ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ভালোবেসে মারিয়ানাকে চুমু খেয়েছিলেন তার বাবা-মা, আত্মীয়রা। সবাই চেয়েছিলেন আদর-ভালোবাসায় শিশুটিকে জড়িয়ে রাখতে। কিন্তু সেই ভালোবাসার চুমুই যে কাল হবে, ছিনিয়ে নেবে একরত্তি মেয়েটাকে তা ছিল কল্পনারও অতীত। সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন মারিয়ানার মা নিকোল। সেখানেই তিনি জানিয়েছেন মারিয়ানার বেঁচে না থাকার সেই খবর।
মাত্র ১৮ দিন বয়স হয়েছিল নবজাতকের। ফুলের মতো ফুটফুটে মেয়ে। কিন্তু এমন পরিণতিতে শেষ হবে তার জীবন, কে ভেবেছিল? এইচএসভি-১ নামের একটি ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমিত হয়েছিল মারিয়ানা। কারও চুমু থেকেই ভাইরাসটি বাসা বেঁধেছিল ছোট্ট শরীরে। দ্রুতই তা ছড়িয়ে পড়ে। জন্মের কয়েক দিন পর থেকেই তাই মারাত্মক সর্দি বসে গিয়েছিল মারিয়ানার। সেখান থেকে ভাইরাস আক্রমণ করে মস্তিষ্কের কোষে। এরপর মেরুদ- হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত দেহে। শেষের কয়েকটা দিন ইউনিভার্সিটি অব লোয়া চিলড্রেন’স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল সে। মাত্র ১৮ দিন বয়সে মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয় মারিয়ানার।
এক সাক্ষাৎকারে নিকোল জানান, একদিন সকালে হঠাৎই নড়াচড়া বন্ধ করে দেয় মারিয়ানা। খাওয়া-দাওয়া, স্বাভাবিক কাজকর্মও বন্ধ করে দিয়েছিল। মারিয়ানাকে নিয়ে যাওয়া হয় শিশু হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা জানান, ভয়ংকর ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে মারিয়ানার দেহে। এইচএসভি-১ টাইপের এই ভাইরাস কারও খোলা মুখ বা চুমু থেকেই বাহিত হয়।
ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালাবাসাস পেডিয়াট্রিক্স তানিয়া অল্টম্যান জানালেন, কারও শরীরে এই ভাইরাস থাকলে চুমু থেকে তা ছড়ানো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বিশেষত প্রথম দু’মাস বাচ্চাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাও বেশি থাকে। মারিয়ানার ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছিল। তবে মারিয়ার মা-বাবা নিকোল ও শেনের শরীরে এই ভাইরাস ছিল না বলে জানা গিয়েছে। কীভাবে, কার কাছ থেকে ওই ভয়ঙ্কর ভাইরাস মারিয়ানার দেহে এল তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : মানুষ দ্বিপদ প্রাণী এটা আমাদের সবার জানা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, তুরস্কে এমন একটি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে, যে পরিবারের পাঁচ সদস্য হাঁটার জন্য শুধু দুই পা নয়, দুই হাত আর দুই পা এক সঙ্গেই ব্যবহার করে। দক্ষিণ তুরস্কের হাতাই প্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে উলাস নামের এই কুর্দিশ পরিবারটির সন্ধান মিলেছে যে পরিবারের ছ’জন চতুষ্পদ। কেউই দুই পায়ে হাঁটতে পারেন না। তাদের হাঁটতে হলে পায়ের পাশাপাশি দুই হাত ব্যবহার করে হাঁটতে হয়।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জের ভদ্রখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান বাবলু উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। সে উপজেলা সদরের বাজারগ্রাম রহিমপুরের মৃত আব্দুর রহিম পাড়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১০ বছর সহকারী শিক্ষক ও ১৭ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুনামের সাথে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। জানা যায়, তিনি ৩ কন্যা সন্তানের জনক। প্রথম কন্যা ফারহানা তাসনিম গোপালঞ্জ জেলার শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের ৩য় বর্ষের ছাত্রী, দ্বিতীয় কন্যা ফারজানা তাসনিম দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং তৃতীয় কন্যা ওয়াহিদা জামান পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্য ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের কাশিমাড়ীর ঝাপালী সংলগ্ন মোমিন নগরে আবারো বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে সংস্কারের কাজ করছে। আতংকে ১৫গ্রামের মানুষ। গত ২০ জুলাই খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও ভারী বর্ষণের ফলে ঝাপালী সংলগ্ন মোমিন নগরের প্রায় ৪০০ফুট দীর্ঘ বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলাকায় বেড়ীবাঁধ ভাঙন আতংকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ডা: এস, এম, আব্দুর রউফ এর নেতৃত্বে প্রায় ২শত লোক স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে বাধ সংস্কার করছে। ভাঙন এতই ভয়াবহ যে, যে কোন মূহূর্তে নদীর লবণাক্ত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারে। পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে মৎস্য ঘের, বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ আসন্ন আমন ধানের বীজ ক্ষেত প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও জান মালের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে না আসলে ক্ষতির পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বাড়বে এবং ১৫টি গ্রামের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : মাছখোলা বেতনা নদীর বেড়িবাদে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেওয়া আতংকিত এলাকাবাসী। সরেজমিনে দেখা গেছে পারমাছখোলা গ্রামের মৃত জিয়াদ আলী মাস্টারের বাড়ির সংলগ্ন পাউবোর বেড়িবাধে ভয়াবহু ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছে এলাকার মানুষ। আতংকিত এলাকাবাসী জানায়, প্রায় একযুগ পূর্বে একই জায়গায় বাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। সে সময় পাউবোর তত্ত্বাবধায়নে বাধটি সংস্কার করা হয়। সম্প্রতি সময়ে বেতনা নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় নদীর দুইপাশে নদীর উত্তর পাশে নদীর পানির প্রবল শ্রোত এর কারণে ভাঙন দেখা দেয়। ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান মতি বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে বাধের ভাঙন লক্ষ্য করা যায়। এখনি যদি বাধটি সংস্কার করা না হয় তাহলে ভাঙন আকার আরো বৃদ্ধি পাবে। জরুরি ভিত্তিতে বাধটি সংস্কার না হলে বাধ ভেঙে প্রায়ই ২০ গ্রামের মানুষ প্লাবিত হবে। এলাকাবাসী বাধ সংস্কার করার জন্য পাউবোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া সীমান্তে পতাকা বৈঠকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৪ বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ও বুধবার সন্ধ্যায় তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জে ৪৬তম জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসার গ্রীস্মকালিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুুতি সভা বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুর রহমান। প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শেখ ইকবাল আলম বাবলু, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, পাইল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ মোমেনুর রহমান, বিষ্ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার মন্ডল, চৌমুহুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ হোসেন, কুশুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন কুমার, হাজী তফিলউদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ রমিজউদ্দিন, মৌতলা মাদ্রাসার সুপার মহসীন আলী, রতনপুর বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক অচিন্ত কুমার ঘোষ, শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিশির দত্ত, ভদ্রখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক শ্যামল কর্মকার, পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষিকা রওশানারা খানম প্রমুখ। সভায় উপজেলা পর্যায়ে ৪৬তম জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা গ্রীস্মকালিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামি ২২ জুলাই থেকে উপজেলার ৪টি উপজোন বিটিজিআর হাইস্কুল মাঠ, ধুলিয়াপুর স্কুল মাঠ, কুশুলিয়া স্কুল মাঠ ও মৌতলা স্কুল মাঠে ৫৬টি হাইস্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় গ্রীম্মকালীন খেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উপ-কমিটির গঠন করা হয়েছে।
