সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা পৌরসভার গরীব, সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের মাঝে উন্নত পানি, পয়ঃনিষ্কাণ ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সিমাভী’র অর্থায়নে ওয়াস এসডিজি নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের ধারাবাহিক বিভিন্ন কাজের অংশ হিসেবে রসুলপুর সাতক্ষীরাতে ওয়াস পণ্যের পরিচিতি ও চাহিদা বৃদ্ধি শীর্ষক সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠেয় সভায় পণ্যের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করেন স্যানিটেশন ব্যবসায়ী আব্দুল গফফার, স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবসায়ী জেসমিন আরাসহ অন্যান্য। সভায় ওয়াস বিষয়ক ছবি গ্যলারী, স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট ও ওয়াস পণ্য উপস্থাপন করা হয়। সভায় ওয়াস বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে উন্নত স্যানিটেশন ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। অনুষ্ঠান শুরুতে সভার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) মাকেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত এবং সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার।

উল্লেখ্য এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্র তিনিধি : সুন্দরবনের আত্মসমর্পণকারী ১৫ জলদস্যুদের হাতে ঈদসামগ্রী তুলে দিলেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা।
রবিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা কোম্পানির  ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বনদস্যুদের মধ্যে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
ওই খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল–পোলাওয়ের চাল, তেল, ঘি, সেমাই, চিনি, দুধ, লবণ, কিশমিশ, জিরা, মসলা, পেঁয়াজ, আলু, বাদাম সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী। ঈদুল আজহার আগমুহুর্তে র‌্যাবের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আত্মসমর্পনকৃত দস্যুরা।
এ বিষয়ে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সুন্দরবনকে জলদস্যু মুক্ত ঘোষনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এখনও শান্তির সু-বাতাস বইছে সুন্দরবনে। অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি ও হত্যার ঘটনা এখন আর নেই। অপরদিকে আত্নসমর্পনকারী জলদস্যুরা পুর্ণবাসিত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আত্নসমর্পণকারী সকল জলদস্যু-বনদস্যুদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধের (হত্যা ও ধর্ষণ) মামলা ব্যতীত অন্যান্য সকল মামলা সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক নিস্পত্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। প্রধানমন্ত্রীর সঠিক দিকনির্দেশনায় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও র‌্যাবের সক্রিয় অংশগ্রহণে সুন্দরবন আজ জলদস্যুমুক্ত বলে জানান র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণে অংশগ্রহনমূলক বাজেট মনিটরিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ জুন) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুব-নেতৃত্বাধীন সরকারী সেবা নিশ্চিতকরণে অংশগ্রহণমূলক বাজেট মনিটরিং বিষয়ে ২ দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণটি স্বাগত বক্তব্য ও উদ্বোধন করেন সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী, শ্যামল কুমার বিশ্বাস।

উক্ত প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী, বক্ষ্ররাজপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং তালা উপজেলার ধানদিয়া ও নগরঘাটা ইউনিয়ন থেকে ২৫ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি ২ দিন চলবে।

প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, বাজেট কি? অংশগ্রহনমূলক বাজেট প্রনয়ন ও তরূণদের করনীয়, এডভোকেসির বৈশিষ্ঠ্য ও উপাদান এডভোকেসির ধরন ও টুলস, প্রি-টেস্ট ও পোষ্ট টেস্ট, অংশগ্রহনমূলক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়াকরণ, বাজেট প্রনয়ন ও উম্মুক্ত বাজেট, বাজেট বাস্তবায়ন ও মনিটরিং, সেবার খাতসমুহ, সুচক চিহ্নিত করণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এ স্থানীয় সরকারের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনসাধারণের-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ থাকলেও তার চর্চা এখেেনা সকল স্তরে শুরু হয়নি। কিছু কিছু এলাকায় তা হয়তো হচ্ছে কিন্ত যতটুকু হচ্ছে ততটুকু তাদের স্বেচ্ছায় হচ্ছে কি না তা আলোচনার দাবী রাখে। তাই এ বিষয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় সরকারের সাথে আলেচানা/এ্যাডভোকেসি আবশ্যিক। যার মাধ্যমে তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সক্ষমতার বিকাশ ঘটবে।

বাজেট সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বা আগ্রহ তেমন নেই বললেই চলে। বাজেট বলতে সাধারণ জনগণের বোধগম্যতার পরিধি দ্রব্যমূল্যের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যন্ত সীমিত। অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়ণে জনগণের কার্যকরী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য তরণদের এগিয়ে আসার বা উদ্যোগ নেয়ার যথেষ্ঠ সুযোগ রয়েছে। বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে কার্যকরী করতে দরকার সাধারণ জনগণকে তাদের অংশগ্রহণের বৃদ্ধি করা। তাদেরকে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনেতার পাশাপাশি তা আদায়ে সংঘবদ্ধ করা। সাধারণ জনগণকে তাদের বাজেটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে বাজেট পূর্ব ক্যাম্পেইনে অতি জরুরী।

২দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় যুব-নেতৃত্বাধীন সরকারী সেবা নিশ্চিতকরণে অংশগ্রহনমূলক বাজেট মনিটরিং বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহন করবে। প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন রাকিব হোসেন, মো: সাদিকুল ইসলাম, মোছা: আমেনা খাতুন, প্রশিক্ষণের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো: শরিফুজ্জামান, শরিফ। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী, মোঃ তহিদুজ্জামান (তহিদ), ইন্সপেরিটর, একশনএইড বাংলাদেশর কেয়া অধিকারী, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্রশেখর হালদার, ফাইনান্স অফিসার, চন্দন কুমার বৈদ্য, বৈশাখী সুলতানা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএনপির জামায়াতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শনিবার বিকাল ৪টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক মো: আব্দুল্লাহ সরদার।
প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ।
জাতীয় শ্রমিকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম বিবিসি’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা সাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন।
বক্তব্য রাখেন, জাকির হোসেন টিটু, আব্দুল আজিজ বাবু, মো: রমজান আলী, লিয়াকত আলী, নাসির উদ্দীন, রবিউল ইসলাম খোকন, আব্দুস সালাম, শেখ মকছুর রহমান, আবুল হোসেন খোকন, মিজানুর রহমান, গাউস আলী, প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমানে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে দেশের উন্নয়ন এগিয়ে চলছে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত সেটি সহ্য করতে পারছে না। ফলে বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিয়ে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কিন্তু জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে দেশের কোন ক্ষতি কেউ করতে পাবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আবারো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনাই সরকার গঠন করবে। বিএনপি-জামায়াতের সকল সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকল কে সজাগ থাকার জন্য আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার ডাকে সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য আগামী দুই মাসের মধ্যে জেলা শ্রমিকলীগের সম্মেলন সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে শ্রমিকলীগকে শক্তিশালী করতে হবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব তিন কিলোমিটার। পায়ে হেঁটেই স্কুলে আসতাম। যাওয়া ও আসায় সময় লাাগতো প্রায় দেড় ঘণ্টা। তাই সময় কম থাকলে মাঝে মাঝে ভ্যানে যাতায়াত করতে হয়। সাইকেল পাওয়ায় কষ্টের পাশাপাশি সময় ও টাকা বাঁচবে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাই সাইকেল পাওয়ার পর এমনই অনুভুতি ব্যক্ত করেন ইন্দিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম জুনিয়র হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী আজমিরা খাতুন।

আবাদেরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ফারহানা সুলতানা বলেন, বাবা কৃষক। কোন রকমে সংসার চালাতে কষ্ট হয় বাবার। বাবার ইচ্ছা থাকার পরও তিন কিলোমিটার দূরে স্কুলে যাওয়া ও প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য একটি সাইকেল কিনে দিতে পারেননি। তাই সাইকেল পেয়ে যার পর নেই খুশী। এতে পড়াশুনার প্রতি আরো মনোযোগ বাড়বে।

একইভাবে বাজারে জিনিসপত্রের যা দাম তাতে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মত অবস্থার বর্ণনা দিয়ে চুপড়িয়া ছিদ্দিকীয়া দাখিলণ মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী মোনা পারভিন বলেন, বর্তমান সরকার তাােদরকে শুধু বাই সাইকেল নয়, বছরের বিভিন্ন সময়ে পড়াশুনার নানা সরঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে। ফলে তারা স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন।

শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্বা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি’র হাত থেকে মাধ্যমিক স্তরের ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৮জন শিক্ষার্থী বাই সাইকেল পাওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে এ অনুভুতি প্রকাশ করেন। এলজিএসপি-৩ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল হতে আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের পাওয়া তিন লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রথম ধাপে এ বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়।

আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য রেবেকা খাতুনের সভাপতিত্বে পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত বাই সাইকেল বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমনা আইরিন, আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কবীর হোসেন মিলন, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. রেজাউল করিম, তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল কাশেম, আওয়ামী লীগ নেতা গোপাল চন্দ্র ঘোষাল প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, নতুন বাই সাইকেল পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়াশুনার আগ্রহ ও প্রতিযোগিতা বাড়বে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পিতাসহ অন্য স্বজন কর্তৃক স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও হুমকি ধামকির প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।
শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সাংবাদিদের কাছে এ অভিযোগ করেন, পাটকেলঘাটার কেশা গ্রামের রকি সরদারের স্ত্রী মোছা: ঐশী।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি নবমুসলিম।

আমার পিতার নাম উত্তম কুমার ঘোষ, সাং- মির্জাপুর। ছোট থেকেই আমার ইসলাম ধর্মের প্রতি আকর্ষন ছিলো। এরই মধ্যে পাশ^বর্তী গ্রামের মুসলিম হারেজ সরদারের পুত্র রকি সরদারের সাথে আমার পরিচয় ঘটে। দুজনের মধ্যে ধীরে ধীরে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যায়। আমার বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ১১/৫/২০২৩ তারিখে খুলনা নোটারী পাবলিক ও হলফকারী কর্তৃপক্ষের কার্যালয় থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য একই তারিখে ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী রকি সরদারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। এতে আমার পিতা মাতা এবং অন্যান্য আতœীয় স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়। এর জের ধরে আমার পিতা উত্তম কুমার ঘোষ কৌশলে আমার স্বামীকে আটক করিয়ে কারাগারে পাঠায় এবং আমাকে বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর শুরু হয় আমার উপর নির্মম অত্যাচার।

বিশেষ করে দেবহাটা উপজেলার গাজীর হাট এলাকায় বাসিন্দা আমার মামা প্রণব ঘোষ এর বাড়িতে নিয়ে রাখে। সেখানে রেখে আমাকে দফায় দফায় মারপিট করে এবং চাপপ্রয়োগ করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এদিকে আমার স্বামীকে মিথ্যা অপহরণ মামলায় কারাগারে অন্তরীন থাকার একমাস পর জামিনে মুক্তি লাভ করে। তাদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ১১ জুন ভোরে কৌশলে মামার বাড়ি থেকে পালিয়ে শ^শুর বাড়িতে চলে আসি। স্বামীর বাড়িতেই সুখে শান্তিতে বসবাস করছি। কিন্তু প্রতিবেশী কাকা অনুপ মাস্টার, মেশো অলক ও দাদা অমল ঘোষের ইন্ধনে আমার পিতা আমার স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যদের আবারো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি, ভাড়াটিয়া বাহিনী পাঠিয়ে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকিসহ নানান চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ১৮ বছর পূর্ণ হলে নিজের ভালো মন্দ সিদ্ধান্ত নিজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবো। আমি এখন বাংলাদেশের নাগরিক এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার উপযুক্ত হয়েছি।

নিজের সুখের ঠিকানা নিজেই পছন্দ করে নিয়েছি। পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মহান আল্লাহর ইবাদত করে এবং স্বামীর সেবা করে জীবন কাটাতে চাই। কিন্তু উল্লেখিত প্রতিবেশী কাকা অনুপ মাস্টার, মেশো অলক ও দাদা অমল ঘোষের ইন্ধনে আমার পিতাসহ অন্যারা আমাদের দিশেহারা করে তুলেছে। আমি আমার বাবা মার সাথে সম্পর্ক রাখতে চাই না। কারন তারা হিন্দু আর আমি মুসলিম। আমি বাঁচতে চাই। এইভাবে যদি হইরানী করতে থাকে তা হলে আমি আত্মহত্যা করবো যার জন্য দায়ী থাকবে তারা। ষড়যন্ত্রের হাত থেকে স্বামীসহ স্বামীর পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যমানগর প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের গৌরব, ঐতিহ্য ও সফলতার ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ইং ২৩ জুন (শুক্রবার) বিকাল ৪ টার সময় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগর মাইক্রোস্টান্ড চত্বরে কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠানে প্রায়  ২০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে উক্ত  আলোচনাসভায়  সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের বার বার নির্বাচিত  সভাপতি ও সাতক্ষীরা ৪ আসনের  সংসদ সদস্য  এস এম জগলুল হায়দার এমপি ।
সমাবেশে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে  এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সহ- সহ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা দেবী রঞ্জন মন্ডল, সহ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা,অধ্যক্ষ জুলফিকার আল মেহেদী লিটন, যুগ্ম সম্পাদক সম আব্দুস সাত্তার, যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মোশারফ হোসেন, এ্যাড. তপন দাস  সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম গোলাম মোস্তফা,  সুশান্ত বিশ্বাস বাবুলাল, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক  সাইদ-উজ-জামান সাইদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস খালেদা আইয়ুব ডলি,শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জি এম আকবর কবীর, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জি এম সালাউদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ জি এম শোকর আলী সহ শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ  ও ইউনিয়ন আ’লীগ এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
উক্ত সমাবেশে সভাপতি এস এম জগলুল হায়দার এমপি তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামীলীগের গোড়া পত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগ’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।
পরবর্তীকালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামীলীগ। ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক  রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম আওয়ামীলীগ করা হয়। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতিক নৌকা। আওয়ামীলীগ ৭৪ বছরে আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাফল্যের দীর্ঘ রেখা তৈরী করেছে। দলটির নেতৃত্বে ভাষা, স্বাধীনতা ও উন্নয়নশীল  বাংলাদেশের স্বীকৃতি অর্জন হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে ।দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে র‍্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ঈদগাহ বাজারে শুক্রবার ২৩ জুন বিকালে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিওকনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন ডাঃ আ,ফ ম রুহুল হক এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি,  উপজেলা আওয়ামিলীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ।
এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ইয়াছিন আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরশাদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান  ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জি.এম স্পর্শ, উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, আওয়ামী যুব লীগের সভাপতি মিজানূর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাধারণ সম্পাদক আলামগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাশেম ছাড়াও সহযোগি সংগঠনের নেতা ও কমীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৭০ সাল থেকে এ দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়। বর্তমান বাংলাদেশ  আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মাটি ও মানুষের দল।
জনগণই আওয়ামীলীগের মূল শক্তি। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বেই ‘৬২-এর ছাত্র আন্দোলন, ‘৬৪-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, ৬-দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি মুক্তির সনদ রচনা এবং ৬৯-এর গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসন অবসানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest