বিশালকার সিঙ্গারা তৈরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়ল জনপ্রিয় এশিয়ান স্ন্যাক্স। ১৫৩.১ কেজি ওজনের সিঙ্গারাটি তৈরি করা হয়েছে লন্ডনে।
মঙ্গলবার মুসলিম এইড ইউকে চ্যারিটির ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রথমে বিশাল সেই সিঙ্গারা তৈরি করেন ও তারপর পূর্ব লন্ডন মসজিদের ভ্যাটে সেটি ডিপ ফ্রাই করেন।
গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তারা গোটা প্রক্রিয়ার তদারকি করে সিঙ্গারাটিকে বিশ্বের বৃহত্তম সিঙ্গারা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
এর আগের রেকর্ডটি ছিল ব্র্যাডফোর্ড কলেজের দখলে। ২০১২ সালের জুন মাসে উত্তর ইংল্যান্ডে ১১০.৮ কেজির সিঙ্গারা বানিয়েছিল তারা।
আয়োজক ফরিদ ইসলাম জানান, ‘আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল। খুব চিন্তা হচ্ছিল। সিঙ্গারাটা ভেঙে যাবে মনে হচ্ছিল। একটা ফাটল ধরা পড়তেই আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ‘
১৫ ঘণ্টা ধরে তৈরি বিরাট সিঙারাটিকে প্রায় শতাধিক গৃহহীন মানুষকে ভাগ করে খেতে দেওয়া হয়। সূত্র: এনডিটিভি

বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে পাটের প্রচুর চাষ হয়, সেসব অঞ্চলে পাট সংগ্রহের সময় পর্যাপ্ত পানি না থাকলে ভালো মানের পাটের আঁশ পাওয়া সম্ভব হয় না। অবশ্য পচনের জন্য পর্যাপ্ত পানি থাকা অঞ্চলেও যথাযথভাবে পাট না পচানোর ফলে পাটের আঁশের মান ভালো হয় না। সে জন্য চাষিরাও ভালো দাম পান না। পাট সংগ্রহের পর এর পচন প্রক্রিয়া বা জাগ দেয়া তিনভাবে করা যেতে পারে।
কম গভীরতাসম্পন্ন ছোট ডোবা বা পুকুর বা খালের পানিতে কাঁচা পাট থেকে ছাড়ানো ছাল গোলাকার করে মোড়া বেঁধে লম্বা বাঁশে ঢুকিয়ে বা ঝুলিয়ে পানিতে ডুবিয়ে দিতে হয়। বাঁশটি ডুবানোর জন্য দু’টি বাঁশের খুঁটি ডোবা, পুকুর বা খালের পানিতে দুই পাশে পুঁতে দিয়ে পাটের ছালের মোড়াসহ লম্বা বাঁশটি পানির নিচে বেঁধে দিতে হয়। এভাবে পচানো পাটের আঁশের মান বেশ ভালো হয়।
