সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

আশাশুনিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ৫১২৩

আশাশুনি ব্যুরো: সারাদেশের ন্যায় আশাশুনিতে আজ জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। উপজেলায় মোট ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২৮টি মাদরাসার ৫ হাজার ১ শত ২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যার মধ্যে জেএসসি ৩ হাজার ৯ শ’ ৫৩ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ১১৭০ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ জানান, ৪৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে আশাশুনি কেন্দ্রে ১৪টি স্কুলের ১৩২০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এখানে মূল কেন্দ্রে ৪১০ জন ছাত্র ও ২৬৮ জন ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ৩১০ ছাত্র ও ৩৩২ ছাত্রী মোট ১৩২০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বুধহাটা কেন্দ্রে ১৪টি স্কুলের ১১২৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে মূল কেন্দ্রে ৩৬৫ ছাত্র ও ৪০৪ ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ১৮৮ ছাত্র ও ১৭০ ছাত্রী রয়েছে। দরগাহপুর কেন্দ্রে ৬টি স্কুলের ৭২৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে মূল কেন্দ্রে ১৬১ ছাত্র ও ২২৪ ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ১৬৮ ছাত্র ও ১৭৪ ছাত্রী রয়েছে। বড়দল কেন্দ্রে ১২ টি স্কুলের ৭৭৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে ৩৫৩ ছাত্র ও ৪২৬ জন ছাত্রী। অপর দিকে জেডিসি পরীক্ষায় ২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আশাশুনি কেন্দ্রে ২১টি মাদরাসার ৮৬০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে ৩৯৬ ছাত্র ও ৪৬৪ ছাত্রী এবং গুনাকরকাটি কেন্দ্রে ৮টি মাদরাসার ৩১০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যার মধ্যে ১৮৮ ছাত্র ও ১২২ জন ছাত্রী। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দরের সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গণশুানি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরা স্থলবন্দরের সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কাস্টসম চত্বরে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন ভোমরা শুল্কু স্টেশনের সহকারী কমিশনার রেজাউল হক। এনবিআর এর নির্দেশনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত গণশুনানী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় সহকারী কশিনার জুয়েল আহমেদ, বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত এডি খাদেমুল হক, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট’র সহ-সভাপতি শাহানুর ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, কোয়ারেইনটেন্ড এর সেকেন্ড অফিসার আসাদজ্জামান, রাজস্ব কমকর্তা শফিউর রহমানসহ সকল রাজস্ব কর্মকর্তা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি পরিতোষ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম মিলন। ভোমরা কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোয়ারেইনটেন্ড ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের সমন্বয়ে উক্ত গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানীতে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ভোমরা স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন করা জরুরি। ভারত- বাংলাদেশের মাধ্যবর্তী স্থানে একটি ব্রীজ রয়েছে। উক্ত ব্রীজটি সংষ্কারের নাম করেও সংস্কার করা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন এটির এক পাশ বিকল অবস্থা রয়েছে। যে কারণে এ বন্দরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি বন্দরে গাড়িও ঢুকছে কম। অবিলম্বে ওই ব্রীজটি সংস্কারের দাবি জানান। এছাড়া ভোমরা বন্দরের চেয়ে অন্যান্য বন্দরগুলোতে সুযোগ সুবিধা বেশী পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে অন্যান্য বন্দরের দিকে ঝুঁকছে। এতে করে ভোমরাবন্দর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এবিষয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। এদিকে এ বন্দরে যে সব মালামালের অনুমতি রয়েছে বন্দরের সুুযোগ সুবিধা কম থাকার কারণে সে সব মালামাল ঢুকছে না। যেহেতু পেঁয়াজ শুল্কমুক্ত পণ্য সে কারণে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের গাড়ি স্কেল না করে সরাসরি ওয়্যার হাউজে প্রবেশের দাবিসহ বন্দরের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় আগত কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় মশাল মিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল- জাসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা পোষ্ট অফিসের মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাতক্ষীরা নিউমার্কেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। জেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজের সুচনা বক্তব্যের মাধ্যদিয়ে মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলুর নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্লোগানের মাধ্যমে মিছিলটি আলাউদ্দীন চত্বরে গিয়ে একটি সমাবেশে মিলিত হয়। জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন লস্কর শেলীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সহ-সম্পাদক বিশ্বাস আবুল কাসেম, তালা উপজেলা জাসদের সহ-সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, জাতীয় কৃষক জোট কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ কামাল, জাতীয় নারী জোটের সভাপতি পাপিয়া আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বিনা, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাসদের অনুপম কুমার অনুপ প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ একটি সুশৃঙ্খল দল হিসাবে পরিচিত। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ দূর করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন যাতে বানচাল না হয় সেজন্য আমাদেরকে সোচ্চার হতে হবে। দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান, সুশাসন ও সমাজতন্ত্রের পথে এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবুজ জলবায়ু তহবিলের অনুমোদিত প্রকল্পে অর্থ ছাড়ে বিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর উদ্বেগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সবুজ জলবায়ু তহবিলের অনুমোদিত প্রকল্পে অর্থ ছাড়করণে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর উদ্বেগ শীর্ষক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে একসাথে’ স্লোগানকে সামনে রেখে ৩১ অক্টোবর ২০১৭ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন, সনাক’র জলবায়ু বিষয়ক উপ-কমিটির আহবায়ক ও প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিছুর রহিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম মোমিনুল হক, সনাক সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর কমান্ডার মো. হাসানুল ইসলাম, টিআইবি’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাজেশ অধিকারী, সুশীলনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পক্ষে সবুজ জলবায়ু তহবিলের অর্থ ছাড়করণ বিষয়ে টিআইবি কর্তৃক ইতিবাচক এডভোকেসি কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সহযোগিতা কামনা করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বরাবরে প্রেরণের লক্ষ্যে নাগরিকগণ একটি আবেদপত্রে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
সভায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি সহ উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিক, সনাক সহ-সভাপতি মো. তৈয়েব হাসান, সনাক সদস্য ড. দিলারা বেগম, প্রভাষক মোমেনা খানম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, অনিমা রানী, এ করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপি, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরা শাখার সাধারণ সম্পাদক জোৎন্সা দত্ত, বাংলাদেশ ভিশন এর নির্বাহী পরিচালক অপরেশ পাল, বরসা’র সহকারী পরিচালক নাজমুল আলম মুন্না প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মো. আহাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন মোড়কে পুরনো বোর্ড

২৫ জন পরিচালকের ২৩ জনই আগের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বুধবার বিকেল নাগাদ সভাপতি হিসেবেও আগের নাজমুল হাসান পাপনের নামই ঘোষিত হবে।

২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে নাজমুল হাসানের নেতৃত্বাধীন কমিটি। ৩১ অক্টোবর যে নির্বাচন হল, সেখানে বিজয়ীদের প্রায় সবাই বোর্ড সভাপতি হিসেবে নাজমুল হাসানকেই চাইছেন। সভাপতি হিসেবে নাইমুর রহমান দুর্জয়ের নাম টুকটাক উচ্চারিত হলেও নির্বাচনের দিন তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, ওই পদে বসার কোনো ইচ্ছা তার নেই।

এদিন নাজমুল হাসানের কথাও তার ফিরে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেল, ‘এখন যেহেতু আমাদের পরিচালক নির্বাচন হয়ে গেছে, কালকে আমরা সভাপতি নির্বাচনে বসব। এখন পর্যন্ত আগের অবস্থানই আছে। প্রত্যেক পরিচালক আমার কাছে একটাই দাবি জানিয়েছে, আমাকে সভাপতি হিসেবে চায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই আছে।’

এই কথা বলার পর সভাপতি হিসেবে একপ্রকার নিজেকে ঘোষণাই করে দেন তিনি, ‘যদি সভাপতি প্রার্থী না থাকে তাহলে নির্বাচন হবে না। যেহেতু কোনও প্রার্থী নেই সেহেতু আমিই আবার হচ্ছি।’

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নাজমুল হাসান পাপনসহ ২২ জন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের নির্বাচনের অপেক্ষা ছিল মঙ্গলবার। ঢাকার দুটি পদে নির্বাচিত হন নাইমুর রহমান দুর্জয় ও সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম। বোর্ড পরিচালক হিসেবে নতুন মেয়াদে দুই নতুনের একজন কিশোরগঞ্জ জেলার কাউন্সিলর আশফাকুল।

অপেক্ষা ছিল বরিশাল বিভাগ নিয়ে। সেখানে নাজমুল হাসান পাপনের প্যানেলের প্রার্থী এম এ আওয়াল ভুলুকে হারিয়ে দিয়েছেন আলমগীর খান আলো। তিনিও নতুন বোর্ড পরিচালকদের একজন।

আলোর কাছে ভুলুর হার প্রসঙ্গে নাজমুল বলেন, ‘আমি ভোটারদের নির্দিষ্ট কাউকে ভোট দিতে বলিনি। গতবার আমাদের সঙ্গে ভুলু ছিল, সে আসতে পারেনি। আমরা তাকে অনেক মিস করবো। সে আসলে ভালো হতো। নতুন যিনি এসেছেন, তিনি অনেক অভিজ্ঞ। তার এতো বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে দেবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ

ম্যাচের আগের দিন সম্মান জানিয়ে তাজিকিস্তান কোচ মুবিন আরগাসেভ বলেছিলেন, ‘কেবল বাংলাদেশই পারে তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানকে রুখে দিতে।’ স্বাগতিক কোচের কথাকে শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমাণিত করে ছাড়লেন মাহবুব হোসেন রক্সির শিষ্যরা।

মঙ্গলবার এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেই খুশি থাকতে হচ্ছে শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে।

টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘বি’তে অংশ নেওয়া তিন দক্ষিণ এশিয়ান দলের মধ্যে বাংলাদেশকেই বেশি আমলে নিয়েছিল স্বাগতিক তাজিকিস্তান। সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হওয়ায় লাল-সবুজদের প্রতি সমীহই ছিল স্বাগতিক কোচের।

আগামী ২ নভেম্বর মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সাফে দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকদের উপর হামলা ও উৎপল দাস নিখোঁজের ঘটনায় ডিআরইউ’র উদ্বেগ

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে গত ২৮ অক্টোবর শনিবার ফেনীসহ কয়েকটি জায়গায় সাংবাদিকরা বর্বোরচিত হামলার শিকার হয়েছেন। ওই হামলায় ডিআরইউ এর সদস্যসহ প্রায় অর্ধশত সাংবাদিক আহত হয়। ভাংচুর করা হয়েছে বেশ কয়েকটি পত্রিকা, চ্যানেল, অনলাইন ও সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মনে করে, এ ধরনের হামলা যে বা যারাই করুক না কেন এটা পরিকল্পিত হামলা। এই হামলার পেছনে যারা জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের ন্যাককারজনক হামলার প্রতিবাদে ডিআরইউ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।

এদিকে সম্প্রতি ডিআরইউ’র সদস্য আবুল বাশার নুরুকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ডিআরইউ মনে করে, আইন তার নিজ গতিতেই চলবে। এক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আবুল বাশার নুরুকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে জামিন মঞ্জুরের জন্য আদালতের সুবিবেচনা প্রত্যাশা করছে ডিআরইউ।

অপরদিকে, উৎপল দাসের মত একজন পেশাদার সাংবাদিক দীর্ঘ ২১ দিন যাবত নিখোঁজ রয়েছে। তার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে থানায় ২টি সাধারণ ডায়েরি করা হলেও এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে সুস্পষ্ট কোন ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে না। এই ঘটনায় গোটা সাংবাদিক মহলে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্ত স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সাংবাদিকদের উপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার, আবুল বাশার নুরুকে অনতিবিলম্বে জামিনে মুক্তি প্রদান এবং নিখোঁজ উৎপল দাস এর ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সুস্পষ্ট বক্তব্য আশা প্রয়োজন। অন্যথায় এসব কারণে ডিআরইউ রাজপথে নামলে যে উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এর দায়ভার সংশ্লিষ্টদেরকেই বহন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাথুরুর কাছে জবাব চাইবে বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের ভূমিকায় চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে পার করেছেন তিন বছর। দল ভাল করলে পেয়েছেন ভূয়সী প্রশংসা। খারাপ করলে নীরব থেকেছে বিসিবি। খেলোয়াড়দের বার বার দাঁড়াতে হয়েছে কাঠগড়ায়। এবার খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচের কাছেও জবাবদিহিতা চাওয়া হবে।

দ্বিতীয় মেয়াদে বিসিবির সম্ভাব্য সভাপতি হতে যাওয়া নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, কোচ ছুটিতে থাকলেও তাকে দেশে এনে দলের বিবর্ণ পারফরম্যান্সের কারণ জানতে চাওয়া হবে।

মঙ্গলবার বিসিবি কার্যালয়ে নাজমুল হাসান বলেন, ‘এমন পারফরম্যান্স নিয়ে কোচের মতামত জানা প্রয়োজন। তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। যদি এখন ছুটিতে থাকেন তাহলেও চেষ্টা করবো দেশে এনে তার সঙ্গে কথা বলার। আমাদের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

সাউথ আফ্রিকায় টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি সিরিজে লজ্জাজনকভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। জয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি একটি ম্যাচেও। এমন ব্যর্থতা মেনে নিতে পারছেন না নাজমুল হাসান। এটা নিয়ে খেলোয়াড়, নির্বাচক ও অন্যান্য কোচদের সঙ্গেও বসবেন বলে জানান তিনি।

‘পুরো সফরে পারফরম্যান্স এতটাই খারাপ ছিল, এটা নিয়ে অবশ্যই আমাদের অনেক প্রশ্ন আছে। এখানে আমাদের জানতে হবে, অন্য কোনো সমস্যা আছে কিনা? একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ হারতেও পারে, তবে এভাবে হারাটা আমরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারি না। সো এটা নিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলতে হবে। কোচিং স্টাফদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আমাদের আসল সমস্যা কী হয়েছে, সেটা জানতে হবে।’

‘আমাদের শুধু বোলারদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, আমাদের দলে এতো এতো ভালো ব্যাটসম্যান, এতো ফ্লাট উইকেটে তারাও কিছু করতে পারেনি। এই সমস্ত ব্যাপারগুলো আমাদের জানা দরকার। এবং এই বিষয়গুলো যত দ্রুত সম্ভব দূর করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ আমরা মনে করি এতদিন বেশিরভাগ ম্যাচেই আমরা বাংলাদেশে খেলেছি। কিন্তু এখন বেশিরভাগ খেলা বাইরে। চ্যালেঞ্জটা আগের চেয়ে অনেক বেশি।’

সাউথ আফ্রিকা সফর শেষ করে বরাবরের মতো এবারও দলের সঙ্গে ঢাকায় ফেরেননি হাথুরুসিংহে। আন্তর্জাতিক সিরিজ শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে এসে দলকে সঙ্গে দেন তিনি। বাকি সময় নিজ দেশেই কাটান এই শ্রীলঙ্কান।

কোচ কেন এত ছুটি কাটান, এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে নাজমুল হাসান বলেন, ‘পরিকল্পনার বাইরে ছুটিতে কখনো তিনি থাকেন না। তার সঙ্গে আমাদের নির্ধারিত কোন ছুটির পরিকল্পনা নেই। যখন ছুটিতে যাওয়ার কথা, তখনই ছুটিতে যান তিনি। যখন এখানে থাকার কথা তখন এখানে থাকেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest