সর্বশেষ সংবাদ-

হেফাজতে ইসলামের মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন, অত্যাচার ও গণহত্যা বন্ধ না করলে ঢাকার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। এ গণহত্যা বন্ধ না করলে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। আর ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ও ওআইসি মহাসচিবের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হবে।

জুনাইদ বাবুনগরী আরও বলেন, এ গণহত্যা বন্ধ না হলে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির নেতৃত্বে আরাকানমুখী (রাখাইন রাজ্য) লংমার্চ করা হবে। সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, গণহত্যা বন্ধ করতে মিয়ানমারের ওপর কঠোর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। প্রয়োজনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণারও দাবি জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেলিফোন অপারেটরের চাকরি পেলেন সেই সিদ্দিকুর

পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলের আঘাতে দৃষ্টি হারানো সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানকে সরকারি চাকরি দেয়া হয়েছে। সরকারি এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে ‘টেলিফোন অপারেটর’ পদে তাকে চাকরি দেয়া হয়।

গত ২০ জুলাই পরীক্ষার রুটিন ও তারিখ ঘোষণাসহ কয়েকটি দাবিতে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের আঘাতে গুরুতর আহত হন সিদ্দিকুর। এরপর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের তত্ত্বাবধানে সিদ্দিকুরের চিকিৎসার খরচসহ সার্বিক দায়িত্ব নেয় সরকার।

তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানের চোখের চিকিৎসায় ভারতের চেন্নাইয়ের একটি চক্ষু হাসপাতালে সরকারি খরচে তার চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু তার দু’চোখের দৃষ্টিশক্তি ফেরেনি।

এমন অবস্থায় সিদ্দিকুরকে সরকারি চাকরি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তাল কাশ্মির, পুলিশের গাড়িতে আগুন

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে জম্মু-কাশ্মিরের বিভিন্ন এলাকা। এদিন শ্রীনগর, ত্রাল, সোপর, পামপোর, অনন্তনাগসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) জুমা নামাজ শেষে অনন্তনাগ জেলায় বিক্ষোভরত জনতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন কর্মকর্তাসহ ছয় পুলিশ আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের শ্রীনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, বিক্ষোভকারী জনতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইউসুফকে উত্তেজিত জনতা মারধর করে ও তার বুলেটপ্রুফ গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

জুমা নামাজ শেষে বিপুলসংখ্যক প্রতিবাদী জনতা বিক্ষোভে অংশ নিলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় ও সেখান থেকে চলে যেতে বলে। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে মারমুখী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যা বন্ধের দাবি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে গতকাল উত্তর কাশ্মিরের বারামুল্লার চোরা সোপর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলে শামিল হন প্রতিবাদী জনতা। তারা বিভিন্ন লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে মিয়ানমার বিরোধী স্লোগান দেন।

এদিকে, শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে উত্তর কাশ্মিরের সোপর এলাকায় গেরিলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ শুরু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অক্সিজেন সংকটে ৩ মাসে ১৩৫ শিশুর মৃত্যু!

আবারও প্রকাশ পেলো ভারতে অক্সিজেন সংকটে শিশু মৃত্যুর ঘটনা। এবার, মহারাষ্ট্রের নাসিক সরকারি হাসপাতালে তিন মাসে ১৩৫ শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিলেন এক চিকিৎসক।

ডাক্তার জি এম হোল জানান, কেবল আগস্ট মাসেই অক্সিজেন সংকটে প্রাণ হারায় অন্তত ৫৫ নবজাতক। তার দাবি, শুধু নাসিক নয় গোটা মহারাষ্ট্রের কোনো সরকারি হাসপাতালের শিশু বিভাগেই অক্সিজেনের সুব্যবস্থা নেই। অবশ্য, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করছে।

গেলো এক মাসে, ভারতের গোরাখপুর ও ফারুখাবাদে অক্সিজেন সংকটে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। দুই শহরের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে প্রাণ হারিয়েছে দেড় শতাধিক নবজাতক।

উল্লেখ্য, ভারতে জিডিপি’র মাত্র এক শতাংশ ব্যয় করা হয় চিকিৎসা খাতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘চোখের সামনে ছেলেকে গুলি করল ওরা’

জাতিসংঘ বলছে, দুই সপ্তাহ আগে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমারের প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে।

ফেরা যাক জুনায়েদের বাবার কাছে। মংডু থেকে পালিয়ে আসার সময় জুনায়েদের বাবা নবী ও তাঁর ছয় সন্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে নবী শুনেছেন, তাঁর সন্তানেরা সীমান্ত পার হতে পেরেছে।

নবীর সবচেয়ে ছোট ছেলে বশির উল্লাহ। ১৪ বছরের রোহিঙ্গা কিশোর বশির উল্লাহরও পায়ে গুলি লেগেছে। সীমান্তের কাছে বেসরকারি একটি হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে বশির উল্লাহ এএফপিকে বলে, ‘প্রাণ বাঁচাতে যখন আমরা ছুটছিলাম, তখন তাঁরা (মিয়ানমারের সেনাবাহিনী) নির্বিচারে গুলি ছোড়ে। আমি মাটিতে পড়ে যাই। পায়ে গুলি এসে লাগে। আমি সৌভাগ্যবান। গুলি লাগলেও আমার খুব বেশি রক্তক্ষরণ হয়নি। গ্রামে আরও অনেককে হত্যা করা হয়েছে।’

নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন মিয়ানমার সরকার সহিংসতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সু চি এই সহিংসতার জন্য রোহিঙ্গা জঙ্গিদের দায়ী করেছেন।

২২ বছরের রোহিঙ্গা তরুণ হোসেন জহুর বলেন, ‘মাঝরাতে সেনারা আমার গ্রামে ঢোকে। তারা আমাকে ও আমার পরিবারকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে। সেনারা আমাদের মারধর করে এবং অত্যাচার চালায়। একপর্যায়ে আমি পালানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এক সেনা আমার দিকে বোমা ছোড়ে। বোমা বিস্ফোরণে আমার হাতের কিছু অংশ উড়ে যায়।’

আঘাত সত্ত্বেও জহুর হেঁটে সীমান্ত পার হন। তিনি এখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জহুর বলেন, ‘মিয়ানমার সেনাবাহিনী আমাদের সঙ্গে কুকুরের মতো আচরণ করে। আমাদের পূর্বপুরুষেরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সেখানে বসবাস করছে। তারপরও সেনারা রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করতে চায়।’
সূত্র: প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে রমরমা ক্লিনিক ব্যবসা!

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর খবর ইদানিং খুব বেশি ঘটছে। পত্রিকা খুললেই এই দুঃসংবাদটি চোখে পড়ে। যেখানে সরকার মাতৃমৃত্যু এবং শিশুমৃত্যু রোধ করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। সেই সময়ে কিছু অসাধু ডাক্তার ও নার্স পারস্পারিক যোগসাজোসে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে গরীব অসহায় প্রসূতি রোগীদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা যা খুবই বেদনাদায়ক।
সাতক্ষীরায় চিকিৎসকের অবহেলা, ভুল চিকিৎসায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ১৯ জন প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৮টি নবজাতকের। দেখা গেছে বেশির ভাগ মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি বা প্রাইভেট ক্লিনিকে। সরকারি হাসপাতালে রোগীকে সেবা দেওয়ার নামে বেশি অবহেলা করা হয় বলে রোগীরা তাদের প্রাইভেট ক্লিনিকে যেতে বাধ্য হয়।
সরকারি হাসপাতাল এখনো প্রসূতি সেবায় অনেক ভূমিকা রাখলেও কিছু অসাধু ডাক্তার, নার্স ও পোষা দালালের খপ্পরে পড়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগী যেতে বাধ্য হয়। ফলে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর যে খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তা বেশির ভাগ প্রাইভেট হাসপাতালে ঘটেছে। প্রাইভেট হাসপাতালগুলি তাদের ব্যবসার জন্য রোগীদের ভাল চিকিৎসা সেবা দেবার নাম করে ভুলিয়ে ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে অপচিকিৎসা দিয়ে, অবহেলা করে এবং ভুল চিকিৎসা দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সহশ্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে এই মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধ করা অবশ্যই প্রয়োজন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট ও সার্জন ডা. এহেছেন আরার বিরুদ্ধে সরকারি হাসপাতালের প্রসূতি রোগীদের ভাগিয়ে নিয়ে তার নিজস্ব সানজানা নার্সিং হোম এন্ড ক্লিনিকে রোগীর পরিবারকে জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি চিকিৎসক হয়েও তিনি বেনামে চালাচ্ছেন ব্যক্তিগত ক্লিনিক ব্যবসা। সম্প্রতি শহরের রসুলপুর এলাকার রজব আলীর স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তাড়াহুড়ো ও অসাবধানতায় অপারেশনের এক পর্যায়ে ঐ রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ রেখে সেলাই করে দেন ডা. এহেছেন আরা। পরবর্তীতে সমস্যা দেখা দিলে আলট্রাসোনো করে দেখা যায় ঐ রোগীর পেটে গজ ব্যান্ডেজ এর কারণে পঁচন ধরেছে। অসহায় রোগীর অবস্থা খারাপ হলে শহরের ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা আরো খারাপ হলে খুলনা মেডিকেল হাসপালে ভর্তি করে রোগীর পরিবার।
অপরদিকে ৬ সেপ্টেম্বর শহরের সুলতানপুর এলাকার তরকারি ব্যবসায়ী নূর ইসলামের স্ত্রী নাজমা বেগম সদর হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হতে গেলে গাইনি বিভাগের কিছু নার্স ও সদর হাসপাতালের গাইনী কনসালট্যান্ট ও সার্জন ডা. এহেছেন আরার পোষা দালাল ঐ রোগীর পরিবারের হাতে একটি কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলে সদর হাসপাতালে সিজার হবে না, সানজানা নার্সিং হোম এন্ড ক্লিনিকে নিয়ে যাও। সেখানে রোগী ভর্তি করলে প্রথমে ৫০০ টাকা ও পরে দালালেরা ২০০ টাকা নেয় এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার নাম করে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
ডা. এহেছেন আরা তার প্রাইভেট ক্লিনিকে সিজারের জন্য ১২ হাজার টাকা লাগবে বলে জানিয়ে দেন। ঐ গরিব অসহায় রোগীর পক্ষে ১২ হাজার টাকা দেওয়া খুবই কষ্ট সাধ্য হয়ে দাড়ায়। এক পর্যায়ে ভিটাবাড়ির জমি বিক্রি করে ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয় রোগীর পরিবার। তখন গাইনি ডাক্তার সাফ জানিয়ে দেয় ১২ হাজার টাকাই তাকে দিতে হবে। মূমুর্ষূ অবস্থায় রোগীকে ফিরিয়ে আনা হয়।
বিষয়টি সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমানকে জানালে তিনি বলেন, রোগীকে আমার কাছে পাঠান আমি শুনে-বুঝে ব্যবস্থা নেব। এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালের কোন ডাক্তার নিজস্ব ক্লিনিক চালাতে পারে না। উনি হয়তো অন্য নামে সানজানা নার্সিং হোম এন্ড ক্লিনিকটি চালাচ্ছেন। এব্যাপারে ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহলের দাবি সরকারি হাসপাতালের কোন ডাক্তারের প্রইভেট ক্লিনিক চালাতে পারবেনা এবং তারা যদি এভাবে প্রাইভেট ক্লিনিক চালায় তবে সরকারি হাসপাতালের সেবা ব্যহত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৪ গ্রামের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত, ভেসে গেছে সহস্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি

আসাদুজ্জামান : আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে ৪টি গ্রামের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ভেসে গেছে সহস্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রতাপনগরের হরিশখালি পয়েন্টে খোলপেটুয়া নদীর ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলেও গত দুই দিনেও সেটি সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে হরিশখালী, মাদারবাড়িয়া, তালতলা ও প্রতাপনগর গ্রামের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত বাধ সংস্কারের কাজ শুরু হলেও দুপুরের জোয়ারে তা আবারও তলিয়ে যায়। এরপর আজ শনিবার সকাল থেকে সেখানে সহ¯্রাধিক লোক স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত বেড়িবাধ সংস্কারের কাজ করছেন।

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন হোসেন জানান, দীর্ঘদিন খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাধ জরাজীর্ণ ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বারবার বললেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নদীর প্রবল জোয়ারের চাপে বাধ ভেঙে যায়। এতে প্রথমে হরিশখালি ও মাদারবাড়িয়া গ্রাম প্লাবিত হয়। এরপর শুক্রবার তালতলা ও প্রতাপনগর নামে আরো দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়। গত দুই দিন যাবত সেখানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত বেড়িবাধ সংস্কারের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে স্থানীয় এলাকাবাসীকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধটি সংস্কার করার কাজ শুরু হলেও দুপুরের জোয়ারে পানির প্রবল স্রোতে তা আবারও তলিয়ে যায়। এরপর শনিবার সকাল থেকে আবারও শুরু হয়েছে বেড়িবাধ সংস্কারের কাজ।

তিনি আরো বলেন, আশাশুনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও সুনিল কুমার ঘটনাস্থল পরিদমর্শনে আছেন।

এ ব্যাপরে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব ভৌমিকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি তার ফোনটি রিসিভ না করে কেটে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একে একে ১১ পুরুষকে বিয়ে করে টাকা নিয়ে চম্পট!

দুই বছরের কম সময়ে একের পর এক ১১ জন পুরুষকে বিয়ে করেছেন তিনি। এর পর তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তুচ্ছ অজুহাতে পলায়নের পর অবশেষে তিনি নজরে এসেছেন পুলিশের। ‘পলায়নপর কনে’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া থাইল্যান্ডের ৩২ বছর বয়সী এই নারীর নাম জারিয়াপর্ন নাম্মন বুয়াআই।

পুলিশের বরাত দিয়ে থাইল্যান্ডের স্থানীয় কিছু গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিয়ের পর পালানোর আগে ওই নারী তাঁর প্রত্যেক স্বামীর কাছ থেকে থাই রীতি অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে ছয় হাজার থেকে ৩০ হাজার ডলারের মতো অর্থ নিয়েছেন। প্রতিবারই তিনি কিছু তুচ্ছ অজুহাত দেখিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল, তাঁকে নিজ বাড়িতে ফলের ব্যবসার দেখভাল করতে হবে কিংবা তাঁর রাশিফল বলছে, এই অসময়ে বিয়ে করা উচিত হয়নি।

পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো আরো জানায়, এই কাজে জারিয়াপর্ন এতটাই পটু ছিলেন যে, তিনি আগস্ট মাসেই চারবার বিয়ে করেন।

শুরুতে পুলিশ জানিয়েছিল, জারিয়াপর্নকে বিয়ের দাবি করেন ১২ পুরুষ। পরে সেই সংখ্যা ১১তে নেমে আসে।

থাই গণমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, ফেসবুকে একটি পোস্টের পর ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে একে একে অভিযোগ করেছেন। তবে কে পোস্টটি করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ১১ স্বামীর একজন সেই পোস্টটি করেন।

ভুক্তভোগী পুরুষদের একজন আইনজীবীর বরাত দিয়ে থাইল্যান্ডের ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ন্যাশনের খবরে বলা হয়, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে প্রায় একই কৌশল ব্যবহার করতেন ওই নারী। তিনি একজন পুরুষকে ফেসবুকে বন্ধু বানাতেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করতেন, শারীরিক সংসর্গে লিপ্ত হতেন। এর পর তাঁকে বিয়ে করে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যেতেন।

থাইল্যান্ডের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্টের খবরে বলা হয়, ফলের বাগানের জন্য বিখ্যাত দেশটির নাখন পাথম প্রদেশ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে জারিয়াপর্নকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে তাঁর কথিত আসল স্বামী থিতিরাত নংঘানপিতাককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারীকে এখনো অভিযুক্ত করা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest