সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

এম রেজাউল করিম : টানা বৃষ্টিতে দেবহাটার বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফসলি জমিগুলোতে পানি জমে বর্ষা মৌসুমে ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে যাওয়াসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকরা। অপরদিকে মৎস্য ঘেরগুলো বর্তমানে পানি কানায় কানায়, যদি জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পায় তাহলে মৎস্য ঘের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন মৎস্য ঘের মালিকসহ এলাকাবাসী। এছাড়া এই টানা বৃষ্টির সাথে সাথে নালা নরদামা ড্রেন এবং খালের নালাগুলো নেট-পাটার মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির কারণে বদরতলা, সুবর্ণাবাদ, নাজিরেরঘের, টিকেট, হিরেরচক, শ্যামনগর, গোবরাখালী, হালদার বাড়ি, শসাডাঙ্গা, আন্দুলপোতা, পারুলিয়া, কুলিয়া, খেজুরবাড়িয়া, সখিপুর, চিনেডাঙ্গা, কোঁড়া, পাঁচপোতা, নারকেলী, দেবহাটা, বসন্তপুর, সুশিলগাতী, নওয়াপাড়া, নাংলাসহ আশপাশের এলাকাগুলোর খাল-বিলে এবং সড়কগুলো পানি জমে থাকায় জনভোগান্তির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির অশংঙ্কা বিরাজ করছে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে সাধারণ মানুষ ঘর ছেড়ে কর্মস্থলে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারছেন না। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ খেটে খাওয়া দিনমুজুর পরিবারগুলো। কর্মস্থলে পৌঁছালেও কর্মহীন থাকতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল-কলেজে পৌঁছাতে পারছেনা সঠিক সময়ে। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারণে হাট-বাজারগুলোতে আসতে পারছে না ক্রেতা-বিক্রেতারা। ইতোমধ্যে উপজেলার ধানের মিল ও ইটের ভাটাগুলোর কর্মকা- সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিরামহীন বর্ষায় আকাশ বন্যা হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দীতে জনজীবন বিপন্ন ও অর্থনীতির বিপর্যয় বিরাজ করছে। বিরামহীন বর্ষা অবশেষে বন্যার রূপ নিয়েছে। যান চলাচল, কর্মচাঞ্চল্য সব এলাকা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়েছে। গত তিন-চার দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের বহু অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত না হলেও এক-দুদিনের মধ্যে প্লাবিত হবে বলে জানাগেছে। কোন কোন এলাকায় পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থা না থাকায় ঘরের মধ্যে পানি প্রবেশ করেছে। রান্না ঘরের চুলায় পানি উঠে রান্নাবান্নায় ব্যাঘাত ঘটছে। গরীব-অসহায় পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে।
দেবহাটায় বিরামহীন বর্ষার কারণ হেতু আকাশ বন্যার কবলে শত শত চিংড়ী ঘের এবং বিভিন্ন ধরনের সাদা প্রজাতির মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায়। ঘেরের ভেড়ি পানি ছুঁই ছুঁই ভাব। ডুবতে বাকি মাত্র সেন্টিমিটার। ডুবে গেলে কোটি কোটি টাকার চিংড়ীসহ বিভিন্ন মাছ পানিতে ভেসে যাবে বলে জানিয়েছেন ঈদগা বাজার সংলগ্ন জুইকুড়া বিলের মৎস্যঘের ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম(মন্টু)। সেই সাথে উপজেলার হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তবে গত কয়েকদিনে সুর্যের আলো এক বারের জন্যেও উঁকি মারেনি। অঝোর ধারায় বর্ষাই কেবল তার আগমন এবং অবস্থান জানান দিয়ে গেছে। জনদূর্ভোগ, জনদূর্যোগ বৈরী আবহাওয়া এবং অতি বৃষ্টি একাকার হয়ে ভিন্ন প্রকৃতির অসহায় এক জীবন যাত্রার প্রতিকৃতি জনমানুষের সঙ্গী হয়। বিরামহীন বৃষ্টি জনজীবনকে কেবল দুর্ভোগে নেয়নি, জনজীবনে এক ধরনের উদ্বেগ, শঙ্কা আর আতঙ্ক ভর করে। কয়দিনে বিভিন্ন বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট খোলেনি। কিছু কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত থাকলেও ক্রেতা সাধারণের উপস্থিতি ছিল সামান্য। তবে কয়েকটি দোকানে রেইন কোট, ছাতা, নেট, পলিথিন বিক্রি ছিল বিশেষ লক্ষ্যনীয়। অবিরাম বর্ষায় আকাশ বন্যার প্রভাবে চাষাবাদে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় অধিকাংশ বীজতলা পানিতে ডুবে যেয়ে ক্ষতির পরিমান সীমাহীন হয়ে দাড়িয়েছে। অধিকাংশ বীজতলা পানিতে ভেসে গেছে। কাঁচাঘর বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
এদিকে টানা বৃৃষ্টিতে মৎস্যঘেরর ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামানা কাছে জানতে চাইলে বলেন, উপজেলায় বাগদা ও গলদা চিংড়ির ৭৭৯৪টি ঘের আছে এবং ৩৭টি সরকারি খাল রয়েছে। তবে মৎস্য ঘের প্লাবিত যাতে না হয় সে জন্য সরকারি খালগুলোর দখল মুক্ত করা হবে। একই সাথে খালগুলো থেকে নেট-পাটা খুব দ্রুত অপসারণ করে উন্মুক্ত করা হবে।
বৃষ্টিতে কৃষির বিপর্যয়ের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিমউদ্দীন জানান, লাগাতর বৃষ্টিতে কৃষির ক্ষয়-ক্ষতির নির্দিষ্ট কোন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে বৃষ্টির ক্ষয়-ক্ষতিতে কৃষকরা সরকারি সহায়তার সুযোগ নেই কেননা এটি প্রকৃতির সৃষ্টি। তবে দুর্যোগে যাতে কৃষক ক্ষতির সম্মুখিন না হয় সে ব্যপারে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এক কথায় আকাশ বন্যার প্রভাবে জেলার লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দীর পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি। অবিলম্বে পানি নিস্কাষণ না হলে প্লাবিত হয়ে জনভোগান্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম বেলাল হোসাইন : রবিবার সারাদেশে এইচএসসি বা সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতবারের তুলনায় এবার পাশের সংখ্যা অনেক। ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের এবারের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬৪জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩ শ ৮৮জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২ শ ২৩জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১ শ ৫০ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩ জন। সরকারি মহিলা কলেজে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শ ৫৩ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ শ ৭জন। পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭৩জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৯৪ জন, বি গ্রেড পেয়েছে ৯১ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৪২জন। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ ১৮ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৬৯ জন। পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩জন, এ মাইনাস ১৮জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৩ জন এবং সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭৩ জন। সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৯১ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৪৭জন। এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩৩জন, বি গ্রেড ৪৪ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, ডি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫ জন। দরগাপুর কলেজিয়েট বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২১ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১৭৪ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৯১ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৬ জন। সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় এবারের আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮৫ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২জন। পাশের হার ৮২ দশমিক ৫২%। সীমান্ত আদর্শ কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২শ ৩১ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৯ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৭০ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬৭ জন, সি গ্রেড ২৮জন। কলারোয়া শেখ আমান উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শ ৫৯ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১শ ৬০ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৬ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫১জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৫৩ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৪৬জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ৩০ জন। ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১শ ১৫ জন এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২ জন, এ গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৭ জন, এ মাইনাস পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২০ জন, বি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ১৯ জন, সি গ্রেড পেয়ে উত্তর্ণী হয়েছে ২৯ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় সিগারেটের প্যাকেট চুরির অভিযোগে এক শিশুকে দড়ি দিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির নাম মো. মাজাহারুল ইসলাম (৮)। তার বাবা মো. আজাহারুল ইসলাম পৌর শহরের বাসিন্দা। তিনি শ্রমিকের কাজ করেন।
আজ রোববার দুপুর দুইটার দিকে মদন উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে শান্ত মুন্সির দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মদন এলাকা থেকে শিশু মাজাহারুল উপজেলা পরিষদের সামনে যায়। এ সময় শান্ত মুন্সির দোকান থেকে সিগারেটের একটি প্যাকেট হাতে নেয় শিশুটি। টের পেয়ে দোকানদার শিশুটিকে ধরে দোকানের পাশে একটি গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয়। ঘণ্টা খানেক বেঁধে রাখার পর ঘটনাটি দেখে স্থানীয় লোকজন শিশুটির বাঁধন খুলে দেন।
দোকানদার শান্ত মুন্সি বলেন, ‘শিশুটি দোকান থেকে সিগারেটের প্যাকেট চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তাকে আটক করে কিছু সময়ের জন্য গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। তাকে মারধর করা হয়নি।’
শিশুটির বাবা আজাহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যবসায়ী শান্ত মুন্সি আমার ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে এক ঘণ্টার মতো বেঁধে রেখেছেন। তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমরা গরিব মানুষ কার কাছে বিচার চাইব।’
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজেদুর রহমানকে ফোন করা হলেও উপপরিদর্শক মো. মারুফ তাঁর ফোন ধরেন। তিনি প্বলেন, ‘ঘটনাটি প্রথমে আমাদের কেউ জানায়নি। পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আমরা কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে শান্ত মুন্সিকে পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে থাকা দোকানদারেরাও মুখ খোলেননি। শিশুটিও বাড়িতে ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লর্ডসে এক জমজমাট ফাইনাল উপহার দিল মেয়েদের বিশ্বকাপ। প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মর্যাদা ভারতের হাত ফসকে বেরিয়ে গেল। রবিবার আনিয়া শ্রাবসোলের অবিশ্বাস্য বোলিং নৈপুণ্যে তাদের ৯ রানে হারিয়ে চতুর্থবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো ইংল্যান্ড।

লরেন উইনফিল্ড ও ট্যামি বিউমন্টের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডের। কিন্তু ৪৭ রানে রাজেশ্বরী গায়েকোয়ারের বলে এ জুটি ভাঙতে বাধে বিপদ। পুনম যাদবের জোড়া আঘাতে ১৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সারা টেলর ও নাটালি স্কিভার হাল ধরেন দলের। তাদের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে স্বস্তি ফেরে। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে যখন টেলর আউট হন তখন ভাঙল ৮৩ রানের জুটি। ঝুলন গোস্বামী টানা দ্বিতীয় উইকেট পান ফ্রান্সেস উইলসনকে ফিরিয়ে।

স্কিভার ৫১ রানে প্রতিরোধ গড়েন অনেকক্ষণ। তার সঙ্গে ক্যাথেরিন ব্রান্টের ৩৪ ও জেনি গুনের অপরাজিত ২৫ রানের সুবাদে দলীয় স্কোর দুইশ ছাড়ায়। ৭ উইকেটে ২২৮ রান করে ইংল্যান্ড।

খুব বড় স্কোর নয়। ভারতও লক্ষ্যে ছুটছিল স্বাচ্ছন্দ্যে। ৪৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পুনম রাউত ও হারমানপ্রীত কৌরের জুটিতে সহজ জয়ের ইঙ্গিত পেয়েছিল ভারত। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা হারমানপ্রীত আউট হন ৫১ রানে। ভারতকে খুব বেশি দুশ্চিন্তায় ফেলেনি তার উইকেট। কারণ সেঞ্চুরির হাতছানি পাচ্ছিলেন পুনম। কিন্তু ১৪ রানের আক্ষেপ থেকে যায় এ ওপেনারের। দলীয় ১৯১ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হয়ে শ্রাবসোলের দ্বিতীয় শিকার হন পুনম। তার ৮৬ বলের ইনিংস সাজানো ১১৫ বলে, চারটি চার ও ১টি ছয়ের।

পুনম আউট হন দলকে ৩৮ রান দূরে রেখে। তখনও ভারতের হাতে ছিল ৬ উইকেট। কিন্তু এ ওপেনারকে ফেরানোর পরই অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। শ্রাবসোলের ডানহাতি পেসে বিপর্যস্ত ভারত। দুই ওভারে তার জোড়া আঘাতে ২৩ রানের ব্যবধানে বাকি ৬ উইকেট হারায় দ্বিতীয় ফাইনাল খেলতে আসা দলটি। ৪৮.৪ ওভারে ২১৯ রানে অলআউট হয় ভারত।

৯.৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন শ্রাবসোল। অ্যালেক্স হার্টলি নেন ২ উইকেট। বাকি দুই উইকেট গেছে রানআউটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ আসনে আ.লীগদলীয় মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় জনসংযোগ করলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান সোহাগ।
শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আগামি জাতীয় সংসদ নিবাচনে নৌকাকে বিজয়ী করার আহবান জানিয়ে সাবেক ছাত্রনেতা ও আঞ্চলিক যুদ্ধাপরাধ নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি কামরুজ্জামান সোহাগ কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতায় এ গণসংযোগ করেন।
রবিবার সন্ধ্যায় ৮নং কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অফিস কক্ষে জনসাধারণেরর সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।
সভায় উপস্থত ছিলেন কেরালকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আ. হামিদ সরদার, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম লিটনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ত্রাণ পেয়েও না পাওয়ার মিথ্যা অভিযোগ করায় এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কান ধরে ক্ষমা চাওয়ানো হয়েছে। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদে গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে।

কান ধরে ক্ষমা চাওয়া ওই ব্যক্তি দাউদপুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইনাতআলীপুর গ্রামের লুৎফুর রহমান ওরফে লকুস মিয়া। তাঁর কান ধরে মাফ চাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্যাকবলিত এলাকাবাসীদের নিয়ে একটি সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ওই সমাবেশে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। ওই দিন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিককে লুৎফুর রহমান ত্রাণ পাননি বলে অভিযোগ করেন। এ কারণে ওয়ার্ড সদস্যসহ স্থানীয় লোকজন সুধী সমাবেশে লুৎফুরকে হাজির করেন। পরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের ত্রাণ নেওয়ার তালিকায় তাঁর নাম আছে। এ নিয়ে সমাবেশে লুৎফুরকে নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল বাছিত ওরফে বাবুল তাঁর কান টেনে ধরেন। এ সময় লুৎফুর হাত জোড় করে সবার সামনে ক্ষমা চান।

লুৎফুরের কান ধরার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ভুল বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন দাউদপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এইচ এম খলিল।

আজ রোববার যোগাযোগ করা হলে খলিল বলেন, ছবিটি আসলে ভুল বার্তা দিয়ে প্রচার করা হয়েছে। ত্রাণ পেয়েও ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ শুনে সমাবেশে উপস্থিত সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তখন এ পরিস্থিতিতে লুৎফুরকে তাঁর আত্মীয়রা সমাবেশে হাজির করেন। তিনি হাত জোড় করে মাফ চাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।

কান ধরা প্রসঙ্গে খলিল বলেন, এ কাজ ব্যক্তিগতভাবে করা। যিনি কান টেনে ধরেছিলেন, তিনি লুৎফুরের এলাকার মানুষ। এক কথায় জনরোষ থেকে বাঁচাতে তিনি এ কাজ করেছেন।

লুৎফুরের কান টেনে ধরা আবদুল বাছিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা একই এলাকার। ওই দিন সমাবেশটা ছিল সর্বদলীয়। ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে সমাবেশ অইছে। ত্রাণ পাইয়াও না পাওয়ার কথা মিডিয়াতে কওয়ায় মানুষ ক্ষুব্ধ হয়। লুৎফুর তখন নিজ থেকেই মাফ চান।’

আপনি কান টেনে ধরলেন কেন—এমন প্রশ্নে বাবুল বলেন, ‘আফনারা সত্য ঘটনা খোঁজ নিয়া দেখউকা, আমি তাঁরে বাঁচাইবার লাগি হালকাভাবে কান ধরছি। লুৎফুরের এই নিয়া কোনো অভিযোগ নাই।’

লুৎফুর একজন দিনমজুর। মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ‘ভুল করছিলাম’ বলে ঘটনাটি এড়িয়ে যান। এ নিয়ে আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

তবে, ওই দিন সমাবেশে উপস্থিত সাতজন প্রত্যক্ষদর্শী ও তিনজন সংবাদকর্মী জানিয়েছেন, লুৎফুরকে জোর করে সমাবেশে হাজির করা হয়। টানাহেঁচড়া করে কান ধরাতে বাধ্য করা হয়। এ সময় উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান ঘটনা প্রত্যক্ষ করে দ্রুত সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন।

অবশ্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান দাবি করেন, তিনি এ ঘটনাটি পরে শুনেছেন। ঘটনা ঘটার আগে তিনি সেখান থেকে চলে গেছেন।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাহেদ মোস্তফা বিকেলে বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, যেভাবে তাঁকে কান ধরা হয়েছে, মাফ চাওয়ানো হয়েছে, সেটা অন্যায় হয়েছে। আমি সমর্থন করি না। তবে এর পেছনের ঘটনা হচ্ছে, ওই লোক বিগত তিন মাস ত্রাণসহায়তা পাচ্ছেন, এরপরও তিনি বলেছেন ত্রাণ পাইনি। মানুষ ক্ষুব্ধ এ কারণেই।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, যে লোক তাঁর কান ধরেছেন, তিনি তাঁরই এলাকার। তাঁদের দাবি, পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁরা নিজেদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ নিয়ে কোনো অভিযোগও নেই।’ অভিযোগ পেলে প্রশাসন এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে বলে জানান তিনি।

সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম : ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার একজন আদর্শ শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সংস্কারক। তার আদর্শ চেতনাকে আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। তার আদর্শে অনুপ্রেণিত হতে পারলে ভালো মানুষে পরিণত হওয়া সম্ভব। তিনি ছিলেন একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক। ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি প্রতিশুতি প্রদান করেন ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের স্মৃতি রক্ষার্থে টাউনশ্রীপুর হাইস্কুলে একটি অফিস কক্ষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি স্মৃতি পাঠাগার তৈরি করে দেবেন। তার স্মৃতির প্রতি সম্মান রেখে ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টার স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রবিবার দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ১১ টায় টাউনশ্রীপুর হাইস্কুলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শাহজাহান মাষ্টার স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সাবেক অধ্যাপক আনিছুর রহমানের সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, জেলা জজকোর্টের পিপি এ্যাড. ওসমান গনি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড.আবুল কালাম আজাদ, জেলা জাসদের সভাপতি কাজী রিয়াজ, সাধারন সম্পাদক সুধাংশু শেখর সরকার, দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ইয়াছিন আলী, শাহজান মাস্টারের পুত্র ও বাংলাদেশ বেতারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ফারুক মাহবুবুর রহমান, টাউনশ্রীপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, পারুলিয়া ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী প্রমুখ। এছাড়া মিলাদ মাহফিল, দোয়া অনুষ্ঠান, মোনাজাত এবং দুপুরে তাবারুক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ নম্বর সেক্টরের প্রতিষ্ঠাতা ও সাব সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাষ্টারের শাহজাহানপুর গ্রাম উদ্বোধন, বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি প্রদান, সরকারিভাবে দিবসটি পালন, কল্যাণ ট্রাস্ট জোরদারকরণ, জেলায় শাহজাহান স্মৃতি স্থম্ভ, স্কুল, হাসপাতাল নির্মাণসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড বাস্তায়নের জোর দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিতে গিয়ে পুলিশের ‘কাঁদানে গ্যাসের শেলে’ দুই চোখে আঘাত পাওয়া সিদ্দিকুর রহমানের অস্ত্রোপচারের পর তাঁর ডান চোখে কোনো আলো দেখছেন না। বাঁ চোখে কখনো আলো দেখার কথা বলছেন। কখনো বলছেন, আলো দেখছেন না।

গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসকেরা সিদ্দিকুরের দুই চোখে অস্ত্রোপচার করেন। আজ সকালে চিকিৎসক বোর্ড বসে পরে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ইফতেখার মনির সিদ্দিকুরের বর্তমান অবস্থা সম্পর্ক এই তথ্য জানিয়েছেন।

ইফতেখার মনির বলেন, গতকালের অস্ত্রোপচারের পরও সিদ্দিকুর ডান চোখে কোনো আলো দেখছেন না বলে জানিয়েছেন। বাঁ চোখের বিষয়ে কখনো বলছেন আলো দেখছেন, কখনো বলেছেন দেখছেন না। এটাকে কিছুটা ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর স্নাতক শেষে সরকারি চাকরির জন্য বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছিলেন সিদ্দিকুর।

পুলিশের ‘কাঁদানে গ্যাসের শেলের’ আঘাত লাগে তাঁর দুই চোখে। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশের একজন সদস্য দৌড়ে এসে খুব কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ছেন। তার পরপরই মাটিতে পড়ে যান সিদ্দিকুর। রাস্তার ওই স্থানটি রক্তে লাল হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest