সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণী

নলতা প্রতিনিধি : গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার আস্কারপুর গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর পুত্র মানসিক প্রতিবন্ধী মো.নাঈম হোসেকে ফিরে পেয়েছে তার পরিবার। জানা যায় গত মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) কালিগঞ্জ উপজেলার পারুলগাছা বাজারে অবস্থিত মেসার্স ইদ্রিস এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধীকারী আলহাজ¦ মো. ইদ্রিস আলীসহ এলাকার কিছু সচেতন ব্যক্তি ডেইলি সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার প্রকাশিত সংবাদটি পড়েন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হারানো ব্যক্তির বর্ণনা অনুযায়ী তাদের সামনে রাস্তায় চলাফেরা করা মানসিক প্রতিবন্ধী নাঈম হোসেনের বর্ণনার সাথে মিলে যায়। তখন ইদ্রিস আলী সংবাদে উল্লেখিত তার স্বজনদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে তার পরিবারের কাছে ফেরত দিয়েছে বলে নাঈমের চাচা ইউসুফ আলী জানান।
উলেখ্য, গত ২১ জুলাই শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকায় সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার আস্কারপুর গ্রামের মো. নাঈম হোসেন (১৫) সে তার বাড়ি থেকে কাউকে কোন কিছু না বলে বাহির হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। সম্ভব সকল স্থানে খোজ খবর নিয়েও তার কোন সন্ধান পাওয়া না যাওয়ায় উক্ত ঘটনায় নাঈমের চাচা মো. ইউসুফ আলী দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন যার নাম্বার ৯৪০।
এদিকে হারানো ছেলে নাঈমকে ফিরে পেয়ে তার চাচা মো. ইউসুফ আলী এই প্রতিবেদকসহ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গণমাধ্যম হচ্ছে গরীবদের শেষ আশ্রয় স্থল। আজ আমাদের দেশে গণমাধ্যম আছে বলেই আমরা সেখানে গিয়ে সুখ-দুঃখের কথা বলে তার একটা সুষ্ঠু সমাধান পেয়ে থাকি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থ আত্মসাতের মামলায় জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সহকারী সচিব ও বল্লী মোহাম্মদ মুজিবর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অরুপ সাহাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা ১নং আমলী আদালতের বিচারক বেলা ১২টায় তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠনোর নির্দেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নামে ৫কাঠা জমি সমিতির সহকারী সচিব অরুপ সাহা অন্যত্র বিক্রয় করে। বিক্রয়ের সকল অর্থ সমিতির ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে নিজে আতœসাত করে। এঘটনায় সমিতির নির্বাহী কমিটি বিষয়টি নিস্পত্তি করার জন্য একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনিও উপস্থিত থেকে সভার কার্য্য বিবরণী বইতে স্বাক্ষর করেন। সভায় কমিটির সদস্য ও সহকারী সচিবের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে জমি বিক্রয়ের ২লক্ষ ৫হাজার টাকা ২০১২সালের ৩০জুনের মধ্যে সমিতির ব্যাংকে হিসাব নম্বরে জমা দিবেন বলে জানায়। কিন্তু প্রতারক সমিতির সহকারী সচিব অরুপ সাহা বিভিন্ন ভাবে তালবাহানা করে। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন সময় সমিতির কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হলে সে পুনরায় ঐ অর্থ সমিতির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার জন্য সময় চায়। এসময় অন্যান্য সদস্যরা তাকে সময় দিতে না চাইলে সে প্রকাশ্যে তাদেরকে হুমকি দেয় এবং বলেন আমি টাকা নিয়েছি। সমিতিতে আমি কোনো টাকা জমা দিতে পারবো না। পারলে আমার বিরুদ্ধে যা ইচ্ছা তাই করো। এ ঘটনায় শিকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এস এম নাজমুস সাদাত পলাশ বাদী হয়ে সাতক্ষীরা ১নং আমলী আদালতে ২০১৬ সালের ২ জুন একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- সি আর ১৬৮/১৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে পরিবর্তনকামী নাগরিক হিসাবে জনগোষ্ঠিকে উদ্বুদ্ধকরণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের (ইমাম) দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রূপান্তর খুলনার সহযোগিতায় অগ্রগতি সংস্থা সাতক্ষীরার আয়োজনে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিষার সুষমা সুলতানা। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন অগ্রগতি সংস্থার মাষ্টার ট্রেইনার মাওঃ মুজাহিদুর রহমান ও মাষ্টার ট্রেইনার হাফেজ মাওঃ আঃ গফফার। অনুষ্ঠানে আশাশুনি থানার সাব-ইন্সপেক্টর শাহ আঃ আজিজ, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, অগ্রগতি সংস্থার উপজেলা কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান, উন্নয়ন কর্মী নাজমুল হক রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ৩০ জন ইমাম প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। সামাজিক সহিষ্ণুতা এবং শান্তি-সম্প্রীতি নিশ্চিতকরনে যেকোন ধরনের সহিংস উগ্রপন্থার বিপক্ষে পরিবর্তনকামী মানুষ হিসেবে ইমামদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে মুসল্রীদের দায়িত্ববোধ সজাগ করার পাশাপাশি উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতার লক্ষণ চিহ্নিত করে সমাধানে করনীয়তা নির্নয় করা হয়। যাতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একটি শান্তির নীড়ে পর্যুবসিত করতে সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথম ইনিংসে ৬০০ রানের বিশাল পাহাড় গড়েছে ভারত। লোয়ার অর্ডারের সহায়তায় বিশাল পুঁজিই পায় বিরাট কোহলির দল। এরপর বোলিংয়ে নেমেও ত্রাস ছড়িয়েছে সফরকারীরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেট তুলে নিয়েছে ভারত। ভারতের দাপুটে বোলিংয়ে লঙ্কানরা ১৫৪ রান তুলতেই হারিয়েছে ৫ উইকেট। শ্রীলঙ্কা পিছিয়ে ৪৪৬ রানে।

আগের দিন ১৪৪ রানে অপরাজিত থাকা পূজারা দ্বিতীয় দিন আর বেশি দূর আর যেতে পারেননি। দ্বিতীয় দিন ১৫৩ রানেই গুটিয়ে যান নুয়ান প্রদীপের বলে। তার সঙ্গে ব্যাট করতে থাকা রাহানেও হাফসেঞ্চুরি করে ফেরেন কিছু দূর যাওয়ার পর।

এরপর অলরাউন্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৪৭, হার্দিক পান্ডিয়ার ৫০ ও মোহাম্মদ সামির ৩০ রানের সুবাদে ৬০০ রানের পুঁজি পায় ভারত। যাতে অশ্বিন- ঋদ্ধিমান সাহা জুটিতে আসে ৫৯ রান আর সামি পান্ডিয়া জুটিতে আসে ৬২ রান। শেষ দিকে পান্ডিয়া-যাদবের জুটিতেই আসে ২১ রান।

লঙ্কানদের হয়ে একাই ১৩২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন পেসার নুয়ান প্রদীপ। তিনটি নেন কুমারা আর লঙ্কান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ নেন ১টি। বলতে গেলে তুলনামূলকভাবে নিষ্প্রভ ছিলেন লঙ্কান এই স্পিনার।

আগের দিন চোট নিয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন লঙ্কান ব্যাটসম্যান আসেলা গুনারত্নে। লঙ্কান শিবিরে হাল্কা ধাক্কা হয়েই এসেছিল সেই খবর। যার প্রমাণ ব্যাটিংয়ে নেমে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ৭ রানেই বিদায় নেন করুনারত্নে। যাদবের বলে এলবিডাব্লিউ হয়েই ফেরেন তিনি। শুরুর ধাক্কা সামলে উঠার চেষ্টায় ছিলেন উপুল থারাঙ্গা ও গুনাথিলাকা। ৬৮ রান পর্যন্ত যাওয়ার পর হঠাতই গড়ির ঝড় তুলে বসেন সামি। একই ভারে তুলে নেন গুনাথিলাকা ও কুশল মেন্ডিসকে। থারাঙ্গা ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস এগিয়ে নেন এরপর। হয়তো বড় হতো এই জুটি। কিন্তু রানের প্রান্ত বদল করতে গিয়ে ৬৪ রানে সাজঘড়ে ফেরেন থারাঙ্গা। এরপর অশ্বিন দিকবিলাকে ১৪৩ রানে ফেরালে বিপর্যয় নেমে আসে লঙ্কান শিবিরে। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। ম্যাথুসের ৫৪ রানের সঙ্গে ৬ রানে ক্রিজে আছেন দিলুরুয়ান পেরেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী জোট গড়ে ভোটে জিতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর হঠাৎ করেই গতকাল ইস্তফা দিয়ে ফের ১২ ঘণ্টার মধ্যে সেই বিজেপিকে নিয়েই নতুন সরকার গঠন করলেন নীতিশ কুমার।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপি জোটের প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দের সমর্থনের পর থেকেই জেডিইউ নেতা নীতিশ কুমারকে নিয়ে নানা আলোচনা ভেসে আসছিল বিহারের রাজনীতিতে। তার মধ্যেই চলে আসে শরিক আরজেডি-প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে ও উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের দুর্নীতি মামলার বিষয়টি। তেজস্বীর পদত্যাগ নিয়ে টানাপড়েন চলছিল কয়েক দিন ধরেই।

তার মধ্যেই গতকাল বুধবার আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেস জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দেন নীতিশ কুমার। রাতেই বিজেপি নেতাদের নিয়ে দেখা করেন রাজ্যপালের সঙ্গে। আর আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিহারের রাজধানী পাটনার রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো শপথ নেন নীতিশ কুমার। এদিন উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির সুশীল কুমার মোদি। শপথবাক্য পাঠ করান বিহারের রাজ্যপাল কেশরিনাথ ত্রিপাঠি।

শপথ গ্রহণের দুদিনের মধ্যে বিহার বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ দিতে হবে নীতিশ কুমারের সরকারকে। বিহারের বিধানসভার আসনসংখ্যা ২৪৩। এর মধ্যে নীতিশের দল জেডিইউ ও বিজেপির ১৩২ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য দরকার ১২২ জন বিধায়কের সমর্থন।

সূত্র জানায়, আরজেডি-প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর থেকেই আরজেডি ও জেডিইউ জোটের মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত শুরু হয়। তেজস্বী যাদবকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলেন নীতিশ কুমার। তিনি বলেন, দুর্নীতি মামলায় নিজেকে নিরপরাধ প্রমাণিত করে ফের তেজস্বী যাদব উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বসুন। কিন্তু নীতিশ কুমারের নির্দেশ পালন করেনি আরজেডি।

কয়েক দিনের টানাপড়েন শেষে বুধবার বিকেলে আচমকাই নীতিশ কুমার বিহারের রাজ্যপাল কেশরিনাথ ত্রিপাঠির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেসের ২০ মাসের জোট। তারপরই বিজেপির সমর্থনে বিহারে নতুন সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

লালুপুত্র তেজস্বী যাদব দাবি করেন, দুর্নীতির মিথ্যা মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে জড়িয়ে মানহানি করা হয়েছে। আরজেডি দল বিহারের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যপাল প্রথমে তাঁদের সরকার গঠনের জন্য ডাকেননি।

সবকিছু আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখা ছিল এবং বিজেপির হাত ধরে সেই পরিকল্পনা নীতিশ কুমারই করে রেখেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তেজস্বী।

এ ঘটনায় আজ সকাল থেকে আরজেডির আন্দোলনে উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে বিহার। দুপুর ১২টা থেকে বিহারের প্রতি জেলায় জেলায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে আরজেডি। সকাল থেকেই বিক্ষিপ্তভাবে বিহারের নানা স্থানে অশান্তি শুরু হয়েছে। এদিন সকালেই উত্তর বিহার ও পাটনার সংযোগস্থলে মহাত্মা গান্ধী সেতু অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আরজেডি সমর্থকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যশোর ও শেরপুরের ষোলজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এই ষোলজনের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ব্যক্তিগন।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তদন্তের সারমর্ম তুলে ধরেন সংস্থার জেষ্ঠ সমন্বয়ক সানাউল হক।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আটক, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, হত্যা এবং গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৫১ এবং ৫২তম তদন্ত প্রতিবেদনে যশোর এবং শেরপুরের অভিযুক্তদের বিষয়গুলো উঠে আসে। ৫১ নম্বর তদন্ত প্রতিবেদনের (শেরপুর/ময়মনসিংহ) তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন মনোয়ারা বেগম। আর ৫২ নম্বর তদন্ত প্রতিবেদনের (যশোর/নড়াইল) তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
৫২ নম্বর তদন্ত প্রতিবেদনে যশোরের মো. খন্দকার শওকত আলী বাবুলের রাজনৈতিক পরিচয় বিএনপি, নড়াইলের মো. গুলজার হোসেন খানের রাজনৈতিক পরিচয় আওয়ামী লীগ এবং মো. দাউদ শেখের রাজনৈতিক পরিচয় জামায়াতে ইসলামী উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া মো. বদরুদ্দোজা জামায়াতে ইসলামী, মো. ওমর আলী শেখ ও আব্দুল ওহাব মোল্লার রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে তৎকালীন মুসলীম লীগ সমর্থক হিসেবে।
আর ৫১ নম্বর তদন্ত প্রতিবেদনে মো. এমদাদুল হক, এ কে এম আকরাম হোসেন এবং এস এম আমিনুজ্জামান ফারুক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সানাউল হক জানান, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে রেগুলার মামলা রয়েছে এবং ধনকুবের মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার মুক্তামনিকে ভিডিও কনফারেন্সে দেখলেন সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা। মুক্তামনি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গত ২৫ জুলাই ঢামেকের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মুক্তামনির সার্বিক পরিস্থিতি জানান। সব শুনে প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনিকে প্রয়োজনে বিদেশ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। ওইদিনই ঢামেকের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে মেইল করে মুক্তার বিষয়টি জানানো হয়। পরে তারা বুধবার ভিডিও কনফারেন্স মুক্তামণিকে দেখেন।

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, সাড়ে নয়টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্সে সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা মুক্তামনিকে দেখেন। যে রিপোর্ট গুলো করানো হয়েছে, সেগুলোও দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার যা চিন্তা করেছি, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা তাই বলেছেন। আরো কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। রোগীর যে কনিডশন (শারীরিক অবস্থা) তাতে আস্তে ধীরে কাজ করতে হবে। তারা (সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা) নিজেরা আলোচনা করে জানাবেন-কখন কি করা যায়, পরবর্তী কি চিকিৎসা, কখন তারা নিতে পারবেন।’

গত ১১ জুলাই মুক্তামনিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়। এখনো মুক্তামনির রোগ সনাক্ত হয়নি। তার ডান হাতটি শরীরের চেয়ে মোটা। হাতে যন্ত্রনা হয়, চুলকায়। হাতের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়তে পারে না। অন্যের সহযোগিতা নিয়ে চলাফেরা করতে হয়। মুক্তামনির দুই বছর বয়সে রোগের সূত্র হলেও হাত অস্বাভাবিকভাবে মোটা হয়েছে গত আড়াই বছর আগে।
সম্প্রতি তার অসুস্থতা নিয়ে সাতক্ষীরা জনপ্রিয়তম অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হকের উদ্যোগে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা মুক্তামণির চিকিৎসার সমস্ত দায় গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার বাদী আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে গুরুত্বর অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার বাদী মোসলেম উদ্দিন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক এম এ হামিদ তার গ্রহণ শুরু করেন। সাক্ষ্য দিয়ে গিয়ে মোসলেম উদ্দিন আর কথা বলতে না পারায় তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
উল্লেখ্য ,২০০২ সালের ৩০ আগস্ট কলারোয়ার হিজলদির এক মুক্তিযোদ্ধা পতœী ধর্ষিত হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাতক্ষীরায় এসে তাকে দেখে তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে যশোর বিমান বন্দরে ফিরে যাচ্ছিলেন। এ সময় কলারোয়ায় পৌঁছালে তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। হামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী অক্ষত থাকলেও তার সফর সঙ্গীরা আহত হন। এ সময় তাদের গাড়িও ভাংচুর করা হয়। এ মামলায় তৎকালীন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো.মোসলেমউদ্দিন। এ মামলায় কয়েকজন পলাতক রয়েছেন বাকীরা কেউ কেউ জামিনে অথবা জেলে আটক রয়েছেন।
সাতক্ষীরা জজ কোটের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলু জানান, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার একটি মামলা থেকে মোট ৩টি মামলার উদ্ভব হয়। আজ বৃহস্পতিবার ৩টি মামলার মধ্যে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্যের মামলার সাক্ষ্য গ্রহনের দিন ছিলো। সে মোতাবেক বাদী মোসলেম উদ্দিন জবাববন্দি দিচ্ছিলেন। জবান বন্দির শেষ পর্যায়ে বিরোধী পক্ষে অনেক আইনজীবী কর্তৃক মানসিক চাপে তিনি গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত বাইরের নিয়ে চিকিৎসা করার প্রক্রিয়া চলছে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: মনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে তার অবস্থা খুবই খারাপ। যে কারনে তাকে এই মুহুর্তে বাইরে নিয়ে যাওয়া যাবে না। তার অবস্থার একটু উন্নতি হলে তারপর ঢাকা অথবা অন্য কোথাও চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest