আসাদুজ্জামান : উপকুলীয় মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ মে) সাতক্ষীরার শ্যামনগর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফ্রেন্ডশিপ উপ-পরিচালক তানজিনা শারমিন জানান, জলবায়ু পরবির্তনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনস্বাস্থ্যে। বিশেষ করে মহিলাদের মাঝে বেড়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বন্ধ্যাত্ব ও জরায়ু সংশ্লিষ্ট রোগ-বালাই বাড়তে থাকলেও, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রতিকার অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি উপকূলে লবনাক্ততার প্রভাবে জীবন-যাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। উপকূলে বৃদ্ধি পেতে থাকা এসব সমস্যা সমাধানে ফ্রেন্ডশিপের কর্মসূচীকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ফ্রেন্ডশিপ উপ-পরিচালক।
মতবিনিময় সভায় জনকল্যাণে ফ্রেন্ডশিপের কর্মসূচীকে সাধুবাদ জানান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি।
বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি।
সভাপতি’র বক্তব্যে, দক্ষিণ-পশ্চিমে লবনাক্ত আক্রান্ত এলাকার স্বাস্থ্য তথ্য তুলে ধরেন ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল শ্যামনগর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অবঃ) মো: মুজাহিদুল হক। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক একেএম সাখাওয়াত হোসেন, শ্যামনগর প্রেসক্লাব সভাপতি আকবর কবির।
উপস্থিত ছিলেন, ফ্রেন্ডশিপের পিআর ম্যানেজার জিলফুল মুরাদ শানু, ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সমন্বয়ক শাহিন আহমেদ, ফ্রেন্ডশিপ ব্র্যান্ড ম্যানেজার মীর আফ্রাদ আকিব, সিনিয়র গ্রাফিক্স ডিজাইনার অয়ন দাস এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।##
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় প্রথমবার মাটির পুকুরে লক্ষ লক্ষ গলদা (চিংড়ী) পিএল উৎপাদনে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে। কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের সন্ন্যাসীর চকে ৮০ শতকের একটি পুকুরে ১৭৯ টি গলদা চিংড়ির মাদার থেকে প্রায় ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে। এতে খামারীদের পাশাপাশি চাষীরাও দ্বিগুন লাভের মুখ দেখতে পাবেন বলে ধারনা করছেন মৎস্য অধিদপ্তর।
দেশে যে পরিমাণ গলদা চিংড়ি চাষ হয় তার শতকরা ৯৫ শতাংশ পিএল চোরা চালানোর মাধ্যমে ভারত থেকে আনা অথবা অবৈধভাবে নদী থেকে রেনু সংগ্রহ করা। হ্যাচারীগুলোতে উৎপাদিত পিএল চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ করতে পারে না। যে কারনে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের মত বাংলাদেশেও উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির পুকুরে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর সেই সাফল্য ধরা দিয়েছে সাতক্ষীরায়। কালিগঞ্জ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা’র সরাসরি তত্ত্বাবধানে তারালি ইউনিয়ের সন্ন্যাসীর চকে আজিজুর রহমান পাড়ের পুকুরে সফলভাবে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদন সম্পন্ন হয়েছে।
কালিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস জানায়, কালিগঞ্জের ইছামতি, কাকশিয়ালি ও কালিন্দি নদী থেকে মাদার সংগ্রহ করে ১৭৯টি বাছাই করা মাদার তারালি ইউনিয়নের আজিজুর রহমানের মৎস্য খামারের ৮০ শতক জমির একটি পুকুরে ছাড়া হয়। গলদা চিংড়ির মাদারগুলোর ওজন ছিল ৬০ থেকে ৮০ গ্রাম। সেমিইনটেনসিভ বাগদা চিংড়ি চাষের পুকুরের মতো করে বায়োসিকিউরিটি ও পুকুর প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে। পানির স্যালাইনিটি ১২ থেকে ৮ পিপিটি পর্যন্ত ওঠানামা করানো হয়েছে। সব খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে দুই লক্ষ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে, এই পুকুরে ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে যার বাজার মূল্য ৪৪ লক্ষ টাকার মত।
গতকাল সকালে পিএল ক্রয় করতে আসা আস্কারপুর গ্রামের মৎস্য চাষী আজমির হোসেন বলেন, আগে আমরা নদীর এবং ভারত থেকে আসা পিএল উচ্চ মূল্যে সংগ্রহ করতাম। হটাৎ খবর পেলাম আজিজুর রহমান এর খামারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটির পুকুরে গলদা পিএল উৎপাদন হয়েছে। তাই এখানে এসেছি পিএল নেওয়ার জন্য। পিএল(পোনা) দেখেই মনে হচ্ছে এগুলো অনেক ভালো হবে। পিএল’র গ্রোথ অনেক ভালো। দামও কম।
পিএল ক্রয় করতে আসা ভাঙ্গানমারী গ্রামে মৎস্য চাষী সারাকাত হোসেন ও আজগর আলী জানান, হ্যাচারীর পিএল ঘেরে ছাড়লে অনেক সময় মাটির স্পর্শ পেলেই মারা যায়। এছাড়া ভারত থেকে আসা পিএলও ভালো হয় না। এখানের পিএল গুলোর গ্রোথ দেখেই মনে হচ্ছে অনেক ভালো হবে। তাই আমরা নিজেরাও নিয়েছি। আবার অন্যত্র বিক্রয়ের চিন্তাও করছি।
খামারের ম্যানেজার ইয়াকুব আলী বলেন, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদার পরামর্শে এখানে ৮০শতক জমিতে পরীক্ষা মূলকভাবে মাদার ছেড়েছি। পরীক্ষায় আমরা সফল হয়েছি। যে পরিমান পিএল(পোনা) উৎপাদন হয়েছে। তা আশে পাশের এলাকার চাহিদা মিটিয়ে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলেও পৌছে দেওয়া সম্ভব হবে।
খুুকু ফিস এন্ড এগ্রো ফার্মের সত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, সরকারি বেসরকারি হ্যাচারীগুলোতে উৎপাদিত পিএল মোট চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ করতে পারে না। এসব কারণে গলদা চিংড়ির পিএল এর উচ্চমূল্য পরিলক্ষিত হয়। যে কারনে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশেও উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির পুকুরে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর অবশেষে সেই সাফল্য ধরা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পুকুরে ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে যার বাজার মূল্য ৪৪ লক্ষ টাকার মত। এই প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে পারলে চাষীরা লাভবান হবে। চোরাচালান এবং অবৈধভাবে রেণু ধরা বন্ধ হবে।
কালিগঞ্জ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, আমাদের দেশে গলদা রেনুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৩ শ কোটি। কিন্তু হ্যাচারী থেকে উৎপাদন হয় ৮ -১০ কোটি। ফলে ঘাটতি থেকেই যায়। ঘাটতি পূরনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছি। এর প্রেক্ষিতে আজিজুর রহমানের ৮০ শতক পুকুরে পরীক্ষা মূলক ভাবে স্থানীয় তিনটি নদীর মাদার সংগ্রহ করে পিএল উৎপাদনের চেষ্টা করি। অনেক কম খরচে আমাদের চেষ্টাটি সফল হয়েছে। আমরা মনে করি প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এসব পিএল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌছে দিতে পারলে চাষীরা লাভবান হবে খামারীরাও আশার আলো দেখবেন। উভয়ের খরচ কমবে। পাশাপাশি চাহিদাও পূরণ হবে। তিনি আরো জানান, কালিগঞ্জের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে বিডি এক্যুয়া কালচার নামক একটি ইউটিউব প্লাটফরম তৈরি করেছেন। যেখানে বাগদা, গলদা, কাকড়া, ভেকটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যবহুল ভিডিও ডকুমেন্টারি রয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : তালায় যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ হলরূমে অনুষ্ঠিত এডভোকেসি সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামরুজ্জামান লিপু।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল বাছেত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: ওবায়দুল হক।
বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এডভোকেসি সভায় ইউপি সচিব আব্দুর রাজ্জাক, ইউপি সদস্যবৃন্দ, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও যুব সংঘের যুব সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিডো’র প্রধান নির্বাহী, শ্যামল কুমার বিশ^াস। মাল্টিমিডিয়ায় প্রকল্প ও দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) প্রেজেন্টেশন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)। বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মো: নুরুজ্জামান মুকুল ও ঐক্য যুব সংঘের সদস্য সাইমুন বিশ^াস ও কপোতাক্ষ যুব সংঘের সদস্যা দিপা বিশ^াস।
এডভোকেসি সভার উদ্দেশ্য ছিল ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যক্রমে যুবদের অর্ন্তভুক্ত করা এবং একই সাথে উদ্ধার ও জরুরী ত্রান কাজে তাদের সম্পৃক্ত করা। দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা প্রদান করা। দুর্যোগ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে যুবকদের মধ্যে জ্ঞান বৃদ্ধি করা।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সিডোর প্রোগ্রাম অফিসার, চন্দ্রশেখর হালদার।
আসাদুজ্জামান : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারন্য এলাকায় নদীতে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন মালামালসহ ৮ জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বনবিভাগ মান্দারবাড়িয়া টহল ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের আটক করেন।
আটককৃত জেলেরা হলেন, কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের তজিমুদ্দীনের ছেলে রশিদ, আক্কেল আলীর ছেলে সফিকুল, মোক্তার আলীর ছেলে মান্নান, ইসমাইল সরদারের ছেলে আলামিন, রশিদ গাজীর ছেলে নূরুজ্জামান, রশিদ সরদারের ছেলে রোকনুজ্জামান, যাতাখালী গ্রামের নুরুল আমিন সানার ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমানের ছেলে ফজর আলী।
বনবিভাগ জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারন্য এলাকায় নদীতে মাছ ধরছে একদল জেলে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মান্দারবাড়িয়া টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ সোলাইমান হোসেনের নেতৃত্বে সকালে বনবিভাগের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মান্দারবাড়িয়া নদী থেকে উক্ত ৮ জেলেকে আটক করা হয়। এসময় জেলেদের ব্যবহৃত দুুটি বড় নৌকা, ১২০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ জালসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে বনবিভাগের সদস্যরা।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) এ.কে.এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সাতক্ষীরার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য ঃ গত ২০ মে হতে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উক্ত জেলেরা গহীন সুন্দরবনের ভিতরে নদীতে মাছ ধরার অপরাধে তাদের আটক করা হয়।##
তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষে ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর লটারির মাধ্যমে ৫১৯ জন কৃষক নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ মে) সকালে তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত হোসেনের কার্যালয়ে অনলাইনে এ কৃষক নির্বাচন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আশরাফুজ্জামান, পাটকেলঘাটা গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রেজা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক, কৃষি স¤প্রসারণ কর্মকর্তাআফরোজ আক্তার রুমা প্রমূখ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে ১৫৫৭ মেট্রিক টন ধান ৩০টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আশরাফুজ্জামান জানান,ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ২০৪০ জন কৃষক আবেদন করেছিলেন। এরমধ্যে থেকে অনলাইনে লটারির মাধ্যমে ৫১৯ জন কৃষক নির্বাচিত হয়েছেন।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…