সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিসাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন

এবার গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয়ের ভাবনা চিন্তা চলছে ভারতে। সম্প্রতি বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ জানান, গো-রক্ষা মন্ত্রণালয় গঠনের পরিকল্পনা চলছে। এ বিষয়ে অনেক পরামর্শ, দরখাস্ত এসেছে।

এসময় অমিত শাহ’র সঙ্গে ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় তৈরির কথা বললেও এর কাজ বাস্তবায়ন হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিভিন্ন জেলায় জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক, পরিবারকল্যাণ সহকারী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীদের জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, ভোলা

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ৬টি

যোগ্যতা : একটি দ্বিতীয় শ্রেণিসহ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান এবং ভোলা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ২০টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস এবং স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ১টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং নাটোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এ ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501501124110.jpg)।

নাটোর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ২টি

যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান।

বেতন : নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ১৯টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ৩টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং নাটোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এ ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501500810104.jpg)।

 

গাইবান্ধা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ৩টি

যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ৩৯টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ৪টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

২৯ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501500568105.jpg)।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, আজিমপুর

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (প্রাক্তন টিএফপিএ)

পদসংখ্যা : ১টি

যোগ্যতা : একটি দ্বিতীয় শ্রেণিসহ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান এবং ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ১৬টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ১৪টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501403991101.jpg)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সদস্য আবু দুজানা ও তাঁর এক সহযোগী নিহত হওয়ার ঘটনায় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে। রাজ্যটিতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে কাশ্মীর উপত্যকার পুলওয়ামায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয় আবু দুজানা ও তাঁর এক সহযোগী। এ ঘটনার পরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পুলওয়ামার বহু বাসিন্দা। তারা ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। সেই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এতে একজন নিহত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লস্কর-ই-তৈয়বার জঙ্গি আবু দুজানা ও তাঁর সহযোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর পুলওয়ামা ছাড়াও কাশ্মীরের দক্ষিণাঞ্চলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়া রাজ্যের রাজধানী শ্রীনগর শহরের কিছু স্থানেও বিক্ষোভ হয়েছে।

গত বছরের ৮ জুলাই হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল কাশ্মীরে। এর পর থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যটিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তিন বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ইয়েমেনের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ফটোগ্রাফার খালেদ আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ আল মাগরাবি (৪১)। স্থানীয় বানি মাতার গোষ্ঠীর একটি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সাজা দেওয়া হয় তাঁকে।

গতকাল সোমবার দেশটির রাজধানী সানার তাহরির স্কয়ারে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে ছিল কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।

পাঁচটি পুলিশের গাড়ি নিরাপত্তা দিয়ে তাহরির স্কয়ারে নিয়ে যায় মাগরাবিকে। মৃত্যুদণ্ড দেখতে সেখানে উপস্থিত হন লাখো মানুষ। অনেকে আশপাশের ভবনের ছাদে বা টেলিফোন লাইনের খুঁটিতেও চড়ে বসেন।

যখন মাগরাবিকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়, তখন উপস্থিত জনতা ‘আল্লাহ মহান’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

পুলিশের ভ্যান থেকে নামিয়ে ওই ব্যক্তিকে চত্বরটির মাঝখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড হিসেবে গুলি করে হত্যা করার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন তিনি। সে সময় আয়েশি ভঙ্গিতে সিগারেট টানছিলেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

একটু পরই খুব কাছ থেকে নিজের একে-৪৭ বন্দুক থেকে গুলি ছুড়ে মাগরাবিকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় চারটি গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এ ঘটনার পর উপস্থিত জনতা মাগরাবির লাশ নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ দ্রুত লাশ নিজেদের ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।

ধর্ষণের শিকার নিহত শিশুটির বাবা সাংবাদিকদের জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার তিনি আনন্দিত। নিজেকে খুব নির্ভার মনে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রের মোহ ত্যাগ করতে হবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টিলারসন এ মন্তব্য করেন।

টিলারসন বলেন, উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতার পালাবদল কিংবা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বিভক্তকারী ‘নর্থ অব দ্য থার্টি এইট প্যারালাল’ অঞ্চলে সেনা পাঠাতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এর পরও চলতি মাসে দুটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষাকে বিপজ্জনক ও উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন তিনি।

‘আমরা ক্ষমতার পালাবদল চাই না। আমরা উপদ্বীপের (উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া) দ্রুত একত্রীকরণ চাই না। আমরা নর্থ অব দ্য থার্টি এইট প্যারালালে আমাদের সেনা পাঠানোর কারণ খুঁজতে চাই না’, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বলেন টিলারসন।

উত্তর কোরিয়ার উদ্দেশে টিলারসন বলেন, ‘আমরা আপনাদের শত্রু নই, আমরা আপনাদের হুমকি নই। কিন্তু আপনারা যুক্তরাষ্ট্রকে অনাকাঙ্ক্ষিত হুমকিতে ফেলেছেন, যার জবাব আমাদের দিতে হবে।’

‘ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা বসতে চাই এবং সংলাপে যেতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে শামছুদ্দিন (৪৮) নামের এক জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনার পর দিবাগতর রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার খবির দর্জীর ছেলে শামছুদ্দিন ঢাকার সেগুন বাগিচা এলাকায় থাকতেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (এসআই) বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, শামছুদ্দিন এনএসআইয়ের জুনিয়র অফিসার হিসাবে কাজ করতেন। বিকালে গুলিস্তান থেকে টঙ্গীর উদ্দেশ্যে একটি বিআরটিসি বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে। ওই বাসেই অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া সীমান্তে ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বড়ালী সীমান্ত থেকে তাদের আটক করে মাদরা বিওপির বিজিবি সদস্যরা।
আটককৃতরা হলো- কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের হুলহুলিয়া গ্রামের মৃত আ.রশিদের পুত্র আ.রহমান (৩২) ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের ছাত্তার মোড়লের পুত্র জোহর আলী (২৩)।
মাদরা বিওপির নায়েক শহিদুল ইসলাম জানান- মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বড়ালী সীমান্ত থেকে আটক ওই দুই ব্যক্তিকে ২ বোতল ফেনসিডিল ও ১’শ ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। আটককৃতদের কলারোয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘আমরা আসলে একটা ম্যাজিক রিয়েলিজমের যুগে বাস করছি। ছাগলের মৃত্যুর ওপর নির্ভর করছে মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের সম্মান! ভবিষ্যতে এ মামলা শতাব্দীর সেরা তামাশার যুগ হিসেবে আমাদের যুগকে চিহ্নিত করবে- এই আশঙ্কা করছি।’ মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাতে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিক ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

রবিবার (৩০ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের বিতরণ করা ছাগলের মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় মামলা হয়। পরে ওই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন আরিফ জেবতিক। শুধু আরিফ জেবতিক নয়; এমন স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের আরও অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী। জালাধি রায় নামের অন্য এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মানুষের সম্মান আর ছাগলের প্রাণ, আহা, কী কায়দায় একত্রে মিলিয়া গেল।’

লেখক মইনুল আহসান সাবের এ ব্যাপারে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ছাগলটা যদি জানত, ৫৭ ধারা এরকম, ও হয়তো না মরে আত্মহত্যা করত।’

সাংবাদিক ও লেখক হাসান শান্তনু লেখেন, ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর বিতরণ করা ছাগল মারা যাওয়া সংক্রান্ত খবর ফেসবুকে শেয়ারের কারণে এক সাংবাদিককে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই সাংবাদিকের নাম আব্দুল লতিফ মোড়ল, তিনি খুলনার স্থানীয় দৈনিক প্রবাহ পত্রিকায় কর্মরত। তাকে গ্রেফতারের বিশেষ কারণ, পুলিশ মনে করে- প্রতিমন্ত্রীর ছাগলও অমরণশীল! প্রতিমন্ত্রীর ছবি ছাড়া শুধু ছাগলের ছবি দেওয়ায় এ গোত্রের প্রাণীদের অপমান করা হয়েছে।’

সংস্কৃতি কর্মী নুহু আব্দুলাহ তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘খোদ ভগবানরাও ভুল করেছেন। ভুল করে নিজের সন্তানের মস্তক ছিন্ন করেছেন। এমনকি, সবচেয়ে বড় দেবতাও। অথচ আমরা মানুষরা এখন এমন ভান করি যেন আমরা ভুল করতেই পারি না! তাই কেউ ভুল ধরিয়ে দিতে এলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করি! আর এ নীতির সবচেয়ে বড় অস্ত্রের নাম ৫৭ ধারা! মানুষরা সাবধান! কারণ, যারা এ অস্ত্র ব্যবহার করছেন, তারা ভুল করেন না। তারা নিশ্চয় দেবতার চেয়েও বড় দেবতা!’

সাংবাদিক এমদাদুল সুমন লিখেছেন, ‘মরছে ছাগল আর মানহানি হইছে তোর নেতার! তোর নেতা কি ছাগল নাকি।’ এইআর বিপ্লব নামে একজন লিখেছেন, ‘ছাগল, ৫৭ ধারাকে ভয় কর।’

খুলনার স্থানীয় সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম ডালিম লেখেন, ‘এরা সাংবাদিক নামের দালাল। সকলে মিলে প্রতিহত করা উচিত।’ এ ব্যাপারে ফেসবুকে মুহাম্মদ নুরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তির অভিমত, ‘যেসব সাংবাদিক এখনও ৫৭ ধারার পক্ষে আছেন, তাদের পরিপক্কতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে, কী বলেন বন্ধুরা।’

শামসুজ্জামান শাহিন নামে একজন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, ‘সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মোড়লের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলাকারী সুব্রত ফৌজদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে স্পন্দন পত্রিকা কর্তৃপক্ষ।’ এ ব্যাপারে এমএম মাহবুবুর রহমান নামে একজন লেখেন, ‘ওর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

এদিকে, বিবিসি বাংলাকে প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তার মানহানি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। তার ভাষ্য, ‘সেটা আমি মনে করি না। আমার কাজ ঠিক থাকলে এতে কিছু আসে যায় না। আমি তো সবগুলি ছাগল দেই নাই। আমি যেটা দিয়েছি সেটা মারা যায় নাই। মারা গেছে অন্য একটা ছাগল।’

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৯ জুলাই) সকালে খুলনার ডুমুরিয়ায় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পক্ষ থেকে কয়েকটি পরিবারের মধ্যে হাঁস, মুরগি ও ছাগল বিতরণ করা হয়। সেসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। সকালে ছাগল বিতরণের পর রাতে একটি ছাগল মারা যায়। পরের দিন এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে সাংবাদিক লতিফ মোড়ল তার ফেসবুক পেজে ‘প্রতিমন্ত্রীর সকালে বিতরণ করা ছাগলের রাতে মৃত্যু’ লিখে একটি পোস্ট দেন। সেখানে প্রতিমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করায় মন্ত্রীর মানহানি হয়েছে বলে দাবি করে লতিফ মোড়লের বিরুদ্ধে মামলা করেন আরেকজন স্থানীয় সাংবাদিক। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্পন্দন পত্রিকার ডুমুরিয়া প্রতিনিধি সুব্রত ফৌজদার। এরপর আব্দুল লতিফ মোড়লকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারেও পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest