ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি হলেন আখতারুজ্জামান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আজ সোমবার এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আফরাজুর রহমান। তিনি বলেছেন, অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এটি একটি সাময়িক নিয়োগ।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি আরবে অনলাইনে নারী গৃহকর্মীর কালোবাজার

সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নারী গৃহকর্মী কেনা-বেচা হচেছ।
সরকারি নিয়ম-কানুন বিধি-নিষেধ এড়িয়ে অন-লাইনে বিদেশী নারী গৃহকর্মী বেচা-কেনার কালো বাজার তৈরি হয়েছে।
এরকম একটি ফেসবুক গ্রুপ বিবিসির নজরে এসেছে যেখানে মানুষজন গৃহকর্মী চেয়ে পোস্টিং দিচ্ছেন।
তার পোস্টে এক ব্যক্তি লিখেছেন – “ডিসেম্বরে বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার আগে এক, দুই বা তিনমাসের জন্য জরুরী ভিত্তিতে একজন গৃহকর্মী প্রয়োজন।”
আরেকজন পোস্ট দিয়েছেন, “ভ্রমণ বা পর্যটন ভিসায় এসেছেন, এমন কাউকে গৃহকর্মী হিসাবে খুঁজছি। সর্বক্ষণ বাড়িতে থাকতে হবে।”
এই প্রবণতা এতটাই বিস্তৃত হচ্ছে যে সৌদি আরবে ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে তদন্ত হয়েছে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে লোকজন রিক্রুটিং এজেন্টদের মাধ্যমেই সাধারণত বিদেশ থেকে নারী গৃহকর্মীদের আনে। অধিকাংশই আসে এশিয়া এবং আফ্রিকার কিছু গরীব দেশ থেকে। তবে পাশাপাশি তৈরি হয়েছে অনলাইনে কালো বাজার।

বিদেশী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে কাতার-ভিত্তিক এমন একটি সংস্থা মাইগ্র্যান্ট রাইটসের বানি সরস্বতী বলছেন, “রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মাধ্যমে গৃহকর্মী নিয়োগ অনেক খরচের ব্যাপার, অনেক মানুষ তাই অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নিচ্ছেন।”

একজন গৃহকর্মী নিয়োগের জন্য ২৫০০ থেকে ৫০০০ ডলার পর্যন্ত ফি দিতে হয়। অনলাইনে লোক পাওয়া গেলে, এই টাকাটা বাঁচে।

সৌদি আরবে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন একজন বলেছেন, অনেক গৃহকর্মীও রিক্রুটিং এজেন্টকে পাশ কাটিয়ে কালো বাজারে কাজ নিতে আগ্রহী। “তারা বেশি মজুরী আদায় করতে পারে। যেহেতু তাদের মনিবদের রিক্রুটিং এজেন্টকে ফি দিতে হয়না, ফলে তারা কিছু বেশি মজুরি দিতে প্রস্তুত থাকে।”

নাওয়াল আল হাউসায়ি নামে একজন সৌদি নারী বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার ফলে বৈধ পথে গৃহকর্মী আনা কঠিন হয়ে পড়ছে। “গৃহকর্মীরা বৈধভাবে একবার ঢুকে পড়লে, সে চুক্তি ভেঙ্গে চাকরি ছেড়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অন্যত্র দ্বিগুণ মজুরীতে কাজ নিয়ে চলে যাচ্ছে।”

তবে একজন গৃহকর্মী বিবিসিকে বলেছেন, সময়মত বেতন না দেওয়া, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন বন্ধ না হলে, গৃহকর্মীরা পালিয়ে অবৈধভাবে হলেও অন্যত্র কাজ নেওয়ার চেষ্টা করবেই।

কিভাবে অনলাইনে তারা কাজ জোটান? “আপনি যখন একজনকে জানান, আপনার কাজ চাই, সে তখন ফেসুবকে আপনার ফোন নম্বর পোস্ট করবে, অবৈধ কিন্তু এভাবে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ারে মাধ্যমে কাজ জোগাড় করি।”

সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র খালেদ আবা আলখাইল বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে এধরণের অবৈধ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি খোলা বেআইনি এবং এমন কাজে জড়িত লোকজনকে ধরতে পারলে তাদের বিচার হবে।

তিনি জানান, গত কমাসে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা এরকম ৯০টি বিজ্ঞাপন তদন্ত করা হয়েছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলখানায় মাদকবাহী কবুতরকে গুলি আর্জেন্টিনায়

কবুতরের সাহায্যে অর্জেন্টিনার জেলখানাগুলোতে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে – এরকম সন্দেহ বেশ কিছুদিন ধরেই পুলিশ করছিলো।

এ নিয়ে তারা তদন্তও শুরু করেছিলো।

তার ভেতরেই সানতা রোসা শহরের কারাগারের ভেতর হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় একটি মাদক-বাহি কবুতর।

একটি কবুতরকে জেলখানার ভেতরের মাঠে নামতে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। গুলি করার পর কবুতরটির পিঠে বাঁধা একটি ব্যাগপ্যাকের ভেতর ৪৪টি ঘুমের বড়ি, সাড়ে সাত গ্রাম গাজা এবং একটি ইউএসবি ড্রাইভ পাওয়া যায়।

গত কয়েক বছর ধরেই আর্জেন্টিনার জেলখানাগুলোকে সাবধান করা হচ্ছে যে পাচারকারীরা কবুতর ব্যাবহার করে কয়েদিদের কাছে মাদক পাঠাচ্ছে।

একেকটি প্রশিক্ষিত কবুতর দিনে মাদক নিয়ে ১৫ বার পর্যন্ত কারাগারে উড়ে যায়।

২০১৩ সালে একটি তদন্তের পর তিনজন মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে ১৫টি কবুতর আটক করা হয়েছিল।

শুধু আর্জেন্টিনা নয়, কবুতর ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রমাণ বিশ্বের আরও অনেক দেশেই পাওয়া গেছে।

এ বছরের গোঁড়ার দিকে কুয়েত ও ইরাকের সীমান্তে একটি কবুতরকে ধরা হয় যার পিঠে ১৭৮টি নেশার বড়ি বাঁধা ছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রয়টার্সের প্রতিবেদন: মিয়ানমার থেকে ৯০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হামলা আর ধর্ষণের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে জীবন বাঁচিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গা মুসলমানের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত মাসের শেষ সপ্তাহে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতার পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশ উপকূলবর্তী কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্প ও আশপাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে এখনো হাজার হাজার রোহিঙ্গা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়।

মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার শিকার হয়ে গত কয়েক দশকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, যাদের একটি বড় অংশ উপকূলের বিভিন্ন ক্যাম্পে নিবন্ধিত বা অনিবন্ধিত শরণার্থী হিসেবে অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে অনেকে আবার কক্সবাজার, পার্বত্য তিন জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়েও পড়েছে।

এই বিপুল রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থানের মাঝেই গত বছরের অক্টোবরে আবার নতুন করে সহিংসতা দেখা দেয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে। তখন আরো প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। এবার ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত সর্বশেষ ৯০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করল। অর্থাৎ গত ১১ মাসে বাংলাদেশে প্রায় পৌনে দুই লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। প্রতি দিনই এ সংখ্যা বাড়ছে।

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে তৎপর রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। প্রতিদিনই নৌকায় বা সীমান্ত পথে আসা রোহিঙ্গা আটক করে পরে তাদের ফের নিজ দেশে পাঠাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করার সময় নৌকা ডুবে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা মারা গেছেন।

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলা-নির্যাতন ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকার মুখে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে জরুরি খাদ্য সরবরাহ কর্মসূচি স্থগিত করেছে জাতিসংঘ।

২০১২ সাল থেকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহযোগিতা দিয়ে আসছিল জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এতে আড়াই লাখ মানুষের খাদ্যের সংস্থান হতো। কিন্তু এ কর্মসূচি স্থগিত করায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তায় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।

গত শনিবার ডব্লিউএফপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় অভ্যন্তরীণভাবে গৃহহীন দুই লাখ ৫০ হাজার এবং অন্যান্য অতিদরিদ্র মানুষের মধ্যে যে খাবার সাহায্য দেওয়া হতো, তা স্থগিত করা হলো। এদের মধ্যে রাখাইন রাজ্যেই বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা এক লাখ ২০ হাজার মানুষ ডব্লিউএফপির খাবারের ওপরই নির্ভর করত, যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা।

যারা জীবন বাঁচিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, তাদের অবস্থাও করুণ। অনেককে শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় পেলেও খাবারের তীব্র সংকটের মধ্যে রয়েছেন। অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। অনেক রোহিঙ্গা পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই করতে উপকূলের পাশে বন-জঙ্গল সাফ করে বাঁশ-প্লাস্টিক দিয়ে ছাউনি তৈরির চেষ্টা করছে।

রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে পরিবার নিয়ে চার দিন আগে বাংলাদেশে এসেছেন যুবক মোহাম্মদ হোসাইন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে একটা ঘর তোলার চেষ্টা করছি। কিন্তু জায়গার সংকট। কিন্তু এখনো জায়গা দেখে যাচ্ছি।’

‘কিছু বেসরকারি সংস্থার লোকজন এখানে এসে আমাদের দেখে গেছে। কিন্তু কোনো খাবার আমাদের নেই। অনেক গর্ভবতী নারী খোলা আকাশের নিচে রাস্তার পাশে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থাও এখানে নেই’, যোগ করেন মোহাম্মদ হোসাইন।

গত অক্টোবরের পর থেকেই বালুখালীর অনিবন্ধিত শরণার্থীর ক্যাম্প বাইরের দিকে নাটকীয়ভাবে বাড়তে শুরু করে। সেখানেই রাস্তার পাশের মাটি কেটে বাঁশ দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি থেকে নিজেদের বাঁচার মতো ছাউনি তৈরির চেষ্টা করছেন রোহিঙ্গারা।

গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ‘বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের’ সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) এই হামলার দায় স্বীকার করে। এ ঘটনার পর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। সেখান থেকে পালিয়ে আসার রোহিঙ্গাদের দাবি, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বাচারে গ্রামের পর গ্রামে হামলা নির্যাতন চালাচ্ছে। নারীদের ধর্ষণ করছে। গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

মিয়ানমার সরকারের বরাত দিয়ে জাতিসংঘ গত ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, মিয়ানমারে সহিংসতা শুরুর পর গত এক সপ্তাহে ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৭০ জন ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’, ১৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দুজন সরকারি কর্মকর্তা এবং ১৪ জন সাধারণ নাগরিক।

মিয়ানমার সরকারের আরো দাবি, ‘বিদ্রোহী সন্ত্রাসীরা’ এখন পর্যন্ত রাখাইনের প্রায় দুই হাজার ছয়শ বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এখনো রাখাইন রাজ্যে থাকা মুসলিমদের মধ্যে মাইকে প্রচার চালাচ্ছে সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাস্তায় প্রকাশ্যে তরুণীকে চুমু কিসিং ‘বাবা’র, অতঃপর…

জোড়া ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হয়ে এখন জেলে ভারতের স্বঘোষিত গুরু বাবা গুরমিত রাম রহিম সিং। তারপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের এমন ‘বাবা’দের কীর্তি নিয়ে চলছে জোর চর্চা।
এরমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে গেরুয়া বসনধারী ‘কিসিং’ বাবার ছবি।

ছবিতে দেখা ‌যাচ্ছে, হাইওয়ের ধারে প্রকাশ্যে এক ‌তরুণীকে চুমু খাচ্ছেন তিনি। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রথমবার সামনে এসেছেন সেই তরুণী। ‌যারা ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে, পুলিশের কাছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন তিনি।

জানা গেছে, ওই তরুণী দিল্লির বাসিন্দা। ৩০ আগস্ট হজ কাজি থানায় অভি‌যোগ দায়ের করেছেন তিনি। তরুণীর দাবি, তার সামনে বিয়ে। তার আগে তাকে বদনাম করার জন্য ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিতে ওই তরুণীর সঙ্গে ছিলেন বাবা হরমেল দাস। তাকে অবশ্য চেনেন বলে জানিয়েছেন সেই তরুণী।

তার অভি‌যোগ, কয়েকদিন প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল। সেই আক্রোশ মেটাতে প্রতিবেশী ‌যুবক ছবিটি ভাইরাল করেছে। এদিকে হরমেল বাবাকে আশ্রম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তার দাবি, তিনি নির্দোষ। কেউ তাকে ফাঁসাতে কেউ এমন কাজ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘৮৬ হিন্দু রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী’

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশে আসছেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ৮৬ জন হিন্দু রোহিঙ্গা। এক সপ্তাহে সপরিবার পালিয়ে এসেছে সাড়ে ৫শ’ সনাতন ধর্মাবলম্বী রোহিঙ্গা।

৪ দিন আগে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা এ হিন্দু রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে হিন্দু পাড়ার একটি পরিত্যক্ত মুরগী খামারে।

তারা বলছেন, মুসলিমদের পাশাপাাশি হিন্দুদের উপরও হামলা নির্যাতন হচ্ছে মিয়ানমারে। জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে বাড়িঘর, লুটপাট হচ্ছে সম্পদ। দিশেহারা হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশের দিকেই আসছেন তারা।

তারা জানিয়েছেন, অন্তত ৮৬ জন হিন্দু রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে বর্মি বাহিনী। আশ্রয় নেয়া হিন্দু রোহিঙ্গাদের খোঁজ নিতে যায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদল।

রোববার রাতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী থেকে ১৬৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। সেসময় রোহিঙ্গা বোঝাই ৯টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। এসব রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রামে আশ্রয় নিচ্ছে।

গত কয়েকদিনে সীমান্তের কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী ও বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির ঘুমধুম থেকে ৫৪ জন রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় গত আট দিনে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৭৩ হাজার রোহিঙ্গা।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত ২৪ আগস্ট নিরাপত্তা চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার পর সেনা অভিযানের কারণে হাজার হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে জড়ো হতে থাকে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র কড়া নজরদারি সত্ত্বেও সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে বহু রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্ষেপণাস্ত্রের লাইভ মহড়া দক্ষিণ কোরিয়ার

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু স্থাপনার মডেল তৈরি করে ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পিয়ংইয়ংয়ের ষষ্ঠবারের মতো পরমাণু পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় এই মহড়া চালায় সিউল।

মহড়ায় যুদ্ধবিমান ও ভূমি থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

দক্ষিণ কোরিয়া আজ এই মহড়ার ছবিও প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে দেশটির সেনাবাহিনী পরীক্ষামূলকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে।

উত্তর কোরিয়া গতকাল রোববার একটি হাইড্রোজেন বোমার সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করে। পিয়ংইয়ংয়ের ভাষ্য, এই হাইড্রোজেন বোমা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে যুক্ত করার যোগ্য। এর নিন্দা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও রাশিয়া।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস হুঁশিয়ার করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্র দেশের প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের যেকোনো হুমকির জবাব ব্যাপক সামরিক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে দেওয়া হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হুমকির পরই ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাল দক্ষিণ কোরিয়া।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে উত্তর কোরিয়া। নিভৃতকামী দেশটি একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রেরও পরীক্ষা চালিয়ে আসছে। এমনকি মার্কিন ভূখণ্ডে হামলারও হুমকি দিয়েছে পিয়ংইয়ং। এ নিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা চলছে।

পিয়ংইয়ংয়ের ষষ্ঠ পরমাণু পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে আজ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক বসার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্মার্ট ফোন ব্যবহার ডেকে আনছে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা

স্মার্ট ফোন এখন নিত্যসঙ্গী। টাচ স্ক্রিনে অবিরাম আঙুলের স্পর্শ।
চলছে মেসেজ করা, ভিডিও গেমস খেলা, খবর পড়া বা ছবি তোলা। প্রযুক্তির এই লাগামছাড়া ব্যবহারই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ডেকে আনছে বলে দাবি চিকিৎসকদের।

অতিরিক্ত ‘টাচ’ ফোন ব্যবহারের জন্য কনুই, চোখ, ঘাড়ের নানা সমস্যায় ভুগছেন ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সি ছেলে-মেয়েরা। বিগত পাঁচ বছরে এই ভুক্তভোগীর সংখ্যা কম পক্ষে ২৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত ভাঁজ করে অতিরিক্ত সেলফি তুললে কনুইয়ের কাছে ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকেরা একে ‘সেলফি ড্যামেজ’ বলছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্মার্ট ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাতের বুড়ো আঙুল কাজে লাগানো হয়। অত্যধিক ‘টাচ’ ফোন ব্যবহারের জেরে অনেকের বুড়ো আঙুলের স্নায়ুগুলো ঠিক মতো কাজ করছে না।
এনআরএস হাসপাতালের স্নায়ুশল্য বিভাগের চিকিৎসক এস কে সাহা বলেন, ‘‘অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের জেরে স্নায়ুর সমস্যাও হচ্ছে। ফোন থেকে এক ধরণের রশ্মি নির্গত হয় যা শুধু হাত নয়। সারা শরীরের স্নায়ুর পক্ষে ক্ষতিকর। ’’

হাতের পাশাপাশি অতিরিক্ত স্মার্টফোনের ব্যবহার চোখ এবং ঘাড়ের ক্ষতি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘক্ষণ ঘাড় নীচু করে ভিডিও গেম খেলার বা সিনেমা দেখার জেরে ঘাড়ের যন্ত্রণায় ভুগছেন অনেকেই।

চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময় মোবাইলের উজ্বল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার জেরে চোখ থেকে জল পড়তে থাকে, মাথা ব্যথা হয়, চোখের চারপাশ ভারী হয়ে যায়। পাশাপাশি, চোখের পলক পড়া কমে যায়। কারণ, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় নিয়ম মতো মিনিটে ১৫ বার পলক পড়ে না। এতে চোখের সামনের ঝাপসাভাব বাড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর জেরে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমতে পারে।

চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যারা অধিকাংশ সময়ে ফোন ব্যবহার করেন, তাদের ফোনের উজ্বলতা কমিয়ে রাখা জরুরি। এসএমএস কিংবা বিভিন্ন মেসেজ অ্যাপের ‘ফন্ট সাইজ’ বা অক্ষরের মাপ বড় করে রাখা দরকার।

ক্রমশ বাড়তে থাকা এই সমস্যায় রাশ টানতে সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া আর কোনও পথ নেই বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। কারণ দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল। মোবাইল ব্যবহারের তথ্য পরিসংখ্যানই তার প্রমাণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest