সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

বিমান নিয়ে হামলার পরিকল্পনা, পাইলটসহ গ্রেফতার ৪

বিমান নিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে পাইলট সাব্বিরসহ (বাংলাদেশ বিমানের ফার্স্ট অফিসার) ৪ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। মিরপুরে র‍্যাবের অভিযানে নিহত জঙ্গি আব্দুল্লাহ’র সহযোগী সাব্বির। রাজধানীর মিরপুরে দারুস সালাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব তাদের গ্রেফতার করে।

র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, সাব্বির বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কো-পাইলট (ফার্স্ট অফিসার) ছিলেন। সেপ্টেম্বরের শুরুতে তার বাবার মালিকানাধীন বাড়িতে জঙ্গি আস্তানার খোঁজ মেলার পর তাকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়।

র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, সোমবার রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বিরসহ চারজনকে তারা গ্রেফতার করা হয়।

এতে বলা হয়, এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কাওরান বাজারে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরের দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই ভবনের পঞ্চমতলায় জঙ্গি আব্দুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী, দুই সন্তান ও দুই সহযোগী ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছায় যাতায়াতের পথ নিয়ে বিপাকে কয়েকটি পরিবার দিনে ১০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ

কৃষ্ণ রায়, পাইকগাছা : পাইকগাছায় যাতায়াতের পথ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কয়েকটি হিন্দু পরিবার। প্রতিবেশী ধর্নাঢ্য ব্যবসায়ী যাতায়াতের পথে সন্ধ্যার পর হতে সকাল ৮টা পর্যন্ত ৩টি স্থানে লোহার গ্রীল দিয়ে আটকিয়ে রাখায় ১০ থেকে ১২ ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ৫ থেকে ৭টি পরিবার। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ী আফজাল গংদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত বাদল চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে শম্ভু চন্দ্র বিশ্বাস সহ ৫ থেকে ৭টি হিন্দু পরিবার কপিলমুনি বাজার সংলগ্ন নগরশ্রীরামপুর এলাকায় প্রায় শতবছর ধরে বসবাস করে আসছে। এদিকে একই এলাকার আবু শহীদ হাজরার বড় ছেলে আফজাল হাজরা গংরা উক্ত এলাকায় ২ শতক জায়গা ক্রয় করে সেখানে আইস ফ্যাক্টারী করার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ব্যবসায়ী আফজাল গংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা হিন্দু পরিবারের উঠানের জমি দখল করে প্রাচীর দিয়েছে। একই সাথে তাদের যাতায়াতের পথে কয়েক ফুট পরপর ৩ স্থানে লোহার গ্রিল দিয়ে সন্ধ্যার পর হতে সকাল ৮টা পর্যন্ত তালা দিয়ে রাখে। এতে এই ১০-১২ ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে থাকেন কয়েকটি পরিবার। এসময় পরিবারের কেউ বড়ধরণের অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ডাক্তারের এখানে নেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। এছাড়া বরফ মিল ও তেলের মিলের বিকট শব্দে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ সহ বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে কয়েকটি পরিবারের। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে শম্ভু চন্দ্র বিশ্বাস আফজাল গংদের বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে আফজাল হাজরাকে পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হরিঢালী ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দরিদ্রতা, অশিক্ষা, বাল্যবিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে মানবপাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে- নূর হোসেন সজল

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘মানব পাচার প্রতিরোধে, কাজ করি এক সাথে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে টেকসই উদ্যোগ প্রকল্প (সাসটেইন) মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের দায়দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অগ্রগতি সংস্থা সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে ও ইউএসএইড এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর অর্থায়ন ও সহযোগিতায় অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুস সবুর বিশ^াসের সভাপতিত্বে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের দায়দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল। এসময় তার বক্তব্যে বলেন, ‘সামাজিকভাবে জনসচেতনতাই পারে মানব পাচার রোধ করতে। দরিদ্রতা, শিক্ষার অভাব, বাল্যবিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ এর কারনে দিন দিন মানব পচার বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে টিম গঠন করে মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে।’ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত আসফিয়া সিরাত, সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক এ.কে.এম আবু সাঈদ, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি সাতক্ষীরা অফিসের সহকারী পরিচালক শেখ মো. আজিজুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. তোজাম্মেল হক প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, জেলা মহিলা ষিয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সচেতন প্রকল্প রাজশাহীর কর্মকর্তা মাহমুদুন নবী, টিটিসির প্রিন্সিপ্যাল মোছাবেরুজ্জামান, ব্রক্ষরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, এ্যাডভোকেসী অর্গানাইজার আলমগীর হোসেন, মোর্শেদ আলম, কৃষ্ণা রাণী সাহা প্রমুখ। এসময় জনপ্রতিনিধিসহ মানব পাচার ও নিরাপদ অভিবাসন কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অগ্রগতি সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা অসিত ব্যাণার্জী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় নকলমুক্ত পরিবেশে জেএসসি-জেডিসি-ভোকেশনাল পরীক্ষা গ্রহণে মতবিনিময়

কে এম রেজাউল করিম : দেবহাটায় মাধ্যমিক পর্যায় স্কুল সার্টিফিকেট(জে.এস.সি), মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট(জে.ডি.সি) এবং কারিগরিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ভোকেশনাল ৯ম শ্রেণির পরীক্ষা উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ টায় সখিপুর দাখিল মাদ্রাসায় জেডিসি এবং বেলা ১১.৩০ মিনিটে দেবহাটা মডেল হাইস্কুলে জেএসসি ও ভোকেশনাল পরীক্ষা সুন্দর, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার ও ক পরিদর্শকগদের সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। সভায় সকলের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, এবছর উপজেলার ২টি কেন্দ্রে জেএসসি, ১টি কেন্দ্রে জেডিসি এবং ভোকেশনাল পরীক্ষা একটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে জেএসসি পরীক্ষা দেবহাটা বি বি এম পি মডেল হাইস্কুল এবং দেবহাটা কলেজ ভেন্যুতে সর্বমোট ৭৩৭জন অংশ নেবে অপর কেন্দ্রে পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ভেন্যু পারুলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ে সর্বমোট ৮৮৫জন অংশ গ্রহন করবে। অন্যদিকে জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্র সখিপুর আলিম মাদ্রাসায় ২৪৮জন অংশ গ্রহন করবে। একই সাথে হাদিপুর আহছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১১০জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করবে। অথ্যাৎ দেবহাটা উপজেলার জেএসসিতে ১৬২২জন, জেডিসিতে ২৪৮জন এবং ভোকেশনাল ১১০জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেবে। উক্ত পরীক্ষাসমূহ(অপরাধ) আইন ১৯৮০ কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে। সেই সাথে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণ প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করার জন্য ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮এর ১৪৪ ধারা জারী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োগকৃত ম্যাজিস্ট্রেট সুচারুরূপে দায়িক্ত পালন করবেন বলে নির্বাহী কর্মকর্তা জানান। তাছাড়া কেন্দ্রে কোন পরীক্ষার্থী যাতে মোবাইল ফোন, নকল, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ঢুকতে পারে সে ব্যপারে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তাছাড়া দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সুশিক্ষিত জাতি গড়ার লক্ষ্যে নকলমুক্ত, সুন্দর ও সুষ্ঠ ভাবে পরীক্ষা শেষ করতে অনুরোধ জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই, একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রসা ও ভোকেশনাল স্কুলের প্রধান এবং কেন্দ্রে দায়ত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আইজিপি কাপ জাতীয় যুব কাবাডি প্রতিযোগিতা শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলারোয়ায় শুরু হলো আইজিপি কাপ জাতীয় যুব কাবাডি প্রতিযোগিতা।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ।
উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের অনূর্ধ্ব ২১ বছরের খেলোয়াররা ১২টি ইউনিয়ন ভিত্তিক দলের হয়ে প্রথম আইজিপি কাপ যুব কাবাডি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী খেলায় লাঙ্গলঝাড়া ও কেরালকাতা ইউনিয়নের দল অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় রেফারির দায়িত্বে ছিলেন- মাসুদ পারভেজ মিলন ও মিয়া ফারুক হোসেন স্বপন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ও খেলাটি উপভোগ করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী, ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম মনি, ৮নং কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, ৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, ৫নং কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল, ৭নং চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, ৯নং হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, কলারোয়া পৌরসভা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী, কলারোয়া থানার এএসআই গোপাল চন্দ্র বৈদ্য, এএসআই শাহিনুর রহমান, শার্শা উপজেলার কায়বা গ্রামের সমাজসেবক আব্দুল্লাহ সরদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক হারুন অর রশিদ।
এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব দেব নাথ জানান- ‘ইউনিয়ন ভিত্তিক দলের খেলা গুলো সোনাবাড়িয়া মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে। মাদকমুক্ত ও অনৈতিকতা থেকে দূরে রাখতে যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখি করার লক্ষে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে আপন ভাইয়ের মরদেহ দেখে আরেক ভাইয়ের মৃত্যু!

তরিকুল ইসলাম লাভলু : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার শুইলপুর ও নলতা গ্রামে বসবাসকারী এক ভাইয়ের মরদেহ দেখে আরেক ভাইয়ের মৃত্যুর মতো বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আপন দু’ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।
কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের শুইলপুর গ্রামে বাস্ত ভিটায় বসবাস করেন মৃত আলহাজ্জ সাধু গাজীর পুত্র আলহাজ্জ মো: ফজর আলী গাজী (৭২) এবং নলতা গ্রামে বসবাস করেন ফজর আলী গাজীর আপন ভ্রাতা প্রাক্তন ইউপি সদস্য গাজী কোরবান আলী (৭০)। গত ৩০ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যা ফজর আলী গাজীর হঠাৎ স্ট্রোক করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে তার মৃত্যু হলে সাতক্ষীরা থেকে ফজর আলী গাজীর মরদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে ফেরার পথে নলতা চৌমুহনী এলাকায় রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অপেক্ষমান মেম্বর গাজী কোরবান আলী তার ভাইয়ের মরদেহ দেখে নলতা বাসভবনে ফিরে স্ত্রীকে চিনির পানি গুলে দিতে বলে অসুস্থ্যবোধ চেয়ারে বসে পড়েন। তার অসুস্থ্যতার ভাব দেখে পরিবারে সদস্যরা পার্শ্ববর্তী ডাক্তার আজগার আলীকে ডাকতে গেলে তিনি আসার আগেই চেয়ারে বসা অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজী কোরবান আলীর (৭০) মৃত্যু হয়। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আপন দু’ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুকালে আলহাজ্জ ফজর আলী গাজী ১ম স্ত্রীর মৃত্যুজনিত কারণে ২য় স্ত্রী, মিল্টন নামক এক পুত্র, দুই কন্যা এবং গাজী কোরবান আলীর ১ম স্ত্রীর মৃত্যুজনিত কারণে ২য় স্ত্রী, সাহেব ও টপু নামক দুই পুত্র, তিন কন্যা সহ উভয়ে অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এদিকে রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার বাদ যোহর আলহাজ্জ ফজর আলী গাজীকে শুইলপুর নামাজে জানাযা এবং গাজী কোরবান আলীকে বাদ যোহর নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে ১ম নামাজে জানাযা ও পরবর্তীতে শুইলপুরে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে দু’সহোদরকে যোহরের পরেই শুইলপুর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আসাদুজ্জামান : কর্তৃপক্ষের অবহেলায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃুত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ অহেতুক দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর সোমবার রাতে নরমাল ডেলিভারির সময় এই নবজাতকের মৃত্যু হয়।
সদর উপজেলার ধুলিহর গ্রামের জয়নুল আবেদিন জানান, গরীব মানুষ হওয়ায় তিনি তার গর্ভবতী স্ত্রী নুরনাহারকে নিয়ে ক্লিনিকের পরিবর্তে সোমবার দুপুর ২ টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি এ সময় স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও নার্সদের অবহেলায় ডেলিভারি করাতে পারেননি। একপর্যায়ে তার স্ত্রীর তীব্র ব্যাথা উঠলেও কোন নার্স তার সাহয্যে এগিয়ে আসেননি। এমনকি তিনি কর্তব্যরত নার্স নাসিমা খাতুন ও মুর্শেদা খাতুনকে বার বার অনুরোধ করলেও তাকে কেউ চিকিৎসা দিতেও এগিয়ে আসেননি। এক পর্যায়ে রাত ১০ টার দিকে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে তড়িঘড়ি করে ডিউটিরত নার্সরা তাকে ওপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি করালে তার স্ত্রী মৃত ছেলে প্রসব করে। এজয়নুল তার শিশুর মুত্যু জন্য নার্সদের দায়ী করেন।
অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তপক্ষ বলছে রোগীকে নিয়ে তার স্বজনরা বিকাল ৩.৩০টার টার দিকে সদর হাসপাতালে আসে। এবং সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তাকে ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। তারা অহেতুক দেরির অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফরহাদ জামিল বলেন, জয়নুল আবেদিনের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ডিউটিরত এসআই সায়েম জানান, এ বিষয়ে তার কাছে এখনও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে আমি শুনেছি একটি নারী মৃত সন্তান প্রসাব করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলছে বিসিবি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

বিসিবি নির্বাচন। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিসিবি কার্যালয়ে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের প্যানেলের বাইরে তেমন কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় নির্বাচন হবে শুধু ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে।

বিসিবি’র নির্বাচনী আমেজ কিছুটা হলেও ধরে রেখেছে ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের তিন পরিচালকের পদ। ২৫ পরিচালকের মধ্যে এরই মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকায় দুই পরিচালক পদের জন্য লড়ছেন চারজন প্রার্থী। আর বরিশাল বিভাগে একটি পদের জন্য লড়বেন দু’জন ক্রীড়া সংগঠক। ভোটের লড়াইকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন দুই বিভাগের প্রার্থীরা।

বরিশালে একটি পদের জন্য লড়বেন আগের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক এম এ আওয়াল চৌধুরী ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি আলমগীর খান। ঢাকায় ভোট দেবেন ১৮ জন আর বরিশালে ৭ জন কাউন্সিলর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest