সর্বশেষ সংবাদ-
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

ইউরোপে আশ্রয় চেয়েছে ২০ হাজার বাংলাদেশি

এ বছরের শুরু থেকে গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সাগরপথে অবৈধভাবে ইতালিতে পাড়ি জমানো এক লাখ ১৭ হাজার ৩৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে ৮ শতাংশ বাংলাদেশি। ইউরোপে অবৈধভাবে অভিবাসন বিষয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তথ্য এটি।
অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, গত এক বছরে অন্তত ২০ হাজার ৫৫ জন বাংলাদেশি ইইউর সদস্য দেশগুলোয় প্রথমবারের মতো আশ্রয়ের আবেদন করেছে।

জানা গেছে, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে তিন হাজার ৮২৫ জনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৬৭৫ জনের। আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তিন হাজার ১৫০ জনের। যাদের আবেদন মঞ্জুর হয়নি বা হবে না, তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ইইউর জোরালো সিদ্ধান্ত রয়েছে।

২০১৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) থেকে এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত ইইউর সদস্য ২৮টি দেশে প্রথমবারের মতো আশ্রয় চেয়েছে ছয় লাখ ৮৭ হাজার জন, যারা ইউরোপীয় নয়। আশ্রয়প্রার্থীদের উৎস দেশের তালিকায় বাংলাদেশ অষ্টম স্থানে আছে। তালিকায় শীর্ষে থাকা সিরিয়ার আবেদনকারীর সংখ্যা এক লাখ পাঁচ হাজার ৭০৫ জন। এরপর আছে যথাক্রমে ইরাক (৪৭ হাজার ৮৮০), আফগানিস্তান (৫৪ হাজার ৪৫৫), নাইজেরিয়া (৪৫ হাজার ৬০০), পাকিস্তান (৩১ হাজার ২৭০), ইরিত্রিয়া (২৮ হাজার ৪৪০) ও আলবেনিয়া (২৪ হাজার ২৯০)।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রায় সবাই লিবিয়া থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে ঢুকেছে। লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে অভিবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই দেশে না ফিরে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। আবার দেশি-বিদেশি মানবপাচারকারীচক্র বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়েও বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পাঠিয়েছে অনেককে। গত মাসে সিএনএন মানবপাচারকারীদের তৎপরতা তুলে ধরেছে।

ইইউর তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এ তিন মাসে চার হাজার ৮৩৫ জন বাংলাদেশি ইইউর কোনো না কোনো দেশে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছে। গত বছরের জুলাই থেকে ধারাবাহিক আবেদনের সংখ্যা থেকে জানা যায়, কোনো মাসেই এ সংখ্যা হাজারের নিচে নামেনি। গত বছর সেপ্টেম্বরে আশ্রয়ের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৯০ জন।

বাংলাদেশিরা সুনির্দিষ্টভাবে ইইউভুক্ত কোন দেশে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করছে তার একটি ধারণা পাওয়া যায় তৃতীয় প্রান্তিকের তথ্য-উপাত্ত থেকে। এ সময়ের মধ্যে আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশিদের ৬৩ শতাংশই ইতালিতে আবেদন করেছে। আশ্রয়প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের ইতালির পর পছন্দের দেশগুলো যথাক্রমে ফ্রান্স (১৩%), যুক্তরাজ্য (১০%), গ্রিস (৮%) ও জার্মানি (২%)। বাংলাদেশিদের বাকি ৫% ইইউর অন্য দেশগুলোতে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছে।

জানা গেছে, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৬৭৫ জনের। এর মধ্যে ১৬০ জন পেয়েছে শরণার্থী মর্যাদা। অর্থাৎ বাংলাদেশি আবেদনকারীদের মাত্র ৫ শতাংশ শরণার্থী মর্যাদা পেয়েছে। ৪৫ জন সম্পূরক সুরক্ষা পেয়েছে। মানবিক কারণে আশ্রয় পেয়েছে ৪৭০ জন। আবেদনপত্র নাকচ হয়েছে তিন হাজার ১৫০ জনের।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, জাতি, বর্ণ, ধর্ম, জাতীয়তা, কোনো বিশেষ সামাজিক গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে নিজ দেশে বা বসবাসরত দেশে সুরক্ষা পাবে না—এমন ব্যক্তিদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইইউ দেশগুলো আশ্রয় দেওয়ার কথা বিবেচনা করে থাকে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি সিরিয়া, আফগানিস্তান বা ইরাকের মতো বিপজ্জনক নয়। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছে শরণার্থী মর্যাদার জন্য বাংলাদেশিরা আবেদন করলে তা গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।

সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত না থাকলেও ইউরোপে ৮০ থেকে ৯০ হাজার বাংলাদেশি অবৈধভাবে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হয়। সরকারি পর্যায়ের আলোচনায় তাদের অভিহিত করা হয় ‘অনিয়মিত বাংলাদেশি’ হিসেবে। মনে করা হয়, তাদের মধ্যে একটি অংশ নানা কারণে ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসী হয়ে পড়েছে। তবে ইইউর মনোভাব হলো, যাদের ইইউয়ে বৈধভাবে থাকার যোগ্যতা নেই তাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে প্রবল চাপের মুখে বাংলাদেশ এ বছর ইইউর সঙ্গে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই করেছে। গত ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এসওপি-সংক্রান্ত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা হয়েছে। গত নভেম্বর মাসে জার্মানি কর্তৃপক্ষ ওই দেশে অবস্থানরত অনিয়মিত বাংলাদেশিদের একটি তালিকা বাংলাদেশকে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তালিকার ভিত্তিতে পরিচয় যাচাই করে বাংলাদেশ পর্যায়ক্রমে তাদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

খুলনার মহানগরীর চানমারি এলাকায় খলিলুর রহমান সিয়াম (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সোয়া ৮টার দিকে সে মারা যায়।

নিহত সিয়াম মহানগরীর চানমারি চতুর্থ গলি এলাকার বাসিন্দা আইনাল হকের ছেলে। সে রূপসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মনিরা সুলতানা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক রাতে ১০৬ চিকিৎসককে ঢাকার বাইরে বদলি; যোগ না দিলে অবমুক্তি

কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে এক রাতেই ১০৬ জন চিকিৎসককে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বদলির আদেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওই চিকিৎসকদের মধ্যে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও জুনিয়র কনসালট্যান্টসহ অন্যান্য পদের ডাক্তার রয়েছেন।
তাঁদের মধ্যে ৪৪ জনকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উপজেলায়, অন্যদের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কিংবা জেলা সদরে। বদলি হওয়া বেশির ভাগ চিকিৎসকই ছিলেন সংযুক্তি নিয়ে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর রাতে ওই আদেশ ছাড়া হয় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে পরদিন থেকেই অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে, এমনকি তারা ওএসডি হিসেবে বেতন-ভাতাও পাবেন না। মন্ত্রণালয়ের এমন কঠোর পদক্ষেপের পরও নানাভাবে বদলি ঠেকাতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন অনেক চিকিসক। তবে হঠাৎ করে এই বদলির ফলে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ১০৬ চিকিৎসকের মধ্যে ওই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেরই আছেন ৫৩ জন। অন্যরা রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আগাম জানান দিয়ে বদলি করলে তদবিরে অতিষ্ঠ হতে হয়, ঠিকমতো আর বদলি করা যায় না।
তাই এবার কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমেই এ বদলি করা হয়েছে। এখন থেকে এমন বদলি আরো হবে। আর সুযোগ দেওয়া হবে না। কারণ মাঠে ডাক্তার শূন্যতায় মানুষের সেবা যেমন বিঘ্নিত হয়, তেমনি নানা মহল থেকে আমরা সব সময় গালমন্দ শুনতে থাকি। এ ছাড়া অতিরিক্ত সংযুক্তির কালচার থেকেও আমরা বেরিয়ে আসতে চাচ্ছি। ’

এদিকে এই বদলির আদেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল। তিনি বলেন, ‘বদলির বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের বিশৃঙ্খল অবস্থা চলছে। কোনো পরিকল্পনা না করেই এমন বদলি কতটা সুফল বয়ে আনবে সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। বিশেষ করে একদিকে উপজেলা খালি করে জুনিয়র প্রায় সব ডাক্তারকে উচ্চশিক্ষার নামে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই। সেটাও যেমন পর্যায়ক্রমে করলে ভালো হতো, তেমনি এখন ঢাকা থেকে এতজন সিনিয়র ডাক্তারকে একযোগে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হলো তাতেও কোনো পরিকল্পনা নেই। ’

অধ্যাপক ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের উচিত ডাক্তার বদলি ও পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে আরো পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া, যাতে করে ডাক্তাররা গ্রাম ছাড়া না হয়, আবার ঢাকায় অতিরিক্ত সংযুক্তির সুযোগ না থাকে। ’ তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এত অতিরিক্ত ডাক্তারদের সংযুক্তি কেন এবং কিভাবে দেওয়া হয়েছিল সেটাও দেখতে হবে। মন্ত্রণালয় থেকেই তো এই সংযুক্তির আদেশ নিয়ে আসে!’

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘হঠাৎ করে এখানে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে এক দিনে দুটি আদেশের মাধ্যমে ৫৩ জন ডাক্তারকে বদলি করা ঠিক হয়নি। এখন এতগুলো পদের শূন্যতা হঠাৎ করে কিভাবে সামাল দেব বুঝতে পারছি না। পর্যায়ক্রমে বদলি করলে এমন সমস্যায় পড়তে হতো না। ’

বিএমএ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) প্রভাবশালী নেতা ডা. উত্তম বড়ুয়া আরো বলেন, ‘নানা সময় প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের এই হাসপাতালে বিভিন্ন স্থানের ডাক্তারদের সংযুক্তি পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে পদ না থাকলেও মন্ত্রণালয় কিংবা অধিদপ্তর থেকে আদেশ নিয়ে এখানে এসে যোগদান করেছেন। আমরা বাধ্য হয়ে তাঁদের জায়গা করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁদের নিয়ে নতুনভাবে সেটআপ তৈরি করে আমরা হাসপাতালের সেবার মান আগের তুলনায় অনেক উন্নত করেছি। এখন সাধারণত কোনো রোগীকেই আর এই হাসপাতালে এসে বিনা চিকিৎসায় ফিরে যেতে হয় না, সব ধরনের চিকিৎসাই দেওয়া হয়। ’ তিনি আরো বলেন, ‘বদলির ক্ষেত্রে আরেকটি ঘটনাও মানা যাচ্ছে না। সেটা হলো যাঁদের বদলি করা হয়েছে তাঁরা সবাই সরকার সমর্থক সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতাকর্মী। অন্য দলগুলোর সমর্থক কেউ ওই তালিকায় পড়ল না কেন সেটা আশ্চর্য লাগছে। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীর অনুশোচনা

পরীর অনুশোচনা

কর্তৃক Daily Satkhira

আমি তো এই আমিটা, আমার মুখে মায়ের বুলি।

আমি তো এই আমিটা, চোখটা জুড়ে স্বপ্ন বুনি।
আমি তো এই আমিটা, বুকটা ভরা মায়ার খনি।
আমি তো এই আমিটা, দু’হাত করে যত্ন ধরি।
আমি তো এই আমিটা, দুর্গম পথ দু’পায়ে মাড়ই।
আমি তো এই আমিটা, কণ্ঠে কোমল সুরও সাধি।
আমি তো এই আমিটা, সিঁথি কাটা চুলে বেনুনি বাঁধি।
আমি তো এই আমিটা, কষ্ট পেলে ডুকরে কাঁদি।

তবে আমি এ কোন আমি? যে রাগের কাছে
উগ্র চরি!

তবে আমি এ কোন আমি? যে নিকৃষ্ট সেই ক্ষণজন্মাতে আপোষ করি!
তবে আমি এ কোন আমি? যে গলা চরাই বিশ্রী ঐ উন্মাদনায়!

এই তো আমি, আমিই তো! শোধরাতে যে
অনুশোচনায়…………….

(পরীমণির ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাহাড়কে ‘ব্যক্তি’র মর্যাদা!

কথা বলতে পারে না, চলতে পারে না, অনুভূতি নেই- এসব কারণে একটি পাহাড়কে আপনি ‘বস্তু’ মনে করতে পারেন। কিন্তু সেই একই পাহাড়কে ‘বস্তু’ নয়, ‘ব্যক্তি’ মনে করেন নিউজল্যান্ডবাসী।

সম্প্রতি দেশটির বিখ্যাত মাউন্ট টারানাকিকে ‘আইনের দৃষ্টিতে ব্যক্তি’র মর্যাদা দেয়া হয়েছে। এর ফলে নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় আইনে একজন ব্যক্তি যেসব সুবিধা ভোগ করেন, মাউন্ট টারানাকিও তা ‘ভোগ’ করতে পারবে!

অবশ্য কোনো ভৌগলিক অঞ্চলকে আইনের দৃষ্টিতে ‘ব্যক্তি’র স্বীকৃতি দেয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এই নিয়ে তিনবার এমন নজির স্থাপন করলো নিউজিল্যান্ড। এই আইনি স্বীকৃতির মাধ্যমে মূলত একটি এলাকার পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিশেষ দায়িত্ব সরকার নিজে কাঁধে নেয়। এখন থেকে কেউ কোনোভাবে পাহাড়টির ক্ষতি করতে চাইলে তা সংশ্লিষ্ট ‘উপজাতির ক্ষতির চেষ্টা’ বলে গণ্য হবে।

নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ড দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত পাহাড় মাউন্ট টারানাকি। পর্বতটি স্থানীয় মাউরি উপজাতির কাছে খুবই পবিত্র একটি জায়গা। আসলে ‘জায়গা’ নয়; তারা মনে করেন, এই পাহাড়ই তাদের এক পূর্বপুরুষ এবং গোত্রের সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বোরো মৌসুমের আবাদ শুরু; ধানের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বোরো চাষে ঝুঁকে পড়েছে

কালিগঞ্জ ব্যুরো: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে বোরো ধান চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৫‘শ মেট্রিক টন। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এই লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫২০ মেট্রিক টন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে বোরো ধান চাষের লক্ষমাত্রার চেয়ে অধিক ফসল হওয়া ও ধানের দাম বেশি পাওয়ায় এ বছর কৃষকরা বোরো ধান চাষের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছে। তবে সার, বীজ, কিটনাশক পর্যাপ্ত পরিমানে সরবরাহ থাকায় লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি ফসল উৎপাদন করেছে কৃষকরা। বিগত বছরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে পর্যাপ্ত পরিমান ভাল জাতের বীজ সরবরাহ করা হয়েছিল। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর, বিএডিসি ও কৃষকদের সংগ্রহকৃত বীজ থেকে ভাল ফসল হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফজলুল হক মনি এ প্রতিনিধিকে বলেন। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে বোরো আবাদ মৌসুমে এ বছর ধানের বীজতলা তৈরি, ধানের পাতা সারা, জমিতে চাষাবাদসহ সকল ধরণের কার্যক্রম পুরদমে চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। বোরো মৌসুমের শুরুতে চলতি মাসের প্রথম দিকে সারাদেশ জুড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে উপজেলা বিভিন্ন এলাকার বহু বীজতলা পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। সেখানে আবারও কৃষকরা নতুন করে ধানের বীজতলা তৈরী করেছেন। সরেজমিনে গেলে পাইকাড়া গ্রামের সফল কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর তিনি সাত বিঘা জমি চাষ করেন। এ বছরও তিনি সাত বিঘা জমিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে বোরো ধান আবাদ করতে মুজুরী, পানি, সার, কিটনাশকসহ সাড়ে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা তার খরচ হয়েছিল। সময়ে অভাবে সরকারি ধানের বীজ তিনি সংগ্রহ করতে পানেনি। তাই স্থানীয় সারের দোকান থেকে তিনি বীজ সংগ্রহ করেছেন। বিঘা প্রতি ৭ কেজি ধানরে পাতা তৈরী করে এ বছরও তিনি সাত বিঘা জমিতে ধান চাষ করবেন। গত বছর ধানের ফলন ভাল হওয়ায় এবং বেশি দামে ধানেও বিক্রি করেছিলেন। বস্তা প্রতি (৬০ কেজি) সাড়ে ১১‘শ থেকে সাড়ে ১২‘শ টাকা পর্যন্ত ধান বিক্রি করেছেন। এছাড়া ভাড়াশিমলা গ্রামের আব্দুল আজিজ, চরদাহ গ্রামের আব্দুর রউফ, দেয়া গ্রামের শুনিল পাল, কুশুলিয়া গ্রামের গোবিন্দ মন্ডল, কৃষ্ণনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ, বিষ্ণপুর গ্রামের আকবর আলী, তারালী গ্রামের স্বপন ঘোষ, নলতা গ্রামের আরশাদ আলী, মৌতলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম, দুলাবালা গ্রামের শহিদুল ইসলামএবছর আমন মৌসুমে বস্তা প্রতি ধানের দাম বৃদ্ধি পেয়ে সাড়ে ১৪‘শ থেকে ১৫‘শ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চলতি বোরো মৌসুমে প্রাকৃতিক পরিবেশ যদি ভাল থাকে তবে কৃষকরা জমিতে ভাল ফসল উৎপাদন করবেন এমটি তারা আশা করছেন।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব থামছে না

শ্যামনগর ব্যুরো: মহামান্য হাইকোর্ট এর ১৬৩৯২/২০১৭ নং রিট পিটিশন আদেশ অমান্য করে শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়বে। নওয়াবেঁকী বড় কুপট এলাকায় ব্যবসায়ী জামান এর কর্মচারী শেখ রমজান আলীর নামে গত ১২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে সাতক্ষীরা ডেপুটি কালেক্টর হইতে কপোতাক্ষ নদীর পাতাখালীর চরে ৪৮৬ দাগে বালু উত্তোলনের ইজারা নেন। অথচ, ইজারাদাতা রমজান আলী ইজারা বিজ্ঞপ্তির ১২নং কলামের নির্দেশনা অমান্য করে খোল পেটুয়া নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন অব্যহত রেখেছে। এছাড়া উপজেলার শ্রীফলকাটি আইবুড়ি নদী থেকে, চন্ডিপুর, পাতাখালী, আটুলিয়া ও নুরনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় বোরিং করে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন অব্যহত রয়েছে। শ্যামনগরের অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্দের জন্য আইয়ুব আনসারী মহমান্য হাইকোটে গত ২১ আগষ্ট ২০১৭ তারিখের ১৬৩৯২/২০১৭ নং রীট পিটিশন করে। বিজ্ঞ আদালত অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্দের আদেশ দেন। এ ঘটনায় আইয়ুব আনসারী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দরখাস্ত করেন। উক্ত দরখাস্তে রীট পিটিশনের কপি, ইজারার কপি, ম্যাপের কপি উক্ত দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ বছরের সন্তান ফেলে মায়ের নিরুদ্দেশ যাত্রা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিশু সন্তানের মায়া ও কাঁন্নাকে তুচ্ছ করে এক অবুঝ শিশু কন্যা সন্তানকে ফেলে জননীর অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে সদরের বল্লী ইউনিয়নের আমতলা এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে মানুষের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধ শ^শুর শিশু সন্তানটিকে নিয়ে পড়েছে বিপাকে। বৃদ্ধ শ^শুর মো. আবু জাফর মোড়ল জানান, আমার ছেলে মো. হোসেন আলী মোড়ল দীর্ঘ চার বছর মালয়েশিয়া থাকার সুবাধে ছেলের বউ চায়না খাতুন মালয়েশিয়া থেকে পাঠানো নগত ৫০ হাজার টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালংকারসহ শাড়ি-কাপড় নিয়ে গত-১৯ ডিসেম্বর দুপুর বেলা বাড়িতে কেউ না থাকায় অজান্তে বোরখা পরা অবস্থায় পালিয়ে গেছে। পিত্রালয় ও সকল আত্মীয়- স্বজনের বাড়ি অনেক খোঁজা-খুজির পর অবশেষে নিরুপায় হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়রি করেছি। যার নং ১৫৪৫ তারিখ ২৫/১২/২০১৭। রেখে যাওয়া অবুঝ শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি পেরেশান হয়ে পড়েছি। কোথায় যাবো কি করবো আমি ভেবে পাচ্ছিনা। আমার ছেলেটা দেশে নেই। তার এ অবুঝ শিশুটিকে কিভাবে দেখা-শোনা করবো।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসীরা জানায়, কৌশলে প্রবাসী আলী হোসেনের পাঠানো অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে তার স্ত্রী চায়না খাতুন পালিয়ে গিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয় পক্ষ থেকে তাদের খোঁজ করলেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest