সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

তালা প্রতিনিধি : তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা শনিবার সকালে তালা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কমান্ডার মফিজ উদ্দীনের সভাপতিত্বে- সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক আবু রায়হান তিতু। বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লাইলা পারভীন সেজুতি। সভাটি পরিচালনা করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশ্বাস কহিনূর ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে তালা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার আলাউদ্দীন জোয়াদ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা অমল কান্তি ঘোষ, সমর সরদার, সামছুর রহমান, আব্দুল গোফুর, শহিদুল ইসলাম, এবাদুল পাড়, নজরুল সরদার, আওয়ামীলীগ নেতা খোরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা ফারুক হোসেন পিল্টু, উপজেলা তরুনলীগ সভাপতি প্রভাষক এস.আর আওয়াল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের যুগ্ম আহবায়ক এস. এম. গোলাম ফারুক, রফিকুল ইসলাম বাবলু, সদস্য মাহমুদ আলী সুজন, আবু হোসেন অপু, এস.এম. আহসান উল্লাহ, তালার বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান অজয় ঘোষ বাবলু, শেখ জাহিদুর রহমান লিটু, আছাদুল্লাহ মিঠু, জাহিদুর রহমান রিপন ও নিহার রঞ্জন সরকার প্রমুখ বক্তৃতা করেন। ১১ সদস্য বিশিষ্ট তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর আহবায়ক কমিটি গঠনকালে ৮জন সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হয়। কিন্তু আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্য সচিব পদে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় উক্ত ৩টি পদের জন্য মনোনীত ব্যক্তির নাম পরবর্তীতে প্রকাশিত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উক্ত সভায়, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক দৃষ্টিপাতের মফঃস্বল বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের ডাকের জেলা প্রতিনিধি এবং সাতক্ষীরা পৌর আ. লীগের নেতা মোহাম্মাদ আলী সুজনের শশুড় আইয়ুব আলী হাওলাদার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…….রাজিউন)। তিনি শুক্রবার রাত সোয়া ১১ টার দিকে খালিশপুর পদ্মা গেট এলাকার নিজ বাড়িতে হঠাৎ বুকে ব্যাথা অনুভব হলে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ও পরে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ৩ মেয়েসহ আতœীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত শনিবার বাদ জহর খুলনার খালিশপুর পদ্মা গেট এলাকায় জানাজা শেষে গোয়ালখালী গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মরহুমের জামাতা মোহাম্মাদ আলী সুজনসহ স্থানীয় মুসল্লীগণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি পলিটেকনিক ছাত্রলীগের শোক র‌্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ছাত্রলীগের শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক শাখার সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি. এম আজিজুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ ড. এম এম নজমুল হক, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়ন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লিপু, সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান শাওন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। সেই মহান নেতাকে ১৫ আগস্ট রাতে কতিপয় বিপথগামী সেনাকর্মকর্তারা স্ব পরিবারে হত্যা করে। আজ সেই মহানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। সাথে সাথে ৭১’র স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্র রুখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাজধানীর শ্যামপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাহুল পাটোয়ারী ও তার সোর্স মৃদুল আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। এতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাহুল পাটোয়ারী ও তার সোর্স মৃদুল আহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সদর উপজেলা টাইলস মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন বুধবার সারা দিনের পরিশ্রম শেষে রাতে বাড়ি এসে খেয়ে দেয়ে রাস্তার পাশে দোকানের কাছে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় সাতক্ষীরা থানার পুলিশ এসে তাকে বাজ পাখির মতো ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে গেল। পরদিন সকালে তাকে দুই বোতল ফেনসিডিল দিয়ে চালান দিলো পুলিশ। এখন তিনি জেল হাজতে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তার সংগঠনের নেতারা বলেন, আলিপুর গ্রামের আবদুল মাজেদের ছেলে আক্তার জীবনে কখনও ফেনসিডিল খায়নি, ছোঁয়নি, কেনেনি, ব্যবহারও করেনি। পুলিশ অন্য এক ব্যক্তিকে ধরে এনে তার কাছে পাওয়া ফেনসিডিলের দুই বোতল আক্তারের কাছে দিয়ে তাকে ফেনসিডিলখোর বানানোর চেষ্টা করেছে। আর এর পেছনে রয়েছে এলাকার ইউপি মেম্বর বহু টাকাওয়ালা মানুষ রফিকুল, যাকে এলাকার মানুষ ঘৃণা করে।
শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে টাইলস মোজাইক শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি রবিউল ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা সরকারি জমিতে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের একটি অফিস তৈরি করতে চাইছিলাম। মেম্বর রফিকুল তাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারের ইউপি নির্বাচনে আক্তার হোসেন রফিকুলকে সমর্থন দেন নি। এ সব কারণে তার সাথে আমাদের দ্বন্দ্ব চলছে। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে ক্ষমতাধর রফিকুল আমাদের নেতা আক্তার হোসেনকে ষড়যন্ত্র করে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছে। রফিকুলের বিরোধীতা করায় এর আগেও জিয়াদ ও মনিরুলকে মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়েছিল। বিদেশ খেটে আসা এই রফিকুল এখন অনেক টাকার মালিক। এই টাকার জোরে সে সম্প্রতি জাহিদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে জামায়াত বানিয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করে গ্রেফতার করায়। পরে তদন্তে দেখা যায় তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। পুলিশ তাকে সসম্মানে ছেড়ে দেয়। রফিকুল মেম্বর নানা অপকর্মের হোতা উল্লেখ করে তারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন তার দুই স্ত্রীই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এলাকার মানুষ কাওরা মেম্বর না বললে চেনে না তাকে। আমরা তার কবল থেকে রক্ষা পেতে চাই। পুলিশ যেনো তাকে পাত্তা না দেয়। কারণ সে অসৎ ব্যক্তি। সে আস্ফালন করে বলেছে আমাদের সংগঠনের নেতাকর্মীদের এক এক করে পুলিশে ধরিয়ে পথে বসাবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন রফিকুল মেম্বরের চক্রান্তের কারণে নিরীহ টাইলস মিস্ত্রী আক্তার গ্রেফতার হওয়ায় তার পাঁচ বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী। আমরা অবিলম্বে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে আক্তার হোসেনের মুক্তি চাই। একই সাথে দুষ্ট ও অসৎ মানুষ এবং নানা অপরাধের হোতা রফিকুলকে গ্রেফতার করে তার শাস্তি দাবি করছি। কারণ তার অত্যাচারে এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক শামীম হোসেন বাবু, আবদুল হাকিম, আবদুল আলিম, শরিফুল ইসলাম, শেখ বাবু, সুজন ইসলাম, কবির হোসেন প্রমুখ নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভার নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে মার্কেট সংস্কারের কাজ করায় পৌর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের বাধার মুখে তা পরিত্যক্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে গত ইং- ০৪/০৪/২০১৭ তারিখে উপ-সচিব মো. আব্দুর রউফ মিয়া ৪৬.০০.০০০০.০৬৩.৩১.০০৯.১২-৩৯৫ নং স্মারকে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটটি কনডেম বা পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে। পৌর কর্তৃপক্ষ মার্কেটটি ভেঙে নতুন বহুতল মার্কেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং নোটিশের মাধ্যমে দেড় মাস সময় বেধে দেয় এবং ব্যবসায়ীদের দোকান ঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা এর বিরুদ্ধে গত-ইং- ২০/০৬/২০১৭ তারিখে ব্যবসায়ীদের পক্ষে শহরের মুনশিপাড়া গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে আবুল হোসেন বাদি হয়ে হাইকোর্টে ৬১২৯/২০১৭ নং রিট পিটিশন দাখিল করে। ০৫/০৭/২০১৭ তারিখে সুপ্রীম কোর্ট বিচারপতি নাইমা হায়দারের ডিবিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেন এবং সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে স্থীতিশীল অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের এ নির্দেশ অমান্য করে শনিবার সকাল ৯ টায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দাউদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলুর নির্দেশে ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে রাজ-মিস্ত্রি দিয়ে ছাদের ফাটলসহ সংস্কার কাজ করছিল। নিউ মার্কেট কনডেম ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা মার্কেটের ছাদের ফাটল সংস্কার করছে। এমন খবর পেয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে প্যানেল মেয়র মো. আব্দুস সেলিম, কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, পৌরসভার প্রধান হিসাব রক্ষক প্রশান্ত ব্যানার্জী, সহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ, সার্ভেয়ার মামুনার রশিদসহ পৌর কর্তৃপক্ষ সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেয় এবং সদর থানা পুলিশকে অবগত করলে ঘটনাস্থলে মার্কেট সংস্কারের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দাউত হোসেন বলেন, ছাদের কয়েকটি স্থানে ফাটল দিয়ে পানি পড়ছিল সে কারণে ব্যবসায়ীরা কমিটিকে জানালে আমরা সংস্কারের অনুমতি দিয়েছি।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, “সাতক্ষীরা পৌরসভার নিউ মার্কেটটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ বহু পুরাতন একটি বিল্ডিং। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ব্যবসা পরিচালনা করছে। যে কোন মুহুর্তে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিল্ডিংটি ধ্বসে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের প্রাণহানী ঘটতে পারে। ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি বিল্ডিংয়ের ছাদে বড় বড় ফাটল ও মসজিদের ছাদ ধ্বসে পড়েছে। সাধারণ মানুষ ও ক্রেতারা এই মার্কেটে যেতে চাই না। এ বিষয়টি নিয়ে সকলের মাঝে আতংঙ্ক বিরাজ করছে। সচেতন মহল মনে করছে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানী ঘটার আগেই জরুরি ভিত্তিতে পরিত্যক্ত নিউ মার্কেটটি ভেঙে সাতক্ষীরা শহরের শোভা বর্ধনে একটি নান্দনিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা দরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি হরিজন, বেদে, ঋষি ও হিজড়াদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন বাংলাদেশ দলিত পরিষদ জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের মুনজিতপুরস্থ মীর মহলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরপদ দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় বক্তব্য শ্যামনগর উপজেলা সভাপতি কাশি নাথ দাশ, সাধারণ সম্পাদক মতিন্দ্রনাথ দাশ, কালিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি পঞ্চানন দাশ, সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত দাস, তালা উপজেলা সভাপতি প্রবীর দাস, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাশ, আশাশুনি উপজেলা সভাপতি স্বপন দাশ প্রমুখ। বাংলাদেশ দলিত পরিষদ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন তারা খুবই অবহেলিত। সরকারের যে সব সংগঠন সমাজের পিছিয়ে পড়া জন-গোষ্ঠিকে নিয়ে তাদের সমাজ, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে তাদের সাথে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। তাদের সংঠনের সদস্যদের সরকারের এ সব সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সাংসদের কাছে দাবি জানান তারা যেন তাদের অধিকার থেকে আর বঞ্চিত না হয়। এসময় বাংলাদেশ দলিত পরিষদ জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জনসাধারণের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর। কিন্তু সেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই যদি হয়ে যায় আতঙ্কের কারণ তাহলে জনসাধারণের নিরাপত্তা কোথায়। দিনে দিনে সাধারণ মানুষের আস্থা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কমে যাচ্ছে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার (১২ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি আয়োজিত ‘আইনের শাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় এমনটি উঠে আসে।

আলোচনা সভায় বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের লোকেরা আইন লংঘন করলে তাদের বিচার কিভাবে হবে সেটিও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আলোচকেরা। এসব বিষয় সমাধানে ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান কার্যকর করার দাবি তোলা হয় আলোচনা সভা থেকে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী, আইন ও সালিস কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন, ঢাবির আইন বিভাগর অধ্যাপক ড. রেদওয়ানুল হক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মানবাধিকার কর্মী শিরীন হকসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল নিয়োগের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে সংবিধানে ন্যায়পালের বিধান রয়েছে। ন্যায়পালের কাজ সম্পর্কে ওই আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়সহ সকল সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত তদন্ত ও বিচার করবে।

আয়োজক সংগঠনের সদস্য ও আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন বলেন, ‘স্বজ্ঞানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলা হয়েছে। কারণ বাহিনীর সঙ্গে রক্ষাকারী শব্দটা আর যায় না। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিককে অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন অপহরণ করে তিন বছর আগে। অপহরণের পরপরই থানায় মামলা দায়ের করলেও কারা এর পেছনে ছিল সে সম্পর্কে তদন্তে কিছু জানা যায়নি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দলীয়করণের কারণে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ আইনের শাসন বিঘ্নিত হবার মত ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সবাই হতাশায় ভুগছি। একটা স্বাধীন কমিশন গঠন করে এই সমস্যার কিছুটা সমাধান করা যেতে পারে। আর এই বিচারপতিকে কি কিছু করা যায় না? আমি কিংবা আসিফ নজরুল তো আদালত অবমাননা করি নাই। অবমাননা করছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খাইরুল হক।

বেলার নির্বাহী প্রধান রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘টেলিভিশন টক শোতে দেখলাম খুব কথা। যারা অপহৃত হয়ে যাচ্ছেন তারা আর কথা বলেন না। এটা বুঝবার বুদ্ধি নেই আপনাদের? কথা কেমন করে বলবে? যদি একটা অপহরণের ঘটনাই শেষ অপহরণের ঘটনা হতো, তাহলে অবশ্যই যারা অপহৃত হয়েছেন তারা এবং তাদের পরিবার কথা বলতেন। একটা অপহরণের ঘটনা সারতে না সারতেই যদি দেখেন, সাতজন অপহরণ হয়েছেন, তাও আবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে এবং এমন পর্যায় থেকে যাকে আপনি ফেলে দিতে পারবেন না।এটা তো আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কালচারের ভেতরে ঢুকে গেছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটা ‌‘বিপদে পড়ার কালচারের’ মধ্যে ঢুকে গেছে। মানুষ এখন প্রতিবাদ করতে গেলে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিপদে পড়ো না। জনগণের অনাস্থা, অবিশ্বাসের জায়গাগুলো শনাক্ত করে, আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‌‘যেসব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থাহীনতা চরম, অবিশ্বাস চরম, সেখান থেকে মুক্তি পেতে হলে, কোনো আইন বাতিল করতে হলে আমাদের বাতিল করতে হবে। যদি বিডিআরের নাম বদলে যেতে পারে, যে সে মূল্যবোধ নিয়ে ব্যাজ পরতে পারছে না, তাহলে র‍্যাবের ব্যাপারেও আসলে আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের মতে, নাগরিকেরা হারিয়ে গেলে নির্বাচনে জেতা যাবে না। ‌জাতীয় পরিচয়পত্রধারী নাগরিকেরা হারিয়ে যায়। কেউ বলতে পারে না। পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনী বলতে পারবে না এটা তো দিনের পর দিন হতে পারে না। এটা কোনো কথা? ন্যুনতম জবাবদিহিটুকু থাকবে না? তারা সমানে গ্রেপ্তার করতে পারে, জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে, অ্যারেস্ট করতে পারে, কেউ তো বাধা দিচ্ছে না, কিন্তু আমরা হারিয়ে যাব কেন? তাহলে এই পরিচয়পত্র দিয়ে আমাদের লাভটা কি হলো? এটা আমাদের সুরক্ষাকবচ। আর নাগরিকেরা হারিয়ে গেলে কি হবে, আগামী নির্বাচনে জেতা যাবে? কোনোভাবেই সম্ভব না। বরং নাগরিকেরা যদি থাকতে পারে তাহলেই আগামি নির্বাচনে জেতা সম্ভব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. আসিফ নজরুল বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক ত্রয়োদশ সংশোধনীর সংক্ষিপ্ত রায়ের ১৬ মাস পরে নিজের রায় পরিবর্তন করে যে, রায় দিয়েছেন সেটা ছিল ফৌজদারী অপরাধ। আমি মনে করি যে, কোন বিচারে এটা একটি প্রতারণা। এটা জাতির সাথে প্রতারণা। এর খেসারত আমাদেরকে কতভাবে দিতে হচ্ছে। আমার যেটা মনে হয়েছে শুধু মানুষ গুম হয়নি। গুম হয়েছে আইনের শাসন, গণতন্ত্র। এমনকি রাষ্ট্রও গুম হওয়ার পথে রয়েছে।

৫৭ ধারার আইনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্যতম কালো আইন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, এর থেকে কালো আইন বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়নি।

৫৭ ধারা এবং আদালত অবমাননার আইনের প্রয়োগে দেশে যে বৈষম্য হচ্ছে তা নজিরবিহীন আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এর চেয়ে বৈষম্যমূলক প্রয়োগ আর হতে পারে না। সরকার বা তাদের কারো বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলা হয়। অথচ দিনের পর দিন দেখি সরকার পক্ষের লোকজন সবার সম্পর্কে আজে বাজে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনুস, এবিএম মূসা বলেন কাউকে বাদ দেয়নি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হলে আদালতের গ্রহণ করার ক্ষমতা আছে কি এমন প্রশ্ন করেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরি বলেন, সাম্প্রতিক কালে ঢাকা শহরে যেমন চিকনগুনিয়া নামক রোগে আক্রান্ত হয়েছে, ঠিক তেমনি পুরো বাংলাদেশ যেন চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত। আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছেন তাতে কেউ সংক্ষুব্দ হলে রিভিউ করতে পারে। কিন্তু সব পক্ষ যেভাবে এটার পিছু লেগেছে, একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি ক্ষমার অযোগ্য কাজ করেছেন। ওনার (খায়রুল হক) নিজের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন আছে আর সেগুলো উনি এখন জনগনের সামনে আনছেন। আইন কমিশনে বসে কিছু করতে পারছেন না, এখান তিনি কথা বলা শুরু করেছেন।

সুব্রত চৌধুরী আরো বলেন, এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হতে পারে। এই একটা জায়গাই আছে। এটা নষ্ট করবেন না। আমাদের মৌলিক অধিকার নিচে নেমে যাচ্ছে সেটা নিয়ে আপিল বিভাগ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। আগামিকাল সাত খুন হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায়। এটাও তো হত না। এই ঘটনায় জড়িতদের যার যার স্ব স্ব বাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। হাইকোর্টে মামলা করে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা করতে হল।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেদওয়ানুল হক। প্রবন্ধে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া আইনের শাসন হবে না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের ভূমিকা পালন করতে পারবে না। নির্যাতন, বিনা ওয়ারেণ্টে গ্রেফতার এগুলোর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। দীর্ঘদিন যাবত মামলার তদন্ত হয় না, হলেও ধীর গতি, মাইনোরিটিদের নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে ঘরের ভেতর আলোচনা করলেও অনুমতি নিতে হয়, ৫৭ ধারার মত আইন এবং এর বৈষম্যমূলক ব্যবহার এবং দ্রুত রেসপন্স এর অভাব। এসব কারনে আইনের শাসন ব্যহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর অপরাধে জড়িয়ে পরার প্রবণতা বেড়েছে। জবাবদিহিতার সাথে আইনের শাসনের ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের দেশে জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে। রাজনৈতিক কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবহার যতদিন বন্ধ না হবে ততদিন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না।

আলোচনা সভার সমন্বয়ক সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে, তারা কোনো আইনী প্রক্রিয়া ছাড়াই গ্রেপ্তার করছে। সে কারণে গ্রেপ্তারের পরিবর্তে তুলে নিয়ে যাওয়া, উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো বেআইনি শব্দগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে। যেহেতু আইনি প্রক্রিয়া না মেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত প্রতিকার আসলে নেই বলে মন্তব্য করেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

আলোচনা সভায় গুম হওয়া সাতক্ষিরার সেই পল্লী ডাক্তারে স্ত্রী জেসমিন নাহারও তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আমার স্বামীকে পুলিশ গুম করেছে। আমার স্বামীকে আমি ফিরে পাবো কিনা জানিনা। তবে আমি এই জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে আর কোন পরিবারকে এই ধরনের ঘটনার স্বীকার হতে না হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest