সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা আহসানুর রহমানের ছোট ভাই জামাদুল ইয়াবা বিক্রয় কালীন সময়ে তার বাড়ির সামনের ইটের সোলিং রাস্তা থেকে হাতে নাতে  আটক করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

সে হায়বাতপুর গ্রামের শেখ মেহের আলীর পুত্র। বৃহস্পতিবার, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর থানা এলাকায় মাদক বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করে। পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাদের ফোর্স সহ সেখানে চলে যান।

মাদক বিক্রেতা ব্যবসায়ী জামাদুল পুলিশকে দেখে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং পুলিশ তার দেহ তল্লাশি করে ৪০ পিস পায়। স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, ওই মাদক বিক্রেতা জামাদুল তার ভাই শ্যামনগরের প্রভাবশালী যুবলীগের নেতা হওয়ায় তার ছত্র ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার ও ব্যবসা করে আসছে। হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন শোনা যায় ।

আহসানুর ও তার ভাই কেন্দ্রীয় যুবলীগের একজন সদস্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় এটাকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নির্বিঘ্নে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করে আসছিলো।

গত ২১/০৬/২০২৩ তারিখ রাতে অভিযান পরিচালনা করে শেখ জামাদুল ইসলাম(৩৫) এর দেহ তল্লাশী করে ৪০(চল্লিশ) পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার নামে শ্যামনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটা মামলা রুজু হয়েছে। এমন ঘটনায় শ্যামনগরের মানুষের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে পেয়েছে। শ্যামনগরের অলিতে গলিতে মাদকের ছড়াছড়ি ।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বাদল তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে অপহরন মামলার ১ জন আসামী গ্রেফতার। মামলার ভিমটিমকে পুলিশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় অপহ্নত স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ভিমটিম ও অপহরনকারী ১জনকে আটক করে।

মামলার বাদী হয়েছেন দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আরশাদ আলী গাজীর স্ত্রী মর্জিনা বিবি (৪৩)। মামলার বিবরনে জানা গেছে, বাদীর মেয়ে নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরে শেষ হওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী গত ১৭ জুন রাত ৮টার দিকে তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ঘোনাপাড়া গ্রামের আইনুদ্দিন গাজীর ছেলে মেহেদী হাসান (২৩) সহ তার সঙ্গীরা অপহরন করে। পরে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও মেয়েকে না পেয়ে গত ২১ জুন অপহ্নতের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। যার দেবহাটা থানার মামলা নং- ১২, তাং ২১/০৬/২৩ ধারা- ৭/৩০, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারা। মামলার পরবর্তী

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার স্যারের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২১/০৬/২০২৩ ইং তারিখ, এসআই (নিঃ) মাহাবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানা এলাকা থেকে আসামী মেহেদী হাসান (২৩) কে গ্রেফতার করে এবং একইসাথে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। ওসি বাবুল আক্তার জানান, ভিকটিমের মা মামলার করায় তাৎক্ষণিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিমকে উদ্ধার ও মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে। ওসি আরো জানান, ভিকটিম নাবালিকা হওয়ায় তাকে ও আটককৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতনা-মরিচ্চাপ নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং অন্যান্য নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা সংক্রান্ত
আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির কনফারেন্স রুমে উত্তরণ এনজিও ও পানি কমিটির আয়োজনে উত্তরণ’র পরিচালক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির  বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “যত্রতত্র অপরিকল্প ঘের তৈরী বন্ধ করতে হবে, বেতনা, মরিচ্চাপ ও কপোতাক্ষ নদীসহ জেলার সকল নদী গুলো খনন করে ইছামতী ও বঙ্গোপসাগরের সাথে সংযোগ করে জোয়ার ভাটার ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেই সাথে
স্লুইসগেট সংস্কার করতে হবে ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে স্থায়ী সূদুরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তাহলে নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা রক্ষা পাবে। সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি মহান
জাতীয় সংসদে জেলার মানুষের স্বার্থে দাবীগুলি তুলবো।” বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম মারুফ তানভীর হুসাইন সুজন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনূর ইসলাম, তালা উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি  মো. মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন, পৌরসভার কাউন্সিলর শেখ শফিক-উদ-দৌলা- সাগর, পৌর কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, পৌর কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, পৌরসভার ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর নুর জাহান বেগম নুরী, পৌরসভার ৪,৫ ও ৬নং
ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রানী মন্ডল, ঘোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের, ফিংড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান, শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ, বৈকারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
আবু মো. মোস্তফা কামাল, আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন মিলন, এ্যাড. মনির উদ্দীন, লাবসা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিশ্বনাথ, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, মফিজুল ইসলাম প্রমুখ। উত্তরণ এনজিও ও পানি কমিটি চলমান প্রকল্পটির সময় বর্ধিত করে নিন্মোক্ত বিষয় সমূহ অন্তভূক্ত করার দাবী জনান- অবিলম্বে বেতনা নদী অববাহিকায় টিআরএম চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ, ইছামতি নদীর সাথে সাপমারা ও লাবণ্যবতী নদীর অবাধ সংযোগ প্রদান ও প্রকল্পের সকল কর্মকান্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবী জানানো হয় আলোচনা সভায়। এসময় উত্তরণ নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও পানি কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তরণ’র প্রজেক্ট অফিসার দিলীপ কুমার সানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : ভারতীয় আমদানি জাত পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বুধবার সকাল দশটা থেকে পৌনে ১ টা পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম আবারো শুরু হয়েছে। ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা বন্দরের জিরো পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রাক আড় করে দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কোন পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই সকাল থেকে ভারতীয় ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি করে চাঁদা আদায় শুরু করলে ঘটে যায় এ বিপত্তি।

ভোমরা স্থল বন্দর আমদানিকারক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন জানান, এর আগে চলতি মাসের প্রথম দিকে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভারতীয় ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিলে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা রপ্তানিকারক ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এ ধরনের চাঁদাবাজি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান। যার কারনে গত ৮ জুন থেকে ভারতীয় ট্র্যাক থেকে ভোমরা সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশন চাঁদা আদায় করতে ব্যর্থ হয়। এমনকি ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানি কারক সমিতি এ ধরনের চাঁদাবাজির তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু আজ সকাল দশটায় হঠাৎ ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদাবাজি শুরু করলে উভয় দেশের আমদানি রপ্তানি কারকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। যার কারণে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা জিরো পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রাক আড় করে দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। প্রায় তিন ঘন্টা বন্ধ থাকার পর চাঁদা না নেয়ার শর্তে আবারো আমাদানীরপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, কোন পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নামে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদাবাজি শুরু করলে আমদানিকারকরা আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। পরে চাঁদা না নেয়ার শর্তে আবারো শুরু হয় বন্ধরের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এএসএম মাকসুদ খান বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, একটি মহল অপপ্রচার ছড়াচ্ছেন। বর্তমানে আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বজ্রপাত নিরোধকল্পে জেলাব্যাপী ১০হাজার তালের চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২১ জুন) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের বাকাল ডিসি ইকোপার্কে এই তালের চারা রোপন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। এসময় ে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মনির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইয়ারুল হকসহ আরও অনেকে।

উদ্বোধন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, বজ্রপাতে প্রতিনিয়তই ব্যাপক হাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। এ থেকে রক্ষা পেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী ১০হাজার তালের চারা রোপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ডিসি ইকোপার্কে তালের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হল। আমি বিশ^াস করি অচিরেই এর সুফল পাবে সাতক্ষীরাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৫শ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ জুন) রাত সাড়ে দশটার দিকে শহরের গড়েরকান্দা পূর্ব পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে এ আটকের ঘটনা ঘটে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম মোঃ আজিজুল ইসলাম(২২)। তিনি ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি আঃ হাকিম ও আঞ্জুয়ারা’র ছেলে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, শহরের গড়েরকান্দা এলাকায়
মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এমন বিশ্বস্থ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে থানার এসআই পিন্টু লাল দাস, এএসআই মোঃ শরিফুল ইসলাম, এএসআই আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। এসময় আজিজুল ইসলাম নামের এক যুবককে আটকের পর দেহ তল্লাশি করে তার কাছথেকে ৫০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মুহিদুল ইসলাম জানান, এ সংক্রান্তে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করে আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিসহ ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং গাড়ী পুড়িয়ে সরকার পতনের ঘোষনা দেওয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ১৮ জুন ২০২৩ তারিখে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত একপত্রে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ আলীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক।

ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে অন্যের জমি হারি না দিয়ে জবর দখলের মাধ্যমে কয়েকটি ডিড বিহীন মৎস্য ঘেরের মালিক হওয়া, প্রকাশ্যে জনসভায় সাতক্ষীরাকে অচল করে দেওয়ার ঘোষনা দেওয়া, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন কটুক্তিসহ ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং গাড়ী পুড়িয়ে দিয়ে ২০১৩/১৪ সালের মতো রাস্তাঘাট ও গাছপালা কেটে অবরোধ সৃষ্টি করে সরকার পতন ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে। যে কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪)(খ) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত করায় জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।

যেহেতু আ: রউফ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থি। ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪)(খ)(ঘ) ধরার অপরাধ সংঘটিত করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটার মাসুদ খান নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহেণর দাবি জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়াসমিন আরা রিংকি।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি

অভিযুক্ত মাসুদ খান পাটকেলঘাটা থানার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র ও অভিযোগকারী ইয়াসমিন আরা রিংকি সদরের আগরদাড়ী ইউনিয়নের মৃত শহীদ গাজীর কন্যা।

স্বামী মাসুদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে লিখিত বক্তব্যে স্ত্রী রিংকি বলেন, ঢাকার একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকুরির সুবাদে পরিচয় ঘটে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাঘাটার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র মাসুদ খানের সাথে। মাসুদ খানের পূর্বের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। কিন্তু তার পিতা মাতা প্রথম স্ত্রীকে মেনে নিতে রাজি না হওয়ায় মাসুদ খান আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় আমি প্রথমে রাজি না হলেও পরে তারা পিতা মাতা আমাকে আশ্বস্ত করে।

তিনি বলেন, আমি তাদের আশ্বাস পেয়ে মাসুদ খানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করি। পরে ঢাকার সিংগাঈর এলাকায় নিয়ে স্থানীয় মসজিদে ইমামের মাধ্যমে আমাকে বিবাহ করে মাসুদ। সে সময় বিবাহটি পরে রেজিষ্ট্রি করবে বলে জানায়। কিন্তু ৬ মাস অতিবাহিত হলেও রেজিষ্ট্রি না করে তাল বাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার গচ্ছিত এবং বেতনের টাকাসহ প্রায় ২লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাদের বিবাহ অস্বীকার করে। আমার তীলে তীলে জমানো সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। পরে সাতক্ষীরায় ফিরে মাসুদ খানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ভাই মারুফ খান, মামা আলিমসহ কতিপয় গুন্ডাপান্ডা আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এমনকি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভি করেননি।

মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ওই অসহায় নারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest