোহিত একদিনের ক্রিকেটে তার তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করেন। শিখর ধবনের মারমুখী ইনিংস, নবাগত শ্রেয়স আয়ারের চমৎকার পারফরম্যান্সে ফের জমাট লেগেছে দলকে। এই ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলল ভারত। ২০১৫-র অক্টোবরের পর ঘরের মাঠে কোনও সিরিজ এখনও পর্যন্ত হারেনি ভারত। সেই রেকর্ড বজায় থাকল।

এই ম্যাচে ভারতের দলে একটি মাত্র পরিবর্তন হয়। ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় দলে ফেরেন কুলদীপ। আর দলে ফিরেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফাইনালে সাকিবের কেরালা কিংস

টি-টেন লিগের সেমিফাইনালে মারাঠা এরাবিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথম সেমিফাইনালে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে সাকিবের কেরালা কিংস।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রানের সংগ্রহ করে মারাঠা। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় সাকিবের কেরালা কিংস।

রবিবার রাত সাড়ে ৭টায় শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।

এর আগে টস জিতে মারাঠা এরাবিয়ান্সকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় কেরালা কিংসের অধিনায়ক মরগ্যান।
কিন্তু শুরুটা ভালো হয়নি মারাঠা এরাবিয়ান্সের। শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। তবে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রানের ইনিংস খেলেন ব্রাভো। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ১০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রানের সংগ্রহ করে মারাঠা।

কেরালার হয়ে তানভীর ৩ উইকেট, প্ল্যাংকেট ও এমরিট ২ উইকেট, পোলার্ড ও ওয়াহাব রিয়াজ নেন ১টি উইকেট। ফাইনালে খেলতে হলে সাকিবের কেরালাকে করতে হবে ৯৮ রান।

জবাবে ৯৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে কেরালা। ওয়ালটন ১৬ রানে ফিরার পর অধিনায়ক মরগ্যান ৫৩ রানে ও স্টিরলিং ১৬ রানে সাঝঘরে ফেরেন। এরপর পোলার্ড ০ রানে ক্যাচ আউট ও ০ রানে রান আউট হন সাকিব। তবে শেষ পর্যন্ত ৯.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পোঁছে যায় দলটি। সেই সঙ্গে ফাইনাল নিশ্চিত করে কেরালা কিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বর্তমান সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিতে বদ্ধপরিকর-এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ

সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা) আসনের সাংসদ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘বর্তমান সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিতে বদ্ধপরিকর। বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ও সরবরাহ দৃষ্টান্তমূলক।’
কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের কাদপুর গ্রামে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রবিবার বিকেলে কাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন- ‘দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের
চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতির সভাপতি সাংবাদিক সাইফুল্লাহ আজাদ, উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মল্লিক রবি, চন্দনপুর
ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ গাজী
রবিউল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ
জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে জেলা আ’লীগ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমানের সাথে জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোরশেদ, আব্দুর রশিদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সিদ্দিকুর রহমান প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বাংলাদেশকে নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দিব না’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যারা সৃষ্টি করে তাদের মায়া থাকে, যারা উড়ে এসেজুড়ে বসে তাদের থাকে না। বাংলাদেশকে নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দিব না, খেলতে পারবে না।’

আজ রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ওই সভার আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোন মুখে তারা জনগণের কাছে ভোট চাইবে? তারা গণহত্যা করেছে, লুটপাট করেছে, জ্বালাও পোড়াও করেছে, মায়ের সামনে সন্তানকে হত্যা করেছে, স্ত্রীর সামনে স্বামীকে। দেশের বাইরে মানি লন্ডারিংয়ের খবরও পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে, এখন তাদের শপিং মলের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরের পরে যারা মুক্তিযোদ্ধা তাঁরা পথে বসল আর যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের ক্ষমতায় বসানো হলো। সেই সময়ে রাষ্ট্রদূত হলো কারা, যারা বঙ্গবন্ধুর খুনি।

দেশের বাইরে তাহলে দেশের ভাবমূর্তি কোথায় থাকল? এসব ঘটনা স্বাধীন দেশে বিশ্বাসীরা কীভাবে মেনে নিতে পারে? স্বাধীনতার কথাও বলবেন আবার যুদ্ধাপরাধীর মদদদাতাদের নিয়ে দল গঠন করবে সেটা কীভাবে হতে পারে? আমরা এ দেশকে এগিয়ে নিতে যাই আর তারা পেছনে টানে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘তারা আবার স্বপ্ন দেখে ক্ষমতায় যাওয়ার, নির্বাচনে যাওয়ার। দেশের মানুষ যদি উন্নতি চান তাহলে তাদের ভোট দিতে পারে না।’

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নানা সময়ের কথা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৬৬ সালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একটার পর একটা মামলা।
সোহরাওয়ার্দীতেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। এখানে দাঁড়িয়েই ১০ জানুয়ারি তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন কীভাবে বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। ১০ জানুয়ারির আগে নানাভাবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধপরবর্তী সময়ে দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে সবভাবে সাহায্য করতেন আমার মা। মা বাইরে যেতেন না। কিন্তু বাবার কাজে সবসময় তাঁকে পাশে দেখেছি। তিন বছর মাত্র সময় পেয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ে চেয়েছিলেন দেশকে গড়ে তুলতে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest