সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তৃণমূল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভরসা,আস্থা,বিশ্বাস ও ভালবাসার শেষ আশ্রয়স্থল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম আশিকুর রহমান।
ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগের কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত তিনি। শুরুতে সাতক্ষীরা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি, এরপর পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও  বর্তমানে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বে পালন করছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র  রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে বিভিন্ন মানবিক  কার্যক্রম চালিয়ে মানবতার এক অন্যান্য দৃষ্টান্ত করেছেন আকিশ।
এস এম আশিকুর রহমান সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন , পরে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে এ বিবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইবিএ থেকে লিডারশিপ ম্যানেজমেন্ট থেকে শর্ট কোর্স, বর্তমানে  সাতক্ষীরা ল’ কলেজে অধ্যয়নরত রয়েছে। তার পিতা মোঃ মিজানুর রহমান ছিলেন কৃষি ব্যাংকের ডিজিএম, দাদা জেলা শিক্ষা অফিসার ছিলেন , বড় মামা দেবহাটা উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ও ছোট মামা নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
এস এম আশিকুর রহমান যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজ উদ্যোগে সাতক্ষীরা জুড়ে বৃক্ষরোপণ, অসহায় দুস্থ ও গরিবদের মাঝে কম্বল বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, মেধাবী অসহায় গরিব শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও মাদকবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা সহ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অসুস্থ্য ও দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাত গভীর হলেও ছুটে গিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া এবং সাধ্যমত সহযোগিতা করে মানবতার এক অন্যান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এ ছাত্রলীগ নেতা।
২০২১ সালের ২৫ মে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের   সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে এস এম আশিকুর রহমান বঙ্গবন্ধু মুরালে ফুল দিতে যাওয়ার পথে মেডিকেলে  ভর্তি থাকা এক রোগীর স্বামী প্রতিবন্ধী সিরাজুলকে অর্থনৈতিক সাহায্য এবং সকল প্রকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে শুরু হয় তার মানবিক কার্যক্রম।
রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবেও রয়েছে প্রথম সারিতে। সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব পরির্বতন ঘটিয়েছেন তিনি। এমন ছাত্রনেতাকে পেয়ে সাতক্ষীরার ছাত্ররাজনীতি স্বচ্ছ এবং মানুষের আশ্রয় স্থলে পরিণত হয়েছে, এমনটাই দাবি করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
একনজরে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমানের সফলতার ২ বছরের মানবিক কার্যক্রমগুলো।
১ জুলাই ২০২১: করোনার সময় নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখতে কাঁচা বাজার পিটিআই মাঠে স্থানান্তর করা হলে কাদার মধ্যে চলাচলের উপযোগী করতে ইটের সলিং’র ব্যবস্থা করা হয়। ১০ জুলাই করোনা পরিস্থিতিতে অসহায়ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। ১১ জুলাই শ্যামনগরে দরিদ্র বৃদ্ধের ভ্যান চুরি হয়ে যাওয়ার কথা শুনে ওই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ানো। ১৯ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের নির্দেশে সাতক্ষীরা পৌর ৭ নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ। ২৪ জুলাই সাতক্ষীরা পৌর ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতার চিকিৎসার সাহায্যের জন্য চেক প্রদান। ২৭ জুলাই অসুস্থ মাজেদার চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ। ২ আগস্ট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক বৃষ্টি এবং হাঁটু সমান পানি অতিক্রম করে অক্সিজেন পৌঁছে দিলেন। ৪ আগস্ট শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন অঞ্চলে মধু, মাছ, কাঁকড়া সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের কবলে প্রাণ হারিয়েছেন এমন বনজীবি পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নিয়ে সাহায্য করেন এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি। ৬ আগস্ট অসহায় বাঘ বিধবাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ৮ আগস্ট  অসুস্থ ছাত্রলীগ কর্মী কালামের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। ৯ আগস্ট ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক নিজেই স্প্রে করেন। ১১ আগস্ট ফেসবুকে সংবাদ প্রকাশের পর মা হারা এতিম শিশুকে গুঁড়া দুধ ও স্বাস্থ্য সামগ্রী উপহার পাঠান। ২১ আগস্ট ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি জামায়াত জোটের পৃষ্ঠপোষকতায় বর্বর গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বৃক্ষ রোপন। ২৪ আগস্ট  উপকূলীয় বেড়িবাঁধ রক্ষায় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের নির্দেশনা মোতাবেক নদী ভাঙ্গন এলাকায় বৃক্ষ রোপন। ২৫ আগস্ট শ্যামনগরে পায়ে রড পড়ানো আলোচিত অসহায় ভুষন মন্ডলের পরিবারকে ১ মাসের বাজার পৌঁছে দেন। ৫ সেপ্টেম্বর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নির্দেশনা মোতাবেক শ্যামনগর উপজেলার আওতাধীন মাদ্রাসা গুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী। ৬ সেপ্টেম্বর  সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের টাকা জমাদানসহ ভর্তি বিড়ম্বনার কথা শুনা মাত্রই সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ১৩ সেপ্টেম্বর ভোমরা স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নে সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবিতে শ্রমিক ভাইদের পাশে ছিল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ১৩ নভেম্বর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের সহযোগিতায় উপকূলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। ২১ ডিসেম্বর শীতের রাতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ২০ ডিসেম্বর বাঘের আক্রমণে নিহত মুজিবর রহমানের পরিবারকে ১ মাসের বাজার পৌঁছে দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি।
১০ জানুয়ারি ২০২২: মুন্ডা জনগোষ্ঠীর জন্য শীতবস্ত্র পাঠালেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ১৩ জানুয়ারি এতিম হাফেজ শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ২৪ জানুয়ারি প্রতিবন্ধী ধর্ষিতার পাশে থেকে তার চিকিৎসার খরচ থেকে বাসায় পৌঁছে  দেন। ২৯ জানুয়ারি পথশিশু ও অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণ। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। ৩ এপ্রিল প্রথম রমজানে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। ৪ এপ্রিল শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ১১ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম আশিকুর রহমানের পক্ষে শিশু হাফেজদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। ১৪ এপ্রিল নববর্ষে প্রবীণ আবাসন কেন্দ্রে ইফতার সামগ্রী প্রদান। ২২ এপ্রিল পথচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। ২৯ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের পক্ষে কলারোয়া এতিমখানায় ইফতার বিতরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল তালায় নির্যাতিত তন্ময়ের সাথে সাক্ষাৎ করে ঈদ উপহার প্রদান। ২ মে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের পক্ষ থেকে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। ২ জুন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের পক্ষ থেকে শ্যামনগরের বানভাসি মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ
৫ জুন বাঘের আক্রমণে নিহত কাওছার গাইনের পরিবারের জন্য ১ মাসের খাবার সামগ্রী পৌঁছে দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক।
২০ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী দুর্গাবাটি গ্রামের খোলপেটুয়া নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
২২ ডিসেম্বর গরিব, অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
৬ মার্চ ২০২৩: এক মাস ব্যাপী মশা নিধন কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক। ২৩মার্চ থেকে পুরো রমজান মাস ব্যাপী দরিদ্র, দুঃস্থ ও পথচারী দের মাঝে ইফতার বিতরণ।
সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল সাতক্ষীরায় কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান । এছাড়াও অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন এই ছাত্রলীগ নেতা। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনীতিতে ভালো কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শক্তিশালী ও বেগবান করতে সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগকে একটি স্মার্ট ছাত্রলীগ হিসেবে তৈরি করব। ছাত্রলীগের কর্মী দেখে মানুষ যেন বুকে জরিয়ে নেয়। এছাড়াও ছাত্রলীগের নেতিবাচক ভূমিকা ও ছাত্রলীগকে খেটে খাওয়া মানুষের বিপদের বন্ধু হিসেবেও পরিচয় করিয়ে দিতে চাই।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : উপকুলীয় মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ মে) সাতক্ষীরার শ্যামনগর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফ্রেন্ডশিপ উপ-পরিচালক তানজিনা শারমিন জানান, জলবায়ু পরবির্তনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনস্বাস্থ্যে। বিশেষ করে মহিলাদের মাঝে বেড়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বন্ধ্যাত্ব ও জরায়ু সংশ্লিষ্ট রোগ-বালাই বাড়তে থাকলেও, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে প্রতিকার অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি উপকূলে লবনাক্ততার প্রভাবে জীবন-যাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। উপকূলে বৃদ্ধি পেতে থাকা এসব সমস্যা সমাধানে ফ্রেন্ডশিপের কর্মসূচীকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ফ্রেন্ডশিপ উপ-পরিচালক।

মতবিনিময় সভায় জনকল্যাণে ফ্রেন্ডশিপের কর্মসূচীকে সাধুবাদ জানান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি।
বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি।
সভাপতি’র বক্তব্যে, দক্ষিণ-পশ্চিমে লবনাক্ত আক্রান্ত এলাকার স্বাস্থ্য তথ্য তুলে ধরেন ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল শ্যামনগর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অবঃ) মো: মুজাহিদুল হক। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক একেএম সাখাওয়াত হোসেন, শ্যামনগর প্রেসক্লাব সভাপতি আকবর কবির।
উপস্থিত ছিলেন, ফ্রেন্ডশিপের পিআর ম্যানেজার জিলফুল মুরাদ শানু, ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সমন্বয়ক শাহিন আহমেদ, ফ্রেন্ডশিপ ব্র্যান্ড ম্যানেজার মীর আফ্রাদ আকিব, সিনিয়র গ্রাফিক্স ডিজাইনার অয়ন দাস এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় প্রথমবার মাটির পুকুরে লক্ষ লক্ষ গলদা (চিংড়ী) পিএল উৎপাদনে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে। কালিগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের সন্ন্যাসীর চকে ৮০ শতকের একটি পুকুরে ১৭৯ টি গলদা চিংড়ির মাদার থেকে প্রায় ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে। এতে খামারীদের পাশাপাশি চাষীরাও দ্বিগুন লাভের মুখ দেখতে পাবেন বলে ধারনা করছেন মৎস্য অধিদপ্তর।

দেশে যে পরিমাণ গলদা চিংড়ি চাষ হয় তার শতকরা ৯৫ শতাংশ পিএল চোরা চালানোর মাধ্যমে ভারত থেকে আনা অথবা অবৈধভাবে নদী থেকে রেনু সংগ্রহ করা। হ্যাচারীগুলোতে উৎপাদিত পিএল চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ করতে পারে না। যে কারনে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের মত বাংলাদেশেও উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির পুকুরে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর সেই সাফল্য ধরা দিয়েছে সাতক্ষীরায়। কালিগঞ্জ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা’র সরাসরি তত্ত্বাবধানে তারালি ইউনিয়ের সন্ন্যাসীর চকে আজিজুর রহমান পাড়ের পুকুরে সফলভাবে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদন সম্পন্ন হয়েছে।

কালিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস জানায়, কালিগঞ্জের ইছামতি, কাকশিয়ালি ও কালিন্দি নদী থেকে মাদার সংগ্রহ করে ১৭৯টি বাছাই করা মাদার তারালি ইউনিয়নের আজিজুর রহমানের মৎস্য খামারের ৮০ শতক জমির একটি পুকুরে ছাড়া হয়। গলদা চিংড়ির মাদারগুলোর ওজন ছিল ৬০ থেকে ৮০ গ্রাম। সেমিইনটেনসিভ বাগদা চিংড়ি চাষের পুকুরের মতো করে বায়োসিকিউরিটি ও পুকুর প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে। পানির স্যালাইনিটি ১২ থেকে ৮ পিপিটি পর্যন্ত ওঠানামা করানো হয়েছে। সব খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে দুই লক্ষ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে, এই পুকুরে ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে যার বাজার মূল্য ৪৪ লক্ষ টাকার মত।

গতকাল সকালে পিএল ক্রয় করতে আসা আস্কারপুর গ্রামের মৎস্য চাষী আজমির হোসেন বলেন, আগে আমরা নদীর এবং ভারত থেকে আসা পিএল উচ্চ মূল্যে সংগ্রহ করতাম। হটাৎ খবর পেলাম আজিজুর রহমান এর খামারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটির পুকুরে গলদা পিএল উৎপাদন হয়েছে। তাই এখানে এসেছি পিএল নেওয়ার জন্য। পিএল(পোনা) দেখেই মনে হচ্ছে এগুলো অনেক ভালো হবে। পিএল’র গ্রোথ অনেক ভালো। দামও কম।

পিএল ক্রয় করতে আসা ভাঙ্গানমারী গ্রামে মৎস্য চাষী সারাকাত হোসেন ও আজগর আলী জানান, হ্যাচারীর পিএল ঘেরে ছাড়লে অনেক সময় মাটির স্পর্শ পেলেই মারা যায়। এছাড়া ভারত থেকে আসা পিএলও ভালো হয় না। এখানের পিএল গুলোর গ্রোথ দেখেই মনে হচ্ছে অনেক ভালো হবে। তাই আমরা নিজেরাও নিয়েছি। আবার অন্যত্র বিক্রয়ের চিন্তাও করছি।

খামারের ম্যানেজার ইয়াকুব আলী বলেন, উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদার পরামর্শে এখানে ৮০শতক জমিতে পরীক্ষা মূলকভাবে মাদার ছেড়েছি। পরীক্ষায় আমরা সফল হয়েছি। যে পরিমান পিএল(পোনা) উৎপাদন হয়েছে। তা আশে পাশের এলাকার চাহিদা মিটিয়ে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলেও পৌছে দেওয়া সম্ভব হবে।

খুুকু ফিস এন্ড এগ্রো ফার্মের সত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, সরকারি বেসরকারি হ্যাচারীগুলোতে উৎপাদিত পিএল মোট চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ করতে পারে না। এসব কারণে গলদা চিংড়ির পিএল এর উচ্চমূল্য পরিলক্ষিত হয়। যে কারনে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশেও উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির পুকুরে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর অবশেষে সেই সাফল্য ধরা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পুকুরে ২০ লক্ষাধিক পিএল উৎপাদিত হয়েছে যার বাজার মূল্য ৪৪ লক্ষ টাকার মত। এই প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে পারলে চাষীরা লাভবান হবে। চোরাচালান এবং অবৈধভাবে রেণু ধরা বন্ধ হবে।

কালিগঞ্জ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, আমাদের দেশে গলদা রেনুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৩ শ কোটি। কিন্তু হ্যাচারী থেকে উৎপাদন হয় ৮ -১০ কোটি। ফলে ঘাটতি থেকেই যায়। ঘাটতি পূরনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছি। এর প্রেক্ষিতে আজিজুর রহমানের ৮০ শতক পুকুরে পরীক্ষা মূলক ভাবে স্থানীয় তিনটি নদীর মাদার সংগ্রহ করে পিএল উৎপাদনের চেষ্টা করি। অনেক কম খরচে আমাদের চেষ্টাটি সফল হয়েছে। আমরা মনে করি প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এসব পিএল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌছে দিতে পারলে চাষীরা লাভবান হবে খামারীরাও আশার আলো দেখবেন। উভয়ের খরচ কমবে। পাশাপাশি চাহিদাও পূরণ হবে। তিনি আরো জানান, কালিগঞ্জের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে বিডি এক্যুয়া কালচার নামক একটি ইউটিউব প্লাটফরম তৈরি করেছেন। যেখানে বাগদা, গলদা, কাকড়া, ভেকটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যবহুল ভিডিও ডকুমেন্টারি রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : তালায় যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ হলরূমে অনুষ্ঠিত এডভোকেসি সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামরুজ্জামান লিপু।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল বাছেত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: ওবায়দুল হক।
বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এডভোকেসি সভায় ইউপি সচিব আব্দুর রাজ্জাক, ইউপি সদস্যবৃন্দ, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও যুব সংঘের যুব সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিডো’র প্রধান নির্বাহী, শ্যামল কুমার বিশ^াস। মাল্টিমিডিয়ায় প্রকল্প ও দুর্যোগের স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) প্রেজেন্টেশন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)। বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মো: নুরুজ্জামান মুকুল ও ঐক্য যুব সংঘের সদস্য সাইমুন বিশ^াস ও কপোতাক্ষ যুব সংঘের সদস্যা দিপা বিশ^াস।
এডভোকেসি সভার উদ্দেশ্য ছিল ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যক্রমে যুবদের অর্ন্তভুক্ত করা এবং একই সাথে উদ্ধার ও জরুরী ত্রান কাজে তাদের সম্পৃক্ত করা। দুর্যোগের উপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা প্রদান করা। দুর্যোগ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে যুবকদের মধ্যে জ্ঞান বৃদ্ধি করা।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সিডোর প্রোগ্রাম অফিসার, চন্দ্রশেখর হালদার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারন্য এলাকায় নদীতে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন মালামালসহ ৮ জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বনবিভাগ মান্দারবাড়িয়া টহল ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের আটক করেন।

আটককৃত জেলেরা হলেন, কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের তজিমুদ্দীনের ছেলে রশিদ, আক্কেল আলীর ছেলে সফিকুল, মোক্তার আলীর ছেলে মান্নান, ইসমাইল সরদারের ছেলে আলামিন, রশিদ গাজীর ছেলে নূরুজ্জামান, রশিদ সরদারের ছেলে রোকনুজ্জামান, যাতাখালী গ্রামের নুরুল আমিন সানার ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমানের ছেলে ফজর আলী।

বনবিভাগ জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারন্য এলাকায় নদীতে মাছ ধরছে একদল জেলে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মান্দারবাড়িয়া টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ সোলাইমান হোসেনের নেতৃত্বে সকালে বনবিভাগের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মান্দারবাড়িয়া নদী থেকে উক্ত ৮ জেলেকে আটক করা হয়। এসময় জেলেদের ব্যবহৃত দুুটি বড় নৌকা, ১২০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ জালসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে বনবিভাগের সদস্যরা।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) এ.কে.এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সাতক্ষীরার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য ঃ গত ২০ মে হতে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মৎস্য আহরন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উক্ত জেলেরা গহীন সুন্দরবনের ভিতরে নদীতে মাছ ধরার অপরাধে তাদের আটক করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা কমার্স কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ভবন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রামচন্দ্রপুর মোড় সংলগ্ন সাতক্ষীরা পৌরসভা সীমান্তে কমার্স কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ভবন নির্মাণের শুভ উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আলহাজ্ব কাজী ফিরোজ হাসান, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ও কমার্স কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ। কমার্স কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারী খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজের প্রভাষক আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা কমার্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রভাষক আব্দুল হান্নান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ, কমার্স কলেজের প্রভাষক কাজী তাজউদ্দীন, মোহাম্মদ আলী, জাহিদুর রহমান, কেয়া পারভীনসহ সাতক্ষীরা কমার্স কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী এবং এলাকার সুধীজন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা  :
সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের আয়োজনে বিজ্ঞান ভবনের ২য় তলায় ২৩ মে মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলি ও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো: শহীদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক মো: আবু তালেব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান আলহাজ্জ মো: আকবর আলী ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন)।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মনোবিজ্ঞান বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান আলহাজ্জ এস এম মিজানুর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো: শাহানুর রহমান, উদ্ভিদ বিদ্যা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক রনজন কুমার মন্ডল, প্রভাষক নৃপেন্দ্র নাথ স্বর্ণকার, প্রদীপ কুমার মন্ডল, মো: আমিনুর রহমান, তৌহিদুজ্জামান, মো: রোকনুজ্জামান, মো: আনোয়ার সিদ্দিকী, আত্তাবুজ্জামান মধু, শাহজাহান কবীর, আবু তাহের, প্রদর্শক মোস্তফা আবু রায়হান সহ অন্যান্য শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোভার স্কাউট সদস্য ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে  পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন রোভার আব্দুল্লাহ। গীতা পাঠ করেন ১ম বর্ষ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী স্মৃতি মন্ডল।
আলোচনা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজ্ঞান ১ম বর্ষের সারাবান তহুরা ১ম, ফাতেমা ২য় ও তাওমীদ ৩য় স্থান অর্জন করে
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা  প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষে ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর লটারির মাধ্যমে ৫১৯ জন কৃষক নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সকালে তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত হোসেনের কার্যালয়ে অনলাইনে এ কৃষক নির্বাচন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আশরাফুজ্জামান, পাটকেলঘাটা গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রেজা,  উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক, কৃষি স¤প্রসারণ কর্মকর্তাআফরোজ আক্তার রুমা প্রমূখ।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে ১৫৫৭ মেট্রিক টন  ধান ৩০টাকা কেজি দরে সংগ্রহ করা হবে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আশরাফুজ্জামান জানান,ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ২০৪০ জন কৃষক আবেদন করেছিলেন। এরমধ্যে থেকে অনলাইনে লটারির মাধ্যমে ৫১৯ জন কৃষক নির্বাচিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest