সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ভোমরাস্থল বন্দরে সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের অফিস ভবনে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধুর জ্যোষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১ তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে এবং সম্প্রতি আমেরিকায় গলব্লাডারে অপারেশনে করাতে তার শারিরীক সুস্থ্যতা কামনা করে এক আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ গাজীর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা শ্রমিকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ বলেন, শেখ হাসিনার হাতে দেশ পরিচালনার ভার থাকলে কৃষক-শ্রমিকের মুক্তি আসবে। কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের দরকার, শেখ হাসিনার সরকার। আরো বক্তব্য রাখেন,সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জুলমত আলী গাজী, রিয়াজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, দপ্তর সম্পাদক সাকিল হোসেন, আবিদ হোসেন, মেহেদী হাসান, কাওছার আলী। আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ বিল্লাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে জননেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজহার আলী শাহীন,সহ-সভাপতি মোঃ নাছির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আজিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের মহিলা সম্পাদিকা মোছাঃ শরিফা আসাদ, জেলা তাঁতীলীগের মহিলা সম্পাদিকা রাণী খাতুন, পৌর তাঁতীলীগের আহবায়ক নুর জাহান সাদিয়া, যুগ্ম আহবায়ক শেখ ফিরোজ হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন সুজন, সদস্য যথাক্রমে সাংবাদিক মাসুদ আলী, আছাদ হোসেন (রতœা), মোঃ ইদ্রিস আলী, মোঃ হেলাল উদ্দীন, মোঃ আহম্মাদ আলী, মোছাঃ চম্পা খাতুন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ তাঁতীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাও. মিজানুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিবেদক : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের অসহায় ফনিন্দ্র মন্ডলের কন্যা শতাব্দীকে অপহরণের ৪ বছর পরও কোন খোঁজ মেলেনি। তাছাড়া প্রতিপক্ষের একের পর এক হুমকী-ধামকীতে চরম নিরপত্তাহীনতায় ভুগছে ফনিন্দ্র ও তার পরিবার। ফনিন্দ্র মন্ডল জানান, বুধহাটা সুন্দরবন পরিটেকনিক কলেজের শিক্ষার্থী শতাব্দী মন্ডলকে ২০১৩ সালের ১৩ জুলাই ১ম বার অপহরণ করা হয়। সে ঘটনায় আদালতে জিআর- ১৫ তাং ১২/০৮/১৩ নং মামলা দায়ের করেন তিনি। অনেক চরাই উৎরাই শেষে আদালতের নির্দেশে শতাব্দিকে তার জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর তার বাড়িতে সন্ত্রাসী স্টাইলে আক্রমণ চালিয়ে পুনরায় শতাব্দীকে অপহরণ করা হয়। এনিয়ে আবার আশাশুনি থানায় মামলা করেন তিনি। মামলা নং-৮, তাং ১০/১১/১৩। তখন আসামীরা মেয়েকে জিম্মি করে বিভিন্ন কৌশলে বিয়ের সাজানো অভিনয় করিয়ে তাদের পক্ষে জবানবন্দি করিয়ে নেয়। এরপর তদানীন্তন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আকরাম তাকে ভুল বুঝিয়ে দু’টি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন এবং ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করেন বলে ফনিন্দ্র দাবি করেন। এরপর থেকে শতাব্দিকে অজ্ঞাতে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের ধারনা তাকে অপহরণের পর গুম বা পাচার করা হয়েছে। তিনি পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং ন্যায় বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে মানব পাচার অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাতক্ষীরায় ৩২/১৪ নং মামলা রুজু করেন। এতে পাচারকারী চক্রের কচুয়া গ্রামরে জ্ঞানেন্দ্র ঢালী, রবীন্দ্র ঢালী, নির্মল মন্ডল, মহানন্দ মন্ডল ও আগরদাড়ী গ্রামের অহেদ আলিকে আসামী করা হয়েছে। এরপর থেকে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং ফনিন্দ্র ও তার পরিবারের উপর নানা ভাবে হুমকী ধামকী দিয়ে আসছে। বাধ্য হয়ে ফনিন্দ্র মন্ডল থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং- ৮৩৫, তাং ২৪/১/১৫) করেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তারা মামলা তুলে না নিলে তাদেরকে জীবনে শেষ করে দেওয়াসহ নানা হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। কোন কুল কিনারা না পেয়ে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দপ্তরে হৃদয় ছেড়া আকুতি জানিয়ে আবেদন করেছেন। দীর্ঘ সময়ে কন্যার খোঁজ না পেয়ে পাগল পারা পরিবারটি বিচারের আশায় ছুটে ফিরলেও নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার অভাবে অসহায় হয়ে পড়েছেন। এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্গতিনাশিনী দুর্গা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা মন্দিরে জেলা মন্দির সমিতির আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বাবু বিশ্বানাথ ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আবু সায়ীদ, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম। অনুষ্ঠানে মন্দির সমিতির সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি : শারদীয় দুর্গোৎসবে কলারোয়া পৌরসদরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া-তালা) আসনের সাংসদ এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বৃহস্পতিবার দিনভর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহত্তম এ ধর্মীয় উৎসবের মহা অষ্টমী দিনে তিনি এসব পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে উপজেলার প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপে আইন শৃঙখলা রক্ষাসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনোরঞ্জন সাহা, উপজেলা আ.লীগের সাবেক আহবায়ক সাজেদুর রহমান খাঁন চৌধুরী মজনু, উপাধ্যক্ষ মইনুল হাসান, এমপি’র পিএস জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ। পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে উপজেলার ৩৯টি পূর্জা মন্ডপে উৎসবমুখোর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পূজা ম-পে নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনী ও মন্ডপের সভাপতি, সেক্রেটারিসহ সেচ্ছাসেবীদের’কে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাজে এলো না পাণ্ডে-কেদার ঝড়। বিরাটদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩৩৫ রানের পাহাড় সমান টার্গেট তাড়া করতে নেমে আট উইকেট হারিয়ে ৩১৩ রানেই থেমে যায় ভারত। এর ফলে নয় ম্যাচ পর থামে কোহলির জয়ের রথ।

বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে তা করেও দেখালেন স্টিভ স্মিথরা।

নিয়মরক্ষার ম্যাচে শুরুতে দুই অজি ওপেনার ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারই ২৩০ রানের পার্টনারশিপ করেন। সেঞ্চুরি করে দলকে অনেকটাই টেনে নিয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার। তার ১২৪ রানের সাজানো ইনিংস শেষ হয় কেদার যাদবের বলে। এদিকে মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হারান ফিঞ্চ। তার উইকেট তুলে নেন উমেশ যাদব।

এই ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে উমেশের অবদান অনস্বীকার্য। ১০ ওভার বল করে ৪ উইকেট নেন তিনি। রানও ৭ প্রতি ওভার। বাকি প্রত্যেকেই অত্যাধিক মাত্রায় রান দেন।

শেষ ম্যাচে ইন্দোরের বাইশ গজে ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন অজি ওপেনার। এদিন অবশ্য মাত্র ছয় রানের জন্য সেঞ্চরি হাতছাড়া করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার বিশ^ শান্তির দর্শণ, জনগণের ক্ষমতায়ন সুদৃঢ় করাই আমাদের অঙ্গিকার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানবতাবাদী নেত্রী বিশ^ শান্তির দূত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭১ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হলরুমে জেলা যুবলীগের আয়োজনে জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশে^র দরবারে মানবতার বাংলাদেশ হিসেবে পরিচিত করেছেন অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়িয়ে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গার মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন তাই সারা বিশ^বাসী তাকে মানবতাবাদী নেত্রী বিশ^ শান্তির দর্শণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামীতে শান্তিতে নোবেল পেতে যাচ্ছেন। আমরা বাঙালী জাতি আজ গর্বিত।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান তুহিন ও সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া বাবু প্রমুখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পাওয়ার হাউজ জামে মসজিদের ইমাম জাহাঙ্গীর আলম। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মইনুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দীর্ঘদিন বিচারকাজ বন্ধ থাকার পর সচল করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের মাধ্যমে এ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম সচলের উদ্যোগ নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা যায়, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে বর্তমান ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শাহীনুর ইসলামকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান এবং সদস্য হিসেবে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আমির হোসেন এবং সদ্য অবসরে যাওয়া নিম্ন আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের তৈরীকৃত এ প্রস্তাবনাটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন। এবং আইন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবেন।

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। আশা করি শীঘ্রই ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হবে।’

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সাব্বির ফয়েজ বলেন, ট্রাইব্যুনালের কাজ ত্বরান্বিত করতে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে কয়েকজন বিচারকের নাম অনুমোদন করা হয়েছে। এটি এখন আইন মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল ঘুরে জানা যায়, দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম। কোরাম সংকটের কারণে রায়ের অপেক্ষায় থাকা একটি মামলার রায় ঘোষণা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। আর ঝুলে আছে ৩৩ মামলার কার্যক্রম।

বিচার কার্যক্রম না চললেও কারাগারে বন্দি আছেন ৮৮ আসামি। আসামিদের বয়স ৭০ থেকে ৮০ বছর। প্রত্যেকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন তাঁদের আইনজীবীরা।

শুধু তাই নয়, মামলার কার্যক্রম না থাকায় আতঙ্কে রয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের (প্রসিকিউশন) সাক্ষীরা। ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম না থাকায় এরই মধ্যে সাতটি মামলার সাক্ষীদের দীর্ঘদিন ঢাকায় রাখার পর গ্রামের বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। গ্রামে চলে যাওয়ায় এই সাক্ষীদের আবার হাজির করা কঠিন বলে আশঙ্কা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে তিনজন বিচারপতি ছাড়া রায় ঘোষণার সুযোগ নেই। গত ১৩ জুলাই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ার উল হক মারা যান। এরপর এক মাস পেরিয়ে গেলেও ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর আগে তিনি অসুস্থ থাকায় দীর্ঘদিন ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ ছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি আনোয়ার উল হক মারা যাওয়ার কয়েক মাস আগে থেকেই কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তিনি হাসপাতালে থাকা অবস্থায় ট্রাইব্যুনালের দুই বিচারপতি শুধু বিভিন্ন মামলার নতুন তারিখ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এখনো সে রকমই। কোনো কার্যক্রম শুরু করতে পারছেন না। ট্রাইব্যুনালের নিয়ম অনুযায়ী কোনো রায় বা মামলার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হলে তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে কোরাম পূরণ করতে হয়। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ার উল হক মারা যাওয়ার পর থেকে কোরাম সংকট দেখা দিয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে ৩৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি সাক্ষ্য পর্যায়ে, ১০টি মামলার অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে এবং ১৬টি মামলা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া একটি মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা দেড় শতাধিক। এর মধ্যে ৮৮ আসামি কারাগারে আটক রয়েছেন।

ট্রাইব্যুনালের অচলাবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কেশব রায় চৌধুরী বলেন, ‘চেয়ারম্যান মারা যাওয়ার পর থেকে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এখানকার সব কর্মকর্তা-কর্মচারী রুটিন অনুযায়ী শুধু অফিস করে যাচ্ছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ত্বরান্বিত করতে শিগগিরই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া উচিত।’

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আরো বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন থেকেই ট্রাইব্যুনাল অকেজো। নিয়ম অনুযায়ী তিনজন রায় দিতে হয়। দুজন শুধু শুনানি। একেবারে স্থবির অবস্থা চলছে। টুকটাক কাজ চলছে।’

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের অন্তত ২০টি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান না থাকায় বিচারপ্রার্থী ও আসামি উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিচারহীনতায় অনেক বয়স্ক আসামি দিনের পর দিন জেলে পড়ে আছেন। বর্তমানে আটক আসামিদের সবাই ৭০ থেকে ৮০ বছর বয়সের। সবাই বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বন্ধ থাকায় বিচার চাওয়ার জায়গা নেই। জামিন চাওয়া যাচ্ছে না। এ অচলাবস্থার নিরসন হওয়া উচিত।’

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম না থাকায় প্রসিকিউটরের সদস্যরা অলস সময় পার করছেন। অন্যদিকে অনেক বয়োজ্যেষ্ঠ আসামি রয়েছেন, যাঁরা বিচারহীনতার কারণে দিনের পর দিন কারাগারে রয়েছেন। তাঁদের মামলার কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না।’

তুরিন আফরোজ জানান, বর্তমানে চিফ প্রসিকিউটরসহ মোট ১৮ জন রাষ্ট্রপক্ষ প্রসিকিউটর রয়েছে। তিনি বলেন, ‘যদি নতুন করে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ থাকা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ জামায়াতের সাবেক এমপি আবদুল আজিজের (ঘোড়ামারা আজিজ) মামলাটির কার্যক্রম আবার শুরু করতে হবে। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী এ মামলার যুক্তিতর্ক পুনরায় করতে হবে।’

ট্রাইব্যুনালের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, আইন মন্ত্রণালয় ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েনের কারণে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

চলতি বছর সাত বছর পূর্ণ করল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। নানা প্রতিকূলতা ও বাধা পেরিয়ে দীর্ঘ এ সময়ে ট্রাইব্যুনাল ২৯ মামলায় অর্ধশতাধিক আসামির বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছয় যুদ্ধাপরাধীর চূড়ান্ত দণ্ড কার্যকর হয়েছে। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা, সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

এ ছাড়া ট্রাইব্যুনালের ৯০ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে বন্দি অবস্থায় মারা গেছেন গোলাম আযম। আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে আছেন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।

তদন্ত সংস্থায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে ৫৩১টি। তবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় ধীরগতিতে এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে ১৯টি আপিল। তবে সাত বছরে এসে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমে এখন অনেকটা অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, শীর্ষ অপরাধীদের বিচার শেষ হয়ে যাওয়ায় ট্রাইব্যুনালের এখন আর সেই জৌলুস নেই।

২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ পুনর্গঠন করে ট্রাইব্যুনাল-২ নিষ্ক্রিয় করা হয়। এর কারণ সম্পর্কে তখন আইন মন্ত্রণালয় জানায়, মামলার সংখ্যা কম থাকায় একটি ট্রাইব্যুনাল নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তবে এটি বিলুপ্ত হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে আবার এটিকে সক্রিয় করা হবে।

প্রথম ট্রাইব্যুনাল গঠনের দুই বছর পর বিচারে গতি আনতে ২০১২ সালের ২২ মার্চ দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। সাত বছরে তদন্ত সংস্থা ৪৯টি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এখনো বিপুলসংখ্যক (৭৫ জন) সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের যথাযথ তৎপরতা নেই।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেয়াদ আল মালুম বলেন, ‘চুয়াল্লিশ বছর পর বিচার শুরু হয়। এতে দেশের শহীদ পরিবারগুলো আশায় বুক বাঁধে। এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে ২৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এ ছাড়া তদন্ত সংস্থা প্রতি মাসে তিন থেকে চারটি নতুন করে প্রসিকিউশনে জমা দিচ্ছে। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল বন্ধ। আমরা মনে করি, ট্রাইব্যুনালকে সচল করা উচিত।’ তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান আনোয়ার উল হক মারা যাওয়ার পর পাঁচটি মামলার সাক্ষীকে প্রসিকিউশন টিম দীর্ঘদিন ঢাকায় রাখার পর গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষীদের পরবর্তী সময়ে হাজির করা কঠিন হয়ে পড়বে। কেননা, দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হচ্ছে। গ্রামে গিয়ে সাক্ষীরা প্রতিনিয়ত ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest