সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কোহলিকে টপকে শীর্ষে ফিরল ডি ভিলিয়ার্স

ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন ছিলেন মাঠের বাইরে ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। অবশেষে বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরলেন। আর মাঠে ফিরেই দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে দলকে এনে দিয়েছেন সিরিজ জয়ের স্বাদ। আর এর স্বীকৃতি স্বরূপ ফিরে পেলেন ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান। কোহলি-ওয়ার্নারকে টপকে ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। এ ইনিংস খেলার পথে ৬৮ বলে রান তিন অঙ্কে নিয়ে যান ডি ভিলিয়ার্স। আর শেষ ৩৬ বলে আসে আরও ৭৬ রান।

 এদিকে র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে মুশফিকুর রহীমেরও। ৫ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ১৮ নম্বরে। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ২ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিংয়ে চতুর্থ অবস্থানে উঠে এসেছেন। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাংকিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে রয়েছেন পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ডি কক। আর হাশিম আমলা দুই ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন নবম স্থানে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শনিবারও থাকতে পারে বৃষ্টি; সতর্কতা সাতক্ষীরার জন্যও

অনলাইন ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারা দেশের মত সাতক্ষীরাতেও গতকাল রাত থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তা অব্যাহত আছে। সকালে আবহাওয়া কার্যালয় জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবারও তা থেমে থেমে চলবে। এমতাবস্থায় অন্যান্য উপকূলীয় জেলার মত সাতক্ষীরা জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
নিম্নচাপের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া উপকূল তীরবর্তী অঞ্চল এক থেকে দুই ফুট উচ্চতায় বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া কার্যালয়। এর কারণে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান। তিনি জানান, এ ছাড়া এই সময়ে দেশে সবচেয়ে বেশি হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়। সেখানে ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
ছুটির দিনে যাঁরা বাসায় আছেন তাঁদের জন্য এই ‘গরম-কমানো’ বৃষ্টি বেশ উপভোগ্য হলেও, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। যানবাহনের স্বল্পতার সঙ্গে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ছিল বাড়তি বিড়ম্বনা। তবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। তাদেরকে বাধ্য হয়ে কাজের সন্ধানে বাইরে বের হতে হয়েছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়ে উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের অধিক্য বিরাজ করছে এবং গভীর সঞ্চালন মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে।
এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে আবহাওয়া কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা বাসস।
রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরুর প্রায় আট ঘণ্টা আগেই প্রশ্নপত্রের একটি অংশ ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত ৩টা ১৯ মিনিটে মেইলে একটি প্রশ্নপত্র আসে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ওই প্রশ্নের মিল পাওয়া গেছে। গতকাল রাতে আসা মেইলটি রয়েছে। সেখানে ২৪টি প্রশ্নের সঙ্গে আজকের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ইংরেজি অংশের ২৪টি প্রশ্নের মিল রয়েছে। ইংরেজি অংশে মোট ২৫টি প্রশ্ন রয়েছে।

তবে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে এ ভর্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়েছে ৬১ জন ভর্তিচ্ছু। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কে এম আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কারণে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ বছর ‘ঘ’ ইউনিটে এক হাজার ৬১০টি আসনের বিপরীতে ৯৮ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এই ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার ১৪৭টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য ৪১০টি ও মানবিক শাখার জন্য ৫৩টি আসন রয়েছে।

গতকাল আসা প্রশ্নের সঙ্গে আজকের যেসব প্রশ্নে মিল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইংরেজি প্রথম প্রশ্ন ছিল- “হোয়াট ইজ দ্য মিনিং অব দ্য ইডিওম ‘টু ফলো ইয়র নোজ’?”, তৃতীয় প্রশ্ন ছিল- ‘দ্য হাইওয়ে এজেন্স. . . বেড ওয়েদার…’, অষ্টম প্রশ্ন ছিল- ‘জার্মানি হ্যাজ ওন দ্য ফুটবল ম্যাচ…’. দ্বাদশ প্রশ্ন- ছিল ‘দিস ইজ দ্য স্কল হুইচ…’ ও বিংশতম প্রশ্ন ছিল- ‘অ্যা পিস অব কেক মিনস’।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া অসম্ভব। যদি আমরা ফাঁসের বিষয় জানতে পারি, তবে খোঁজ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করব।’

ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এ এম আমজাদ বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন। তাঁদের আটক করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কি না, তা বলতে পারব না। এমন কোনো অভিযোগ বা তথ্য আমাদের কাছে নেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সু চিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মিয়ানমারে নতুন রাজনৈতিক দল

মিয়ারমারের চলমান রোহিঙ্গা সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। কিন্তু তা সমাধানে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি।

শুধু রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানই নয়, মিয়ানমারে বিদ্যমান নানা সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকার নিয়ে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক দল আসছে। চলতি বছরের শেষেই দেয়া হতে পারে ঘোষণা। দেশটির সাবেক ছাত্র নেতা কো কো জি এ ঘোষণা দিয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রচারণা শুরু না করলেও দলের বিষয়ে কো কো জি মিয়ানমার সম্প্রদায়ের মধ্যে সমর্থন তৈরির চেষ্টাও করছেন। জাপানের টোকিওতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারে গ্রহণযোগ্য সরকার গড়তে চাই। ‘ এ নিয়ে সমর্থনও পাচ্ছেন তিনি। এক সমর্থক বলেন, ‘আমি নিশ্চিত তিনি ভবিষ্যৎ মিয়ানমারের জন্য কাজ করবেন। ‘ সূত্র : এনএইচকে ওয়ার্ল্ড

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রাম প্রধানের বাড়িতে প্রবেশের অপরাধে বৃদ্ধকে চাটতে হল থুতু!

দুম করে ঢুকে পড়েছিলেন গ্রাম প্রধানের বাড়িতে। বৃদ্ধের জ্ঞানই ছিল না যে গ্রাম প্রধানের বাড়িতে ঢুকতে হলে অনুমতি নিতে লাগে।

উদ্ভট এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহারের নালন্দা জেলার নুরসরাই ব্লকের অজয়পুর গ্রামে। সেখানে একসময় থাকতেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

জানা গেছে, সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য গ্রাম প্রধান তথা সরপঞ্চের বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ। কোনও প্রকার অনুমতি ছাড়াই সেই বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। গ্রামের অতি সাধারণ একজন মানুষের কি করে ধৃষ্টতা হয় কি করে, কাউকে কিছু না বলে সরপঞ্চের বাড়িতে ঢুকে পরার! সরপঞ্চ মানে তো সমগ্র গ্রামের মাথা। সেই বাড়িতে ঘারে একটি মাত্র মাথা নিয়ে ঢোকার সাহস দেখিয়ে ফেলেছিলেন সেই বৃদ্ধ। তাও আবার বিনা অনুমতিতে! এই অপরাধের কারণে মাটিতে থুতু ফেলে তা চাটতে বাধ্য করা হল ওই বৃদ্ধকে।

ছবিতে দেখা গেছে, যে যেখানে থুতু ফেলে তা ওই বৃদ্ধকে চাটানো হয়েছে সেই জায়গায় রয়েছে বেশ কয়েক জোড়া জুতা। সরপঞ্চের বাড়ির লোকেদের জুতা রাখার জায়গায় থুতু ফেলে চাটতে বাধ্য করা হয়েছে তাকে।

এখানেই অবশ্য শেষ যায়নি শাস্তি। বিনা অনুমতিতে সরপঞ্চের বাড়িতে ঢুকে পড়েছে বলে কথা! একটি ভিডিও-তে দেখা গেছে সরপঞ্চের বাড়িতেই দুই মহিলা ওই বৃদ্ধকে জুতা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করছেন।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেও খুব একটা সময় নেয়নি। সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেন্দ্রে সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। মাস খানেক আগে সেই গেরুয়া শিবিরই জোট বেধে সরকার গঠন করেছে বিহারে। স্বভাবতই এই ঘটনার জেরে অস্বস্তিতে পড়েছে বিহার প্রশাসন। যদিও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওই রাজ্যের মন্ত্রী নন্দ কিশোর যাদব।

বিহারের মন্ত্রীসভার ক্যাবিনেট মন্ত্রী নন্দ কিশোর বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোজা থেকে বের করে ‘ট্যাবলেট’ খেয়ে তুমুল বিতর্কে মেসি!

উয়েফা ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ গোলের নতুন কীর্তি স্থাপন করলেন লিও মেসি। আবার একই দিনে তাকে নিয়ে তৈরি হল নতুন কৌতূহল।
খেলা চলাকালীন বাঁ পায়ের মোজার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে কিছু একটা বের করে মুখে দেন মেসি। মুহূর্তে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। দেখে অনেকের মনে হয়েছিল, কোনও ট্যাবলেটই সম্ভবত খাচ্ছেন।

মেসির ক্ষেত্রে সাড়া পড়ে যায় টিভি ক্যামেরায় এই বিশেষ মুহূর্তটি ধরা পড়ার পরে। রেডিওতে এক সাংবাদিক বলেন, মেসি নাকি গ্লুকোজ ট্যাবলেট নিচ্ছিলেন। এনার্জি বাড়ানোর জন্য যা নিয়ে থাকতে পারেন বলে অনুমান। আবার কেউ কেউ বলছেন, ম্যাচের তখন মাত্র ১০ মিনিট হয়েছে। অত তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ ট্যাবলেট নিতে যাবেন কেন মেসি? ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই কী করে তার শক্তি বা দমের ঘাটতি দেখা দিতে পারে? আরও একটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে, খেলার মধ্যে এভাবে ট্যাবলেট নেওয়া আইনসম্মত কি না?

জল্পনা-কল্পনা চলতেই থাকে বৃহস্পতিবার সারা দিন ধরেও। মেসি নিজে এ নিয়ে কিছু জানাননি।
বার্সেলোনার কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে গত কাল ম্যাচের পর এ নিয়ে জিজ্ঞেস করেন সাংবাদিকেরা। ভালভার্দে বলেন, ‘‘মেসি গ্লুকোজ পিল নিয়েছেনাকি। আমি তো কিছুই জানি না। এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারব না আমি। যদি বড়িটা নিয়ে ও গোল করে থাকে, আবার নেওয়া উচিত ওর। ’’

মোজার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে ট্যাবলেট বের করে আনলেন কি না, তা নিয়ে তর্ক থাকতে পারে। তার গোলের রেকর্ড করার ভঙ্গি যে মেসি-সুলভই হয়ে থাকল, তা নিয়ে কারও কোনও সংশয় নেই। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১০০ গোলের কৃতিত্ব ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ছাড়া আর কারও নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার সর্বকালের সেরা দলে জায়গা হয়নি মেসির

অনলাইন ডেস্ক : গেমারদের জগতে ফিফার আবেদন আকাশচুম্বী। নব্বইয়ের দশক থেকে ফুটবলপ্রেমীদের তাঁদের প্রিয় তারকা নিয়ে খেলার সুযোগ করে দিচ্ছে এ ভিডিও গেম। এরই মাঝে বাজারে এসে গেছে গেমটির নতুন সংস্করণ ফিফা-১৮। নতুন সংস্করণে সবচেয়ে বেশি রেটিং পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৯৪ পয়েন্ট পাওয়া রোনালদোর চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে লিওনেল মেসি। কিন্তু গেমটির সব সংস্করণ মিলিয়ে যদি কোনো একাদশ করা হয়, তাহলে এ দুজন কি জায়গা পাবেন?

ফিফার রেটিংয়ে সেরা দল। ফাইল ছবিউত্তর হচ্ছে, না! ক্যারিয়ার সেরা বর্তমান রেটিংয়ে রোনালদো জায়গা পেলেও ডান উইংয়ে জায়গা হয়নি মেসির। সে জায়গা নিয়ে নিয়েছেন রোনালদোর স্বদেশি লুইস ফিগো। মেসি ছাড়া ফিফার সেরা একাদশের বাদবাকি নামগুলো অবশ্য চাইলেই ধারণা করে নিতে পারবেন। কারণ, নিজ নিজ সময়ে নিজেদের পজিশনে সেরা খেলোয়াড়ের জায়গাই হয়েছে এ দলে।

গোলরক্ষক: জিয়ানলুইজি বুফন
ফিফার মাঝের বেশ অনেক সংস্করণে সেরা রেটিং নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ইকার ক্যাসিয়াস। তার আগে অলিভার কান কিংবা ফ্যাবিয়েন বার্থেজও এ মুকুট পরেছেন। কিন্তু ফিফা-০৫ সংস্করণে বুফনের ৯৭ রেটিংয়ের ধারেকাছে যেতে পারেননি কোনো গোলরক্ষক।

রাইটব্যাক: লিলিয়ান থুরাম
রাইটব্যাক পজিশনে স্মরণকালে অনেকেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। দানি আলভেজ কিংবা ক্যারিয়ারের শুরুতে সার্জিও রামোস। কিন্তু এঁরা কেউই থুরামকে টপকাতে পারেননি। ফিফা-০৫ সংস্করণে ৯২ রেটিং ছিল ফরাসি এই ডিফেন্ডারের।

সেন্টার ব্যাক: ফার্নান্দো হিয়েরো ও আলেসান্দ্রে নেস্তা
রামোস কিংবা ম্যাট হামেলস নন, ডিফেন্সের জায়গা কেড়ে নিয়েছেন সাবেক স্পেন ও রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক হিয়েরো। ফিফা-০২ সংস্করণে স্প্যানিশ অধিনায়কের রেটিং ছিল ৯৪। রক্ষণে তাঁর সঙ্গী এসি মিলানের বিখ্যাত সে ডিফেন্সের সদস্য নেস্তা। তাঁকে ৯৪ পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল ফিফা-০৫ সংস্করণে।

লেফট ব্যাক: রবার্তো কার্লোস
এ পজিশনে যে তিনিই থাকবেন এটা সবারই জানা। শুধু ফিফা গেম কেন, বাস্তবেও সর্বকালের সেরাদের একজন কার্লোস। ফিফা-০৫ সংস্করণের ৯৪ পয়েন্টে অনুমিতভাবেই আছেন বিশ্বকাপজয়ী এই ফুলব্যাক।

মিডফিল্ড: জিনেদিন জিদান, লুইস ফিগো, রোনালদিনহো, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
মধ্যভাগের দায়িত্ব রিয়ালের তারকাপুঞ্জের কাঁধে। আর তাঁদের সঙ্গী বার্সেলোনার রোনালদিনহো। ফিফা-০২ সংস্করণে ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় ফিগোকে ৯৭ পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল। আর জিদান দলে থাকছেন ৯৬ পয়েন্ট নিয়ে (ফিফা-০৫)। মধ্য মাঠে জিদানের সঙ্গী অবধারিতভাবেই রোনালদিনহো, ফিফার ২০০৬ সংস্করণে ৯৫ পয়েন্ট ছিল সময়ের সেরা খেলোয়াড়ের। আর ফিফা-১৮ তে ৯৪ পয়েন্ট পেয়ে লেফট উইংয়ে থাকবেন রোনালদো।

স্ট্রাইকার: রোনালদো, থিয়েরি অরি
‘দ্য ফেনোমেনন’ ফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেটিংধারী খেলোয়াড়। ফিফার ২০০৪ সংস্করণে ৯৮ রেটিং দেওয়া হয়েছিল তাঁকে! পরের বছরই তাঁকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিলেন আর্সেনালে সোনালি সময় পার করা থিয়েরি অরি (৯৭ পয়েন্ট)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদেশি মালিকেরা ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছেন

অনলাইন ডেস্ক : মালিকানা পরিবর্তনের পর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। এর আমানতের প্রবৃদ্ধি কমেছে, কিন্তু বেড়েছে ঋণ দেওয়া। বেড়েছে খেলাপি ঋণও।
আবার ইসলামী ব্যাংক ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশি মালিকেরাও। প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৮৩) দেশের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকের ৭০ শতাংশ পুঁজি জোগান দিয়েছিলেন বিদেশিরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের শেয়ার কমে হয়েছে ৩২ শতাংশ।
২০১৩ সালে ইসলামী বাংক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হওয়ার পরই ব্যাংকটি ছাড়তে শুরু করেন বিদেশিরা। গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় হঠাৎ পরিবর্তনের পর তা প্রকট হয়েছে। বিদেশিদের ছেড়ে দেওয়া শেয়ার বিভিন্ন নামে ২ শতাংশ করে কিনছে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। গত এক বছরে নতুন নতুন দেশীয় কোম্পানির নামে ব্যাংকটির ২৫ শতাংশ শেয়ার কেনা হয়েছে।

পর্ষদে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর গত ২৪ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উদ্বেগ জানিয়ে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) প্রেসিডেন্ট বন্দর এম এইচ হাজ্জার লিখেছিলেন, আইডিবিসহ সৌদি আরব, কুয়েতের উদ্যোক্তাদের ৫২ শতাংশ শেয়ার থাকার পরও ব্যাংকটির সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছে।

তবে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেন, ‘বিদেশিরা শুরুর দিকে ব্যাংকে এসেছিলেন। তাই অনেকেই চলে যাচ্ছেন। আবার অনেকে নতুন করে আসার আগ্রহও দেখাচ্ছেন। এটা নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।’

আরাস্তু খান আরও বলেন, ‘এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইসলামী ব্যাংক। দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক। তাই এই ব্যাংক নিয়ে সবার আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে ব্যাংকে স্বাভাবিক কার্যক্রম ভালো চলছে, আমানতও বাড়ছে।’

ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশিরা
বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছিল ৭০ শতাংশ। বাকি অর্থের জোগান দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার এবং কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। তবে ধীরে ধীরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার ছাড়তে শুরু করে।

২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলে ইসলামী ব্যাংকের বেশ কিছু শাখা ও এটিএম বুথে ভাঙচুর হয়। ব্যাংকটির সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতির যোগসূত্র থাকার অভিযোগ ওঠে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া মীর কাসেম আলী ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক। ২০১৩ সালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুজ জাহের। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ত্বরান্বিত হলে তিনিও দেশ ছেড়ে চলে যান। ২০১৫ সালের জুনে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হন মুস্তাফা আনোয়ার।

ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তা বাহরাইন ইসলামিক ব্যাংক তাদের হাতে থাকা পুরো শেয়ার বিক্রি করে চলে যায়। ২০১৫ সালে আরেক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দুবাই ইসলামিক ব্যাংকও সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়।

২০১৬ সালে দেশীয় ইউনাইটেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান হজরত শাহজালাল (রহ.) ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি লিমিটেড ব্যাংকটির ৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৫টি শেয়ার কেনে। ওই বছরই ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তাদের পক্ষে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২১ জুলাই ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় গ্রুপটির পক্ষে পরিচালক প্রত্যাহার করা হলে তাদের সব শেয়ার কিনে নেয় গ্র্যান্ড বিজনেস নামের চট্টগ্রামভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। মূলত এটাই ছিল ব্যাংকটির মালিকানা বদলের শুরু। ওই বছরই বিভিন্ন খাতের আরও আটজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যাঁরা ব্যাংকটি পরিচালনায় মূল ভূমিকা রাখতে শুরু করেন।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আরমাডা স্পিনিং মিলস নামের একটি প্রতিষ্ঠান ব্যাংকটির শেয়ার কেনে এবং সাবেক সচিব আরাস্তু খানকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়। এরপর গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকটির পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসে। আরাস্তু খান নতুন চেয়ারম্যান হন।

বড় এই পরিবর্তনের পর ইসলামী ব্যাংকের ৮ কোটি ৬৯ লাখ শেয়ার বিক্রি করে দেয় উদ্যোক্তা পরিচালক আইডিবি। গত মে মাসে প্রতিটি শেয়ার ৩১ টাকা ৫০ পয়সা দামে ২৭৪ কোটি টাকায় এসব শেয়ার কেনে বাংলাদেশেরই চার প্রতিষ্ঠান। আইডিবির ছেড়ে দেওয়া সিংহভাগ শেয়ার কিনেছে এক্সেল ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বদরুন নেসা আলম চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের প্রধান সাইফুল আলমের বোন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুয়েতের সরকারি ব্যাংক কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকায় সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইসলামী ব্যাংকের সোয়া ৫ শতাংশ শেয়ার ছিল। তবে এখনো কুয়েত সরকারের আরেক প্রতিষ্ঠান দ্য পাবলিক ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল সিকিউরিটির নামে ১০ কোটি ৪০ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪১ শেয়ার রয়েছে, যা ব্যাংকটির মোট শেয়ারের প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ। ব্যাংকটিতে কুয়েতের তিন প্রতিষ্ঠানের ১৫ শতাংশ শেয়ার ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক জেপি মরগানের একজন গ্রাহক ২০১৫ সালের শেষ দিকে ইসলামী ব্যাংকের ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার কেনে। সম্প্রতি শেয়ার ছেড়ে দেওয়ায় তাদের অংশীদার কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের পর বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। একদিকে ব্যাংকটিতে আমানত আসা কমে গেছে, পাশাপাশি কমেছে আয়ও। অন্যদিকে বেড়ে গেছে ঋণ বিতরণ। খেলাপি ঋণও বেড়ে গেছে। তাই নগদ অর্থের সংকট তৈরি হয়েছে ব্যাংকটিতে। গত ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ২ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা, গত জুনে তা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ৬ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা।

গত চার বছরের সঙ্গে তুলনা করলে ব্যাংকটিতে সবচেয়ে কম আমানত এসেছে চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে। এই সময়ে আমানত এসেছে ২ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। অথচ গত বছরের প্রথম ছয় মাসে আমানত এসেছিল ৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা। আর ২০১৫ সালের প্রথমার্ধে আমানত আসে ৩ হাজার ৫৯৯ কোটি এবং ২০১৪ সালের একই সময়ে ছিল ৫ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।

আমানতপ্রবাহ কমলেও এই ছয় মাসে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ অবশ্য গত চার বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটি ৫ হাজার ৩১ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। ২০১৫ ও ২০১৪ সালের প্রথম ছয় মাসে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৬৯৫ ও ২ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো সর্বশেষ হিসাবে, ব্যাংকটির আমানতের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তবে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। ফলে ঋণ আমানত অনুপাত বেড়ে হয়েছে ৮৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য এই সীমা সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ।

সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest