সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুতে পিলারের ওপর বসানো হয়েছে স্প্যান। ভাসমান ক্রেনের সাহায্যে টেনে আনা স্প্যানটি বসানো হয়।

আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় এই স্প্যান।

এর আগে গত দুদিন পিলারের ওপর বেয়ারিংয়ের কাজ ও পিলারের কাছে ড্রেজিং করা হয়। স্প্যান বসানো দেখতে জাজিরা প্রান্তে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আসবেন বলে জানিয়েছেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ।

শেখ ওয়ালিদ জানান, সম্পূর্ণভাবে স্প্যানটি বসাতে আরো সময় লাগবে। পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আনন্দের জোয়ার বইছে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতুতে কর্মরত দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা খুবই আনন্দিত। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার কারণে সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।

এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৪৭ শতাংশ হয়েছে বলেও জানান শফিকুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মিয়ানমারের জাতিসংঘ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার ইস্যু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের সাবেক এক কর্মকর্তা বলেছেন, মিয়ানমারে জাতিসংঘের কার্যালয়ের প্রধান মানবাধিকারকর্মীদের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের এলাকা পরিদর্শনে বাধা দিচ্ছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে সহিংসতার শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্ট থেকে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তবে বিবিসির এই তথ্যের সঙ্গে জোরালোভাবে দ্বিমত পোষণ করেছে জাতিসংঘের মিয়ানমার কার্যালয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাস থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানরা যখন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে তখন জাতিসংঘ বেশ সক্রিয়ভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সেই সঙ্গে সংস্থাটি বিবৃতির মাধ্যমে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের এমন আচরণের জোরালো নিন্দাও জানিয়েছে।

কিন্তু সূত্র বলছে, বর্তমান এই রোহিঙ্গা সংকটের চার বছর আগে থেকেই মিয়ানমারে জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমের (ইউএনসিটি) প্রধান রেনেটা লক-ডেসালিয়েন রোহিঙ্গাদের এলাকায় মানবাধিকারকর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়েছেন। এ ছাড়া এই বিষয়টির ওপর জনসমর্থন তৈরি বন্ধ করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং কর্মকর্তাদের এই ইস্যু থেকে দূরে রেখেছেন কানাডার নাগরিক ডেসালিয়েন।

ক্যারোলিন ভ্যানডেনাবিলি নামের এক সহায়তাকর্মী জানিয়েছেন, রাখাইনে তিনি ভয়ঙ্কর কিছুর ইঙ্গিত দেখতে পেয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সালের শেষে এবং ১৯৯৪ সালের শুরুতে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডাতে গণহত্যা চলাকালীন কাজ করেছেন। এরপর ক্যারোলিন যখন প্রথম মিয়ানমারে আসেন, তখন সেখানেও তিনি রুয়ান্ডার সঙ্গে উদ্বেগজনক মিল খুঁজে পান।

ক্যারোলিন বলেন, “একবার আমি বিদেশিদের একটি দলের সঙ্গে ছিলাম এবং মিয়ানমারের ব্যবসায়ীরা রাখাইন এবং রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কথা বলছিলেন। মিয়ানমারের এক ব্যক্তি বলছিলেন, ‘আমাদের উচিত কুকুরের মতো তাদের (রোহিঙ্গা) সবাইকে মেরে ফেলা।’” তিনি বলেন, মানুষের প্রতি অমানবিকতার একটি নিদর্শন।

বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশার দীর্ঘ এক বছর ধরে ক্যারোলিনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। ক্যারোলিন আফগানিস্তান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, রুয়ান্ডা ও নেপালের সংঘাতপ্রবণ এলাকায় কাজ করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গা এবং বৌদ্ধদের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ মারা যায় এবং ১০ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা রাজ্যের রাজধানী সিত্তের আশপাশে আশ্রয় নেয়। এরপর থেকেই বিদ্রোহের উত্থান হতে থাকে। গত বছর রোহিঙ্গাদের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে। রাখাইনের বৌদ্ধদের কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তারা রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ সরবরাহকে ক্ষতিকর মনে করছে, একইভাবে তারা এই কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। এমনকি ত্রাণের গাড়িগুলোতেও হামলা করছে বৌদ্ধরা।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রাম পরিদর্শনের সময় জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বাধা দেওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন থমাস কিনটানা নামের সংস্থাটির এক কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি উত্তর কোরিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। ২০১৪ সাল পর্যন্ত ছয় বছর মিয়ানমারেও একই পদে কর্মরত ছিলেন কিনটানা।

আর্জেন্টিনা থেকে বিবিসির প্রতিবেদক জোনাহ ফিশারকে কিনটানা বলেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে ডেসালিনের দেখা হয়েছিল।

‘আমি তাঁর কাছ থেকে উপদেশ পেয়েছিলাম- তিনি বলেছিলেন তোমার রাখাইনে যাওয়া উচিত হবে না, দয়া করে তুমি সেখানে যেও না। সুতরাং আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন, এর কোনো সদুত্তর ছিল না। সেখানে শুধুমাত্র এই বিষয়টিই ছিল যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো সমস্যায় যাওয়া যাবে না’, বলেন থমাস কিনটানা।

তবে জাতিসংঘ বলছে, ডেসায়িলেনকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। এর সঙ্গে তাঁর পারফর্মেন্সের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে এ ব্যাপারে বিবিসির কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডেসালিয়েন।

ইয়াঙ্গুনে জাতিসংঘ কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আবাসিক সমন্বয়কারীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে আমরা জোরালোভাবে দ্বিমত পোষণ করছি। আবাসিক সমন্বয়কারী নিয়মিতভাবেই মিয়ানমারের জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেছেন কীভাবে রাখাইন রাজ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা যায়।’

ওই মুখপাত্র আরো বলেন, থমাস কিনটানা রাখাইন পরিদর্শনের সময় ডেসালিয়েন তাঁকে পরিপূর্ণ সহায়তা দিয়েছেন। লোকবল, নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে দিয়েছেন।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনা ও নিন্দার মুখে পড়লেও এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মিয়ানমার সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজেদের আঙিনা থেকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট হিউজ কলেজে সু চির একটি প্রতিকৃতি ছিল।

বৃহস্পতিবার বিবিসিসহ যুক্তরাজ্যের একাধিক গণমাধ্যম এ তথ্য দেয়।

সু চি ১৯৬৭ সালে ওই সেন্ট হিউজ কলেজ থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই কলেজ ২০১২ সালে তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়।

বিবিসি জানায়, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিল সেন্ট হিউজ কলেজ।

তবে কলেজটির কমিউনিকেশন বেনজামিন জোনস জানিয়েছেন, কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে প্রতিকৃতিটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, সেখানে হত্যা, ধর্ষণ, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ করছে সেনাবাহিনী।

জাতিসংঘ এরই মধ্যে বলেছে, মিয়ানমারে চলছে ‘জাতিগত নিধন’। প্রাণ বাঁচাতে গত এক মাসে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

অং সান সু চি বর্তমানে মিয়ানমারের উপদেষ্টা। এতকিছুর পরও রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে বা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি সু চি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের ব্যাপারে নিজ দেশের সেনাদের বিরুদ্ধে কোনো কথাই বলেননি সু চি।

১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সু চি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথম দিন শেষ করেছিল ১ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। একমাত্র উইকেটে পতন হয়েছিল রান আউটের মাধ্যমে।

শুক্রবার দ্বিতীয় দিন আরও দুটি উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রানে হঠাৎ ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সে সময় তামিম মাঠের বাইরে থাকায় উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাট করতে নামতে পারেননি বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার। তার পরিবর্তে ইমরুল কায়েস ও লিটন কুমার দাস ব্যাট করতে নামেন।

ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রান তুলেছে সেখানে বাংলাদেশ ১০৩ রান তুলতেই হারিয়েছে ৩ উইকেট। মুমিনুল হক ও তামিম ইকবাল চতুর্থ উইকেট জুটিতে ২৪ রান তোলায় দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান।

তামিম ২২ ও মুমিনুল ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। তারা দুজন তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামবেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে এখনো ৩৬৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ফলোঅন এড়াতে এখনো ১৬৯ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।

দলীয় ১৬ রানে ইমরুল কায়েস ফিরে যাওয়ার পর ৩৬ রানের মাথায় ফিরে গেছেন লিটন দাস। এই দুজন এসেছিলেন ইনিংস উদ্বোধন করতে। টি ব্রেকের আগে নির্দিষ্ট সময় ফিল্ডিং করেননি বলে ওপেন করতে পারেন নি তামিম ইকবাল। কিন্তু প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ লিটন।

ব্যর্থ ইমরুল কায়েসও। দেখে শুনে এগোলেও নিজের ইনিংস খুব বেশি বড় করতে পারেনি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৫৭ বলে ৪৪ রান করে সাঁঝঘরে ফিরেন রহিম।

এর আগে প্রথম ইনিংসে গতকাল পুরো দিনে উইকেটের পতন ঘটেছিল একটি, দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে পতন ঘটল দুটি উইকেটের। প্রথম ইনিংসে চালকের আসনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা চলার রাস্তাটা আরও প্রশস্ত করলেও এগোয়নি আর, নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে ৩ উইকেটে ৪৯৬ রান করেই। এতো ভালো একটি দলীয় ইনিংসের পরও অবশ্য প্রোটিয়াদের কিছুটা পোড়াচ্ছে একটি সেঞ্চুরি ও একটি ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ।

প্রথম দিন ৯৭ রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন অভিষিক্ত অ্যাইডেন মারক্রাম। দ্বিতীয় দিন আরেক ওপেনার ডিন এলগার মুস্তাফিজের বলে ফিরলেন ১৯৯ রান করে, ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেকে। ১৩৭ রানে আউট হওয়ার আমলার দেড়শ-র মাইলফলক না ছোঁয়ার আক্ষেপেও চাইলে পুড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা, যে সুযোগ এনে দিয়েছিলেন শফিউল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ পাইকগাছার বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃহস্পতিবার মহাষ্টমীতে পাইকগাছা পৌরসভার বাতিখালী হরিতলা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাজার মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন এবং ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কৃষ্ণ পদ দাশ, সিনিয়র সহ-সভাপতি রবীন্দ্র নাথ দত্ত, সহ-সভাপতি রতন মিত্র, যুগ্ম সম্পাদক সাধন কুমার ভদ্র, সহ-কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অজিত কুমার হালদার, পাইকগাছা উপজেলা সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পরিষদ নেতা কৃষ্ণপদ ম-ল, হেমেশ চন্দ্র ম-ল, দীপক কুমার ম-ল, বাবুরাম ম-ল, সাংবাদিক বি সরকার, ¯েœহেন্দু বিকাশ ও প্রমথ সানা, শংকর দত্ত, উজ্জ্বল ম-ল, গৌতম ম-ল, কার্তিক দেবনাথ, শংকর দত্ত, বিভুতি বিশ্বাস, পিযুষ সাধু প্রমুখ। অপর দিকে বৃহস্পতিবার দিনভোর পৌরসভাসহ লস্কর, গড়ইখালী, চাঁদখালীর বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন উপজেলা সংগঠণের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ম-ল, ¯েœহেন্দু বিকাশ, খগেন্দ্রনাথ রায়, বাবুরাম ম-ল, জগদীশ রায়, পিযুষ সাধু, মৃত্যুঞ্জয় সরদার, শ্যামাপদ ম-ল, প্রণব কান্তি রায়, অমলেন্দু বাছাড়, অপূর্ব ম-ল, সুজয় রায়, পংকোজ রায়, নবতোষ ম-ল, কৃষ্ণকান্ত ম-ল সহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের হরিতলা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এম পি জগলুল হায়দার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহা নবমীর দিনে এম পি জগলুল হায়দার পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে কমিটির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের কাছে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এম পি জগলুল হায়দার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবু ইউসুফ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আশাশুনিতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। গতকাল বিকালে আশাশুনি সাংবাদিক কার্যালয়ে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. আব্দুল্লাহ বলেন, আমি একজন শিক্ষক। শিক্ষার আলোয় সমাজ গড়াই আমার ব্রত। তাই সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য, সমাজ ও সমাজের মানুষের বৃহৎ কল্যানের জন্য আমি কাজ করতে চাই। আর এজন্য শিক্ষকতার পাশাপাশি জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে চাই।

প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক প্রভাষক মাসুদুর রহমান মাসুদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা একেএম এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক জি এম আল ফারুক, দপ্তর সম্পাদক আলী নেওয়াজ, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, প্রচার সম্পাদক বাহবুল হাসনাইন, ক্রীড়া সম্পাদক এসকে হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য এম. হাবিবুল্লাহ বিলালী, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারী সোহরাব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ বাদশা, দপ্তর সম্পাদক এ এম নূর আলম, সাংবাদিক এম,এম সাহেব আলী, ফায়জুল কবীর, শেখ আরাফাত হোসেন, সমাজ সেবক এমএনবি রাশেদ সরোয়ার শেলী, উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সেক্রেটারি বদরুদ্দোজা সানা, প্রধান অতিথির ব্যক্তিগত সহকারী এস, কে মাসুদসহ তার অন্যান্য সফরসঙ্গীবৃন্দ। মতবিনিময় শেষে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : সাহিত্য কর্মের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য দিক এবং নানা স্মৃতিচারণ করে বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক গাজী আজিজুর রহমানের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে সাতক্ষীরার কবি-সাহিত্যিকরা।
এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের হোসেন মার্কেট চত্বরে গাজী আজিজুর রহমানের ৭০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটি আয়োজন করে ‘দুরন্ত সত্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাহিত্যিক ও নাট্যজন খায়রুল বাসার।
আলোচনায় অংশ নেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রাবন্ধিক কবির রায়হান, আবৃত্তিকার মনিরুজ্জামান ছট্টু, কবি পল্টু বাসার, প্রাবন্ধিক শুভ্র আহমেদ, কবি স ম তুহিন, বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী, কবি গাজী শাহজাহান সিরাজ, মঞ্জুরুল হক, মন্ময় মনির প্রমুখ।
বক্তারা বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক গাজী আজিজুর রহমানের জীবন এবং কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, প্রতিভার সপ্তপর্ণা মণি ধারণ করে বাংলা সাহিত্যের রস ভা-ার পূর্ণ করে চলেছেন দেশের অন্যতম এই লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি খুব কম লিখলেও যা লেখেন ভেবেচিন্তে লেখেন। মৃত্যু, আত্মহত্যা এবং কবিতাবিষয়ক তার লেখাগুলো পাঠককে বার বার ভাবিত করে, প্রশ্নমুখী করে তোলে। এছাড়া বিশ্বসাহিত্য, ইতিহাস, আধুনিকতা তার লেখালেখির অন্যতম বিষয়। সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে তার দীর্ঘ আড়াই দশকের লেখা পাঠককে জুগিয়েছে নবভাবনার খোরাক।
অনুষ্ঠানে ‘দুরন্ত সত্তর’ শীর্ষক একটি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রসঙ্গত, গাজী আজিজুর রহমান-এর জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের দার্জিলিংয়ে। পিতা কাসেম আলী গাজী, মা করিমন্নেসা। তিনি ১৯৬৪ সালে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের নলতা হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৬৬ সালে সাতক্ষীরা কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৬৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। কালীগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন ১৯৭৫ সালে এবং অধ্যাপক পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন ২০১০ সালে।
দেশের সুদূর দক্ষিণ প্রান্তে সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর কাজ করেছেন তিনি। ইত্যবসরে নিজেকে সম্পূর্ণ নিয়োজিত করেছেন গবেষণাকর্ম ও সংস্কৃতিসেবায়। সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে বসে কাজ করলেও তার গবেষণাকর্ম ঢাকা-কোলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং সমাদৃত। পরিশ্রমী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকটি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: সাতক্ষীরা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার (১৯৯৫); ম্যান অব দি ইয়ার, বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৮); কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার (২০০১); শিমুল-পলাশ সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতা (২০০৪); বাংলা ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র পুরস্কার (২০০৭); লিনট পদক পুরস্কার (২০০৮); সিকানদার আবু জাফর পদক (২০১২); কবি সুকান্ত পুরস্কার (কলকাতা ২০১৫)।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: প্রবন্ধ গবেষণা : সাহিত্যে সমাজবাস্তবতার ধারা (১৯৯২, পুনর্মুদ্রণ ২০১৪); স্বেচ্ছামৃত্যুর করতলে কবি (১৯৯৬, পুনর্মুদ্রণ ২০১৫); সাহিত্য ও সিংহাসন (১৯৯৯); নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের শতবর্ষ (২০০১); সাতক্ষীরার ভাষা ও শব্দকোষ (২০০৪); আধুনিক বাংলা উপন্যাসের বিষয় ও শিল্পরূপ (২০০৯); কবিদের কবি (২০১০); কালীগঞ্জের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ (২০১৪)।
সম্পাদনা: মরণরে তুহু মম (২০০৪) এবং খান আনসার উদ্দীন আহমেদ রচনাবলী (১৯৯৯)।
অন্যান্য প্রকাশনা: বজ্রের বাঁশি (উপন্যাস), কালো সূর্যের নীচে (নাটক), সক্রেটিস (নাটক), যোদ্ধার জতুগৃহ (উপন্যাস)।
সম্পাদনার কাজেও তার মুন্সিয়ানা রয়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে সম্পাদনা করে যাচ্ছেন ‘নদী’ নামের একটি সাহিত্যপত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest