সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা প্রশংসিত : মাহমুদ আব্বাস

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তিনি বলেন, ‘এটি একটি দুর্যোগ। সর্বত্রই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।’

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আসা ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, গতকাল সোমবার গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে উভয়ে বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘বৈঠকে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিন সংকটের বর্তমান অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে জানান। এ সময় শেখ হাসিনাও ফিলিস্তিনের মানুষের পাশে থাকার ব্যাপারে তাঁর অঙ্গীকারের কথা জানান।

বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু মানবিক গুণাবলি আছে। অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বাংলাদেশে সাত লাখ মিয়ানমারের শরণার্থী বসবাস করছে। যদিও মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তৎপরতার কথাও মাহমুদ আব্বাসকে জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, একজন শরণার্থীর দুঃখ-কষ্ট তিনি বোঝেন। কারণ, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা শরণার্থী হিসেবে ছয় বছর বিদেশে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।

আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য তাঁর সরকার শরণার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

ওই বৈঠকের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে অপহরণ, ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে

রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ানকে দুদিনের রিমান্ডে নিয়েছে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ অসীম দেওয়ানকে নারায়ণগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অসীম দেওয়ানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও অস্ত্র আইনে রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার বিকেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে অস্ত্র দেখিয়ে অপহরণ করেন অসীম দেওয়ান। সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূগগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকা থেকে অসীম দেওয়ানকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর দুই সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। জব্দ করে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা অসীম দেওয়ানের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় একটি অপহরণ মামলা এবং পুলিশ বাদী হয়ে অপর একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করে।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মতিয়ার রহমান জানান, অপহরণের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। গ্রেপ্তার হওয়া অসীম দেওয়ানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাঁর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করতে সুবিধা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো স্থায়ী মার্কিন ঘাঁটি

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে স্থাপন করা হলো যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি। গতকাল সোমবার নেগেভ মরুভূমির প্রাণকেন্দ্রে ইসরায়েলের বিমানবাহিনীর স্কুল অব দ্য এয়ারাল ডিফেন্স ডিভিশনে এই ঘাঁটি স্থাপনের কাজ শেষ হয়। ঘাঁটিটিতে অল্প কিছু মার্কিন সেনাসদস্য কাজের পাশাপাশি বসবাস করবেন।

ইসরায়েল বিমানবাহিনীর মাশাবিম বিমানবাহিনীতে স্থাপিত এই ঘাঁটিতে এরই মধ্যে যোগ দিয়েছেন মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যরা।

হারেটজ, টাইমস অব ইসরায়েলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।

ঘাঁটি উদ্বোধনের সময় ডিফেন্স ডিভিশনের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ভি হাইমোভিচ বলেন, এই ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি প্রতিফলিত হলো। তিনি বলেন, ‘এই ঘাঁটিটি এখানে অবস্থানের জন্য স্থাপিত হয়েছে। ইসরায়েলে থাকা মার্কিন সম্পদ রক্ষা করতে এটিই যথাযথ পদক্ষেপ।’

নেগেভে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপিত এক্স ব্যান্ড রাডার সিস্টেমটি যে সেনারা পরিচালনা করেন, স্পষ্টতই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তার কথা উল্লেখ করেন। ভীষণ শক্তিশালী এই রাডার শত শত কিলোমিটার দূরে থাকা মিসাইলও শনাক্ত করতে পারে। ইসরায়েলের প্রতি ইরানের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে দেশটির শক্তি বৃদ্ধি করতেই এই রাডারটি স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক নয় বরং দুই দেশের বহু পুরোনো সম্পর্কের প্রতিফলন বলেও মনে করেন ইসরায়েলি এই কর্মকর্তা। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসরায়েলের বাহিনী আরো উন্নয়নের সুযোগ পাবে।

আকাশে যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা ২০১৪ সালে গাজা যুদ্ধের সময়ই বোঝা গিয়েছিল বলে জানান হাইমোভিচ। সে সময় ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হাজারো রকেট ছোড়া হয়। সেই সব অভিজ্ঞতা থেকেই সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইসরায়েলের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ঘটনা এই অঞ্চলকে দুই দেশের বন্ধুত্বের শক্তির বিষয়ে বার্তা দেবে বলে মনে করেন দেশটির সেনা কর্মকর্তারা।

বিমানবাহিনীর ইসরায়েলের ঘাঁটির মধ্যে স্থাপিত এই মার্কিন বিমান ঘাঁটি পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর ইউরোপিয়ান কমান্ড। এতে শক্তিশালী রাডার ছাড়াও রয়েছে সৈন্যদের থাকার জন্য ব্যারাক, অফিস এবং অন্যান্য সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শহিদ রিমুর মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্র মৈত্রীর মৌনমিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নেতা শহিদ জুবায়ের চৌধুরি রিমুর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রমৈত্রীর মৌনমিছিল ও স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা ছাত্রমৈত্রী’র একটি মৌন মিছিল শহরের বিশেষ বিশেষ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ রিমুর স্মৃতি ফলকে পুস্পস্তাবক অর্পণ করেন। এছাড়া জেলা যুবমৈত্রীর পক্ষ থেকেও শহিদ রিমুর স্মৃতিফলকে পুস্পস্তাবক অর্পণ করা হয়। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি প্রনয় সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবমৈত্রীর দেবাশীষ মন্ডল, পলাশ দাশ, বিশ্বনাথ কয়ালসহ জেলা ছাত্রমৈত্রী ও জেলা যুবমৈত্রীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে চুরি গেছে এইচ টি ইমামের ফোন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁসের শঙ্কা

ন্যাশনাল ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। গত রোববার ভারতের কলকাতায় খোয়া যায় তাঁর ব্যবহৃত আইফোনটি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এ ঘটনায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন শহরটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ চ্যান্সেরির প্রধান বি এম জামাল হোসেন।
বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, হারিয়ে যাওয়া ওই মোবাইল ফোনটিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। কারণ এইচ টি ইমাম বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পদমর্যাদা ধারণ করেন এবং তিনি শেখ হাসিনার বেশ ঘনিষ্ঠজন।
ফোনটি কীভাবে খোয়া গেল সে সম্পর্কে কোনো ধারণাই পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ কলকাতা এয়ারপোর্টে পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশি কূটনীতিক পরিবেষ্টিত ছিলেন। এরপর সেখান থেকে হোটেলে যাওয়া পর্যন্ত সময় বা হোটেলেও সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পার্ক সার্কাসের কাছে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছাকাছি কোনো স্থান থেকে ফোনটি হারিয়েছে। পুলিশ ফোনটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। আশঙ্কার কথা হলো, চুরি যাওয়ার পর থেকে ফোনটি এখন পর্যন্ত চালু করা হয়নি। সেটিতে এইচ টি ইমামের যে সিমকার্ড ছিল, তা খুলে ফেলা হয়েছে কি না সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া ফোনটি থেকে তথ্য চুরির আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
কলকাতার এক পুলিশ কর্মকর্তা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, এই মুহূর্তে ফোন খুঁজে পাওয়াটা তাঁদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর সঙ্গে বাহিনীর মান-সম্মান জড়িত। এদিকে এই ফোন খুঁজে পেতে দেরি হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, হারানো ফোন খুঁজে পেতে ফোনটির নির্মাতা অ্যাপলের যে ট্রাকিং পদ্ধতি রয়েছে, তা কাজ করছে না।
এ বিষয়ে গতকাল সোমবার পর্যন্ত ফোনটি খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছিলেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতীয় বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্রকে শ্লীলতাহানি

বিনোদন ডেস্ক : কাঞ্চনা মৈত্ররাতের কলকাতায় শ্লীলতাহানির শিকার হলেন ভারতের বাংলা সিরিয়ালের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন তিনি। গত শনিবার রাতে শুটিং শেষ করে বাসায় ফেরার পথে বেহালার সিরিটি শ্মশানের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে আজ মঙ্গলবার জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনজন মদ্যপ যুবক রাস্তায় কাঞ্চনা মৈত্রের গাড়ি থামিয়ে তাঁকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে এবং তাঁর গায়ে হাত দেয়।
কাঞ্চনা মৈত্র পরদিন বেহালা থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশকে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি বলেছেন, গত শনিবার রাতে শুটিং শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সাড়ে ১২টা নাগাদ সিরিটি শ্মশানের কাছে রাস্তায় তাঁর চলন্ত গাড়িতে ইট ছুড়ে মারে। গাড়ির চালক গৌর পাল গাড়ি থামাতে বাধ্য হন। তখন দুজন মদ্যপ যুবক তাঁকে ঘেরাও করে। গাড়ির চালককে রক্ষা করতে নেমে আসেন কাঞ্চনা। তিনি মদ্যপ যুবকদের গাড়ির সামনে থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় গাড়ি থেকে চাবি খুলে নেয় মদ্যপ যুবকেরা এবং গাড়ির চালক আর কাঞ্চনাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে।

তখন পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি টহল গাড়ির দিকে ছুটে যান কাঞ্চনা মৈত্র। তিনি পুলিশের কাছ থেকে সহযোগিতা চান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শংকর দলুই ও সুরজিত পাণ্ডা নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তৃতীয় আরেকজনকে খুঁজছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালিতে শিশু ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সভা

ঝাউডাঙ্গা ব্যুরো : কুশখালি ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউনিয়ন ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কমিটি (সিবিসিপিসি), শিশু ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে শিশুদের বাজেট সমন্বয় বিষয়ক ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার কুশখালি ইউনিয়ন পরিষদে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র সহযোগীতায় উক্ত ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, মো. ফারুক হোসেন রিপন, মো. রফিকুল ইসলাম, ইউপি সচিব মো. মতিউর রহমান, ইউনিয়ন ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কমিটির সভাপতি মোছা. মনজুরা খানম ইতি, কমিটির সদস্য মোছা. ফিরোজা খাতুন, কমিউনিটি মবিলাইজার মোছা. নুর জাহান, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার মেহেরুন্নেছা রিনা, শিশু প্রতিনিধি মোছা. সারমিন, লিমা, মাহফুজ প্রমুখ। সভায় শিশুদের চাহিদার ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত বাজেট অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে খাত অনুযায়ী ব্যয়ের পরিকল্পনা ও অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শিশুদের মতামত ও চাহিদার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ভাবে শিশু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি সমাধানের বিষয়ে সকল ইউপি সদস্যকে আহবান জানান। সভাটি সঞ্চালনা করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র জিসিসি প্রকল্পের কমিউনিটি মবিলাইজার মো. আবুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ ঘোষণা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন।
সাতক্ষীরা সামাজিক বনবিভাগ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় স্থানীয় তুজলপুর গাছের পাঠশালা তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে তুজলপুর কৃষক ক্লাবের সভাপতি ও গাছের পাঠশালার পরিচালক ইয়ারব হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস.এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, শাহাজান সিরাজ, তুজলপুর কৃষক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রহমান রমজান আলী বিশ্বাস প্রমুখ।
এসময় ‘গাছ আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। গাছের সাথে বন্ধত্ব অটুট থাকুক। গাছ কাটবো না। গাছের ও মানুষের কোন ক্ষতি করব না। আমাদের স্কুল আঙিনার পরিত্যক্ত জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাবো। গড়ে তুলবো সবুজ পৃথিবী’ বলে শপথ নেন অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পরে বিদ্যালয় চত্বরে দেবদারু, জারুল, কাঞ্চন, কদম, আম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ওষুধি বৃক্ষ রোপণ করে সুবজ ক্যাম্পাস কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
এ সময় তিনি বলেন, বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় গাছের কোন বিকল্প নেই। এর সাথে ভালো করে পড়ালেখা করে দেশে সেবায় এগিয়ে আসতে হবে।
এ কর্মসূচি প্রসঙ্গে গাছের পাঠশালার পরিচালক ইয়ারবের হোসেন জানান, পর্যায়ক্রমে স্কুল ক্যাম্পাসে পাঁচ শতাধিক ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest